Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বিদায় শ্রেণিসংগ্রাম, স্বাগত টুম্পা
সমৃদ্ধ দত্ত

আত্মীয় অথবা পরিবারের মধ্যে কিছু কিছু বিশেষ ব্যক্তিকে দেখা যায়, যাঁরা কোনও একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পর সেটি যে শ্রেষ্ঠ, সেকথা উচ্চৈঃস্বরে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। অন্যদের মতামত অথবা মৃদু বিরোধিতাকে পাত্তা দেন না তাঁরা। কিন্তু পরে যখন প্রমাণ হয় যে, ওই সিদ্ধান্ত শুধু যে ভুল ছিল তা‌ই নয়, গোটা পরিবারের পক্ষেও ক্ষতিকর হয়ে গিয়েছে, তখনই বিড়ম্বনার সৃষ্টি। কখনও ওই ব্যক্তি নিচু স্বরে ভুল স্বীকার করেন অথবা করেন না। কিন্তু সমস্যা হল, আবার কিছুকাল পর তিনি আর একটি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে একইভাবে উচ্চকণ্ঠে সেটির যথার্থতার পক্ষে সওয়াল করেন। সেটিও কালের নিয়মে হয়তো ভুল প্রতিপন্ন হল। এভাবে বারংবার ভুলের অভ্যাস প্রতিষ্ঠা হয়ে গেলে একটা সময় দেখা যায়, পরিবার অথবা আত্মীয় পরিজনদের মধ্যে তাঁর মতামতের আর বিশেষ গুরুত্ব থাকে না। অর্থাৎ তাঁর কথাকে কেউ সিরিয়াসলি নেয় না। কারণ, ততদিনে জানা হয়ে গিয়েছে লোকটির স্বভাবই হল ভুল করা। এর কারণ কী? কারণ দূরদৃষ্টির অভাব। দূরদৃষ্টির অভাব কাদের হয়? যাঁরা মুহূর্তে জীবনযাপন করেন। অর্থাৎ পরিণতি, ভবিষ্যৎ, ফলশ্রুতি এসবকে যাঁরা পাত্তা না দিয়ে শুধুমাত্র বর্তমান মোমেন্টেই জিততে চান স্রেফ উচ্চকন্ঠে মতপ্রকাশ করে।
আমাদের বঙ্গবাসীর কাছে সিপিএম এরকমই এক নন-সিরিয়াস পার্টিতে পরিণত করেছে নিজেদের। অত্যন্ত যত্নে সিপিএম নিজেদের এরকম একটি হাস্যকর রাজনৈতিক দলে পর্যবসিত করতে সক্ষম হয়েছে। কেন? সিপিএম দুটি জিনিস খুব ভালোবাসে। ভুল করতে আর রেকর্ড করতে। এ পর্যন্ত সিপিএম যত ভুল করেছে এবং কুশাসনের যত রেকর্ড করেছে, বহু চেষ্টা করেও তৃণমূল সেটা ভাঙতে পারছে না। সিপিএমের ভুলের ইতিহাস শুরু হয়েছে অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির পথ চলার পর থেকেই। ব্রিটিশকে যুদ্ধে পরাস্ত করতে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু জাপানের প্রধানমন্ত্রী হেদিকি তোজোর সহায়তা চাওয়ায়, সুভাষচন্দ্রকে ‘তোজোর কুকুর’ বলে অভিহিত করেছিল তৎকালীন কমিউনিস্ট পার্টি। ১৯৪২ সাল থেকে লাগাতার ‘পিপলস ওয়ার’পত্রিকায় সুভাষচন্দ্র বসুকে সাম্রাজ্যবাদের দালাল হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। শুধু প্রবন্ধ লিখে নয়, সুভাষচন্দ্র বসুর কার্টুন বানিয়েও প্রকাশ করা হয়েছিল। নেতাজির ১০৫ তম জন্মবার্ষিকীতে এসে অবশেষে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেন, নেতাজি জার্মানি, ইতালি ও জাপানির সঙ্গে মিত্রতা করায় আজও আমরা তাঁর সেই পথের বিরোধিতা করি। কিন্তু একইসঙ্গে আমরা অবশ্যই ভুল করেছি তাঁকে দেশপ্রেমের প্রেক্ষিতে মূল্যায়ন করতে। এজন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী!
১৯৫২ সালের মার্চ মাসে কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়ার সেন্ট্রাল কমিটি একটি বিশেষ প্রস্তাব গ্রহণ করেছিল। সেখানে বাবাসাহেব আম্বেদকরের চরম সমালোচনা করা হয়। বাবাসাহেব ১৯৪২ সালে গঠন করেছিলেন, সিডিউলড কাস্টস ফেডারেশন। আম্বেদকরকে সেই কারণে কমিউনিস্ট পার্টি আখ্যা দিয়েছিল সংশোধনবাদী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী। জনগণতান্ত্রিক বিপ্লব থেকে দলিতদের পৃথক করে নিয়ে গিয়ে আম্বেদকর শ্রেণিসংগ্রামকে দুর্বল করেছেন বলে তীব্র ভাষায় তাঁকে আক্রমণ করা হয় ও‌ই রেজোলিউশনে। অর্থাৎ কমিউনিস্ট পার্টির কাছে ক্লাস স্ট্রাগল ছিল কাস্ট স্ট্রাগলের থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও উপযোগী। পরবর্তীকালে আমরা কী দেখেছি? সেই কমিউনিস্ট পার্টির অংশ সিপিএম পুরোদস্তুর নেমে পড়েছে জাতপাতের রাজনীতির সঙ্গে হাত মেলাতে। মায়াবতী থেকে লালুপ্রসাদ যাদব, সকলেই কাস্ট তথা আইডেন্টিটি পলিটিক্স করেন। এঁদের সঙ্গে প্রথম গাঁটছড়া বাঁধা দলটির নাম সিপিএম। পক্ষান্তরে, সিপিএমের শ্রেণিসংগ্রাম কোথায় গেল?
১৯৪৮ সালে ‘মার্কসবাদী’ পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পর্কে লেখা হয়েছিল, ‘রবীন্দ্র-সাহিত্যের সঙ্গে মার্কসবাদের বিরোধ এত প্রচণ্ড যে, প্রগতির শিবিরে তাঁর স্থান হতে পারে না। রবীন্দ্র-সাহিত্য হল প্রগতির শিবির থেকে মানুষ ভুলিয়ে বের করে নিয়ে যাবার মোহিনী মায়া’। ১৯৪১ সালে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় এক কমিউনিস্ট সমালোচক রবীন্দ্রনাথকে সরাসরি বুর্জোয়া, ধনতন্ত্রের প্রতিভূদের পক্ষে হিসেবেই অভিহিত করেন। এহেন ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী সিপিএম পরবর্তীকালে সরকারে এসে খণ্ডে খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী প্রকাশ করেছে। এবং স্বীকার করেছে রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে তাদের মূল্যায়ন ভুল ছিল।
সত্তর ও আশির দশকে ব্যাঙ্কিং ও ইনসিওরেন্স সেক্টরে কম্পিউটার নিয়ে আসার একটি আলোচনা শুরু হয়। চরম বিরোধিতা শুরু করে কর্মী সংগঠনগুলি। সর্বাগ্রে সেই আন্দোলনে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে ঝাঁপিয়েছিল সিপিএম। কর্মহীনতার জুজু দেখিয়ে কম্পিউটারকে আটকে দিয়েছিল। তার পরিণাম কী হয়েছে সেটা আমরা জানি। ২০০৪ সালে ‘ফার ইস্টার্ন ইকনমিক রিভিউ’ নামক একটি পত্রিকায় সাক্ষাৎকারে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ওই সিদ্ধান্তকে চরম নির্বুদ্ধিতা হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন। কিন্তু লাভ কী। ততদিনে তো অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে? বুদ্ধদেববাবু বলেছিলেন, আমাদের ওই সিদ্ধান্তটি ছিল চূড়ান্ত বুদ্ধিহীন। ফুলিশ! ১৯৭৭ সালে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার ৬ বছর পর ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত ইংরেজি পড়া বন্ধ করে দিয়েছিল বামফ্রন্ট সরকার। এই একটি ভুলের মাশুল কতগুলি প্রজন্ম দিচ্ছে বাংলায়?
সুতরাং সিপিএমে আজীবন ভুল করেছে অজস্র। এবং করেছে রেকর্ড। কেমন রেকর্ড? নবান্ন অভিযানে যাওয়া এক যুবকের পুলিসের লাঠির আঘাতেই মূত্যু হয়েছে বলে সিপিএম অভিযোগ করেছে, এমনকী বন্‌ধ ডেকেছে বাংলায়। রাজনৈতিকভাবে এই সিদ্ধান্ত নিতেই পারে বিরোধী দল হিসেবে। কিন্তু সমস্যা হল, পাল্টা তৃণমূল বলার সুযোগ পাচ্ছে যে, ১৯৯৩ সালে মহাকরণ অভিযানে যাওয়া যুবকদের উপর গুলি চালিয়ে ১৩ জনকে মেরে ফেলেছিল সিপিএম সরকারের পুলিস। সিপিএম একটা কথা খুব বলে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই তো বিজেপিকে হাত ধরে এনেছেন বাংলায়। সমস্যা হল, এক্ষেত্রেও তারা আগেই রেকর্ড করে রেখেছে। ১৯৮৯ সালে সিপিএম রাজীব গান্ধীকে চোর আখ্যা দিয়ে বিজেপির সঙ্গে জোটে গিয়েছিল। বহু চেষ্টা করলেও ভুলের ক্ষেত্রে মমতা টেক্কা দিতে পারবেন না সিপিএমকে। ভুলের রেকর্ড সৃষ্টিতে বরাবর এগিয়ে সিপিএম। তৃণমূলকে সিন্ডিকেটের দল হিসেবে ব্যঙ্গ করে সিপিএম। অত্যন্ত জোরালো এক আক্রমণাত্মক রাজনীতি হতে পারতো এই ইস্যু। অথচ অনেক আগেই সিপিএম সম্পর্কে স্বয়ং সিপিএম নেতা ও মন্ত্রী বিনয় চৌধুরী প্রকা঩শ্যে বলে গিয়েছিলেন যে, এটা হল একটা ঠিকাদারদের সরকার! দুর্নীতিগ্রস্ত।
পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির সঙ্গে হাত মেলানো ঠিক হল কি না, সেটা নিয়ে জল্পনা কল্পনা চলছে। উত্তর সময়ই দেবে। সমস্যাটি হল, সিপিএমের ভুল করার ট্র্যাক রেকর্ড। অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তে জোটের তাল কাটার দরকার ছিল কোনও? এই সিদ্ধান্তটিও যদি ভুল প্রমাণিত হয় একদিন? রণকৌশল নির্মাণে পার্টির অন্দরে কারা চালিত করছে সিপিএমকে? বহুদিন পর, বাম-কংগ্রেস জোটের প্রতি একটা আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিজেপি এবং তৃণমূল বিরোধী মানুষের মনে একটা অন্তত ভাবনা দেখা দিচ্ছে যে, বিকল্প প্ল্যাটফর্ম পাওয়া যাচ্ছে। প্রবল ভিড় হয়েছে ব্রিগেডে। ওই ভিড় কী শুনতে এসেছিল? আর কী দেখেশুনে ফিরল তারা? সবথেকে বড় আশার কথা কং-সিপিএমের পক্ষে যেটা হয়েছে, আরবান এলিট এডুকেটেড যুবসম্প্রদায় এবং গ্রামগঞ্জের খেটে খাওয়া মানুষের একাংশ আবার বামপন্থায় আগ্রহ প্রকাশ করছে। কিন্তু ভুল করতে জুড়ি নেই সিপিএমের। এবার নির্বাচনে দেখা যাচ্ছে সিপিএম বামপন্থার অনুষঙ্গ সেই শিহরণ জাগানো স্লোগান, পোস্টার, সংস্কৃতিকেই বিসর্জন দিয়ে দিল। ব্রিগেডের মঞ্চ অথবা মিছিলে পাওয়া গেল না শ্রেণিসংগ্রামের কোনও স্লোগান, নেই কৃষক শ্রমিকের জন্য কোনও বার্তা। কেন? কারণ আজ আর সিপিএমর প্রথম সারির কৃষক নেতা নেই। প্রথম সারিতে শ্রমিক নেতা নেই। আরবান মিডল ক্লাস দখল করে নিয়েছে সিপিএমকে। আর তারই সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এবার ব্রিগেডে সিপিএমকে সম্পূর্ণ গ্রাস করে নিল টুম্পা-সঙ্গীত। এটি কি খারাপ সংস্কৃতি? মোটেই না। পপুলার কালচারকে ভালো মন্দ দাঁড়িপাল্লায় ওভাবে মাপা যায় না। উচিতও নয়। কিন্তু এই সিপিএমই কয়েক বছর আগে ব্যঙ্গ করেছিল তৃণমূলের পাগলু ডান্স সংস্কৃতিকে। একদা উষা উত্থুপ অথবা হোপ এইট্টি সিক্সের নিন্দা করেছিলেন কট্টরবাদী বাম নেতারা। বেদনার বিষয় হল, সিপিএম নিজেদের বড্ড লঘু করে দিচ্ছে!
সরকার, ভোটব্যাঙ্ক, বিশ্বাসযোগ্যতা, নেতৃত্বপ্রদানের নৈপূণ্য, সবই হারিয়ে ফেলেছে সিপিএম। শেষ নিশান হিসেবে অন্তত বেঁচেছিল পার্টির ঐতিহ্যময় স্লোগান আর ঘোষিত সংস্কৃতি চেতনা। এবার সেই ঩ঐতিহ্যের পিছুটান থেকে নিজেকে মুক্তি দিল সিপিএম। শ্রেণিসংগ্রাম, জনগণতান্ত্রিক বিপ্লব, সর্বহারার একনায়কতন্ত্র এসব যে নিছক কথার কথা, সেকথা সিপিএম বুঝিয়ে দিল। কোনও দলের সঙ্গে তাদের ফারাক নেই। এক ও একমাত্র লক্ষ্য ভোটে জেতা। অধ্যাপক রবীন্দ্রকুমার দাশগুপ্ত তাঁর ‘অলীক সংলাপ’ নামক গ্রন্থে লিখেছিলেন, ‘কমিউনিস্ট পার্টির নামের পর ব্র্যাকেটে যদি মার্কসের নাম না থাকিয়া ভীম নাগের নাম থাকিত, তাহা হইলেও পার্টির প্রতিষ্ঠার কোনও হেরফের হইত না’।
সিপিএমের এবার ব্র্যাকেট-বদলের সময় এসেছে!  
05th  March, 2021
স্বাধীন ভারতে সবথেকে
কলঙ্কিত নির্বাচন
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপির বাংলা জয়ের লক্ষ্যের পিছনে রয়েছে নিধন-বাসনা। উড়েছে বস্তা বস্তা বেহিসেবি টাকা। বিজেপির আসল লক্ষ্য বাঙালির অস্মিতা নিধন, বাঙালির ভাষা নিধন, বাঙালির সংস্কৃতি নিধন, বাঙালির ঐক্য নিধন। বাঙালিকে হিরো থেকে জিরো করে দাসানুদাসে পরিণত করা। কিন্তু তা বোধহয় সম্ভব হল না। শোনা যাচ্ছে জননির্ঘোষ, ‘ঘর সামলাও চৌ...কি...দা...র।’ বিশদ

শীতলকুচি ট্রেলার হলে পুরো সিনেমাটা কী? 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফেলুদা সোফায় বসে বাটিটা মোড়ক থেকে খুলে টেবিলের উপর রেখে বলল, ‘এটার একটা বিশেষত্ব আছে।’
‘কী বিশেষত্ব?’
‘জীবনে এই প্রথম একটা বাটি দেখলাম যেটাকে সোনার পাথরবাটি বললে খুব ভুল বলা হয় না।’
জয়সলমিরের মানুষ বাংলা সম্পর্কে প্রথম যে শব্দবন্ধটি শেখে, সেটি একটি নাম—সত্যজিৎ রায়। ‘সোনার পাথরে’ তৈরি বাটি-ঘটি বিক্রির খুব সাধারণ দোকানে গিয়েও দেখেছি, সত্যজিৎ রায়ের ছবি টাঙানো। 
বিশদ

13th  April, 2021
ফিরে এল রাফালের ভূত
পি চিদম্বরম 

স্মৃতি ক্ষণস্থায়ী। সাধারণ মানুষের পক্ষে রোজকার বেঁচে থাকা একটা চ্যালেঞ্জ। দেশ এবং দেশের প্রশাসনের বৃহত্তর চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তারা সচেতন। কিন্তু তারা সেসব নিয়ে দীর্ঘকাল ভাবতে পারে না। 
বিশদ

12th  April, 2021
বাংলার মহিলাদের জীবনে
এই ভোট কেন গুরুত্বপূর্ণ
হিমাংশু সিংহ

ইতিমধ্যেই যে ক’দফা ভোট হয়েছে তাতে অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে উঠে এসেছে মহিলাদের লম্বা লাইন। যা আশা জাগিয়েই শুধু ক্ষান্ত হয়নি, প্রমাণ করেছে প্রত্যয়ী মুখে বর্গীর হানাদারি রুখতে বঙ্গ নারী কতটা অকুতোভয়। আসলে এই শক্তি তাঁরা পাচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে দেখেই।
  বিশদ

11th  April, 2021
আক্রান্ত প্রার্থীরা: বঙ্গ
রাজনীতিতে ‘অশনি সঙ্কেত’
তন্ময় মল্লিক

ভোটের দফা যত গড়াচ্ছে রাজনৈতিক মারামারি, প্রার্থীদের উপর হামলা ততই বাড়ছে। নেতাদের ‘জয়লাভে’র দাবিকে সত্যি ধরে নিয়ে অনেকেই ‘বদলা’ নেওয়ার মহড়া শুরু করে দিয়েছে। নন্দীগ্রাম কার্যত বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে আছে। রাজ্যের জন্য এ-এক ‘অশনি সঙ্কেত’।
  বিশদ

10th  April, 2021
মতুয়াদের সামনে ‘গাজর’
ঝুলিয়ে লাভ নেই! 
মৃণালকান্তি দাস

অসমের গল্পটা নিশ্চিত এতদিনে বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে জলের মতো পরিষ্কার। কী সেই গল্প? নাগরিকত্ব আইন আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৬ সালে অসম দখল করেছিল বিজেপি। আর পাঁচ বছর পর, বিধানসভা ভোটের মুখে জানা গেল, টাকা শেষ। অতএব ঝাঁপ বন্ধ এনআরসি দপ্তরের।  
বিশদ

09th  April, 2021
সোনার বাংলা গড়বে না
বেচে দেবে, প্রশ্ন সেটাই
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

যে সরকার নিজেই তার সমস্ত সংস্থা বিক্রি করে দিতে উঠে পরে লেগেছে সেই সরকার ভবিষ্যতে চাকরিবাকরি বা পরিষেবা দেবে কী দিয়ে? মানুষকেই তার নিজের যোগ্যতায় রোজগার করার পথ খুঁজে নিতে হবে। সরকার কিছু দেবে না, উল্টে সরকারের সব সম্পদ বেচে দেবে। এটাই হল মোদি সরকার বা বিজেপির সরকার চালানোর আসল দর্শন! বিশদ

08th  April, 2021
পুরনো হিসেব পরে, এখন
শুধুই বাংলা ও বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

এই ভোটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টক্কর নিতে পারেন একজনই। তিনি আর কেউ নন বাংলার বাঘিনী। তাই আমরা ঠিক করেছি, তাঁর উপর আর রাগ পুষে রাখা নয়। পুরনো হিসেব পরে হবে। আপাতত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করার পক্ষে আমরা। বিশদ

07th  April, 2021
প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তব:
সুদের হার কিন্তু কমবেই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার হলে ‘ডবল বেনিফিট’ আদৌ হবে কি না জানা নেই। কিন্তু হ্যাঁ, সাঁড়াশির ডবল চাপে মানুষ ব্যতিব্যস্ত হবে—সেটা নিশ্চিত। যেমন হচ্ছে ত্রিপুরায়। যেমন হচ্ছে অসমে। প্রতিশ্রুতি আমরা আজ শুনছি... তখন স্মৃতি রোমন্থন করব। বিশদ

06th  April, 2021
মোদি-ভাবনা ও তার পরিণাম
পি চিদম্বরম 

আগামিকাল, মঙ্গলবার শেষ হবে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরির ভোটগ্রহণ। পশ্চিমবঙ্গের আংশিক ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। বাংলায় বাকি থাকছে আর পাঁচ দফার ভোটগ্রহণ। অসম এবং পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভালো প্রভাব রয়েছে। বাকি তিনটি জায়গাতেও পায়ের তলায় মাটি খুঁজে পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে গেরুয়া শিবির। 
বিশদ

05th  April, 2021
নন্দীগ্রামে জিতবে বাংলাই
হিমাংশু সিংহ

আচ্ছা, নন্দীগ্রামে কে জিতবে বলুন তো? বাজারের মাছওয়ালা থেকে ধোপদুরস্ত বহুতলের বাবু, গত বৃহস্পতিবার টানটান উত্তেজনার মধ্যে ভোট যত এগিয়েছে এই একটা প্রশ্নেই ঘুরপাক খেয়েছে বাঙালি সমাজ। যত উত্তেজনা ছড়িয়েছে বাঙালির রক্তচাপ ততই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বিশদ

04th  April, 2021
বিজেপির ‘হাওয়া’ আর রুদালির
‘কান্না’ আজ একাকার
তন্ময় মল্লিক

বিজেপি বঙ্গ দখলে আগ্রাসী না হলে বাঙালির কত কিছুই অজানা থেকে যেত! টাকা দিয়ে হাসি, উচ্ছ্বাস, এমনকী চোখের জলও কেনা যায়। কিন্তু আন্তরিকতা কেনা যায় না। ভাবনায় ও চেতনায়, রুদালির ‘কান্না’ আর বিজেপির ‘হাওয়া’ কেমন করে যেন একবিন্দুতে লীন হয়ে যাচ্ছে। বিশদ

03rd  April, 2021
একনজরে
ভোটের একেবারে মুখে আচমকা বিজেপির উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি বদল করা হল। এতে দলের অভ্যন্তরেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তবে কেন তাঁকে বদল করা হল, এবিষয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এতে দলের কর্মীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভও ছড়িয়েছে।  ...

শীতলকুচিতে আক্রান্ত হয়েই গুলি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী—এই যুক্তি প্রতিষ্ঠার মরিয়া চেষ্টা শুরু করেছে গেরুয়া বাহিনী। আর সেই মরিয়া চেষ্টার অঙ্গ হিসেবে একের পর এক ‘ফেক’ ভিডিও ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে চলেছে বিজেপি। ...

‘অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশ’- এর তালিকায় পাকিস্তানের নাম যুক্ত করল ব্রিটেন। আর্থিক তছরুপ ও সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে এই তালিকা তৈরি করেছে তারা। উল্লেখ্য, এতে পাকিস্তান ছাড়াও আলবেনিয়া, বার্বাডোজ, ঘানা, ইরান, জিম্বাবোয়ে, মরিশাস, মরক্কো, মায়ানমার সহ ২১টি দেশ রয়েছে।  ...

বিনা বিচারে ৪১ বছর বন্দি থাকা নেপালের বাসিন্দা দীপক যোশির ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে বিচার বিভাগ সহ রাজ্য প্রশাসনকে। কারণ, মানসিকভাবে অসুস্থ এমন আরও বন্দির হদিশ মিলেছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর ঈর্ষার কারণে সম্মানহানি হবে। ব্যবসায়ীদের আশানুরূপ লাভ না হলেও মন্দ হবে না। দীর্ঘদিনের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯১: দলিত আন্দোলনের পথিকৃত ভীমরাও রামজি আম্বেদকরের জন্ম
১৯১৯: গায়িকা সামসাদ বেগমের জন্ম
১৯২২: বিশিষ্ট সরোদ শিল্পী আলি আকবর খানের জন্ম
১৯৬৩: পণ্ডিত ও লেখক রাহুল সাংকৃত্যায়নের মৃত্যু 
১৯৮৬ - বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক নীতীন বসুর মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.১১ টাকা ৭৫.৮৩ টাকা
পাউন্ড ১০০.৯০ টাকা ১০৪.৩৮ টাকা
ইউরো ৮৭.৫৬ টাকা ৯০.৭৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
13th  April, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৭,১৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৪,৭৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৫,৪০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৭,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৭,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ চৈত্র ১৪২৭, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১। দ্বিতীয়া ১৮/৩৭ দিবা ১২/৪৮। ভরণী নক্ষত্র ৩০/৩ অপরাহ্ন ৫/২৩। সূর্যোদয় ৫/২১/২০, সূর্যাস্ত ৫/৫২/৪০। অমৃতযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৯ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩১ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪২ গতে ৩/২৩ মধ্যে। রাত্রি ৮/৫৬ গতে ১০/২৮ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৭ গতে ১/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫৫ মধ্যে। 
৩১ চৈত্র ১৪২৭, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১। দ্বিতীয়া দিবা ১১/০। ভরণী নক্ষত্র দিবা ৩/৫১। সূর্যোদয় ৫/২২, সূর্যাস্ত ৫/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২১ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/২২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪১ গতে ৩/২১ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৫৫ গতে ১০/২৭ মধ্যে। কালবেলা ৮/৩০ গতে ১০/৪ মধ্যে ও ১১/৩৮ গতে ১/১২ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩০ গতে ৩/৫৬ মধ্যে।
১ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বাড়িতে বসে ভ্যাকসিন নিলেন বিহারের বিজেপি বিধায়ক, বিতর্ক
করোনার ভ্যাকসিন পেতে বিভিন্ন হাসপাতালে হত্যে দিয়ে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। ...বিশদ

09:10:49 AM

২৫ এপ্রিল বীরভূমে তিনটি সভা মমতার 
আগামী ২৫ এপ্রিল বীরভূমে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে আসছেন তৃণমূল ...বিশদ

09:00:00 AM

তারকেশ্বর মন্দিরে গর্ভগৃহ বন্ধ
করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করায় এবার তারকেশ্বর মন্দিরের গর্ভগৃহ বন্ধ ...বিশদ

08:59:48 AM

আজ রাজ্যে আসছেন রাহুল, থাকছেন না অধীর ও মান্নান
প্রথম চার দফার ভোটের প্রচারে তাঁর দেখা পায়নি বাংলা। বালাই ...বিশদ

08:49:08 AM

শীতলকুচি: আজ মাথাভাঙায় মমতা
আজ, বুধবার মাথাভাঙায় আসছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মাথাভাঙা শহরের ...বিশদ

08:40:04 AM

মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালের মাঠে এসে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে নিহতদের পরিজনেরা 

08:37:00 AM