Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

লড়াই এবার নেমে এসেছে রণভূমিতে
সন্দীপন বিশ্বাস

লড়াইটা এবার সত্যিই শুরু হয়ে গেল। এতদিন পর্যন্ত ভোটযুদ্ধ জিতে গিয়েছে ধরে নিয়ে বিজেপি শুধু হুঙ্কার ছাড়ত, ক্ষমতায় এলে ঠ্যাং ভাঙব, মেরে তাড়াব, সব পার্টি অফিস জ্বালিয়ে দেব ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু লড়াইটা এবার আর শুধু হুঙ্কারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রইল না। তা প্রকারান্তরে রণভূমিতে নেমে এসেছে এবং এই লড়াইটা শুরু হয়ে গেল ‘তৃণমূলের শুভেন্দু অধিকারীর’ বিদ্রোহ ঘোষণার মধ্য দিয়ে। আর কয়েকমাস পরেই এরাজ্যের নির্বাচন। এখনই প্রত্যক্ষ লড়াই শুরু না হলে, আর কবে হবে! বিজেপি নেতৃত্ব অন্য রাজ্যের মতোই এখানেও মোদিজিকে মুখ করে অবিলম্বে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে চলেছে। একটা-দু’টো বিশিষ্ট মুখ খুঁজতে এবং এই রাজ্যে বিজয়পতাকা ওড়ানোর জন্য ঢালাও প্যাকেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এক একটাকে টোপ হিসাবে ঝুলিয়ে দিয়ে উদার আহ্বান জানানো হচ্ছে, ‘এসো এসো আমার ঘরে এসো, আমার ঘরে।’ অনেকেই এখন পড়িমরি করে সব আদর্শ আর উন্নয়নের কথা ভুলে গেরুয়া পতাকা ধরার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। বিজেপিরও আর ঝাড়াই বাছাইয়ের সময় নেই। যা পারো, গোডাউনে ভরো। সুতরাং কয়েকদিনের মধ্যেই তৃণমূলের কিছু নেতা দলের তীব্র সমালোচনা করে, মোদির জয়গান গেয়ে এই রাজ্যাটাকে বাঁচানোর দায়িত্বের কথা বলে গেরুয়া পতাকাতলে হয়তো ভিড়বেন। অনেকেই এখন আবার গেরুয়ার নব আনন্দে জাগতে বাধ্য হবেন। এই সব দলবদলুদের দেখে দেখে আর তাঁদের আদর্শের কপচানি শুনে শুনে আমাদেরও চোখকান সব পচে গিয়েছে। 
তৃণমূল আর বিজেপির এবারের লড়াইয়ে সিপিএম-কংগ্রেস জোটের অবস্থা অনেকটা দুধুভাতুর মতো। যা দু’একটা কুড়িয়ে বাড়িয়ে আসবে, তাতেই তাদের সন্তুষ্ট থাকতে হবে। এখন তাদের অবস্থান অনেকটাই স্পষ্ট হয়েছে। প্রকারান্তরে তারা হাত মিলিয়ে নেমেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জব্দ করতে। তাতে অন্য কারও লাভ হলেও তাদের কোনও আপত্তি নেই। কংগ্রেস এবং সিপিএম এরাজ্যে পরস্পরকে খড়কুটো ভেবে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চাইছে।  কিন্তু তারা বুঝতে চাইছে না, এরাজ্যে তাদের অক্সিজেন জোগান দেওয়ার মতো কোনও শক্তি নেই। বরং তারা নিজেদের নাক কেটে অন্যের যাত্রাভঙ্গ করতে আসরে নেমেছে। এবারের নির্বাচনে মমতার যাত্রাভঙ্গ করাই তাদের মূল লক্ষ্য। কেননা এখানে তাদের যেটুকু ভোট রয়েছে, তাতে তারা ভোট কেটে সুবিধা করে দিতে পারে বিজেপির। কিছুদিন আগে বিশিষ্ট সিপিআইএমএল নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য এরাজ্যে এসে বলে গিয়েছেন, এরাজ্যের সিপিএম ভুল করছে। যেখানে বিজেপিকে এক নম্বর শত্রু হিসাবে টার্গেট করা উচিত ছিল, সেখানে তাদের এক নম্বর টার্গেট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এতে সুবিধা পেয়ে যাচ্ছে বিজেপি। কিন্তু এরাজ্যের সিপিএম নেতাদের নাবালকত্ব কবে ঘুচবে কে জানে! 
এরাজ্যে গত লোকসভার ভোটের হিসেবটার দিকে নজর দিলে কয়েকটা জিনিস কিন্তু পরিষ্কার হয়ে যাবে। ২০১৪ সালের থেকে ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে তৃণমূলের ভোট বেড়েছিল ৩.৪৮ শতাংশ। আসন কমলেও বেড়েছিল ভোট। তাহলে বিজেপির অত আসন পাওয়ার রহস্য কোথায়? কেননা সিপিএমের ভোটেই বিজেপি এখানে ১৮টি আসন জয় করেছিল। বিজেপি গত লোকসভা নির্বাচনে ভোট পেয়েছিল ৪০.৬৪ শতাংশ। তাদের ভোট বেড়েছিল ২২.২৫ শতাংশ। এবার একবার সিপিএম এবং কংগ্রেসের ভোটের দিকে নজর দেওয়া যাক। তাহলেই অঙ্কটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। সিপিএম ভোট পেয়েছিল ৬.৩৪ শতাংশ। তাদের ভোট কমেছিল ১৬.৭২ শতাংশ। অর্থাৎ সিপিএমের তথাকথিত ‘কমরেডমনস্ক’ বলে প্রচারিত ‘কমিটেড ভোট’ ঢুকে গিয়েছিল বিজেপির বাক্সে। আর কংগ্রেস পেয়েছিল ৫.৬৭ শতাংশ ভোট। তাদের ভোট কমেছে ৪.০৯ শতাংশ। এই দু’টি ভোট যোগ করলে দাঁড়ায় ২০.৮১ শতাংশ। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে, কাদের ভোট গোপনে গোপনে এরাজ্যে বিজেপিকে বিশাল এক জায়গা করে দিতে প্রয়াসী হয়েছে। তৃণমূলের যে ৩.৪৮ শতাংশ ভোট বেড়েছে, সেই ভোট হল নতুন ভোটার, তরুণ প্রজন্মের ভোটার। সুতরাং চোখকান খোলা রাখলেই বোঝা যাবে, কে কাকে তলে তলে সাহায্য করে মমতাকে টাইট দিতে চাইছেন। পাগলের গো-বধে আনন্দ কথাটা তো একেবারে মিথ্যা নয়! 
বিজেপির বিহারে কৌশলের কথা মনে আছে তো? কীভাবে বিহারের মুসলিম ভোট কাটার জন্য তারা মাঠে নামিয়েছিল আসাদুদ্দিন ওয়াইসির এআইএমআইএমকে। ওয়াইসি সেখানে পাঁচটি আসন পেয়েছেন বটে, কিন্তু তাঁরা মহাগঠবন্ধনের ভোট কাটতে পারেননি। উল্টে নীতীশকুমারের ভোটব্যাঙ্কের মুসলিম ভোট কেটে অন্যদিক থেকে বিজেপিকে তারা অক্সিজেন দিয়েছিল। বিজেপি মুসলিমদের প্রতি যতই কমপ্লেক্সে ভুগুক না কেন, ভোটে জেতার কূটকৌশলে তাদের সাহায্য নিতে ছাড়ে না। এই বাংলাতেও ভোটের আগে ওয়াইসির পার্টিকে টেনে এনে মমতার মুসলিম ভোটব্যাঙ্কের মজবুত ভিতটাকে ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। অথবা বিজেপি সেই কাজের জন্য তাকিয়ে থাকবে কংগ্রেস-সিপিএম জোটের দিকে। বিজেপির খুব আশা, ওই জোট হয়তো মমতার মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক থেকে ভোট কেটে তাদের সুবিধা করে দিতে পারবে। তবে সিপিএম-কংগ্রেস মমতার বিরুদ্ধে লাগাতার তোপ দাগায় মুচকি হাসছেন বিজেপি নেতারা। আড়ালে বলছেন, সাবাশ। সারা দেশে যে কংগ্রেস বিজেপির বিরুদ্ধে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করছে, এখানে কিন্তু লড়াইয়ের ময়দানে পরোক্ষভাবে তারা বিজেপির হাতকেই শক্ত করতে চাইছে। কিছু নেতার ব্যক্তিগত উষ্মা থেকেই কংগ্রেসের এই বিভ্রান্তি। 
এখানে আর একটা তথ্য পরিবেশন করা যেতে পারে। সেটা হল ২০১৯ সালে ওড়িশা বিধানসভা ও লোকসভার ফল। এই রাজ্যের পরিপ্রেক্ষিতে এই বিশ্লেষণ অত্যন্ত জরুরি। বিগত লোকসভা ভোটের ফল দেখে এখানে বিজেপির প্রত্যাশা বেড়েছে। তাই এই সময়ে একবার ওড়িশার দিকে তাকানো যেতে পারে। ওড়িশায় নির্বাচন কভার করতে গিয়ে দেখেছিলাম একই মানুষের ভিন্নমত। একই সঙ্গে তাঁরা ভোট দিতে যাচ্ছেন। লোকসভার ভোট বিজেপিকে অনেকে দিলেও বিধানসভার ভোটে তাঁরা কিন্তু নবীন পট্টনায়েকের প্রতি আস্থা রেখেছিলেন। কোনও অ্যান্টি-ইনকাম্বেন্সি ফ্যাক্টর সেখানে কাজ করেনি। লোকসভা ভোটে সেখানে বিজেপি পেয়েছিল ৮টি আসন। আগের লোকসভা ভোটে তারা পেয়েছিল ১টি মাত্র আসন। গত লোকসভা ভোটে নবীনের দলের ভোট কমেছিল ১.৩ শতাংশ। দেখা গেল বিধানসভা ভোটে সেই ভোট নবীনের অটুট। বিজেপি লোকসভায় পেয়েছিল ৩৮.৪ শতাংশ ভোট। বিধানসভায় তাদের ভোট কিন্তু কমে হল ৩২.৪৯ শতাংশ। মনে রাখা দরকার, ভোট কিন্তু হয়েছিল একইসঙ্গে। সুতরাং লোকসভা ভোটের সঙ্গে সবসময় বিধানসভা ভোটের তথ্যকে মেলানো উচিত নয়।    
নন্দীগ্রামও এবার হয়ে উঠছে ভোটের ইস্যু। নন্দীগ্রামের লড়াইটাকে আজ যদি কেউ একক লড়াই বলে সব ঝোলটুক টেনে সুবিধাভোগের চেষ্টা করেন, সেটা অত্যন্ত ভুল হবে। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের লড়াই ছিল একটা রক্তচক্ষু, বাহুবলী, উদ্ধত শাসকের ভুল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মানুষের সম্মিলিত লড়াই। সেই লড়াইটার সেদিন নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ইতিহাস কোনওভাবেই মুছে ফেলা যাবে না। গায়ে গেরুয়া পতাকা জড়িয়ে আজ যদি কেউ দাবি করেন, নন্দীগ্রাম তাঁরই আন্দোলনের ফসল,তবে মানুষ তার তীব্র প্রতিবাদ করবেন। একটা অগ্নিগর্ভ সময়ের মধ্য থেকে মমতার হাত ধরে একটা স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনের নামই ছিল সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম। এই আন্দোলন তৈরি করা যায় না। এই আন্দোলন তৈরি হয়ে যায়। আগুনের পাকে পাকে লেখা হয়ে যায় ইতিহাস। সেই আন্দোলনের মুখ হয়ে ওঠেন একজন। এক্ষেত্রে তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাকিরা সকলেই ছিলেন দ্বিতীয় সারির সৈনিক। 
এরাজ্যের একটা পরম্পরা আছে, শিক্ষার জোর আছে, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আছে, রাজনৈতিক সচেতনতা আছে। তার সঙ্গে কোনওভাবেই বিজেপির সংস্কৃতি এবং বৌদ্ধিক ঐতিহ্য মেলে না। এটা অবশ্যই ঠিক, এরাজ্যে যত দিন গিয়েছে, ততই অবাঙালি জনগণের সংখ্যা বেড়েছে। আসলে আমাদের সংস্কৃতি সব সময়ই দিবে আর নিবে মিলাবে মিলিবে, যাবে না ফিরে। তাই যে কেউ এরাজ্যে এসেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে এখানে কোনও আন্দোলন হয়নি। সকলেই নিরুপদ্রবে থেকেছেন। অন্য রাজ্যে কিন্তু অমুক খেদাও তমুক খেদাও আন্দোলন হয়েছে। আসলে বিভেদের মধ্য দিয়ে রাজনীতির কুশিক্ষা বাঙালি সম্ভবত কোনওদিন শেখেনি। আজ যেন এরাজ্যে বিজেপি মন্থরার মতো ঢুকে পড়ছে। যে কুমন্ত্রণার কারণে একদিন রামচন্দ্রকে সোনার অযোধ্যা ছেড়ে বনবাসে যেতে হয়েছিল। সোনার অযোধ্যা ছারখার হয়ে গিয়েছিল। আজ মানুষের সঙ্গে মানুষের বিভেদ সৃষ্টি করে বিজেপি অনেকটা সেই মন্থরার ভূমিকায় অবতীর্ণ। সুতরাং বাংলার সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারকে রক্ষা করাই এবারের ভোটে প্রধান ইস্যু।
02nd  December, 2020
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা দেশের
জন্যও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ
জিষ্ণু বসু

বাঙালি ভারতের নবজাগরণের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালন করেছে। জীবন্ত জাগ্রত ভারতাত্মার পূজাবেদি ছিল বাংলা। ১৮৮২ সালে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র লিখলেন আনন্দমঠ উপন্যাস। বাঁধা হল ‘বন্দেমাতরম’ গান। দেশমাতৃকাকে দশপ্রহরণধারিণী দেবী দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন সাহিত্যসম্রাট। বিশদ

14th  January, 2021
এই রাজ্যে মেয়েদের
ভোট ভাগ করা যাবে না
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপি জানে, পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা দখল করতে না পারলে তাদের সিএএ-এনআরসি সব ব্যর্থ হয়ে যাবে। সারা দেশে একজন ব্যক্তিত্বই তাঁদের সব ভুলভাল কাজকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে লড়াই জারি রাখতে পারেন। তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির কাছে মমতা নামটাই জুজুর মতো। বিশদ

13th  January, 2021
বিজেপির প্রচারে স্বামীজি
আছেন, কিন্তু অনুসরণে...?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

স্বামীজি বলতেন, ‘এমন ধর্ম চাই, যার মূল মন্ত্র হবে মানবপ্রেম। এমন ধর্ম চাই, যা মানুষকে, বিশেষ করে অবহেলিত, পদদলিত মানুষকে প্রত্যক্ষ মানুষ বলে প্রচার করবে। খালি পেটে ধর্ম হয় না। ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে ধর্ম বা ঈশ্বর অর্থহীন।’ নাঃ... যে পরিব্রাজক এমন কথা বলতে পারেন, তাঁকে বিজেপি অন্তত অনুসরণ করে না। বিশদ

12th  January, 2021
বিবেকানন্দের স্বপ্নের
বাংলা আবার গঠিত হবে
জগৎপ্রকাশ নাড্ডা

এক নতুন ভারতবর্ষের স্বপ্ন দেখেছিলেন স্বামীজি, যেখানে দারিদ্র্যের মোচন এবং চেতনার উন্মেষ ঘটবে। এই কাজে প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ যুবশক্তি। বিশদ

12th  January, 2021
মহামারী, ভ্যাকসিন
এবং বিতর্ক
পি চিদম্বরম

মহামারী বিদায় নিচ্ছে বলে মনে হয়, তবে এখনও বিদায় হয়নি। ভ্যাকসিন আসছে বলে মনে হয়, তবে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছয়নি। কিন্তু একটা জিনিস বরাবর একজায়গায় রয়ে গিয়েছে, সেটা হল বিতর্ক! বিশদ

11th  January, 2021
আদি বনাম নব্য, বিজেপিতে
নরকগুলজার সপ্তমে
হিমাংশু সিংহ

শেষে হাটে হাঁড়িটা ভাঙলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষই। দলে স্বার্থপর দলবদলুদের দাপাদাপি দেখে আর স্থির থাকতে পারলেন না। বলেই বসলেন, একদিন যাঁরা নন্দীগ্রামে বিজেপিকে ঢুকতে বাধা দিয়েছিলেন, তাঁরাই আজ নতমস্তকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। আলিঙ্গন করছেন। একেবারে হক কথা। বিশদ

10th  January, 2021
রাজনীতিবিদদের ‘সৌজন্যে’ই
করোনার নয়া স্ট্রেইনে পঙ্গু ব্রিটেন
রূপাঞ্জনা দত্ত

বি.১.১.৭। কোভিডের নয়া অবতার বা বিলিতি স্ট্রেইনের পোশাকি নাম এটাই। চীনের উহান থেকে সার্স-কোভ-২ ছড়িয়ে পড়ার পর যতটা আতঙ্ক ছড়িয়েছিল বিশ্বজুড়ে, সেই দিনগুলিই ফিরিয়ে এনেছে ভাইরাসের এই নয়া রূপ। ‘ভাইরাস আন্ডার ইনভেস্টিগেশন’ থেকে ‘ভাইরাস অব কনসার্ন’ হতে এর খুব বেশিদিন সময় লাগেনি। বিশদ

10th  January, 2021
প্রচারকে নিয়েও রাজনীতি
করা যায়, দেখাচ্ছে বিজেপি

তন্ময় মল্লিক

তৃণমূলের ‘অতৃপ্ত আত্মা’রা চলে যাওয়ায় দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বও কমে গিয়েছে। দলের কর্মীরা যে মমতার সঙ্গে আছে, সেটা প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠছে। ভিড়ের প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে না পেরে বিজেপির অস্ত্র ‘হুইসপারিং ক্যাম্পেন’। বিশদ

09th  January, 2021
বিরোধী দলগুলির
স্থায়ী ক্ষতি হল
সমৃদ্ধ দত্ত

যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে বিজেপি সরব ছিল, তাঁদেরই বিজেপি এখন উচ্চপদে বরণ করছে। এর ফলে বিজেপির শক্তি ও প্রভাব হয়তো বাড়ছে বলে তারা মনে করছে। কিন্তু বড়সড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে ভাবমূর্তির। বিশদ

08th  January, 2021
একনজরে
বিজেপি নেতারা প্রতিদিনই দাবি করছেন, ক্ষমতায় আসার পর বাংলাকে ‘গুজরাত মডেল’-এ তৈরি করা হবে। কিন্তু উন্নয়নের নিরিখে গুজরাতের থেকে বাংলা কত এগিয়ে তা তথ্য তুলে ধরে দাবি করল তৃণমূল। সেইসঙ্গে পেট্রোল, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন তৃণমূল নেতৃত্ব। ...

শপথ নেওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে ১০ কোটি আমেরিকান নাগরিককে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। দেশের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে শুক্রবার এই ঘোষণা করেন বাইডেন। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ এবং সংবাদদাতা: গৌড়বঙ্গের তিন জেলায় শনিবার উৎসবের মেজাজে করোনার টিকাকরণ কর্মসূচি হল। এদিন মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে টিকাকরণকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।   ...

বিচ্ছিন্নতাবাদী খলিস্তানপন্থী সংগঠন ‘শিখ ফর জাস্টিস’-এর সঙ্গে যোগসাজশ নিয়ে বহু কৃষক নেতাকে সমন পাঠালো জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। সম্প্রতি শিখ ফর জাস্টিসের নেতা গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নু বলেছেন, ‘মানুষের ক্ষোভ, হতাশাকে কাজে লাগিয়ে ভয় এবং নৈরাজ্যের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বাড়তি অর্থ পাবার যোগ আছে। পদোন্নতির পাশাপাশি কর্মস্থান পরিবর্তন হতে পারে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পক্ষে থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪১ - বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম মাউন্ট এভারেস্ট রাখা হয়
১৯৪২: মার্কিন মুষ্টিযোদ্ধা মহম্মদ আলির জন্ম
১৯৪৫: গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারের জন্ম
১৯৫৩ - সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার এবং চিত্রপরিচালক অঞ্জন দত্তের জন্ম
২০১০: কমিউনিস্ট নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর মৃত্যু 
২০১১ - অভিনেত্রী গীতা দের মৃত্যু
২০১৪ - অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২৯ টাকা ৭৪.০০ টাকা
পাউন্ড ৯৭.৬৬ টাকা ১০১.১২ টাকা
ইউরো ৮৬.৭৮ টাকা ৮৯.৯৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৬৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,১২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,৮৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৫,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৫,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, চতুর্থী ৪/২৫ দিবা ৮/৯। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৬/২৩/৫, সূর্যাস্ত ৫/১০/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে  ৯/৫৮ মধ্যে, রাত্রি ৬/৫৫ গতে ৮/৪১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৫০ গতে ১/৩৪ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩ গতে ৬/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১২/১২ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৫ গতে ১/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৫ গতে ৩/৪ মধ্যে।
৩ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, চতুর্থী দিবা ৯/২৪। শতভিষা নক্ষত্র দিবা ৭/৪৮। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ গতে ১০/০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৮/৪৮ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ১/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১২ গতে ৭/৪ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৭ গতে ১/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। 
৩ জমাদিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: গোয়া ও মোহন বাগানের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র

09:32:47 PM

আইএসএল: গোয়া ১- মোহন বাগান ১ (৮৪ মিনিট)

09:18:38 PM

আইএসএল: গোয়া ০- মোহন বাগান ১ (৭৫ মিনিট)

09:15:00 PM

আইএমএ রাজ্যশাখার নির্বাচনে ফের জিতল তৃণমূলপন্থী প্যানেল

08:01:00 PM

করোনা পজেটিভ প্রয়াত সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মেয়ে পৌলমি

07:17:00 PM

সৌমিত্র খাঁ-কে তিরস্কার বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের
বিষ্ণুপুরের সংসদ সদস্য সৌমিত্র খাঁ-কে তিরস্কার করল বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। ...বিশদ

06:40:08 PM