Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ঘরের মেয়েই সেরা বাজি
হারাধন চৌধুরী 

নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, জগৎপ্রকাশ নাড্ডা প্রমুখ যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বহিরাগত’ তত্ত্ব খারিজ করার দাবি করেন, তখন ছোটবেলায় পড়া একটি কথা মাথায় খুব ঘুর ঘুর করে। একবার মাঘোৎসবে চুঁচুড়ায় রবীন্দ্রনাথ তাঁর পিতার সামনে ‘নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে, রয়েছ নয়নে নয়নে’ গানটি গেয়েছিলেন। গেয়েছিলেন আরও কিছু গান। গান গাওয়া শেষ হলে মহর্ষি এতটাই আপ্লুত হলেন যে, বলে ফেললেন, ‘‘দেশের রাজা যদি দেশের ভাষা জানিত ও সাহিত্যের আদর বুঝিত, তবে কবিকে তো তাহারা পুরস্কার দিত। রাজার দিক হইতে যখন তাহার কোনো সম্ভাবনা নাই, তখন আমাকেই সে-কাজ করিতে হইবে।’’ এই বলে দেবেন্দ্রনাথ কবির হাতে পাঁচশো টাকার একটি চেক তুলে দিয়েছিলেন। তারও অনেক পরে রবীন্দ্রনাথ যখন ‘নৈবেদ্য’ লিখছেন, তখন পিতা তাঁকে ডেকে পাঠিয়ে সেই কবিতাগুলি শুনলেন। পিতার অনুরোধে নৈবেদ্যের অন্তর্ভুক্ত কিছু গানও গেয়ে শোনালেন রবি। মুগ্ধ মহর্ষির দু’চোখে আনন্দের অশ্রুধারা নেমে এল। কাব্যটি অবিলম্বে প্রকাশ করার জন্য দেবেন্দ্রনাথ কিছু টাকাও দিলেন কবিকে। ধান ভানতে এই শীবের গীত কেন—তার ব্যাখ্যা এখানে নিষ্প্রয়োজন।
বাংলা হল মহামানবের এক শ্রেষ্ঠ সাগরতীর। তবু ‘বহিরাগত’ নিয়ে বাঙালির অ্যালার্জি নতুন নয়। কারণ, বাংলা বারবার বহিঃশত্রুর হাতে আক্রান্ত হয়েছে। কখনও হয়েছে বর্গির হানা। হামলা করেছে কখনও হার্মাদরা, কখনও মগ দস্যুরা। ফরাসিরা চন্দননগর দখল করেছিল। ইউরোপের আরও নানান জাতি নানা সময়ে বিবিধ অছিলায় বাংলাকে শোষণ করার চেষ্টা করেছিল। আর ১৭৫৭ সালে পলাশির যুদ্ধে সিরাজের পতনের পর সারা ভারতই তো কোম্পানির, ক্রমান্বয়ে ইংরেজ জাতির পদানত হয়েছিল। ব্রিটিশের শত্রুতার সেই শুরু। ১৯৪৭-এ তারা বিদায় হল বটে, কিন্তু বাংলাটাকে দু’টুকরো করে দিয়ে। পাকিস্তান আমলে পূর্ববঙ্গে অমানুষিক অত্যচার করেছে পাক সেনারা। বাংলা ভাষা ও বাঙালি জাতিকে করেছে অপমান, অবদমন। স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনের মাধ্যমেই বাঙালিরা সমুচিত জবাব দেয়। শুধু ওপারের বাঙালির কৃতিত্ব বলতে পারতাম। কিন্তু তাতে সত্যের অপলাপ হতো। এপারের বাঙালিরাও স্বাধীনতার যোদ্ধাদের পাশে সবরকমে দাঁড়িয়েছিল। স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টিটা সারা পৃথিবীর বাঙালির এক অখণ্ড কৃতিত্ব বললে অত্যুক্তি হবে না। ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখুন, ‘বহিরাগত’ ভীতি বাঙালির কাছে নতুন নয় কেন। বহিরাগতদের রুখতে বাঙালি-মন সদা জাগ্রত থাকে। পশ্চিমবঙ্গবাসী বা বাঙালিদের এই চেতনাকে সংকীর্ণ ভাবা ঠিক হবে না। তারা ভারতকে যতখানি তার প্রিয় দেশ মনে করে, বাঙালি ভাবতেও গর্ব অনুভব করে ঠিক ততখানি। বাঙালি সত্তা অক্ষুণ্ণ রেখেই আমরা ভারতসন্তান।
প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী। ওই পদে অল্পদিনই ছিলেন। তারপর কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি তাঁকে একটি গুরুদায়িত্ব দেয়—ময়ূরভঞ্জ এবং কোচবিহার দেশীয় রাজ্য দু’টি কোন প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত, সেই বিষয়ে মতামত প্রদানসহ একটি রিপোর্ট তৈরি করার জন্য। ডঃ ঘোষ তাঁর রিপোর্টে বলেন, ময়ূরভঞ্জ যাবে উড়িষ্যায় (ওড়িশা) এবং কোচবিহার ঢুকবে বাংলায়। কিন্তু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বল্লভভাই প্যাটেলের তাতে আপত্তি ছিল। প্যাটেলের মতে, কোচবিহার আসামের (অসম) অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত। পশ্চিমবঙ্গের সৌভাগ্য যে ডঃ ঘোষের যুক্তি ও মতকে ওয়ার্কিং কমিটি অধিকতর গ্রহণযোগ্য মনে করেছিল। ডঃ ঘোষ না থাকলে আয়তনে এই বাংলা সেদিন আরও ছোট হয়ে যেতে পারত। নিজের মাটির প্রতি ভূমিপুত্রের দরদ যে একটু বেশিই হবে, তাতে বিস্ময়ের কী আছে।
ডঃ প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের আত্মজীবনীধর্মী গ্রন্থ ‘জীবনস্মৃতির ভূমিকা’র আরও একটি অংশ বাঙালিকে ভাবায়। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা পায়। ১৪ আগস্ট মুর্শিদাবাদ ও মালদহ শহরে পাকিস্তানের পতাকা ওড়ে। অন্যদিকে, খুলনায় ভারতের জাতীয় পতাকা তোলা হয় ১৫ আগস্ট। দুই বাংলার সীমান্ত নির্ধারণের দায়িত্বে ছিলেন র‌্যাডক্লিফ। ১৭ আগস্ট তাঁর যে রায় বেরল তাতে দেখা গেল, খুলনা পাকিস্তানে এবং মালদহ ও মুর্শিদাবাদের একাংশ ভারতে পড়েছে। স্বভাতই দুই সম্প্রদায়ের বহু মানুষ আশাহত হলেন। দুই বাংলার পরিস্থিত হঠাৎই থমথমে হয়ে গেল। তখন ডঃ ঘোষ উদ্যোগী হয়ে স্যার নাজিমুদ্দিনের সঙ্গে এক যৌথ বিবৃতি দিলেন, যার সারমর্ম হল—র‌্যাডক্লিফের রায়ের পরিবর্তন যা দরকার তা করতে হবে দুই বাংলার মধ্যে আলোচনার ভিত্তিতে। কিন্তু, সেটা না-হওয়া পর্যন্ত এই রায়ই সবাইকে মেনে চলতে হবে। এই বিবৃতি সর্দার প্যাটেলের পছন্দ হয়নি। এমন বিবৃতি কেন দেওয়া হল, তিনি জানতে চাইলেন। জবাবে ডঃ ঘোষ বললেন, ‘‘এই বিবৃতি দিয়ে বাংলাকে রক্তপাতের হাত থেকে বাঁচিয়েছি। নইলে বাংলার অবস্থা পাঞ্জাবের মতো হতো।’’ তাতে বল্লভভাই বিরক্তির সুরে বললেন, ‘‘হোতা তো ক্যায়া হোতা?’’! প্যাটেলের এই বিস্ময়কর প্রতিক্রিয়ার জবাবে ডঃ ঘোষ একজন খাঁটি ভূমিপুত্রের মতোই বলেছিলেন, ‘‘সে-কথা আপনি বলতে পারেন, আমি পারি না।’’ মহাত্মা তখন কলকাতায়। নোয়াখালি যাওয়ার পথে এসেছেন। শহরে অভূতপূর্ব সম্প্রীতির পরিবেশ দেখে মুগ্ধ। ঘোষ-নাজিমুদ্দিনের যে বিবৃতি প্যাটেলকে রুষ্ট করেছে, সেই বিবৃতিকে মহাত্মা বিজ্ঞজনোচিত আখ্যা দিলেন প্রকাশ্যসভায়।   
১৯৪৭-এর আরেকটি ঘটনা। ডঃ ঘোষ তখন পশ্চিমবঙ্গের ছায়ামন্ত্রিসভার নেতা। এক দুপুরে গান্ধীজির একটি চিঠি পেলেন। পড়ে তো অবাক। গান্ধীজি লিখেছেন, সর্দারের ইচ্ছে পশ্চিমবাংলার মন্ত্রিসভায় একজন মাড়ওয়ারি সদস্য নেওয়া হোক—বদরীদাস গোয়েঙ্কা অথবা দেবীপ্রসাদ খৈতান! অথচ, এই ঘটনার মাত্র কয়েকদিন আগেই ডঃ ঘোষ মন্ত্রীদের নাম নেতৃত্বের কাছ থেকে অনুমোদন করিয়ে এনেছেন। ডঃ ঘোষ লিখেছেন, ‘‘অনুমোদনকারীদের মধ্যে ছিলেন একজন সর্দারও। তখন, এমনকি তিনি একলাও এ বিষয়ে আমাকে কিছু বলেননি।’’ অনুমান করতে অসুবিধা হয় না যে ‘সর্দার’ বলতে বল্লভভাই প্যাটেলকেই বুঝিয়েছেন ডঃ ঘোষ। এই আজব প্রস্তাবে ডঃ ঘোষের আপত্তি ছিল। মহাত্মা কানে কম শোনেন। তাই ডঃ ঘোষ ফোনে কৃপালনীর মারফত তাঁর মত গান্ধীজিকে জানান। মহাত্মা তাতে বিন্দুমাত্র রাগ করেননি। কৃপালনীকে তিনি বলেন, ‘‘প্রস্তাবটি প্রফুল্ল যদি সংগত মনে না করে, তবে ধরে নিতে পারে যে আমি তাকে এই চিঠি লিখিইনি।’’ ডঃ ঘোষের বক্তব্য ছিল, মাড়ওয়ারি বা ভিন রাজ্যের লোক বলে কারও সম্পর্কে তাঁর বিরূপ মনোভাব নেই। এই ধরনের কোটায় তাঁর কোনও আস্থা ছিল না। জাতি ধর্ম ভাষা নির্বিশেষে যোগ্য ব্যক্তির জন্য যোগ্য পদই ছিল তাঁর পছন্দ। যেমন কারও সুপারিশ ছাড়াই বিধানসভার স্পিকার পদে তিনি ঈশ্বরদাস জালানকে বেছে নিয়েছিলেন। ঈশ্বরদাস মাড়ওয়ারি সম্প্রদায়ের একজন যোগ্য পার্লামেন্টারিয়ান ছিলেন। ডঃ ঘোষ মনে করতেন, বাংলার কোনও বড় দায়িত্বে যাঁকে নেওয়া হবে, তিনি যেন বর্তমানে বাংলার অধিবাসী হন। অনেক আগে তাঁর জন্ম অন্য যে প্রদেশেই হোক না কেন, তা বিচার্য নয়। এই ধরনের ব্যক্তি, এখানে জন্ম নেওয়া মানুষের মতোই পশ্চিমবঙ্গের সুখ-দুঃখের সমান ভাগীদার হবেন। গত সাত দশকে বিধানসভা, রাজ্য মন্ত্রিসভা এবং কলকাতাসহ বিভিন্ন পুরসভায় এই উদার চেতনার প্রতিফলন আমরা বারবার দেখেছি। লোকসভা এবং রাজ্যসভাতেও বাংলার প্রতিনিধিত্ব করে থাকেন অন্য প্রদেশের কিছু ব্যক্তিত্ব। তা নিয়ে কোনও বঙ্গসন্তান কখনও কোনও আপত্তি করেছেন বলে শুনিনি।
এই বাংলাতেই এবার স্লোগান উঠেছে—‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’। অসম্ভব আবেগমথিত এক স্লোগান। ঘরের মেয়েকে ঘরে ফেরানো নিয়ে বাঙালির বাৎসরিক আবেগের কথা নতুন কী। দুর্গাকে বছর বছর কাছে পাওয়ার জন্য বাংলার মন সারা বছর অপেক্ষা করে থাকে। তাকে আবাহন করার জন্য সারা বছর ধরে প্রস্তুত হয়। একটু একটু করে পয়সা জমায়। পরিকল্পনা করে কোন নতুন জামাকাপড় পরে তার সামনে দাঁড়াবে। এবার কেমন প্রতিমা হবে। গতবারের থেকে বড় করতে হবে। প্যান্ডেল বা মণ্ডপ সজ্জা আরও আকর্ষণীয় করতে হবে। গতবার কোন কোন ঠাকুর দেখা হয়নি, এবার সেগুলোও দেখতে হবে। সমবেত প্রার্থনা চলে, যেন ঝড়বৃষ্টি না-হয়। কারও কারও কাছে অগ্রাধিকার থাকে গতবারের চেয়ে বেশি সমাজসেবা বা গরিবকল্যাণে ব্যয়-বণ্টন।
বাংলায় ভোটের স্লোগান নিয়ে যদি কখনও গবেষণা হয় তবে এই ক্যাচ লাইনটি বিশেষ স্থান করে নেবে। কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে—‘খেলা হবে।’ এই কথার নানান ব্যাখ্যা ভাসছে। কারও কারও ধারণা, এর মধ্যে রাজনৈতিক সংঘর্ষ, রক্তক্ষয়ের নির্মম এক ইঙ্গিত রয়েছে। তার মধ্যে যাচ্ছি না। এই হাইভোল্টেজ ভোটে, মনে হয়, আসল খেলাটি হবে বাংলার সম্মানরক্ষার প্রশ্নে। অন্য রাজ্য থেকে উড়ে আসা নেতাদের চাপিয়ে দেওয়া মাতব্বরি বাংলা এবারও মানবে না। গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়লের মতোই প্রত্যাখ্যাত হবেন তাঁরা। এই স্পর্শকাতর সময়ে ঘরের মেয়েই যে সেরা বাজি, ভোটের দিন যত এগবে সেটা তত স্পষ্ট হবে। 
24th  February, 2021
স্বাধীন ভারতে সবথেকে
কলঙ্কিত নির্বাচন
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপির বাংলা জয়ের লক্ষ্যের পিছনে রয়েছে নিধন-বাসনা। উড়েছে বস্তা বস্তা বেহিসেবি টাকা। বিজেপির আসল লক্ষ্য বাঙালির অস্মিতা নিধন, বাঙালির ভাষা নিধন, বাঙালির সংস্কৃতি নিধন, বাঙালির ঐক্য নিধন। বাঙালিকে হিরো থেকে জিরো করে দাসানুদাসে পরিণত করা। কিন্তু তা বোধহয় সম্ভব হল না। শোনা যাচ্ছে জননির্ঘোষ, ‘ঘর সামলাও চৌ...কি...দা...র।’ বিশদ

শীতলকুচি ট্রেলার হলে পুরো সিনেমাটা কী? 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফেলুদা সোফায় বসে বাটিটা মোড়ক থেকে খুলে টেবিলের উপর রেখে বলল, ‘এটার একটা বিশেষত্ব আছে।’
‘কী বিশেষত্ব?’
‘জীবনে এই প্রথম একটা বাটি দেখলাম যেটাকে সোনার পাথরবাটি বললে খুব ভুল বলা হয় না।’
জয়সলমিরের মানুষ বাংলা সম্পর্কে প্রথম যে শব্দবন্ধটি শেখে, সেটি একটি নাম—সত্যজিৎ রায়। ‘সোনার পাথরে’ তৈরি বাটি-ঘটি বিক্রির খুব সাধারণ দোকানে গিয়েও দেখেছি, সত্যজিৎ রায়ের ছবি টাঙানো। 
বিশদ

13th  April, 2021
ফিরে এল রাফালের ভূত
পি চিদম্বরম 

স্মৃতি ক্ষণস্থায়ী। সাধারণ মানুষের পক্ষে রোজকার বেঁচে থাকা একটা চ্যালেঞ্জ। দেশ এবং দেশের প্রশাসনের বৃহত্তর চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তারা সচেতন। কিন্তু তারা সেসব নিয়ে দীর্ঘকাল ভাবতে পারে না। 
বিশদ

12th  April, 2021
বাংলার মহিলাদের জীবনে
এই ভোট কেন গুরুত্বপূর্ণ
হিমাংশু সিংহ

ইতিমধ্যেই যে ক’দফা ভোট হয়েছে তাতে অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে উঠে এসেছে মহিলাদের লম্বা লাইন। যা আশা জাগিয়েই শুধু ক্ষান্ত হয়নি, প্রমাণ করেছে প্রত্যয়ী মুখে বর্গীর হানাদারি রুখতে বঙ্গ নারী কতটা অকুতোভয়। আসলে এই শক্তি তাঁরা পাচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে দেখেই।
  বিশদ

11th  April, 2021
আক্রান্ত প্রার্থীরা: বঙ্গ
রাজনীতিতে ‘অশনি সঙ্কেত’
তন্ময় মল্লিক

ভোটের দফা যত গড়াচ্ছে রাজনৈতিক মারামারি, প্রার্থীদের উপর হামলা ততই বাড়ছে। নেতাদের ‘জয়লাভে’র দাবিকে সত্যি ধরে নিয়ে অনেকেই ‘বদলা’ নেওয়ার মহড়া শুরু করে দিয়েছে। নন্দীগ্রাম কার্যত বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে আছে। রাজ্যের জন্য এ-এক ‘অশনি সঙ্কেত’।
  বিশদ

10th  April, 2021
মতুয়াদের সামনে ‘গাজর’
ঝুলিয়ে লাভ নেই! 
মৃণালকান্তি দাস

অসমের গল্পটা নিশ্চিত এতদিনে বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে জলের মতো পরিষ্কার। কী সেই গল্প? নাগরিকত্ব আইন আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৬ সালে অসম দখল করেছিল বিজেপি। আর পাঁচ বছর পর, বিধানসভা ভোটের মুখে জানা গেল, টাকা শেষ। অতএব ঝাঁপ বন্ধ এনআরসি দপ্তরের।  
বিশদ

09th  April, 2021
সোনার বাংলা গড়বে না
বেচে দেবে, প্রশ্ন সেটাই
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

যে সরকার নিজেই তার সমস্ত সংস্থা বিক্রি করে দিতে উঠে পরে লেগেছে সেই সরকার ভবিষ্যতে চাকরিবাকরি বা পরিষেবা দেবে কী দিয়ে? মানুষকেই তার নিজের যোগ্যতায় রোজগার করার পথ খুঁজে নিতে হবে। সরকার কিছু দেবে না, উল্টে সরকারের সব সম্পদ বেচে দেবে। এটাই হল মোদি সরকার বা বিজেপির সরকার চালানোর আসল দর্শন! বিশদ

08th  April, 2021
পুরনো হিসেব পরে, এখন
শুধুই বাংলা ও বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

এই ভোটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টক্কর নিতে পারেন একজনই। তিনি আর কেউ নন বাংলার বাঘিনী। তাই আমরা ঠিক করেছি, তাঁর উপর আর রাগ পুষে রাখা নয়। পুরনো হিসেব পরে হবে। আপাতত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করার পক্ষে আমরা। বিশদ

07th  April, 2021
প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তব:
সুদের হার কিন্তু কমবেই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার হলে ‘ডবল বেনিফিট’ আদৌ হবে কি না জানা নেই। কিন্তু হ্যাঁ, সাঁড়াশির ডবল চাপে মানুষ ব্যতিব্যস্ত হবে—সেটা নিশ্চিত। যেমন হচ্ছে ত্রিপুরায়। যেমন হচ্ছে অসমে। প্রতিশ্রুতি আমরা আজ শুনছি... তখন স্মৃতি রোমন্থন করব। বিশদ

06th  April, 2021
মোদি-ভাবনা ও তার পরিণাম
পি চিদম্বরম 

আগামিকাল, মঙ্গলবার শেষ হবে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরির ভোটগ্রহণ। পশ্চিমবঙ্গের আংশিক ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। বাংলায় বাকি থাকছে আর পাঁচ দফার ভোটগ্রহণ। অসম এবং পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভালো প্রভাব রয়েছে। বাকি তিনটি জায়গাতেও পায়ের তলায় মাটি খুঁজে পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে গেরুয়া শিবির। 
বিশদ

05th  April, 2021
নন্দীগ্রামে জিতবে বাংলাই
হিমাংশু সিংহ

আচ্ছা, নন্দীগ্রামে কে জিতবে বলুন তো? বাজারের মাছওয়ালা থেকে ধোপদুরস্ত বহুতলের বাবু, গত বৃহস্পতিবার টানটান উত্তেজনার মধ্যে ভোট যত এগিয়েছে এই একটা প্রশ্নেই ঘুরপাক খেয়েছে বাঙালি সমাজ। যত উত্তেজনা ছড়িয়েছে বাঙালির রক্তচাপ ততই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বিশদ

04th  April, 2021
বিজেপির ‘হাওয়া’ আর রুদালির
‘কান্না’ আজ একাকার
তন্ময় মল্লিক

বিজেপি বঙ্গ দখলে আগ্রাসী না হলে বাঙালির কত কিছুই অজানা থেকে যেত! টাকা দিয়ে হাসি, উচ্ছ্বাস, এমনকী চোখের জলও কেনা যায়। কিন্তু আন্তরিকতা কেনা যায় না। ভাবনায় ও চেতনায়, রুদালির ‘কান্না’ আর বিজেপির ‘হাওয়া’ কেমন করে যেন একবিন্দুতে লীন হয়ে যাচ্ছে। বিশদ

03rd  April, 2021
একনজরে
১৯৫৮ এশিয়ান গেমসে রুপো জয়ী ভারতীয় হকি দলের সদস্য বলবীর সিং জুনিয়র ৮৮ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। তাঁর কন্যা মনদীপ সামরা জানিয়েছেন,‘রবিবার সকালে ঘুমের মধ্যেই হার্ট অ্যাটাক হয় বাবার।   ...

দেশের নতুন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হলেন সুশীল চন্দ্র। মঙ্গলবার ২৪তম সিইসি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে সোমবারই ছিল সুনীল অরোরার শেষ দিন। আর এদিন অফিস ছাড়ার পর তাঁর পদে বসলেন উত্তরসূরি সুশীল। ...

বিনা বিচারে ৪১ বছর বন্দি থাকা নেপালের বাসিন্দা দীপক যোশির ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে বিচার বিভাগ সহ রাজ্য প্রশাসনকে। কারণ, মানসিকভাবে অসুস্থ এমন আরও বন্দির হদিশ মিলেছে। ...

ভোটের একেবারে মুখে আচমকা বিজেপির উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি বদল করা হল। এতে দলের অভ্যন্তরেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তবে কেন তাঁকে বদল করা হল, এবিষয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এতে দলের কর্মীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভও ছড়িয়েছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর ঈর্ষার কারণে সম্মানহানি হবে। ব্যবসায়ীদের আশানুরূপ লাভ না হলেও মন্দ হবে না। দীর্ঘদিনের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯১: দলিত আন্দোলনের পথিকৃত ভীমরাও রামজি আম্বেদকরের জন্ম
১৯১৯: গায়িকা সামসাদ বেগমের জন্ম
১৯২২: বিশিষ্ট সরোদ শিল্পী আলি আকবর খানের জন্ম
১৯৬৩: পণ্ডিত ও লেখক রাহুল সাংকৃত্যায়নের মৃত্যু 
১৯৮৬ - বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক নীতীন বসুর মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.১১ টাকা ৭৫.৮৩ টাকা
পাউন্ড ১০০.৯০ টাকা ১০৪.৩৮ টাকা
ইউরো ৮৭.৫৬ টাকা ৯০.৭৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
13th  April, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৭,১৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৪,৭৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৫,৪০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৭,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৭,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ চৈত্র ১৪২৭, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১। দ্বিতীয়া ১৮/৩৭ দিবা ১২/৪৮। ভরণী নক্ষত্র ৩০/৩ অপরাহ্ন ৫/২৩। সূর্যোদয় ৫/২১/২০, সূর্যাস্ত ৫/৫২/৪০। অমৃতযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৯ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩১ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪২ গতে ৩/২৩ মধ্যে। রাত্রি ৮/৫৬ গতে ১০/২৮ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৭ গতে ১/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫৫ মধ্যে। 
৩১ চৈত্র ১৪২৭, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১। দ্বিতীয়া দিবা ১১/০। ভরণী নক্ষত্র দিবা ৩/৫১। সূর্যোদয় ৫/২২, সূর্যাস্ত ৫/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২১ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/২২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪১ গতে ৩/২১ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৫৫ গতে ১০/২৭ মধ্যে। কালবেলা ৮/৩০ গতে ১০/৪ মধ্যে ও ১১/৩৮ গতে ১/১২ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩০ গতে ৩/৫৬ মধ্যে।
১ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৩৭২ জন
 

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ...বিশদ

10:09:47 AM

আইকোর মামলায় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকে তলব ইডির 

10:06:00 AM

বাড়িতে বসে ভ্যাকসিন নিলেন বিহারের বিজেপি বিধায়ক, বিতর্ক
করোনার ভ্যাকসিন পেতে বিভিন্ন হাসপাতালে হত্যে দিয়ে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। ...বিশদ

09:10:49 AM

২৫ এপ্রিল বীরভূমে তিনটি সভা মমতার 
আগামী ২৫ এপ্রিল বীরভূমে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে আসছেন তৃণমূল ...বিশদ

09:00:00 AM

তারকেশ্বর মন্দিরে গর্ভগৃহ বন্ধ
করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করায় এবার তারকেশ্বর মন্দিরের গর্ভগৃহ বন্ধ ...বিশদ

08:59:48 AM

আজ রাজ্যে আসছেন রাহুল, থাকছেন না অধীর ও মান্নান
প্রথম চার দফার ভোটের প্রচারে তাঁর দেখা পায়নি বাংলা। বালাই ...বিশদ

08:49:08 AM