Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাংলার মহিলাদের জীবনে
এই ভোট কেন গুরুত্বপূর্ণ
হিমাংশু সিংহ

শেষে নিরাপত্তা সুরক্ষিত করতে এসে চার চারটি তাজা প্রাণ কেড়ে নিল মোদি-অমিত শাহের কেন্দ্রীয় বাহিনী। রক্তাক্ত হল নির্বাচন। বাংলার ভোট ইতিহাসে যা বেনজির। গুরুতর জখম হতে হল চোদ্দ বছরের এক নিরীহ কিশোরকেও। কোনও নিন্দাই এই ‘ট্রিগার হ্যাপি’ বাহিনীর জন্য যথেষ্ট নয়। এর থেকেই বোঝা যায় বাহিনীর হাতে বাংলার মানুষ মোটেই নিরাপদ নয়। বরং আরও বেশি বিপন্ন। রেকর্ড আট দফায় ভোট, হাজার হাজার জওয়ান, বাইরের পুলিস, বহিরাগত গুন্ডা, সবই বাংলা দখলের জন্য। সেই লক্ষ্য নিয়েই তারা কাজ করছে। প্রশ্ন উঠছে একটা নির্বাচনকে ঘিরে এই আগ্রাসন কেন? সাধারণ মানুষ তো বটেই, বিশেষ করে এই বঙ্গের শান্তিপ্রিয় মহিলারা এই প্রহসন মেনে নিতে নারাজ। তাই দিল্লির সরকারের রকমসকম দেখে তাঁরা নীরবে ফুঁসছেন।
বাংলার ভাগ্য নির্ণায়ক নির্বাচনে বহিরাগত গুন্ডাদের রুখে দিতে তাই দলে দলে মহিলারা ক্রমশ এগিয়ে আসছেন। তার প্রমাণ ভোটের লাইনে মহিলাদের ঢল। আশার কথা, ভোট যত এগচ্ছে মহিলাদের উৎসাহও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। কারণ এ রাজ্যের প্রায় সাড়ে সাত কোটি ভোটারের মধ্যে ৪৮ শতাংশই মহিলা। সংখ্যাটা কম নয়, সাড়ে তিন কোটির আশপাশে। তাই এবারের হাড্ডাহড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলার মা বোনেদের রায় নিঃসন্দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে একটা ভোটকে কেন্দ্র করে সমাজটাই যখন দলবদলু আর বেইমানে ভরে গিয়েছে। আড়াআড়ি বিভক্ত হয়ে গিয়েছে মানুষ। আর এই বিভাজনের উপর দাঁড়িয়েই দলীয় সংগঠন নয়, বাইরের শক্তির উপর ভর করে যখন রাজ্য দখলের ছক কষছে গেরুয়া শিবির!
একটা কথা প্রায়শই বলা হয়, বাংলার মহিলারা হাজারো দুঃখ দুর্দশা সহ্য করতেও রাজি, কিন্তু বিশ্বাসভঙ্গ দেখলেই সপাটে রুখে দাঁড়ান। প্রয়োজনে দু’দিন না খেয়ে থাকবেন, শাড়ির খুঁট বারবার দাঁতে কাটবেন, চোখের জল ফেলবেন, কিন্তু বেইমানদের প্রতি একআনা করুণাও নৈব নৈব চ। প্রেমে, অপ্রেমে, রাজনীতি থেকে সমাজজীবনে এমনকী খেলার মাঠে পর্যন্ত সর্বত্র বাঙালি নারী এব্যাপারে আপসহীন। অসম্ভব জেদি, কঠোর ও অকুতোভয়। তার জন্য যে কোনও মূল্য দিতেও সে পিছপা হয় না। প্রয়োজনে মাটিতে মিশে যাওয়ার ঝুঁকি নিতেও তাই কুছ পরোয়া নেই। কিন্তু রং বদলানো গিরগিটিদের যেমন সে ক্ষমা করে না, তেমনি বিশ্বাসভঙ্গের সম্পর্ককেও বয়ে বেড়াতে খুব একটা ভালোবাসে না। এটাই বঙ্গ নারীর চিরকালীন ইউএসপি। তা রক্তের প্রতিটি কোষে, ডিএনএ’র সঙ্গে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। স্বস্তি আর স্বাচ্ছন্দ্য চাইলেও ভালোবাসে না ক্ষমতা আর টাকার উচ্চকিত আস্ফালন, মোটা টাকায় নেতা কেনাবেচা। বাইরে থেকে গুন্ডা নিয়ে এসে বেপরোয়া দখলদারি, দেওয়া নেওয়ার নামে নিছক ভণ্ডামি বঙ্গ ললনাদের কোনওদিনই পছন্দ নয়। মেরুকরণে বিভক্ত সমাজকে বরাবর মা-বোনেরা ঘৃণার চোখেই দেখে এসেছেন। উল্টে একটা সবুজ শান্তির নীড় খোঁজে সে যার ভিত্তিই হচ্ছে অকৃত্রিম বিশ্বাস। সেই সঙ্গে একটা সম্মানজনক বোঝাপড়া। সেই মতোই একটা ছোট্ট স্বপ্নকে অনেক কষ্টে সাজানোর নিরন্তর প্রয়াস চলে তাঁর। ইতিহাসের আবহমান ধারায় কোনও দল, কোনও ইজম কিংবা মতবাদ, রাজনৈতিক আগ্রাসন সহজে বাংলার নারীর চরিত্রের এই বজ্রকঠিন অথচ শান্ত কোমল দিকটার বদল ঘটাতে পারেনি। আজও পারবে না। এখানেই সে অনন্যা। অপরাজেয়। বাংলার সেই ঐতিহ্য ও সামাজিক শান্তির ঘেরাটোপটাকে অক্ষুণ্ণ রাখতে এবারের নির্বাচনেও বাঙালি মহিলারা চোয়াল শক্ত করে সঠিক সিদ্ধান্তটা নিতে প্রস্তুত। বলা বাহুল্য, কোনও বাধা না মেনেই সেই সিদ্ধান্ত তাঁরা নিচ্ছেন এবং সুস্পষ্ট মতাধিকার প্রয়োগ করছেন। নিঃসন্দেহে যা আশার কথা। এখানেই পরাজয় ঘটেছে গেরুয়া শক্তির। কারণ বাংলা দখল করতে গিয়ে তাঁদের নেতারা প্রথমেই হত্যা করেছে মানুষের বিশ্বাসটাকে। প্রশ্রয় দিয়েছে বেইমানিকে।
তাই অবিশ্বাসে ঘেরা দলকে হারিয়ে বাংলাকে বাঁচাতে, এই বঙ্গের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রাখতে বাঙালি নারীর এক একটি ভোটের গুরুত্ব আজ অপরিসীম। ওখানে কোনও ভুলচুক হলে তাঁদের স্বাধীন মাথা উঁচু করে চলা অস্তিত্বটাই আগামী পাঁচ বছর বিপন্ন হতে বাধ্য। টালমাটাল হতে পারে তাঁর বড় চেনা পারিপার্শ্বিক সমাজটাই। এখানকার রাজনৈতিক ক্ষমতার পুনর্বিন্যাস একটা চূড়ান্ত আগ্রাসী মনুবাদী দলের পুরুষতান্ত্রিকতায় হারিয়ে যাবে। ভুললে চলবে না, সামান্য একটা নির্বাচনই আজ আমাদের সমাজ চিন্তার গোড়ায় আঘাত করতে উদ্যত। এই সন্ধিক্ষণে তাই নিজের সঙ্গে গোটা সমাজের রসাতলে যাওয়া থেকে বাংলাকে রুখবেই আটপৌরে ঘরের মা, বোনেরা। এটা তাই সামগ্রিক নারীজাতির কাছে মুঠি শক্ত করে রুখে দাঁড়িয়ে শপথ নেওয়ারও উচিত সময়।
ইতিমধ্যেই যে ক’দফা ভোট হয়েছে তাতে অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে উঠে এসেছে মহিলাদের লম্বা লাইন। যা আশা জাগিয়েই শুধু ক্ষান্ত হয়নি, প্রমাণ করেছে প্রত্যয়ী মুখে বর্গীর হানাদারি রুখতে বঙ্গ নারী কতটা অকুতোভয়। বোমা, গুলি, লাঠি কিছুই তাঁকে বশ মানাতে ব্যর্থ। নন্দীগ্রামে ভোটের দিন মুখ্যমন্ত্রী যখন অভিযোগ পেয়ে বয়ালের স্কুলে ঘাঁটি গেড়ে বসে তখনও দেখা গেল প্রত্যন্ত গ্রামের একদল মহিলা কেন্দ্রীয় বাহিনীর ছোটাছুটিতে ভয় না পেয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে লাইনে। পিছন পিছন আসছেন আরও অনেকে। ওই মা বোনেরা ভয় কাকে বলে জানেন না। ভোটার কার্ডটা বুকে আগলে মতদানের এই প্রবল উৎসাহ কীসের ইঙ্গিত? বহিরাগতদের ঠেকানোর? এই প্রশ্ন নিয়ে সেফোলজিস্টদের মধ্যে নিরন্তর গবেষণা চলছে, চলুক। কিন্তু সবকিছুকে আমল না দিয়েই আগামী চার দফাতেও সেই উৎসাহ হারও দ্বিগুণ শক্তিশালী হয়ে ভোটযন্ত্রে যে আছড়ে পড়বে তাতে সন্দেহ নেই। গণ্ডগোল দেখেও ভোটের লাইন থেকে কিছুতেই সরতে দেখা যায়নি মা বোনেদের। এই শক্তিটা তাঁরা পাচ্ছেন কোথা থেকে? নন্দীগ্রাম থেকে আরামবাগ পেরিয়ে পুরশুড়া কিংবা খানাকুল গোটা দিন সেই একই চিত্র। 
আসলে এই শক্তি তাঁরা পাচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে দেখেই। তাঁরা জানেন দশকের পর দশক ধরে যেটুকু স্বাধীনতা তাঁরা লাভ করেছেন তা কিছুতেই নষ্ট হতে দেওয়া যায় না। তাই বিশ্বাসঘাতক আর অসৎ ধান্দাবাজ দলবদলুতে ভরা একটা চরম সাম্প্রদায়িক দলের পক্ষে বাংলার মহিলারা তাঁদের আস্থাসূচক ভোটটা দিতে কিছুতেই রাজি নন। গোটা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা লোকলস্কর টাকার বস্তা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লেও না। অভিজ্ঞতা থেকেই তাঁরা দেখেছেন, অজ গ্রামের মেয়ের দূর দেশের পক্ষীরাজে চেপে উড়ে আসা অচেনা রাজপুত্রের সঙ্গে বিয়ের সম্বন্ধ টেকে না। ভেঙে যায়। ওসব হাতিশালে হাতি আর ঘোড়াশালে ঘোড়ার গল্প আজ আর মা বোনেরা খুব একটা বিশ্বাসও করতে চান না। তাঁরা তাই গত চার দশকের পরীক্ষিত নেতানেত্রীদের উপরই আস্থা রেখে এগতে চান। জীবনের অভিজ্ঞতাই তাঁদের সেই শিক্ষাই দিয়েছে।
মহিলাদের জন্য কী করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? মহিলাদের সম্মান দিতে কন্যাশ্রী দিয়েছেন। যা আজ বিশ্বমঞ্চেও সমাদৃত। পরিবারের স্বাস্থ্যসাথীর কার্ডটা গৃহকর্ত্রীর নামে করে বাংলার নারীজাতিকেও বিরাট স্বীকৃতি দিয়েছেন। ১৮ বছরের উপর সব বিধবাকে ভাতা দিয়ে তাঁদের কষ্ট লাঘব করার চেষ্টা করেছেন। স্কুলের ছাত্রীরাও পেয়েছে সবুজসাথীর সাইকেল। ট্যাবের জন্য দশ হাজার টাকা। এটুকু স্বীকৃতি আর সম্মান তো আগে কেউ দেয়নি। সেই সঙ্গে একটা পরিচয় দিয়েছেন। সেই পরিচয়টা হচ্ছে, আপনি যে রাজ্যে থাকেন তা শাসন করেন একজন অসমসাহসী লড়াকু মহিলা, যাঁর সাহস আর তেজের সামনে মাথা ঝোঁকাতে বাধ্য হয় দিল্লির সরকারও। আর এই গৌরবগাথার উল্টোদিকে বিজেপি হুঙ্কার দিচ্ছে, ক্ষমতায় এলে অন্যরাজ্যের মতো লাভ জিহাদ বন্ধে কড়া আইন করবে। আর অ্যান্টি রোমিও স্কোয়াড তৈরি করে মেয়েদের গায়ে হাত তুলবে, বিচার করবে। কতবড় স্পর্ধা। মহিলাদের স্বাধীনতা হরণ করার এই অপচেষ্টা এবং সঙ্ঘের মনুবাদী সমাজে মহিলাদের কোণঠাসা অবস্থানের কথা বুক ফুলিয়ে বলার জন্য একদিন অন্তর রাজ্যে আসছেন উত্তরপ্রদেশের এক ভণ্ড যোগী। দিচ্ছেন নারী সুরক্ষার লম্বা চওড়া ভাষণ। অথচ, জাতীয় অপরাধ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (এনসিআরবি) রিপোর্টই বলছে, উত্তরপ্রদেশে মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ, নির্যাতন লাফিয়ে বাড়ছে। যাঁর নিজের রাজ্যেই মহিলারা সুরক্ষিত নয়, সেই মুখ্যমন্ত্রী উড়ে এসে বাংলার মা বোনেদের সুরক্ষার কথা বলেন কোন আক্কেলে? চার দফার ভোট হয়ে গিয়েছে। বাকি আরও চার দফা। কলকাতা সহ বিস্তীর্ণ এলাকার মতদান এখনও বাকি। তাই এই সময়টা সিদ্ধান্ত নেওয়ার। কারণ, এই নির্বাচনের ফলাফলের উপরই নির্ভর করছে, এই রাজ্যের নারী জাতির সম্মান শেষ পর্যন্ত থাকবে না যাবে। 
শুধু দেশ নয়, গোটা বিশ্ব আজ একজন মহিলার নামেই পশ্চিমবঙ্গকে চেনে। এই ব্যাপারে এলিট জ্যোতি বসুর চেয়েও আমাদের অগ্নিকন্যা কয়েক যোজন এগিয়ে। কারণ তিনি নিজের তৈরি করা সাধারণ মানুষের আস্থা জাগানো দলের অদ্বিতীয় নেত্রী। সেই সঙ্গে এ দেশের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রীও বটে। এ বড় কম কথা নয়। বাংলার গর্ব 
এই মাটিতে বড় হয়ে ওঠা আপসহীন সাধারণ ঘরের মাথা উঁচু করা এক মহিলাকে হারাতে টাকা আর পেশিশক্তির নিরন্তর অপব্যবহার করে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। শত্রু মিত্র কেউ এই সহজ সত্যটা অস্বীকার করতে পারবে না। যত বড় ঝড়ই আসুক দমে না গিয়ে এক পা জখম নিয়েও যিনি বলতে পারেন, খেলা হবে। গোল হবে। জেতা হবে। এটাই তাঁর জিত। জগৎ কাঁপানো সেই মহিলার হ্যাটট্রিকের খেলাতেও তাই এই বঙ্গের প্রতিটি মহিলা তাঁদের অসামান্য যোগদানটুকু রাখতে বদ্ধপরিকর।
11th  April, 2021
মমতা মডেলে উজ্জীবিত গোটা দেশ
মৃণালকান্তি দাস

সমস্ত সরকারি এজেন্সিকে মাঠে নামিয়ে, বিজেপির গোটা ভোট-মেশিনারি এবং কয়েক হাজার কোটি টাকার বাজেট নিয়ে যেভাবে বাংলা দখলের ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা হয়েছিল, তা মমতা যে একাই ভেস্তে দিতে পারেন, সেটা বিজেপি স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি। বিশদ

অপদার্থ, অনাচারী রাজা,
এবার গদি ছাড়ুন
সন্দীপন বিশ্বাস

নতুন সরকারের গায়ে কাদা ছিটিয়ে নয়া ফন্দি আঁটছে বিজেপি। রাজ্যজুড়ে হিংসা ছড়ানোর গোপন ছক চলছে। রাজ্যকে অশান্ত করার গোপন খেলায় সক্রিয় বিজেপির আইটি সেলও। বিজেপি সব সময় সোজা খেলায় হেরে গেলে বাঁকা পথে জেতার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। রাজ্যে সেই উস্কানিই চলছে। বিশদ

12th  May, 2021
বিভাজনের উস্কানিতে
বাংলা বিকিয়ে যাবে না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বাংলা এখনও বিকিয়ে যায়নি। যাবে না। কোটি কোটি করদাতার রক্ত জল করা টাকায় হয়তো মোদিজির সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্প সফল হবে। কিন্তু সাম্প্রদায়িক উস্কানির অন্ধকারে বাংলাকে ডুবিয়ে দেওয়ার স্বপ্ন? হবে না। মোদিজি বরং মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে থাকুন। বিশদ

11th  May, 2021
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে সত্য মিথ্যা
প্রকাশ জাভরেকর

 

জানুয়ারির গোড়ার দিকে দেশে কোভিড পরিস্থিতির যথেষ্ট উন্নতি হয়েছিল। নতুন করে সংক্রমণও কমছিল। কিন্তু দেখা গেল, কেরলে সেই সময় সংক্রমণ বাড়তে শুরু করল। ওই রাজ্য থেকেই নতুন সংক্রমণের এক-তৃতীয়াংশের খবর আসছিল। ৬ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব এক চিঠিতে রাজ্য সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ করার পরামর্শ দেন। বিশদ

11th  May, 2021
মোদি বনাম দিদি ও অন্য লড়াইগুলি
পি চিদম্বরম

ভারতীয় মিডিয়া সবে জাগতে শুরু করেছে। মানুষ তার ক্রোধের বহিঃপ্রকাশের জন্য প্রতিটা নির্বাচনকে হাতিয়ার করছে। দৃষ্টান্ত, উত্তরপ্রদেশের পঞ্চায়েত ভোট। ২০২১ সাল—আরও একটি নষ্ট বছরের জন্য মনোবল ফেরানোর জন্য যখন চেষ্টা করছি, ঠিক তখনই আশঙ্কায় কেঁপে উঠছি আগামী দু’টি বছরের কথা ভেবে—২০২২, ২০২৩ সালও নষ্ট হবে না তো! বিশদ

10th  May, 2021
বাংলা থেকেই কি মোদির শেষের শুরু
হিমাংশু সিংহ

মুসলিম ও হিন্দু দু’তরফেই বাংলায় প্রত্যাখাত হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। উল্টে নাক উঁচু বাম প্রগতিশীল সমাজও বিজেপিকে ঠেকাতে খোলা মনে মমতার নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন। মেরুকরণের বিষ ব্যুমেরাং হয়ে বিধ্বস্ত করেছে গেরুয়া দলকেই। প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, মিথ্যার দ্বারা মহৎ কাজ হয় না। বিশদ

09th  May, 2021
স্বৈরাচারী কলুষিত প্রশাসনকে
হুঁশিয়ার করলেন রবীন্দ্রনাথ
জয়ন্ত কুশারী

রবীন্দ্রনাথই অন্যতম মহামানব যিনি ভাবীকালের পৃথিবীকে তাঁর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে চিনতে পেরেছিলেন। এটা অনস্বীকার্য যে বিবাদ বিদীর্ণ দেশ রাজনৈতিক মতাদর্শের বৈষম্য, অর্থনৈতিক স্তরবিন্যাসের বৈচিত্র্য, প্রগতির বিভিন্ন মানকে স্বীকার করে নিয়েও সামগ্রিক ক্রমোন্নতির পথ থেকে বিচ্যুত হননি। বিশদ

09th  May, 2021
সাধু সাবধান, ভাবিয়া করিও কাজ
তন্ময় মল্লিক

‘বদল হবে, বদলাও হবে’। নির্বাচনের আগে দিলীপ ঘোষ থেকে সায়ন্তন বসুদের এটাই ছিল জনপ্রিয়তম স্লোগান। ‘বদলা নেওয়ার’ হুমকির পাশাপাশি চোখা চোখা ডায়ালগের ফুলঝুরি ফুটত। প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে পারেননি অনুব্রত মণ্ডলও। ‘ডাটিয়ে পগার পার করে দেব’ বলার পর অনুব্রতবাবু ‘খেলা হবে’তেই আটকে ছিলেন। বিশদ

08th  May, 2021
করোনা ঠেকাতে প্রতিরক্ষা
মন্ত্রকের উদ্যোগ
রাজনাথ সিং  

মহামারীর বর্তমান পরিস্থিতি ভারত মোকাবিলা করছে ঐক্যবদ্ধভাবে। সশস্ত্র বাহিনী দেশকে জয়ী করতে নানান উদ্যোগ নিয়েছে। বাহিনীর সদস্যদের রয়েছে অদম্য মনোভাব। যে-কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মানসিকতায় তাঁরা পূর্ণ। বিশদ

08th  May, 2021
গণদেবতার আশীর্বাদ
মৃণালকান্তি দাস

শেষ বিচারে বঙ্গসমাজ বিজেপির আইডেনটিটি পলিটিকস তত্ত্বকে আমল দেয়নি। বাঙালিয়ানা বিসর্জন দিয়ে বিজেপির হিন্দু-হিন্দি-হিন্দুস্তান মার্কা ভারতীয়ত্বকে আপন করে নিতে চায়নি। বহুত্ববাদ, বৈচিত্র্য ও বিবিধকে আঁকড়ে ধরে একদর্শী মতবাদকে তফাতে ঠেলেছে। দিনের শেষে এই রাজনৈতিক সংঘাত তাই রূপ নিয়েছে এক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে।
বিশদ

07th  May, 2021
প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

ভোট পর্ব মিটতে না মিটতে করোনা রোধে আঁটসাঁট বিধিনিষেধ। মাত্র এক দেড় মাসের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছাচারী ভোট পরিচালনায় রাজ্যব্যাপী সর্বত্র করোনা ছড়িয়ে গেছে। এমন অভিযোগ উঠে এসেছে কেবলমাত্র রাজনৈতিক দলের মধ্য থেকে নয়, খোদ মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকেও। বিশদ

06th  May, 2021
রাজধর্ম পালনের শপথ
হারাধন চৌধুরী

কোভিড পরিস্থিতি আপনারা দায়িত্ব নিয়ে যদি এতটা খারাপ না করে ফেলতেন, তাহলে অবশ্যই বলতাম, মোদি-শাহ-নাড্ডা বাংলায় আসুন। আজই সুযোগ। মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতার শপথের হ্যাটট্রিক। দেখে যান রাজধর্ম পালনের শপথ কীভাবে নিতে হয়। বিশদ

05th  May, 2021
একনজরে
করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও সুষ্ঠুভাবে রেশনে খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার উপর বিশেষ জোর দিচ্ছেন রাজ্যের নতুন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেশন গ্রাহকদের বাড়ি বাড়ি খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে ...

দলের নির্দেশে নন্দীগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বনশ্রী খাঁড়া। তিনি সম্পর্কে রাজ্যের মন্ত্রী শিউলি সাহার মা। বিধানসভা ভোটে বনশ্রীদেবী তৃণমূলের হয়ে সেভাবে প্রচারে নামেননি বলে দলীয় নেতৃত্বের অভিযোগ। সেজন্য তাঁকে অবিলম্বে ইস্তফা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল দল। ...

বিতর্ক যতই থাকুক, করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্রের অন্যতম ভরসার জায়গা বিদেশি সাহায্য। বুধবার তা আরও একবার স্পষ্ট  করে জানাল মোদি সরকার। করোনায় সহায়তার জন্য এদিন সেই দেশগুলির ভূয়সী প্রশংসা করেছে কেন্দ্র। বলা হয়েছে, এর ফলে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই আরও সহজ হবে। ...

শিলিগুড়িতে ফের ভাঙন ধরল বামফ্রন্টে। বিধানসভা ভোটে অশোক ভট্টাচার্যের ভরাডুবির দু’সপ্তাহের মধ্যে বুধবার বামফ্রন্ট ত্যাগ করলেন দুই নেতা। তাঁরা হলেন আরএসপির রামভজন মাহাত ও সিপিএমের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৩৮ - সম্রাট শাহজাহানের তত্ত্বাবধায়নে দিল্লির লাল কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু
১৮৩৬ - ভারততত্ত্ববিদ স্যার চার্লস উইলকিন্সের মৃত্যু
১৮৮৭ - বাঙালি কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক এবং প্রবন্ধকার রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৮৫৭: ম্যালেরিয়ার জীবাণু আবিষ্কারক রোনাল্ড রসের জন্ম
১৯১৮: নৃত্যশিল্পী বালাসরস্বতীর জন্ম
১৯৪৭: কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যু
১৯৫৬: আর্ট অফ লিভিং ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা তথা আধ্যাত্মিক নেতা শ্রীশ্রী রবিশঙ্করের জন্ম
১৯৬২: ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নিলেন সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণাণ
১৯৬৭: ভারতের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নিলেন জাকির হোসেন
১৯৯৫ - প্রথম নারী হিসেবে ব্রিটিশ বংশদ্ভূত এলিসনের অক্সিজেন ও শেরপা ছাড়াই এভারেস্ট জয়
২০০০ - ভারতের লারা দত্তের বিশ্বসুন্দরী শিরোপা লাভ
২০০৫ - বিশিষ্ট সঙ্গীতিশিল্পী উৎপলা সেনের মৃত্যু
২০১১: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয় তৃণমূল কংগ্রেসের



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৬৭ টাকা ৭৪.৬৮ টাকা
পাউন্ড ১০১.৯৯ টাকা ১০৫.৫১ টাকা
ইউরো ৮৭.৪৯ টাকা ৯০.৭১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৪৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,৬৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭১,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭১,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ বৈশাখ ১৪২৮, বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১। দ্বিতীয়া অহোরাত্র। রোহিণী নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/১/১৪, সূর্যাস্ত ৬/৪/৩৬। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ১০/১৫ গতে ১২/৫২ মধ্যে। বারবেলা ২/৪৯ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৩ গতে ১২/৫৫ মধ্যে। 
২৯ বৈশাখ ১৪২৮, বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১। দ্বিতীয়া রাত্রি ৩/৩৬। রোহিণী নক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৮। সূর্যোদয় ৫/১, সূর্যাস্ত ৬/৬। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে ও ১০/১৫ গতে ১২/৫১ মধ্যে। কালবেলা ২/৫০ গতে ৬/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৬ মধ্যে। 
৩০ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শিবপুরে জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বালকের মৃত্যু
কলকাতার পর এবার হাওড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটল আজ ...বিশদ

07:43:56 PM

দুর্গাপুরে  দিদিকে গুলি, অভিযুক্ত ভাই
দুর্গাপুরে  দিদিকে গুলি করে খুনের চেষ্টার অভিযোগ ভাইয়ের বিরুদ্ধে। আজ, ...বিশদ

05:17:18 PM

ধনেখালিতে ট্রেন থেকে পড়ে মৃত্যু বিহারের দম্পতির
স্ত্রী জ্যোতিকে নিয়ে কলকাতায় শ্বশুরবাড়ি আসছিলেন বিহারের দ্বারভাঙ্গার বাসিন্দা সৌরভ ...বিশদ

04:07:09 PM

স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে এবার উঠতে পারবেন স্বাস্থ্যকর্মীরাও
রেলকর্মীদের জন্য ‘স্টাফ স্পেশাল’ ট্রেনে এবার থেকে উঠতে পারবেন স্বাস্থ্যকর্মীরাও। ...বিশদ

03:35:34 PM

গঙ্গায় মৃতদেহ ভেসে আসতে পারে, শুরু নজরদারি
উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারের গঙ্গায় ভাসতে দেখা গিয়েছে অসংখ্য মৃতদেহ। আশঙ্কা, ...বিশদ

03:29:57 PM

পিছিয়ে গেল পরীক্ষা
করোনার জেরে পিছিয়ে গেল ইউপিএসসি-র প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ইউপিএসসি-র প্রিলিমিনারি হওয়ার ...বিশদ

03:17:14 PM