Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। হলদিয়ায় এককালের বাম নেতা শ্যামল মাইতিও যোগ দিয়েছেন গেরুয়া শিবিরে। আবার সরাসরি যোগ না দিয়ে তলায় তলায় কাজ করছেন অনেকে। রয়েছেন সুযোগের অপেক্ষায়। এভাবেই জেলায় জেলায় বাম মিছিলে হাঁটা লোক মিশছে রামে। হাতে তুলে নিচ্ছে পদ্ম। খাল কেটে এ রাজ্যে কুমির আনার বিপজ্জনক খেলায় মেতেছে গোটা দলটা। পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে ফ্যাসিস্ট গেরুয়া শক্তি আজ যে কষ্টকল্পিত স্বপ্নটা দেখছে তার ভিত্তি কী? খুব সোজা হিসেব। দীর্ঘ একযুগ ধরে কমতে থাকা বাম ভোটে চূড়ান্ত থাবাটা বসানোর অপেক্ষা। অথচ বামপন্থীরা চূড়ান্ত হতাশায় না ভুগলে এ রাজ্যে তাদের ভোট কোনওভাবেই ২৫ শতাংশের নীচে নামতে পারে না। কিন্তু দুঃখের কথা, তৃণমূলকে শিক্ষা দিতে আবারও সেই আত্মঘাতী পথেই হাঁটছে বঙ্গীয় কমরেডরা। বিজেপি আর মমতাকে এক আসনে বসাতে গিয়ে নিজেদের জনবিচ্ছিন্নতাকেই আরও প্রকট করে তুলছে।
ভোটার তো রাতারাতি তৈরি হয় না। কিন্তু এক দলের ভোট অতি সহজেই পরের নির্বাচনে শত্রু শিবিরে চলে যায়। এ রাজ্যেও সেই অদ্ভুত রসায়নের দিকেই তাকিয়ে বিজেপি। এ খেলা শুরু হয়ে গিয়েছে গত লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকে। বামের ভোট রামে। সঙ্গে লাল পার্টির অন্দরে অদ্ভুত ফিসফিসানি, একুশে রাম, ছাব্বিশে ফের বাম। সেই অলীক স্বপ্নকে সামনে রেখেই লাল পতাকা নিয়ে হাঁটা মানুষের ভোট পড়ছে রামে। নাহলে এ রাজ্যে সিপিএমের ভোট ৬.৩ শতাংশ আর বিজেপির ভোট ৪০ শতাংশের বেশি, এই উলটপুরাণের পরিসংখ্যান আলিমুদ্দিনের কর্তারা সহজে হজম করতে পারতেন না। অথচ ৩৪ বছর টানা বাংলাজুড়ে একচেটিয়া কর্তৃত্ব করার পর ২০১১ সালে মমতার হাতে ভরাডুবির নির্বাচনেও এ রাজ্যে ৩০ শতাংশ ভোট পেয়েছিল সিপিএম। ৬ মাসেই ঘুরে দাঁড়ানোর শপথও নিয়েছিল। ব্রিগেডে যখনই সভা হয়েছে, তখনই মাঠ উপচে গিয়েছে। শ্রদ্ধেয় বিমানবাবুরা আহ্লাদিত হয়েছেন। কিন্তু কৃষক, শ্রমিক, খেটে খাওয়া মানুষের ভোট আর ফেরেনি। পক্বকেশ নেতৃত্বের উপর কমরেডরা আস্থা রাখতে পারেননি। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে বামেদের ভোট কমে দাঁড়ায় ২০ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস জোট করেও চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়। পার্ক সার্কাস ময়দানে বুদ্ধদেববাবু ও রাহুল গান্ধী একে অপরকে মালা পরিয়ে উষ্ণ আলিঙ্গন করলেও তার কোনও প্রতিফলন দেখা যায়নি ভোটযন্ত্রে। এরপর থেকেই রাজ্য রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে গেরুয়া শিবিরে যাওয়ার ঝোঁক বেড়েছে। ২০১৯ এর লোকসভা ভোটের ফল সেই ভয়ঙ্কর পরিণতির ইঙ্গিতই বহন করছে। 
কিন্তু নিজের নাক কেটে তৃণমূলের যাত্রা ভঙ্গ করার এই চোরাগোপ্তা খেলায় সিপিএমের লাভ? এই ভাবের ঘরে চুরি আর কতদিন চলবে! কমরেডরা বুঝতে পারছেন না, এই সর্বনাশা খেলা দলটার আরও বারোটা বাজিয়ে দেবে। শেষে অস্তিত্বটাই বিপন্ন হবে। সর্বনাশ হয়ে যাবে রাজ্যটার। এই উপলব্ধি এখনই না হলে ফ্যাসিস্ট শক্তি যে আলিমুদ্দিনের একটা ইটও আস্ত রাখবে না সে কথা বোঝাবে কে? এবং ইতিহাসে সিপিএম যত বড় বড় ভুল করেছে তার সব রেকর্ড ছাপিয়ে যাবে। কারণ অবশিষ্ট ৬ শতাংশ ভোটও যদি নীতির ভুলে অবাঙালি প্রধান বহিরাগত নেতায় ভরা দলের ঝুলিতে চলে যায় তার সম্পূর্ণ দায়ভার বর্তাবে বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্রদের উপর। ছাব্বিশ কেন, ছত্রিশেও সেই ভুল সংশোধন করে ফেরার সুযোগ পাবে না বামপন্থীরা। আর একটা কথা বলি, সিপিএম অতীতে যাই করে থাকুক, আদ্যন্ত বাংলার মাটিতে মিশে থাকা দল। কোনও ভিনদেশি বর্গি, শাহ, নাড্ডা এই বাংলায় এ দলের নিয়ন্ত্রক নন। দলের সুর ও কৌশল বেঁধে দেওয়ার জন্য কখনও ডাকতে হয়নি কোনও কিশোরকুমারকেও। আর গত ৮-৯ মাসের লকডাউন পর্বে হীনবল হয়েও সাম্প্রদায়িক বিষ না ছড়িয়ে বামেরা যেভাবে কলকাতা থেকে দূর জেলায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, তাও অত্যন্ত প্রশংসাযোগ্য।
১৯৯৬ সালে মাত্র ৩২ জন এমপি নিয়ে জ্যোতি বসুর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন ভোটাভুটিতেই ভেস্তে দিয়েছিল দল। ওই পদক্ষেপ কত বড় ভুল ছিল, তা নিয়ে আজ এই দুর্দিনেও দল আড়াআড়ি বিভক্ত। এখনও তিনজন বামপন্থী একজায়গায় বসলে তা নিয়ে ঝড় ওঠে। কিন্তু তখন দল অস্তিত্ব সঙ্কটের মধ্যে ছিল না। তারপরও দীর্ঘ ১৫ বছর বামেরা পশ্চিমবঙ্গ শাসন করেছে হেসেখেলে। ত্রিপুরায় লাল পতাকা উড়েছে।  কেরলে ক্ষমতায় এসেছে গেছে। মাঝে ২০০৪ সালে ৫৯ জন এমপি নিয়ে মনমোহন সরকারের প্রাণভোমরার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল বামেরা। কেউ কেউ বলেন, মনমোহনের মন্ত্রিসভায় যোগ না দিলেও ২০০৪ থেকে ২০০৮, ওই চারবছরই ছিল এদেশে বামপন্থীদের স্বর্ণযুগ। কিন্তু ওই যে বললাম, সুখে থাকতে ভূতে কিলোয়। পাঁচবছর যেতে না যেতেই পরমাণু চুক্তি ইস্যুতে সমর্থন প্রত্যাহার করে প্রথম দলের পায়ে কুড়ুল মারলেন প্রকাশ কারাত সাহেব। তার আগেই অবশ্য ২৩৫-এর অহঙ্কারে বুদ্ধদেববাবু সিঙ্গুরের কৃষকদের খেপিয়ে বসে আছেন। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নন্দীগ্রাম আন্দোলন। পার্টি ল্যাজে গোবরে। কিন্তু ২০০৮ থেকে ২০২০— দীর্ঘ এক যুগ ধরে সিপিএমের এই ক্রমশ জনবিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণ কি শুধুই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতির কাছে পরাজয়, নাকি পদে পদে ভুল সিদ্ধান্ত, বিভ্রান্তিকর পদক্ষেপ? কে বড় শত্রু তা চিনতে ভুল করা? সেই আত্মসমীক্ষা কি বামদলগুলি করেছে? ২০০৪ সালে যে সিপিএম রাজ্যে ২৬টি আসন জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল (আর বামফ্রন্ট সেবার পেয়েছিল সবমিলিয়ে ৩৫ টি), সেই দলই ২০০৯ সালে কেন মাত্র ৯টি আসন পেল? আর মমতার দল ১৯টি জিতে বাংলার চালকের আসন দখল করে নিল। কোথায় ভুল ছিল। দায়ী কে? বামেদের রক্তক্ষরণের তো সেই শুরু, যা আজও শেষ হয়নি। এখন একটাই অপেক্ষা, আগামী বিধানসভা ভোটে বামেরা শুধু নিজেদের ভোটটা নিজেদের প্রতীকে দিন। রাগে অভিমানে হতাশায় অন্যরকম কিছু করলে মুছে যেতে হবে। ইতিহাস তখন ক্ষমা করবে না।
গত লোকসভা ভোটে সারা দেশে ৭০টি আসনে প্রার্থী দিয়ে সিপিএম মাত্র তিনটি আসন জিতেছে। পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায় দলের প্রাপ্তি শূন্য। এই বিপর্যয়ের সবচেয়ে বড় কারণ হল কে বড় শত্রু তা চিহ্নিত করতেই একযুগ কেটে যাওয়া। বিজেপি ও কংগ্রেস থেকে সমদূরত্ব বজায় রাখার রাজনীতি করতে গিয়ে গেরুয়া শক্তির বাড়বৃদ্ধিকেই ঘুরিয়ে ত্বরান্বিত করেছে দেশীয় বামপন্থীরা। সেই প্রক্রিয়ারই আজ নগ্নরূপ দেখছে পশ্চিমবঙ্গ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মুখোমুখি লড়াইয়ে না পেরে তলে তলে দলের নীচের তলা বিজেপিকে সাহায্য করছে। এর বিষময় পরিণামটা এখনও টের পাচ্ছে না। তৃণমূলকে শিক্ষা দেওয়ার নামে বিজেপিকে জমি ছেড়ে দেওয়ার অর্থ বিরোধী শক্তিকেই দুর্বল করা। তৃণমূল ও বিজেপির থেকে সমদূরত্বের রাজনীতির অর্থ আখেরে মোদি, অমিত শাহ তথা সঙ্ঘ পরিবারকেই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে অক্সিজেন দেওয়া। নির্ণায়ক নির্বাচনে দুই প্রধান শত্রু থেকে সমদূরত্বের অবস্থান আদতে সোনার পাথরবাটি ছাড়া আর কিছুই নয়। এই ভুল না ভাঙলে বঙ্গের বামপন্থীরা অচিরেই ফসিল হয়ে যাবেন!
কংগ্রেসমুক্ত ভারতের ডাক দিয়ে নরেন্দ্র মোদি তাঁর দিল্লি যাত্রা শুরু করেছিলেন বটে, এখন কিন্তু অভিমুখ আরও ধারালো। আরও সুনির্দিষ্ট। শুধু আর কংগ্রেসমুক্ত ভারত নয়, এবার লক্ষ্য বিরোধীশূন্য রাষ্ট্র। আর সেই লক্ষ্যেই যেন তেন প্রকারে মমতাকে দুর্বল করার কাজে বামেরা যদি সঙ্গ দেয় তাহলে তো সোনায় সোহাগা। জয়ললিতা নেই। মায়াবতীর রাজনৈতিক অবস্থান বিজেপির পক্ষে। মুলায়মের বয়স হয়েছে। অখিলেশ অনেকটাই ক্ষীণবল। বিজেপির পক্ষে থাকলেও বিহারে নীতীশ কুমারের এতদিন একটা স্বাধীন দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। বিহারের সাম্প্রতিক 
নির্বাচনে তিনি ফের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন বটে কিন্তু তাঁর সরকারের পুরো নিয়ন্ত্রণ অমিত শাহের হাতে। সরকারে জুনিয়র পার্টনার নীতীশ আজ কার্যত বিজেপির হাতের পুতুল। নবীনবাবু কিংবা কেসিআর খুব বেশি মোদিজিকে চটাবেন না। তাহলে রইল বাকি কে? তাই আগামী ২০২৪-এর সাধারণ নির্বাচনের আগে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মতো 
অবস্থায় একমাত্র বাংলার অবিসংবাদিত নেত্রী মমতা। তাই বামেদের ক্রমে ক্ষয়ে যাওয়া ভোট ব্যাঙ্ক থেকে আরও তিন-চার শতাংশ  যদি কৌশলে টেনে নেওয়া যায় তাহলেই তো গেরুয়া পার্টির কেল্লা ফতে! সিপিএমের মিছিলে হাঁটা কমরেডরা বাংলায় পদ্মফুল ফোটালে লাভ কার?
কিন্তু মমতাকে দুর্বল করতে ফ্যাসিস্ট আরএসএসের তালে তাল মেলালে ইতিহাস কি বামপন্থীদের ক্ষমা করবে? বিয়াল্লিশের ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় দেশীয় বাম নেতৃত্বের নেতিবাচক ভূমিকা কিংবা নেতাজিকে বিশ্বাসঘাতক বলে দেগে দেওয়ার কলঙ্ক আজও ইতিহাস থেকে মোছেনি। ঠিক তেমনি বামপন্থী মিছিলে হাঁটা লোক যদি পদ্মফুলে বোতাম টেপে তাহলে বাংলার মানুষ ক্ষমা করবে না। আর যাঁরা ভাবছেন এতে করে আখেরে লাভ হবে, তাঁদের সম্মান দিয়েই বলি, এতে জাত যাবে পেটও ভরবে না। সঙ্ঘ পরিবার আষ্টেপৃষ্ঠে রাজ্যটাকে ঘিরে ফেলবে। সঙ্ঘ পরিবারের শৃঙ্খলে বাংলা ও বাংলার মানুষ বন্দি হয়ে যাবে। বামপন্থীদের ঘুরে দাঁড়ানো তখন চিরতরে দুঃস্বপ্ন হয়েই থেকে যাবে।
29th  November, 2020
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা দেশের
জন্যও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ
জিষ্ণু বসু

বাঙালি ভারতের নবজাগরণের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালন করেছে। জীবন্ত জাগ্রত ভারতাত্মার পূজাবেদি ছিল বাংলা। ১৮৮২ সালে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র লিখলেন আনন্দমঠ উপন্যাস। বাঁধা হল ‘বন্দেমাতরম’ গান। দেশমাতৃকাকে দশপ্রহরণধারিণী দেবী দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন সাহিত্যসম্রাট। বিশদ

14th  January, 2021
এই রাজ্যে মেয়েদের
ভোট ভাগ করা যাবে না
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপি জানে, পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা দখল করতে না পারলে তাদের সিএএ-এনআরসি সব ব্যর্থ হয়ে যাবে। সারা দেশে একজন ব্যক্তিত্বই তাঁদের সব ভুলভাল কাজকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে লড়াই জারি রাখতে পারেন। তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির কাছে মমতা নামটাই জুজুর মতো। বিশদ

13th  January, 2021
বিজেপির প্রচারে স্বামীজি
আছেন, কিন্তু অনুসরণে...?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

স্বামীজি বলতেন, ‘এমন ধর্ম চাই, যার মূল মন্ত্র হবে মানবপ্রেম। এমন ধর্ম চাই, যা মানুষকে, বিশেষ করে অবহেলিত, পদদলিত মানুষকে প্রত্যক্ষ মানুষ বলে প্রচার করবে। খালি পেটে ধর্ম হয় না। ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে ধর্ম বা ঈশ্বর অর্থহীন।’ নাঃ... যে পরিব্রাজক এমন কথা বলতে পারেন, তাঁকে বিজেপি অন্তত অনুসরণ করে না। বিশদ

12th  January, 2021
বিবেকানন্দের স্বপ্নের
বাংলা আবার গঠিত হবে
জগৎপ্রকাশ নাড্ডা

এক নতুন ভারতবর্ষের স্বপ্ন দেখেছিলেন স্বামীজি, যেখানে দারিদ্র্যের মোচন এবং চেতনার উন্মেষ ঘটবে। এই কাজে প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ যুবশক্তি। বিশদ

12th  January, 2021
মহামারী, ভ্যাকসিন
এবং বিতর্ক
পি চিদম্বরম

মহামারী বিদায় নিচ্ছে বলে মনে হয়, তবে এখনও বিদায় হয়নি। ভ্যাকসিন আসছে বলে মনে হয়, তবে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছয়নি। কিন্তু একটা জিনিস বরাবর একজায়গায় রয়ে গিয়েছে, সেটা হল বিতর্ক! বিশদ

11th  January, 2021
আদি বনাম নব্য, বিজেপিতে
নরকগুলজার সপ্তমে
হিমাংশু সিংহ

শেষে হাটে হাঁড়িটা ভাঙলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষই। দলে স্বার্থপর দলবদলুদের দাপাদাপি দেখে আর স্থির থাকতে পারলেন না। বলেই বসলেন, একদিন যাঁরা নন্দীগ্রামে বিজেপিকে ঢুকতে বাধা দিয়েছিলেন, তাঁরাই আজ নতমস্তকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। আলিঙ্গন করছেন। একেবারে হক কথা। বিশদ

10th  January, 2021
রাজনীতিবিদদের ‘সৌজন্যে’ই
করোনার নয়া স্ট্রেইনে পঙ্গু ব্রিটেন
রূপাঞ্জনা দত্ত

বি.১.১.৭। কোভিডের নয়া অবতার বা বিলিতি স্ট্রেইনের পোশাকি নাম এটাই। চীনের উহান থেকে সার্স-কোভ-২ ছড়িয়ে পড়ার পর যতটা আতঙ্ক ছড়িয়েছিল বিশ্বজুড়ে, সেই দিনগুলিই ফিরিয়ে এনেছে ভাইরাসের এই নয়া রূপ। ‘ভাইরাস আন্ডার ইনভেস্টিগেশন’ থেকে ‘ভাইরাস অব কনসার্ন’ হতে এর খুব বেশিদিন সময় লাগেনি। বিশদ

10th  January, 2021
প্রচারকে নিয়েও রাজনীতি
করা যায়, দেখাচ্ছে বিজেপি

তন্ময় মল্লিক

তৃণমূলের ‘অতৃপ্ত আত্মা’রা চলে যাওয়ায় দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বও কমে গিয়েছে। দলের কর্মীরা যে মমতার সঙ্গে আছে, সেটা প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠছে। ভিড়ের প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে না পেরে বিজেপির অস্ত্র ‘হুইসপারিং ক্যাম্পেন’। বিশদ

09th  January, 2021
বিরোধী দলগুলির
স্থায়ী ক্ষতি হল
সমৃদ্ধ দত্ত

যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে বিজেপি সরব ছিল, তাঁদেরই বিজেপি এখন উচ্চপদে বরণ করছে। এর ফলে বিজেপির শক্তি ও প্রভাব হয়তো বাড়ছে বলে তারা মনে করছে। কিন্তু বড়সড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে ভাবমূর্তির। বিশদ

08th  January, 2021
একনজরে
শপথ নেওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে ১০ কোটি আমেরিকান নাগরিককে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। দেশের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে শুক্রবার এই ঘোষণা করেন বাইডেন। ...

বিচ্ছিন্নতাবাদী খলিস্তানপন্থী সংগঠন ‘শিখ ফর জাস্টিস’-এর সঙ্গে যোগসাজশ নিয়ে বহু কৃষক নেতাকে সমন পাঠালো জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। সম্প্রতি শিখ ফর জাস্টিসের নেতা গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নু বলেছেন, ‘মানুষের ক্ষোভ, হতাশাকে কাজে লাগিয়ে ভয় এবং নৈরাজ্যের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ এবং সংবাদদাতা: গৌড়বঙ্গের তিন জেলায় শনিবার উৎসবের মেজাজে করোনার টিকাকরণ কর্মসূচি হল। এদিন মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে টিকাকরণকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।   ...

করাচি: দীর্ঘ ১৪ বছর পর পাকিস্তান সফরে পৌঁছল দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল। ২০০৭ সালে শেষবার পাক সফরে গিয়েছিল প্রোটিয়া ব্রিগেড। শনিবার করাচিতে পা রাখেন কুইন্টন ডি’ককরা। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দু’টি টেস্ট ও তিনটি টি-২০ ম্যাচ খেলবেন তাঁরা। টেস্ট সিরিজ শুরু হবে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বাড়তি অর্থ পাবার যোগ আছে। পদোন্নতির পাশাপাশি কর্মস্থান পরিবর্তন হতে পারে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পক্ষে থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪১ - বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম মাউন্ট এভারেস্ট রাখা হয়
১৯৪২: মার্কিন মুষ্টিযোদ্ধা মহম্মদ আলির জন্ম
১৯৪৫: গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারের জন্ম
১৯৫৩ - সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার এবং চিত্রপরিচালক অঞ্জন দত্তের জন্ম
২০১০: কমিউনিস্ট নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর মৃত্যু 
২০১১ - অভিনেত্রী গীতা দের মৃত্যু
২০১৪ - অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২৯ টাকা ৭৪.০০ টাকা
পাউন্ড ৯৭.৬৬ টাকা ১০১.১২ টাকা
ইউরো ৮৬.৭৮ টাকা ৮৯.৯৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৬৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,১২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,৮৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৫,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৫,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, চতুর্থী ৪/২৫ দিবা ৮/৯। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৬/২৩/৫, সূর্যাস্ত ৫/১০/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে  ৯/৫৮ মধ্যে, রাত্রি ৬/৫৫ গতে ৮/৪১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৫০ গতে ১/৩৪ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩ গতে ৬/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১২/১২ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৫ গতে ১/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৫ গতে ৩/৪ মধ্যে।
৩ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, চতুর্থী দিবা ৯/২৪। শতভিষা নক্ষত্র দিবা ৭/৪৮। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ গতে ১০/০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৮/৪৮ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ১/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১২ গতে ৭/৪ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৭ গতে ১/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। 
৩ জমাদিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএমএ রাজ্যশাখার নির্বাচনে ফের জিতল তৃণমূলপন্থী প্যানেল

08:01:00 PM

করোনা পজেটিভ প্রয়াত সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মেয়ে পৌলমি

07:17:00 PM

সৌমিত্র খাঁ-কে তিরস্কার বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের
বিষ্ণুপুরের সংসদ সদস্য সৌমিত্র খাঁ-কে তিরস্কার করল বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। ...বিশদ

06:40:08 PM

বামফ্রন্ট–কংগ্রেস আসনরফা অধরাই
শিয়রে বিধানসভা ভোট।  কিন্তু এখনও বাংলায় বাম-কংগ্রেসের আসন রফার জট ...বিশদ

06:14:36 PM

চড় মারার অভিযোগ মহেশ মঞ্জরেকরের বিরুদ্ধে
এ কী করলেন মহেশ মঞ্জরেকর! আজ, রবিবার চড় মারার অভিযোগ  ...বিশদ

05:57:13 PM

প্রয়াত পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত সঙ্গীতশল্পী
প্রয়াত কিংবদন্তী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী ওস্তাদ গুলাম মুস্তফা খান।  বয়স হয়েছিল ...বিশদ

05:39:00 PM