Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নন্দীগ্রাম নয়, মমতার চ্যালেঞ্জ একলপ্তে ২৯১
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

মোক্ষম জবাবটা দিয়েছেন ওমর আবদুল্লা। গত শনিবার বেহালার মুচিপাড়ায় শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরলে পশ্চিমবঙ্গটা কাশ্মীর হয়ে যাবে।’ ২০১৯ সালে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিদায় নেওয়ার পর থেকে ওমর আবদুল্লা ভালোই ভুগছেন। গৃহবন্দিত্বের নামে আক্ষরিক অর্থে কয়েদ ছিলেন তিনি। তাই শুভেন্দুবাবুর এহেন মন্তব্যের জবাব দেওয়ার লোভ সামাল দিতে পারেননি। ট্যুইট করেছেন, ‘আপনাদের মতো বিজেপিওয়ালাদের কথা অনুযায়ী, উনিশ সালের আগস্ট মাস থেকে কাশ্মীর তো স্বর্গ হয়ে গিয়েছে! তাহলে বাংলা যদি কাশ্মীর হয়ে যায়, তাতে অসুবিধা কোথায়? যাই হোক, বাঙালিরা কাশ্মীর ভালোবাসেন... বিপুল সংখ্যায় এখানে ঘুরতেও আসেন। তাই আপনার এই বোকা বোকা এবং কুরুচিকর মন্তব্যের পরও আপনাকে ক্ষমা করলাম।’ শুভেন্দুবাবু এই ক্রিকেট টিমে নতুন এসেছেন। হোম গ্রাউন্ডের পিচ তো দূরঅস্ত, দলের স্ট্র্যাটেজিটাই জানেন না। জানলে এমন বেফাঁস কি বলতেন? হয়তো না। তাঁর উপর এখন বিস্তর চাপ। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হতে হয়েছে তাঁকে। উপায়ও ছিল না! আগেই বড় মুখ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন তিনি। নিজেও জানেন, নন্দীগ্রামে জিততে পারলে তবেই শুভেন্দু অধিকারী নামটির রাজনৈতিক অস্তিত্ব ভবিষ্যতে থাকবে। আর হারলে? পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি থেকে ধীরে ধীরে ধূসর হয়ে যাবে তাঁর স্মৃতি। বিদ্রোহ করে দল ছেড়েছেন তিনি। বড্ড বোঝা এই বিদ্রোহের। গণতন্ত্রে তো বটেই। যে মুহূর্তে তিনি দলত্যাগী, ঠিক তখন থেকে শুভেন্দু অধিকারী ভোটারদের স্ক্যানারে। বিজেপিও সেটা বিলক্ষণ জানে। তাই বাংলায় তৃণমূলের সবচেয়ে সেফ আসনটিতেই পরীক্ষার মুখে ফেলেছে তাঁকে। ভাবটা এমন... জিতে এসো দেখি! জিতলে বিজেপির ভালো, হারলে তোমার ‘দাপট’ আর আমাদের বয়ে বেড়াতে হবে না। তার মধ্যে তোমার থেকে যতটুকু উশুল করার, সে তো করেই নেব!
এই চ্যালেঞ্জ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নয়। কারণ, তাঁর বিরুদ্ধে যে প্রার্থীই দাঁড়ান না কেন, ওজনে বিস্তর ফারাক রয়েই যাবে। নন্দীগ্রাম নিয়ে এই ক’দিনে প্রচুর লেখা ও বলা হয়েছে। কিন্তু যে কথাটি বলা হয়নি তা হল, গেরুয়া শিবির কিছুতেই নন্দীগ্রামের মাটিকে জমি আন্দোলনের ভরকেন্দ্র হিসেবে দেখতে চাইছে না। নন্দীগ্রামের সঙ্গে কোনওভাবে মমতার আত্মিক যোগ নতুন করে প্রতিষ্ঠা হয়, চাইছে না সেটাও। তাই প্রচারের যাবতীয় অভিমুখ ধর্মীয় মেরুকরণের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়াটাই তাদের লক্ষ্য ও মোক্ষ। নন্দীগ্রামে ৩০ শতাংশ ভোটার সংখ্যালঘু। তাই বিজেপি চাইছে ৭০-৩০ অঙ্কেই ভোটটা সেরে ফেলতে। গেরুয়া শিবির ভেবে নিয়েছে, এই কেন্দ্রের হিন্দু ভোটের সবটাই তারা ঝুলিতে পুরবে। আর বাম-কংগ্রেস-আব্বাস জোট মুসলিম ভোট কেটে নেবে। তাহলে মমতার জন্য থাকল কী?
সমীকরণটা কিন্তু এতটাও সহজ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মনে করেন, রাজ্যের ২৯৪টা আসনে তিনিই প্রার্থী। তৃণমূলের একমাত্র মুখ তিনিই... এই ধারণা বাদ দিয়েও আর একটা কনসেপ্ট এই ভাবনার নেপথ্যে রয়েছে। সেটা হল, বাংলার প্রত্যেকটা আসনকে তিনি সমান গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। পাহাড় হোক বা সমতল, মাটির চরিত্র বদলের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় ভোটারের আবেগ, প্রয়োজন। সেটাও তিনি সেই এলাকার মানুষের মতোই বোঝেন। আর তা শুধু মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নয়, বিরোধী নেত্রী থাকার সময় থেকেই। তাই নন্দীগ্রাম নিঃসন্দেহে তৃণমূলের সবচেয়ে সেফ সিট। আর এই কারণেই এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চ্যালেঞ্জ নয়।
সত্যিই কোনও চ্যালেঞ্জ যদি মমতা নিয়ে থাকেন, তাহলে সেটা হল, ২৯১ আসনের প্রার্থী একবারে ঘোষণা করে দেওয়া। শুভানুধ্যায়ীরা তাঁকে বুঝিয়েছিল, ধাপে ধাপে ঘোষণা করুন... বিজেপি এবং জোটের মতো। তাহলে বিক্ষুব্ধরা একবারে ধাক্কা দিতে পারবে না। সুপ্রিমো কিন্তু তা করলেন না। সবক’টি আসনে একবারে প্রার্থী ঘোষণা করে তিনি বার্তা দিলেন, যাদের যাদের বিক্ষোভ দেখানোর, এখনই দেখিয়ে নাও। যারা যেতে চাও, তারা চলেও যাও। শূন্যস্থান তৈরি হবে, আবার সেটা একবারে পূরণও হবে। সেটাই দরকার। ধাপে ধাপে স্ট্র্যাটেজি তিনি তৈরি করবেন না। গোছানোর কাজটা তিনি করবেন একলপ্তে। এলিট ক্লাসের বিরোধীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ব্যঙ্গ করে থাকেন। কিন্তু এমন কিছু সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে, রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি কতটা পরিণত। যা তিনি অর্জন করেছেন ধীরে ধীরে... বামফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াইয়ে। সেবারও কিন্তু তিনি চ্যালেঞ্জটা নিয়েছিলেন। বছরের পর বছর, এক একটা নির্বাচনে তাঁর দলের হার হয়েছে, তিনি শিখেছেন। তারপর সেই শিক্ষা প্রয়োগ করেছেন পরবর্তী ভোটযুদ্ধে। বিশ্বাস ছিল তাঁর... বাংলার মানুষের উপর। নিশ্চিত ছিলেন, আজ না হয় কাল বাংলা তাঁর এই লড়াইকে মান্যতা দেবে। বুঝবে, পরিবর্তন দরকার। মানুষ বুঝেছিল। যার ফল ২০১১ সালের ভোট। বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী... হার আর জিতের মধ্যে দিয়ে আরও আরও পরিণত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই চ্যালেঞ্জটা তিনি ফিল্টার করতে পারেন। বুঝতে পারেন, কোনটা নিতে হবে, আর কোনটা এড়িয়ে গেলে চলবে। এবারও তিনি অনুভব করছেন, লড়াইটা খুব সহজ নয়। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের ‘ডাবল ইঞ্জিন’ প্রচার, চাকরির প্রতিশ্রুতি, ‘সোনার বাংলা’ গড়ার ডাক, ফের পরিবর্তনের হুঙ্কার... সব কিছুর নেপথ্যেই গোছানো কৌশল আছে। এ রাজ্যে বিজেপির সংগঠন মোটেও তেমন মজবুত নয়। লোকসভা ভোটে ৪২টার মধ্যে ১৮টা আসন দখলের পরও না। এখনই তাদের মধ্যে আদি-নব্যের সংঘাত, এখনই অবিশ্বাসের বাতাবরণ, মাত্র দু’দফার প্রার্থী ঘোষণার পরই জেলায় জেলায় বিক্ষোভ। তাও তো আগে তালিকা ঘোষণা হয়নি! প্রার্থী ঘোষণার জন্য তাদের অপেক্ষা করতে হয়... কবে তৃণমূল ঘোষণা করবে, আর সেই বুঝে সাজবে সেনা। কিন্তু প্রচার? তাতে কোনও ফাঁক নেই। দিল্লি থেকে নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহরা আসছেন... আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়াচ্ছেন। এটাই আপাতত বিজেপির ব্রহ্মাস্ত্র। মানুষ পাশে আছে কি না, জানে না গেরুয়া শিবির। তাও ঝুঁকি নিতেই হবে। এটা প্রেস্টিজ ফাইট। নরেন্দ্র মোদিকে মুখ করেই... এই বঙ্গে যে আর কোনও মুখই নেই! সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম কয়েকদিন ঘোরাফেরা করল, কিন্তু তাও শেষমেশ দানা বাঁধল না। এবার কি মিঠুন চক্রবর্তী? ব্রিগেডে মোদির জনসভায় বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তিনি। অনেক ফিল্মি ডায়লগও আউড়েছেন। কিন্তু ভোটের খেলা অন্য। এখানে কোনও রিটেক নেই। এই নাট্যশালা বড্ড কঠিন ঠাঁই। তাই চ্যালেঞ্জটা মমতার নয়, বিজেপির।
গত কয়েক বছরে একের পর এক রাজ্য হাতছাড়া হয়েছে মোদির... একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং ডাবল ইঞ্জিনের টোপ সত্ত্বেও। তাহলে বাংলা কি এই প্রচারে সাড়া দেবে? নরেন্দ্র মোদি আত্মবিশ্বাস দেখাচ্ছেন। কিন্তু বঙ্গ বিজেপির সত্যিকারের মুখ যদি কেউ থেকে থাকেন, সেই দিলীপ ঘোষকে তাঁর নিজের এলাকা থেকেই প্রার্থী করেননি। তাহলে কি অন্য কোনও আসন থেকে দিলীপবাবু দাঁড়াবেন? হয়তো। আবার নাও হতে পারে। দিলীপ ঘোষ প্রার্থী হলেন, তারপর হেরে গেলেন... তাতে কিন্তু আদপে গেরুয়া শিবিরই অস্বস্তির মুখে পড়বে। তাই হয়তো আপাতত অপেক্ষা করছে বিজেপি! বাংলায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে একটা উপনির্বাচনে দিলীপবাবুকে জিতিয়ে আনা কঠিন হবে না। এখন মনোনিবেশ থাকুক শুধু মমতায়... কেন্দ্রের সরকারে থাকায় মোদিজির হাতে মেশিনারি আছে। রয়েছে স্ট্র্যাটেজি তৈরির ক্ষমতাও। সব মিলিয়ে আটকাতেই হবে তৃণমূল সুপ্রিমোকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি এই যুদ্ধে জিতে যান, তাহলে গোটা দেশে মোদি-বিরোধী জোট আরও শক্তিশালী হবে। তা কিছুতেই হতে দিতে চায় না গেরুয়া শিবির। তাই আঁটসাঁট হচ্ছে চক্রব্যূহ।
একটা খবর বেরিয়েছিল সংবাদ ভাস্করে। সময়টা ১৮৪৯ সালের ৭ জুলাই... ‘নগরে মহান গোল উঠিয়াছে, মেং লা জানবাজার নিবাসিনী রাজচন্দ্র রায় বাবুর স্ত্রী শ্রীমতী রাসমণী দাসীর রূপ্যময় রথ চালাইতে দেন নাই। পোলিস চৌকীদার দ্বারা পথ রুদ্ধ করিয়া রাখিয়াছিলেন। তজ্জন্য রাসমণী দাসী লা সাহেবের নামে সুপ্রিমকোর্টে অভিযোগ করিয়াছেন কিম্বা তাহার উদ্যোগ করিতেছেন। ইহা যদি সত্য হয় তবে আমরা শ্রীমতী রাসমণী দাসীকে ধন্যবাদ দিব।’ কেন ধন্যবাদ? কারণ, জানবাজারে তখন রানি রাসমণি দোর্দণ্ডপ্রতাপ। তিনি চাইলে তখনই পেয়াদা দিয়ে লা সাহেব শুধু নন, তাঁর পুলিস চৌকিদারদের পর্যন্ত পিটিয়ে ভাগিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি রাগ সংবরণ করলেন এবং আইনের দ্বারস্থ হলেন। ব্রিটিশ ভারতে বাংলার রক্ষণশীল সমাজ ব্যবস্থা... সেই শেকল ভেঙে লড়াইটা পৌঁছে দিলেন রাজতন্ত্রের দরবারে। অসম যুদ্ধ, তাও সঠিক পথটাই নিলেন রানি রাসমণি। চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন রাজদণ্ডকে লক্ষ্য করে।
আজ রাজতন্ত্র নেই। গণতন্ত্রে আমরা নির্বাচিত করি শাসককে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও কিন্তু গণতন্ত্রের পরিধির মধ্যে থেকেই চ্যালেঞ্জটা ছুড়েছেন। দশ বছর আগে পরিবর্তনের পর তাঁর স্লোগান ছিল, ‘বদলা নয়, বদল চাই।’ বিজেপির বাড়বাড়ন্তের সময়ও কিন্তু সেই স্লোগানে বদল আনেননি মমতা। আর আজ বিজেপি বলছে, পরিবর্তন হলে বদলাও হবে। তাহলে সংবিধান মেনে আজ যুদ্ধে কে নেমেছেন? উত্তরটা স্পষ্ট। কিন্তু বাংলার মানুষ কি সেই ‘দুঃসাহস’কে সম্মান জানাবেন? 
09th  March, 2021
স্বাধীন ভারতে সবথেকে
কলঙ্কিত নির্বাচন
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপির বাংলা জয়ের লক্ষ্যের পিছনে রয়েছে নিধন-বাসনা। উড়েছে বস্তা বস্তা বেহিসেবি টাকা। বিজেপির আসল লক্ষ্য বাঙালির অস্মিতা নিধন, বাঙালির ভাষা নিধন, বাঙালির সংস্কৃতি নিধন, বাঙালির ঐক্য নিধন। বাঙালিকে হিরো থেকে জিরো করে দাসানুদাসে পরিণত করা। কিন্তু তা বোধহয় সম্ভব হল না। শোনা যাচ্ছে জননির্ঘোষ, ‘ঘর সামলাও চৌ...কি...দা...র।’ বিশদ

শীতলকুচি ট্রেলার হলে পুরো সিনেমাটা কী? 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফেলুদা সোফায় বসে বাটিটা মোড়ক থেকে খুলে টেবিলের উপর রেখে বলল, ‘এটার একটা বিশেষত্ব আছে।’
‘কী বিশেষত্ব?’
‘জীবনে এই প্রথম একটা বাটি দেখলাম যেটাকে সোনার পাথরবাটি বললে খুব ভুল বলা হয় না।’
জয়সলমিরের মানুষ বাংলা সম্পর্কে প্রথম যে শব্দবন্ধটি শেখে, সেটি একটি নাম—সত্যজিৎ রায়। ‘সোনার পাথরে’ তৈরি বাটি-ঘটি বিক্রির খুব সাধারণ দোকানে গিয়েও দেখেছি, সত্যজিৎ রায়ের ছবি টাঙানো। 
বিশদ

13th  April, 2021
ফিরে এল রাফালের ভূত
পি চিদম্বরম 

স্মৃতি ক্ষণস্থায়ী। সাধারণ মানুষের পক্ষে রোজকার বেঁচে থাকা একটা চ্যালেঞ্জ। দেশ এবং দেশের প্রশাসনের বৃহত্তর চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তারা সচেতন। কিন্তু তারা সেসব নিয়ে দীর্ঘকাল ভাবতে পারে না। 
বিশদ

12th  April, 2021
বাংলার মহিলাদের জীবনে
এই ভোট কেন গুরুত্বপূর্ণ
হিমাংশু সিংহ

ইতিমধ্যেই যে ক’দফা ভোট হয়েছে তাতে অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে উঠে এসেছে মহিলাদের লম্বা লাইন। যা আশা জাগিয়েই শুধু ক্ষান্ত হয়নি, প্রমাণ করেছে প্রত্যয়ী মুখে বর্গীর হানাদারি রুখতে বঙ্গ নারী কতটা অকুতোভয়। আসলে এই শক্তি তাঁরা পাচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে দেখেই।
  বিশদ

11th  April, 2021
আক্রান্ত প্রার্থীরা: বঙ্গ
রাজনীতিতে ‘অশনি সঙ্কেত’
তন্ময় মল্লিক

ভোটের দফা যত গড়াচ্ছে রাজনৈতিক মারামারি, প্রার্থীদের উপর হামলা ততই বাড়ছে। নেতাদের ‘জয়লাভে’র দাবিকে সত্যি ধরে নিয়ে অনেকেই ‘বদলা’ নেওয়ার মহড়া শুরু করে দিয়েছে। নন্দীগ্রাম কার্যত বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে আছে। রাজ্যের জন্য এ-এক ‘অশনি সঙ্কেত’।
  বিশদ

10th  April, 2021
মতুয়াদের সামনে ‘গাজর’
ঝুলিয়ে লাভ নেই! 
মৃণালকান্তি দাস

অসমের গল্পটা নিশ্চিত এতদিনে বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে জলের মতো পরিষ্কার। কী সেই গল্প? নাগরিকত্ব আইন আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৬ সালে অসম দখল করেছিল বিজেপি। আর পাঁচ বছর পর, বিধানসভা ভোটের মুখে জানা গেল, টাকা শেষ। অতএব ঝাঁপ বন্ধ এনআরসি দপ্তরের।  
বিশদ

09th  April, 2021
সোনার বাংলা গড়বে না
বেচে দেবে, প্রশ্ন সেটাই
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

যে সরকার নিজেই তার সমস্ত সংস্থা বিক্রি করে দিতে উঠে পরে লেগেছে সেই সরকার ভবিষ্যতে চাকরিবাকরি বা পরিষেবা দেবে কী দিয়ে? মানুষকেই তার নিজের যোগ্যতায় রোজগার করার পথ খুঁজে নিতে হবে। সরকার কিছু দেবে না, উল্টে সরকারের সব সম্পদ বেচে দেবে। এটাই হল মোদি সরকার বা বিজেপির সরকার চালানোর আসল দর্শন! বিশদ

08th  April, 2021
পুরনো হিসেব পরে, এখন
শুধুই বাংলা ও বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

এই ভোটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টক্কর নিতে পারেন একজনই। তিনি আর কেউ নন বাংলার বাঘিনী। তাই আমরা ঠিক করেছি, তাঁর উপর আর রাগ পুষে রাখা নয়। পুরনো হিসেব পরে হবে। আপাতত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করার পক্ষে আমরা। বিশদ

07th  April, 2021
প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তব:
সুদের হার কিন্তু কমবেই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার হলে ‘ডবল বেনিফিট’ আদৌ হবে কি না জানা নেই। কিন্তু হ্যাঁ, সাঁড়াশির ডবল চাপে মানুষ ব্যতিব্যস্ত হবে—সেটা নিশ্চিত। যেমন হচ্ছে ত্রিপুরায়। যেমন হচ্ছে অসমে। প্রতিশ্রুতি আমরা আজ শুনছি... তখন স্মৃতি রোমন্থন করব। বিশদ

06th  April, 2021
মোদি-ভাবনা ও তার পরিণাম
পি চিদম্বরম 

আগামিকাল, মঙ্গলবার শেষ হবে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরির ভোটগ্রহণ। পশ্চিমবঙ্গের আংশিক ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। বাংলায় বাকি থাকছে আর পাঁচ দফার ভোটগ্রহণ। অসম এবং পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভালো প্রভাব রয়েছে। বাকি তিনটি জায়গাতেও পায়ের তলায় মাটি খুঁজে পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে গেরুয়া শিবির। 
বিশদ

05th  April, 2021
নন্দীগ্রামে জিতবে বাংলাই
হিমাংশু সিংহ

আচ্ছা, নন্দীগ্রামে কে জিতবে বলুন তো? বাজারের মাছওয়ালা থেকে ধোপদুরস্ত বহুতলের বাবু, গত বৃহস্পতিবার টানটান উত্তেজনার মধ্যে ভোট যত এগিয়েছে এই একটা প্রশ্নেই ঘুরপাক খেয়েছে বাঙালি সমাজ। যত উত্তেজনা ছড়িয়েছে বাঙালির রক্তচাপ ততই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বিশদ

04th  April, 2021
বিজেপির ‘হাওয়া’ আর রুদালির
‘কান্না’ আজ একাকার
তন্ময় মল্লিক

বিজেপি বঙ্গ দখলে আগ্রাসী না হলে বাঙালির কত কিছুই অজানা থেকে যেত! টাকা দিয়ে হাসি, উচ্ছ্বাস, এমনকী চোখের জলও কেনা যায়। কিন্তু আন্তরিকতা কেনা যায় না। ভাবনায় ও চেতনায়, রুদালির ‘কান্না’ আর বিজেপির ‘হাওয়া’ কেমন করে যেন একবিন্দুতে লীন হয়ে যাচ্ছে। বিশদ

03rd  April, 2021
একনজরে
ভোটের একেবারে মুখে আচমকা বিজেপির উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি বদল করা হল। এতে দলের অভ্যন্তরেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তবে কেন তাঁকে বদল করা হল, এবিষয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এতে দলের কর্মীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভও ছড়িয়েছে।  ...

‘অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশ’- এর তালিকায় পাকিস্তানের নাম যুক্ত করল ব্রিটেন। আর্থিক তছরুপ ও সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে এই তালিকা তৈরি করেছে তারা। উল্লেখ্য, এতে পাকিস্তান ছাড়াও আলবেনিয়া, বার্বাডোজ, ঘানা, ইরান, জিম্বাবোয়ে, মরিশাস, মরক্কো, মায়ানমার সহ ২১টি দেশ রয়েছে।  ...

বিনা বিচারে ৪১ বছর বন্দি থাকা নেপালের বাসিন্দা দীপক যোশির ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে বিচার বিভাগ সহ রাজ্য প্রশাসনকে। কারণ, মানসিকভাবে অসুস্থ এমন আরও বন্দির হদিশ মিলেছে। ...

বাঙালির রক্তে নিজেদের লালসা পূরণ করতে চাইছে বিজেপি। ওদের জবাব মানুষ ২মে দেবেন। মঙ্গলবার রায়নার জনসভা থেকে শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে এভাবেই বিজেপিকে তোপ দাগলেন তৃণমূল ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর ঈর্ষার কারণে সম্মানহানি হবে। ব্যবসায়ীদের আশানুরূপ লাভ না হলেও মন্দ হবে না। দীর্ঘদিনের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯১: দলিত আন্দোলনের পথিকৃত ভীমরাও রামজি আম্বেদকরের জন্ম
১৯১৯: গায়িকা সামসাদ বেগমের জন্ম
১৯২২: বিশিষ্ট সরোদ শিল্পী আলি আকবর খানের জন্ম
১৯৬৩: পণ্ডিত ও লেখক রাহুল সাংকৃত্যায়নের মৃত্যু 
১৯৮৬ - বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক নীতীন বসুর মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.১১ টাকা ৭৫.৮৩ টাকা
পাউন্ড ১০০.৯০ টাকা ১০৪.৩৮ টাকা
ইউরো ৮৭.৫৬ টাকা ৯০.৭৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
13th  April, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৭,১৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৪,৭৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৫,৪০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৭,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৭,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ চৈত্র ১৪২৭, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১। দ্বিতীয়া ১৮/৩৭ দিবা ১২/৪৮। ভরণী নক্ষত্র ৩০/৩ অপরাহ্ন ৫/২৩। সূর্যোদয় ৫/২১/২০, সূর্যাস্ত ৫/৫২/৪০। অমৃতযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৯ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩১ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪২ গতে ৩/২৩ মধ্যে। রাত্রি ৮/৫৬ গতে ১০/২৮ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৭ গতে ১/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫৫ মধ্যে। 
৩১ চৈত্র ১৪২৭, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১। দ্বিতীয়া দিবা ১১/০। ভরণী নক্ষত্র দিবা ৩/৫১। সূর্যোদয় ৫/২২, সূর্যাস্ত ৫/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২১ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/২২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪১ গতে ৩/২১ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৫৫ গতে ১০/২৭ মধ্যে। কালবেলা ৮/৩০ গতে ১০/৪ মধ্যে ও ১১/৩৮ গতে ১/১২ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩০ গতে ৩/৫৬ মধ্যে।
১ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বাড়িতে বসে ভ্যাকসিন নিলেন বিহারের বিজেপি বিধায়ক, বিতর্ক
করোনার ভ্যাকসিন পেতে বিভিন্ন হাসপাতালে হত্যে দিয়ে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। ...বিশদ

09:10:49 AM

২৫ এপ্রিল বীরভূমে তিনটি সভা মমতার 
আগামী ২৫ এপ্রিল বীরভূমে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে আসছেন তৃণমূল ...বিশদ

09:00:00 AM

তারকেশ্বর মন্দিরে গর্ভগৃহ বন্ধ
করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করায় এবার তারকেশ্বর মন্দিরের গর্ভগৃহ বন্ধ ...বিশদ

08:59:48 AM

আজ রাজ্যে আসছেন রাহুল, থাকছেন না অধীর ও মান্নান
প্রথম চার দফার ভোটের প্রচারে তাঁর দেখা পায়নি বাংলা। বালাই ...বিশদ

08:49:08 AM

শীতলকুচি: আজ মাথাভাঙায় মমতা
আজ, বুধবার মাথাভাঙায় আসছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মাথাভাঙা শহরের ...বিশদ

08:40:04 AM

মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালের মাঠে এসে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে নিহতদের পরিজনেরা 

08:37:00 AM