Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

৮ দফার পর নিশ্চয়ই রিগিংয়ের
অভিযোগ উঠবে না!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সেশন সাহেব, বড্ড মিস করছি আপনাকে।
আপনি বলতেন, ‘গণতন্ত্র হল এমন একটা ব্যবস্থা, যেখানে আইনের শাসন সবার জন্য সমানভাবে বলবৎ থাকবে।’ সব মানুষের জন্য। সব রাজনৈতিক দলের জন্য। আপনি প্রমাণ করেছেন, এটা ছেলে ভুলানো গল্প নয়। ভারতে এমনটা হয়, করা যায়... চাইলে ভোটের সময়ও। হিমাচল প্রদেশের রাজ্যপাল গুলশের আহমেদ মধ্যপ্রদেশে গিয়ে নিজের ছেলের জন্য প্রচার চালাচ্ছেন? বাতিল করে দিলেন সাতনা কেন্দ্রের নির্বাচন। শেষমেশ পদত্যাগ করতে হল রাজ্যপাল মহাশয়কে। পাপ্পু যাদব বড্ড ঝামেলা করছে... নাগাল্যান্ড থেকে ফোর্স এনে দাঁড় করিয়ে দিলেন উত্তরপ্রদেশ-বিহার সীমানায়। বিধায়ক ‘ডন’ পাপ্পু যাদবকে আটকে দিল তারা... ‘না, আপনি উত্তরপ্রদেশে ঢুকতে পারবেন না।’ কারণ তারা স্থানীয় ডনকে চিনত না। দাদাগিরি ওখানে এক পক্ষই করবে... নাগাল্যান্ডের জওয়ানরা। আপনার ব্যাপারে রিটার্নিং অফিসাররা বলতেন, ‘এবার আর পালানোর পথ নেই। ক্ষমাহীন একটা লোকের অনুগ্রহের অপেক্ষায় বসে থাকতে হবে।’
আজ তাই আবার আপনাকে বড্ড মিস করছি।
আট দফায় ভোট। নির্ঘণ্ট প্রকাশ থেকে গণনা—৬৬ দিন। আর আসন সংখ্যা—২৯৪। যুক্তি দিয়েছেন এখনকার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা। বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলি বারবার পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অভিযোগ জানিয়েছে। তাই এমন ব্যবস্থা। কিন্তু বর্তমান নির্বাচন কমিশনের নিজের নেটওয়ার্কও কি ঠিক একই রিপোর্ট দিয়েছে? এই রাজ্যের হাল কি বিহার বা উত্তরপ্রদেশের থেকেও খারাপ? ক্রাইম রেকর্ডের প্রতিটা স্তরেই তো ওই দুই রাজ্য বাংলার থেকে অনেক বেশি রক্তক্ষয়ী! কেন্দ্রীয় সরকারি পরিসংখ্যানেই তার প্রমাণ মেলে। তাহলে শুধু বাংলার জন্য এই অভিনব ব্যবস্থা কেন?
সিপিএমের রিগিং-ইতিহাস ঈর্ষণীয়। বছরের পর বছর কখনও চোরাগোপ্তা, কখনও খুল্লামখুল্লা রিগিং করে তারা বাংলা নিজেদের দখলে রেখেছিল। প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বিরোধীদের অভিযোগ, তারপর নির্বাচন কমিশনের তদন্তেও একই বিষয় সামনে আসে। কমিশনের বিশেষ পরিদর্শক আমানুল্লা তাঁর রিপোর্টে সিপিএমের হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিয়েছিলেন। তিনি স্পষ্ট লিখেছিলেন, সিপিএম একেবারে ভোটার তালিকা তৈরির সময় থেকেই কারচুপি শুরু করে। এমনকী কোথায় কোন পোলিং পার্টি যাবে, সেটাও ঠিক করে দেয় তারাই। আর নিজের ভোট নিজে দেওয়াটা সে সময় যে রীতিমতো লটারি পাওয়ার মতো ছিল, তা আমানুল্লা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন। এই মারমার-কাটকাট বাম জমানায় পর্যন্ত আট দফায় নির্বাচনের নজির নেই। তাহলে রাজনৈতিক দলগুলির অভিযোগের ভিত্তিতে ম্যারাথন ভোটপর্বের যুক্তি কি সত্যিই খাটে? তর্কের খাতিরে না হয় কোভিড বিধি কার্যকর করা এবং বেশি সংখ্যক কেন্দ্র—এই দুই কারণকেও খাড়া করা যেতে পারে। তাই যদি হয়, তাহলে তো তামিলনাড়ুতেও একই অঙ্ক কষতে হতো। সেখানে আসন সংখ্যা ২৩৪। আর মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নিজের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, ‘রাজ্যটি স্পর্শকাতর’ও বটে। তাহলে তামিলনাড়ুতে এক দফায় ভোট কোন যুক্তিতে?
এবার একটা রাজনৈতিক যুক্তি দেখা যাক। দক্ষিণের এই রাজ্যে এআইএডিএমকের সঙ্গে জোট বেঁধেছে বিজেপি। যতদিন জয়ললিতা ছিলেন, বিজেপি সেখানে কর্তৃত্ব কায়েম করতে পারেনি। জয়ার প্রয়াণ, দলের মধ্যে ভাঙন এবং টালমাটাল দক্ষিণী রাজনীতি বিজেপিকে খানিকটা ডিভিডেন্ড দিয়েছে। তার উপর ‘ডবল ইঞ্জিনে’র টোপ তো রয়েইছে। এটা একটা মোক্ষম অস্ত্র। ভবি ভোলে না, কিন্তু ভোটার ভুলে যায়। হাতের সামনে ত্রিপুরা বা অসমের মতো উদাহরণ থাকা সত্ত্বেও। যাই হোক, সোজা কথায় এআইএডিএমকের সঙ্গে বিজেপির জোট তামিলনাড়ুতে বেশ শক্ত জমির উপর দাঁড়িয়ে। এই সমঝোতায় প্রধান দল অবশ্যই রাজ্যের শাসক দল এআইএডিএমকে। এখনও পর্যন্ত যা খবর, গেরুয়া শিবিরকে জয়ললিতার পার্টি খান পনেরো আসন দিতে চাইছে। কারণ, পিএমকে’র মতো অন্য শরিক রয়েছে। তাদেরও তো খুশি করতে হবে! মোটামুটি জোটে অশান্তির কোনও লক্ষণ এ পর্যন্ত নেই। চিন্তার বিষয় একটাই, আসন্ন নির্বাচনে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ’র পাল্লা ভারীর দিকে। কাজেই ভোটপর্বকে বেশি দফায় ভাঙলে মুশকিল। বরং একদিনে ২৩৪ আসনের কর্মকাণ্ড চুকিয়ে ফেলাতেই অ্যাডভান্টেজ।
এবার আসা যাক কেরলে। বাম প্রভাবিত এই রাজ্যে এবারও জনমত ঝুঁকে পিনারাই বিজয়নের দিকে। মূল প্রতিপক্ষ? কংগ্রেস... যাদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে গলায় গলায় ভাব। এই রাজ্যে কিন্তু বিজেপির দাঁত ফোটানোর কোনও সম্ভাবনাই নেই। পুদুচেরি হয়তো গেরুয়া শিবিরের দখলে আসবে। কিন্তু সে তো সান্ত্বনা পুরস্কার! অর্থাৎ সম্ভাবনা বা লক্ষ্য একমাবেদ্বিতীয়ম—পশ্চিমবঙ্গ। শাসক দল তাই এখানে দুর্নীতিগ্রস্ত, তোলাবাজ, মানুষের পাশে দাঁড়ায় না, আইন-শৃঙ্খলার হাল খারাপ... অভিযোগ অনেক। বিজেপির দাবি, এক-দুই দফায় ভোট করালে যা নয় তাই করবে তৃণমূল। সেই সুযোগ দেওয়া যাবে না। বারবার দরবার... নির্বাচন কমিশনে। তবলার বাঁয়া কংগ্রেস-বাম জোট (ভুল হয়ে গেল, এই জোটে তো আইএসএফ’ও আছে। সত্যিই, দারুণ আদর্শবাদী, ধর্মনিরপেক্ষ সংযুক্ত মোর্চা)। সেই সব অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে ম্যারাথন সূচি ঘোষণা করে দিল নির্বাচন কমিশন। সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠিত—বেশি দিন ধরে ভোট হলে আর রিগিং করতে পারবে না। সেশন সাহেব, আপনি হলেও কি তাই করতেন? ১৯৫১-৫২ সালে ছিল দেশের প্রথম লোকসভা নির্বাচন। স্বাধীনতার পর ভারত সরকারের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। অভিজ্ঞতা শূন্য... প্রশাসন এবং ভোটার, দুই পক্ষেরই। সেই পর্বে ভোট হয়েছিল ৬৮ দফায়, লেগেছিল মোট চার মাস। তার সঙ্গে এই বিধানসভা নির্বাচনের কি কোনও তুলনা চলে? আপনি যে ছ’বছর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ছিলেন, সেই সময় দু’টি লোকসভা নির্বাচন আপনাকে সামলাতে হয়েছিল। সঙ্গে গুচ্ছ বিধানসভা ভোট। বাংলাতেই ভোট হয়েছিল ’৯১ ও ’৯৬ সালে। ওই জমানায় বিহার-উত্তরপ্রদেশে দলিত রাজনীতি ও গুন্ডারাজ, বাংলায় ভোট-সন্ত্রাস সত্ত্বেও আপনি খুব বেশি হলে তিন দফায় নির্বাচনের কর্মকাণ্ড গুটিয়ে ফেলেছিলেন। ১৯৯১ সালে সিপিএমের সন্ত্রাস আজও গায়ে কাঁটা দেয়। সেবার ভোটে কান্দুয়ায় কংগ্রেস কর্মীর হাতের পাঞ্জা কেটে নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছিল। সেশন সাহেব, তা সত্ত্বেও কিন্তু আপনি এক দফায় ভোট শেষ করে দিয়েছিলেন। দু’টি বিষয়ে জোর দিয়েছিলেন আপনি... রাজনীতি ও ভোটে দুর্বৃত্তায়নের টুঁটি চেপে ধরা, আর দ্বিতীয়ত, প্রার্থীদের যথেচ্ছ টাকা ওড়ানোয় বেড়ি পরানো। দুনিয়া জানে, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিপ্লব এনেছিলেন আপনি। কোনও রাজনৈতিক দল বলতে পারবে না, আপনি তাদের সুবিধা পাইয়ে দিয়েছিলেন। তাহলে আজ বিরোধীরা কীভাবে এই অভিযোগ তোলার সাহস পাচ্ছে? তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করছে, আট দফার গোটা বিষয়টাই আসলে বিজেপির দণ্ডমুণ্ডের কর্তাদের সুবিধা পাইয়ে দিতে। কীভাবে? পক্ষে যুক্তিও রয়েছে। কেরল, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি... এই তিন রাজ্যেই এক দফায় নির্বাচন। অসমে শুধু তিন দফায়। সেই ছায়াছবিরও ‘দি এন্ড’ হয়ে যাবে ৬ এপ্রিল। আর এই তিনদিন, অর্থাৎ ২৭ মার্চ, ১ এপ্রিল ও ৬ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে কোথায় কোথায় ভোট? পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া-হুগলির একাংশ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা। জঙ্গলমহলে গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি আশাতীত ফল করেছিল। যা তাদের এখনও যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস জুগিয়ে চলেছে। উনিশের ভোটের নিরিখে এবং দলবদলের হাওয়ায় হাওড়া-হুগলি নিয়েও গেরুয়া শিবির আশায় বুক বাঁধছে। আর রইল দক্ষিণ ২৪ পরগনা। এই জেলা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শক্ত জমি। কিন্তু নির্ঘণ্ট অনুযায়ী এই একটি জেলাতেই তিন ভাগে ভোটগ্রহণ হবে। অর্থাৎ, বাকি সব রাজ্যের ভোট মিটিয়ে নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহরা বাংলায় কোমর বেঁধে ঝাঁপাতে পারবেন। আর ততদিন ভালোভাবে শান দিয়ে নেবেন মেরুকরণের রাজনীতির অস্ত্রটিকে।
ধর্মীয় মেরুকরণ... গত তিন দশকের ভোট-রাজনীতিতে বিজেপির একমাত্র মারণ অস্ত্র। যা ভোটারকে ভারতবাসী নয়, নির্দিষ্ট কোনও ধর্মের ধারক ও বাহক বলে ভাবতে বাধ্য করায়। ভোট দিতে যাওয়ার সময় তিনি যোগ্যতার কথা বা উন্নয়নের কথা ভাবেন না, বিবেচনা করেন গায়ে সেঁটে থাকা ধর্মের স্ট্যাম্প দিয়ে। কিন্তু সেশন সাহেব... আপনি তো বলতেন, ‘হিন্দু বলতে আমি রাম বা কৃষ্ণের পূজারি বুঝি না। আমার কাছে হিন্দুত্ব বলতে কোনও মন্দির গড়া, বা মসজিদ ধ্বংস করা নয়। হিন্দুত্বর মানে সেই আদর্শ, সেই জিন, সেই রক্ত... যা আমাদের শিরায় শিরায় বয়ে যায়। আপনি পাঞ্জাবের বাসিন্দা হতে পারেন, বা তামিলনাড়ু... কেরলের বা বাংলার... ভিতটা সবার এক। মনুষ্যত্ব।’ তাই তো আপনি পেরেছিলেন... যাবতীয় বিভেদ এবং চোখরাঙানি দূরে সরিয়ে দেশবাসীকে তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার সুষ্ঠুভাবে প্রয়োগের সুযোগ দিতে। আর এখন? মুর্শিদাবাদ, মালদহ এবং উত্তর দিনাজপুরে বাংলার সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মুসলিম বাস করেন। এখানে ভোট পড়েছে ২২ এপ্রিল। অথচ, ১২ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে যাচ্ছে রমজান মাস। নির্ঘণ্ট তৈরির সময় নির্বাচন কমিশন কি এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের বিষয়টি মাথায় রেখেছিল?
সেশন সাহেব, আপনি হলে নিশ্চয়ই ভাবতেন। সম্প্রতি বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, ক্ষমতায় এলে পরেরবার তাঁরা এক দফায় ভোট করাবেন। তাহলে এই আট দফার পিছনে কি দিলীপবাবুর দলের সত্যিই গূঢ় কোনও ভূমিকা আছে? সেশন সাহেব, আপনার জমানায় এই প্রতাপ কি কেন্দ্রের শাসক দল দেখাতে পারত?
বিজেপি তাল ঠুকছে... দারুণ ভোট হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও মাস খানেক আগে ইঙ্গিত দিয়ে গিয়েছেন—বাংলার ভোটে একটিও মাছি গলতে দেবেন না। চক্রব্যূহ সাজিয়ে ফেলেছে গেরুয়া শিবির... বাংলা দখলের লক্ষ্যে। ২ মে ভোটের ফল যাই হোক না কেন, বিজেপি কিন্তু তৃণমূলের বিরুদ্ধে আর রিগিংয়ের অভিযোগ তুলতে পারবে না! আট দফার পরও যদি সেই অভিযোগ ওঠে, তার লজ্জা এবং দায়, দু’টোই নিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহকেও। 
02nd  March, 2021
স্বাধীন ভারতে সবথেকে
কলঙ্কিত নির্বাচন
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপির বাংলা জয়ের লক্ষ্যের পিছনে রয়েছে নিধন-বাসনা। উড়েছে বস্তা বস্তা বেহিসেবি টাকা। বিজেপির আসল লক্ষ্য বাঙালির অস্মিতা নিধন, বাঙালির ভাষা নিধন, বাঙালির সংস্কৃতি নিধন, বাঙালির ঐক্য নিধন। বাঙালিকে হিরো থেকে জিরো করে দাসানুদাসে পরিণত করা। কিন্তু তা বোধহয় সম্ভব হল না। শোনা যাচ্ছে জননির্ঘোষ, ‘ঘর সামলাও চৌ...কি...দা...র।’ বিশদ

শীতলকুচি ট্রেলার হলে পুরো সিনেমাটা কী? 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফেলুদা সোফায় বসে বাটিটা মোড়ক থেকে খুলে টেবিলের উপর রেখে বলল, ‘এটার একটা বিশেষত্ব আছে।’
‘কী বিশেষত্ব?’
‘জীবনে এই প্রথম একটা বাটি দেখলাম যেটাকে সোনার পাথরবাটি বললে খুব ভুল বলা হয় না।’
জয়সলমিরের মানুষ বাংলা সম্পর্কে প্রথম যে শব্দবন্ধটি শেখে, সেটি একটি নাম—সত্যজিৎ রায়। ‘সোনার পাথরে’ তৈরি বাটি-ঘটি বিক্রির খুব সাধারণ দোকানে গিয়েও দেখেছি, সত্যজিৎ রায়ের ছবি টাঙানো। 
বিশদ

13th  April, 2021
ফিরে এল রাফালের ভূত
পি চিদম্বরম 

স্মৃতি ক্ষণস্থায়ী। সাধারণ মানুষের পক্ষে রোজকার বেঁচে থাকা একটা চ্যালেঞ্জ। দেশ এবং দেশের প্রশাসনের বৃহত্তর চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তারা সচেতন। কিন্তু তারা সেসব নিয়ে দীর্ঘকাল ভাবতে পারে না। 
বিশদ

12th  April, 2021
বাংলার মহিলাদের জীবনে
এই ভোট কেন গুরুত্বপূর্ণ
হিমাংশু সিংহ

ইতিমধ্যেই যে ক’দফা ভোট হয়েছে তাতে অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে উঠে এসেছে মহিলাদের লম্বা লাইন। যা আশা জাগিয়েই শুধু ক্ষান্ত হয়নি, প্রমাণ করেছে প্রত্যয়ী মুখে বর্গীর হানাদারি রুখতে বঙ্গ নারী কতটা অকুতোভয়। আসলে এই শক্তি তাঁরা পাচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে দেখেই।
  বিশদ

11th  April, 2021
আক্রান্ত প্রার্থীরা: বঙ্গ
রাজনীতিতে ‘অশনি সঙ্কেত’
তন্ময় মল্লিক

ভোটের দফা যত গড়াচ্ছে রাজনৈতিক মারামারি, প্রার্থীদের উপর হামলা ততই বাড়ছে। নেতাদের ‘জয়লাভে’র দাবিকে সত্যি ধরে নিয়ে অনেকেই ‘বদলা’ নেওয়ার মহড়া শুরু করে দিয়েছে। নন্দীগ্রাম কার্যত বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে আছে। রাজ্যের জন্য এ-এক ‘অশনি সঙ্কেত’।
  বিশদ

10th  April, 2021
মতুয়াদের সামনে ‘গাজর’
ঝুলিয়ে লাভ নেই! 
মৃণালকান্তি দাস

অসমের গল্পটা নিশ্চিত এতদিনে বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে জলের মতো পরিষ্কার। কী সেই গল্প? নাগরিকত্ব আইন আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৬ সালে অসম দখল করেছিল বিজেপি। আর পাঁচ বছর পর, বিধানসভা ভোটের মুখে জানা গেল, টাকা শেষ। অতএব ঝাঁপ বন্ধ এনআরসি দপ্তরের।  
বিশদ

09th  April, 2021
সোনার বাংলা গড়বে না
বেচে দেবে, প্রশ্ন সেটাই
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

যে সরকার নিজেই তার সমস্ত সংস্থা বিক্রি করে দিতে উঠে পরে লেগেছে সেই সরকার ভবিষ্যতে চাকরিবাকরি বা পরিষেবা দেবে কী দিয়ে? মানুষকেই তার নিজের যোগ্যতায় রোজগার করার পথ খুঁজে নিতে হবে। সরকার কিছু দেবে না, উল্টে সরকারের সব সম্পদ বেচে দেবে। এটাই হল মোদি সরকার বা বিজেপির সরকার চালানোর আসল দর্শন! বিশদ

08th  April, 2021
পুরনো হিসেব পরে, এখন
শুধুই বাংলা ও বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

এই ভোটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টক্কর নিতে পারেন একজনই। তিনি আর কেউ নন বাংলার বাঘিনী। তাই আমরা ঠিক করেছি, তাঁর উপর আর রাগ পুষে রাখা নয়। পুরনো হিসেব পরে হবে। আপাতত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করার পক্ষে আমরা। বিশদ

07th  April, 2021
প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তব:
সুদের হার কিন্তু কমবেই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার হলে ‘ডবল বেনিফিট’ আদৌ হবে কি না জানা নেই। কিন্তু হ্যাঁ, সাঁড়াশির ডবল চাপে মানুষ ব্যতিব্যস্ত হবে—সেটা নিশ্চিত। যেমন হচ্ছে ত্রিপুরায়। যেমন হচ্ছে অসমে। প্রতিশ্রুতি আমরা আজ শুনছি... তখন স্মৃতি রোমন্থন করব। বিশদ

06th  April, 2021
মোদি-ভাবনা ও তার পরিণাম
পি চিদম্বরম 

আগামিকাল, মঙ্গলবার শেষ হবে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরির ভোটগ্রহণ। পশ্চিমবঙ্গের আংশিক ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। বাংলায় বাকি থাকছে আর পাঁচ দফার ভোটগ্রহণ। অসম এবং পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভালো প্রভাব রয়েছে। বাকি তিনটি জায়গাতেও পায়ের তলায় মাটি খুঁজে পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে গেরুয়া শিবির। 
বিশদ

05th  April, 2021
নন্দীগ্রামে জিতবে বাংলাই
হিমাংশু সিংহ

আচ্ছা, নন্দীগ্রামে কে জিতবে বলুন তো? বাজারের মাছওয়ালা থেকে ধোপদুরস্ত বহুতলের বাবু, গত বৃহস্পতিবার টানটান উত্তেজনার মধ্যে ভোট যত এগিয়েছে এই একটা প্রশ্নেই ঘুরপাক খেয়েছে বাঙালি সমাজ। যত উত্তেজনা ছড়িয়েছে বাঙালির রক্তচাপ ততই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বিশদ

04th  April, 2021
বিজেপির ‘হাওয়া’ আর রুদালির
‘কান্না’ আজ একাকার
তন্ময় মল্লিক

বিজেপি বঙ্গ দখলে আগ্রাসী না হলে বাঙালির কত কিছুই অজানা থেকে যেত! টাকা দিয়ে হাসি, উচ্ছ্বাস, এমনকী চোখের জলও কেনা যায়। কিন্তু আন্তরিকতা কেনা যায় না। ভাবনায় ও চেতনায়, রুদালির ‘কান্না’ আর বিজেপির ‘হাওয়া’ কেমন করে যেন একবিন্দুতে লীন হয়ে যাচ্ছে। বিশদ

03rd  April, 2021
একনজরে
বাঙালির রক্তে নিজেদের লালসা পূরণ করতে চাইছে বিজেপি। ওদের জবাব মানুষ ২মে দেবেন। মঙ্গলবার রায়নার জনসভা থেকে শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে এভাবেই বিজেপিকে তোপ দাগলেন তৃণমূল ...

দেশের নতুন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হলেন সুশীল চন্দ্র। মঙ্গলবার ২৪তম সিইসি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে সোমবারই ছিল সুনীল অরোরার শেষ দিন। আর এদিন অফিস ছাড়ার পর তাঁর পদে বসলেন উত্তরসূরি সুশীল। ...

‘অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশ’- এর তালিকায় পাকিস্তানের নাম যুক্ত করল ব্রিটেন। আর্থিক তছরুপ ও সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে এই তালিকা তৈরি করেছে তারা। উল্লেখ্য, এতে পাকিস্তান ছাড়াও আলবেনিয়া, বার্বাডোজ, ঘানা, ইরান, জিম্বাবোয়ে, মরিশাস, মরক্কো, মায়ানমার সহ ২১টি দেশ রয়েছে।  ...

শীতলকুচিতে আক্রান্ত হয়েই গুলি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী—এই যুক্তি প্রতিষ্ঠার মরিয়া চেষ্টা শুরু করেছে গেরুয়া বাহিনী। আর সেই মরিয়া চেষ্টার অঙ্গ হিসেবে একের পর এক ‘ফেক’ ভিডিও ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে চলেছে বিজেপি। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর ঈর্ষার কারণে সম্মানহানি হবে। ব্যবসায়ীদের আশানুরূপ লাভ না হলেও মন্দ হবে না। দীর্ঘদিনের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯১: দলিত আন্দোলনের পথিকৃত ভীমরাও রামজি আম্বেদকরের জন্ম
১৯১৯: গায়িকা সামসাদ বেগমের জন্ম
১৯২২: বিশিষ্ট সরোদ শিল্পী আলি আকবর খানের জন্ম
১৯৬৩: পণ্ডিত ও লেখক রাহুল সাংকৃত্যায়নের মৃত্যু 
১৯৮৬ - বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক নীতীন বসুর মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.১১ টাকা ৭৫.৮৩ টাকা
পাউন্ড ১০০.৯০ টাকা ১০৪.৩৮ টাকা
ইউরো ৮৭.৫৬ টাকা ৯০.৭৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
13th  April, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৭,১৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৪,৭৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৫,৪০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৭,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৭,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ চৈত্র ১৪২৭, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১। দ্বিতীয়া ১৮/৩৭ দিবা ১২/৪৮। ভরণী নক্ষত্র ৩০/৩ অপরাহ্ন ৫/২৩। সূর্যোদয় ৫/২১/২০, সূর্যাস্ত ৫/৫২/৪০। অমৃতযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৯ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩১ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪২ গতে ৩/২৩ মধ্যে। রাত্রি ৮/৫৬ গতে ১০/২৮ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৭ গতে ১/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫৫ মধ্যে। 
৩১ চৈত্র ১৪২৭, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১। দ্বিতীয়া দিবা ১১/০। ভরণী নক্ষত্র দিবা ৩/৫১। সূর্যোদয় ৫/২২, সূর্যাস্ত ৫/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২১ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/২২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪১ গতে ৩/২১ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৫৫ গতে ১০/২৭ মধ্যে। কালবেলা ৮/৩০ গতে ১০/৪ মধ্যে ও ১১/৩৮ গতে ১/১২ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩০ গতে ৩/৫৬ মধ্যে।
১ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৩৭২ জন
 

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ...বিশদ

10:09:47 AM

আইকোর মামলায় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকে তলব ইডির 

10:06:00 AM

বাড়িতে বসে ভ্যাকসিন নিলেন বিহারের বিজেপি বিধায়ক, বিতর্ক
করোনার ভ্যাকসিন পেতে বিভিন্ন হাসপাতালে হত্যে দিয়ে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। ...বিশদ

09:10:49 AM

২৫ এপ্রিল বীরভূমে তিনটি সভা মমতার 
আগামী ২৫ এপ্রিল বীরভূমে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে আসছেন তৃণমূল ...বিশদ

09:00:00 AM

তারকেশ্বর মন্দিরে গর্ভগৃহ বন্ধ
করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করায় এবার তারকেশ্বর মন্দিরের গর্ভগৃহ বন্ধ ...বিশদ

08:59:48 AM

আজ রাজ্যে আসছেন রাহুল, থাকছেন না অধীর ও মান্নান
প্রথম চার দফার ভোটের প্রচারে তাঁর দেখা পায়নি বাংলা। বালাই ...বিশদ

08:49:08 AM