Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

যেখানে ‘ডবল ইঞ্জিন’
সেখানেই হেরেছে বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

বিজেপির নেতাদের মুখে ‘ডবল ইঞ্জিন’-এর প্রশংসার ফুলঝুরি ফুটছে। তাঁরা বোঝাতে চাইছেন, কেন্দ্রে ও রাজ্যে একই দলের সরকার থাকলে প্রচুর উন্নতি হবে। কলকারখানা হবে। চাকরি হবে। মাস্টারমশাই, সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়বে। ডবল ইঞ্জিনের যদি এতই মহিমা, তাহলে মোদিজি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর রাজস্থানের, ছত্তিশগড়ের, ঝাড়খণ্ডের, মধ্যপ্রদেশের মানুষ বিজেপিকে ঘাড়ধাক্কা দিল কেন? ওই সব রাজ্যে তো বিজেপির সরকার ছিল। ‘ডবল ইঞ্জিনে’ রাজ্য ভালো চললে বিজেপির তো আরও শক্তিশালী হয়ে ক্ষমতায় ফেরার কথা। কিন্তু ঘটেছে ঠিক তার উল্টোটা। বিজেপি হারল। কেন? আসলে ‘ডবল ইঞ্জিন’ বিজেপির ‘ফাঁদ’। প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা জমা দেওয়ার মতোই এটাও ভাঁওতা। এই টোপ ত্রিপুরা গিলেছে বলে বাংলা তা খাবে, ভাবাটা ভুল। বিজেপির দিল্লির নেতারা বোধহয় বাংলার প্রবাদটা জানেন না, নেড়া বেলতলায় একবারই যায়। বিজেপি নেতারা ডবল ইঞ্জিনকে ‘রোল মডেল’ করতে চাইছেন। সেই কারণে নরেন্দ্র মোদিই তাঁদের মুখ। অর্থাৎ বঙ্গে বিজেপি এলে রিমোটটা দিল্লির হাতে। কিন্তু সত্যিই কি ‘ডবল ইঞ্জিনে’র সরকার মানুষের পছন্দ, নাকি তা থেকে মুক্তি চায়?
এবার দেখা যাক, যে ডবল ইঞ্জিনের স্বপ্ন বাংলার মানুষকে বিজেপি দেখাচ্ছে, তার পরিণতিটা কী? মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, রাজস্থান, ঝাড়খণ্ড সহ বিভিন্ন রাজ্যে বিজেপি দীর্ঘদিন সরকার চালিয়েছে। দিল্লিতে যখন কংগ্রেস তখন থেকেই ওই সমস্ত রাজ্যে বিজেপির সরকার। একবার নয়, দু’বার নয়, কোনও কোনও রাজ্যে বিজেপি তিনবার সরকার গড়েছে।
২০১৪ সালে মোদিজি প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় বিজেপি শাসিত রাজ্যের মানুষ অনেক স্বপ্ন দেখেছিলেন। তাঁরা ভেবেছিলেন, কেন্দ্রে ও রাজ্যে একই দলের সরকার হওয়ায় উন্নয়নের জোয়ার বইবে। কারণ বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীরা তাঁদের ব্যর্থতা ঢাকতে কেন্দ্রের কংগ্রেস সরকারের বঞ্চনাকে ‘ঢাল’ করতেন। কেন্দ্রে বিজেপি বসায় সেই বৈষম্য ঘুচবে। কেন্দ্র ঢালাও অর্থ দেবে। কিন্তু, ঘটল ঠিক তার উল্টো। কেন্দ্রীয় সরকারের তালে তাল ঠুকতে গিয়ে বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীরা রাজ্যের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিলেন। বেশি টাকা আদায় তো দূরের কথা, কেন্দ্রের যাবতীয় জনবিরোধী নীতির দায় তাঁদের ঘাড়ে গিয়ে পড়ল। প্রতিবাদ করতেও পারলেন না। কারণ টুঁ শব্দ করলেই গর্দান(মুখ্যমন্ত্রিত্ব) যাওয়ার ভয়। তাই তাঁরা চুপচাপ কেন্দ্রের সমস্ত সিদ্ধান্ত মেনে নিলেন। মুখ্যমন্ত্রিত্ব খোয়ানোর ভয়ে নেতারা চুপ থাকতে পারেন, কিন্তু রাজ্যের মানুষ সহ্য করবেন কেন? তাঁরা প্রতিবাদ জানালেন। কিন্তু, দিল্লি বহু দূর। নাগালের মধ্যে রয়েছে রাজ্য সরকার। সেটাকেই উল্টে দিলেন।
তার ফলে ছত্তিশগড়ের তিনবারের বিজেপি সরকারের পতন হল। শুধু পতন হল না, মুখ থুবড়ে পড়ল। ৯০টি আসনের মধ্যে বিজেপি মাত্র ১৫টি, আর কংগ্রেস দখল করল ৬৮টি আসন। বিজেপির ‘ডবল ইঞ্জিনে’-র সরকার লাইনচ্যুত হল।
মধ্যপ্রদেশের শিবরাজ সিং চৌহানেরও একই হাল। কেন্দ্রে যখন কংগ্রেস সরকার ছিল তখন বিজেপি একের পর এক নির্বাচন জিতে রাজ্যে সরকার গড়েছে। কিন্তু, রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রের ইঞ্জিন জুড়তেই ‘শিবাজি এক্সপ্রেস’ উল্টে গেল। তারপর জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে ভাঙিয়ে কোনওরকমে গদি বাঁচালেন।
ঝাড়খণ্ডেও বিজেপির ‘ডবল ইঞ্জিনে’র সরকারও হল কুপোকাৎ। তাও আবার রাজনীতিতে নবাগত হেমন্ত সোরেনের কাছে। হরিয়ানাতেও একই অবস্থা। সেখানেও বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল না। শেষপর্যন্ত ‘বিজেপির চাণক্যে’র হস্তক্ষেপে তৈরি হল বিজেপির মিলিজুলি সরকার।
এবার রাজস্থান। ২০১৩ সালে রাজস্থানের ক্ষমতা দখল করেছিলেন বিজেপির বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া। ২০১৪ সালে কেন্দ্রে বসলেন মোদিজি। চলতে লাগল ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার। তাতে রাজ্যবাসী খুশি হওয়ার বদলে খেপে গেল। ২০১৮ সালে উল্টে গেল বিজেপির ‘রাজমাতা এক্সপ্রেস’! সরকার গড়ল কংগ্রেস। তবে, কংগ্রেসকে ভাঙার জন্য বিজেপি লড়ে যাচ্ছে। কারণ নীতি নয়, ক্ষমতাই বিজেপির লক্ষ্য।
এই হল বিজেপির ডবল ইঞ্জিনের ‘সাফল্যে’র ইতিহাস। একের পর এক রাজ্যে ‘ডবল ইঞ্জিন’ গোঁত্তা খাওয়া সত্ত্বেও বিজেপির নেতারা সেটাই মোক্ষলাভের রাস্তা বলে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। কারণ ‘স্বপ্ন’ ছাড়া ভাঁড়ারে কিছু নেই। এখন বঙ্গের মানুষ সেই ‘স্বপ্নের ফানুসে’ চড়বেন কি না, একুশের নির্বাচন তারই পরীক্ষা।
এবার দেখা যাক, সিঙ্গল ইঞ্জিনের সরকার কাজ করতে পারে কি না? ১৯৭৭ সালে এরাজ্যে বামফ্রন্ট যখন ক্ষমতায় এল তখন দিল্লিতে কংগ্রেস সরকার। উভয়ের মধ্যে সাপে-নেউলে সম্পর্ক। যে কোনও মুহূর্তে সরকার ভেঙে দেওয়ার আশঙ্কা বুকে নিয়ে বামফ্রন্টের পথ চলা শুরু। বামফ্রন্ট নেতৃত্ব বুঝেছিল, সরকার টিকিয়ে রাখতে গেলে কাজ করতে হবে। তাই তারা প্রথম থেকেই ‘জনগণের সরকার’ হওয়ার চেষ্টা করেছিল। সেই লক্ষ্যেই ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করিয়েছিল। হয়েছিল ভূমি সংস্কার। জোতদারের জমি কেড়ে দিয়েছিল গরিবকে। এসবই ছিল ‘সিঙ্গল ইঞ্জিন’ সরকারের সাফল্য।
প্রতিযোগিতায় দক্ষতা বাড়ে। গণতন্ত্রের প্রতিযোগিতায় উন্মুক্ত হয় জনহিতকর প্রকল্পের দরজা। সরকারে টিকে থাকার জন্য জারি থাকে মানুষকে পাশে পাওয়ার প্রয়াস। সেটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন। কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, সবজুসাথী, বিনা পয়সায় রেশন, বিনা পয়সায় হাসপাতালে চিকিৎসা, মা, সমব্যথী, স্বাস্থ্যসাথীর মতো প্রকল্প চালু করে প্রমাণ করেছেন, ইঞ্জিনের শক্তি নয়, অভিমুখটাই আসল। মানুষের জন্য কিছু করার ইচ্ছাটাই বড়। ইচ্ছা থাকলে উপায় বের হয়। বিজেপি নেতারা কথায় কথায় গুজরাতের উন্নয়নের উদাহরণ দেন। ধরেই নিলাম, মোদিজির নেতৃত্বে গুজরাতে উন্নয়ন হয়েছে। তাহলে সেটাও হয়েছিল ‘সিঙ্গল ইঞ্জিনে’র সরকারের আমলেই। কারণ তিনি যখন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী, তখন কেন্দ্রে ছিল কংগ্রেস সরকার। বরং গুজরাতে ‘গোধরা কাণ্ড’ ঘটেছিল ‘ডবল ইঞ্জিনে’র আমলেই। অটলবিহারী বাজপেয়ি তখন প্রধানমন্ত্রী, আর মুখ্যমন্ত্রীর নাম নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি। লর্ড অক্টন বলেছিলেন,‘অ্যাবসল্যুট পাওয়ার কোরাপ্টস অ্যাবসল্যুটলি’। ‘ডবল ইঞ্জিনের’ কথা যাঁরা বলছেন, লর্ড অক্টনের সেই কথাটা তাঁদের আরও একবার স্মরণ করানো দরকার।
ইঞ্জিনটা ডবল নাকি সিঙ্গল, সেটা বড় নয়। আসল কথা হল, ইঞ্জিনের অভিমুখ কোন দিকে। উন্নয়নে নাকি বেসরকারিকরণে? কেন্দ্রীয় সরকারের কাজ বলে দিচ্ছে, বিলগ্নিকরণের পক্ষে বিজেপি। তাই রেল থেকে বিমান, সর্বত্র ঢালাও বেসরকারিকরণ শুরু করে দিয়েছে। বছরে ২কোটি বেকারের চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সরকারে এসে রেলে, ব্যাঙ্কে, ডাক বিভাগে ও টেলিকমে লক্ষ লক্ষ পদ পূরণ করছে না। চক্রান্ত অনেক গভীরে। কর্মী কমলে ব্যাহত হবে পরিষেবা। মানুষজন বিরক্ত হয়ে ঝুঁকবে অন্যদিকে। তখন সরকারি সংস্থাকে রুগ্ণ দেখিয়ে ‘বেওসায়ি’দের বেচে দেবে। আর কেনার লোক তো হাতে গোনা।
মজার কথা হল, বিজেপির ওই সব নেতাই বঙ্গের বেকার সমস্যার সমাধানের কথা বলছেন। যাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের অসীম ক্ষমতা সত্ত্বেও চাকরি দিতে পারছেন না, তাঁরা রাজ্যের বেকারদের চাকরি দেবেন কী করে? জাদু নাকি? বলি, সব কিছুর যদি সীমা থাকে, ধাপ্পাবাজির থাকবে না কেন! দেশে পাঁচ রাজ্যের নির্বাচন। এই অবস্থাতেও কেন্দ্রের সরকার পেট্রল, ডিজেলের দাম বাড়িয়ে চলেছে। আর গ্যাসের অবস্থা আরও খারাপ। রাতে শুতে যাওয়া আর ঘুম ভাঙার ম঩ধ্যেই সিলিন্ডারের দাম বেড়ে যাচ্ছে ২৫ থেকে ৫০টাকা। আচমকা বাড়িয়ে দিল লোকাল ট্রেনের ভাড়াও। তিন মাস চাষিরা রাস্তায় পড়ে রয়েছেন। কিন্তু সরকার তোয়াক্কা করছে না। সবেতেই যেন ‘ডোন্ট কেয়ার’ ভাব।
ডবল ইঞ্জিনের ‘রোল মডেল’ নাকি উত্তরপ্রদেশ! সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ মালদহে নির্বাচনী প্রচারে এসে বলেছেন, বাংলাকে উত্তরপ্রদেশ বানাবেন। ‘সুশাসন’ প্রতিষ্ঠা করবেন। যখন তিনি একথা বলছেন, ঠিক তার ২৪ ঘণ্টা আগে তাঁরই রাজ্যের হাতরাসে ঘটে গিয়েছে এক ভয়াবহ কাণ্ড। শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্ত গুলি করে মেরেছে নির্যাতিতার বাবাকে। এটা ‘সুশাসন’? দোহাই যোগীজি, দয়া করে বাংলাকে উত্তরপ্রদেশ বানাবেন না। ফ্যাসিস্ট শক্তির কাছে ‘প্রতিবাদ’ বরাবরই অসহ্য। আর ‘প্রতিবাদ’ মানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেসরকারিকরণের প্রতিবাদ, কৃষি আইনের প্রতিবাদ, পেট্রল-ডিজেল-গ্যাসের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদ, এনআরসির প্রতিবাদ। তাই উপড়ে ফেলতে হবে ‘প্রতিবাদের কাঁটা’। বিজেপির নজর এখন সেদিকেই।
বঙ্গে নির্বাচন। তাই ঝাঁকে ঝাঁকে আসছেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীরা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। এমনকী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছেও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে উঠেছে ‘জলভাত’। লক্ষ্য একটাই, বঙ্গজয়। কারণ তাঁরা খুব ভালো করেই জানেন, লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে বাংলা থেকেই হবে বিজেপির শেষের শুরু। তাই বঙ্গের নির্বাচন বিজেপির কাছে হয়ে উঠেছে ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচ। 
06th  March, 2021
স্বাধীন ভারতে সবথেকে
কলঙ্কিত নির্বাচন
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপির বাংলা জয়ের লক্ষ্যের পিছনে রয়েছে নিধন-বাসনা। উড়েছে বস্তা বস্তা বেহিসেবি টাকা। বিজেপির আসল লক্ষ্য বাঙালির অস্মিতা নিধন, বাঙালির ভাষা নিধন, বাঙালির সংস্কৃতি নিধন, বাঙালির ঐক্য নিধন। বাঙালিকে হিরো থেকে জিরো করে দাসানুদাসে পরিণত করা। কিন্তু তা বোধহয় সম্ভব হল না। শোনা যাচ্ছে জননির্ঘোষ, ‘ঘর সামলাও চৌ...কি...দা...র।’ বিশদ

শীতলকুচি ট্রেলার হলে পুরো সিনেমাটা কী? 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফেলুদা সোফায় বসে বাটিটা মোড়ক থেকে খুলে টেবিলের উপর রেখে বলল, ‘এটার একটা বিশেষত্ব আছে।’
‘কী বিশেষত্ব?’
‘জীবনে এই প্রথম একটা বাটি দেখলাম যেটাকে সোনার পাথরবাটি বললে খুব ভুল বলা হয় না।’
জয়সলমিরের মানুষ বাংলা সম্পর্কে প্রথম যে শব্দবন্ধটি শেখে, সেটি একটি নাম—সত্যজিৎ রায়। ‘সোনার পাথরে’ তৈরি বাটি-ঘটি বিক্রির খুব সাধারণ দোকানে গিয়েও দেখেছি, সত্যজিৎ রায়ের ছবি টাঙানো। 
বিশদ

13th  April, 2021
ফিরে এল রাফালের ভূত
পি চিদম্বরম 

স্মৃতি ক্ষণস্থায়ী। সাধারণ মানুষের পক্ষে রোজকার বেঁচে থাকা একটা চ্যালেঞ্জ। দেশ এবং দেশের প্রশাসনের বৃহত্তর চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তারা সচেতন। কিন্তু তারা সেসব নিয়ে দীর্ঘকাল ভাবতে পারে না। 
বিশদ

12th  April, 2021
বাংলার মহিলাদের জীবনে
এই ভোট কেন গুরুত্বপূর্ণ
হিমাংশু সিংহ

ইতিমধ্যেই যে ক’দফা ভোট হয়েছে তাতে অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে উঠে এসেছে মহিলাদের লম্বা লাইন। যা আশা জাগিয়েই শুধু ক্ষান্ত হয়নি, প্রমাণ করেছে প্রত্যয়ী মুখে বর্গীর হানাদারি রুখতে বঙ্গ নারী কতটা অকুতোভয়। আসলে এই শক্তি তাঁরা পাচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে দেখেই।
  বিশদ

11th  April, 2021
আক্রান্ত প্রার্থীরা: বঙ্গ
রাজনীতিতে ‘অশনি সঙ্কেত’
তন্ময় মল্লিক

ভোটের দফা যত গড়াচ্ছে রাজনৈতিক মারামারি, প্রার্থীদের উপর হামলা ততই বাড়ছে। নেতাদের ‘জয়লাভে’র দাবিকে সত্যি ধরে নিয়ে অনেকেই ‘বদলা’ নেওয়ার মহড়া শুরু করে দিয়েছে। নন্দীগ্রাম কার্যত বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে আছে। রাজ্যের জন্য এ-এক ‘অশনি সঙ্কেত’।
  বিশদ

10th  April, 2021
মতুয়াদের সামনে ‘গাজর’
ঝুলিয়ে লাভ নেই! 
মৃণালকান্তি দাস

অসমের গল্পটা নিশ্চিত এতদিনে বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে জলের মতো পরিষ্কার। কী সেই গল্প? নাগরিকত্ব আইন আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৬ সালে অসম দখল করেছিল বিজেপি। আর পাঁচ বছর পর, বিধানসভা ভোটের মুখে জানা গেল, টাকা শেষ। অতএব ঝাঁপ বন্ধ এনআরসি দপ্তরের।  
বিশদ

09th  April, 2021
সোনার বাংলা গড়বে না
বেচে দেবে, প্রশ্ন সেটাই
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

যে সরকার নিজেই তার সমস্ত সংস্থা বিক্রি করে দিতে উঠে পরে লেগেছে সেই সরকার ভবিষ্যতে চাকরিবাকরি বা পরিষেবা দেবে কী দিয়ে? মানুষকেই তার নিজের যোগ্যতায় রোজগার করার পথ খুঁজে নিতে হবে। সরকার কিছু দেবে না, উল্টে সরকারের সব সম্পদ বেচে দেবে। এটাই হল মোদি সরকার বা বিজেপির সরকার চালানোর আসল দর্শন! বিশদ

08th  April, 2021
পুরনো হিসেব পরে, এখন
শুধুই বাংলা ও বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

এই ভোটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টক্কর নিতে পারেন একজনই। তিনি আর কেউ নন বাংলার বাঘিনী। তাই আমরা ঠিক করেছি, তাঁর উপর আর রাগ পুষে রাখা নয়। পুরনো হিসেব পরে হবে। আপাতত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করার পক্ষে আমরা। বিশদ

07th  April, 2021
প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তব:
সুদের হার কিন্তু কমবেই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার হলে ‘ডবল বেনিফিট’ আদৌ হবে কি না জানা নেই। কিন্তু হ্যাঁ, সাঁড়াশির ডবল চাপে মানুষ ব্যতিব্যস্ত হবে—সেটা নিশ্চিত। যেমন হচ্ছে ত্রিপুরায়। যেমন হচ্ছে অসমে। প্রতিশ্রুতি আমরা আজ শুনছি... তখন স্মৃতি রোমন্থন করব। বিশদ

06th  April, 2021
মোদি-ভাবনা ও তার পরিণাম
পি চিদম্বরম 

আগামিকাল, মঙ্গলবার শেষ হবে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরির ভোটগ্রহণ। পশ্চিমবঙ্গের আংশিক ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। বাংলায় বাকি থাকছে আর পাঁচ দফার ভোটগ্রহণ। অসম এবং পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভালো প্রভাব রয়েছে। বাকি তিনটি জায়গাতেও পায়ের তলায় মাটি খুঁজে পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে গেরুয়া শিবির। 
বিশদ

05th  April, 2021
নন্দীগ্রামে জিতবে বাংলাই
হিমাংশু সিংহ

আচ্ছা, নন্দীগ্রামে কে জিতবে বলুন তো? বাজারের মাছওয়ালা থেকে ধোপদুরস্ত বহুতলের বাবু, গত বৃহস্পতিবার টানটান উত্তেজনার মধ্যে ভোট যত এগিয়েছে এই একটা প্রশ্নেই ঘুরপাক খেয়েছে বাঙালি সমাজ। যত উত্তেজনা ছড়িয়েছে বাঙালির রক্তচাপ ততই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বিশদ

04th  April, 2021
বিজেপির ‘হাওয়া’ আর রুদালির
‘কান্না’ আজ একাকার
তন্ময় মল্লিক

বিজেপি বঙ্গ দখলে আগ্রাসী না হলে বাঙালির কত কিছুই অজানা থেকে যেত! টাকা দিয়ে হাসি, উচ্ছ্বাস, এমনকী চোখের জলও কেনা যায়। কিন্তু আন্তরিকতা কেনা যায় না। ভাবনায় ও চেতনায়, রুদালির ‘কান্না’ আর বিজেপির ‘হাওয়া’ কেমন করে যেন একবিন্দুতে লীন হয়ে যাচ্ছে। বিশদ

03rd  April, 2021
একনজরে
‘অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশ’- এর তালিকায় পাকিস্তানের নাম যুক্ত করল ব্রিটেন। আর্থিক তছরুপ ও সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে এই তালিকা তৈরি করেছে তারা। উল্লেখ্য, এতে পাকিস্তান ছাড়াও আলবেনিয়া, বার্বাডোজ, ঘানা, ইরান, জিম্বাবোয়ে, মরিশাস, মরক্কো, মায়ানমার সহ ২১টি দেশ রয়েছে।  ...

ভোটের একেবারে মুখে আচমকা বিজেপির উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি বদল করা হল। এতে দলের অভ্যন্তরেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তবে কেন তাঁকে বদল করা হল, এবিষয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এতে দলের কর্মীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভও ছড়িয়েছে।  ...

বাঙালির রক্তে নিজেদের লালসা পূরণ করতে চাইছে বিজেপি। ওদের জবাব মানুষ ২মে দেবেন। মঙ্গলবার রায়নার জনসভা থেকে শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে এভাবেই বিজেপিকে তোপ দাগলেন তৃণমূল ...

শীতলকুচিতে আক্রান্ত হয়েই গুলি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী—এই যুক্তি প্রতিষ্ঠার মরিয়া চেষ্টা শুরু করেছে গেরুয়া বাহিনী। আর সেই মরিয়া চেষ্টার অঙ্গ হিসেবে একের পর এক ‘ফেক’ ভিডিও ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে চলেছে বিজেপি। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর ঈর্ষার কারণে সম্মানহানি হবে। ব্যবসায়ীদের আশানুরূপ লাভ না হলেও মন্দ হবে না। দীর্ঘদিনের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯১: দলিত আন্দোলনের পথিকৃত ভীমরাও রামজি আম্বেদকরের জন্ম
১৯১৯: গায়িকা সামসাদ বেগমের জন্ম
১৯২২: বিশিষ্ট সরোদ শিল্পী আলি আকবর খানের জন্ম
১৯৬৩: পণ্ডিত ও লেখক রাহুল সাংকৃত্যায়নের মৃত্যু 
১৯৮৬ - বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক নীতীন বসুর মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.১১ টাকা ৭৫.৮৩ টাকা
পাউন্ড ১০০.৯০ টাকা ১০৪.৩৮ টাকা
ইউরো ৮৭.৫৬ টাকা ৯০.৭৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
13th  April, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৭,১৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৪,৭৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৫,৪০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৭,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৭,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ চৈত্র ১৪২৭, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১। দ্বিতীয়া ১৮/৩৭ দিবা ১২/৪৮। ভরণী নক্ষত্র ৩০/৩ অপরাহ্ন ৫/২৩। সূর্যোদয় ৫/২১/২০, সূর্যাস্ত ৫/৫২/৪০। অমৃতযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৯ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩১ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪২ গতে ৩/২৩ মধ্যে। রাত্রি ৮/৫৬ গতে ১০/২৮ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৭ গতে ১/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫৫ মধ্যে। 
৩১ চৈত্র ১৪২৭, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১। দ্বিতীয়া দিবা ১১/০। ভরণী নক্ষত্র দিবা ৩/৫১। সূর্যোদয় ৫/২২, সূর্যাস্ত ৫/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২১ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/২২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪১ গতে ৩/২১ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৫৫ গতে ১০/২৭ মধ্যে। কালবেলা ৮/৩০ গতে ১০/৪ মধ্যে ও ১১/৩৮ গতে ১/১২ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩০ গতে ৩/৫৬ মধ্যে।
১ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৩৭২ জন
 

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ...বিশদ

10:09:47 AM

আইকোর মামলায় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকে তলব ইডির 

10:06:00 AM

বাড়িতে বসে ভ্যাকসিন নিলেন বিহারের বিজেপি বিধায়ক, বিতর্ক
করোনার ভ্যাকসিন পেতে বিভিন্ন হাসপাতালে হত্যে দিয়ে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। ...বিশদ

09:10:49 AM

২৫ এপ্রিল বীরভূমে তিনটি সভা মমতার 
আগামী ২৫ এপ্রিল বীরভূমে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে আসছেন তৃণমূল ...বিশদ

09:00:00 AM

তারকেশ্বর মন্দিরে গর্ভগৃহ বন্ধ
করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করায় এবার তারকেশ্বর মন্দিরের গর্ভগৃহ বন্ধ ...বিশদ

08:59:48 AM

আজ রাজ্যে আসছেন রাহুল, থাকছেন না অধীর ও মান্নান
প্রথম চার দফার ভোটের প্রচারে তাঁর দেখা পায়নি বাংলা। বালাই ...বিশদ

08:49:08 AM