Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রতিষ্ঠানের থেকে বড় কেউ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

মানুষ ভরসা খোঁজে দিনে আর রাতে...। মানুষ শব্দটা বদলে ভোটার করে নিলেই গোটা বিষয়টা রাজনৈতিক হয়ে যায়। আর সেটাও সার সত্য। ভরসা। দোকানে মিষ্টি কিনতে গেলে প্রশ্ন, ‘দাদা, ফ্রেশ হবে তো?’ নতুন চাকরিতে জয়েন করার আগে দুরুদুরু বুক... ‘জব সিকিওরিটি থাকবে তো?’ ভোট দেওয়ার আগে চুলচেরা বিচার... ‘ভরসাযোগ্য তো?’ 
এটাই যে শেষ কথা! রাজনৈতিক দল, রাজনীতির মুখ—কেউ ভোট দেয় আদর্শে, পারিবারিক পরম্পরায়। কেউ আবার স্রোতে ভেসে। আর বেশিরভাগই ইভিএমের বোতামে চাপ দেয় ভরসায়। ভোটের দিন পেরিয়ে গেলেও এঁকে পাওয়া যাবে। দরকারে-অদরকারে পাশে দাঁড়াবে। কাজ পাব। পেটের ভাতে টান পড়বে না। মানুষের স্বার্থবিরোধী কোনও নীতির জন্য পরে হাত কামড়াতে হবে না। এগুলোই ভোটদানের সাধারণ নিয়ম-নীতি। বাঙালি ভোটাররা আবার একটু অন্যরকম। তাঁরা ভরসাটা একটু বেশিই করেন। ভালোবাসেন সময় দিতে... আহা, আর একটা টার্ম না হয় থাকল। টাইম দিলে তবে তো কাজ করবে! বঙ্গবাসী ভোটাররা তাই সিপিএমকে ৩৪ বছর সময় দিয়েছিল। ভরসার খাতিরে। এই এবার ভালো কিছু হবে... আশার শেষ নাই! কিন্তু মানুষ আশাহত হল। না হলে বাঙালি ভোটারদের কনভিন্স করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কুর্সিতে বসতে পারতেন না। আর আজ, নতুন করে চলছে কনভিন্স করার প্রয়াস। বিজেপি ইস্যু খুঁজছে... ভোটারকে প্রভাবিত করার। মরিয়া চেষ্টা চলছে মূল বিরোধী শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রমাণের। সম্বল, লোকসভা ভোটের ফল। আর দল ভাঙানোর খেলা। বছর দুয়েক ধরে বিজেপি হাঁকডাক চালিয়ে যাচ্ছে, শাসক দলের বহু সাংসদ-বিধায়ক নাকি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য বসে আছে। ভাবটা এমন, যেন গোটা তৃণমূল দলটাই লাইনে দাঁড়িয়ে। আজ যোগ না দিলেও, কাল অবশ্যই দেবে। শত চেষ্টাতেও কিন্তু মুকুল রায় ছাড়া তেমন একটা বড় নাম বিজেপি বাজারে আনতে পারেনি। যদিও হাওয়ায় গুজবের কমতি নেই। শুভেন্দু অধিকারীর নামটাও বেশ কয়েক মাস ধরে পাবলিককে খাইয়ে রেখেছে বিজেপি। এই নাকি তিনি বিজেপিতে যোগ দিলেন বলে! কিছু কিছু বিষয়ে দলের প্রতি শুভেন্দুবাবুর অভিমানটাকে এনক্যাশ করেছে গেরুয়া শিবির। আর ‘দাদার অনুগামী’রাও তাতে নেচে উঠেছে। শুভেন্দুবাবু মন্ত্রিত্ব ছেড়েছেন। তাঁর গড় বলে পরিচিত হলদিয়ার ডেভেলপমেন্ট অথরিটির দায়িত্বেও আর নেই। কিন্তু বিধায়ক পদ বা তৃণমূলের সদস্যপদ ছাড়েননি তিনি। হয়তো ছাড়বেন... হয়তো এর মধ্যেই বিজেপিতে যোগ দেবেন। বা আলাদা মঞ্চ গঠন করবেন। কিন্তু এখনও কোনওটাই তো হয়নি! তাহলে তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণীর এত ব্যস্ততা কীসের? তবু হুড়োহুড়ি চলছে। সবাই এখন ‘দাদা’র ঘনিষ্ঠ হয়ে গিয়েছেন। তারিখ দিচ্ছেন... ১০, ২০, ২২, ২৩, ৩০। নভেম্বরের ক্যালেন্ডার ফুরিয়ে গেল, শুভেন্দুবাবু বিজেপিতে যোগ দিলেন না। তারিখ পে তারিখ, তারিখ পে তারিখ... সব ফেল। রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। নিঃসন্দেহে তৃণমূল কংগ্রেসে শুভেন্দু অধিকারী একটা বড় নাম। তিনি বিজেপিতে গেলে অবশ্যই খাল কেটে কুমির আনার সম্ভাবনা দেখা দেবে। এরপরও একটা কথা বলতে হয়, শুভেন্দুবাবুর যতই দাপট থাকুক না কেন, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন। সেটা হওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকলেও তাঁর রাজনৈতিক পরিকল্পনা দর কষাকষিতে সীমাবদ্ধ থাকত না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন, কী ছিল তাঁর সঙ্গে? শুধু একটা স্বপ্ন—সিপিএমকে রাইটার্স থেকে উৎখাত করার। বছরের পর বছর সংগ্রাম করেছেন তিনি। জনসভার ভিড় ভোটবাক্স পর্যন্ত এসে পৌঁছয়নি। জিতেছেন তিনি... দল পারেনি। মানুষের বুঝতে সময় লেগেছে, পাহাড় থেকে সমুদ্র ‘প্রার্থী’ একজনই—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাঁকে দেখে তৃণমূলে এসেছেন শুভেন্দু অধিকারীও। দলের জন্মলগ্নে নয়, অনেক পরে। এই ধারা কিন্তু আজও বদলায়নি। শুধু খানিকটা প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার হাওয়া গায়ে এসে লাগছে... তাও বছর দশেক ক্ষমতার অলিন্দে ঘোরাফেরার পর। সেটা খুব স্বাভাবিক। হাতের পাঁচটা আঙুল একরকম হয় না। অভিযোগ উঠেছে, উঠবেও। কিন্তু প্রশ্নটা হল, বিজেপি কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিকল্প? বা আদৌ অদূর ভবিষ্যতে তেমন কিছু হয়ে ওঠার সম্ভাবনা আছে? এককথায় উত্তর, না। দূর দূরান্ত পর্যন্ত তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। কেন্দ্রে না হয় গেরুয়া পার্টির একটা মুখ আছে—নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু তিনি তো আর বাংলায় এসে সরকার চালাবেন না! তাহলে এখানে মুখটা কে? দিলীপ ঘোষ? রাজ্যের কতজন  মানুষ তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান? লজ্জার চোটেই বিজেপি সেই সমীক্ষা করাবে না। তাহলে কে? অনুগামীদের অনেকের মনে হতে পারে, শুভেন্দুবাবু বিজেপিতে গেলে তিনিই হবেন মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী। তেমন কোনও সম্ভাবনা কয়েকশো মাইলের মধ্যে নজরে আসছে না। এবার প্রশ্নটা হল, কীসের আশায় তাহলে শুভেন্দু অধিকারী এই বিদ্রোহটি করলেন? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া তৃণমূল কংগ্রেসে যে গুটিকয় নেতা প্রথম শ্রেণীর গুরুত্ব পেয়ে থাকেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম শুভেন্দুবাবু। সেটা তিনিও বিলক্ষণ জানেন। কিন্তু তিনি এটা জানেন না, একা ভোটের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা তাঁর খুব একটা নেই। কয়েকটি জেলায় তিনি অবশ্যই ভোটে প্রভাব ফেলবেন। সেই অনুগামী তাঁর রয়েছে। কত আসনে? ৩০টি আসন? ৪০টি? এই সংখ্যাটাও অলীক। তাও তর্কের খাতিরে না হয় এমনই কিছু কল্পনা করে নেওয়া যাক। এর মধ্যে একটি আসন হয়তো তিনি জিতবেন—শুভেন্দু অধিকারী নিজে যে কেন্দ্রে দাঁড়াবেন। বাকিগুলি? এখানেও দু’টি সম্ভাবনা রয়েছে। শুভেন্দুবাবু যদি বিজেপির হয়ে বিধানসভা ভোটের ময়দানে নামেন, তাহলে তিনি বিজেপির ভাগের ভোটটাই পাবেন। তৃণমূলের থেকে ভাঙানো ভোট তিনি পাবেন, কিন্তু তা নির্ণায়ক হবে না। আর যদি আলাদা মঞ্চ করেন, তখন বড়সড় হাত পড়বে তৃণমূলের ভোটে। সুবিধা হবে বিজেপির। আর তাঁর নিজের অবস্থা কী হবে? উদাহরণ তো খুব সামনেই আছে—চিরাগ পাসোয়ান। নীতীশের কোমর ভাঙতে গিয়ে চিরাগ নিজেই প্রায় নিভে গিয়েছেন। আমও গিয়েছে, ছালাও। চিরাগের না হয় বয়স কম, ব্যাকগ্রাউন্ডে রামবিলাস পাসোয়ানের মতো একটা নাম আছে। আজ না হয় কাল কোনও না কোনও জোটসঙ্গী খুঁজে আবার নতুন করে শুরু করতে পারবেন। কিন্তু শুভেন্দুবাবু? বিজেপিতে গেলেও তিনি কতটা গুরুত্ব পাবেন, সেটাই সংশয়। ধীরে ধীরে রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে উধাও হয়ে যাবেন তিনি। ব্র্যান্ড বলতে আর কিছু থাকবে না। থাকবে ব্যাগেজ—হতাশার। শুভেন্দু অধিকারীর পরিচিতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামে ছাতার জন্য। জার্সির জন্য। সেই জার্সিটা খুলে ফেললে কী হবে, তার জন্য পরীক্ষা প্রার্থনীয়। ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে খুব বেশি মানুষ কিন্তু নিজের জার্সি গায়ে চাপিয়ে সফল হতে পারেননি। 
প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। যার নেপথ্যে রয়েছে সংগ্রামী অতীত। তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। শুভেন্দুবাবু যদি সত্যিই দল ছেড়ে যান, তাহলে আসন্ন বিধানসভা ভোটে কিছুটা হলেও কষ্ট হবে মমতার। কিন্তু এরপরও যদি তিনি জিতে ফেরেন, সেই জয় হবে নিষ্কণ্টক। তিনি জানবেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামটার প্রতি বাংলার মানুষের ভরসা এখনও অটুট। সেই জয় পায়ের নীচের জমিটাকে আরও জমাট করবে। বিজেপির ভ্রান্ত নীতির বিরুদ্ধে তিনি নতুন উদ্যমে সুর চড়াতে পারবেন। দেশের মানচিত্র গেরুয়াকরণের প্রয়াস আরও একবার ধাক্কা খাবে। 
কিন্তু শুভেন্দুবাবু যদি তৃণমূল না ছাড়েন? আপাতত তিনি রাজনৈতিক বানপ্রস্থে চলে গিয়েছেন। সেটা কাটিয়ে বেরনো কঠিন হবে। এখন যাঁরা তাঁর অনুগামী হয়ে ইন্ধন জোগাচ্ছেন, তাঁরাও ধীরে ধীরে সরে যাবেন। তখন ছাতা হয়ে আবার আশ্রয় দিতে পারেন একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যিনি এখন থেকেই আসরে নেমে পড়েছেন। বলে দিয়েছেন, প্রতিটা ব্লকে অবজার্ভার তিনিই। প্রত্যেকের সমস্যার সমাধানও তিনিই করবেন। যেভাবে গত দশ বছর করে এসেছেন। স্কুলছুটদের ফেরাতে কন্যাশ্রীর ব্যবস্থা করেছেন। দরিদ্র বাবা যখন মেয়ের বিয়ে দিতে পারছেন না, এগিয়ে এসেছে তাঁর রূপশ্রী। দাবি উঠেছে কলেজের, বিশ্ববিদ্যালয়ের... পূরণ করেছেন তিনি। প্রশাসক হয়েও মানুষের থেকে দূরে চলে যাননি তিনি। এটাই যে তাঁর ইউএসপি।
বাঁকুড়ার শুনুকপাহাড়ীতে সভা করছেন মমতা। মাঠের মধ্যে আট থেকে আশি, সবাই। সার বেঁধে দাঁড়িয়ে তাঁরা... যুবতী, প্রৌঢ়া, বৃদ্ধা... হাত জোড় করে। এটাই যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি বাংলার মানুষের ভক্তি, ভালোবাসা। তাঁরা জানেন, এই নেত্রী যতদিন আছেন, তাঁদের সন্তানরা দুধে-ভাতে না থাকুক... না খেয়ে মরবে না।
রাজনীতির মধ্যে থেকেও যা একেবারে রাজনীতি নয়। শুধুই ভরসা।
01st  December, 2020
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা দেশের
জন্যও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ
জিষ্ণু বসু

বাঙালি ভারতের নবজাগরণের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালন করেছে। জীবন্ত জাগ্রত ভারতাত্মার পূজাবেদি ছিল বাংলা। ১৮৮২ সালে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র লিখলেন আনন্দমঠ উপন্যাস। বাঁধা হল ‘বন্দেমাতরম’ গান। দেশমাতৃকাকে দশপ্রহরণধারিণী দেবী দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন সাহিত্যসম্রাট। বিশদ

14th  January, 2021
এই রাজ্যে মেয়েদের
ভোট ভাগ করা যাবে না
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপি জানে, পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা দখল করতে না পারলে তাদের সিএএ-এনআরসি সব ব্যর্থ হয়ে যাবে। সারা দেশে একজন ব্যক্তিত্বই তাঁদের সব ভুলভাল কাজকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে লড়াই জারি রাখতে পারেন। তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির কাছে মমতা নামটাই জুজুর মতো। বিশদ

13th  January, 2021
বিজেপির প্রচারে স্বামীজি
আছেন, কিন্তু অনুসরণে...?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

স্বামীজি বলতেন, ‘এমন ধর্ম চাই, যার মূল মন্ত্র হবে মানবপ্রেম। এমন ধর্ম চাই, যা মানুষকে, বিশেষ করে অবহেলিত, পদদলিত মানুষকে প্রত্যক্ষ মানুষ বলে প্রচার করবে। খালি পেটে ধর্ম হয় না। ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে ধর্ম বা ঈশ্বর অর্থহীন।’ নাঃ... যে পরিব্রাজক এমন কথা বলতে পারেন, তাঁকে বিজেপি অন্তত অনুসরণ করে না। বিশদ

12th  January, 2021
বিবেকানন্দের স্বপ্নের
বাংলা আবার গঠিত হবে
জগৎপ্রকাশ নাড্ডা

এক নতুন ভারতবর্ষের স্বপ্ন দেখেছিলেন স্বামীজি, যেখানে দারিদ্র্যের মোচন এবং চেতনার উন্মেষ ঘটবে। এই কাজে প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ যুবশক্তি। বিশদ

12th  January, 2021
মহামারী, ভ্যাকসিন
এবং বিতর্ক
পি চিদম্বরম

মহামারী বিদায় নিচ্ছে বলে মনে হয়, তবে এখনও বিদায় হয়নি। ভ্যাকসিন আসছে বলে মনে হয়, তবে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছয়নি। কিন্তু একটা জিনিস বরাবর একজায়গায় রয়ে গিয়েছে, সেটা হল বিতর্ক! বিশদ

11th  January, 2021
আদি বনাম নব্য, বিজেপিতে
নরকগুলজার সপ্তমে
হিমাংশু সিংহ

শেষে হাটে হাঁড়িটা ভাঙলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষই। দলে স্বার্থপর দলবদলুদের দাপাদাপি দেখে আর স্থির থাকতে পারলেন না। বলেই বসলেন, একদিন যাঁরা নন্দীগ্রামে বিজেপিকে ঢুকতে বাধা দিয়েছিলেন, তাঁরাই আজ নতমস্তকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। আলিঙ্গন করছেন। একেবারে হক কথা। বিশদ

10th  January, 2021
রাজনীতিবিদদের ‘সৌজন্যে’ই
করোনার নয়া স্ট্রেইনে পঙ্গু ব্রিটেন
রূপাঞ্জনা দত্ত

বি.১.১.৭। কোভিডের নয়া অবতার বা বিলিতি স্ট্রেইনের পোশাকি নাম এটাই। চীনের উহান থেকে সার্স-কোভ-২ ছড়িয়ে পড়ার পর যতটা আতঙ্ক ছড়িয়েছিল বিশ্বজুড়ে, সেই দিনগুলিই ফিরিয়ে এনেছে ভাইরাসের এই নয়া রূপ। ‘ভাইরাস আন্ডার ইনভেস্টিগেশন’ থেকে ‘ভাইরাস অব কনসার্ন’ হতে এর খুব বেশিদিন সময় লাগেনি। বিশদ

10th  January, 2021
প্রচারকে নিয়েও রাজনীতি
করা যায়, দেখাচ্ছে বিজেপি

তন্ময় মল্লিক

তৃণমূলের ‘অতৃপ্ত আত্মা’রা চলে যাওয়ায় দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বও কমে গিয়েছে। দলের কর্মীরা যে মমতার সঙ্গে আছে, সেটা প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠছে। ভিড়ের প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে না পেরে বিজেপির অস্ত্র ‘হুইসপারিং ক্যাম্পেন’। বিশদ

09th  January, 2021
বিরোধী দলগুলির
স্থায়ী ক্ষতি হল
সমৃদ্ধ দত্ত

যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে বিজেপি সরব ছিল, তাঁদেরই বিজেপি এখন উচ্চপদে বরণ করছে। এর ফলে বিজেপির শক্তি ও প্রভাব হয়তো বাড়ছে বলে তারা মনে করছে। কিন্তু বড়সড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে ভাবমূর্তির। বিশদ

08th  January, 2021
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ এবং সংবাদদাতা: গৌড়বঙ্গের তিন জেলায় শনিবার উৎসবের মেজাজে করোনার টিকাকরণ কর্মসূচি হল। এদিন মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে টিকাকরণকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।   ...

বিজেপি নেতারা প্রতিদিনই দাবি করছেন, ক্ষমতায় আসার পর বাংলাকে ‘গুজরাত মডেল’-এ তৈরি করা হবে। কিন্তু উন্নয়নের নিরিখে গুজরাতের থেকে বাংলা কত এগিয়ে তা তথ্য তুলে ধরে দাবি করল তৃণমূল। সেইসঙ্গে পেট্রোল, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন তৃণমূল নেতৃত্ব। ...

হুগলির মগরা থানা এলাকার ভাঙাঘাটের বাসিন্দা এক স্কুলছাত্রী আত্মঘাতী হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃত ছাত্রীর নাম সানিয়া সাউ। ...

বিচ্ছিন্নতাবাদী খলিস্তানপন্থী সংগঠন ‘শিখ ফর জাস্টিস’-এর সঙ্গে যোগসাজশ নিয়ে বহু কৃষক নেতাকে সমন পাঠালো জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। সম্প্রতি শিখ ফর জাস্টিসের নেতা গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নু বলেছেন, ‘মানুষের ক্ষোভ, হতাশাকে কাজে লাগিয়ে ভয় এবং নৈরাজ্যের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বাড়তি অর্থ পাবার যোগ আছে। পদোন্নতির পাশাপাশি কর্মস্থান পরিবর্তন হতে পারে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পক্ষে থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪১ - বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম মাউন্ট এভারেস্ট রাখা হয়
১৯৪২: মার্কিন মুষ্টিযোদ্ধা মহম্মদ আলির জন্ম
১৯৪৫: গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারের জন্ম
১৯৫৩ - সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার এবং চিত্রপরিচালক অঞ্জন দত্তের জন্ম
২০১০: কমিউনিস্ট নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর মৃত্যু 
২০১১ - অভিনেত্রী গীতা দের মৃত্যু
২০১৪ - অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২৯ টাকা ৭৪.০০ টাকা
পাউন্ড ৯৭.৬৬ টাকা ১০১.১২ টাকা
ইউরো ৮৬.৭৮ টাকা ৮৯.৯৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৬৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,১২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,৮৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৫,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৫,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, চতুর্থী ৪/২৫ দিবা ৮/৯। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৬/২৩/৫, সূর্যাস্ত ৫/১০/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে  ৯/৫৮ মধ্যে, রাত্রি ৬/৫৫ গতে ৮/৪১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৫০ গতে ১/৩৪ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩ গতে ৬/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১২/১২ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৫ গতে ১/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৫ গতে ৩/৪ মধ্যে।
৩ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, চতুর্থী দিবা ৯/২৪। শতভিষা নক্ষত্র দিবা ৭/৪৮। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ গতে ১০/০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৮/৪৮ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ১/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১২ গতে ৭/৪ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৭ গতে ১/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। 
৩ জমাদিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: গোয়া ও মোহন বাগানের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র

09:32:47 PM

আইএসএল: গোয়া ১- মোহন বাগান ১ (৮৪ মিনিট)

09:18:38 PM

আইএসএল: গোয়া ০- মোহন বাগান ১ (৭৫ মিনিট)

09:15:00 PM

আইএমএ রাজ্যশাখার নির্বাচনে ফের জিতল তৃণমূলপন্থী প্যানেল

08:01:00 PM

করোনা পজেটিভ প্রয়াত সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মেয়ে পৌলমি

07:17:00 PM

সৌমিত্র খাঁ-কে তিরস্কার বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের
বিষ্ণুপুরের সংসদ সদস্য সৌমিত্র খাঁ-কে তিরস্কার করল বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। ...বিশদ

06:40:08 PM