Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পুরনো হিসেব পরে, এখন
শুধুই বাংলা ও বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

মোস্তফা সরকার। আমার বাজারতুতো দাদা। বাজার করতে গিয়ে প্রায়ই তাঁর সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ হয়। তাঁর ‘দেশের বাড়ি’ বীরভূমে। পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। একটি নামী কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থায় উচ্চপদে চাকরি করেছেন দীর্ঘদিন। অবসর নিয়েছেন সম্প্রতি। কলকাতায় বাড়ি বানিয়ে সস্ত্রীক বসবাস করলেও শেকড়ের টান তাঁর এখনও প্রবল। মানুষটি বিশেষভাবে রাজনীতি সচেতন। রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করতে ভালোবাসেনও। কোনও রাখঢাক নেই তাঁর। 
মোস্তফাদা বলেন, আমাদের পরিবার জাত কংগ্রেসি। আমি তো বটেই, আমাদের পরিবারের কেউ ‘হাতচিহ্ন’ ছাড়া ভোট দেওয়ার কথা কখনও ভাবেনি। বাবা ছিলেন অঞ্চল কংগ্রেসের গণ্যমান্য ব্যক্তি। বয়সজনিত কারণে তিনি আর প্রত্যক্ষ রাজনীতি করেন না। কিন্তু আমার নিজের এক সহোদর ভাই এবং এক জ্ঞাতি ভাই কংগ্রেসের টিকিটে ওই অঞ্চলে ভোটে লড়ে।  মোস্তফাদার এক ভাই ডাক্তার। পরিবারের একাধিক সদস্য ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বিজনেস ম্যাজেনমেন্ট পেশাতেও যুক্ত। পেশাগত কারণে তাঁরা দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকলেও ভোটের সময় তাঁরা দেশের বাড়িতেই ফিরে আসেন। সকলেই গ্রামের ভোটার। রাজনীতি তাঁদের কারও পেশা নয়, কিন্তু পরিবারের পরম্পরা মেনে তাঁরা ভোটের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।
মোস্তফাদার অকপট স্বীকারোক্তি, গত পঞ্চায়েত ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আমাদের খুব রাগ হয়েছিল। কারণ, তাঁর পার্টি তৃণমূল অধিকাংশ কেন্দ্রে কংগ্রেসকে প্রার্থী দাঁড় করাতে দেয়নি। এনিয়ে কংগ্রেস-তৃণমূলের মধ্যে ঝগড়াঝাঁটিও হয়েছে বিস্তর। কিন্তু গত লোকসভার ভোট থেকে বিজেপি বাংলায় মাথা চাড়া দিতেই আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতির পুনর্মূল্যায়ন করতে শুরু করেছি আমরা এই বিধানসভার ভোটে। তলিয়ে ভাবতেই হচ্ছে, একটামাত্র রাজ্যের ভোট নিয়ে গোটা গেরুয়া পরিবারের এত ইন্টারেস্ট কীসের! আরও চার জায়গায় ভোট হচ্ছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় শাসক দলের সেসব নিয়ে কোনও ইন্টারেস্ট আছে বলে তো মনেই হচ্ছে না। কেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতিকে ডেইলি প্যাসেঞ্জার হতে হয়েছে? 
আমার বাজারতুতো আরেক দাদা হলেন গ্যাব্রিয়েল। বছর ছয় আগে প্রথম আলাপে চমকে দিয়েছিলেন সত্তরোর্ধ্ব মানুষটি। একে গ্যাব্রিয়েল নাম, তার উপর ভয়ানক স্মার্ট। ইংরেজি প্রশ্নের উত্তর যে ঝরঝরে বাংলায় দিয়েছিলেন তা ভোলবার নয়। আমার বিস্ময় ভাঙিয়ে দিয়েছিলেন নিজেই: শুনেছি কেরলের আলাপ্পুঝায় আমার ঠাকুর্দার জন্ম। ছিলেন মাইনিং ইঞ্জিনিয়ার। কর্মসূত্রে অনেক রাজ্যে কাটাবার পর অবশেষে এই বাংলায় এসে থিতু হন। এখানেই আমার বাবার জন্ম। বাবাও কর্মসূত্রে নানা জায়গায় কাটালেও তাঁরও বিশেষ বাংলাপ্রীতি ছিল। তিনি এখানেই বিয়েথা করে থিতু হন। আমাদের চার ভাইবোনের জন্ম এই কলকাতাতেই। আমি নিজেও দীর্ঘদিন দিল্লি ও মুম্বইতে চাকরি করে সেই কলকাতার টানেই ফিরে এসেছি শেষমেশ। একটি কনভেন্ট স্কুলের রিটায়ার্ড টিচার আমার স্ত্রী। তিনিও কলকাতায় থাকতেই ভালোবাসেন। ইংরেজি, হিন্দিটা কাজের ভাষা হিসেবে রপ্ত করেছি। কিন্তু বাংলাটা আলাদা করে শিখতে হয়নি, যেমন আপনাদের। দুঃখের বিষয়, মালয়ালম, আমার পূর্বপুরুষের ভাষাটা শেখা হয়ে ওঠেনি। জানিও না, ‘দেশের বাড়ি’ বলে আর আদৌ কিছু আছে কি না।   
আলোচনায় প্রবেশ করে গ্যাব্রিয়েলদা যোগ করেন, শুনতে পাই বিজেপি রিচেস্ট পলিটিক্যাল পার্টি। কর্পোরেট আঁতাতে পার্টি যত বড়লোক হচ্ছে, আমরা তত গরিব হচ্ছি। আরএসএসের আইটি সেল দেশজুড়ে জাল বিস্তার করতে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করছে। অথচ ইপিএস থেকে পেনশন পাচ্ছি মাসে দেড় হাজার টাকা। স্বামী-স্ত্রীতে মোট হাজার তিন! এতে সংসার চলে কি? ভরসা ছিল স্মল সেভিংস। সেখান থেকেও আয় তো রোজ কমছে। ফের যদি চিটফান্ডের রমরমা হয়, সরকার কাকে দুষবে? দু’বছর হল হেলথ ইনস্যুরেন্সের প্রিমিয়াম আর জমা করতে পারি না। খুব চিন্তায় ছিলাম। সেই চিন্তা এবার দূর হয়েছে—মাস দুই আগে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড পেয়েছি। তাই এবার ভাবতেই হচ্ছে, সবচেয়ে বড় বামপন্থী কে—ইয়েচুরি, না মমতা? বাম ছেড়ে মোদির রামে তো যাওয়া হবে না ভাই—আত্মহত্যা মহাপাপ নরকে গমন! 
পাশেই চারামাছ কাটতে দিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মাঝবয়সি পুরকর্মী শিপ্রাদি। কুণ্ঠা ছেড়ে আলোচনায় যোগ দিলেন: আমরা নাকে ভাত খাই না। বুঝি, কেন ভোট এলেই বেচারা জওয়ানদের শহিদ হতে হয়। পুলওয়ামা থেকে বিজাপুর, সুকমায় জওয়ানদের অকালমৃত্যুর পিছনে কোনও রাজনীতি নেই—আমাদের বিশ্বাস করতে হবে! সাধারণ মানুষের ভালোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর মুখে কোনও কথা শোনা যায়? তিনি কথা রাখতে জানেন না। যা বলেন, তাঁর সবটাই ফাঁকা আওয়াজ। আমাদের জীবন তো যা হোক করে চলে যাচ্ছে। ছেলেমেয়েদের কী হবে! মোদিবাবুরা জানেন, ভোটযন্ত্রে এসবের বিরূপ ফল ভোটে পড়বেই। তাই তাঁর পার্টিকে কিছু নির্মম কৌশল নিতে হয়। 
ফের মোস্তফাদা: আমরা এটা বুঝে গিয়েছি, এই ভোটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টক্কর নিতে পারেন একজনই। তিনি আর কেউ নন বাংলার বাঘিনী। তাই আমরা 
ঠিক করেছি, তাঁর উপর আর রাগ পুষে রাখা নয়। পুরনো হিসেব পরে হবে। আপাতত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করার পক্ষে আমরা। যারা কোনওদিন হাতচিহ্ন ছাড়া ভোট দিইনি, তারা তৃণমূলের জোড়াফুলেই ভোট দেব। বিষে বিষে বিষক্ষয়। বাংলায় পদ্মফুলকে রুখতে আমাদের ভরসা ঘাসের উপর জোড়াফুল। 
বাজারের কোণে দাঁড়িয়ে এইভাবে সময় কাটানো যখন চলছে, তখন এক বয়স্ক ব্যক্তি, নামটা জানার সুযোগ হল না, মন্তব্য করে বসলেন: আপনাদের পার্টি তো আব্বাসের দলের সঙ্গে জোট করেছে। সদাহাস্যময় মোস্তফাদাকে বেশ ক্ষুণ্ণ মনে হল। তিনি পাল্টা বলেন, এই হল আপনাদের সমস্যা। আপনাদের মতো শিক্ষিত কিছু বাঙালি ভদ্রলোক মনে করেন, মুসলিমরা বাঙালি নয়। বাংলার ভালোমন্দ তাদের কাছে বিচার্য নয়। তারা শুধু ‘অন্ধ’ মুসলিম সমাজ নিয়েই চিন্তিত। মুসলিম মানেই ধর্মীয় নেতাদের ‘ফতোয়া’ মেনে এককাট্টা হয়ে ভোট দেয়। 
মোস্তফাদা বলেন, এটা কিন্তু আমাদের প্রতি অন্যায়। আমাদের জন্য অত্যন্ত অবমাননাকর। আমাদের মেয়েরাও কত শিক্ষিত হচ্ছে, এগিয়ে যাচ্ছে, আপনারা খোঁজ রাখেন না। এই যে আব্বাসের কথা বলছেন, ওঁকে মুসিলম সমাজের ক’জন মানে? হুগলির বাইরে ওঁর কোনও প্রভাব নেই। ফুরফুরা শরিফেরও সকলে তাঁকে মানে কি? আব্বাসের দল এবং মিমকে ভোট কাটুয়ার অতিরিক্ত বলে মনে করি না। ওরা আসলে বিজেপির হাতই শক্ত করছে। টিভির টক শোগুলো খেয়াল করুন, দেখবেন বিজেপির নানা স্তরের কিছু নেতা আব্বাস এবং হায়দারাবাদের ওয়েইসি সম্পর্কে কত ‘শ্রদ্ধাশীল’। আমি আমার সমাজকে যতটা চিনি, তা থেকে বলতে পারি, এবার আর হাত বা কাস্তে-হাতুড়ি, খাম নিয়ে বিশেষ কেউ মাথা ঘামাবে না। বেশিরভাগ সংখ্যালঘু ভোট তৃণমূলের প্রতীকেই পড়বে। 
মোস্তফাদা যুক্তি দেন: আপাতত বাংলার ও বাঙালির বাঁচার লড়াইটাকেই আমরা বড় করে দেখছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া কেউ মোদি-শাহের আগ্রাসন থেকে বাংলাকে ও  বাঙালিকে বাঁচাতে পারবেন না। এই ভোটের পর আমরা নিশ্চয় ফের কংগ্রেস হয়ে যাব। যাঁরা সিপিএম, আরএসপি, ফরওয়ার্ড ব্লক, সিপিআই,এসইউসি প্রভৃতি আছেন তাঁরাও তাই হয়ে যাবেন। মোস্তফাদা বলেন, আমার কাছে খবর আছে, নন্দীগ্রামেও এই অঙ্কে ভোট পড়েছে। এতেই মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে নন্দীগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধির। মুখ্যমন্ত্রীকে শারীরিক আঘাত, ভোটের দিন তাঁকে রুখে দেওয়ার নষ্টামি কেন হয়েছিল আমরা জানি। খবর পেলাম, ভোটপ্রচারে সিপিএমের কিছু নেতা নন্দীগ্রামে গিয়ে বলেছেন, ‘বিজেপিকে হারাতে পারবে এমন প্রার্থীকেই ভোটটা দেবেন প্লিজ।’ ওঁদের পক্ষে সরাসরি তৃণমূলের হয়ে ভোট চাওয়ার অসুবিধা ছিল। তাই ওঁরা পরোক্ষে মমতাকেই জেতানোর বার্তা দিয়েছেন শেষের দিকে। তাতে ভালো কাজ হয়েছে বলেই আমাদের বিশ্বাস। আরও অনুমান করছি, রাজ্যের অনেক জায়গাতেই এই সমীকরণে ভোট পড়ছে এবং পড়বে। প্রধানমন্ত্রীর মেরুকরণের রাজনীতি যত জোরদার হচ্ছে, ‘বাংলার নিজের মেয়ে’র হাত শক্ত হচ্ছে তত, উনি তত বাঁচার প্রতীক হয়ে উঠছেন আমাদের।  
গ্যাব্রিয়েলদা নিশ্চিত: ‘ম্যানুফ্যাকচার করা’ ভোটসমীক্ষা নিয়ে টিভিতে নির্লজ্জ লাফালাফি চুপসে যেতে দেরি নেই। বাংলায় ভোটের তিন দফা হয়ে গেল। বিজেপির প্রতি মোহ বাকি পাঁচ দফায় আরও ভেঙে যাবে। তিনি মনে করেন, এবার অল্পবয়সি ব্রাইট কিছু ছেলেমেয়েকে প্রার্থী করাটা সিপিএমের অত্যন্ত সঠিক সিদ্ধান্ত। কিন্তু তার সুফল তারা পাবে না, কিছু ভুল পদক্ষেপের জন্য। মানিক সরকার এবং দীপঙ্কর ভট্টাচার্যের পরামর্শ মানলে আগামী দিনে বামেদের ভালোই হতো। বললেন, আমার তো মনে হয়, বিজেপির প্ল্যানেই আব্বাসের দল কংগ্রেস-বামেদের জোটে ঢুকেছে। 
বিড়িতে সুখটান দিতে দিতে কান খাড়া রেখেছিলেন কুবির ইশেদ। তাঁর সহকর্মী মানাদিও। মাছ হাতে ধারালো বঁটি সামলাতে সামলাতে মাঝে মাঝে ঠোঁটের কোণ বিশেষ অর্থবহ করে তুলছিলেন আধফোটা হাসিতে।
07th  April, 2021
মমতা মডেলে উজ্জীবিত গোটা দেশ
মৃণালকান্তি দাস

সমস্ত সরকারি এজেন্সিকে মাঠে নামিয়ে, বিজেপির গোটা ভোট-মেশিনারি এবং কয়েক হাজার কোটি টাকার বাজেট নিয়ে যেভাবে বাংলা দখলের ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা হয়েছিল, তা মমতা যে একাই ভেস্তে দিতে পারেন, সেটা বিজেপি স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি। বিশদ

অপদার্থ, অনাচারী রাজা,
এবার গদি ছাড়ুন
সন্দীপন বিশ্বাস

নতুন সরকারের গায়ে কাদা ছিটিয়ে নয়া ফন্দি আঁটছে বিজেপি। রাজ্যজুড়ে হিংসা ছড়ানোর গোপন ছক চলছে। রাজ্যকে অশান্ত করার গোপন খেলায় সক্রিয় বিজেপির আইটি সেলও। বিজেপি সব সময় সোজা খেলায় হেরে গেলে বাঁকা পথে জেতার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। রাজ্যে সেই উস্কানিই চলছে। বিশদ

12th  May, 2021
বিভাজনের উস্কানিতে
বাংলা বিকিয়ে যাবে না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বাংলা এখনও বিকিয়ে যায়নি। যাবে না। কোটি কোটি করদাতার রক্ত জল করা টাকায় হয়তো মোদিজির সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্প সফল হবে। কিন্তু সাম্প্রদায়িক উস্কানির অন্ধকারে বাংলাকে ডুবিয়ে দেওয়ার স্বপ্ন? হবে না। মোদিজি বরং মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে থাকুন। বিশদ

11th  May, 2021
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে সত্য মিথ্যা
প্রকাশ জাভরেকর

 

জানুয়ারির গোড়ার দিকে দেশে কোভিড পরিস্থিতির যথেষ্ট উন্নতি হয়েছিল। নতুন করে সংক্রমণও কমছিল। কিন্তু দেখা গেল, কেরলে সেই সময় সংক্রমণ বাড়তে শুরু করল। ওই রাজ্য থেকেই নতুন সংক্রমণের এক-তৃতীয়াংশের খবর আসছিল। ৬ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব এক চিঠিতে রাজ্য সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ করার পরামর্শ দেন। বিশদ

11th  May, 2021
মোদি বনাম দিদি ও অন্য লড়াইগুলি
পি চিদম্বরম

ভারতীয় মিডিয়া সবে জাগতে শুরু করেছে। মানুষ তার ক্রোধের বহিঃপ্রকাশের জন্য প্রতিটা নির্বাচনকে হাতিয়ার করছে। দৃষ্টান্ত, উত্তরপ্রদেশের পঞ্চায়েত ভোট। ২০২১ সাল—আরও একটি নষ্ট বছরের জন্য মনোবল ফেরানোর জন্য যখন চেষ্টা করছি, ঠিক তখনই আশঙ্কায় কেঁপে উঠছি আগামী দু’টি বছরের কথা ভেবে—২০২২, ২০২৩ সালও নষ্ট হবে না তো! বিশদ

10th  May, 2021
বাংলা থেকেই কি মোদির শেষের শুরু
হিমাংশু সিংহ

মুসলিম ও হিন্দু দু’তরফেই বাংলায় প্রত্যাখাত হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। উল্টে নাক উঁচু বাম প্রগতিশীল সমাজও বিজেপিকে ঠেকাতে খোলা মনে মমতার নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন। মেরুকরণের বিষ ব্যুমেরাং হয়ে বিধ্বস্ত করেছে গেরুয়া দলকেই। প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, মিথ্যার দ্বারা মহৎ কাজ হয় না। বিশদ

09th  May, 2021
স্বৈরাচারী কলুষিত প্রশাসনকে
হুঁশিয়ার করলেন রবীন্দ্রনাথ
জয়ন্ত কুশারী

রবীন্দ্রনাথই অন্যতম মহামানব যিনি ভাবীকালের পৃথিবীকে তাঁর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে চিনতে পেরেছিলেন। এটা অনস্বীকার্য যে বিবাদ বিদীর্ণ দেশ রাজনৈতিক মতাদর্শের বৈষম্য, অর্থনৈতিক স্তরবিন্যাসের বৈচিত্র্য, প্রগতির বিভিন্ন মানকে স্বীকার করে নিয়েও সামগ্রিক ক্রমোন্নতির পথ থেকে বিচ্যুত হননি। বিশদ

09th  May, 2021
সাধু সাবধান, ভাবিয়া করিও কাজ
তন্ময় মল্লিক

‘বদল হবে, বদলাও হবে’। নির্বাচনের আগে দিলীপ ঘোষ থেকে সায়ন্তন বসুদের এটাই ছিল জনপ্রিয়তম স্লোগান। ‘বদলা নেওয়ার’ হুমকির পাশাপাশি চোখা চোখা ডায়ালগের ফুলঝুরি ফুটত। প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে পারেননি অনুব্রত মণ্ডলও। ‘ডাটিয়ে পগার পার করে দেব’ বলার পর অনুব্রতবাবু ‘খেলা হবে’তেই আটকে ছিলেন। বিশদ

08th  May, 2021
করোনা ঠেকাতে প্রতিরক্ষা
মন্ত্রকের উদ্যোগ
রাজনাথ সিং  

মহামারীর বর্তমান পরিস্থিতি ভারত মোকাবিলা করছে ঐক্যবদ্ধভাবে। সশস্ত্র বাহিনী দেশকে জয়ী করতে নানান উদ্যোগ নিয়েছে। বাহিনীর সদস্যদের রয়েছে অদম্য মনোভাব। যে-কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মানসিকতায় তাঁরা পূর্ণ। বিশদ

08th  May, 2021
গণদেবতার আশীর্বাদ
মৃণালকান্তি দাস

শেষ বিচারে বঙ্গসমাজ বিজেপির আইডেনটিটি পলিটিকস তত্ত্বকে আমল দেয়নি। বাঙালিয়ানা বিসর্জন দিয়ে বিজেপির হিন্দু-হিন্দি-হিন্দুস্তান মার্কা ভারতীয়ত্বকে আপন করে নিতে চায়নি। বহুত্ববাদ, বৈচিত্র্য ও বিবিধকে আঁকড়ে ধরে একদর্শী মতবাদকে তফাতে ঠেলেছে। দিনের শেষে এই রাজনৈতিক সংঘাত তাই রূপ নিয়েছে এক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে।
বিশদ

07th  May, 2021
প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

ভোট পর্ব মিটতে না মিটতে করোনা রোধে আঁটসাঁট বিধিনিষেধ। মাত্র এক দেড় মাসের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছাচারী ভোট পরিচালনায় রাজ্যব্যাপী সর্বত্র করোনা ছড়িয়ে গেছে। এমন অভিযোগ উঠে এসেছে কেবলমাত্র রাজনৈতিক দলের মধ্য থেকে নয়, খোদ মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকেও। বিশদ

06th  May, 2021
রাজধর্ম পালনের শপথ
হারাধন চৌধুরী

কোভিড পরিস্থিতি আপনারা দায়িত্ব নিয়ে যদি এতটা খারাপ না করে ফেলতেন, তাহলে অবশ্যই বলতাম, মোদি-শাহ-নাড্ডা বাংলায় আসুন। আজই সুযোগ। মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতার শপথের হ্যাটট্রিক। দেখে যান রাজধর্ম পালনের শপথ কীভাবে নিতে হয়। বিশদ

05th  May, 2021
একনজরে
করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও সুষ্ঠুভাবে রেশনে খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার উপর বিশেষ জোর দিচ্ছেন রাজ্যের নতুন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেশন গ্রাহকদের বাড়ি বাড়ি খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে ...

বিতর্ক যতই থাকুক, করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্রের অন্যতম ভরসার জায়গা বিদেশি সাহায্য। বুধবার তা আরও একবার স্পষ্ট  করে জানাল মোদি সরকার। করোনায় সহায়তার জন্য এদিন সেই দেশগুলির ভূয়সী প্রশংসা করেছে কেন্দ্র। বলা হয়েছে, এর ফলে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই আরও সহজ হবে। ...

শেষ পর্যন্ত বিস্তর টানাপোড়েনের পর আলোচনায় বসতে চেয়ে শ্রী সিমেন্ট কর্তারা বুধবার চিঠি দিল ইস্ট বেঙ্গল ক্লাবকে। ওই চিঠিতে এসসি ইস্ট বেঙ্গলের সিইও শিবাজি সমাদ্দার বলেছেন, ‘অবিলম্বে আলোচ্য বিষয়গুলি জানান।’ ...

বাড়ির উঠোনে বেড়া দিয়ে ঘেরা ছোট্ট ঘর। সেখানে রান্না করছিলেন গৃহবধূ দীপালি সর্দার। পাশের মাটির ঘরের নিকনো বারান্দায় রাখা ফোন হঠাৎই বেজে উঠল। রান্না ফেলে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৩৮ - সম্রাট শাহজাহানের তত্ত্বাবধায়নে দিল্লির লাল কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু
১৮৩৬ - ভারততত্ত্ববিদ স্যার চার্লস উইলকিন্সের মৃত্যু
১৮৮৭ - বাঙালি কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক এবং প্রবন্ধকার রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৮৫৭: ম্যালেরিয়ার জীবাণু আবিষ্কারক রোনাল্ড রসের জন্ম
১৯১৮: নৃত্যশিল্পী বালাসরস্বতীর জন্ম
১৯৪৭: কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যু
১৯৫৬: আর্ট অফ লিভিং ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা তথা আধ্যাত্মিক নেতা শ্রীশ্রী রবিশঙ্করের জন্ম
১৯৬২: ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নিলেন সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণাণ
১৯৬৭: ভারতের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নিলেন জাকির হোসেন
১৯৯৫ - প্রথম নারী হিসেবে ব্রিটিশ বংশদ্ভূত এলিসনের অক্সিজেন ও শেরপা ছাড়াই এভারেস্ট জয়
২০০০ - ভারতের লারা দত্তের বিশ্বসুন্দরী শিরোপা লাভ
২০০৫ - বিশিষ্ট সঙ্গীতিশিল্পী উৎপলা সেনের মৃত্যু
২০১১: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয় তৃণমূল কংগ্রেসের



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৬৭ টাকা ৭৪.৬৮ টাকা
পাউন্ড ১০১.৯৯ টাকা ১০৫.৫১ টাকা
ইউরো ৮৭.৪৯ টাকা ৯০.৭১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৪৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,৬৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭১,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭১,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ বৈশাখ ১৪২৮, বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১। দ্বিতীয়া অহোরাত্র। রোহিণী নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/১/১৪, সূর্যাস্ত ৬/৪/৩৬। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ১০/১৫ গতে ১২/৫২ মধ্যে। বারবেলা ২/৪৯ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৩ গতে ১২/৫৫ মধ্যে। 
২৯ বৈশাখ ১৪২৮, বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১। দ্বিতীয়া রাত্রি ৩/৩৬। রোহিণী নক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৮। সূর্যোদয় ৫/১, সূর্যাস্ত ৬/৬। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে ও ১০/১৫ গতে ১২/৫১ মধ্যে। কালবেলা ২/৫০ গতে ৬/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৬ মধ্যে। 
৩০ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শিবপুরে জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বালকের মৃত্যু
কলকাতার পর এবার হাওড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটল আজ ...বিশদ

07:43:56 PM

দুর্গাপুরে  দিদিকে গুলি, অভিযুক্ত ভাই
দুর্গাপুরে  দিদিকে গুলি করে খুনের চেষ্টার অভিযোগ ভাইয়ের বিরুদ্ধে। আজ, ...বিশদ

05:17:18 PM

ধনেখালিতে ট্রেন থেকে পড়ে মৃত্যু বিহারের দম্পতির
স্ত্রী জ্যোতিকে নিয়ে কলকাতায় শ্বশুরবাড়ি আসছিলেন বিহারের দ্বারভাঙ্গার বাসিন্দা সৌরভ ...বিশদ

04:07:09 PM

স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে এবার উঠতে পারবেন স্বাস্থ্যকর্মীরাও
রেলকর্মীদের জন্য ‘স্টাফ স্পেশাল’ ট্রেনে এবার থেকে উঠতে পারবেন স্বাস্থ্যকর্মীরাও। ...বিশদ

03:35:34 PM

গঙ্গায় মৃতদেহ ভেসে আসতে পারে, শুরু নজরদারি
উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারের গঙ্গায় ভাসতে দেখা গিয়েছে অসংখ্য মৃতদেহ। আশঙ্কা, ...বিশদ

03:29:57 PM

পিছিয়ে গেল পরীক্ষা
করোনার জেরে পিছিয়ে গেল ইউপিএসসি-র প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ইউপিএসসি-র প্রিলিমিনারি হওয়ার ...বিশদ

03:17:14 PM