Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জোয়ার সত্ত্বেও মাত্র ৭৭,
এবার ভাটার টান
তন্ময় মল্লিক

দিল্লির নেতাদের তোলা ‘হাওয়া’য় বিজেপি ৭৭টি আসনে জিতলেও বাংলায় জমি ধরে রাখা গেরুয়া শিবিরের কাছে মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ। আসলে এরাজ্যে বিজেপির জনসমর্থন জোয়ারে ভেসে আসা কচুরিপানার মতো। মূল থাকলেও তা মাটি ছোঁয় না। তা‌ই কখনও স্রোতের টানে, কখনও দমকা হাওয়ায় বদলে যায় তার অভিমুখ। এক জায়গায় থাকার জন্য লাগে শিকড়। আন্দোলনের পথ বেয়ে  জন্মায় রাজনীতির শিকড়। বাংলায় মাটি ধরে রাখার সেই শিকড় এখনও বিজেপির গজায়নি। তাই যে সমর্থন জোয়ারে ভেসে এসেছিল, তা ভাটার টানে ফিরবেই ফিরবে একদিন। এটাই জাগতিক নিয়ম। টইটুম্বুর নদীর জল নামার পর শুরু হয় ভাঙন। রাজনীতির নদী বড় খরস্রোতা। শিকড় গভীরে না গেলে টিকে থাকা অসম্ভব। বিজেপির এবার ভাঙনের পালা।
মাত্র পাঁচ বছর আগেও এরাজ্যে বিজেপি ছিল হামাগুড়ি দেওয়ার অবস্থায়। ২০১৬ সালের নির্বাচনেও সিপিএম-কংগ্রেস জোট তৃণমূলের সঙ্গে সমানে সমানে টক্কর দিয়েছিল। আসন অনেক কম পেলেও প্রাপ্ত ভোটের বিচারে উভয়েপক্ষের পার্থক্য ছিল মাত্র চার শতাংশ। পাঁচ বছর পর কংগ্রেস-সিপিএমের আসন সংখ্যা শূন্য। বামের ভোটে বিজেপি আঙুল ফুলে কলাগাছ। ৩ থেকে বেড়ে ৭৭। তন্ন তন্ন করে খুঁজলেও সিপিএমের মতো এমন ‘কালিদাস মার্কা’ দল ভূ-ভারতে পাওয়া যাবে না।
প্রশ্নটা হচ্ছে, বঙ্গে বিজেপির বৃদ্ধির কারণ কী? এর পিছনে কি তাদের দলের জনমুখী কোনও কর্মসূচি ছিল? উত্তরটা হল, না। তাহলে বিজেপি শাসিত কেন্দ্রীয় সরকার কি এমন কোনও প্রকল্প ঘোষণা করেছিল, যাতে জনগণের প্রভূত উপকার হয়েছিল? তারও উত্তর, না। তা সত্ত্বেও বামেদের ভোট বিজেপির দিকে গিয়েছে। কেন? কারণ একটাই, সিপিএম নেতৃত্বের দুর্বলতা, কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর অনিচ্ছা। 
সিপিএম নেতৃত্ব পঞ্চায়েত ও পুরসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই না করে পিঠ বাঁচানোর রাস্তা নিয়েছিল। মাঠে না নেমে সংবাদমাধ্যমের সামনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে হাত ধুয়ে ফেলেছিল। অথচ এই সিপিএমই রাজ্যটাকে ‘হার্মাদদের মুক্তাঞ্চল’ বানিয়েছিল।
লড়াই আর আন্দোলনেই রাজনীতির মাটি পাথরের মতো শক্ত হয়। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেটা বুঝেছিলেন বলেই আন্দোলনের রাস্তা থেকে সরে আসেননি। আন্দোলন করতে গিয়ে দিনের পর দিন লাঞ্ছিত হয়েছেন, মার খেয়েছেন। এমনকী, চুলের মুঠি ধরে রাইটার্স বিল্ডিং থেকে তাঁকে বের করে দেওয়া হয়েছে। তবুও লড়াইয়ের রাস্তা ছাড়েননি। মুখ্যমন্ত্রী হয়েও বজায় রেখেছেন প্রতিবাদী চরিত্র। 
চোখের সামনে এমন দৃষ্টান্ত থাকা সত্ত্বেও সিপিএম কার্যত ‘বিনাযুদ্ধে’ হার স্বীকার করে নিয়েছিল। ‘লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই’ স্লোগানে বেড়ে ওঠা সিপিএম নেতৃত্বের ‘অসহায় আত্মসমর্পণ’ দলের কর্মী সমর্থকরা মানতে পারেননি। তাঁরা মমতা বিরোধী লড়াইয়ে বিকল্প শক্তির সন্ধান করছিলেন। বিজেপি মাথাচাড়া দিতেই তাকে ‘ঢাল’ করতে চেয়েছিলেন বাম কর্মী সমর্থকরা। বিজেপিকে সমর্থনের পিছনে নীতি বা ভালোবাসা নয়, ছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার তীব্র বাসনা।
অনেকে মনে করেন, ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচন বঙ্গ রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। তৃণমূলের ৩৩ শতাংশ আসন বিনা ভোটে জেতার পিছনে ভক্তি নয়, ছিল ভয়। মানুষ সেটা মানতে পারেননি। উল্টোদিকে নিরাপত্তা দিতে না পারায় সিপিএমের কর্মীরাও নেতৃত্বের উপর ভরসা হারিয়েছিলেন। তাঁরা ভেবেছিলেন, সিপিএম নয়, বিজেপিই  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হটাতে পারবে।
এই বিশ্বাস থেকেই বাম ভোটাররা লোকসভায় বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন। বিজেপি ১৮টি আসন জেতায় তাঁদের সেই বিশ্বাস আরও বেড়েছিল। তাঁরাও নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহের কথায় বিশ্বাস করেছিলেন। ভেবেছিলেন, মমতার পরাজয় নিশ্চিত। তাই সিপিএম একঝাঁক উজ্জ্বল মুখকে প্রার্থী করলেও বাম ভোটাররা বিজেপিকেই ভোট ট্রান্সফার করেছেন। উদ্দেশ্য, মমতাকে শায়েস্তা করা।
ফলাফল বিশ্লেষণ করলেই বাম ভোট যে রামেই আছে, তা স্পষ্ট হবে। ট্র্যাডিশনালি রাজ্যের ‘বাম দুর্গ’ বলে পরিচিত এলাকাতেই বিজেপি জয় পেয়েছে। বনগাঁ, আরামবাগ, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া লোকসভা কেন্দ্রে বছরের পর বছর বামেরাই জয়ী হতো। এতদিন যাঁরা বামেদের ভোট দিতেন তাঁরাই বিজেপিকে সমর্থন করেছেন। লক্ষ্য, মমতাকে ক্ষমতাচ্যুত করা।
বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলার মধ্যবিত্ত বামভোট বিজেপিতে গেলেও আদিবাসীরা জীবন ও জীবিকাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। পুঁথিগত শিক্ষার কাছে হার মেনেছে অর্জিত অভিজ্ঞতা। তাঁরা বুঝেছেন, কোনটা বাস্তব আর কোনটা মরীচিকা। তাই তাঁরা নিঃশব্দে বিজেপির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। সেই কারণে লোকসভা ভোটের সাফল্য বিজেপি ধরে রাখতে পারেনি। মাত্র দেড় বছরেই গোটা জঙ্গলমহলে গেরুয়া শিবির মুখ থুবড়ে পড়েছে। সিপিএমেও ফেরেনি আদিবাসী ভোট, গিয়েছে তৃণমূলে। সিপিএম নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রাভঙ্গের চেষ্টা করেছিল। তাতে সিপিএমের নাক কাটা গেলেও মমতার যাত্রাভঙ্গ হয়নি।
বিজেপির দিল্লির নেতৃত্ব শুধু বাংলাকে দখল করতেই চায়নি, তারা লাগাতার বাংলাকে কালিমালিপ্ত করারও চেষ্টা করেছে। এখনও সেই চেষ্টা চলছে। নেতাদের উস্কানিমূলক কথাবার্তা অব্যাহত। নির্বাচন পরবর্তী সংঘর্ষকে হাতিয়ার করে বাংলার গায়ে কালি ছেটানোর চেষ্টা কম হয়নি। কিন্তু, ক্ষমতায় বসেই পরিস্থিতি সামলে নিয়েছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকার প্রশংসা করেছে হাইকোর্টও। 
বিজেপি নেতৃত্ব দেশকে বোঝাতে চাইছে, পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা কাশ্মীরের মতো। তাই পার্টি অফিসে ও বিধায়কদের কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা দিচ্ছে। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে যখন রাজ্যজুড়ে আংশিক লকডাউন চলছে তখন বিজেপির আশাহত কর্মীদের চাঙ্গা করতে ‘কেন্দ্রের এজেন্ট’ নেমে পড়েছে। উত্তেজনা প্রশমনের বদলে দেওয়া হচ্ছে উস্কানি। বিজেপি এই ধরনের কাজ যত বেশি করবে বাংলায় তাদের মাটি তত আলগা হবে। নির্বাচনে গোহারা হয়েও শিক্ষা নেয়নি। সেই একই ভুল করে যাচ্ছে।
রাজনীতিতে সবচেয়ে মূল্যবান শব্দটি হল ‘বিশ্বাস’। কথায় ও কাজের মধ্যে মিল থাকলেই মানুষের মধ্যে বিশ্বাস জন্মায়। রাজনীতিতে সেই বিশ্বাস এনে দেয় সাফল্য। বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে প্রধানমন্ত্রী বারবার বলেছেন, ‘এবার তাঁরা বাংলায় ২০০-র বেশি আসন পাবেন।’ সিপিএমের অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, দিল্লির বিজেপি নেতৃত্ব সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই এই দাবি করছেন। কিন্তু, ফল বের হতেই সাধারণ মানুষ রকের আড্ডাবাজ নেতাদের ও প্রধানমন্ত্রীর কথার ফারাক পাচ্ছেন না। তাই বিজেপির প্রতি বামেদের মোহভঙ্গ স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।
মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার ব্যাপারে বিজেপি নেতৃত্ব নজির গড়েছে। এর খেসারত বিজেপিকে দিতেই হবে। বিজেপি নেতৃত্বের প্রতি সাধারণ মানুষের এই অবিশ্বাস বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের জন্ম দেবে। বিভিন্ন জেলায় বিজেপির পঞ্চায়েত প্রতিনিধিরা তৃণমূলে যোগ দিতে শুরু করেছেন। আগামী দিনে সংখ্যাটা বাড়বে। তাই বিধানসভার বাইরে বিজেপি কতদিন প্রধান বিরোধী থাকবে, সেটাই গবেষণার বিষয়। করোনার সঙ্কটকালে বিজেপিকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও ময়দানে রয়েছে ‘রেড ভলান্টিয়ার’।
রাজনীতির রং দ্রুত বদলায়। সেই পরিবর্তন কখনও কখনও কল্পনাকেও হার মানায়। ক’জন বিশেষজ্ঞ ভেবেছিলেন, ৩৪ বছর রাজত্ব করা সিপিএম ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার মাত্র দশ বছরের মধ্যে লোকসভায় ও বিধানসভায় শূন্য হয়ে যাবে। কেউ কি ভাবতে পারতেন, সিপিএম যে নেতাদের দাপটে বাঘে গোরুতে একঘাটে জল খেত তাঁদের জমানত জব্দ হবে? ক’জন ভাবতে পেরেছিলেন, ২৩৫ আসনে গর্বিত বামফ্রন্টের সামনে সপাটে বন্ধ হয়ে যাবে বিধানসভার দরজা!
প্রশ্ন উঠছে, কেন শূন্য? উত্তর একটাই, সিপিএম নেতৃত্বের মমতা-বিদ্বেষ। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা দূরের কথা, সিপিএম সবসময় তাঁকে শূলে চড়িয়েছে। যদি তারা চাঁদ সওদাগরের মতো বাঁ হাতেও ফুলটা ছুড়ত তাহলেও কিছুটা গ্রহণযোগ্যতা থাকত। মানুষ ভাবত, সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলার হিম্মত এখনও বামেদের আছে। কিন্তু মমতার বিরুদ্ধে কেবল আক্রমণই শানিয়ে গিয়েছে। তার পুরো ফায়দা নিয়েছে বিজেপি। একেই বলে, নেপোয় দই খাওয়া।
স্থান, কাল, পাত্র বিশেষে পরিবর্তনের শিক্ষা দিয়েছিলেন কাল মার্কস। অনেকে বলছেন, বামেদেরও বদলানোর সময় এসেছে। নেতৃত্বকে ঠিক করতে হবে, তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ কে, মমতা নাকি বিজেপি? কারণ বাংলার মানুষ বুঝিয়ে দিয়েছেন, নবান্ন বহু দূর। তাই কমরেড, এক নম্বরের জন্য নয়, লড়াইটা আপতত দ্বিতীয় হওয়ার।
15th  May, 2021
মমতার সিদ্ধান্তের উপর
ঝুলছে বিজেপির ভাঙন
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতি অনেকটা নাগরদোলার মতো। উপরে উঠলে নামতে হবেই। এটাই ভবিতব্য। অপেক্ষাটা শুধু সময়ের। বিজেপির দিল্লির নেতারা উপরে উঠে নামার কথা ভুলে গিয়েছিলেন। বাংলার নির্বাচন বিজেপির সেই নামার দিকটাই নির্দেশ করে দিয়েছে। বিশদ

ভারতের প্রশাসনের স্থাপত্য
গোপালকৃষ্ণ গান্ধী

রাজনীতিক-সিভিল সার্ভেন্ট সম্পর্কের মজবুত ভিতটা নির্মাণ করে গঠন, বিশ্বাস ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা। সর্দার প্যাটেল এটা অনুধাবন করেছিলেন।
বিশদ

18th  June, 2021
বিরুদ্ধ মত মানেই
দেশদ্রোহ নয়
সমৃদ্ধ দত্ত

 

১৮৭৬ থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে অন্তত ১৮টি দুর্ভিক্ষ হয়েছে। প্রায় ২ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়। তা সত্ত্বেও মানুষের উপর ল্যান্ড ট্যাক্সের বোঝা না কমিয়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল ব্রিটিশ।
বিশদ

18th  June, 2021
লাক্ষাদ্বীপে গেরুয়া অ্যাজেন্ডার আতঙ্ক!
মৃণালকান্তি দাস

টলিউড বা বলিউডের মতো প্রচুর ছবি তৈরি হয় না এখানে। নামমাত্র ছবিতেই বিনোদন খোঁজে এই প্রবাল দ্বীপ। তবুও সংবাদ শিরোনামে দ্বীপের এক অভিনেত্রী এবং পরিচালক আয়েশা সুলতানা।
বিশদ

17th  June, 2021
মুখরক্ষা করল উত্তরবঙ্গ,
পোড়াচ্ছে তাকেই!
হারাধন চৌধুরী

সম্ভাবনা ছিল দু’টো। মমতা ফিরবেন অথবা নতুন শক্তি হিসেবে উঠে আসবে বিজেপি। বিজেপি ফেল করেছে। ফিরেছেন মমতা। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হ্যাট্রিকের শক্তি এতটা প্রবল হবে, অনেকেই বোঝেনি।
বিশদ

16th  June, 2021
মূল্যবৃদ্ধির যন্ত্রণা: আত্মনির্ভরতার নতুন থিম সং
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সেপ্টেম্বর ১, সাল ২০১৩। দিল্লিতে বিজেপির বাইক র‌্যালি। প্রতিবাদ চলছে পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে... ঠুঁটো কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। সেই বাইক মিছিল সেদিন রওনা দিয়েছিল দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের বাসভবনের উদ্দেশে।
বিশদ

15th  June, 2021
দায়িত্ব নিন, আলোচনা
করুন, প্ল্যান বানান
পি চিদম্বরম

টিকাকরণ নিয়ে যে বিশৃঙ্খলা হল, তা ইতিহাসে লেখা থাকবে। ৭ জুন, টেলিভিশন ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দু’টো ভুল শুধরে নিয়েছেন। আমি মনে করি, এটাই তাঁর ভুল স্বীকার করে নেওয়ার কায়দা।
বিশদ

14th  June, 2021
মমতার নির্দেশে
অভিষেকের মাস্টারস্ট্রোক
হিমাংশু সিংহ

এতদিন বাংলার রাজনীতিতে মাস্টারস্ট্রোক কথাটা শুধু জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই সমার্থক ছিল ষোলোআনা। কিন্তু এখন তার আর এক দাবিদার উপস্থিত। পুত্রসম অভিষেক।
বিশদ

13th  June, 2021
সেলিব্রেটি থেকে সংগঠক,
রাজনীতির নতুন ধারা
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই বলে থাকেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন, তৃণমূল ততদিন। তারপর পার্টিটাই আর থাকবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার জবাবও দিয়েছেন। তিনি বহুবার বলেছেন, ‘যাঁরা ভাবছেন, আমি চলে গেলে দলটা উঠে যাবে, তাঁরা ভুল ভাবছেন। তৃণমূলের পরবর্তী প্রজন্ম তৈরি।’ এতদিন তিনি যে কথা মুখে বলতেন, এবার সেটা করে দেখাচ্ছেন।
বিশদ

12th  June, 2021
পুরুষ আধিপত্যের ভিড়ে
সফল শাসক দুই বাঙালি নারী
সমৃদ্ধ দত্ত

রাজনীতির হিসেব-নিকেশ বাদ দিয়ে নিছকই জাতিগত আকাঙক্ষার তাগিদে ২০২৪ সালের দিকে আমরা বাঙালিরা অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে লক্ষ করব এই জাতিটির জার্নিতে সত্যিই কি একটি নতুন ইতিহাস রচিত হবে? একদা একসঙ্গে থাকা দু’টি পাশাপাশি দেশের দুই প্রধানমন্ত্রীই কি বাঙালি নারী হবেন? বিশদ

11th  June, 2021
অবলুপ্তির আত্মঘাতী
পথে সিপিএম
মৃণালকান্তি দাস

গোটা দেশের লোক যখন মোদি-মমতার মরণপণ দ্বৈরথ দেখছে, সিপিএম তখন চোখ বন্ধ রেখে বলেছে, ও-সব ‘সেটিং’। আসলে দল তো একটাই, তার নাম বিজেমূল। ছায়ার সঙ্গে এই পুরো যুদ্ধটাই করা হয়েছে বিজেপি-তৃণমূল বাইনারি ভাঙার নাম করে। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে। বিজেমূল নামক এই বকচ্ছপ ধারণাটাকে জনতা স্রেফ ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।
বিশদ

10th  June, 2021
দেশ নিয়ে মোদির ভাবার
এত সময়ই নেই
সন্দীপন বিশ্বাস

মোদির জনপ্রিয়তার পাড় ভাঙছে। অন্য পাড়ে ক্রমেই জেগে উঠছে মমতা নামের এক নতুন সবুজ, স্বপ্নের ভূমি। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে চোখে চোখ রেখে পাঙ্গা লড়ার শক্তি তিনি আপন ক্ষমতাবলে অর্জন করেছেন। বিশদ

09th  June, 2021
একনজরে
বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার জন্য ফের চীনকেই দায়ী করলেন ডোনান্ড ট্রাম্প। আর সেই সূত্রেই প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য, করোনার জেরে বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছে ভারত। চীনকে কাঠগড়ায় তুলে তিনি নতুন করে দাবি তুললেন, গোটা পৃথিবীর এই পরিস্থিতির জন্য জরিমানা আদায় ...

জমিতে মাটি কাটা নিয়ে বিবাদকে কেন্দ্র করে মারামারির জেরে দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন জখম হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের বলরামপুরের সরেয়ারপাড় গ্রামে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। ...

বৃষ্টিতে ভেস্তে গেল বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের প্রথম দিনের খেলা। তবে এমটা যে হতে পারে, তার পূর্বাভাস ছিলই। তাই এমন মেগা ম্যাচের ভেন্যু নির্বাচনের ক্ষেত্রে ...

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে সংক্রমণ। সংক্রমণের নিরিখে রাজ্যে প্রথম স্থানে উঠে এসেছে এই জেলা। যা সবার কপালেই দুশ্চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর-স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা। গুপ্ত শত্রুতার মোকাবিলায় সতর্কতা প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষায় বিলম্বিত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 
১৫৯৫ - ষষ্ঠ শিখ গুরু  গুরু হরগোবিন্দের জন্ম
১৯০৭ - শিক্ষাবিদ ও নারী শিক্ষা প্রচারক উমেশচন্দ্র দত্তের মৃত্যু
১৯৪৭- লেখক সলমন রুশদির জন্ম
১৯৬২ - অভিনেতা আশিষ বিদ্যার্থীর জন্ম
১৯৭০- রাজনীতিক রাহুল গান্ধীর জন্ম
১৯৮১- ভারতে টেস্ট টিউব বেবির জনক সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৮৫ - অভিনেত্রী কাজল আগরওয়ালের জন্ম
২০০৮- বর্তমানের প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক বরুণ সেনগুপ্তের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৪৬ টাকা ৭৫.৭৪ টাকা
পাউন্ড ১০০.৮০ টাকা ১০৫.৬৮ টাকা
ইউরো ৮৬.২৭ টাকা ৯০.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,০০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,৫৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,২৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭০,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭০,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আষাঢ় ১৪২৮, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১। নবমী ৩৪/৩৪ রাত্রি ৬/৪৬। হস্তা নক্ষত্র ৩৮/৫০ রাত্রি ৮/২৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/১৬, সূর্যাস্ত ৬/১৯/২৮। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/২ গতে ৭/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/১৬ গতে ১/২৪ মধ্যে পুনঃ ২/৪৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ প্রাতঃ ৫/৫০ মধ্যে পুনঃ ৯/২৪ গতে ১২/৪ মধ্যে। বারবেলা দিবা ৬/৩৭ মধ্যে পুনঃ ১/১৮ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৯ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি রাত্রি ৭/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে উদয়াবধি। 
৪ আষাঢ় ১৪২৮, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১। নবমী দিবা ২/৩০।  হস্তা নক্ষত্র অপরাহ্ন ৫/১। সূর্যোদয় ৪/৫৫, সূর্যাস্ত ৬/২২। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪২ গতে ৬/২২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ গতে ৭/৪৭ মধ্যে ও ১১/২০ গতে ১/২৮ মধ্যে ও ২/৫৩ গতে ৪/৫৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৫/৫৪ মধ্যে ও ৯/২৮ গতে ১২/৮ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ মধ্যে ও ১/২০ গতে ৩/০ মধ্যে ও ৪/৪১ গতে ৬/২২ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪১ মধ্যে ও ৩/৪৬ গতে ৪/৫৫ মধ্যে।  
৮ জেল্কদ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
প্রয়াত সাংবাদিক বরুণ সেনগুপ্তের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য মুখ্যমন্ত্রীর
প্রয়াত কিংবদন্তি সাংবাদিক বরুণ সেনগুপ্তের ১৩ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির ...বিশদ

11:39:25 AM

নিউ দীঘায় হোটেল মালিকের রহস্যমৃত্যু
নিউ দীঘায় নিজের হোটেলেই রহস্যমৃত্যু মালিকের। মৃতের নাম সুব্রত সরকার ...বিশদ

11:13:00 AM

বারুইপুরে শ্যুটআউট
একমাস কাটতে না কাটতেই ফের শ্যুট আউটের ঘটনা দক্ষিণ ২৪ ...বিশদ

11:04:50 AM

আরও ৫০ হাজার কিউসেক জল ছাড়ছে দুর্গাপুর ব্যারেজ
দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে এই মুহূর্তে ৫০ হাজার ৫২৫ কিউসেক জল ...বিশদ

09:33:00 AM

করোনা: টানা ৩৭ দিন দৈনিক সুস্থতা টেক্কা দিচ্ছে  দৈনিক সংক্রমণকে
ধীরে ধীরে নিম্নমূখী করোনার গ্রাফ।  পাশাপাশি টানা ৩৭ দিন দৈনিক ...বিশদ

09:32:21 AM

পরিবারের চারজনকে খুন করে পুঁতে রাখার অভিযোগ, ধৃত যুবক
উদয়নকাণ্ডের ছায়া এবার মালদহের কালিয়াচকে। মা-বাবা সহ পরিবারের ৪ জনকে নৃশংসভাবে ...বিশদ

08:59:00 AM