Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মতুয়াদের সামনে ‘গাজর’
ঝুলিয়ে লাভ নেই! 
মৃণালকান্তি দাস

অসমের গল্পটা নিশ্চিত এতদিনে বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে জলের মতো পরিষ্কার।
কী সেই গল্প? নাগরিকত্ব আইন আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৬ সালে অসম দখল করেছিল বিজেপি। আর পাঁচ বছর পর, বিধানসভা ভোটের মুখে জানা গেল, টাকা শেষ। অতএব ঝাঁপ বন্ধ এনআরসি দপ্তরের। এনআরসি-র কাজ চালানোর জন্য আরও অর্থ সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিল অসম সরকার। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়া বা আরজিআই। তাই ১৬০০ কোটি টাকার এনআরসির ভবিষ্যৎ আরও অন্ধকারে!
অসমে ২০১৯ সালের ৩১ আগস্ট এনআরসির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, এনআরসি দপ্তর তালিকায় নাম না-ওঠা ১৯ লক্ষাধিক মানুষকে বাদ পড়ার কারণ জানিয়ে দ্রুত রিজেকশন লেটার বা স্পিকিং অর্ডার পাঠাতে হবে। তা হাতে পাওয়ার ১২০ দিনের মধ্যে নাগরিকত্বের প্রমাণ-সহ হাজির হতে হবে ফরেনার্স ট্রাইবুনালে। ট্রাইবুনালের সংখ্যাও বাড়িয়ে ৫০০ করা হবে। কিন্তু অর্থাভাবে ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, সাধারণ কর্মী এবং তথ্য-প্রযুক্তি কর্মীদের বেতন-ভাতা আটকে। রাজ্য সরকার ২২১ জন ফরেনার্স ট্রাইবুনাল সদস্য নিয়োগ করলেও রিজেকশন লেটারের অভাবে সেই সব ট্রাইবুনালও কাজ শুরু করেনি। ফলে সবই তালগোল পাকিয়ে।
শুধু তাই-ই নয়, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) নিয়ে আতঙ্ক কাটছে না এনআরসি-ছুট হিন্দু বাঙালিদের। কী কী শর্তপূরণ করে কাদের আবেদন করতে হবে, তা নিয়ে তাঁরা বিভ্রান্ত। একই নথি জমা দিয়ে যাঁদের পরিবারের অন্যদের নাম উঠেছে, কিন্তু দু’একজন বাদ পড়েছেন, তাঁরা আরও দুশ্চিন্তায়। বুঝতে পারছেন না, ‘শরণার্থী’ পরিচয়ে নাগরিকত্বের আবেদন জানাবেন, নাকি নতুন এনআরসির জন্য অপেক্ষা করবেন!
এনআরসি-র পরিণাম কত নিদারুণ হতে পারে, কীভাবে লক্ষ লক্ষ বাসিন্দার নাম নাগরিকের তালিকা থেকে বাদ পড়ে যায়, অসম তার টাটকা প্রমাণ। রাষ্ট্র মনে করেছে, সেখানকার ১৯ লক্ষ বসবাসকারীর কাছে নিজেদের ভারতীয় হিসেবে ‘প্রমাণ’ করার মতো যথেষ্ট নথিপত্র নেই। নিজের দেশে বাবা-ঠাকুরদা-চোদ্দোপুরুষের ‘অস্তিত্ব’-র কাগজপত্র তাঁরা দাখিল করতে পারেননি। তাই জাতীয় নাগরিকপঞ্জিতে তাঁদের নাম ওঠেনি! সোজা কথায়, যাঁদের নথিপত্র সরকারের কাছে ‘গ্রহণযোগ্য’ বা ‘যথেষ্ট’ বলে মনে হবে না, তাঁরা বংশপরম্পরায় এ দেশে বসবাসকারী হলেও পার পাবেন না। অসম সেটা বুঝিয়ে দিয়েছে।
ব্যতিক্রম নন শিলচরের বিজেপি বিধায়ক তথা প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার দিলীপকুমার পালও। আগস্টে প্রকাশিত এনআরসিতে তাঁর স্ত্রী অর্চনার নাম ওঠেনি। তবে তিনি স্ত্রীর জন্য সিএএ-তে আবেদনের পক্ষপাতী নন। দিলীপ বলেন, ‘‘অর্চনার বাবা-কাকা ১৯৪৮ সালে শিলচরে জমি কিনেছিলেন। তার দলিল সংগ্রহ করে এনআরসির জন্য আবেদন করা হয়েছিল। বাবা-মেয়ের লিঙ্ক হিসেবে প্যান কার্ড দেওয়া হয়েছিল, মানা হয়নি।’’ অসম-ই প্রমাণ, সিএএ নিয়ে যাঁরা স্বপ্ন দেখছেন, তাঁরাও রক্ষা পাবেন না। জানে বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ও।
আসলে যা কাণ্ডজ্ঞান দিয়ে বোঝা যায়, তাকে দুর্বোধ্য করে তোলাই শাসকের রাজনীতি। তাই, উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্বের মতো একটি সহজ, মানবিক ও সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে প্যাঁচ কষে, রস নিংড়ে তৈরি হয়েছে ২০১৯-এর নাগরিকত্ব আইন। ফলে শাসকের বুদ্ধির সঙ্গে সাধারণের কাণ্ডজ্ঞানের সংঘাত অনিবার্য হয়ে উঠেছে। সাধারণের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে, চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর ধরে ভোট দিয়ে সরকার গঠন করা নাগরিকদেরও অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
উদ্বাস্তুরা এত আইনের মারপ্যাঁচ চাননি। তাঁরা দেশ ভাগাভাগিতে রাষ্ট্রহারা হয়ে যেতে পারেন না। তাঁদের প্রশ্ন, এই আইন যদি উদ্বাস্তুদের মুশকিল আসান হয়, তা হলে অসমে ১৪ লক্ষ হিন্দু বাঙালি এনআরসি তালিকার বাইরে কেন, আর কেনই বা তাঁদের ঠাঁই ডিটেনশন ক্যাম্পে? ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েও প্রধানমন্ত্রী কেন ডিটেনশন ক্যাম্প তুলে দিতে পারলেন না? কারও কাছেই এর কোনও সদুত্তর নেই। অসমের দৃষ্টান্ত থেকে বলা যায়, এই আইন নিয়ে আজ যাঁরা উল্লসিত, তাঁরাও নিষ্কৃতি পাবেন না।
অথচ, গত লোকসভা ভোটে শুধুমাত্র নাগরিকত্ব পাইয়ে দেওয়ার ‘গাজর ঝুলিয়ে’ তৃণমূলের ঝুলিতে থাকা মতুয়া ভোটের দখল নিয়েছিল বিজেপি। সেই ছকেই এবারও ‘দুই কোটি অনুপ্রবেশকারী’, ‘উইপোকা’দের খুঁজে খুঁজে দেশ থেকে বিতাড়নের হুঙ্কার ছাড়ছেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহরা। কিন্তু, তাঁরা এটা জানেন না, অসমে এনআরসি-ছুট ১৪ লক্ষ হিন্দু বাঙালির করুণ দশা দেখে বনাঞ্চলের আদিবাসী, ভূমিহীন নিরক্ষর, মুসলিমদের মতো বাংলার মতুয়ারাও শঙ্কিত। কারণ, তাঁরা জেনে গিয়েছেন, আধার কার্ড-ভোটার কার্ড কোনও কিছুই নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়। ফলে জলের মতো পরিষ্কার, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ)-এ রাজ্যের সব মতুয়া ঢালাও নাগরিকত্ব পাবেন না। আইনের মারপ্যাঁচেই আটকে যাবেন লক্ষ লক্ষ গরিব, ভূমিহীন নিরক্ষর মতুয়া পরিবার। একরাশ আতঙ্ক গ্রাস করবে মতুয়া সমাজকে। ঠিক অসমের মতোই। যেখানে এনআরসি-ছুটদের আজ দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবেই থাকতে হয়।
অসমের বাসিন্দা শতায়ু চন্দ্রধর দাসের কথাই ভাবুন। আশায় ছিলেন, কোর্ট-কাছারিতে দৌড়ঝাঁপ করতে হবে না আর। নতুন আইনেই ভারতীয় নাগরিক হওয়ার স্বীকৃতি মিলবে। না, কাছাড় জেলার আমড়াঘাটের চন্দ্রধরবাবুর সেই আশা পূরণ হয়নি। আচমকাই পুলিসের সন্দেহ হয়, ১০২ বছরের চন্দ্রধর বোধ হয় বাংলাদেশি। ভোটার তালিকায় ডি (অর্থাৎ ডাউটফুল) চিহ্নিত হলেন। মামলা গেল ফরেনার্স ট্রাইবুনালে। শুনানিতে চন্দ্রধরবাবু ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে রিফিউজি রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট জমা করেছিলেন। তাতে উল্লেখ রয়েছে, ১৯৫৬ সালে তিনি ত্রিপুরা সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছেন। ট্রাইবুনাল ওই সার্টিফিকেটের যথার্থতা মানতে পারেনি। অন্যান্য নথি দেখাতে নির্দেশ দেয়। সেদিন আর কোনও নথি হাতে না-থাকায় তাঁকে ‘বিদেশি’ বলে রায় দেওয়া হয়। ১০২ বছর বয়সে তাঁর ঠাঁই হয় শিলচর সেন্ট্রাল জেলে (কাগজে-কলমে যা ডিটেনশন সেন্টার)। তিন মাস পরে অসুস্থ হয়ে মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হওয়ার পরে তাঁর জামিন মঞ্জুর হয়। শুধু চন্দ্রধর দাসরাই নয়, লক্ষাধিক ভারতীয় ‘বিদেশি’ তকমায় ভুগছেন অসমে। এই লক্ষাধিক ভারতীয়কে সব প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও বছরের পর বছর হেনস্তার মুখে পড়তে হয়েছে। লড়তে হয়েছে মামলা। খরচ করতে হয়েছে প্রচুর অর্থ। ভারতীয় হয়েও বিদেশি ‘তকমা’ নিয়ে বেঁচে থাকার মানসিক গ্লানি তো বাড়তি পাওনা।
মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ডিটেনশন শিবিরে বন্দিদের বাংলাদেশি হিসেবে ধরে নিয়ে সরকার তাঁদের ‘নিজের দেশের ঠিকানা’ দিতে বললেও, বংশানুক্রমে বা দীর্ঘদিন ধরে অসমের মাটিতেই বসবাস করা এই মানুষগুলি ভারতেরই বাসিন্দা। তাই তাঁদের পক্ষে কোনওভাবেই বাংলাদেশের ঠিকানা দেওয়া সম্ভব নয়। আর আদতে বাংলাদেশের বাসিন্দা হলে, কেউই ঠিকানা গোপন করে বছরের পর বছর জেলে পচতে চাইবেন না।
মতুয়ারাই আজ বলছেন, ভোট প্রচারে এসে নাগরিকত্ব সংশোধন আইনকে যাঁরা রক্ষাকবচ বলছেন, আসলে তাঁরা ক্ষমতাবান। নিজেদের কাগজপত্র গুছিয়ে ফেলেছেন। এখন নিজেদের আখের ঘোছাতে সিএএ নিয়ে সোচ্চার। ভোটার, রেশন, আধারের মতো সরকারি পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও কেন আবার নতুন করে নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের মুখাপেক্ষী হতে হবে? সেই প্রশ্নও মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষদের মনে জেগে উঠেছে। মতুয়া সম্প্রদায় আর বিজেপির ফাঁদে পা দিতে চায় না।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও বিভাজন নয়। এ রাজ্যে নাগরিকত্ব সংশোধন আইন কার্যকর হতে দেবেন না। এ রাজ্যের সব ভোটারই ভারতের নাগরিক। ফলে বিধানসভা নির্বাচনে মতুয়া ভোট কোন দিকে যাবে, বিজেপি-র কাছে এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। কারণ, দলের অঙ্ক বলছে, নীলবাড়ি দখল করতে হলে মতুয়া সম্প্রদায়ের ভোট ঝুলিতে ভরতেই হবে। হিসেব এও বলছে, প্রায় ৩০টি বিধানসভা আসনের ফলাফল এদিক-ওদিক করে দিতে পারেন গুরু হরিচাঁদ ঠাকুরের অনুগামীরা।
বিজেপি এত দিন বলে এসেছে, নয়া নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) কেন্দ্রীয় সরকারের বিষয়। রাজ্য তাতে নাক গলাতে পারে না। সেই বিজেপিই আবার পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী ইস্তাহারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, ‘আমরা মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই নয়া নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করব।’ কেন্দ্রের আইন কার্যকর করতে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকতে হবে কেন? এই কুৎসিত মিথ্যাচার আর কতদিন?‌ অন্তত ২মে পর্যন্ত। পেট ভরাতে চাইছে বিজেপি‌, ভোটের পেট। কিন্তু মিথ্যার চাষ?‌ বিষের চাষ?‌ তা চলবে বিধানসভা ভোট‌ পর্যন্ত। বঙ্গবাসীর কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়ে ওঁরা কী করবেন, ওঁদের ব্যাপার। আমাদের কাজ একটাই, মিথ্যার জাল ছিন্ন করে বাংলাকে নিরাপদ হাতে রাখা। 
09th  April, 2021
মমতা মডেলে উজ্জীবিত গোটা দেশ
মৃণালকান্তি দাস

সমস্ত সরকারি এজেন্সিকে মাঠে নামিয়ে, বিজেপির গোটা ভোট-মেশিনারি এবং কয়েক হাজার কোটি টাকার বাজেট নিয়ে যেভাবে বাংলা দখলের ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা হয়েছিল, তা মমতা যে একাই ভেস্তে দিতে পারেন, সেটা বিজেপি স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি। বিশদ

অপদার্থ, অনাচারী রাজা,
এবার গদি ছাড়ুন
সন্দীপন বিশ্বাস

নতুন সরকারের গায়ে কাদা ছিটিয়ে নয়া ফন্দি আঁটছে বিজেপি। রাজ্যজুড়ে হিংসা ছড়ানোর গোপন ছক চলছে। রাজ্যকে অশান্ত করার গোপন খেলায় সক্রিয় বিজেপির আইটি সেলও। বিজেপি সব সময় সোজা খেলায় হেরে গেলে বাঁকা পথে জেতার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। রাজ্যে সেই উস্কানিই চলছে। বিশদ

12th  May, 2021
বিভাজনের উস্কানিতে
বাংলা বিকিয়ে যাবে না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বাংলা এখনও বিকিয়ে যায়নি। যাবে না। কোটি কোটি করদাতার রক্ত জল করা টাকায় হয়তো মোদিজির সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্প সফল হবে। কিন্তু সাম্প্রদায়িক উস্কানির অন্ধকারে বাংলাকে ডুবিয়ে দেওয়ার স্বপ্ন? হবে না। মোদিজি বরং মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে থাকুন। বিশদ

11th  May, 2021
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে সত্য মিথ্যা
প্রকাশ জাভরেকর

 

জানুয়ারির গোড়ার দিকে দেশে কোভিড পরিস্থিতির যথেষ্ট উন্নতি হয়েছিল। নতুন করে সংক্রমণও কমছিল। কিন্তু দেখা গেল, কেরলে সেই সময় সংক্রমণ বাড়তে শুরু করল। ওই রাজ্য থেকেই নতুন সংক্রমণের এক-তৃতীয়াংশের খবর আসছিল। ৬ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব এক চিঠিতে রাজ্য সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ করার পরামর্শ দেন। বিশদ

11th  May, 2021
মোদি বনাম দিদি ও অন্য লড়াইগুলি
পি চিদম্বরম

ভারতীয় মিডিয়া সবে জাগতে শুরু করেছে। মানুষ তার ক্রোধের বহিঃপ্রকাশের জন্য প্রতিটা নির্বাচনকে হাতিয়ার করছে। দৃষ্টান্ত, উত্তরপ্রদেশের পঞ্চায়েত ভোট। ২০২১ সাল—আরও একটি নষ্ট বছরের জন্য মনোবল ফেরানোর জন্য যখন চেষ্টা করছি, ঠিক তখনই আশঙ্কায় কেঁপে উঠছি আগামী দু’টি বছরের কথা ভেবে—২০২২, ২০২৩ সালও নষ্ট হবে না তো! বিশদ

10th  May, 2021
বাংলা থেকেই কি মোদির শেষের শুরু
হিমাংশু সিংহ

মুসলিম ও হিন্দু দু’তরফেই বাংলায় প্রত্যাখাত হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। উল্টে নাক উঁচু বাম প্রগতিশীল সমাজও বিজেপিকে ঠেকাতে খোলা মনে মমতার নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন। মেরুকরণের বিষ ব্যুমেরাং হয়ে বিধ্বস্ত করেছে গেরুয়া দলকেই। প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, মিথ্যার দ্বারা মহৎ কাজ হয় না। বিশদ

09th  May, 2021
স্বৈরাচারী কলুষিত প্রশাসনকে
হুঁশিয়ার করলেন রবীন্দ্রনাথ
জয়ন্ত কুশারী

রবীন্দ্রনাথই অন্যতম মহামানব যিনি ভাবীকালের পৃথিবীকে তাঁর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে চিনতে পেরেছিলেন। এটা অনস্বীকার্য যে বিবাদ বিদীর্ণ দেশ রাজনৈতিক মতাদর্শের বৈষম্য, অর্থনৈতিক স্তরবিন্যাসের বৈচিত্র্য, প্রগতির বিভিন্ন মানকে স্বীকার করে নিয়েও সামগ্রিক ক্রমোন্নতির পথ থেকে বিচ্যুত হননি। বিশদ

09th  May, 2021
সাধু সাবধান, ভাবিয়া করিও কাজ
তন্ময় মল্লিক

‘বদল হবে, বদলাও হবে’। নির্বাচনের আগে দিলীপ ঘোষ থেকে সায়ন্তন বসুদের এটাই ছিল জনপ্রিয়তম স্লোগান। ‘বদলা নেওয়ার’ হুমকির পাশাপাশি চোখা চোখা ডায়ালগের ফুলঝুরি ফুটত। প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে পারেননি অনুব্রত মণ্ডলও। ‘ডাটিয়ে পগার পার করে দেব’ বলার পর অনুব্রতবাবু ‘খেলা হবে’তেই আটকে ছিলেন। বিশদ

08th  May, 2021
করোনা ঠেকাতে প্রতিরক্ষা
মন্ত্রকের উদ্যোগ
রাজনাথ সিং  

মহামারীর বর্তমান পরিস্থিতি ভারত মোকাবিলা করছে ঐক্যবদ্ধভাবে। সশস্ত্র বাহিনী দেশকে জয়ী করতে নানান উদ্যোগ নিয়েছে। বাহিনীর সদস্যদের রয়েছে অদম্য মনোভাব। যে-কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মানসিকতায় তাঁরা পূর্ণ। বিশদ

08th  May, 2021
গণদেবতার আশীর্বাদ
মৃণালকান্তি দাস

শেষ বিচারে বঙ্গসমাজ বিজেপির আইডেনটিটি পলিটিকস তত্ত্বকে আমল দেয়নি। বাঙালিয়ানা বিসর্জন দিয়ে বিজেপির হিন্দু-হিন্দি-হিন্দুস্তান মার্কা ভারতীয়ত্বকে আপন করে নিতে চায়নি। বহুত্ববাদ, বৈচিত্র্য ও বিবিধকে আঁকড়ে ধরে একদর্শী মতবাদকে তফাতে ঠেলেছে। দিনের শেষে এই রাজনৈতিক সংঘাত তাই রূপ নিয়েছে এক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে।
বিশদ

07th  May, 2021
প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

ভোট পর্ব মিটতে না মিটতে করোনা রোধে আঁটসাঁট বিধিনিষেধ। মাত্র এক দেড় মাসের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছাচারী ভোট পরিচালনায় রাজ্যব্যাপী সর্বত্র করোনা ছড়িয়ে গেছে। এমন অভিযোগ উঠে এসেছে কেবলমাত্র রাজনৈতিক দলের মধ্য থেকে নয়, খোদ মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকেও। বিশদ

06th  May, 2021
রাজধর্ম পালনের শপথ
হারাধন চৌধুরী

কোভিড পরিস্থিতি আপনারা দায়িত্ব নিয়ে যদি এতটা খারাপ না করে ফেলতেন, তাহলে অবশ্যই বলতাম, মোদি-শাহ-নাড্ডা বাংলায় আসুন। আজই সুযোগ। মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতার শপথের হ্যাটট্রিক। দেখে যান রাজধর্ম পালনের শপথ কীভাবে নিতে হয়। বিশদ

05th  May, 2021
একনজরে
করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও সুষ্ঠুভাবে রেশনে খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার উপর বিশেষ জোর দিচ্ছেন রাজ্যের নতুন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেশন গ্রাহকদের বাড়ি বাড়ি খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে ...

শিলিগুড়িতে ফের ভাঙন ধরল বামফ্রন্টে। বিধানসভা ভোটে অশোক ভট্টাচার্যের ভরাডুবির দু’সপ্তাহের মধ্যে বুধবার বামফ্রন্ট ত্যাগ করলেন দুই নেতা। তাঁরা হলেন আরএসপির রামভজন মাহাত ও সিপিএমের ...

শেষ পর্যন্ত বিস্তর টানাপোড়েনের পর আলোচনায় বসতে চেয়ে শ্রী সিমেন্ট কর্তারা বুধবার চিঠি দিল ইস্ট বেঙ্গল ক্লাবকে। ওই চিঠিতে এসসি ইস্ট বেঙ্গলের সিইও শিবাজি সমাদ্দার বলেছেন, ‘অবিলম্বে আলোচ্য বিষয়গুলি জানান।’ ...

করোনার সংক্রমণ এড়িয়ে সুরক্ষিতভাবে বাড়িতে বসেই গয়না কেনার সুযোগ করে দিচ্ছে সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস। অক্ষয় তৃতীয়া ও ঈদ উপলক্ষে থাকছে হরেক অফারও। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৩৮ - সম্রাট শাহজাহানের তত্ত্বাবধায়নে দিল্লির লাল কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু
১৮৩৬ - ভারততত্ত্ববিদ স্যার চার্লস উইলকিন্সের মৃত্যু
১৮৮৭ - বাঙালি কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক এবং প্রবন্ধকার রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৮৫৭: ম্যালেরিয়ার জীবাণু আবিষ্কারক রোনাল্ড রসের জন্ম
১৯১৮: নৃত্যশিল্পী বালাসরস্বতীর জন্ম
১৯৪৭: কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যু
১৯৫৬: আর্ট অফ লিভিং ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা তথা আধ্যাত্মিক নেতা শ্রীশ্রী রবিশঙ্করের জন্ম
১৯৬২: ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নিলেন সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণাণ
১৯৬৭: ভারতের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নিলেন জাকির হোসেন
১৯৯৫ - প্রথম নারী হিসেবে ব্রিটিশ বংশদ্ভূত এলিসনের অক্সিজেন ও শেরপা ছাড়াই এভারেস্ট জয়
২০০০ - ভারতের লারা দত্তের বিশ্বসুন্দরী শিরোপা লাভ
২০০৫ - বিশিষ্ট সঙ্গীতিশিল্পী উৎপলা সেনের মৃত্যু
২০১১: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয় তৃণমূল কংগ্রেসের



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৬৭ টাকা ৭৪.৬৮ টাকা
পাউন্ড ১০১.৯৯ টাকা ১০৫.৫১ টাকা
ইউরো ৮৭.৪৯ টাকা ৯০.৭১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৪৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,৬৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭১,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭১,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ বৈশাখ ১৪২৮, বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১। দ্বিতীয়া অহোরাত্র। রোহিণী নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/১/১৪, সূর্যাস্ত ৬/৪/৩৬। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ১০/১৫ গতে ১২/৫২ মধ্যে। বারবেলা ২/৪৯ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৩ গতে ১২/৫৫ মধ্যে। 
২৯ বৈশাখ ১৪২৮, বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১। দ্বিতীয়া রাত্রি ৩/৩৬। রোহিণী নক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৮। সূর্যোদয় ৫/১, সূর্যাস্ত ৬/৬। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে ও ১০/১৫ গতে ১২/৫১ মধ্যে। কালবেলা ২/৫০ গতে ৬/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৬ মধ্যে। 
৩০ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শিবপুরে জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বালকের মৃত্যু
কলকাতার পর এবার হাওড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটল আজ ...বিশদ

07:43:56 PM

দুর্গাপুরে  দিদিকে গুলি, অভিযুক্ত ভাই
দুর্গাপুরে  দিদিকে গুলি করে খুনের চেষ্টার অভিযোগ ভাইয়ের বিরুদ্ধে। আজ, ...বিশদ

05:17:18 PM

ধনেখালিতে ট্রেন থেকে পড়ে মৃত্যু বিহারের দম্পতির
স্ত্রী জ্যোতিকে নিয়ে কলকাতায় শ্বশুরবাড়ি আসছিলেন বিহারের দ্বারভাঙ্গার বাসিন্দা সৌরভ ...বিশদ

04:07:09 PM

স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে এবার উঠতে পারবেন স্বাস্থ্যকর্মীরাও
রেলকর্মীদের জন্য ‘স্টাফ স্পেশাল’ ট্রেনে এবার থেকে উঠতে পারবেন স্বাস্থ্যকর্মীরাও। ...বিশদ

03:35:34 PM

গঙ্গায় মৃতদেহ ভেসে আসতে পারে, শুরু নজরদারি
উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারের গঙ্গায় ভাসতে দেখা গিয়েছে অসংখ্য মৃতদেহ। আশঙ্কা, ...বিশদ

03:29:57 PM

পিছিয়ে গেল পরীক্ষা
করোনার জেরে পিছিয়ে গেল ইউপিএসসি-র প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ইউপিএসসি-র প্রিলিমিনারি হওয়ার ...বিশদ

03:17:14 PM