Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

শিকড় গভীরে গেলে ঝড়েও
গাছ দাঁড়িয়ে থাকে 
তন্ময় মল্লিক

নরেন্দ্র মোদি বিজেপির শিবরাত্রির সলতে হয়ে দাঁড়িয়েছেন। লোকসভা থেকে বিধানসভা তাঁকে সামনে রেখেই নির্বাচন লড়ছে গেরুয়া শিবির। তাতেই স্পষ্ট, বিজেপির মুখের অভাব। নির্বাচন এগিয়ে আসতেই বিজেপি শাসিত রাজ্যের ভোট কুশলীদের বাংলায় আমদানির প্রবণতা বাড়ছে। কারণ দিল্লির নেতারা বুঝেছেন, নেতৃত্বের সঙ্কট বিজেপির বঙ্গজয়ের পথে প্রধান অন্তরায়। তাই নড়বড়ে সংগঠনকে ঠেকনা দিয়ে সোজা করার মরিয়া চেষ্টা ‘বহিরাগত’রা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে, এত অল্প সময়ে সেটা সম্ভব নয় বুঝে ‘সংগঠক’ জোগাড়ের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে ‘আত্মনির্ভরতা’র স্লোগানে উদ্বুদ্ধ বিজেপি।
পশ্চিমবঙ্গকে অনেকে ভারতীয় জনতা পার্টির পিতৃভূমি বলে মানেন। ১৯৫১ সালে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের হাতে জন্ম নিয়েছিল ভারতীয় জনসঙ্ঘ। ১৯৭৭ সালে জনসঙ্ঘ সহ কয়েকটি দল মিশে হয়েছিল জনতা পার্টি। উদ্দেশ্য ছিল, জরুরি অবস্থা ইস্যুতে ইন্দিরা সরকারের পতন ঘটানো। সাফল্যও এসেছিল। দেশে গঠিত হয়েছিল জনতা সরকার। কিন্তু, মিলিজুলির সরকার তিন বছরও টেকেনি। ১৯৮০ সালে জনসঙ্ঘের প্রাক্তনীদের হাত ধরে বিজেপির জন্ম। ’৮৪ সালে মাত্র দু’জন সদস্যকে নিয়ে লোকসভায় পা রাখা দলটি এই মুহূর্তে জাতীয় রাজনীতিতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গ অধরা থেকে গিয়েছে। পাহাড়প্রমাণ নির্বাচনী সাফল্য সত্ত্বেও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাংলাকে কব্জা করতে না পারার যন্ত্রণা বিজেপি নেতাদের বুকে অহরহ শেলের মতো বেঁধে। তাই বঙ্গজয় নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহদের কাছে এখন ‘স্বপ্ন পূরণের অঙ্গীকার’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই কারণে বঙ্গে বিজেপির লড়াই এবার আক্ষরিক অর্থেই ‘অলআউট’।
’৯৬ সালে ১৩দিন, ’৯৮ সালে এক বছর এবং ’৯৯ সালে পাঁচ বছর দেশ শাসন করলেও বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে অচ্ছুৎ থেকে গিয়েছে। ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল সাফল্যের পরেও। কারণ রবীন্দ্রনাথ-নজরুলের বাংলা বরাবর সম্প্রীতিকে আঁকড়ে ধরেছে। ২০১৬ সালে নির্বাচনের মুখে নারদার ভিডিও দেখিয়েও বিজেপি এরাজ্যে কল্কে পায়নি। সিপিএম-কংগ্রেস জোট হয়েছিল প্রধান বিরোধী। তবে তখনই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, ৩৪ বছরের শাসকের জমা মেদ ঝরানো শুধু কষ্টসাধ্য নয়, সময় সাপেক্ষও। তাই তৃণমূল মোকাবিলায় সিপিএমকে ছেড়ে বিজেপিকে বেছে নিয়েছেন শাসক বিরোধীরা। একপ্রকার বাধ্য হয়ে। তৃণমূলের ‘অ্যান্টি এস্টাবলিসমেন্ট ভোট’ আর সিপিএম নেতৃত্বের প্রতি অনাস্থার যোগফলে বিজেপি আজ এরাজ্যের প্রধান বিরোধী। লোকসভা ভোটে সাফল্যের দৌলতে বিজেপি এরাজ্যে দ্বিতীয় শক্তি হলেও সাংগঠনিক দুর্বলতা রয়েছে পুরোমাত্রায়।
সংগঠক রাজনৈতিক দলের পিলার। বাড়ি মজবুত হয় পিলারের জোরে। সংগঠকের জোরে শক্তপোক্ত হয় দল। বঙ্গ বিজেপিতে সেই সংগঠকের ভীষণ অভাব। তাই আরএসএস নিয়ন্ত্রক শক্তি হলেও বিজেপির সংগঠনের মাথায় বসছেন তৃণমূলের প্রাক্তনীরা। তা নিয়ে আদি বিজেপিদের মধ্যে ক্ষোভ থাকলেও উপায় নেই। কারণ ক্ষমতা দখলের জন্য আনুগত্যের চেয়ে বেশি প্রাধান্য পায় রাজনৈতিক লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা। ‘মোদি-ম্যাজিকে’র সৌজন্যে প্রধান বিরোধী হলেও নেতৃত্বের দুর্বলতায় হাবুডুবু খাচ্ছে এরাজ্যের গেরুয়া শিবির। তাঁদের ট্রেনিং দিয়ে গড়েপিটে নেওয়ার জন্য ডাক পড়ছে ভিন রাজ্যের ‘সার্টিফায়েড’ নেতাদের।
লোকসভা ভোটে লড়াইটা ছিল নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে রাহুল গান্ধীর। মোদি-ঝড়ে বঙ্গে বক মরলেও কেরামতি নিয়েছে ওঝার দল। কিন্তু ২০২১ সালে নির্বাচনে সেই ঝড় তো দূরের কথা, বাতাস বওয়ার সম্ভাবনাও ক্ষীণ। কারণ কেন্দ্রীয় সরকারের সাফল্যের ঢাক পেটানোর মতো হাতে কিছুই নেই। ফলে ঝড় তুলে বাজিমাতের পথ হচ্ছে সঙ্কীর্ণ। তবে খোলা আছে, অন্যের ঘর ভাঙিয়ে নিজের ঘর সাজানোর রাস্তা।
মুখ্যমন্ত্রী পদের মুখ তুলে ধরা তো দূরের কথা, বিধানসভা কেন্দ্রিক মুখ তৈরিতেও বিজেপির দুর্বলতা চোখে পড়ার মতো। নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়লেও রাজ্যের ২৯৪টি কেন্দ্রের সম্ভাব্য মুখ বিজেপি এখনও তৈরি করতে পারেনি। এর প্রথম কারণ যদি সাংগঠনিক দুর্বলতা হয়, দ্বিতীয় কারণ অবশ্যই মাত্রাতিরিক্ত আরএসএস নির্ভরতা। ভোটের টিকিট দাদারা দেবে, নাকি আরএসএস, তা নিয়ে সংশয়াচ্ছন্ন গেরুয়া শিবির। তাই সংগঠনে নয়, নজর টিকিটে।
তৃণমূল সেদিক থেকে অনেকটা এগিয়ে। তাদের বিধায়কের সংখ্যা প্রায় দু’শো। টিকিট পাবেন ধরে নিয়ে অধিকাংশ বিধায়ক নিজ নিজ কেন্দ্রে জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তার পাশাপাশি রয়েছেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও পুরসভার চেয়ারম্যানরা। তাই বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৪টি আসনে লড়ার জন্য পরিচিত মুখের অভাব তাদের নেই।
সংগঠনের মাথায় নেতৃত্ব যাঁকে বসান দলের কর্মীরাও তাঁকে মানতে বাধ্য হন। সেটাই দলীয় অনুশাসন। কিন্তু জনগণের সেই বাধ্যবাধকতা থাকে না। নির্বাচনে দলের পাশাপাশি মুখও একটা ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায়। কারণ মুখ ভরসা জোগায়। ইতিহাস বলছে, বহু ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য মুখই ভোটে জেতার মোক্ষম অস্ত্র হয়েছে।
লোকসভা নির্বাচনে সেই মুখের সুবিধে পেয়েছিল বিজেপি। বালাকোট ইস্যুতে পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়াটা দেশবাসীর একমাত্র লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সেই কাজে রাহুল গান্ধীর চেয়ে নরেন্দ্র মোদিকে নির্ভরযোগ্য মনে করেছিলেন দেশের মানুষ। পশ্চিমবঙ্গেও পড়েছিল তার প্রভাব। বিজেপি দখল করেছিল ১৮টি আসন।
মুখ নিয়ে বছর কুড়ি আগের একটা ঘটনার কথা খুব মনে পড়ছে। সালটা ছিল ২০০১। সেবার বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস-তৃণমূলের জোট হয়েছিল। কংগ্রেস হাইকমান্ড মুর্শিদাবাদ জেলায় তৃণমূলকে চারটি আসন ছেড়েছিল। কিন্তু, সেই নির্দেশ অধীর চৌধুরী মানেননি। তিনি এই প্রতিবেদককে খুব স্পষ্ট করে সেদিন বলেছিলেন, ‘হাইকমান্ডের নির্দেশ আমি মানব না। কারণ নির্বাচনে কাউকে দাঁড় করানোর আগে আমি তাঁকে সেই এলাকায় মুখ হিসেবে তুলে ধরি। ভোটের অনেক আগে থেকে তাঁকে সামনে রেখে আন্দোলন করি। রক্তদান শিবিরের মতো নানা জনকল্যাণমূখী কর্মসূচি নিই। আমি আগে জমি তৈরি করি। তারপর বীজ বুনি। আর আমার সেই চাষ করা জমির ফসল অন্য কেউ কেটে নিয়ে যাবে, সেটা কিছুতেই মানব না।’
অধীরবাবু সেবার চারটি আসনে নির্দল প্রার্থী দাঁড় করিয়ে ছিলেন। তার মধ্যে নওদা ও হরিহরপাড়া থেকে আবু তাহের ও নিয়ামত শেখ নির্দল টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন। ৯০ এর দশকে তপন সিকদার এরাজ্যে বিজেপির বীজ বুনলেও পরিচর্চার অভাবে তা বড় হয়নি। বিক্ষিপ্তভাবে বিজেপির টিকিটে দু’একজন নির্বাচনে জিতেছেন। কিন্তু এখানে বিজেপির বিস্তার ঘটেছে ২০১৬ সালে বিধানসভা ভোটের পর। সেই অর্থে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ‘নতুন দল’। তাই তার শিকড়বাকড় মাটির গভীরে ছড়ায়নি। দানা বাঁধেনি সংগঠনও। বলা ভালো, ছড়ানোর সময়ও পায়নি। সেই কারণে তৃণমূলের নেগেটিভ ভোটই এখনও বিজেপির ভরসা।
যে কোনও নির্বাচনে ‘অ্যান্টি এস্টাবলিস্টমেন্ট’ ভোট একটা বড় ফ্যাক্টর। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেটা শাসক দলের বিপদের কারণ হয়। লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে সেই নেগেটিভ ভোটের মাশুল দিয়েছিল তৃণমূল। তবে, সেই ক্ষত মেরামতির জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বুঝেছেন, সরকারি পরিষেবা ক্ষোভ প্রশমনের অব্যর্থ মলম। তাতে ক্ষোভ তো দূর হয়ই, বাড়ে গ্রহণযোগ্যতাও। সেই লক্ষ্যে জেলায় জেলায় প্রশাসনিক মিটিং। প্রশাসনকে সক্রিয় করার এই অভিনব প্রয়াস নতুন দিশা দেখিয়েছে। তাঁর ভাবনার অভিনবত্বের ফসল কন্যাশ্রী, রূপশ্রী আজ গোটা বিশ্বে সমাদৃত।
কেন্দ্রীয় সরকার বিস্তর ক্ষমতার অধিকারী। তাই প্রত্যাশাও প্রচুর। প্রত্যেকের ব্যাঙ্ক আকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা জমা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি অনেকে সত্যি ভেবেছিলেন। তা পূরণ হয়নি। হবেও না। বিজেপির কোনও নেতা ভুলেও এখন ‘আচ্ছে দিনের’ কথা মুখে আনেন না। উল্টে প্রায় প্রতিদিন বাড়ছে পেট্রল, ডিজেল, রান্নার গ্যাসের দাম। দামবৃদ্ধিতে গ্যাস হাফ সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে। মূল্যবৃদ্ধির চাপে দিন দিন গভীর সঙ্কটে তলিয়ে যাচ্ছে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত হচ্ছে বিজেপির সরকার।
এমনই এক সঙ্কটকালে একটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিত্যনতুন পরিষেবা উপহার দিচ্ছেন। ১০ কোটি মানুষের উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার অঙ্গীকারই হল ‘স্বাস্থ্যসাথী’। সরকার যাচ্ছে মানুষের দুয়ারে, দুয়ারে। পরিষেবার হাত ধরে সরকার মানুষের মনের গভীরে জায়গা করে নেয়। প্রসারিত হয় ভরসার শিকড়।
শিকড়কে বাইরে থেকে দেখা যায় না। তবে, শিকড়ই শক্তির আধার। শিকড় গভীরে থাকলে গাছ ঝড়ঝাপটা সামলে নেয় অনায়াসেই। ঝড়ে বড়জোর দু’ একটা ডাল ভাঙে, কিন্তু গাছ দাঁড়িয়ে থাকে। 
05th  December, 2020
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা দেশের
জন্যও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ
জিষ্ণু বসু

বাঙালি ভারতের নবজাগরণের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালন করেছে। জীবন্ত জাগ্রত ভারতাত্মার পূজাবেদি ছিল বাংলা। ১৮৮২ সালে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র লিখলেন আনন্দমঠ উপন্যাস। বাঁধা হল ‘বন্দেমাতরম’ গান। দেশমাতৃকাকে দশপ্রহরণধারিণী দেবী দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন সাহিত্যসম্রাট। বিশদ

14th  January, 2021
এই রাজ্যে মেয়েদের
ভোট ভাগ করা যাবে না
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপি জানে, পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা দখল করতে না পারলে তাদের সিএএ-এনআরসি সব ব্যর্থ হয়ে যাবে। সারা দেশে একজন ব্যক্তিত্বই তাঁদের সব ভুলভাল কাজকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে লড়াই জারি রাখতে পারেন। তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির কাছে মমতা নামটাই জুজুর মতো। বিশদ

13th  January, 2021
বিজেপির প্রচারে স্বামীজি
আছেন, কিন্তু অনুসরণে...?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

স্বামীজি বলতেন, ‘এমন ধর্ম চাই, যার মূল মন্ত্র হবে মানবপ্রেম। এমন ধর্ম চাই, যা মানুষকে, বিশেষ করে অবহেলিত, পদদলিত মানুষকে প্রত্যক্ষ মানুষ বলে প্রচার করবে। খালি পেটে ধর্ম হয় না। ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে ধর্ম বা ঈশ্বর অর্থহীন।’ নাঃ... যে পরিব্রাজক এমন কথা বলতে পারেন, তাঁকে বিজেপি অন্তত অনুসরণ করে না। বিশদ

12th  January, 2021
বিবেকানন্দের স্বপ্নের
বাংলা আবার গঠিত হবে
জগৎপ্রকাশ নাড্ডা

এক নতুন ভারতবর্ষের স্বপ্ন দেখেছিলেন স্বামীজি, যেখানে দারিদ্র্যের মোচন এবং চেতনার উন্মেষ ঘটবে। এই কাজে প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ যুবশক্তি। বিশদ

12th  January, 2021
মহামারী, ভ্যাকসিন
এবং বিতর্ক
পি চিদম্বরম

মহামারী বিদায় নিচ্ছে বলে মনে হয়, তবে এখনও বিদায় হয়নি। ভ্যাকসিন আসছে বলে মনে হয়, তবে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছয়নি। কিন্তু একটা জিনিস বরাবর একজায়গায় রয়ে গিয়েছে, সেটা হল বিতর্ক! বিশদ

11th  January, 2021
আদি বনাম নব্য, বিজেপিতে
নরকগুলজার সপ্তমে
হিমাংশু সিংহ

শেষে হাটে হাঁড়িটা ভাঙলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষই। দলে স্বার্থপর দলবদলুদের দাপাদাপি দেখে আর স্থির থাকতে পারলেন না। বলেই বসলেন, একদিন যাঁরা নন্দীগ্রামে বিজেপিকে ঢুকতে বাধা দিয়েছিলেন, তাঁরাই আজ নতমস্তকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। আলিঙ্গন করছেন। একেবারে হক কথা। বিশদ

10th  January, 2021
রাজনীতিবিদদের ‘সৌজন্যে’ই
করোনার নয়া স্ট্রেইনে পঙ্গু ব্রিটেন
রূপাঞ্জনা দত্ত

বি.১.১.৭। কোভিডের নয়া অবতার বা বিলিতি স্ট্রেইনের পোশাকি নাম এটাই। চীনের উহান থেকে সার্স-কোভ-২ ছড়িয়ে পড়ার পর যতটা আতঙ্ক ছড়িয়েছিল বিশ্বজুড়ে, সেই দিনগুলিই ফিরিয়ে এনেছে ভাইরাসের এই নয়া রূপ। ‘ভাইরাস আন্ডার ইনভেস্টিগেশন’ থেকে ‘ভাইরাস অব কনসার্ন’ হতে এর খুব বেশিদিন সময় লাগেনি। বিশদ

10th  January, 2021
প্রচারকে নিয়েও রাজনীতি
করা যায়, দেখাচ্ছে বিজেপি

তন্ময় মল্লিক

তৃণমূলের ‘অতৃপ্ত আত্মা’রা চলে যাওয়ায় দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বও কমে গিয়েছে। দলের কর্মীরা যে মমতার সঙ্গে আছে, সেটা প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠছে। ভিড়ের প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে না পেরে বিজেপির অস্ত্র ‘হুইসপারিং ক্যাম্পেন’। বিশদ

09th  January, 2021
বিরোধী দলগুলির
স্থায়ী ক্ষতি হল
সমৃদ্ধ দত্ত

যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে বিজেপি সরব ছিল, তাঁদেরই বিজেপি এখন উচ্চপদে বরণ করছে। এর ফলে বিজেপির শক্তি ও প্রভাব হয়তো বাড়ছে বলে তারা মনে করছে। কিন্তু বড়সড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে ভাবমূর্তির। বিশদ

08th  January, 2021
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান ও আসানসোল: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। দুই বর্ধমানের ১৩টি সেশন সাইট থেকে করোনার টিকা দেওয়া শুরু হল। সব কেন্দ্র থেকেই ১০০ জনকে ভ্যাকসিন ...

করোনা কালেও বিখ্যাত গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা হন্ডা সিটি রেকর্ড সংখ্যাক গাড়ি বিক্রি করেছে। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সংস্থা সংস্থার ‘মিড সাইজ সেডান’ বিভাগে এই সময়ে ২১ হাজার ৮২৬টি গাড়ি বিক্রি হয়েছে। ...

হুগলির মগরা থানা এলাকার ভাঙাঘাটের বাসিন্দা এক স্কুলছাত্রী আত্মঘাতী হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃত ছাত্রীর নাম সানিয়া সাউ। ...

বিজেপি নেতারা প্রতিদিনই দাবি করছেন, ক্ষমতায় আসার পর বাংলাকে ‘গুজরাত মডেল’-এ তৈরি করা হবে। কিন্তু উন্নয়নের নিরিখে গুজরাতের থেকে বাংলা কত এগিয়ে তা তথ্য তুলে ধরে দাবি করল তৃণমূল। সেইসঙ্গে পেট্রোল, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন তৃণমূল নেতৃত্ব। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বাড়তি অর্থ পাবার যোগ আছে। পদোন্নতির পাশাপাশি কর্মস্থান পরিবর্তন হতে পারে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পক্ষে থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪১ - বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম মাউন্ট এভারেস্ট রাখা হয়
১৯৪২: মার্কিন মুষ্টিযোদ্ধা মহম্মদ আলির জন্ম
১৯৪৫: গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারের জন্ম
১৯৫৩ - সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার এবং চিত্রপরিচালক অঞ্জন দত্তের জন্ম
২০১০: কমিউনিস্ট নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর মৃত্যু 
২০১১ - অভিনেত্রী গীতা দের মৃত্যু
২০১৪ - অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২৯ টাকা ৭৪.০০ টাকা
পাউন্ড ৯৭.৬৬ টাকা ১০১.১২ টাকা
ইউরো ৮৬.৭৮ টাকা ৮৯.৯৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৬৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,১২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,৮৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৫,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৫,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, চতুর্থী ৪/২৫ দিবা ৮/৯। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৬/২৩/৫, সূর্যাস্ত ৫/১০/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে  ৯/৫৮ মধ্যে, রাত্রি ৬/৫৫ গতে ৮/৪১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৫০ গতে ১/৩৪ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩ গতে ৬/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১২/১২ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৫ গতে ১/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৫ গতে ৩/৪ মধ্যে।
৩ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, চতুর্থী দিবা ৯/২৪। শতভিষা নক্ষত্র দিবা ৭/৪৮। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ গতে ১০/০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৮/৪৮ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ১/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১২ গতে ৭/৪ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৭ গতে ১/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। 
৩ জমাদিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তৃণমূলের রাজ্য কমিটির সহ সভাপতির দায়িত্বে সাংসদ শতাব্দী রায় 
দলে নতুন দায়িত্ব পেলেন বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। তৃণমূল ...বিশদ

02:29:07 PM

খিদিরপুরে ২৬টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার, আটক ১ 
খিদিরপুর থেকে ২৬টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করলো কাস্টমস। ঘটনায় একজনকে ...বিশদ

02:14:17 PM

বিজেপি ছেড়ে ফের তৃণমূলে যোগ সিরাজ খানের
বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন সিরাজ খান। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা ...বিশদ

02:10:00 PM

চতুর্থ টেস্ট: তৃতীয় দিনের খেলা শেষে অস্ট্রেলিয়া ২১/০ (দ্বিতীয় ইনিংস) 

01:12:53 PM

কেরলে মালাবার এক্সপ্রেসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড 

12:56:12 PM

চতুর্থ টেস্ট: প্রথম ইনিংসে ভারত ৩৩৬ রানে অলআউট 

12:47:07 PM