Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

এই রাজ্যে মেয়েদের
ভোট ভাগ করা যাবে না
সন্দীপন বিশ্বাস

নরেন্দ্র মোদির প্রিয়তম বন্ধু সম্প্রতি যে কাণ্ডটি ঘটালেন, তাতে সারা বিশ্ব হতবাক। বন্ধুবর বুঝিয়ে দিয়েছেন, গণতন্ত্রের কোনও ধার তিনি ধারেন না। আমাদের ছোটবেলায় পাড়ায় ক্রিকেট খেলায় যেমন আউট হয়ে গায়ের জোর দেখিয়ে বলতাম, ‘আমি আউট হইনি, আবার ব্যাট করব।’ মোদিজির সেই বন্ধুও তেমন হেরে গিয়ে বলেছেন, ‘আমি হারিনি। আমিই ক্ষমতায় থাকব।’ সেই ভাবনা থেকেই তিনি দলের দাঙ্গাবাজ সমর্থকদের লেলিয়ে দিয়ে আমেরিকার ক্ষমতা দখলে রাখতে চেয়েছিলেন। মোদিজির সেই গুণধর বন্ধু ট্রাম্প সাহেব তাঁর মন ও মানসিকতার অন্ধকার দিকটিকে সকলের সামনে মেলে ধরলেন। চার বছর ধরে ট্রাম্প গণতন্ত্রের কথা বলে এখন হেরে গিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে গেলেন, তিনি কতটা গণতন্ত্রের অনুগামী! আমেরিকা আজ বুঝেছে, কাকে তাঁরা গদিতে বসিয়েছিলেন। ভারত সবে বুঝতে শিখছে, কাকে তাঁরা মসনদে বসিয়েছেন।
ট্রাম্প সাহেবের মতো মোদিজিও সারাক্ষণ গণতন্ত্রের কথা বলেন, কিন্তু মানেন কতটুকু? যদি মানতেন, তবে দেশের মানুষের আজ এই দুর্দশা হতো না। তবে সবকিছু যে তিনি তালি মেরে উড়িয়ে দিতে পারবেন না, তা বুঝিয়ে দিয়েছে দেশের কৃষক আন্দোলন। কৃষকদের আন্দোলনে শামিল ট্রাক্টরের চাকায় ধূলিসাৎ মোদিজির সম্ভ্রম। কিছুতেই তিনি কৃষকদের কিনে ফেলতে পারছেন না। কৃষকরা আর যাই হোন, এদেশের রাজনৈতিক নেতা নন। যাঁদের অনেককেই কথায় কথায় কিনে নেওয়া যায়। সম্মানের প্রশ্নটিকে বড় না করে মোদিজি যদি কৃষকদের দাবি মেনে নেন, তবে দেশের মঙ্গল, দশের মানুষের মঙ্গল, কৃষকদের মঙ্গল, তাঁর পার্টিরও মঙ্গল। সেক্ষেত্রে মোদিজির কর্পোরেট এবং শিল্পপতি বন্ধুরা অবশ্য চটে যাবেন। তাঁদের ছক বানচাল হলে পার্টি ফান্ডে টাকা আসার স্রোত কমে যাবে, পিএম কেয়ার্স ফান্ডের মতো রহস্যজনক ফান্ডেও আমদানি কমে যাবে। সুতরাং তাঁর কাছে এখন অন্নদাতাদের সমস্যা তেমন ধর্তব্যের বিষয় নয়। তার থেকে বড় চ্যালেঞ্জ পশ্চিমবঙ্গে কীভাবে মমতাকে কায়দা করে হারিয়ে রাজ্যটাকে দখল করা যায়। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা দখলের বাসনার মধ্যে অন্যায় কিছু নেই। যে কোনও দলই ক্ষমতা চায়। কিন্তু প্রশ্নটা অন্যত্র। বিজেপি এরাজ্যের তৃণমূল, সিপিএম বা কংগ্রেসের মতো একেবারেই নয়। তাদের সংস্কৃতির সঙ্গে বাংলার সংস্কৃতি মেলে না। মেলে না তার কারণ এখানে বিজেপি ভুঁইফোড়। বাংলার জল-মাটির সঙ্গে এই বিজেপি বেড়ে ওঠেনি। এই বিজেপি বাংলায় নতুন আমদানি। বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল, এসবের সঙ্গে বিজেপির ডিএনএ মেলে না।
বিজেপি ভোটের ময়দানে নেমেই বিভেদের উপর জোর দিয়েছে। হিন্দু-মুসলমান, বাঙালি-অবাঙালি বিভেদে কীভাবে ভোটবাক্সে ফায়দা তোলা যায়, তার নকশা তৈরি হচ্ছে। এই রাজ্যের কয়েকটি স্টেশনে টিকিট কাটতে গিয়ে বাংলায় কথা বলে টিকিট চাইলে কাউন্টারে বসা অবাঙালি কর্মী ‘বাংলাদেশি’ বলে বিদ্রুপ করছে। এটা ওই কর্মীর দোষ নয়। আসলে তার মনের মধ্যে বিভেদের ওই বিষ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। যেটা আগে ছিল না। অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন কি তবে একদিন মিথ্যে হয়ে যাবে? ভারত কি তবে শুধুই হিন্দুদের? আর কারও নয়? বিজেপি জানে, পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা দখল করতে না পারলে তাদের সিএএ-এনআরসি সব ব্যর্থ হয়ে যাবে। সারা দেশে একজন ব্যক্তিত্বই তাঁদের সব ভুলভাল কাজকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে লড়াই জারি রাখতে পারেন। তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির কাছে মমতা নামটাই জুজুর মতো। তাই যে কোনও প্রকারে তাঁকে সরাতে পারলেই অর্ধেক যুদ্ধজয় হয়ে যাবে বলে মনে করছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গে জয় পেলেই তারা ভীমরবে নেমে পড়বে নাগরিকত্ব আইন নিয়ে। তখন কি তবে বাঙালিদের ধরে ধরে ‘বাংলাদেশি’ ছাপ্পা মারা হবে? ভবিতব্যই জানে। তবে শেষ চেষ্টা হয়তো বিজেপির সফল হবে না। মানুষ অনেক সচেতন। ঘরপোড়া গোরু গেরুয়া মেঘ দেখলে ভয় পায়।
তাই মনে হয়,ধর্ম  বা সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে কোনও রাজনৈতিক মেরুকরণ এবার হবে না। অনেকেই ধর্মের ভিত্তিতে, সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে ভোট করতে চাইছেন। বিজেপি এব্যাপারে জোড়া ফলা নিয়ে মমতার বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাচ্ছে। এক ফলা তার আরএসএসের হিন্দুপ্রীতি। যে শক্তির বলে তারা হিন্দু ভোটারদের আবেগকে সম্বল করে ভোটবাক্সে ঝড় তুলতে চাইছে। আর একটি ফলা হল আসাদউদ্দিন ওয়াইসির মিম। মিমের মতো কাগুজে বাঘকে হেভি পাম্প দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে নামিয়েছে বিজেপি। তবে আসরে নেমেই মিম বুঝেছে, হায়দরাবাদ, বিহার কিংবা উত্তরপ্রদেশের মুসলিমদের সঙ্গে এ রাজ্যের মুসলিমদের ফারাক আছে। এরাজ্যের মুসলিম সম্প্রদায় বিশেষ করে বাঙালি মুসলিমরা অনেক বেশি শিক্ষিত, আধুনিকমনস্ক এবং সচেতন। পরের মুখে ঝাল খেয়ে তাঁরা রাতারাতি ভোলবদল করবেন না। মমতার রাজত্বে এখানে তাঁরা শান্তির বাতাবরণে বাস করছেন, অর্থাৎ সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের পরিবেশ এখানে কিন্তু কখনও গড়ে ওঠেনি। এই রাজ্যের মুসলিমদের অনেকের সঙ্গেই কথা বলে দেখেছি, তাঁরা কেউ চান না, এই রাজ্যে গোধরার মতো একটা কাণ্ড হোক।
বিজেপি এখানে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্য যত মমতাকে আক্রমণ করবে, ততই মানুষ মমতার পাশে গিয়ে দাঁড়াবেন। কেননা মানুষ বুঝেছেন, মমতা মানে ভরসার একটা আশ্রয়। একবার ভাবুন তো! লকডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। কলকারখানা সব বন্ধ। মোদি সরকার থালা-বাটি বাজিয়ে ঘরে ঢুকে গেল। বাংলার ঘরে ঘরে দরিদ্র মানুষের হাহাকার। ঘরের লক্ষ্মী যিনি, তিনি জানেন না, কী খেতে দেবেন ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের, তাঁর স্বামীকে। ঘরের মেয়েরাই জানে, একমুঠো চাল ঘরে না থাকলে কী তার যন্ত্রণা। সেই সময় রাজ্য সরকারের বিনামূল্যে চাল মানুষকে অনাহারে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাল। সেই সঙ্গে জুটল ছেলেমেয়ের স্কুল থেকে পাওয়া আলু, ডাল, ছোলা, সাবান, স্যানিটাইজার, মাস্ক। 
লকডাউনে ভিন রাজ্যে আটকে পড়েছিলেন এ রাজ্যের বহু শ্রমিক। শত শত মাইল হেঁটে তাঁরা বাড়ি ফিরেছেন। অনেকে পথেই মারা গিয়েছেন। তাতেও লজ্জা কিংবা অনুশোচনায় কেঁপে ওঠেনি মোদিজির ৫৬ ইঞ্চি বুকের ছাতি। মমতা সেই সময় বহু শ্রমিককে ভিন রাজ্য থেকে আনার ব্যবস্থা করে তাঁদের ঘরে ফিরিয়ে দিয়েছেন। মায়ের কোলে সন্তান, স্ত্রীর কাছে স্বামী, সন্তানদের কাছে বাবাকে ফিরিয়ে দিয়েছেন মমতা। সেই পরিযায়ী শ্রমিকদের রোজগারের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। জব কার্ড দিয়ে, ব্যবসার জন্য ঋণ দিয়ে তাঁদের থিতু করার চেষ্টা করেছেন। মনে হতে পারে সেটা হয়তো বিরাট কিছু নয়। কিন্তু তৃষ্ণার্ত মানুষের কাছে এক আঁচলা জলও জীবন সমান। 
পাশাপাশি ঘরের মেয়েদের তিনি টেনে নিয়ে এসেছেন কাজের আঙিনায়। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে মেয়েদের হাতের কাজ বহু পরিবারকে বাঁচিয়েছে। মাস্ক, স্যানিটাইজার বানিয়ে সেই সময় মাসের শেষে পাঁচ-ছশো টাকা হাতে পাওয়াও যেন এক মুঠো জীবনদায়ী অক্সিজেনের মতো। উঁচু মসনদে বসে যদি নিচুতলার মানুষের কথা ভাবা না যায়, তবে দূরত্ব তৈরি হয়। সেই দূরত্ব বিপন্ন সময়ে মমতা হতে দেননি। মেয়েদের হাঁস-মুরগি পালনের মধ্য দিয়ে, ফলের বাগান তৈরির মধ্য দিয়ে, পুকুরে মাছ চাষ করার মধ্য দিয়ে তিনি চেষ্টা করেছিলেন মানুষের হাতে নগদ পয়সা পৌঁছে দিতে। ক্রয় বিক্রয়ের মধ্য দিয়ে অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে না পারলে ভরাডুবি হবেই। সেই অবস্থা হয়েছে দেশের অর্থনীতির। জিডিপির গঙ্গাযাত্রা করে ছেড়েছে মোদি সরকার।
উম-পুনের বিপদের সময় ঝাঁপিয়ে পড়ে মানুষকে সাহায্য করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এটা অস্বীকার করার জায়গা নেই যে, দুর্নীতি হয়েছে। অনেক নেতাই উম-পুনের বা অন্যান্য টাকা থেকে কাটমানি খেয়েছেন। এঁদের মধ্যে অনেকেই আবার ‘চোর চোর’ আওয়াজ তুলে দৌড়ে গেরুয়া শিবিরে ঢুকে পড়েছেন। এখন ইমান-ধর্ম, কৃতজ্ঞতা ভুলে মমতাকে তেড়ে গালাগাল করছেন। অনেক আদি বিজেপি নেতার থেকে এঁরা বেশি গালাগাল করে বিজেপির প্রতি তাঁদের বিশুদ্ধ আনুগত্য প্রমাণ করতে উঠেপড়ে লেগেছেন। টিকিট চাই গো টিকিট! মমতাকে পেড়ে ফেলতে না পারলে যে গেরুয়া দল টিকিট দেবে না। এও এক দাসকৃত্য।
কিন্তু বহু রাজনৈতিক নেতা যেমন অকৃতজ্ঞ, সাধারণ মানুষ তেমন নন। তাই কৃতজ্ঞ মানুষ, বিশেষ করে এরাজ্যের মেয়েরা এবার ঢেলে ভোট দেবেন মমতাকে। বেশ কয়েকটি জেলায় বিভিন্ন জনের সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে, এ রাজ্যের মেয়েদের একটাই প্রতীক। এই রাজ্যের মেয়েদের সামনে একটা মুখ, সেই মুখ মমতার। তাই বলাই যায়, এবার ধর্ম,সম্প্রদায় বা ভাষাভাষীর ভিত্তিতে যতই ভোট ভাগের চেষ্টা হোক না কেন, মেয়েদের ভোট মমতার পক্ষেই। 
13th  January, 2021
মমতাকে ঠেকাতে শেষে ‘রামধনু’ জোট
তন্ময় মল্লিক

‘এই বাংলা যতটা আব্বাস সিদ্দিকির ততটাই দিলীপ ঘোষের। দক্ষিণ ভারত থেকে এসেছেন ওয়াইসি, তাঁরও ততটাই অধিকার।’এখানে শেষ হলে মনে হতো, এটি কোনও ধর্মনিরপেক্ষ মানুষের বক্তব্য। উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়েছে এর পরের কথায়, ‘ওয়াইসি এসে এখানে মিম তৈরি করলে দিদিমণির টেনশন হচ্ছে কেন? 
বিশদ

বাংলা নয়, আগে যোগী-রাজ্য নিয়ে কথা বলুন
মৃণালকান্তি দাস

‘ঠোক দিয়ে যায়েঙ্গে’! এটাই নাকি উত্তরপ্রদেশ থুড়ি উত্তমপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মন্ত্র। যোগী নিজের রাজ্যকে ‘উত্তমপ্রদেশ’ বলতেই ভালোবাসেন। তিনি স্বপ্ন ফেরি করেন, এই রাজ্য নাকি সবেতেই ‘উত্তম’। কেমন সেই রাজ্য? 
বিশদ

26th  February, 2021
কর্পোরেট তোষণের ফলেই তেল অগ্নিমূল্য
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় 

সরকার যদি নিজেই দাম বাড়ায়, তাহলে পেট্রল ডিজেলের দাম কমবে কী করে? জ্বালানির দাম নিত্য বাড়ছে। স্বাধীন ভারতে এটা রেকর্ড যে পরপর নয়দিন দাম বাড়ল। গত দেড় মাসে ২১ বার দাম বাড়ল পেট্রল ও ডিজেলের, এবং একমাসের মধ্যে দু’বার গ্যাসের 
বিশদ

25th  February, 2021
ঘরের মেয়েই সেরা বাজি
হারাধন চৌধুরী 

নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, জগৎপ্রকাশ নাড্ডা প্রমুখ যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বহিরাগত’ তত্ত্ব খারিজ করার দাবি করেন, তখন ছোটবেলায় পড়া একটি কথা মাথায় খুব ঘুর ঘুর করে। একবার মাঘোৎসবে চুঁচুড়ায় রবীন্দ্রনাথ তাঁর পিতার সামনে ‘নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে, রয়েছ নয়নে নয়নে’ গানটি গেয়েছিলেন। 
বিশদ

24th  February, 2021
পেট্রল-ডিজেল-গ্যাস এবং পরিবর্তনের ডাক
শান্তনু দত্তগুপ্ত

পরিবর্তন সব সময় ভালো হবেই, এমনটা কিন্তু নয়। ধূর্জটিবাবু বলতেন, ‘আমাদের রামায়ণ-মহাভারতই দেখুন না। বলছে ইতিহাস, কিন্তু আসলে আজগুবি গপ্পোর ডিপো। রাবণের দশটা মাথা, হনুমান ল্যাজে আগুন দিয়ে লঙ্কা পুড়োচ্ছে, ভীমের অ্যাপিটাইট, ঘটোৎকচ, হিড়িম্বা, পুষ্পক রথ, কুম্ভকর্ণ—এগুলোর চেয়ে বেশি ননসেন্স আর কী আছে?’  
বিশদ

23rd  February, 2021
সংখ্যা মিথ্যে বলে না 
পি চিদম্বরম

১২ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভায় এবং ১৩ ফেব্রুয়ারি লোকসভায়, অর্থমন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারামন যে বাজেট ভাষণ দিয়েছিলেন সেটি ছিল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রবণ। লোকসভায় তিনি আক্রমণাত্মক না-হয়ে এক ডজন বার আমার আগের দিনের বক্তব্যের উল্লেখ করেন, যেটা আমার কাছে সংসদীয় বিতর্কের চাপানউতোর বলে মনে হয়েছে। 
বিশদ

22nd  February, 2021
মাতৃভাষার ব্যবহার ভারতের
বৈচিত্র্যকে শক্তিশালী করবে
এম বেঙ্কাইয়া নাইডু 

আমাদের প্রাচীন ভূমি চিরকাল ভাষাগত এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের আধার। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ভারত বহু শত ভাষা এবং উপভাষার সহাবস্থানের সাক্ষী, যা আমাদের বর্ণময় সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রাণপ্রাচুর্য ও সজীবতা জুগিয়েছে।  
বিশদ

21st  February, 2021
সোনার ত্রিপুরা হয়নি,
আবার সোনার বাংলা!
হিমাংশু সিংহ 

বিখ্যাত কবি সুনীল গাঙ্গুলির কথা খুব মনে পড়ছে। এই বাংলায় দোকানে, অফিসে সাইনবোর্ড কেন মাতৃভাষা ছাড়া ভিনদেশি ভাষায় লেখা হবে তার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছিলেন। ঘুরে ঘুরে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাড়াতে সচেতনতা তৈরির আপ্রাণ চেষ্টাও করেছিলেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত। 
বিশদ

21st  February, 2021
জনগণের দমবন্ধ হলেও জাগে না যাঁদের অন্তরাত্মা 
তন্ময় মল্লিক

যাঁরা নিজেদের ‘দমবন্ধ’ হওয়ার কথা বলে বিজেপিতে যাচ্ছেন, তাঁরা কি বুঝতে পারছেন না, গোটা দেশের মানুষের দমবন্ধ হয়ে আসছে। মূল্যবৃদ্ধি কাকে বলে, মানুষ হাড়ে হাড়ে বুঝছে। তাই নেতাদের নয়, জনগণের ‘দমবন্ধ’ হওয়ার অবস্থা। সেদিক থেকে নজর ঘোরাতেই কি একযোগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ‘দমবন্ধ’ হওয়ার অভিযোগ? বিশদ

20th  February, 2021
বাঙালির ধর্ম ও সংস্কৃতিতে
রাজনীতির প্রয়োজন নেই
সমৃদ্ধ দত্ত

বাঙালি জাতির ধর্ম ও সংস্কৃতির কোনও সাজেশন পেপার হয় না! ওটা দীর্ঘ ইতিহাসের এক অন্তহীন রচনাসমগ্র! তাই রাজনীতিতে কোনও জাতির আবেগকে ব্যবহার না করাই ভালো! বাঙালির ধর্ম ও সংস্কৃতির ভবিষ্যৎ বাঙালি জাতিই স্থির করবে। মনীষীরা আছেন পথ দেখাতে। নতুন রাজনৈতিক অভিভাবকের প্রয়োজন নেই।
বিশদ

19th  February, 2021
বিজেপিতে গিয়ে খুব সুবিধা হবে না
সৌগত রায়

আদবানি-বাজপেয়ির দল দাবি করত, দেশের অনান্য রাজনৈতিক দলের মতো টাকার থলির রাজনীতি তারা করে না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে মোদি-শাহের জমানায় বিজেপি একটা মানি ব্যাগের পার্টি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশদ

18th  February, 2021
সবা‌ইকে কাছে টানাই
তৃণমূলের মাস্টারস্ট্রোক
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী 

২০২১ সালের নির্বাচনে কঠিন লড়াইয়ে নেমে তৃণমূল কংগ্রেস আবার নতুন করে সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠী, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং বামপন্থী দলগুলিকে কাছে পেতে উদ্যোগী হয়েছে। বিশদ

18th  February, 2021
একনজরে
শয্যা সংখ্যা বাড়াতে নতুন ভবনের কাজ শুরু হল হরিপাল হাসপাতালে। আনুমানিক খরচ ৩৫ কোটি টাকা। হরিপাল গ্রামীণ হাসপাতালের বর্তমান শয্যা সংখ্যা ৩০। তা বাড়িয়ে ১০০টি ...

পিচ নিয়ে অভিযোগ-অনুযোগ ঘুরপাক খাচ্ছে ইংল্যান্ডের ক্রিকেটমহলে। তবে জো রুটদের পিঠ বাঁচানোর জন্য তা যথেষ্ট নয়। উপ-মহাদেশের পরিবেশ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেও নিজেদের দলের এমন হতশ্রী পারফরম্যান্স মেনে নিতে পারছেন না জেফ্রি বয়কট, নাসের হুসেন, মাইকেল ভনের মতো প্রাক্তন ইংরেজ ...

সখ ছিল ইসলামিক স্টেট জঙ্গি সংগঠনে যোগ দিয়ে বিদ্রোহী হবেন। সেই লক্ষ্য নিয়েই কিশোরী বয়সে ব্রিটেন ছেড়ে সিরিয়ায় পালিয়ে গিয়েছিলেন শামিমা বেগম। কিন্তু আইএসে যোগ দেওয়ার পর ভুল বুঝতে পারেন।  ...

করোনার জেরে বর্ধমান জেলা ক্রীড়া সংস্থা আয়োজিত খেলা এখনও চালু হয়নি। তবে মাস দুয়েক ধরে জেলার গ্রামীণ এলাকায় ফুটবল, ক্রিকেটের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। কিন্তু, ক্রীড়া সংস্থার প্রতিযোগিতা নিয়ে ক্রীড়া প্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে ছিল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কোনও কিছুতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভাববেন। শত্রুতার অবসান হবে। গুরুজনদের কথা মানা দরকার। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুফল ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০২- ফরাসি লেখক ভিক্টর হুগোর জন্ম
১৯০৮- লেখিকা লীলা মজুমদারের জন্ম
১৯৩১- স্বাধীনতা সংগ্রামী চন্দ্রশেখর আজাদের মৃত্যু
১৯৩৬- চিত্র পরিচালক মনমোহন দেশাইয়ের জন্ম
২০১২- কিংবদন্তি ফুটবলার শৈলেন মান্নার মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৭৯ টাকা ৭৪.৫০ টাকা
পাউন্ড ১০০.৮৫ টাকা ১০৪.৩৪ টাকা
ইউরো ৮৭.৬৮ টাকা ৯০.৮৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৭,২৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৪,৮৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৫,৫০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৯,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৯,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৫ ফাল্গুন ১৪২৭, শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১। পূর্ণিমা ১৯/১৯ দিবা ১/৪৭। মঘা নক্ষত্র ১৩/৬ দিবা ১১/১৮। সূর্যোদয় ৬/৩/৩৯, সূর্যাস্ত ৫/৩৫/২১। অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৬ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/৩ গতে ১০/৩৪ মধ্যে পুনঃ ১২/১৫ গতে ১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ২/৪৫ গতে ৪/২৪ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ১/১৬ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৪/৮ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৯ মধ্যে পুনঃ ৪/২৯ গতে উদয়াবধি।  
১৪ ফাল্গুন ১৪২৭, শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১। পূর্ণিমা দিবা ২/১১। মঘা নক্ষত্র দিবা ১১/৫২। সূর্যোদয় ৬/৬, সূর্যাস্ত ৫/৩৫। অমৃতযোগ দিবা ৯/৪৯ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৬ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১১ গতে ১/৪৯ মধ্যে ও ২/৩৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩২ মধ্যে ও ১/১৬ গতে ২/৪২ মধ্যে ও ৪/৯ গতে ৫/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৯ মধ্যে ও ৪/৩২ গতে ৬/৫ মধ্যে।  
১৪ রজব। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: ইস্ট বেঙ্গলকে ৬-৫ গোলে হারাল ওড়িশা এফসি 

09:33:05 PM

আইএসএল: ওড়িশা ৬-ইস্ট বেঙ্গল ৪ (৭৬ মিনিট) 

09:12:26 PM

আইএসএল: ওড়িশা ৪-ইস্ট বেঙ্গল ৩ (৬৫ মিনিট) 

09:01:02 PM

আইএসএল: ওড়িশা ৩-ইস্ট বেঙ্গল ৩ (৫৯ মিনিট) 

08:54:54 PM

আইএসএল: ওড়িশা ৩-ইস্ট বেঙ্গল ২ (৫১ মিনিট) 

08:47:54 PM

আইএসএল: ওড়িশা ১-ইস্ট বেঙ্গল ২ (হাফটাইম) 

08:33:00 PM