Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কর্পোরেট তোষণের ফলেই তেল অগ্নিমূল্য
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় 

সরকার যদি নিজেই দাম বাড়ায়, তাহলে পেট্রল ডিজেলের দাম কমবে কী করে? জ্বালানির দাম নিত্য  বাড়ছে। স্বাধীন ভারতে এটা রেকর্ড যে পরপর নয়দিন দাম বাড়ল। গত দেড় মাসে ২১ বার দাম বাড়ল পেট্রল ও ডিজেলের, এবং একমাসের মধ্যে দু’বার গ্যাসের দাম বাড়ল ৫০ টাকা করে। কিন্তু কেন? এর জন্য দায়ী সরকারের অর্থনীতি চালানোর ভ্রান্ত দর্শন। রাজকোষের ভারসাম্য রাখতে তাই বারবার ব্যর্থ হয় সরকার, এবং সেই ব্যর্থতা ঢাকতে কেবলই জ্বালানির উপর কর বসিয়ে আয় বাড়িয়ে ঘাটতি কমানোর চেষ্টা করে । সব মিলিয়ে সরকারের এই ভুলের গুনাগার দেয় জনগণ।
দরকার ছিল এই ভুল নীতি বদলের। কিন্তু সেটা না করে ভুলকে আড়াল করতে সরকার বলে, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দাম বাড়লে আমরা কী করব? কথাটা অর্ধসত্য। তথ্য দিলেই বোঝা যাবে। মানুষ যে দামে পেট্রল ডিজেল কেনে, তার মধ্যে ৬০-৬৩ শতাংশ হল সরকারের শুল্ক। এক্সাইজ ও ভ্যাট পেট্রলের উপর ৬৩ শতাংশ, ডিজেলের উপর ৬০ শতাংশ। তার মানে, বাকি যে প্রায় ৪০ শতাংশ থাকল, সেটার কিছুটা বিদেশ থেকে কেনার খরচ, বাকি তার পরিশোধন, আনা-দেওয়া-পৌঁছনো-মজুত করা, বিক্রির উপর ডিলারের প্রাপ্য কমিশন ইত্যাদি।
এসবের পরিমাণ আলাদা আলাদা করে দেখলে বোঝা যাবে যে সরকারের করের চাইতে বাকি সব ফ্যাক্টর অনেক কম। তাই ওইসব খরচের জন্য এত দাম বাড়ে না, দাম আসলে বাড়ে সরকারের শুল্ক ও করের জন্য। আর এর জন্য দায়ী মোদি সরকারের ভুল নীতি। কতখানি  দায়ী এই সরকার? আর কতটা দায়ী আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি?  সেটা তুলনা করে দেখলেই বোঝা যাবে।
২০১৪ সালে যেদিন মোদি ক্ষমতায় এসেছিলেন সেদিন আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ছিল
ব্যারেল প্রতি ১১০ মার্কিন ডলার। আজ সেই দাম কমে গিয়ে হয়েছে ৬৫ মার্কিন ডলার! তাহলে তো দেশে অন্তত মোদির কথা অনুযায়ী পেট্রল, ডিজেলের দাম কমে যাওয়ার কথা। তার বদলে সেই সময় থেকে আজ পর্যন্ত পেট্রলের দাম বাড়ল ২৬ শতাংশ, ডিজেল ৪২ শতাংশ। কেন? 
২০১৪ সালে ডিজেলের দামে নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়ার সময় মোদি সরকার দামবৃদ্ধির পুরোটাই জনগণের কাঁধে ঠেলে দিয়ে মূল্যের উপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ তুলে দিয়েছিল। একই কাজ করেছিল কংগ্রেস, তবে সেটা পেট্রলের উপর। তাতে পেট্রল চালিত গাড়ির মালিকের উপর চাপ পড়ত। কিন্তু মোদি ডিজেলের দামে নিয়ন্ত্রণ তুলে সমস্ত জিনিসের দাম বাড়ানোর রাস্তা করে দিলেন। কারণ ডিজেলের দামবৃদ্ধি মানে সব ক্ষেত্রে দামবৃদ্ধি। একই সঙ্গে মোদি সরকার জানিয়েছিল, ডিজেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কমলে এই দেশেও কমবে। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি তাঁর  সরকার রাখেনি।।
পরের প্রশ্ন,  এখন তো কমেছে বিদেশে তেলের দাম, তাহলে ডিজেলের দাম দ্বিগুণ হল কী করে? করোনা আক্রান্ত অর্থনীতিতে গোটা বিশ্বে লকডাউনের সময় তেলের দাম একেবারে জলের চাইতেও সস্তা হয়ে গিয়েছিল। বলতে গেলে কোনও চাহিদাই ছিল না। তখনই সরকার মার্চ থেকে অক্টোবরের মধ্যে পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়িয়েছে—পেট্রলে ও ডিজেলে লিটারে ১৫ থেকে ১৭ টাকা হারে। বিশ্বজুড়ে যেখানে তেলের চাহিদা নেই, জোগান এত বেশি যে উপচে পড়ছে তেল রাখার সমস্ত ট্যাঙ্কার, সেখানে অর্থনীতির নিয়মেই দাম কমবে, এটাই স্বাভাবিক। সেই সময়েও এদেশে সরকার দাম বাড়িয়ে গিয়েছে। কারণ কী? সরকার চালানোর খরচ তুলতে তেলের উপর কর চাপানো হয়। কর্পোরেটের করছাড় হোক, আর সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়াতে হোক, পরিকাঠামো তৈরি হোক কিংবা যুদ্ধ বিমান কিনতে হোক, রাজকোষের ঘাটতি মেটাতে সরকারের কাছে চটজলদি উৎস হল রাতারাতি তেলের উপর কর চাপিয়ে দেওয়া। এই নীতির বিসর্জন না দিলে এভাবে এদেশে পেট্রল ডিজেলের দাম বাড়তেই থাকবে।
সরকারের এই ভুল নীতি ঢাকতে ফাটা রেকর্ডের মতো বারবার বলা হয় যে—আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ছে! তাহলে সরকার কী করবে? সরকারের অনেক কিছু করার ছিল। তেলের দাম নিয়ে সরকারের বা সংসদীয় কমিটির সুপারিশ বা নীতি আয়োগের পরামর্শ কোনওটাই সরকার মানে না। তেলের দাম বিকেন্দ্রীকরণের সময় বলা হয়েছিল যে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশেও পেট্রল ডিজেলের
দাম কমানো হবে। কিন্তু সেটা খুব কমই হয়,
হলেও সেটা খুব কম পরিমাণে হয়। উদারনীতি চালুর পর ঠিক হয়েছিল, একটা বিশেষ তহবিল তৈরি
করা হবে। তেল আমদানির পর পরিশোধন করে লিটার পিছু দাম নির্ধারণ করার সময় যদি দেখা যায় দাম বাড়ছে, তাহলে অয়েল পুল থেকেও অর্থ বরাদ্দ করে ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করবে সরকার। এটাই সরকারি সিদ্ধান্ত। তার জন্য একটা অয়েল পুল অ্যাকাউন্ট আছে অর্থমন্ত্রকের। একটা পদ্ধতি আছে সেখান থেকে টাকা নিয়ে বিদেশের বাজারে বর্ধিত খরচ মেটানোর, যাতে তেল কেনার খরচ বাড়লে জনগণের উপর চাপ না পড়ে। এই সরকার সেই অয়েল পুল অ্যাকাউন্টের টাকা নিয়ে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে না কেন?
আসলে সরকার নিজেই চায় দাম বাড়াতে। তাতে সব চাইতে বেশি লাভ সরকারের। যত বাড়বে তেলের দাম, ততই শতাংশের হারে তার থেকে রাজস্ব আয় বাড়বে সরকারের। সরকার যদি নিজেই আয় বাড়াতে কর চাপায়, দাম তো বাড়বেই। ঘাটতি বাজেটে দীর্ণ একটা সরকারের পক্ষে এটাই মনে হয়েছে সহজে পরিত্রাণের রাস্তা। তাই সেটাই করে চলছে।
অথচ বিকল্প পথ ছিল। তেলের দাম না বাড়ানো। জনগণকে রেহাই দিতে সরকারের উচিত ছিল,
এই করোনা আক্রান্ত অর্থনীতিকে ফের দাঁড় করানোর জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ করা। এজন্য তেলের দাম কমিয়ে রাখতে ওই অয়েল পুল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা যেত। করোনা পর্বে তেলের দাম খুব কম ছিল। তাই বরাদ্দ অর্থ বেঁচে আছে। সেটাই এখন বেশি
দামে তেল  কেনার ঘাটতি মেটাতে ব্যবহার করলে পারত সরকার। এটাই এখন সব চাইতে বড়
দরকার ছিল। তাতে দেশে জিনিসের দাম বেশি
বাড়তে পারত না। ফলে সব ধরনের পণ্যের চাহিদা বাড়ত। যে টাকা পেট্রল ডিজেলের কর থেকে আসছে, তার বদলে সেটা এসে যেতে পারত মানুষের বর্ধিত খরচের জিএসটি থেকে। 
উচিত ছিল কর্পোরেট ট্যাক্স বাড়িয়ে তেলের
উপর ডিউটি কমানো। কিন্তু সে পথে হেঁটে শিল্প মহলকে চটাতে চান না কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। উল্টে তাদের হাতেই দেশের বিকল্প জ্বালানি উৎপাদনের ক্ষেত্র তুলে দিয়ে দায় সারতে চায় সরকার। তাতে কর্পোরেট আয়ের উপর কর, পরিষেবায় জিএসটি থেকে আয় বাড়বে। কোষাগারে বেশি পরিমাণ রাজস্ব জমা হবে। বৃদ্ধির সুফল যদি সরকার জনগণকে দিত তাহলে সাধুবাদ পেতে পারত, কিন্তু হয় তার উল্টো। বাজেট ঘাটতি মেটাতে কর চাপে পেট্রল ডিজেলের উপর, বারবার দাম
বাড়ে গ্যাসের। ভর্তুকি বাড়ে না, উল্টে একেবারে
বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। ভর্তুকিহীন গ্যাসের
সরবরাহ কমে যায়। কিন্তু বাড়ে কর্পোরেটের জন্য করছাড়। দেখা যাচ্ছে, পেট্রল ডিজেলে যে আয় তার অনেকটাই খরচ হচ্ছে এই কর্পোরেট তোষণ করতে। গুনাগার গুনছে জনগণ।
 লেখক অর্থনীতির বিশ্লেষক। মতামত ব্যক্তিগত 
25th  February, 2021
স্বাধীন ভারতে সবথেকে
কলঙ্কিত নির্বাচন
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপির বাংলা জয়ের লক্ষ্যের পিছনে রয়েছে নিধন-বাসনা। উড়েছে বস্তা বস্তা বেহিসেবি টাকা। বিজেপির আসল লক্ষ্য বাঙালির অস্মিতা নিধন, বাঙালির ভাষা নিধন, বাঙালির সংস্কৃতি নিধন, বাঙালির ঐক্য নিধন। বাঙালিকে হিরো থেকে জিরো করে দাসানুদাসে পরিণত করা। কিন্তু তা বোধহয় সম্ভব হল না। শোনা যাচ্ছে জননির্ঘোষ, ‘ঘর সামলাও চৌ...কি...দা...র।’ বিশদ

শীতলকুচি ট্রেলার হলে পুরো সিনেমাটা কী? 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফেলুদা সোফায় বসে বাটিটা মোড়ক থেকে খুলে টেবিলের উপর রেখে বলল, ‘এটার একটা বিশেষত্ব আছে।’
‘কী বিশেষত্ব?’
‘জীবনে এই প্রথম একটা বাটি দেখলাম যেটাকে সোনার পাথরবাটি বললে খুব ভুল বলা হয় না।’
জয়সলমিরের মানুষ বাংলা সম্পর্কে প্রথম যে শব্দবন্ধটি শেখে, সেটি একটি নাম—সত্যজিৎ রায়। ‘সোনার পাথরে’ তৈরি বাটি-ঘটি বিক্রির খুব সাধারণ দোকানে গিয়েও দেখেছি, সত্যজিৎ রায়ের ছবি টাঙানো। 
বিশদ

13th  April, 2021
ফিরে এল রাফালের ভূত
পি চিদম্বরম 

স্মৃতি ক্ষণস্থায়ী। সাধারণ মানুষের পক্ষে রোজকার বেঁচে থাকা একটা চ্যালেঞ্জ। দেশ এবং দেশের প্রশাসনের বৃহত্তর চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তারা সচেতন। কিন্তু তারা সেসব নিয়ে দীর্ঘকাল ভাবতে পারে না। 
বিশদ

12th  April, 2021
বাংলার মহিলাদের জীবনে
এই ভোট কেন গুরুত্বপূর্ণ
হিমাংশু সিংহ

ইতিমধ্যেই যে ক’দফা ভোট হয়েছে তাতে অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে উঠে এসেছে মহিলাদের লম্বা লাইন। যা আশা জাগিয়েই শুধু ক্ষান্ত হয়নি, প্রমাণ করেছে প্রত্যয়ী মুখে বর্গীর হানাদারি রুখতে বঙ্গ নারী কতটা অকুতোভয়। আসলে এই শক্তি তাঁরা পাচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে দেখেই।
  বিশদ

11th  April, 2021
আক্রান্ত প্রার্থীরা: বঙ্গ
রাজনীতিতে ‘অশনি সঙ্কেত’
তন্ময় মল্লিক

ভোটের দফা যত গড়াচ্ছে রাজনৈতিক মারামারি, প্রার্থীদের উপর হামলা ততই বাড়ছে। নেতাদের ‘জয়লাভে’র দাবিকে সত্যি ধরে নিয়ে অনেকেই ‘বদলা’ নেওয়ার মহড়া শুরু করে দিয়েছে। নন্দীগ্রাম কার্যত বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে আছে। রাজ্যের জন্য এ-এক ‘অশনি সঙ্কেত’।
  বিশদ

10th  April, 2021
মতুয়াদের সামনে ‘গাজর’
ঝুলিয়ে লাভ নেই! 
মৃণালকান্তি দাস

অসমের গল্পটা নিশ্চিত এতদিনে বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে জলের মতো পরিষ্কার। কী সেই গল্প? নাগরিকত্ব আইন আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৬ সালে অসম দখল করেছিল বিজেপি। আর পাঁচ বছর পর, বিধানসভা ভোটের মুখে জানা গেল, টাকা শেষ। অতএব ঝাঁপ বন্ধ এনআরসি দপ্তরের।  
বিশদ

09th  April, 2021
সোনার বাংলা গড়বে না
বেচে দেবে, প্রশ্ন সেটাই
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

যে সরকার নিজেই তার সমস্ত সংস্থা বিক্রি করে দিতে উঠে পরে লেগেছে সেই সরকার ভবিষ্যতে চাকরিবাকরি বা পরিষেবা দেবে কী দিয়ে? মানুষকেই তার নিজের যোগ্যতায় রোজগার করার পথ খুঁজে নিতে হবে। সরকার কিছু দেবে না, উল্টে সরকারের সব সম্পদ বেচে দেবে। এটাই হল মোদি সরকার বা বিজেপির সরকার চালানোর আসল দর্শন! বিশদ

08th  April, 2021
পুরনো হিসেব পরে, এখন
শুধুই বাংলা ও বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

এই ভোটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টক্কর নিতে পারেন একজনই। তিনি আর কেউ নন বাংলার বাঘিনী। তাই আমরা ঠিক করেছি, তাঁর উপর আর রাগ পুষে রাখা নয়। পুরনো হিসেব পরে হবে। আপাতত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করার পক্ষে আমরা। বিশদ

07th  April, 2021
প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তব:
সুদের হার কিন্তু কমবেই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার হলে ‘ডবল বেনিফিট’ আদৌ হবে কি না জানা নেই। কিন্তু হ্যাঁ, সাঁড়াশির ডবল চাপে মানুষ ব্যতিব্যস্ত হবে—সেটা নিশ্চিত। যেমন হচ্ছে ত্রিপুরায়। যেমন হচ্ছে অসমে। প্রতিশ্রুতি আমরা আজ শুনছি... তখন স্মৃতি রোমন্থন করব। বিশদ

06th  April, 2021
মোদি-ভাবনা ও তার পরিণাম
পি চিদম্বরম 

আগামিকাল, মঙ্গলবার শেষ হবে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরির ভোটগ্রহণ। পশ্চিমবঙ্গের আংশিক ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। বাংলায় বাকি থাকছে আর পাঁচ দফার ভোটগ্রহণ। অসম এবং পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভালো প্রভাব রয়েছে। বাকি তিনটি জায়গাতেও পায়ের তলায় মাটি খুঁজে পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে গেরুয়া শিবির। 
বিশদ

05th  April, 2021
নন্দীগ্রামে জিতবে বাংলাই
হিমাংশু সিংহ

আচ্ছা, নন্দীগ্রামে কে জিতবে বলুন তো? বাজারের মাছওয়ালা থেকে ধোপদুরস্ত বহুতলের বাবু, গত বৃহস্পতিবার টানটান উত্তেজনার মধ্যে ভোট যত এগিয়েছে এই একটা প্রশ্নেই ঘুরপাক খেয়েছে বাঙালি সমাজ। যত উত্তেজনা ছড়িয়েছে বাঙালির রক্তচাপ ততই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বিশদ

04th  April, 2021
বিজেপির ‘হাওয়া’ আর রুদালির
‘কান্না’ আজ একাকার
তন্ময় মল্লিক

বিজেপি বঙ্গ দখলে আগ্রাসী না হলে বাঙালির কত কিছুই অজানা থেকে যেত! টাকা দিয়ে হাসি, উচ্ছ্বাস, এমনকী চোখের জলও কেনা যায়। কিন্তু আন্তরিকতা কেনা যায় না। ভাবনায় ও চেতনায়, রুদালির ‘কান্না’ আর বিজেপির ‘হাওয়া’ কেমন করে যেন একবিন্দুতে লীন হয়ে যাচ্ছে। বিশদ

03rd  April, 2021
একনজরে
বিনা বিচারে ৪১ বছর বন্দি থাকা নেপালের বাসিন্দা দীপক যোশির ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে বিচার বিভাগ সহ রাজ্য প্রশাসনকে। কারণ, মানসিকভাবে অসুস্থ এমন আরও বন্দির হদিশ মিলেছে। ...

বাঙালির রক্তে নিজেদের লালসা পূরণ করতে চাইছে বিজেপি। ওদের জবাব মানুষ ২মে দেবেন। মঙ্গলবার রায়নার জনসভা থেকে শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে এভাবেই বিজেপিকে তোপ দাগলেন তৃণমূল ...

শীতলকুচিতে আক্রান্ত হয়েই গুলি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী—এই যুক্তি প্রতিষ্ঠার মরিয়া চেষ্টা শুরু করেছে গেরুয়া বাহিনী। আর সেই মরিয়া চেষ্টার অঙ্গ হিসেবে একের পর এক ‘ফেক’ ভিডিও ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে চলেছে বিজেপি। ...

‘অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশ’- এর তালিকায় পাকিস্তানের নাম যুক্ত করল ব্রিটেন। আর্থিক তছরুপ ও সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে এই তালিকা তৈরি করেছে তারা। উল্লেখ্য, এতে পাকিস্তান ছাড়াও আলবেনিয়া, বার্বাডোজ, ঘানা, ইরান, জিম্বাবোয়ে, মরিশাস, মরক্কো, মায়ানমার সহ ২১টি দেশ রয়েছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর ঈর্ষার কারণে সম্মানহানি হবে। ব্যবসায়ীদের আশানুরূপ লাভ না হলেও মন্দ হবে না। দীর্ঘদিনের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯১: দলিত আন্দোলনের পথিকৃত ভীমরাও রামজি আম্বেদকরের জন্ম
১৯১৯: গায়িকা সামসাদ বেগমের জন্ম
১৯২২: বিশিষ্ট সরোদ শিল্পী আলি আকবর খানের জন্ম
১৯৬৩: পণ্ডিত ও লেখক রাহুল সাংকৃত্যায়নের মৃত্যু 
১৯৮৬ - বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক নীতীন বসুর মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.১১ টাকা ৭৫.৮৩ টাকা
পাউন্ড ১০০.৯০ টাকা ১০৪.৩৮ টাকা
ইউরো ৮৭.৫৬ টাকা ৯০.৭৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
13th  April, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৭,১৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৪,৭৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৫,৪০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৭,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৭,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ চৈত্র ১৪২৭, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১। দ্বিতীয়া ১৮/৩৭ দিবা ১২/৪৮। ভরণী নক্ষত্র ৩০/৩ অপরাহ্ন ৫/২৩। সূর্যোদয় ৫/২১/২০, সূর্যাস্ত ৫/৫২/৪০। অমৃতযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৯ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩১ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪২ গতে ৩/২৩ মধ্যে। রাত্রি ৮/৫৬ গতে ১০/২৮ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৭ গতে ১/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫৫ মধ্যে। 
৩১ চৈত্র ১৪২৭, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১। দ্বিতীয়া দিবা ১১/০। ভরণী নক্ষত্র দিবা ৩/৫১। সূর্যোদয় ৫/২২, সূর্যাস্ত ৫/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২১ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/২২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪১ গতে ৩/২১ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৫৫ গতে ১০/২৭ মধ্যে। কালবেলা ৮/৩০ গতে ১০/৪ মধ্যে ও ১১/৩৮ গতে ১/১২ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩০ গতে ৩/৫৬ মধ্যে।
১ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৩৭২ জন
 

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ...বিশদ

10:09:47 AM

আইকোর মামলায় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকে তলব ইডির 

10:06:00 AM

বাড়িতে বসে ভ্যাকসিন নিলেন বিহারের বিজেপি বিধায়ক, বিতর্ক
করোনার ভ্যাকসিন পেতে বিভিন্ন হাসপাতালে হত্যে দিয়ে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। ...বিশদ

09:10:49 AM

২৫ এপ্রিল বীরভূমে তিনটি সভা মমতার 
আগামী ২৫ এপ্রিল বীরভূমে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে আসছেন তৃণমূল ...বিশদ

09:00:00 AM

তারকেশ্বর মন্দিরে গর্ভগৃহ বন্ধ
করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করায় এবার তারকেশ্বর মন্দিরের গর্ভগৃহ বন্ধ ...বিশদ

08:59:48 AM

আজ রাজ্যে আসছেন রাহুল, থাকছেন না অধীর ও মান্নান
প্রথম চার দফার ভোটের প্রচারে তাঁর দেখা পায়নি বাংলা। বালাই ...বিশদ

08:49:08 AM