Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সাধু সাবধান, ভাবিয়া করিও কাজ
তন্ময় মল্লিক

‘বদল হবে, বদলাও হবে’। নির্বাচনের আগে দিলীপ ঘোষ থেকে সায়ন্তন বসুদের এটাই ছিল জনপ্রিয়তম স্লোগান। ‘বদলা নেওয়ার’ হুমকির পাশাপাশি চোখা চোখা ডায়ালগের ফুলঝুরি ফুটত। প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে পারেননি অনুব্রত মণ্ডলও। ‘ডাটিয়ে পগার পার করে দেব’ বলার পর অনুব্রতবাবু ‘খেলা হবে’তেই আটকে ছিলেন। কিন্তু বিজেপি নেতাদের হুমকির তুফান ছুটছিল। ‘দিকে দিকে শীতলকুচি হবে’, ‘চারজনকে নয়, আটজনকে মারা দরকার ছিল’, ‘রগড়ে দেব’, আরও কত কী! বিজেপিতে তখন আদি আর দলবদলুদের মধ্যে একে অপরকে ছাপিয়ে যাওয়ার তীব্র প্রতিযোগিতা। সেসব কথাই এখন ব্যুমেরাং হচ্ছে। নেতাদের বোঝা উচিত ছিল, মুখের কথা আর হাতের ঢিল একবার বেরিয়ে গেলে আর ফেরানো যায় না।
মারামারি, খুনোখুনি কোনও সুস্থ মানুষ সমর্থন করতে পারেন না। এই ধরনের কাজের সঙ্গে যারা যুক্ত থাকে, তারা মানসিকভাবে অসুস্থ। একথা মেনে নিয়েও বলছি, নির্বাচনোত্তর সংঘর্ষের জন্য বিজেপি নেতারাই বহুলাংশে দায়ী। এখন অনেকেই মিন মিন করে ‘শান্তি চাই, শান্তি চাই’ বলছেন। মঞ্চে দাঁড়িয়ে বড় বড় ডায়ালগ ঝাড়ার আগে কর্মী সমর্থকদের সুরক্ষার কথাও নেতাদের ভাবা উচিত ছিল। 
প্রতিটি ঘটনার পিছনেই কারণ থাকে। এবারে নির্বাচনের শুরু থেকে যে সমস্ত ঘটনা ঘটেছে তা বিশ্লেষণ করলেই বোঝা যাবে, এই অশান্তি সৃষ্টির দায় কাদের।
একটা কথা মানতেই হবে, রাজ্যে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব সর্বদা শাসক দলের উপরেই বর্তায়। হিংসা নিয়ন্ত্রণে শাসক দল হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেসকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হবে। রাজ্যের মানুষ উন্নয়ন ও শান্তির স্বার্থেই তাদের বিপুল ভোটে জিতিয়েছেন। সেকথা মাথায় রেখেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রিত্বের চেয়ারে বসেই করোনা মোকাবিলা ও রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। 
এবার দেখা যাক, রাজ্যের পরিস্থিতি এমন হল কেন?
২০১১ সালে ৩৪ বছরের সিপিএম জমানার অবসান ঘটেছিল। বাম আমলে এরাজ্যে কংগ্রেস এবং পরবর্তী সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের উপর কম অত্যাচার হয়নি। করন্দা, সূচপুর, কেশপুর, গড়বেতা, ছোট আঙারিয়া, নন্দীগ্রাম, নেতাইয়ের মতো গণহত্যার ঘটনা ঘটেছে। পুকুরে ফলিডল মিশিয়ে মাছ মেরে দেওয়া, খেতমজুর বয়কট, জমি দখলের ঘটনায় জেরবার হয়ে গিয়েছিল বাংলার মানুষ। অনেকেই ভেবেছিলেন, ক্ষমতা বদল হলে রাজ্যে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে। কিন্তু সেটা হয়নি। 
তার প্রথম কারণ ক্ষমতা দখলের অনেক আগে থেকেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘বদলা নয়, বদল চাই।’ জেতার পর তিনি দলীয় কর্মীদের বলেছিলেন, ‘পাড়ায় পাড়ায় রবীন্দ্র সঙ্গীত বাজিয়ে বিজয় উৎসব পালন করুন।’ তাতে রাজ্যের সাধারণ মানুষ শুধু নয়, বিরোধীরাও আশ্বস্ত হয়েছিলেন।
দ্বিতীয় কারণ, সিপিএমের মাতব্বররা আগেই বুঝে গিয়েছিল, হাওয়া ভালো নয়। তাই বেশিরভাগই মস্তানি ছেড়ে সেঁটে গিয়েছিল। অনেকে তলায় তলায় তৃণমূলের সঙ্গে সমঝোতাও করে নিয়েছিল। 
ফলে সিপিএমকে নিয়ে ক্ষোভ থাকলেও অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।
২০১৬ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে সিপিএম ক্ষমতায় ফেরার স্বপ্ন দেখলেও তারা উস্কানির রাস্তায় যায়নি। ফলে তৃণমূল দ্বিতীয়বার জেতার পরেও রাজ্যে তেমন অশান্তির ঘটনা ঘটেনি। ব্যক্তিগত ঝাল মেটানোর জন্য কোথাও কোথাও টুকটাক অশান্তি হলেও তা ব্যাপক আকার নেয়নি। 
সেদিক দিয়ে ২০২১ এর নির্বাচনী প্রেক্ষিত ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিজেপি বাংলা দখলের জন্য সব চেষ্টাই চালিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদার মানুষও দিনের পর দিন দেশের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যক্তিগতভাবে কটাক্ষ করেছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন এজেন্সিকে নির্লজ্জভাবে কাজে লাগানো হয়েছে। নারদ-সারদা কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের চাপ দিয়ে বিজেপিতে নিয়ে গিয়েছে। তাঁদেরই উস্কে দিয়ে তৃণমূলের নেতানেত্রীদের কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ করিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের বুকে যা কখনও হয়নি, এবার সেটাও হয়েছে। জাতপাত ও ধর্মের সুড়সুড়ি দিয়ে প্রকাশ্যে ভোট চাওয়া হয়েছে।
নির্বাচনের মুখে দলবদলু অধিকাংশ নেতা কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী পাওয়ায় ধরাকে সরা জ্ঞান করেছিলেন। মমতাকে ভাঙিয়ে চারচাকায় চড়া নেতারা চার্টার্ড প্লেনের সওয়ারি হয়েছিলেন। ভেবেছিলেন, হাতে চাঁদ পেয়েছেন। কিন্তু মাটিতে যে নামতে হবে, সেটা ভুলে গিয়েছিলেন। তাই বাংলার মানুষ হ্যাঁচকা টানে বাস্তবের রুক্ষ মাটিতে তাঁদের আছড়ে ফেলেছেন। ঘোর কাটতে তাঁদের অনেকেই এখন গাইছেন, ‘আমায় একটু জায়গা দাও মায়ের মন্দিরে বসি।’
তবে দলবদলুদের মধ্যে এবার ‘জাত’ চিনিয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী। খোদ প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় বিজেপিতে আত্মপ্রকাশ। জাতশিল্পী বলে কথা! তাই নিজের জাত বোঝানোর জন্য যোগদান মঞ্চেই ঝেড়েছিলেন ফিল্মি ডায়ালগ, ‘আমি বালিবোড়া নই, জলঢোঁড়া নই, জাত গোখরো। এক ছোবলেই ছবি।’ ভাষা বুঝতে না পারলেও ‘মহাগুরু’র ডায়ালগে হাততালির ঝড় দেখে মোদিজি হয়তো ভেবেছিলেন, বাঙালির সেন্টিমেন্টকে কব্জা করার মতো একজন লোক এতদিনে পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু, ভোটের ফল বেরনোর পর তিনি টের পাচ্ছেন, ‘জাত গোখরো’র ফোঁস-ফোঁসানি দেখে বাংলার মানুষ ঘরে ঘরে কার্বোলিক অ্যাসিড রেখে দিয়েছিল।
অমিত শাহ এরাজ্যের প্রচারে এসে বার বার বলেছেন, ‘ইসবার দোশো পার।’ বাংলার মানুষ কথা শুনেছেন। আসন সংখ্যা ২০০ পেরিয়েছে। তবে সেটা বিজেপির নয়, তৃণমূলের। নরেন্দ্র মোদি থেকে দিলীপ ঘোষ প্রায় প্রতিটি সভায় বলতেন, ‘উনিশে হাফ, একুশে সাফ’। এখানেও একটু উল্টো হয়েছে, একুশে সাফের বদলে উনিশেরও হাফ হয়ে গিয়েছে। লোকসভায় বিজেপি ১৮টিতে জিতেছিল। বিধানসভা ভোটের বিচারে মাত্র ন’টিতে এগিয়ে।  
এই অবস্থার মধ্যেও বিজেপির দিল্লির নেতৃত্ব নানাভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর চাপ সৃষ্টির কৌশল নিয়েছে। ফেক নিউজ তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়াচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী রাজ্যের রাজ্যপালকে ফোন করছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যের কাছ থেকে রিপোর্ট চাইছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে দিল্লির প্রতিনিধিরা রাজ্যে চলে আসছেন। যাকে বলে হই হই কাণ্ড রৈ রৈ ব্যাপার। দেশকে বোঝাতে হবে, ‘বাংলায় জঙ্গলরাজ চলছে।’ ভুললে চলবে না, গোধরা কাণ্ডের সময় এই মোদিজিই ছিলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী।
তবে বিজেপির এমন কৌশল এই প্রথম নয়। মহারাষ্ট্র তার সাক্ষী। ক্ষমতা দখল করতে না পেরে বিজেপি সেখানেও লাগাতার ভুয়ো খবর আর ছবি ছড়িয়ে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করেছে। সেই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে মহারাষ্ট্রের প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শচীন সাবন্ত বলেছেন, গত দেড় বছর ধরে মহারাষ্ট্রে রাজ্যপাল, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের উপর হামলার থেকে ভুয়ো খবর, ভুয়ো ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার আমরা সাক্ষী। এসব করে একটা গল্প খাড়া করার চেষ্টা হয়।’ সাবন্তের সতর্কবার্তা, ‘বিজেপি গুজব ছড়িয়ে তিলকে তাল করে ফেলতে পারে।’ এব্যাপারে তিনি সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছেন। দিল্লিতেও জনগণের ভোটে নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে। তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার আইন সংশোধন পর্যন্ত করেছে। যে কোনওভাবে বিরোধীদের শায়েস্তা করাটাই বিজেপির ট্র্যাডিশন।
নির্বাচনে নাস্তানাবুদ হওয়ার পরেও বাংলাকে নিয়ে বিজেপির চিন্তার কারণ একটাই—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ বুঝে গিয়েছেন, সিবিআই, ইডির গল্প দিয়ে আর খুব বেশি এগনো যাবে না। হ্যাটট্রিকের পর জাতীয় রাজনীতিতে ‘বাংলার বাঘিনী’ই মোদি-বিরোধী প্রধান মুখ হয়ে উঠেছেন। তাই ‘বিজেপির চাণক্য’ কেন্দ্রীয় টিম পাঠিয়ে, ফোনাফুনি করে তাঁকে চাপে রাখতে চাইছেন।  
বাংলায় একটা কথা চালু আছে, এক কান কাটারা গ্রামের পাশ দিয়ে যায়। আর দু’কানা কাটারা গ্রামের ভিতর দিয়ে যায়। বিজেপির দিল্লির নেতৃত্বের হালচাল দেখে মনে হচ্ছে, তাঁরা দ্বিতীয় পর্যায়ভুক্ত। লজ্জা শরমের বালাই নেই। সেটা থাকলে এমন গোহারা হারার পরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির কথা কল্পনাও করতে পারত না।
বাংলার এই রায়ের পরেও বিজেপির ‘বহিরাগত’ নেতাদের শিক্ষা হয়নি। বাংলা ও বাঙালিকে এখনও তাঁরা ঠিকমতো চিনতে পারেননি। অমিতজি, আপনারা ‘জাত গোখরো’ দেখেছেন, কিন্তু ‘স্পিট কোবরা’ দেখেননি। স্পিট কোবরা ছোবল মারে, আবার প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে প্রয়োজনে বিষ ছুড়তেও পারে। তার সামনে পড়লে প্রবল পরাক্রমশালী সিংহও ভয়ে পিছু হটে। বাঙালি হল সেই ‘স্পিট কোবরা’। তাই বলি, সাধু সাবধান, ভাবিয়া করিও কাজ করিয়া ভাবিও না।
08th  May, 2021
মমতার সিদ্ধান্তের উপর
ঝুলছে বিজেপির ভাঙন
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতি অনেকটা নাগরদোলার মতো। উপরে উঠলে নামতে হবেই। এটাই ভবিতব্য। অপেক্ষাটা শুধু সময়ের। বিজেপির দিল্লির নেতারা উপরে উঠে নামার কথা ভুলে গিয়েছিলেন। বাংলার নির্বাচন বিজেপির সেই নামার দিকটাই নির্দেশ করে দিয়েছে। বিশদ

ভারতের প্রশাসনের স্থাপত্য
গোপালকৃষ্ণ গান্ধী

রাজনীতিক-সিভিল সার্ভেন্ট সম্পর্কের মজবুত ভিতটা নির্মাণ করে গঠন, বিশ্বাস ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা। সর্দার প্যাটেল এটা অনুধাবন করেছিলেন।
বিশদ

18th  June, 2021
বিরুদ্ধ মত মানেই
দেশদ্রোহ নয়
সমৃদ্ধ দত্ত

 

১৮৭৬ থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে অন্তত ১৮টি দুর্ভিক্ষ হয়েছে। প্রায় ২ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়। তা সত্ত্বেও মানুষের উপর ল্যান্ড ট্যাক্সের বোঝা না কমিয়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল ব্রিটিশ।
বিশদ

18th  June, 2021
লাক্ষাদ্বীপে গেরুয়া অ্যাজেন্ডার আতঙ্ক!
মৃণালকান্তি দাস

টলিউড বা বলিউডের মতো প্রচুর ছবি তৈরি হয় না এখানে। নামমাত্র ছবিতেই বিনোদন খোঁজে এই প্রবাল দ্বীপ। তবুও সংবাদ শিরোনামে দ্বীপের এক অভিনেত্রী এবং পরিচালক আয়েশা সুলতানা।
বিশদ

17th  June, 2021
মুখরক্ষা করল উত্তরবঙ্গ,
পোড়াচ্ছে তাকেই!
হারাধন চৌধুরী

সম্ভাবনা ছিল দু’টো। মমতা ফিরবেন অথবা নতুন শক্তি হিসেবে উঠে আসবে বিজেপি। বিজেপি ফেল করেছে। ফিরেছেন মমতা। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হ্যাট্রিকের শক্তি এতটা প্রবল হবে, অনেকেই বোঝেনি।
বিশদ

16th  June, 2021
মূল্যবৃদ্ধির যন্ত্রণা: আত্মনির্ভরতার নতুন থিম সং
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সেপ্টেম্বর ১, সাল ২০১৩। দিল্লিতে বিজেপির বাইক র‌্যালি। প্রতিবাদ চলছে পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে... ঠুঁটো কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। সেই বাইক মিছিল সেদিন রওনা দিয়েছিল দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের বাসভবনের উদ্দেশে।
বিশদ

15th  June, 2021
দায়িত্ব নিন, আলোচনা
করুন, প্ল্যান বানান
পি চিদম্বরম

টিকাকরণ নিয়ে যে বিশৃঙ্খলা হল, তা ইতিহাসে লেখা থাকবে। ৭ জুন, টেলিভিশন ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দু’টো ভুল শুধরে নিয়েছেন। আমি মনে করি, এটাই তাঁর ভুল স্বীকার করে নেওয়ার কায়দা।
বিশদ

14th  June, 2021
মমতার নির্দেশে
অভিষেকের মাস্টারস্ট্রোক
হিমাংশু সিংহ

এতদিন বাংলার রাজনীতিতে মাস্টারস্ট্রোক কথাটা শুধু জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই সমার্থক ছিল ষোলোআনা। কিন্তু এখন তার আর এক দাবিদার উপস্থিত। পুত্রসম অভিষেক।
বিশদ

13th  June, 2021
সেলিব্রেটি থেকে সংগঠক,
রাজনীতির নতুন ধারা
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই বলে থাকেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন, তৃণমূল ততদিন। তারপর পার্টিটাই আর থাকবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার জবাবও দিয়েছেন। তিনি বহুবার বলেছেন, ‘যাঁরা ভাবছেন, আমি চলে গেলে দলটা উঠে যাবে, তাঁরা ভুল ভাবছেন। তৃণমূলের পরবর্তী প্রজন্ম তৈরি।’ এতদিন তিনি যে কথা মুখে বলতেন, এবার সেটা করে দেখাচ্ছেন।
বিশদ

12th  June, 2021
পুরুষ আধিপত্যের ভিড়ে
সফল শাসক দুই বাঙালি নারী
সমৃদ্ধ দত্ত

রাজনীতির হিসেব-নিকেশ বাদ দিয়ে নিছকই জাতিগত আকাঙক্ষার তাগিদে ২০২৪ সালের দিকে আমরা বাঙালিরা অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে লক্ষ করব এই জাতিটির জার্নিতে সত্যিই কি একটি নতুন ইতিহাস রচিত হবে? একদা একসঙ্গে থাকা দু’টি পাশাপাশি দেশের দুই প্রধানমন্ত্রীই কি বাঙালি নারী হবেন? বিশদ

11th  June, 2021
অবলুপ্তির আত্মঘাতী
পথে সিপিএম
মৃণালকান্তি দাস

গোটা দেশের লোক যখন মোদি-মমতার মরণপণ দ্বৈরথ দেখছে, সিপিএম তখন চোখ বন্ধ রেখে বলেছে, ও-সব ‘সেটিং’। আসলে দল তো একটাই, তার নাম বিজেমূল। ছায়ার সঙ্গে এই পুরো যুদ্ধটাই করা হয়েছে বিজেপি-তৃণমূল বাইনারি ভাঙার নাম করে। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে। বিজেমূল নামক এই বকচ্ছপ ধারণাটাকে জনতা স্রেফ ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।
বিশদ

10th  June, 2021
দেশ নিয়ে মোদির ভাবার
এত সময়ই নেই
সন্দীপন বিশ্বাস

মোদির জনপ্রিয়তার পাড় ভাঙছে। অন্য পাড়ে ক্রমেই জেগে উঠছে মমতা নামের এক নতুন সবুজ, স্বপ্নের ভূমি। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে চোখে চোখ রেখে পাঙ্গা লড়ার শক্তি তিনি আপন ক্ষমতাবলে অর্জন করেছেন। বিশদ

09th  June, 2021
একনজরে
বৃষ্টিতে ভেস্তে গেল বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের প্রথম দিনের খেলা। তবে এমটা যে হতে পারে, তার পূর্বাভাস ছিলই। তাই এমন মেগা ম্যাচের ভেন্যু নির্বাচনের ক্ষেত্রে ...

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে এলেও চোখ রাঙাচ্ছে তৃতীয় ঢেউ। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, আগামী অক্টোবরেই ফের মাথাচাড়া দিতে পারে ভাইরাস সংক্রমণ। এই অবস্থায় কোভিড মোকাবিলায় আটদফা জরুরি পদক্ষেপের সুপারিশ করল আন্তর্জাতিক মেডিক্যাল জার্নাল ল্যানসেট। ...

আমতার বিধায়ক সুকান্ত পালের উদ্যোগে ঘরে ফিরলেন প্রায় শ’খানেক বিজেপি কর্মী। ভোটের আগে বিজেপি’র প্রলোভনে পা দিয়ে অনেকেই সেই সময় দলবদল করেন। শুধু তাই নয়, তাঁরা বহু মানুষকে ভুল বুঝিয়ে বিজেপির দিকে টানারও চেষ্টা করেন। ...

বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার জন্য ফের চীনকেই দায়ী করলেন ডোনান্ড ট্রাম্প। আর সেই সূত্রেই প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য, করোনার জেরে বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছে ভারত। চীনকে কাঠগড়ায় তুলে তিনি নতুন করে দাবি তুললেন, গোটা পৃথিবীর এই পরিস্থিতির জন্য জরিমানা আদায় ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর-স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা। গুপ্ত শত্রুতার মোকাবিলায় সতর্কতা প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষায় বিলম্বিত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 
১৫৯৫ - ষষ্ঠ শিখ গুরু  গুরু হরগোবিন্দের জন্ম
১৯০৭ - শিক্ষাবিদ ও নারী শিক্ষা প্রচারক উমেশচন্দ্র দত্তের মৃত্যু
১৯৪৭- লেখক সলমন রুশদির জন্ম
১৯৬২ - অভিনেতা আশিষ বিদ্যার্থীর জন্ম
১৯৭০- রাজনীতিক রাহুল গান্ধীর জন্ম
১৯৮১- ভারতে টেস্ট টিউব বেবির জনক সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৮৫ - অভিনেত্রী কাজল আগরওয়ালের জন্ম
২০০৮- বর্তমানের প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক বরুণ সেনগুপ্তের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৪৬ টাকা ৭৫.৭৪ টাকা
পাউন্ড ১০০.৮০ টাকা ১০৫.৬৮ টাকা
ইউরো ৮৬.২৭ টাকা ৯০.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,০০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,৫৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,২৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭০,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭০,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আষাঢ় ১৪২৮, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১। নবমী ৩৪/৩৪ রাত্রি ৬/৪৬। হস্তা নক্ষত্র ৩৮/৫০ রাত্রি ৮/২৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/১৬, সূর্যাস্ত ৬/১৯/২৮। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/২ গতে ৭/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/১৬ গতে ১/২৪ মধ্যে পুনঃ ২/৪৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ প্রাতঃ ৫/৫০ মধ্যে পুনঃ ৯/২৪ গতে ১২/৪ মধ্যে। বারবেলা দিবা ৬/৩৭ মধ্যে পুনঃ ১/১৮ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৯ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি রাত্রি ৭/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে উদয়াবধি। 
৪ আষাঢ় ১৪২৮, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১। নবমী দিবা ২/৩০।  হস্তা নক্ষত্র অপরাহ্ন ৫/১। সূর্যোদয় ৪/৫৫, সূর্যাস্ত ৬/২২। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪২ গতে ৬/২২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ গতে ৭/৪৭ মধ্যে ও ১১/২০ গতে ১/২৮ মধ্যে ও ২/৫৩ গতে ৪/৫৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৫/৫৪ মধ্যে ও ৯/২৮ গতে ১২/৮ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ মধ্যে ও ১/২০ গতে ৩/০ মধ্যে ও ৪/৪১ গতে ৬/২২ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪১ মধ্যে ও ৩/৪৬ গতে ৪/৫৫ মধ্যে।  
৮ জেল্কদ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নিউ দীঘায় হোটেল মালিকের রহস্যমৃত্যু
নিউ দীঘায় নিজের হোটেলেই রহস্যমৃত্যু মালিকের। মৃতের নাম সুব্রত সরকার। ...বিশদ

11:13:37 AM

বারুইপুরে শ্যুটআউট
একমাস কাটতে না কাটতেই ফের শ্যুট আউটের ঘটনা দক্ষিণ ২৪ ...বিশদ

11:04:50 AM

আরও ৫০ হাজার কিউসেক জল ছাড়ছে দুর্গাপুর ব্যারেজ
দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে এই মুহূর্তে ৫০ হাজার ৫২৫ কিউসেক জল ...বিশদ

09:33:00 AM

করোনা: টানা ৩৭ দিন দৈনিক সুস্থতা টেক্কা দিচ্ছে  দৈনিক সংক্রমণকে
ধীরে ধীরে নিম্নমূখী করোনার গ্রাফ।  পাশাপাশি টানা ৩৭ দিন দৈনিক ...বিশদ

09:32:21 AM

পরিবারের চারজনকে খুন করে পুঁতে রাখার অভিযোগ, ধৃত যুবক
উদয়নকাণ্ডের ছায়া এবার মালদহের কালিয়াচকে। মা-বাবা সহ পরিবারের ৪ জনকে নৃশংসভাবে ...বিশদ

08:59:00 AM

উরুগুয়েকে হারিয়ে কষ্টার্জিত জয় আর্জেন্তিনার
উরুগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে এবারের কোপা আমেরিকায় প্রথম জয় পেল ...বিশদ

08:51:33 AM