Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রাজনীতি আর অসভ্যতার
মধ্যবর্তী ফারাক
শান্তনু দত্তগুপ্ত

‘বৌদ্ধ বা জৈন... কোনওটাই হিন্দুত্ব বা বৈদিক ধর্ম থেকে জন্ম নেয়নি। তা সত্ত্বেও তারা ভারতে বেড়ে উঠেছে, হয়ে গিয়েছে এদেশের জীবন, সংস্কৃতি এবং দর্শনের অঙ্গ। একজন বৌদ্ধ বা জৈন একশো শতাংশ ভারতের চিন্তনের সৃষ্টি। তা সত্ত্বেও তাঁকে হিন্দু বলা যায় কি? কাজেই ভারতীয় সংস্কৃতিকে হিন্দুত্ব বলে চালিয়ে দেওয়া, আর বিভ্রান্তি ছড়ানোর মধ্যে কোনও ফারাক নেই। এর বহু যুগ পরে ইসলামের প্রভাব প্রবেশ করেছে ভারতে। তারপরও তো তারা শুধু এবং শুধুই ভারতীয়!’
আহমেদনগর ফোর্টের জেলখানা। চার দেওয়ালের মধ্যে বসে তাঁর দেশকে এভাবেই কলমে ধরছেন জওহরলাল নেহরু। লিখছেন হরপ্পার কথা, উপনিষদ, মহাভারত, মন্বন্তর, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা...। ততদিনে কংগ্রেসের অধিবেশনে পাশ হয়ে গিয়েছে প্রস্তাব—পূর্ণ স্বরাজ চাই। ‘ডোমিনিয়ন স্টেটাস’ চলবে না। নামমাত্র ক্ষমতা, আর মাথার উপর ছড়ি ঘোরাবে ব্রিটিশরা? হতে পারে না। ১৯২৯ সাল। লাহোরের মাটিতে দাঁড়িয়ে তীব্র প্রতিবাদ করেছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু। কংগ্রেসের সেই অধিবেশনের সভাপতি তাঁকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছিলেন। আবেদন নিবেদনের থালা হাতে ইংরেজ শাসকের সামনে ভিখিরির মতো দাঁড়িয়ে থাকতে চাননি সুভাষ। ১৯২৯ সাল... অধিবেশনের সভাপতি রাভী নদীর তিরে উড়িয়ে দিলেন পতাকা। পাশে দাঁড়ালেন সুভাষ। ঠিক হল, ২৬ জানুয়ারি দিনটি দেশ পালন করবে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে। লাহোর অধিবেশনের সভাপতির নাম? জওহরলাল নেহরু। 
সুভাষচন্দ্র শুধু ব্রিটিশ সাম্রাজ‌্যবাদ থেকে স্বাধীনতা চাননি... স্বাধীন হতে চেয়েছেন ধর্মীয় সংকীর্ণতা থেকে, অশিক্ষা থেকে, কুসংস্কার থেকে। বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য—এটাই ভারতের চিরন্তন পরিচিতি। বহু ধর্ম, বহু জাতি, বহু রাজনৈতিক দর্শন মিলেমিশেই যে ভারত! কিন্তু সেই নেতাজিরই ১২৫তম জন্মবার্ষিকী হয়ে গেল রাজনীতির নামে নোংরা মেরুকরণের মঞ্চ। অপমানিত হলেন বাংলার একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় সরকারি মঞ্চে ভাষণ দিতে উঠছেন মানে তিনি তখন ভারত সরকারের সম্মানীয় অতিথি। কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি নন। কাজেই রাজনীতির মোড়কে তাঁকে অভ্যর্থনা জানানোটা আর যাই হোক, প্রধানমন্ত্রীর শোভা পায় না। শোভা পায় না তাঁকে বা তাঁর দলকে যাঁরা সমর্থন করে চেয়ার ভরিয়েছিলেন, তাঁদেরও। ‘ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া’য় হিন্দুধর্ম সম্পর্কে, হিন্দুত্ব সম্পর্কে নেহরু যা লিখেছিলেন, তা তাঁর আবিষ্কার ছিল না। ভারতের ইতিহাসের পাতায়, প্রাচীন সভ্যতার প্রত্যেকটা ইট-পাথরে তা ছড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু বিজেপি সরকারের অনুষ্ঠান কী দেখাল? ভারতের ইতিহাস নতুন করে লেখার তোড়জোড় চলছে। এখানে সর্বধর্মের কথা বললে পাকিস্তান কিংবা বাংলাদেশে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। হঠাৎ একদিন সকালে হয়তো দেখা যাবে, মত প্রকাশের বা ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের মৌলিক অধিকারকেই বিজেপি সরকার সংবিধান থেকে বাদ দিতে চেয়ে সংশোধনী এনেছে! তেমন দিন এলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। এই সবকিছু ছাপিয়ে অবশ্য ভাবনার গোড়ায় ইন্ধন দিচ্ছে অন্য প্রশ্ন... প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান এবং তার ভিআইপি এনক্লোজারে কি হেঁজিপেজি লোকজন বসতে পারে? তার মানে কি নিরাপত্তায় ফাঁক? যে যেমন পেরেছে ঢুকে পড়েছে? তাহলে আয়োজকদের অবশ্যই শো-কজ করা উচিত! তেমন যদি না হয়? অর্থাৎ, চেঁচামেচি বা স্লোগান দেওয়া লোকজন যদি সত্যিই কেন্দ্রীয় সরকারের আমন্ত্রিত হয়ে থাকেন? তাহলে কিন্তু বিজেপির এখনই সতর্ক হওয়া উচিত। আগামী দিনে বঙ্গ বিজেপিকে কোন ধরনের সদস্য সমৃদ্ধ করবে, তা ২৩ জানুয়ারি দেখিয়ে দিল। আর এই যদি ভিআইপি সমর্থকদের নমুনা হয়, তাহলে ছাঁকনির বাইরে থাকা কর্মী-সমর্থকরা বাংলার প্রতি কেমন ভাবধারা পোষণ করবেন, তা বোঝাই যাচ্ছে। তাঁরা বুঝতেই পারলেন না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপমান নয়, এই আচরণ আসলে বেইজ্জত করল বাংলাকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু এক্ষেত্রে পরিণত রাজনীতিবিদের মতোই কাজ করলেন। খুব থেমে থেমে খান চারেক কথা বললেন... সৌজন্য পুরোদস্তুর বজায় রেখে। মঞ্চ ছেড়ে নেমে যেতে পারতেন তিনি, কিন্তু তা করেননি। জানতেন, এমনটা করলে বাংলার মাটির অসম্মান হবে। 
বিজেপি হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির আদর্শে বিশ্বাসী। 
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্মনিরপেক্ষ। প্রত্যেক ভারতবাসীর ভাবনা, মতামতের সম্মান করাটা সাংবিধানিক কর্তব্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জায়গায় অন্য যে কোনও রাজনীতিকই নিশ্চয় প্রতিবাদ করতেন। তৃণমূল নেত্রী তাঁর নিজের ঢঙে করেছেন, অন্যেরা তাঁদের মতো করতেন। ঠিক যেমন করেছিলেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। প্রধানমন্ত্রী 
নরেন্দ্র মোদিরই অনুষ্ঠান ছিল সেদিন। বিজয়ন উঠেছিলেন বক্তৃতা দিতে। আর সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছিল চিৎকার, জয় শ্রীরাম স্লোগান। একটি করে শব্দ তিনি উচ্চারণ করছেন, আর সঙ্গে সঙ্গে কান ভেদ করছে উপস্থিত জনতার একটা অংশের গলাবাজি। বিজয়ন বাধ্য হয়ে বললেন, ‘মনে হচ্ছে কিছু লোক এখানে শুধু চিৎকার করতে আর স্লোগান দিতেই এসেছে’। তারপরও পরিস্থিতি বদলাল না। মুখ্যমন্ত্রী তখন বললেন, ‘একটা সুন্দর অনুষ্ঠানের মঞ্চকে যেমন খুশি ব্যবহার করবেন না। এমন অনুষ্ঠানে কিছু তো শৃঙ্খলা থাকবে!’ বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষেত্রে যেন সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল। মোদির অনুষ্ঠান... জনতার ‘একাংশ’ এবং বিরোধী নেতা বা নেত্রীকে বাধা দেওয়া। পুরো ব্যাপারটাই পরিকল্পিত নয় তো?
আশা করা যাক, এমন কিছু হয়নি। তাহলে বিজেপিরই মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য ঘটনাটিকে কেন অনুচিত বলে বিবৃতি দিলেন? বিবেকবোধ? কিন্তু মুদ্রার উল্টো পিঠও যে আছে। তির হাত থেকে বেরিয়ে গিয়েছে! তাই তাকে সমর্থন করেও কোনও কোনও নেতা বিবৃতি দিচ্ছেন। তা দিতেই পারেন। আপত্তি নেই। কিন্তু এখানে প্রশ্ন হল, বাংলার মানুষ এসব ভালোভাবে নিচ্ছে তো? রাস্তাঘাটের চর্চা কিন্তু বিজেপির জন্য খুব ভালো বার্তা নিয়ে আসছে না! রাজনৈতিক পছন্দ যাই হোক না কেন, সাধারণ ভোটারকুল একে বাংলার অপমান হিসেবেই ধরছে। কংগ্রেস এবং সিপিএম বাংলার এই পালসটা বুঝেছে। তাই তাদের প্রতিক্রিয়াও মমতামুখী। কোনও রাজনৈতিক দলের একটা নির্দিষ্ট নীতি, আদর্শ, ভাবনা থাকতেই পারে। কিন্তু তা অন্যের উপর চাপানো যায় না। সেই অধিকার সংবিধান আমাদের দেয়নি। ম্যাঙ্গালোরে একটি ছাত্রসভায় বক্তব্য রাখছিলেন কানহাইয়া কুমার। ছাত্রছাত্রীদের নানাবিধ রাজনৈতিক প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন তিনি। তখনই এক ছাত্রী উঠে তাঁকে বললেন, ‘জয় শ্রীরাম’। প্রশ্ন করলেন, ‘রাষ্ট্র যদি এক হয়, তাহলে এক রাজনৈতিক মতাদর্শ হবে না কেন?’ কানহাইয়ার জবাব ছিল, ‘ভারত তো একই! ওয়ান নেশন। আমাদের সংবিধান দেশকে এক করেছে। কিন্তু তাতেও তিনশোর বেশি ধারা রয়েছে। ভারতের ভিত ধরে রেখেছে সংসদ। আর সংসদেও কিন্তু দু’টো কক্ষ—লোকসভা, রাজ্যসভা। লোকসভাতেও আমরা কোনও একজনকে নির্বাচিত করে পাঠাই না! সেখানে নির্বাচিত করা হয় ৫৪৫ জনকে। আমাদের ঐক্য আসে বৈচিত্র্য থেকেই। আমি মিথিলাবাসী। সেখানে প্রতি বছর অযোধ্যা থেকে বরযাত্রী আসে। কারণ, মিথিলা রামচন্দ্রের শ্বশুরবাড়ি। সেখানে আমরা জয় শ্রীরাম বলি না... বলা হয় সীতারাম। একসঙ্গে।’ এটাই যে ভারতের চরিত্র। ভাবনা আলাদা, মত আলাদা, আচার আলাদা...। এই সবের সমন্বয়েই ঐক্য। রাজনৈতিক মত পৃথক হতেই পারে। কিন্তু তা নিয়ে জবরদস্তি চালানোটা অপরাধ। জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে কারও কপিরাইট নেই। থাকবেও না। কোনও রাজনৈতিক দল যদি তেমনটা মনে করে, তাহলে তারা মূর্খের স্বর্গে বাস করছে। তাহলে এই স্লোগান শুনলেই কেন বিজেপির কথা মনে পড়ে? কারণ, এই একটা বিষয়ে গেরুয়া শিবির সফল—ধর্মীয় মেরুকরণ। সেই অস্ত্রেই তারা ঘায়েল করতে চেয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পরিকল্পিতভাবে। কিন্তু বিজেপি ভুলে গিয়েছে... মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগ্রাসন পিনারাই বিজয়ন বা কানহাইয়া কুমারের সঙ্গে তুল্যমূল্য নয়। ভরা হাটে, গোটা দেশের সামনে অসম্মান করা হয়েছে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে। এটাই কিন্তু হবে আসন্ন ভোটে তৃণমূলের ব্রহ্মাস্ত্র। পাশাখেলায় দ্রৌপদীর অসম্মান থেকে জন্ম নিয়েছিল ১৮ দিনের এক ধর্মযুদ্ধ। ১১ অক্ষৌহিনী সেনাও বাঁচাতে পারেনি কৌরবদের। এবার কুরুক্ষেত্র বাংলার মাটি। আর এখানে পাঁচ পাণ্ডবের একটাই নাম—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে জয় তাদেরই হবে, শ্রীকৃষ্ণ থাকবেন যে পক্ষে। আর ভোটে শ্রীকৃষ্ণের ভূমিকায় কে? বাংলার মানুষ...।
26th  January, 2021
নন্দীগ্রাম নয়, মমতার চ্যালেঞ্জ একলপ্তে ২৯১
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

মোক্ষম জবাবটা দিয়েছেন ওমর আবদুল্লা। গত শনিবার বেহালার মুচিপাড়ায় শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরলে পশ্চিমবঙ্গটা কাশ্মীর হয়ে যাবে।’ ২০১৯ সালে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিদায় নেওয়ার পর থেকে ওমর আবদুল্লা ভালোই ভুগছেন। 
বিশদ

অর্থনীতির পাশাপাশি স্বাধীনতাও বিপন্ন
পি চিদম্বরম 

ভারতীয় অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে কি না তা একটা বিতর্কের বিষয়। চলতি অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ০.৪ শতাংশ বৃদ্ধির যে এস্টিমেট ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকস অফিস (এনএসও) দিয়েছে, সরকার সেটাকে ‘সেলিব্রেট করছে’। 
বিশদ

08th  March, 2021
বাইশে উত্তরপ্রদেশে কুড়ি
দফায় ভোট হবে তো!
হিমাংশু সিংহ 

প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতে শুরু করেছে। খেলেঙ্গে, লড়েঙ্গে, জিতেঙ্গে আবেগে ভাসছে নন্দীগ্রাম। সব পক্ষই বলছে, খেলা হবে। বাংলা ও বাঙালির ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয়ঙ্কর নির্ণায়ক খেলা। বহিরাগত শক্তি বনাম হাসিমুখে ঘরের মেয়ের লড়াই। তবে বাংলার কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে বাঁচিয়েই খেলতে হবে। তাকে আক্রান্ত করে, জখম করে নয়। 
বিশদ

07th  March, 2021
যেখানে ‘ডবল ইঞ্জিন’
সেখানেই হেরেছে বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

বিজেপির নেতাদের মুখে ‘ডবল ইঞ্জিন’-এর প্রশংসার ফুলঝুরি ফুটছে। তাঁরা বোঝাতে চাইছেন, কেন্দ্রে ও রাজ্যে একই দলের সরকার থাকলে প্রচুর উন্নতি হবে। কলকারখানা হবে। চাকরি হবে। মাস্টারমশাই, সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়বে। 
বিশদ

06th  March, 2021
বিদায় শ্রেণিসংগ্রাম, স্বাগত টুম্পা
সমৃদ্ধ দত্ত

আত্মীয় অথবা পরিবারের মধ্যে কিছু কিছু বিশেষ ব্যক্তিকে দেখা যায়, যাঁরা কোনও একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পর সেটি যে শ্রেষ্ঠ, সেকথা উচ্চৈঃস্বরে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। অন্যদের মতামত অথবা মৃদু বিরোধিতাকে পাত্তা দেন না তাঁরা। কিন্তু পরে যখন প্রমাণ হয় যে, ওই সিদ্ধান্ত শুধু যে ভুল ছিল তা‌ই নয়, গোটা পরিবারের পক্ষেও ক্ষতিকর হয়ে গিয়েছে, তখনই বিড়ম্বনার সৃষ্টি। 
বিশদ

05th  March, 2021
নদীবাঁধ রক্ষাই সুন্দরবনের অস্তিত্বের প্রধান শর্ত
কান্তি গাঙ্গুলী

প্রাচীন ইতিহাসে টলেমি ও মেগাস্থিনিসের বিবরণে গঙ্গারিডি বলে যে ভূখণ্ডের উল্লেখ পাওয়া যায়, আজকের সুন্দরবন ও তৎসংলগ্ন নিম্নগাঙ্গেয় উপত্যকা সম্ভবত সেই ভূখণ্ডই। কলকাতার এন্টালি অঞ্চলটির নামকরণের পিছনে হেঁতাল গাছের প্রভূত উপস্থিতির কারণও হয়তো বিদ্যমান।  
বিশদ

04th  March, 2021
গোল্লায় যাবে শিল্প-সংস্কৃতি
ব্রাত্য বসু 

বাংলা ও তার সংস্কৃতি বাঁচাতে গেলে বহিরাগত এই বিজেপি রাজনীতিকে ঠেকাতেই হবে। বিজেপি কখনও বাংলায় এসে রবীন্দ্রনাথের জন্মস্থান বদলে দিচ্ছে, কখনও বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙে তছনছ করছে, কখনও চৈতন্যদেবের মৃত্যুর অন্তত দুশো বছর পরে তাঁকে কাটোয়ায় জীবিত করে তুলছে, কখনও আবার বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষণে ঔপন্যাসিক না লিখে বলছে ‘উপনিবেশিক’। 
বিশদ

04th  March, 2021
মোদির সব প্রতিশ্রুতি যেন গল্পদাদুর আসর
সন্দীপন বিশ্বাস 

হঠাৎই জহর রায়ের একটি কৌতুক নকশা মনে পড়ল। এক ভদ্রলোক একটি ঘর ভাড়া নিতে গিয়েছেন। ঘর দেখে পছন্দও হয়েছে। দু’টি ঘর, রান্নাঘর, সঙ্গে আলাদা বাথরুম। কিন্তু ভাড়া শুনে ভদ্রলোকের মাথার চুল খাড়া হয়ে গেল। ভাড়া ৫০০ টাকা।  
বিশদ

03rd  March, 2021
৮ দফার পর নিশ্চয়ই রিগিংয়ের
অভিযোগ উঠবে না!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সেশন সাহেব, বড্ড মিস করছি আপনাকে। আপনি বলতেন, ‘গণতন্ত্র হল এমন একটা ব্যবস্থা, যেখানে আইনের শাসন সবার জন্য সমানভাবে বলবৎ থাকবে।’ সব মানুষের জন্য। সব রাজনৈতিক দলের জন্য। আপনি প্রমাণ করেছেন, এটা ছেলে ভুলানো গল্প নয়।  
বিশদ

02nd  March, 2021
আদালতগুলি স্বাধীনতার ঘণ্টাধ্বনি দিচ্ছে
পি চিদম্বরম

ঠিক যখন আমরা আশা ছেড়ে দিচ্ছি, তখনই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে ব্যক্তি স্বাধীনতার বর্মটা হারিয়ে যায়নি। আমেরিকার স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কিত স্বাক্ষর হয়েছিল ১৭৭৬-এর ৪ জুলাই। 
বিশদ

01st  March, 2021
কে প্রধান শত্রু, আজ ব্রিগেডে
পরিষ্কার করুক সিপিএম 
হিমাংশু সিংহ

প্রয়াত সলিল চৌধুরী আজ বেঁচে থাকলে ‘টুম্পা সোনা’ শুনে কী বলতেন জানি না। তবে তাঁর ‘ও আলোর পথযাত্রী’ কিংবা ‘ঢেউ উঠছে কারা টুটছে’ যে এত তাড়াতাড়ি ব্রাত্য হয়ে যাবে কে ভেবেছিল! অভাবে স্বভাব নষ্ট আর দুর্দিনে চরিত্র। তাই আর ঘোমটার তলায় খ্যামটা নাচ নয়। 
বিশদ

28th  February, 2021
মমতাকে ঠেকাতে শেষে ‘রামধনু’ জোট
তন্ময় মল্লিক

‘এই বাংলা যতটা আব্বাস সিদ্দিকির ততটাই দিলীপ ঘোষের। দক্ষিণ ভারত থেকে এসেছেন ওয়াইসি, তাঁরও ততটাই অধিকার।’এখানে শেষ হলে মনে হতো, এটি কোনও ধর্মনিরপেক্ষ মানুষের বক্তব্য। উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়েছে এর পরের কথায়, ‘ওয়াইসি এসে এখানে মিম তৈরি করলে দিদিমণির টেনশন হচ্ছে কেন? 
বিশদ

27th  February, 2021
একনজরে
সম্প্রতি চাকুলিয়া ও ডালখোলায় তৃণমূলের অন্দরের কোন্দল সামনে এসেছিল। কিন্তু ভোটের মুখে সেই দলীয় অসন্তোষ যাতে সামনে না আসে, সেজন্য তৎপর হয়েছেন দলের উত্তর দিনাজপুর জেলার সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল। ...

কেন্দ্রের পেট্রল-ডিজেল-রান্নার গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সরব হয়েছে গোটা বাংলা। সেই পথেই সোমবার গাড়ি ছেড়ে সাইকেলে অভিনব প্রচার শুরু করলেন ময়ূরেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ...

ভোটের আগেই বাংলায় জাল টাকা ছড়ানোর আন্তঃরাজ্য চক্রের হদিশ পেল পুলিস। কুলটি থানা এলাকা থেকে ৭৮ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধারের ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিস ...

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দিল্লি সীমানার সিঙ্ঘু, তিক্রি এবং গাজিপুরে কৃষক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিলেন মহিলা কষকরা। শুধু প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেওয়াই নয়, আন্দোলনের সমর্থনে জ্বালাময়ী ভাষণ দেন মহিলারা।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সফলতা আসবে। সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে মানসিক অস্থিরতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৫৪: আমেরিগেডস পুচির (তাঁর নামানুসারে আমেরিকার নাম করন হয়) জন্ম
১৮৫৮: দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফারি রেঙ্গুনে নির্বাসিত
১৯৩৪: মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিনের জন্ম
১৯৫১: তবলাবাদক জাকির হুসেনের জন্ম
১৯৫৯: নিউ ইয়র্কে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল টয় ফেয়ারে আত্মপ্রকাশ করল বার্বি ডল
১৯৬১: মহাকাশ যান স্ফুটনিক ৯-এর সফল উৎক্ষেপণ
২০১২: বলিউড অভিনেতা ও পরিচালক জয় মুখার্জির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৩৯ টাকা ৭৪.১০ টাকা
পাউন্ড ৯৯.৪৩ টাকা ১০২.৯২ টাকা
ইউরো ৮৫.৬০ টাকা ৮৮.৭৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৫, ১৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪২, ৮৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৩, ৫০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬, ১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬, ২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৫ ফাল্গুন, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ৯ মার্চ ২০২১। একাদশী ২২/৪৯ দিবা ৩/৩। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র ৩৬/৫৬ রাত্রি ৮/৪১। সূর্যোদয় ৫/৫৫/১, সূর্যাস্ত ৫/৩৯/৪৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/১৫ গতে ১০/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৭ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/১৯ গতে ৪/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/২৯ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৫ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ১/৪৮ গতে ৩/২৫ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৩ গতে ৮/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/১৫ গতে ২/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/১০ গতে ৮/৪৩ মধ্যে।  
২৪ ফাল্গুন ১৪২৭, মঙ্গলবার, ৯ মার্চ ২০২১। একাদশী অপরাহ্ন ৪/১৫। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র রাত্রি ৯/৫৪। সূর্যোদয় ৫/৫৭, সূর্যাস্ত ৫/৩৯। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩ গতে ১০/২৮ মধ্যে ও ১২/৫৪ গতে ২/৩১ মধ্যে ও ৩/১৯ গতে ৪/৫৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩২ মধ্যে ও ৮/৫৫ গতে ১১/১৭ মধ্যে ও ১/৪০ গতে ৩/১৫ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৫ গতে ৮/৫৩ মধ্যে ও ১/১৬ গতে ২/৪৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৪৪ মধ্যে।  
২৪ রজব। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল : টাইব্রেকারে ম্যাচ জিতে ফাইনালে মুম্বই সিটি এফসি
 

08-03-2021 - 10:36:07 PM

আইএসএলের দ্বিতীয় পর্বের সেমিফাইনাল গড়াল অতিরিক্ত সময়ে
 

08-03-2021 - 09:38:35 PM

ফের কলকাতা মেট্রোতে চালু হচ্ছে টোকেন ব্যবস্থা
ফের আগামী ১৫ মার্চ থেকে কলকাতা মেট্রোতে চালু হচ্ছে টোকেন ...বিশদ

08-03-2021 - 09:05:49 PM

আইএসএল: মুম্বই সিটি ০ – গোয়া ০ (হাফটাইম) 

08-03-2021 - 08:26:33 PM

কাশীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী কমলাকান্ত হাঁসদা  

08-03-2021 - 07:57:48 PM

স্ট্যান্ড রোড সংলগ্ন বহুতলে আগুন
স্ট্যান্ড রোডে রেলের একটি ভবনে আগুন। জানা গিয়েছে, ওই বহুতলটির ...বিশদ

08-03-2021 - 06:58:00 PM