Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

গত সপ্তাহে লিখেছিলাম আদি আর নব্য বিজেপির মধ্যে জোর নরকগুলজার চলছে। কিন্তু যে কথাটা বলা হয়নি তা হচ্ছে, এই ভোটে তৃণমূলের আসল শত্রু বিজেপি নয়। দিলীপ ঘোষরা এখনও কয়েকটি হাতে গোনা জেলা ছাড়া একক ক্ষমতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মতো অবস্থাতেই নেই। যেটুকু লড়াই হচ্ছে তা তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ অংশের সঙ্গে। সোজা কথায়, যাদের বিশ্বাসঘাতক ‘দলবদলু’ বলা হচ্ছে। তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। তাঁর ব্যক্তিগত ক্যারিশমা এই নির্বাচনেও নবান্নের ১৪ তলা দখলের পক্ষে যথেষ্ট।  সেই কারণেই কেন্দ্রীয় সরকারকে কাজে লাগিয়েও ক্ষমতা দখলের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারছে না বিজেপি নেতৃত্ব। গেরুয়া নেতাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ থেকেই পরিষ্কার ক্ষমতা দখল দূরে থাক, কাছাকাছি আসার ব্যাপারেও এখনও দিলীপ ঘোষরা খুব একটা আত্মবিশ্বাসী নন। আপাতত তাঁদের লক্ষ্য তাই একশো আসন পেরনো এবং ভোট কৌশলী পিকে-কে মিথ্যা প্রমাণ করা। 
তবে সেক্ষেত্রেও যাবতীয় হিসেব দাঁড়িয়ে আছে দু’টি অলীক ফ্যাক্টরের উপর। তৃণমূলে ক্রমাগত আরও বড় ভাঙন ধরানো, যা ভোটের দিন ঘোষণার পরও চলবে। আর ‘আমরাই এবার আসছি’, এই কথাটা বারবার প্রচার করে সিপিএমের হতাশ নিচুতলার সমর্থন টেনে আনা। কারণ ওই দু’টি ফ্যাক্টর বাদ দিলে এখনও এরাজ্যে বিজেপির নিজস্ব সংগঠনের জোর মোটেও উৎসাহব্যঞ্জক নয়। গত কয়েক মাসে সঙ্ঘ পরিবারের নীতি ও আদর্শহীন একতরফা দখলদারির রাজনীতি দেখে বাংলার মানুষ যদি ফের সিপিএমকে একটু বেশি আশীর্বাদ করে তাহলেই গেরুয়া পার্টির ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন মাঠে মারা যাবে। এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে নিশ্চিতভাবেই এই ভোটে সিপিএমের হারানো ভোট বেশ কিছুটা ফিরবে। এবং তা হলেই গেরুয়া শক্তির যাবতীয় কৌশলও ব্যর্থ হবে। পাশাপাশি, দুর্নীতিকে খতম করতে ফুল, মালা, চন্দনে সেই দুর্নীতির কাণ্ডারীদেরই দলে আবাহন, আর যাই হোক সুস্থ রাজনীতি হতে পারে না। এই ধ্রুব সত্যটাকে বাংলার মানুষ হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করতে শুরু করেছে। এই একটা ফ্যাক্টরই কঠিন সময়ে শেষ দৌড়ে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।
তৃণমূল ভেঙে অনেক আশা জাগিয়ে যেসব দলবদলুরা স্রোতের মতো গেরুয়া শিবিরে যোগ দিচ্ছেন, তাঁদের ক্ষমতা নিয়েও সম্প্রতি একটু যেন সন্দিহান দেখাচ্ছে দিলীপ ঘোষদের। খোদ ভূমিপুত্রের খাসতালুক নন্দীগ্রামে গত ৮ জানুয়ারি সভা ঘিরে যে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি হয়েছে, তারপরই ওই আশঙ্কা যথেষ্ট বেড়েছে। সভা ডেকে দলেরই একাংশের হাতে বেইজ্জত হওয়ার এমন ঘটনা মেনে নেওয়া বিজেপির মতো একটা সর্বভারতীয় দলের পক্ষে সহজ নয়। গেরুয়া শিবিরের ভিতরের হিসেবই বলছে, খুব বেশি হলে ৩৫টি আসনে ভূমিপুত্রের অল্পবিস্তর প্রভাব আছে। তার বেশি নয়। তাই অযথা লাফালাফির কোনও মানে হয় না। অনেক দরদস্তুরের পরও তাই দল ভেঙে আসা কোনও নেতাকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করার পাকা কথা দেননি অমিত শাহরা। দেওয়ার কথাও নয়। বাকি যাঁরা যোগ দিচ্ছেন তাঁদের নিজের আসন টিকিয়ে রাখার ক্ষমতা আছে কি না, তা নিয়েই যথেষ্ট সন্দেহ আছে। ভবিষ্যতে তাঁরা দলের কাছে সম্পদ হবেন, না অভিশাপ হয়ে দেখা দেবেন, তা সময়ই বলবে।
নির্বাচন যেহেতু একইসঙ্গে বিরাট মনস্তত্ত্বেরও খেলা, তাই অমিত শাহরা দলের কর্মীদের উৎসাহিত করতে মুখে বলছেন, এবার ২০০ আসন তাঁরা জিতবেই। তাঁরা জানেন, এই প্রচারে বিরোধী শিবিরে শঙ্কা বাড়ে, শত্রু দলের কর্মীরা হতাশ হয়। কিন্তু বাস্তবে কোনও অঙ্কেই তা হওয়ার নয়। উল্টে কোথায় যেন নৈতিকভাবে ভোটের আগেই হার হয়ে যাচ্ছে দিলীপবাবুদের। নিজেরাই নিজেদের প্রশ্ন করছেন, এভাবে শত্রু দল ভেঙে গেরুয়া সংসারে ঘটা করে কুমির ডেকে আনার পরিণাম ভালো হবে তো! এই ভোটে বাংলার উন্নয়ন নয়, কর্মসংস্থান নয়, শিল্প গড়ার স্বপ্ন দেখানো নয়, ভ্রষ্টাচারের বিরুদ্ধে লড়াইকেই প্রধান অস্ত্র করেছে বিজেপি। অথচ সংগঠন বাড়াতে সেই দুর্নীতির সঙ্গেই খোলাখুলি আপস করতে হচ্ছে। নিজেদের সুবিধাবাদী রাজনীতির প্রয়োজনে বারেবারে এই গোলপোস্ট বদলে দেওয়ার রাজনীতি কখনও নৈতিকভাবে জয়ী হতে পারে না। ঘনিষ্ঠ মহলে গেরুয়া দলেরই অনেকে স্বীকার করছেন, এত কুৎসা আর অভিযোগ সত্ত্বেও এখনও জননেত্রীর ভাবমূর্তির বিন্দুমাত্র ক্ষতি করা যায়নি। উন্নয়নের জোরে তিনি বাংলার ঘরে ঘরে এখনও অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য। তাঁর স্বাস্থ্যসাথী থেকে কন্যাশ্রী গোটা দেশে অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তাই এবারেও রাজ্যের ২৯৪ আসনে তিনিই প্রার্থী। তাঁর চেয়ে যোগ্যতর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার মুখ পশ্চিমবঙ্গে নেই। আর যাঁরা আছেন তাঁরা কেউ মেদিনীপুরের, কেউ খড়্গপুরের নেতা। কিন্তু গোটা বাংলার গরিব নিপীড়িত মানুষের হৃদস্পন্দন এখনও রাজ্যের একজনের সঙ্গেই একতারে বাঁধা। সেই যোগ ছিন্ন করার মতো শক্তিশালী মুখ বিজেপিতে কোথায়? ক্ষমতা দখলের নেশায় দল ভেঙে যে বিষবৃক্ষ বঙ্গ বিজেপি বপন করছে তার দায় তাদেরই নিতে হবে! তৃণমূল ছেড়ে আসা  দলবদলুদের সবাইকে টিকিট নয়, বলে সেই অধ্যায়েরই সূচনা করেছেন দিলীপবাবু। এখন দেখার এই একটা ঘোষণায় ক’টি জেলা রক্তাক্ত হয়! আর কে কে টিকিট না পেয়ে পুরনো জায়গায় ফিরতে বাধ্য হন।
এটা ঠিক গত কয়েক বছরে বিজেপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বাংলায় লাফিয়ে বেড়েছে। একই দিনে রাজ্যে একাধিক রোড শো, জেলায় জেলায় সভা, একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নিত্য আসা-যাওয়া, তিন চার বছর আগেও অত্যন্ত দূর কল্পনা ছিল। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকেই দল ক্রমেই প্রধান বিরোধী হয়ে ওঠার দৌড়ে শামিল হয়েছে। এবং বলাই বাহুল্য, সিপিএম সহ বাম নেতৃত্ব ও তার দোসর কংগ্রেসের ভোট কেটে ক্রমেই এগিয়েছে। বাম ও কংগ্রেসের ভোট বিগত লোকসভায় কোন জাদুতে প্রায় পুরোটাই বিপরীত মেরুর বিজেপিতে পড়েছে, তার কোনও ব্যাখ্যা আজও মেলেনি। ভোট রাজনীতি পাটিগণিত নয়, চলে রসায়নের নিয়মে। সেখানে নদীর পাড় ভাঙাগড়ার তত্ত্ব খাটে না। সেখানে  দু’য়ে দু’য়ে সব সময় চারও হয় না। মাঝেমাঝে অজানা কারণে যোগফল শূন্যও হয়। গত বিধানসভা ভোটের কথা একবার মনে করুন। সেবার জোট করেও বামেদের ভোটব্যাঙ্কের রক্তক্ষরণ বন্ধ করা যায়নি। আবার দু’বছর আগের লোকসভা নির্বাচনে বামেরা কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। সেই শূন্যস্থান দখল করেই বিজেপির ভোট এরাজ্যে অবিশ্বাস্য ৪০ শতাংশ পেরতে সক্ষম হয়েছে। ১৮টি আসন জিতে দিলীপবাবুরা তাক লাগিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন। তৃণমূলের সঙ্গে ভোটের ফারাক মাত্র ৩ শতাংশের কিছু বেশি। যদিও লোকসভা আর বিধানসভা ভোটের প্রেক্ষিত সম্পূর্ণ আলাদা। তবু একবার রক্তের স্বাদ পাওয়া গেরুয়া শক্তি তাই সেই থেকেই বাংলা দখলে মরিয়া। 
বিজেপি জানে, রাতারাতি পুরনো সিপিএম কিংবা তৃণমূলের মতো সংগঠন গড়ে তোলা অসম্ভব। তাই তৈরি জিনিস দখল করো। অনেকটা পরের তৈরি কারখানা কিনে নিয়ে রাতারাতি উৎপাদন শুরু করার মতো। সেই তাগিদ থেকেই এবার রাজ্যের ভোট কার্যত তৃণমূল বনাম তৃণমূলত্যাগীদের লড়াইয়ে পরিণত হচ্ছে। সংগঠন নেই, লোক নেই, নেতা নেই, এমনকী অফিসওই নেই এমন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েও আসন জেতার স্বপ্ন দেখছে শুধু ভাঙন ধরানোর কৌশলে। ভোটের দিন এখনও ঘোষণা হল না, কোথায় কে প্রার্থী হবেন তার ঠিক নেই। কে শেষ পর্যন্ত কোথায় থাকবেন, তাও অমীমাংসিত। ক’দফায় ভোট, কবে শুরু তার ঠিকঠিকানাও নেই। কিন্তু রোজ পরিবেশ গরম হচ্ছে। সামাজিক দূরত্ব বিধিকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে মাস্ক ছাড়াই পাড়ার মোড়ে মোড়ে সভা। দূর পর্যন্ত মাইকের চোং। কদর্য পারস্পরিক আক্রমণে কান ঝালাপালা। এ ওকে চোর বলছে। অমনি যাকে চোর বলা সে তিনটে ছবি দেখিয়ে বলছে, দেখুন ও তো আরও বড় ডাকাতের সঙ্গে বসে আছে, তার বেলা! পাল্টা ছুটে আসছে বেইমান, বিশ্বাসঘাতক, গদ্দার বিশেষণ। রাজনৈতিক আক্রমণ পর্যবসিত হচ্ছে স্রেফ ব্যক্তিগত কাদা ছোঁড়াছুঁড়িতে। সেই সঙ্গে মওকা বুঝে উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ করার আদিম হিংস্রতা। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে সবচেয়ে বেশি পেয়েছে যে পরিবারটি সেই পরিবারের সুসন্তানই বঞ্চনা আর দুর্নীতির কথা বলে দল ছেড়েছেন। বলছেন, উম-পুনের টাকা লুট হয়েছে। অথচ তাঁদেরই পরিবার নিয়ন্ত্রিত পুরসভা এলাকায় তাঁর অঙ্গুলিহেলন ছাড়া কারা চাল ত্রিপল নিয়ে পালাল, তা বলছেন না। উল্টে অভয় দিচ্ছেন, ভোটের দিন ঘোষণা হলে বলব। আপনার পিছনে যদি এতই জনসমর্থনের ঢেউ, তাহলে এখনও ভয়টা কীসের?
পরিস্থিতি এমন যে কাউকে বিশ্বাস করাই এখন দায়। বিশ্বাস, অবিশ্বাস আর বিভ্রান্তির ত্র্যহস্পর্শ থেকে বঙ্গ রাজনীতিতে আজ বেরিয়ে আসছে একটাই ধ্রুবপদ, আখের গোছাও। বহিরাগত বিত্তশালী দলের নেতাদের এই আগুন নিয়ে খেলায় তো মানুষের পেট ভরে না। দল ভাঙার মধ্যে চমক থাকলেও মানুষের মন জেতার জাদু নেই। এটা ঠিক, কোনও নেতা এদিক ওদিক করলে তাঁর সঙ্গে কিছু অনুগামীও রংবদল করে। কিন্তু তাতে মানুষের কী যায় আসে? সবাই নিজের নিজের স্বার্থ আর এজেন্ডার কথা ভাবছে। কেউ কি রাজ্যটার কথা ভাবছে? রাজ্যের উন্নয়ন, রাজ্যের মানুষের অগ্রগতি সবই কথার কথা। তাই সাধারণ মানুষেরও উচিত, এই ভোটে বেছে বেছে বিশ্বাসঘাতকদের শিক্ষা দেওয়ার শপথ নেওয়া। ভোটবাক্সে মধুর বদলা নেওয়া। একটা পতাকার জোরে দশ বছরে সবকিছু গুছিয়ে নিয়ে তারপর উল্টো দলে ঝাঁপ মারা, তাহলেই চিরতরে বন্ধ হবে। ভোটটা টাকা কামানোর উৎসব নয়, গণতন্ত্রের উৎসব, এই শিক্ষা একমাত্র দিতে পারেন সাধারণ মানুষই।
17th  January, 2021
নন্দীগ্রাম নয়, মমতার চ্যালেঞ্জ একলপ্তে ২৯১
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

মোক্ষম জবাবটা দিয়েছেন ওমর আবদুল্লা। গত শনিবার বেহালার মুচিপাড়ায় শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরলে পশ্চিমবঙ্গটা কাশ্মীর হয়ে যাবে।’ ২০১৯ সালে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিদায় নেওয়ার পর থেকে ওমর আবদুল্লা ভালোই ভুগছেন। 
বিশদ

অর্থনীতির পাশাপাশি স্বাধীনতাও বিপন্ন
পি চিদম্বরম 

ভারতীয় অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে কি না তা একটা বিতর্কের বিষয়। চলতি অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ০.৪ শতাংশ বৃদ্ধির যে এস্টিমেট ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকস অফিস (এনএসও) দিয়েছে, সরকার সেটাকে ‘সেলিব্রেট করছে’। 
বিশদ

08th  March, 2021
বাইশে উত্তরপ্রদেশে কুড়ি
দফায় ভোট হবে তো!
হিমাংশু সিংহ 

প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতে শুরু করেছে। খেলেঙ্গে, লড়েঙ্গে, জিতেঙ্গে আবেগে ভাসছে নন্দীগ্রাম। সব পক্ষই বলছে, খেলা হবে। বাংলা ও বাঙালির ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয়ঙ্কর নির্ণায়ক খেলা। বহিরাগত শক্তি বনাম হাসিমুখে ঘরের মেয়ের লড়াই। তবে বাংলার কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে বাঁচিয়েই খেলতে হবে। তাকে আক্রান্ত করে, জখম করে নয়। 
বিশদ

07th  March, 2021
যেখানে ‘ডবল ইঞ্জিন’
সেখানেই হেরেছে বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

বিজেপির নেতাদের মুখে ‘ডবল ইঞ্জিন’-এর প্রশংসার ফুলঝুরি ফুটছে। তাঁরা বোঝাতে চাইছেন, কেন্দ্রে ও রাজ্যে একই দলের সরকার থাকলে প্রচুর উন্নতি হবে। কলকারখানা হবে। চাকরি হবে। মাস্টারমশাই, সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়বে। 
বিশদ

06th  March, 2021
বিদায় শ্রেণিসংগ্রাম, স্বাগত টুম্পা
সমৃদ্ধ দত্ত

আত্মীয় অথবা পরিবারের মধ্যে কিছু কিছু বিশেষ ব্যক্তিকে দেখা যায়, যাঁরা কোনও একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পর সেটি যে শ্রেষ্ঠ, সেকথা উচ্চৈঃস্বরে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। অন্যদের মতামত অথবা মৃদু বিরোধিতাকে পাত্তা দেন না তাঁরা। কিন্তু পরে যখন প্রমাণ হয় যে, ওই সিদ্ধান্ত শুধু যে ভুল ছিল তা‌ই নয়, গোটা পরিবারের পক্ষেও ক্ষতিকর হয়ে গিয়েছে, তখনই বিড়ম্বনার সৃষ্টি। 
বিশদ

05th  March, 2021
নদীবাঁধ রক্ষাই সুন্দরবনের অস্তিত্বের প্রধান শর্ত
কান্তি গাঙ্গুলী

প্রাচীন ইতিহাসে টলেমি ও মেগাস্থিনিসের বিবরণে গঙ্গারিডি বলে যে ভূখণ্ডের উল্লেখ পাওয়া যায়, আজকের সুন্দরবন ও তৎসংলগ্ন নিম্নগাঙ্গেয় উপত্যকা সম্ভবত সেই ভূখণ্ডই। কলকাতার এন্টালি অঞ্চলটির নামকরণের পিছনে হেঁতাল গাছের প্রভূত উপস্থিতির কারণও হয়তো বিদ্যমান।  
বিশদ

04th  March, 2021
গোল্লায় যাবে শিল্প-সংস্কৃতি
ব্রাত্য বসু 

বাংলা ও তার সংস্কৃতি বাঁচাতে গেলে বহিরাগত এই বিজেপি রাজনীতিকে ঠেকাতেই হবে। বিজেপি কখনও বাংলায় এসে রবীন্দ্রনাথের জন্মস্থান বদলে দিচ্ছে, কখনও বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙে তছনছ করছে, কখনও চৈতন্যদেবের মৃত্যুর অন্তত দুশো বছর পরে তাঁকে কাটোয়ায় জীবিত করে তুলছে, কখনও আবার বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষণে ঔপন্যাসিক না লিখে বলছে ‘উপনিবেশিক’। 
বিশদ

04th  March, 2021
মোদির সব প্রতিশ্রুতি যেন গল্পদাদুর আসর
সন্দীপন বিশ্বাস 

হঠাৎই জহর রায়ের একটি কৌতুক নকশা মনে পড়ল। এক ভদ্রলোক একটি ঘর ভাড়া নিতে গিয়েছেন। ঘর দেখে পছন্দও হয়েছে। দু’টি ঘর, রান্নাঘর, সঙ্গে আলাদা বাথরুম। কিন্তু ভাড়া শুনে ভদ্রলোকের মাথার চুল খাড়া হয়ে গেল। ভাড়া ৫০০ টাকা।  
বিশদ

03rd  March, 2021
৮ দফার পর নিশ্চয়ই রিগিংয়ের
অভিযোগ উঠবে না!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সেশন সাহেব, বড্ড মিস করছি আপনাকে। আপনি বলতেন, ‘গণতন্ত্র হল এমন একটা ব্যবস্থা, যেখানে আইনের শাসন সবার জন্য সমানভাবে বলবৎ থাকবে।’ সব মানুষের জন্য। সব রাজনৈতিক দলের জন্য। আপনি প্রমাণ করেছেন, এটা ছেলে ভুলানো গল্প নয়।  
বিশদ

02nd  March, 2021
আদালতগুলি স্বাধীনতার ঘণ্টাধ্বনি দিচ্ছে
পি চিদম্বরম

ঠিক যখন আমরা আশা ছেড়ে দিচ্ছি, তখনই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে ব্যক্তি স্বাধীনতার বর্মটা হারিয়ে যায়নি। আমেরিকার স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কিত স্বাক্ষর হয়েছিল ১৭৭৬-এর ৪ জুলাই। 
বিশদ

01st  March, 2021
কে প্রধান শত্রু, আজ ব্রিগেডে
পরিষ্কার করুক সিপিএম 
হিমাংশু সিংহ

প্রয়াত সলিল চৌধুরী আজ বেঁচে থাকলে ‘টুম্পা সোনা’ শুনে কী বলতেন জানি না। তবে তাঁর ‘ও আলোর পথযাত্রী’ কিংবা ‘ঢেউ উঠছে কারা টুটছে’ যে এত তাড়াতাড়ি ব্রাত্য হয়ে যাবে কে ভেবেছিল! অভাবে স্বভাব নষ্ট আর দুর্দিনে চরিত্র। তাই আর ঘোমটার তলায় খ্যামটা নাচ নয়। 
বিশদ

28th  February, 2021
মমতাকে ঠেকাতে শেষে ‘রামধনু’ জোট
তন্ময় মল্লিক

‘এই বাংলা যতটা আব্বাস সিদ্দিকির ততটাই দিলীপ ঘোষের। দক্ষিণ ভারত থেকে এসেছেন ওয়াইসি, তাঁরও ততটাই অধিকার।’এখানে শেষ হলে মনে হতো, এটি কোনও ধর্মনিরপেক্ষ মানুষের বক্তব্য। উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়েছে এর পরের কথায়, ‘ওয়াইসি এসে এখানে মিম তৈরি করলে দিদিমণির টেনশন হচ্ছে কেন? 
বিশদ

27th  February, 2021
একনজরে
নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে প্রথম লেগে শেষপর্বে গোল হজম করেছিল এটিকে মোহন বাগান। রক্ষণের সেই ভুল কিছুতেই মানতে পারছেন না কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। শেষ ...

শীপুর কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন কমলাকান্ত হাঁসদা। সোমবার এই ঘোষণা করেছে বিজেপি। কাশীপুর কেন্দ্রে ভোট রয়েছে প্রথম দফাতেই। শনিবার রাজ্যের প্রথম দুই দফার ভোটের ৫৭টি আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছিল বিজেপি।  ...

সম্প্রতি চাকুলিয়া ও ডালখোলায় তৃণমূলের অন্দরের কোন্দল সামনে এসেছিল। কিন্তু ভোটের মুখে সেই দলীয় অসন্তোষ যাতে সামনে না আসে, সেজন্য তৎপর হয়েছেন দলের উত্তর দিনাজপুর জেলার সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল। ...

কেন্দ্রের পেট্রল-ডিজেল-রান্নার গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সরব হয়েছে গোটা বাংলা। সেই পথেই সোমবার গাড়ি ছেড়ে সাইকেলে অভিনব প্রচার শুরু করলেন ময়ূরেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সফলতা আসবে। সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে মানসিক অস্থিরতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৫৪: আমেরিগেডস পুচির (তাঁর নামানুসারে আমেরিকার নাম করন হয়) জন্ম
১৮৫৮: দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফারি রেঙ্গুনে নির্বাসিত
১৯৩৪: মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিনের জন্ম
১৯৫১: তবলাবাদক জাকির হুসেনের জন্ম
১৯৫৯: নিউ ইয়র্কে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল টয় ফেয়ারে আত্মপ্রকাশ করল বার্বি ডল
১৯৬১: মহাকাশ যান স্ফুটনিক ৯-এর সফল উৎক্ষেপণ
২০১২: বলিউড অভিনেতা ও পরিচালক জয় মুখার্জির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৩৯ টাকা ৭৪.১০ টাকা
পাউন্ড ৯৯.৪৩ টাকা ১০২.৯২ টাকা
ইউরো ৮৫.৬০ টাকা ৮৮.৭৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৫, ১৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪২, ৮৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৩, ৫০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬, ১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬, ২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৫ ফাল্গুন, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ৯ মার্চ ২০২১। একাদশী ২২/৪৯ দিবা ৩/৩। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র ৩৬/৫৬ রাত্রি ৮/৪১। সূর্যোদয় ৫/৫৫/১, সূর্যাস্ত ৫/৩৯/৪৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/১৫ গতে ১০/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৭ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/১৯ গতে ৪/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/২৯ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৫ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ১/৪৮ গতে ৩/২৫ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৩ গতে ৮/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/১৫ গতে ২/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/১০ গতে ৮/৪৩ মধ্যে।  
২৪ ফাল্গুন ১৪২৭, মঙ্গলবার, ৯ মার্চ ২০২১। একাদশী অপরাহ্ন ৪/১৫। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র রাত্রি ৯/৫৪। সূর্যোদয় ৫/৫৭, সূর্যাস্ত ৫/৩৯। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩ গতে ১০/২৮ মধ্যে ও ১২/৫৪ গতে ২/৩১ মধ্যে ও ৩/১৯ গতে ৪/৫৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩২ মধ্যে ও ৮/৫৫ গতে ১১/১৭ মধ্যে ও ১/৪০ গতে ৩/১৫ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৫ গতে ৮/৫৩ মধ্যে ও ১/১৬ গতে ২/৪৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৪৪ মধ্যে।  
২৪ রজব। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল : টাইব্রেকারে ম্যাচ জিতে ফাইনালে মুম্বই সিটি এফসি
 

08-03-2021 - 10:36:07 PM

আইএসএলের দ্বিতীয় পর্বের সেমিফাইনাল গড়াল অতিরিক্ত সময়ে
 

08-03-2021 - 09:38:35 PM

ফের কলকাতা মেট্রোতে চালু হচ্ছে টোকেন ব্যবস্থা
ফের আগামী ১৫ মার্চ থেকে কলকাতা মেট্রোতে চালু হচ্ছে টোকেন ...বিশদ

08-03-2021 - 09:05:49 PM

আইএসএল: মুম্বই সিটি ০ – গোয়া ০ (হাফটাইম) 

08-03-2021 - 08:26:33 PM

কাশীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী কমলাকান্ত হাঁসদা  

08-03-2021 - 07:57:48 PM

স্ট্যান্ড রোড সংলগ্ন বহুতলে আগুন
স্ট্যান্ড রোডে রেলের একটি ভবনে আগুন। জানা গিয়েছে, ওই বহুতলটির ...বিশদ

08-03-2021 - 06:58:00 PM