Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

কিছুদিন আগে প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা (সিইএ) বলেছিলেন, ‘‘২০২০-২১ সালে ভারতে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট সারপ্লাস বা উদ্বৃত্ত হতে পারে।’’ তিনি আরও উল্লেখ করলেন যে প্রথম ত্রৈমাসিকে (এপ্রিল-জুন ২০২০) ‘‘আমাদের ১৯.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার উদ্বৃত্ত ছিল এবং পরবর্তী ত্রৈমাসিকগুলিতে যদি এই পারফর্ম্যান্স ধরে রাখা না যায় তবুও আমাদের কারেন্ট অ্যাকাউন্ট সারপ্লাস রয়ে যাবে বলে মনে হয়।’’ 
সিইএ ব্যাপারটিকে ‘আন্ডার হিটিং’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তার অর্থ চাহিদা উধাও হয়ে গিয়েছে এবং সরকারের তথাকথিত স্টিমুলাস প্যাকেজগুলিও (যা নগণ্য ও দিশাহীন) অন্তত চাহিদা বাড়িয়ে পূর্বের জায়গায় নিয়ে যেতে ব্যর্থ হয়েছে। চাহিদা পরিমাপের একটি ভালো দিক হল তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলির প্ল্যান্ট লোড ফ্যাক্টর। শক্তিমন্ত্রীর মতে, ২০২০-২১ সালে এটি মাত্র ৫৬.৫ শতাংশ স্পর্শ করবে। ‘আন্ডার হিটিং’ সত্ত্বেও মূল্য সূচকের পরিবর্তন (রিটেল ইনফ্লেশন) ৭.৬১ শতাংশে পৌঁছেছিল এবং   নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যের পাইকারি মূল্য সূচক (ফুড ইনফ্লেশন) বেড়ে হয়েছিল ১১.০৭ শতাংশ, যার ফলে গরিব মানুষের ঘাড়ে ভয়ানক আর্থিক বোঝা চেপে গিয়েছিল। 
চ্যালেঞ্জের মুখে চাকরি
কৃষি হল আশার আলো। ২০২০-তে রবি শস্যের ব্যাপক ফলন হয়েছে। খাদ্যশস্য উঠেছে ১৪৮ মিলিয়ন টন। এবছর খারিফ শস্যও ফলেছে প্রচুর—১৪৪ মিলিয়ন টন। এবছর ট্রাক্টরের বিক্রি বেড়েছে ৯ শতাংশ। ফাস্ট মুভিং কনজিউমার গুডস কোম্পানিজ (এফএমসিজি) অনুসারে জানানো যায় যে, শহরাঞ্চলের চেয়ে গ্রামাঞ্চলে চাহিদা ভালো রয়েছে। তবু গ্রামাঞ্চলে মজুরি হার বৃদ্ধির কোনও লক্ষণ নেই। 
সুতরাং অর্থনীতির ছবিটা যা দেখা যাচ্ছে তা ভালো-মন্দ মিশিয়ে। তার মধ্যে ভালোর চেয়ে খারাপটাই বেশি। বৃহত্তর দিক থেকে অর্থনীতির মূল্যায়নে বিকৃতি কিন্তু কাম্য নয়। সার্বিক দিক থেকে অর্থনীতির হাল খারাপ। নীতি  নির্ধারণে দিশার অভাব রয়েছে। অর্থনীতির হাল ফেরানোর ব্যাপারে যেসব দাবি করা হচ্ছে, সোজা কথায়, তা অতিরঞ্জিত। মূল দু’টি লক্ষণ হল—মানুষের চাকরি এবং মজুরি/আয়ের হালচাল কী।  
সরকারি পরিসংখ্যান যতক্ষণ না পাওয়া যাচ্ছে ততক্ষণ সিএমআইই-র তথ্যের উপরেই নজর রাখতে হচ্ছে। সিএমআইই-র হিসেবে, হালফিল বেকারত্বের হার হল ৬.৬৮ শতাংশ। একই সঙ্গে দেখে নেওয়া যাক ‘লেবার পার্টিসিপেশন রেট’ (১৬-৬৪ বছরের ভিতরে যাঁরা তাঁদেরকে কর্মক্ষম জনসংখ্যার মধ্যে ধরা হয়। এই জনসংখ্যার প্রতি ১০০ জনের মধ্যে যাঁরা চাকরি করছেন বা চাকরি খুঁজছেন তাঁদেরকে ধরা হয় এলপিআর) কেমন? মাত্র ৪১ শতাংশ, যা হতাশ করে। আর ফিমেল লেবার পার্টিসিপেশন রেট আরও হতাশাজনক—২৫ শতাংশ। প্রতি ১০০ জন চাকুরের মধ্যে মহিলা মাত্র ১১ জন। কিন্তু কাজ হারানো প্রতি ১১ জনের মধ্যে ৪ জন হলেন নারী। সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২০-র মধ্যে ভারতের ১১-১২ মিলিয়ন মানুষ লেবার ফোর্স থেকে ছিটকে গিয়েছেন। 
ধনীদের প্রতি পক্ষপাত 
অর্থনীতির ‘আন্ডার-হিটিং’ পরিস্থিতি ‘ওভার-হিটিং’-এর মতোই খারাপ। যখন ওভার-হিটিং ঘটে তখন ইনফ্লেশন বা মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। সুদের হার বেড়ে যায়। তাতে চাহিদা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শিল্প-বাণিজ্য সংস্থাগুলো উৎপাদন বাড়াতে আগ্রহী হয়। এইসময় যদি বাজারগুলো ঠিকঠাক চলে এবং সংশোধনের উপায়গুলো নেওয়া হয়, তাহলে কিন্তু চাহিদা ও জোগানের মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু ‘আন্ডার হিটিং’ ভারতের সামনে একটা নতুন চ্যালেঞ্জ। এটা এমন একটা বিষয়, যেটা মোকাবিলা করার পক্ষে মোদি সরকারকে অক্ষম বলেই মনে হয়। তার কারণ এই সরকারের গরিবদের পাশে দাঁড়ানোর থেকে কর্পোরেটদের লাই দেওয়ার ঝোঁকটা বেশি। এই প্রসঙ্গে একটা উদাহরণ দিতে পারি যে, কর ছাড়ের নামে কর্পোরেটদেরকে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার কোটি টাকার ‘বোনানজা’ দেওয়া হয়েছে। অথচ এই টাকাটা গরিবদের বিনামূল্যে রেশনের জন্য খরচ করা উচিত ছিল, অথবা তাঁদের মধ্যে ক্যাশ ট্রান্সফার বা নগদ হস্তান্তর করা যেত। কর্পোরেটরা এই পড়ে পাওয়া চোদ্দো আনা দিয়ে তাদের ধারদেনা মিটিয়েছে এবং ‘ক্যাশ হোল্ডিং’টাকে মজবুত করে নিয়েছে। তারা এর দরুন নতুন কোনও বিনিয়োগ করেনি। কিন্তু টাকা পেলে গরিব মানুষগুলোকে অনাহারের জ্বালা সইতে হতো না—তিন মাস যাবৎ প্রতি সপ্তাহের কয়েক দিন করে তাদের যে কষ্টটা করতে হয়েছিল। এই টাকা পেলে তারা খাবার, দুধ, ওষুধ এবং অন্যকিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস এবং পরিষেবা কিনতে পারত। তাতে করে সামগ্রিকভাবে চাহিদা অনেকটা বেড়ে যেত।
কারেন্ট অ্যাকাউন্টে সারপ্লাস ঘটার কারণ রপ্তানির অঙ্কটা আমদানিকে ছাপিয়ে গিয়েছে, যদিও ওই দু’টোই অতীতের মানদণ্ডে কমই। বাণিজ্য হ্রাসের ফল, কারেন্ট অ্যাকাউন্টে উদ্বৃত্ত এবং টাকা দামি হয়ে যাওয়ার (অ্যাপ্রিসিয়েটিং রুপি, অর্থাৎ মার্কিন ডলার কিনতে আগের চেয়ে কম পরিমাণ ভারতীয় মুদ্রার প্রয়োজন হলে) পরিণাম অর্থনীতির পক্ষে ভয়ানক হতে পারে। এই ঘটনার প্রধান বলি হয় চাকরি বা কাজের বাজার। এতে যে অদৃশ্য ‘ম্যাক্রো ইকনমিক এফেক্ট’ ঘটবে তার ফলে ভারতের সামান্য পুঁজিটাও বিদেশে লগ্নি হয়ে যাবে। ভাবুন কী ভয়ানক ব্যাপার—পুঁজি জোগাড়ের জন্য মরিয়া একটি উন্নয়নশীল দেশই, অন্য দেশে লগ্নির জন্য পুঁজি রপ্তানি করছে! এর ফলে, আমেরিকার ব্যবসায়ীরা অবশ্যই অতি সহজে প্রয়োজনীয় টাকা পেয়ে যাবে।
আত্মনির্ভরতা অথবা অর্থনৈতিক স্বয়ম্ভরতা
আমার গভীর বিশ্বাস যে ‘আত্মনির্ভর’-এর মস্তিষ্করা এই ধরনের ফলাফলের কথা ভাবেননি। যদি আত্মনির্ভর মানে হয় আত্মনির্ভরতার একটি মাত্রা, আমরা অবশ্যই সেটাকে স্বাগত জানাব। কিন্তু, পলিসি এবং প্র্যাকটিসের ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর-এর অর্থ যদি হয় প্রোটেকশনইজম বা সংরক্ষণবাদ, মুক্ত বাণিজ্যের বিরুদ্ধাচারণ, উচ্চ হারে বাণিজ্য শুল্ক, অর্থনৈতিক স্বয়ম্ভরতার নীতিগ্রহণ এবং লাইসেন্সপ্রথা, নিয়ন্ত্রণ, সালিশি ও বিবেচনার কানুন ফিরিয়ে আনা—তাহলে নিশ্চিতরূপে বিপর্যয় ডেকে আনা হবে। আমি আশা করব যে মোদিজি ট্রাম্পের থেকে বড় ট্রাম্প হবেন না। 
আমরা আজ এক অবাক পৃথিবীতে বাস করছি। এখানে কমিউনিস্ট চীনের প্রেসিডেন্ট মুক্ত বাণিজ্য ও বিশ্বায়নের পক্ষে উদ্বাহু হয়ে কীর্তন করছেন। অন্যদিকে, ধনতান্ত্রিক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বাণিজ্য চুক্তি, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লুটিও), মুক্ত বাণিজ্য, জলবায়ুর পরিবর্তন এবং প্যারিস চুক্তি নিয়ে তির্যক ভাষায় কথা বলছেন! পৃথিবীটাতে কি উলট-পুরাণে প্রবেশ করল?
অর্থনীতিবিদ প্রফেসর রাজ কৃষ্ণ যেটাকে ‘হিন্দু রেট অফ গ্রোথ’ নাম দিয়েছিলেন তা থেকে বেরিয়ে আসতে ভারত তিরিশ বছর সময় নিয়েছিল। যদিও আমি মনে করি, প্রাচীন চোল এবং মৌর্য সাম্রাজ্যের হিন্দু রাজারা ছিলেন অনেক দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, বহির্বিশ্বের দিকে তাকাতেন তাঁরা এবং তাঁরা চীন, ইন্দোনেশিয়া ও রোম পর্যন্ত অর্থনীতির বিস্তার ঘটিয়েছিলেন। তাঁরা ছিলেন সত্যিকার বিশ্বায়নবাদী। তাঁদের আমলে বিশ্বের মোট উৎপাদনের (ওয়ার্ল্ড’স জিডিপি) ২৫ শতাংশ পর্যন্ত একা ভারতের ছিল। সেই রাজতন্ত্রের যুগে, যখন কোনও প্রশিক্ষিত অর্থনীতিবিদ ছিলেন না—ভারত কিন্তু তখন মুক্ত বাণিজ্যকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা আমাদের সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু আমি ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি লো গ্রোথ বা নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। 
অক্সফোর্ড অর্থনীতি আমাদের হুঁশিয়ার করেছে যে, আগামী পাঁচ বছরে ভারতের ক্ষেত্রে গড় বৃদ্ধির হার ৪.৫ শতাংশ হতে পারে। এটা একটা ‘ওয়েক আপ কল’।  
লেখক সংসদ সদস্য ও ভারতের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। মতামত ব্যক্তিগত
30th  November, 2020
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা দেশের
জন্যও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ
জিষ্ণু বসু

বাঙালি ভারতের নবজাগরণের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালন করেছে। জীবন্ত জাগ্রত ভারতাত্মার পূজাবেদি ছিল বাংলা। ১৮৮২ সালে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র লিখলেন আনন্দমঠ উপন্যাস। বাঁধা হল ‘বন্দেমাতরম’ গান। দেশমাতৃকাকে দশপ্রহরণধারিণী দেবী দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন সাহিত্যসম্রাট। বিশদ

14th  January, 2021
এই রাজ্যে মেয়েদের
ভোট ভাগ করা যাবে না
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপি জানে, পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা দখল করতে না পারলে তাদের সিএএ-এনআরসি সব ব্যর্থ হয়ে যাবে। সারা দেশে একজন ব্যক্তিত্বই তাঁদের সব ভুলভাল কাজকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে লড়াই জারি রাখতে পারেন। তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির কাছে মমতা নামটাই জুজুর মতো। বিশদ

13th  January, 2021
বিজেপির প্রচারে স্বামীজি
আছেন, কিন্তু অনুসরণে...?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

স্বামীজি বলতেন, ‘এমন ধর্ম চাই, যার মূল মন্ত্র হবে মানবপ্রেম। এমন ধর্ম চাই, যা মানুষকে, বিশেষ করে অবহেলিত, পদদলিত মানুষকে প্রত্যক্ষ মানুষ বলে প্রচার করবে। খালি পেটে ধর্ম হয় না। ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে ধর্ম বা ঈশ্বর অর্থহীন।’ নাঃ... যে পরিব্রাজক এমন কথা বলতে পারেন, তাঁকে বিজেপি অন্তত অনুসরণ করে না। বিশদ

12th  January, 2021
বিবেকানন্দের স্বপ্নের
বাংলা আবার গঠিত হবে
জগৎপ্রকাশ নাড্ডা

এক নতুন ভারতবর্ষের স্বপ্ন দেখেছিলেন স্বামীজি, যেখানে দারিদ্র্যের মোচন এবং চেতনার উন্মেষ ঘটবে। এই কাজে প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ যুবশক্তি। বিশদ

12th  January, 2021
মহামারী, ভ্যাকসিন
এবং বিতর্ক
পি চিদম্বরম

মহামারী বিদায় নিচ্ছে বলে মনে হয়, তবে এখনও বিদায় হয়নি। ভ্যাকসিন আসছে বলে মনে হয়, তবে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছয়নি। কিন্তু একটা জিনিস বরাবর একজায়গায় রয়ে গিয়েছে, সেটা হল বিতর্ক! বিশদ

11th  January, 2021
আদি বনাম নব্য, বিজেপিতে
নরকগুলজার সপ্তমে
হিমাংশু সিংহ

শেষে হাটে হাঁড়িটা ভাঙলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষই। দলে স্বার্থপর দলবদলুদের দাপাদাপি দেখে আর স্থির থাকতে পারলেন না। বলেই বসলেন, একদিন যাঁরা নন্দীগ্রামে বিজেপিকে ঢুকতে বাধা দিয়েছিলেন, তাঁরাই আজ নতমস্তকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। আলিঙ্গন করছেন। একেবারে হক কথা। বিশদ

10th  January, 2021
রাজনীতিবিদদের ‘সৌজন্যে’ই
করোনার নয়া স্ট্রেইনে পঙ্গু ব্রিটেন
রূপাঞ্জনা দত্ত

বি.১.১.৭। কোভিডের নয়া অবতার বা বিলিতি স্ট্রেইনের পোশাকি নাম এটাই। চীনের উহান থেকে সার্স-কোভ-২ ছড়িয়ে পড়ার পর যতটা আতঙ্ক ছড়িয়েছিল বিশ্বজুড়ে, সেই দিনগুলিই ফিরিয়ে এনেছে ভাইরাসের এই নয়া রূপ। ‘ভাইরাস আন্ডার ইনভেস্টিগেশন’ থেকে ‘ভাইরাস অব কনসার্ন’ হতে এর খুব বেশিদিন সময় লাগেনি। বিশদ

10th  January, 2021
প্রচারকে নিয়েও রাজনীতি
করা যায়, দেখাচ্ছে বিজেপি

তন্ময় মল্লিক

তৃণমূলের ‘অতৃপ্ত আত্মা’রা চলে যাওয়ায় দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বও কমে গিয়েছে। দলের কর্মীরা যে মমতার সঙ্গে আছে, সেটা প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠছে। ভিড়ের প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে না পেরে বিজেপির অস্ত্র ‘হুইসপারিং ক্যাম্পেন’। বিশদ

09th  January, 2021
বিরোধী দলগুলির
স্থায়ী ক্ষতি হল
সমৃদ্ধ দত্ত

যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে বিজেপি সরব ছিল, তাঁদেরই বিজেপি এখন উচ্চপদে বরণ করছে। এর ফলে বিজেপির শক্তি ও প্রভাব হয়তো বাড়ছে বলে তারা মনে করছে। কিন্তু বড়সড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে ভাবমূর্তির। বিশদ

08th  January, 2021
একনজরে
বিচ্ছিন্নতাবাদী খলিস্তানপন্থী সংগঠন ‘শিখ ফর জাস্টিস’-এর সঙ্গে যোগসাজশ নিয়ে বহু কৃষক নেতাকে সমন পাঠালো জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। সম্প্রতি শিখ ফর জাস্টিসের নেতা গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নু বলেছেন, ‘মানুষের ক্ষোভ, হতাশাকে কাজে লাগিয়ে ভয় এবং নৈরাজ্যের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ...

শপথ নেওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে ১০ কোটি আমেরিকান নাগরিককে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। দেশের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে শুক্রবার এই ঘোষণা করেন বাইডেন। ...

করাচি: দীর্ঘ ১৪ বছর পর পাকিস্তান সফরে পৌঁছল দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল। ২০০৭ সালে শেষবার পাক সফরে গিয়েছিল প্রোটিয়া ব্রিগেড। শনিবার করাচিতে পা রাখেন কুইন্টন ডি’ককরা। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দু’টি টেস্ট ও তিনটি টি-২০ ম্যাচ খেলবেন তাঁরা। টেস্ট সিরিজ শুরু হবে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ এবং সংবাদদাতা: গৌড়বঙ্গের তিন জেলায় শনিবার উৎসবের মেজাজে করোনার টিকাকরণ কর্মসূচি হল। এদিন মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে টিকাকরণকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বাড়তি অর্থ পাবার যোগ আছে। পদোন্নতির পাশাপাশি কর্মস্থান পরিবর্তন হতে পারে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পক্ষে থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪১ - বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম মাউন্ট এভারেস্ট রাখা হয়
১৯৪২: মার্কিন মুষ্টিযোদ্ধা মহম্মদ আলির জন্ম
১৯৪৫: গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারের জন্ম
১৯৫৩ - সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার এবং চিত্রপরিচালক অঞ্জন দত্তের জন্ম
২০১০: কমিউনিস্ট নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর মৃত্যু 
২০১১ - অভিনেত্রী গীতা দের মৃত্যু
২০১৪ - অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২৯ টাকা ৭৪.০০ টাকা
পাউন্ড ৯৭.৬৬ টাকা ১০১.১২ টাকা
ইউরো ৮৬.৭৮ টাকা ৮৯.৯৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৬৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,১২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,৮৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৫,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৫,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, চতুর্থী ৪/২৫ দিবা ৮/৯। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৬/২৩/৫, সূর্যাস্ত ৫/১০/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে  ৯/৫৮ মধ্যে, রাত্রি ৬/৫৫ গতে ৮/৪১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৫০ গতে ১/৩৪ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩ গতে ৬/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১২/১২ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৫ গতে ১/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৫ গতে ৩/৪ মধ্যে।
৩ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, চতুর্থী দিবা ৯/২৪। শতভিষা নক্ষত্র দিবা ৭/৪৮। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ গতে ১০/০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৮/৪৮ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ১/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১২ গতে ৭/৪ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৭ গতে ১/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। 
৩ জমাদিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: গোয়া ১- মোহন বাগান ১ (৮৪ মিনিট)

09:13:20 PM

আইএসএল: গোয়া ০- মোহন বাগান ১ (৮২ মিনিট)

09:10:00 PM

আইএমএ রাজ্যশাখার নির্বাচনে ফের জিতল তৃণমূলপন্থী প্যানেল

08:01:00 PM

করোনা পজেটিভ প্রয়াত সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মেয়ে পৌলমি

07:17:00 PM

সৌমিত্র খাঁ-কে তিরস্কার বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের
বিষ্ণুপুরের সংসদ সদস্য সৌমিত্র খাঁ-কে তিরস্কার করল বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। ...বিশদ

06:40:08 PM

বামফ্রন্ট–কংগ্রেস আসনরফা অধরাই
শিয়রে বিধানসভা ভোট।  কিন্তু এখনও বাংলায় বাম-কংগ্রেসের আসন রফার জট ...বিশদ

06:14:36 PM