Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

ধর্মঘটের অধিকার আপনারা কিছুতেই ছাড়বেন না। এসব অধিকার আপনাদের কেউ দয়া করে দেয়নি। অনেক লড়াই সংগ্রাম করে আপনারা আদায় করেছেন। লড়াই করে যে অধিকার পেয়েছেন লড়াই করেই সেটা রাখবেন। কথাগুলি জ্যোতি বসুর। সিটুর এক সম্মলনে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেছিলেন। সিপিএমের শ্রমিক সংগঠনের ওই অষ্টম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল পাটনায়। ১৯৯৪-এর মার্চে। তখন কেন্দ্রে কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী পি ভি। জ্যোতি বসু, ই বালানন্দন প্রমুখ সেদিন বললেন, আইএমএফের তৈরি করে দেওয়া পলিসি নিয়ে নরসিমা সরকার চলছে। এবার জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি আরও কঠিন। আমাদের লড়াইটা এই দুইয়ের বিরুদ্ধে। শ্রমিক আন্দোলন আরও শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। অন্য সমস্ত গণসংগঠনকে পাশে নিয়ে। 
বাম নেতারা সেদিনও স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন এইভাবেই ভারতে কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের সরকার প্রতিষ্ঠা করে তাঁরা ছাড়বেন। জ্যোতিবাবুদের আজন্মের লড়াই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। সব কেন্দ্রীয় শাসকই তাঁদের কাছে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের দালাল। গত শতকের সত্তর-আশির দশকে ছাত্রজীবনে শুনতাম। তাতে কিছুটা রক্ত গরম হতো। নব্বইয়ের দশক, শূন্য দশক পার করে ২০১১-র মাঝামাঝি এসে বামেরা যেদিন বাংলায় রাজ্যপাট খোয়ালেন সেদিনও একই কথা বললেন। একটা সময় পর বিপ্লবের এই বাণী কানে মধুর লাগত না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাইটার্স-নবান্ন দখল করার পর থেকে বামেদের (পড়ুন সিপিএমের) ওই ভাঙা রেকর্ডের লক্ষ্য আর একমুখী নয়। দু’দিক থেকে তাদের আক্রমণ শানাতে হচ্ছে। কেন্দ্রের পাশাপাশি রাজ্যের শাসকের বিরুদ্ধেও। 
অবশ্য কেন্দ্রে জ্যোতি বসুদের টার্গেট আর বিমান বসু-সূর্যকান্ত মিশ্রদের টার্গেট এক নয়। যে ‘জনবিরোধী’ কংগ্রেসের মুণ্ডপাত করে জ্যোতিবাবু তাঁর সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন পার করেছিলেন, 
সেই কংগ্রেসই আজ সিপিএমের সহযোদ্ধা। কেন্দ্রে মোদি এবং রাজ্যে মমতার সরকার উৎখাত করার হুঙ্কার এই মানিকজোড়ের মুখে। বাংলায় বিজেপিকে মমতাই ডেকে এনেছিলেন। বিমানবাবুরা মমতাকে দুষছেন এই ভাষায়। 
স্মৃতিলোপের এটাই বোধহয় সুবিধে। কিন্তু মানুষ যে সব কথা খুব সহজে ভোলে না। রাজনৈতিক দলগুলির থেকে অনেক বেশি স্মৃতিধর আম পাবলিক। তাদের দিব্যি মনে ভাসে ১৯৮৮-র জুনের একদিনের ছবি। একমঞ্চে জ্যোতি বসু আর অটলবিহারী বাজপেয়ি। অনেক কাগজে ছাপা হয়েছিল কলকাতায় শহিদ মিনার ময়দানে পাশাপাশি হাসিমুখে দু’জন। আর এক ছবিতে তাঁরা হাসিমুখে হাত উঁচুতে ধরে। আগামী দিনে যৌথ লড়াইয়ের মাধ্যমে দিল্লিজয়ের অঙ্গীকার নিয়ে। উপলক্ষ ছিল মান্ডার রাজাকে সংবর্ধনা। তাঁর ‘স্বচ্ছ’ ইমেজ দিয়ে বোফর্স (রাজীব) গান্ধীকে দিল্লির তখত থেকে উৎখাত করা। সারা দেশ জানে, রাজীব সরকারের পতনের কাউন্ট ডাউনের সেই শুরু। সৌজন্যে সিপিএম এবং বিজেপি নামক দুই সেয়ানের কোলাকুলি। এই জোড়া সমর্থন যোগ হল ভি পির জনমোর্চার সঙ্গে। এভাবেই ১৯৮৯-তে কংগ্রেস সরকার হটে যায় এবং ভি পির জনতা দলের (ন্যাশনাল ফ্রন্ট) সরকার পায় দিল্লি। 
সিপিএমের থেকে বড় ‘কৌশল পার্টি’ এই ভারত আর পায়নি। দেশবাসী বারবার খেয়াল করেছে, সিপিএমের কোনও দিন কোনও কিছুতেই সুখ-স্বস্তি নেই। ভি পির সরকার নিয়েও তাদের স্বস্তি হল না। জ্যোতিবাবুরা ভেবেছিলেন, দুর্বল প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে তাঁদের কিছু গোপন অ্যাজেন্ডা ফুলফিল করাবেন। কিন্তু আলটিমেটলি তা যখন হল না তখন জ্যোতিবাবুরা বিশ্বনাথপ্রতাপের পিছনে লেগে গেলেন। তাঁকে কীভাবে টাইট দেওয়া যায়, জ্যোতিবাবু তার শলা করতেই বাজপেয়িজির সঙ্গে গোপন মিটিং করেছিলেন। সেই বৈঠকে অটলবিহারীর ডানহাত লালকৃষ্ণ আদবানিও ছিলেন। পরবর্তীকালে আদবানিজিই এই বিতর্ক উসকে দিয়েছিলেন। তাঁর আত্মজীবনী ‘মাই লাইফ, মাই কান্ট্রি’তে। সিপিএম এসব অস্বীকার করলেও মানুষ নিশ্চয় ধাপ্পাবাজের সাফাইকে গুরুত্ব দেয়নি। যাই হোক, সারা ভারতে কংগ্রেস-বিরোধী লড়াইয়ের প্রধান মুখ হয়ে উঠতে চেয়েছিলেন জ্যোতি বসু। হয়তো পারতেন। কিন্তু বিধির চেয়ে বেশি বাম হয়ে উঠেছিল তাঁর পার্টি। 
বাংলায় ক্ষমতাসীন জ্যোতি বসু এবং সিপিএমকে মমতার চেয়ে বেশি বেগ কেউ দিতে পারেননি। তাই মমতা কংগ্রেসে থাকাকালে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট ‘তরমুজ’-এর ফলন বাড়াতে জান লড়িয়ে দিয়েছিল। মমতা যখন নতুন দল গড়লেন তখন তৃণমূলকে ঠেকাতে বিজেপি-আরএসএসকে তলে তলে নার্সিং করত লালপার্টি। কলোনি কমিটি, সমবায় থেকে পঞ্চায়েত-পুরসভা, এমনকী বিধানসভা-লোকসভার ভোট পর্যন্ত সর্বত্র এক গোপন কম্ম চলত। পর্দার 
পিছে গেরুয়া প্রেম। তৃণমূলের স্ট্রং বেসগুলি ঘেঁটে ঘ করে দেওয়ার প্ল্যান। তৃণমূলের সব ভোট যেন জোড়াফুলে না পড়ে। কিছু পদ্ম পাক। সে মন্দের ভালো। কিছু সিটে তৃণমূল হারবে। মমতার দলের জয়ের মার্জিন অন্তত কমানো যাবে। 
গৌড়ীয় মার্কসবাদী কমিউনিস্টদের এত গোপন কারবার ব্রহ্মার (জনগণ) নজর এড়ানো সহজ হয়নি। এই করতে করতে বহু মার্কসবাদী, সমাজবাদী নিজেদের অজান্তে অন্তরে বাহিরে গেরুয়া হয়ে গিয়েছেন। আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। মানুষ জানে, বেশিরভাগই কথার কথা। তবে যাঁরা শুধুই কথার কথা বলেন, অহরহ যাঁদের পিঠ বাঁচাবার তাগিদ, তাঁদের কথা কেউই ধর্তব্যের মধ্যে নেয় না। 
সাম্প্রতিক অতীতেও চোখ রাখা যায়: ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯। লোকসভা ভোটকে সামনে রেখে মমতা ব্রিগেডে সমাবেশ ডেকেছিলেন। ইউনাইটেড ইন্ডিয়া নামে। ইস্যু রাফাল ডিল এবং গণতন্ত্র বাঁচাও। তিন দশক আগে বোফর্স ইস্যুতে যত সংখ্যক ন্যাশনাল লিডার কলকাতায় সমবেত হয়েছিলেন, এবার সমাবেশ ঘটেছিল তার চেয়েও বেশি নেতার। যে কাজটা সোনিয়া গান্ধী বা লালু যাদব করতে পারেননি, সেটাই করে দেখিয়েছিলেন মমতা। কিন্তু মোদি সরকারকে উৎখাত করার ওই আন্তরিক আহ্বানে সীতারামের (ইয়েচুরি) বাহিনী সাড়া দেয়নি। অথচ এই পার্টিই কংগ্রেস-মুক্ত ভারত নির্মাণের উদ্দেশ্যে একসময় বিজেপির সঙ্গে হাত ধরাধরি করে উদ্বাহু হয়েছিল। আগেই দেখেছি। 
তাহলে বলুন, সিপিএমের কোনটা মুখ আর মুখোশ কোনটা? আজ, বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর, ২০২০) বামেদের একগুচ্ছ ট্রেড ইউনিয়ন এবং সমমনোভাবের আরও কিছু সংগঠন দেশজুড়ে সাধারণ ধর্মঘট পালনের কর্মসূচি নিয়েছে। বিশেষ করে সিপিএম হুঁশিয়ারি দিয়েছে, তৃণমূল পার্টি এবং সরকার বাধা দিলে তারাও ছেড়ে কথা বলবে না। প্রয়োজনে প্রতিবাদকে প্রতিরোধে রূপান্তরিত করবে। যেসব ইস্যুতে এই প্রতিবাদের চেষ্টা তার একাংশ নিয়ে তৃণমূলেরও আপত্তি নেই। কিন্তু তারা তাদের ঘোষিত অবস্থান অনুসারে নেই ধর্মঘটেও। 
প্রতিবাদের যে অস্ত্রের ধার সম্পূর্ণ নষ্ট এবং অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গিয়েছে সেটা নিয়ে আর খেলা করতে চায় না দলটি। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, যে আন্দোলন কর্মনাশা, যাতে শ্রমদিবস/কর্মদিবস নষ্ট হয়, উন্নয়ন ব্যাহত হয়, সেই আন্দোলনে তাঁর দল থাকবে না। আমরা মনে করতে পারি, ক্ষমতাসীন দল হিসেবে সিপিএম ধর্মঘট, বন্‌ধ, হরতালের রেকর্ড গড়ে গিয়েছে। মমতা চান এমন রেকর্ড চিরকাল সিপিএমেরই দখলে থাক। 
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১২। দেশজুড়ে কিছু ট্রেড ইউনিয়ন শিল্পধর্মঘট পালন করেছিল। রাজ্যের শাসক দল তার ঘোষিত অবস্থান অনুযায়ী তাতে শামিল হয়নি। তখন বামেরা খোঁচা দিয়েছিল যে, বিরোধী দল হিসেবে তৃণমূলও অনেকবার ধর্মঘট, বন্‌ধ করেছে। ভনিতা না-করে নতুন মুখ্যমন্ত্রী সেদিনই ভুল স্বীকার করে নিয়েছিলেন। বলেছিলেন, দেশ গড়ার পক্ষে এ সঠিক পথ নয়। 
কিন্তু চৈতন্যোদয় সিপিএমের কাছে প্রত্যাশা করা বৃথা। তারা জেনে বুঝেই ছেঁড়া, দুর্গন্ধ হয়ে যাওয়া জুতোতেই পা গলিয়ে রেখেছে। তাদের এই আন্দোলনের ‘ঘোষিত লক্ষ্য’ মোদি সরকার। 
কিন্তু, বামেদের নষ্টামি ধরে ফেলা বাংলার মানুষ জানেন, আলিমুদ্দিনের বৃদ্ধাশ্রমিকদের ‘আসল লক্ষ্য’ নবান্ন। তাঁরা মমতার শাসনের অবসান চেয়েই এই খেলায় নেমেছেন। তাঁরা জানেন, দিল্লি বহত দূর হ্যায়। আপাতত বাংলায় কিছুটা শক্তি বাড়িয়ে নিতে 
পারলেই তাঁদের অস্তিত্বটা কোনওরকমে রক্ষা পায়। এমন গোপন বাসনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো পোড়খাওয়া রাজনীতিক ধরতে পারেননি, এটা 
তাঁরা ভাবছেন কেন! ‘ধর্মঘটের অধিকার’ নামক আফিমেই বুঁদ হয়ে থাকুন বামেরা। মমতাকে তাঁর 
কাজ করতে দিন। বাংলাকে এখনও অনেক কিছু দেওয়ার আছে তাঁর।
26th  November, 2020
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা দেশের
জন্যও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ
জিষ্ণু বসু

বাঙালি ভারতের নবজাগরণের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালন করেছে। জীবন্ত জাগ্রত ভারতাত্মার পূজাবেদি ছিল বাংলা। ১৮৮২ সালে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র লিখলেন আনন্দমঠ উপন্যাস। বাঁধা হল ‘বন্দেমাতরম’ গান। দেশমাতৃকাকে দশপ্রহরণধারিণী দেবী দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন সাহিত্যসম্রাট। বিশদ

14th  January, 2021
এই রাজ্যে মেয়েদের
ভোট ভাগ করা যাবে না
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপি জানে, পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা দখল করতে না পারলে তাদের সিএএ-এনআরসি সব ব্যর্থ হয়ে যাবে। সারা দেশে একজন ব্যক্তিত্বই তাঁদের সব ভুলভাল কাজকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে লড়াই জারি রাখতে পারেন। তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির কাছে মমতা নামটাই জুজুর মতো। বিশদ

13th  January, 2021
বিজেপির প্রচারে স্বামীজি
আছেন, কিন্তু অনুসরণে...?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

স্বামীজি বলতেন, ‘এমন ধর্ম চাই, যার মূল মন্ত্র হবে মানবপ্রেম। এমন ধর্ম চাই, যা মানুষকে, বিশেষ করে অবহেলিত, পদদলিত মানুষকে প্রত্যক্ষ মানুষ বলে প্রচার করবে। খালি পেটে ধর্ম হয় না। ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে ধর্ম বা ঈশ্বর অর্থহীন।’ নাঃ... যে পরিব্রাজক এমন কথা বলতে পারেন, তাঁকে বিজেপি অন্তত অনুসরণ করে না। বিশদ

12th  January, 2021
বিবেকানন্দের স্বপ্নের
বাংলা আবার গঠিত হবে
জগৎপ্রকাশ নাড্ডা

এক নতুন ভারতবর্ষের স্বপ্ন দেখেছিলেন স্বামীজি, যেখানে দারিদ্র্যের মোচন এবং চেতনার উন্মেষ ঘটবে। এই কাজে প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ যুবশক্তি। বিশদ

12th  January, 2021
মহামারী, ভ্যাকসিন
এবং বিতর্ক
পি চিদম্বরম

মহামারী বিদায় নিচ্ছে বলে মনে হয়, তবে এখনও বিদায় হয়নি। ভ্যাকসিন আসছে বলে মনে হয়, তবে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছয়নি। কিন্তু একটা জিনিস বরাবর একজায়গায় রয়ে গিয়েছে, সেটা হল বিতর্ক! বিশদ

11th  January, 2021
আদি বনাম নব্য, বিজেপিতে
নরকগুলজার সপ্তমে
হিমাংশু সিংহ

শেষে হাটে হাঁড়িটা ভাঙলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষই। দলে স্বার্থপর দলবদলুদের দাপাদাপি দেখে আর স্থির থাকতে পারলেন না। বলেই বসলেন, একদিন যাঁরা নন্দীগ্রামে বিজেপিকে ঢুকতে বাধা দিয়েছিলেন, তাঁরাই আজ নতমস্তকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। আলিঙ্গন করছেন। একেবারে হক কথা। বিশদ

10th  January, 2021
রাজনীতিবিদদের ‘সৌজন্যে’ই
করোনার নয়া স্ট্রেইনে পঙ্গু ব্রিটেন
রূপাঞ্জনা দত্ত

বি.১.১.৭। কোভিডের নয়া অবতার বা বিলিতি স্ট্রেইনের পোশাকি নাম এটাই। চীনের উহান থেকে সার্স-কোভ-২ ছড়িয়ে পড়ার পর যতটা আতঙ্ক ছড়িয়েছিল বিশ্বজুড়ে, সেই দিনগুলিই ফিরিয়ে এনেছে ভাইরাসের এই নয়া রূপ। ‘ভাইরাস আন্ডার ইনভেস্টিগেশন’ থেকে ‘ভাইরাস অব কনসার্ন’ হতে এর খুব বেশিদিন সময় লাগেনি। বিশদ

10th  January, 2021
প্রচারকে নিয়েও রাজনীতি
করা যায়, দেখাচ্ছে বিজেপি

তন্ময় মল্লিক

তৃণমূলের ‘অতৃপ্ত আত্মা’রা চলে যাওয়ায় দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বও কমে গিয়েছে। দলের কর্মীরা যে মমতার সঙ্গে আছে, সেটা প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠছে। ভিড়ের প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে না পেরে বিজেপির অস্ত্র ‘হুইসপারিং ক্যাম্পেন’। বিশদ

09th  January, 2021
বিরোধী দলগুলির
স্থায়ী ক্ষতি হল
সমৃদ্ধ দত্ত

যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে বিজেপি সরব ছিল, তাঁদেরই বিজেপি এখন উচ্চপদে বরণ করছে। এর ফলে বিজেপির শক্তি ও প্রভাব হয়তো বাড়ছে বলে তারা মনে করছে। কিন্তু বড়সড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে ভাবমূর্তির। বিশদ

08th  January, 2021
একনজরে
করোনা কালেও বিখ্যাত গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা হন্ডা সিটি রেকর্ড সংখ্যাক গাড়ি বিক্রি করেছে। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সংস্থা সংস্থার ‘মিড সাইজ সেডান’ বিভাগে এই সময়ে ২১ হাজার ৮২৬টি গাড়ি বিক্রি হয়েছে। ...

শপথ নেওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে ১০ কোটি আমেরিকান নাগরিককে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। দেশের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে শুক্রবার এই ঘোষণা করেন বাইডেন। ...

বিচ্ছিন্নতাবাদী খলিস্তানপন্থী সংগঠন ‘শিখ ফর জাস্টিস’-এর সঙ্গে যোগসাজশ নিয়ে বহু কৃষক নেতাকে সমন পাঠালো জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। সম্প্রতি শিখ ফর জাস্টিসের নেতা গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নু বলেছেন, ‘মানুষের ক্ষোভ, হতাশাকে কাজে লাগিয়ে ভয় এবং নৈরাজ্যের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ এবং সংবাদদাতা: গৌড়বঙ্গের তিন জেলায় শনিবার উৎসবের মেজাজে করোনার টিকাকরণ কর্মসূচি হল। এদিন মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে টিকাকরণকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বাড়তি অর্থ পাবার যোগ আছে। পদোন্নতির পাশাপাশি কর্মস্থান পরিবর্তন হতে পারে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পক্ষে থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪১ - বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম মাউন্ট এভারেস্ট রাখা হয়
১৯৪২: মার্কিন মুষ্টিযোদ্ধা মহম্মদ আলির জন্ম
১৯৪৫: গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারের জন্ম
১৯৫৩ - সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার এবং চিত্রপরিচালক অঞ্জন দত্তের জন্ম
২০১০: কমিউনিস্ট নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর মৃত্যু 
২০১১ - অভিনেত্রী গীতা দের মৃত্যু
২০১৪ - অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২৯ টাকা ৭৪.০০ টাকা
পাউন্ড ৯৭.৬৬ টাকা ১০১.১২ টাকা
ইউরো ৮৬.৭৮ টাকা ৮৯.৯৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৬৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,১২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,৮৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৫,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৫,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, চতুর্থী ৪/২৫ দিবা ৮/৯। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৬/২৩/৫, সূর্যাস্ত ৫/১০/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে  ৯/৫৮ মধ্যে, রাত্রি ৬/৫৫ গতে ৮/৪১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৫০ গতে ১/৩৪ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩ গতে ৬/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১২/১২ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৫ গতে ১/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৫ গতে ৩/৪ মধ্যে।
৩ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, চতুর্থী দিবা ৯/২৪। শতভিষা নক্ষত্র দিবা ৭/৪৮। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ গতে ১০/০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৮/৪৮ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ১/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১২ গতে ৭/৪ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৭ গতে ১/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। 
৩ জমাদিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তৃণমূলের রাজ্য কমিটির সহ সভাপতির দায়িত্বে সাংসদ শতাব্দী রায় 
দলে নতুন দায়িত্ব পেলেন বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। তৃণমূল ...বিশদ

02:29:07 PM

খিদিরপুরে ২৬টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার, আটক ১ 
খিদিরপুর থেকে ২৬টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করলো কাস্টমস। ঘটনায় একজনকে ...বিশদ

02:14:17 PM

বিজেপি ছেড়ে ফের তৃণমূলে যোগ সিরাজ খানের
বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন সিরাজ খান। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা ...বিশদ

02:10:00 PM

চতুর্থ টেস্ট: তৃতীয় দিনের খেলা শেষে অস্ট্রেলিয়া ২১/০ (দ্বিতীয় ইনিংস) 

01:12:53 PM

কেরলে মালাবার এক্সপ্রেসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড 

12:56:12 PM

চতুর্থ টেস্ট: প্রথম ইনিংসে ভারত ৩৩৬ রানে অলআউট 

12:47:07 PM