Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

মোদি সরকারকে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নীচে ফেলে ঠিকমতো বিশ্লেষণ করা গেলে একটা খুব সহজ ব্যাপার নজরে পড়বে। সেটা হল, এই সরকার কোনও কিছুর মধ্যে সুস্থিতি দেখতে পারে না। শান্ত, সুখের প্রবহমানতা দেখলেই তার মধ্যে একটা বিপরীতমনস্ক কমপ্লেক্স কাজ করে। কথায় আছে, সুখে থাকতে ভূতে কিলোয়। দেখা গিয়েছে, মোদি সরকারও সুখের আসরে হঠাৎ করে একটা বিতর্ক, একটা সমস্যাকে তৈরি করে সেটাকে মানুষের শিরঃপীড়ার কারণ করে তুলছে। আসলে এটা যে কোনও দুর্বল শাসকেরই একটা কিম্ভূত কৌশল। তার মধ্য থেকে শাসনব্যবস্থার জিয়নকাঠিকে শক্তিশালী করাই এই কিম্ভূত কৌশলের মুখ্য উদ্দেশ্য। অর্থাৎ এর একটা মোটা ব্যাখ্যা হল, মানুষকে তৈরি করা সমস্যার মধ্যে ডুবিয়ে রেখে শাসকের সমস্ত ব্যর্থতাকে ভুলিয়ে রাখা। ইদানীং আরও এক সমস্যাকে তৈরি করে দেশের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়ে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছে মোদিজির মুখ্যমন্ত্রী অ্যান্ড কোম্পানি। সেটি হল লাভ জেহাদ।
অনেক বছর আগে আমাদের সমাজে লাভ ম্যারেজ নিয়ে মাঝেমধ্যেই সমস্যা দেখা দিত। তখনও গোঁড়া, অশিক্ষিত সমাজ ততটা নবজাগরণের আলো দেখেনি। শুধু বিয়ে কেন, সতীদাহ, কুলীনদের একাধিক বিয়ে, ইত্যাদি নিয়ে সমাজ অনেক পিছিয়ে ছিল। কিন্তু রামমোহন, বিবেকানন্দ, বিদ্যাসাগরের জন্মভূমি এই বাংলা সেসব থেকে অনেকদূর এগিয়ে এসেছে। আজ তাকে লাভ জেহাদের ভূত দেখিয়ে ভয় দেখাতে চাইছেন কট্টর হিন্দুরা। আমাদের এই বাংলার মানুষের কিন্তু কখনও মনে হয়নি, ‘হিন্দুধর্ম খতরে মে হ্যায়।’ হ্যাঁ, এক শ্রেণীর তথাকথিত ধর্মব্যবসায়ী অবশ্য সমাজকে নানাভাবে উৎপীড়িত করত। সেই দলটিই আবার ফিরে এসেছে হিন্দুধর্মের ঠিকাদারি নিয়ে। তাঁরা কেবলই ভয় দেখিয়ে বেড়াচ্ছেন, ‘হিন্দু ধর্ম খতরে মে হ্যায়।’ আরে বাবা, হিন্দু ধর্ম খতরে মে হ্যায় বলে অসত্য প্রচার করতে করতে মোদিজি নিজেই করোনাকালে ১২ কোটি হিন্দুর চাকরি খেয়ে নিয়েছেন। দেশ খতরে মে হ্যায় বারবার বলে দেশের অর্থনীতির বারোটা বাজিয়ে দিয়েছেন। আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। লাভ জেহাদের আড়ালে ব্যাপক খতরে মে হ্যায় আমাদের বেরোজগারি, আমাদের দু’বেলার খাদ্য সংস্থান, আমাদের শিক্ষা, আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থা, আমাদের সামাজিক সুস্থিতি। গভীর গাড্ডায় দেশের অর্থনীতি। এসব থেকে মানুষকে ভুলিয়ে দাও ‘ধর্ম খতরে মে হ্যায়’ প্রচার করে। এদেশের ধর্মভীরু মানুষকে আফিম খাইয়ে দাও। তার মনে অন্য ধর্মের প্রতি ঘৃণা আর বিদ্বেষ তৈরি করে দাও। পরস্পরকে লড়িয়ে দাও। এই ঘৃণার রাজনীতিই মোদিজির মূল অস্ত্র। 
উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশে, কর্ণাটক, অসম, হরিয়ানা এই পাঁচ রাজ্যে আনা হচ্ছে আইন। লাভ জেহাদের শাস্তি ৫ বছরের জেল। কোথায় সেই লাভ জেহাদ ক্রিমিন্যাল অফেন্স? যখন ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে বিয়ে করা হয় এবং জোর করে ধর্মান্তরকরণ করে বিবাহ করা হয়। এটা নিয়ে কোনও আইন আনার প্রয়োজন নেই। কেননা বিবাহ আইনেই প্রতারণার শাস্তি আছে। এবং জোর করে ধর্মান্তরকরণ করলে তারও শাস্তি আছে। সেক্ষেত্রে এই আইনের কোনও প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না। আসলে ঠিক এই সময়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতেই বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলি এই আইন আনতে চলেছে। আগে কোন রাজ্য আইন এনে মোদিজির মনোরঞ্জন করতে পারবে, তাই নিয়ে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মধ্যে তাড়াহুড়ো পড়ে গিয়েছে। 
উত্তরপ্রদেশ সরকার লাভ জেহাদ নিয়ে আইন আনছে। যোগীজি তা ঘোষণাও করেছেন। যে রাজ্যের সরকার মেয়েদের লাঞ্ছনার হাত থেকে, ধর্ষণের হাত থেকে, পণপথার বলির হাত থেকে বাঁচাতে পারে না, তারা আসলে লাভ জেহাদের কথা বলে নিজেদের আরও বেশি অসম্মানিত করছে। যে রাজ্যে কন্যাসন্তান জন্মানোর পরই বহুক্ষেত্রে জন্মমুহূর্তে মেরে ফেলা হয়, সেখানে এভাবে বেটি বাঁচানোর প্রক্রিয়ার মধ্যে ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছুই নজরে পড়ে না। 
এই দেশে অসংখ্য ‘সদগুরু’ বড় বড় আশ্রম তৈরি করে গেরুয়া ভেক ধরে প্রতারণার মাধ্যমে মেয়েদের উপর অত্যাচার করে চলেছেন। আশ্রমের ভিতরে গুমরে গুমরে কাঁদা যৌন নির্যাতিতা সেইসব বেটিকে সাধুবেশী নরাধমদের হাত থেকে বাঁচাবেন না? এসবের বিরুদ্ধে কড়া হোন, কঠোর আইন আনুন। তবেই তো বোঝা যাবে, বেটি বাঁচানোর কথাটার মধ্যে রাজনীতি নেই, সাচ্চাই আছে। কুলদীপ সিং সেঙ্গার, আশারাম বাপু, রাম রহিম, স্বামী চিন্ময়ানন্দ, স্বামী নিত্যানন্দ, ভোজপাল সিং, জয়েশ প্যাটেল, বিজয় জলি, বেঙ্কটেশ মৌর্য, নিহাল চাঁদ, প্রমোদ গুপ্ত। গেরুয়া প্যারেডে এঁরা কারা, সবাই জানেন। এঁদের কেউ হিন্দুধর্মের স্বঘোষিত নেতা। আবার কেউ বিজেপির নেতা-মন্ত্রী। সকলেই ধর্ষণে অভিযুক্ত। তাই সম্ভবত যোগীজি এইসব ক্ষেত্রে বেটি বাঁচানোর খুব একটা পক্ষপাতী নন।  
একটি মেয়ে এবং একটি ছেলে কাকে ভালোবাসবে, কাকে বিয়ে করবে, তার উপর রাষ্ট্রের কোনও খবরদারি থাকতে পারে না। দু’টি নারীপুরুষের বিয়ে মানে শুধু শরীর নয়, মনও। মনের মিলন। সেই মন কারও দাসত্ব করে না। সেই মুক্ত, স্বাধীন মনের জায়গায় অস্ত্রাঘাত করতে চাইছে লাভ জেহাদ আইন। দুই ধর্মের দু’জন ভালোবেসে বিয়ে করলে, তারা সুখে থাকুক বা আর্থিক কষ্টে থাকুক, তাতে রাষ্ট্রের মাথাব্যথার কোনও কারণ নেই। একটি হিন্দু মেয়ের একটি হিন্দু ছেলের সঙ্গে বিয়ে হলে সে সুখে থাকবে, এটা কিন্তু সর্বাংশে সত্যি নয়। হিন্দু পরিবারে কত ডিভোর্স হয়, সে সম্পর্কে নেতাদের কোনও ধারণা আছে? নেই। সবটাই এদের কাছে রাজনৈতিক গা জোয়ারি। এটাও তালিবানি শাসনের মুদ্রার অপর দিক। বারবার প্রমাণিত,  মুসলিম মৌলবাদ যতটা ভয়ঙ্কর, হিন্দু মৌলবাদ তার থেকে কোনও অংশে কম নয়। এই দেশের মানুষের ভালোবাসার অধিকারকে কেড়ে নেওয়াটা এক সংকীর্ণ মৌলবাদ। এখানে সংবিধানের সরাসরি অবমাননা করা হচ্ছে।
গত বছরই বিজেপির বড় নেতা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রামলালের ভাইঝি শ্রিয়া গুপ্তর সঙ্গে বিয়ে হয়েছে উত্তরপ্রদেশের কংগ্রেস নেতা সুহৃতা করিমের ছেলে ফয়জন করিমের। বিজেপির রাজ্যসভার এমপি সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর মেয়ে সুহাসিনী বিয়ে করেছেন প্রাক্তন বিদেশ সচিব সলমন হায়দারের ছেলে নাদিম হায়দারকে। এরকম অনেক উদাহরণ দেওয়া যায়। বহু হিন্দু মেয়ে এদেশে মুসলিম পুরুষকে বিয়ে করে যে সুখে আছেন, তার উদাহরণও দেওয়া যায়। এই সব উদাহরণের মধ্যে অস্বাভাবিক কিছু নেই, ভণ্ডামিও নেই। ভণ্ডামিটা হল এটা নিয়ে আইন তৈরি করা। 
একটা সময় আমাদের হিন্দু ধর্মের মধ্যেই উচ্চ-নীচ ভেদাভেদ আমরা পালন করতাম। অসবর্ণ বিবাহ তো দূরের কথা, নিম্নবর্গের মানুষের হাতে উচ্চবর্ণের মানুষ জল পর্যন্ত খেত না। তাদের ছায়া মাড়াত না। এখনও এইসব প্রথা বিহার, উত্তরপ্রদেশের গ্রামেগঞ্জে চালু থাকলেও এই দেশ সেইসব বর্বরতা থেকে অনেকটা এগিয়ে এসেছে মুক্তমনা পৃথিবীর দিকে। সেই মুক্তমনা পৃথিবীকে সংস্কারের এবং স্বার্থের শৃঙ্খল দিয়ে বাঁধতে চাইছেন বিজেপি নেতারা। লাভ ম্যারেজকে লাভ জেহাদ ছাপ্পা মেরে ঘৃণার পরিবেশ তৈরি করতে চাইছেন। কেরলের হাদিয়া কেসকে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপক শর্মা, বিচারপতি এ এম খানউইলকর এবং বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেই দিয়েছেন, কোনও ব্যক্তির আদর্শ, ধর্মবিশ্বাস তাঁর নিজস্ব, একান্ত ব্যক্তিগত। রোমান্স, প্রেম ও বিবাহের সিদ্ধান্ত কেবলমাত্র দু’জনের নিজস্ব মতামত ও সম্মতির উপর ভিত্তি করেই গড়ে ওঠে। সেখানে কী সমাজ, কী রাষ্ট্র, কী আইন-আদালত, কারও প্রবেশাধিকার নেই।  কিন্তু বিজেপি সরকার সেখানে ঢুকে পড়তে চাইছে। সারা দেশে প্রতি বছর এরকম লাভ জেহাদের বিয়ে ক’টা হয়, সে সম্পর্কে বিজেপি নেতাদের কোনও ধারণাই নেই। তাঁদের হাতে কোনও তথ্যও নেই। যেটুকু হয়, তা হিসেবের মধ্যেই আসে না। তবু তাঁরা ভয় দেখাচ্ছেন, হিন্দু ধর্ম খতরে মে হ্যায়। কেন? না, ওই যে হিন্দু মেয়েটি মুসলিম ছেলেটিকে বিয়ে করল, ওদের সন্তান তো মুসলিম হয়ে গেল! বোঝো ঠ্যালা!
আসলে লাভ জেহাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা করে বিজেপি এই দেশকেই এক প্রেমহীন অন্ধ আবর্তে ঢুকিয়ে দিতে চাইছে। সেই প্রেমহীন অন্ধ কারার ভিতর শুধু ধর্মের পোকা কিলবিল করতে থাকবে। যে ধর্মীয় পোকাগুলি এক অশিক্ষিত, বর্বর, অনুদার, হৃদয়হীন জগৎ ছাড়া আর কিছুতেই বিশ্বাস করে না। 
25th  November, 2020
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা দেশের
জন্যও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ
জিষ্ণু বসু

বাঙালি ভারতের নবজাগরণের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালন করেছে। জীবন্ত জাগ্রত ভারতাত্মার পূজাবেদি ছিল বাংলা। ১৮৮২ সালে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র লিখলেন আনন্দমঠ উপন্যাস। বাঁধা হল ‘বন্দেমাতরম’ গান। দেশমাতৃকাকে দশপ্রহরণধারিণী দেবী দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন সাহিত্যসম্রাট। বিশদ

14th  January, 2021
এই রাজ্যে মেয়েদের
ভোট ভাগ করা যাবে না
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপি জানে, পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা দখল করতে না পারলে তাদের সিএএ-এনআরসি সব ব্যর্থ হয়ে যাবে। সারা দেশে একজন ব্যক্তিত্বই তাঁদের সব ভুলভাল কাজকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে লড়াই জারি রাখতে পারেন। তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির কাছে মমতা নামটাই জুজুর মতো। বিশদ

13th  January, 2021
বিজেপির প্রচারে স্বামীজি
আছেন, কিন্তু অনুসরণে...?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

স্বামীজি বলতেন, ‘এমন ধর্ম চাই, যার মূল মন্ত্র হবে মানবপ্রেম। এমন ধর্ম চাই, যা মানুষকে, বিশেষ করে অবহেলিত, পদদলিত মানুষকে প্রত্যক্ষ মানুষ বলে প্রচার করবে। খালি পেটে ধর্ম হয় না। ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে ধর্ম বা ঈশ্বর অর্থহীন।’ নাঃ... যে পরিব্রাজক এমন কথা বলতে পারেন, তাঁকে বিজেপি অন্তত অনুসরণ করে না। বিশদ

12th  January, 2021
বিবেকানন্দের স্বপ্নের
বাংলা আবার গঠিত হবে
জগৎপ্রকাশ নাড্ডা

এক নতুন ভারতবর্ষের স্বপ্ন দেখেছিলেন স্বামীজি, যেখানে দারিদ্র্যের মোচন এবং চেতনার উন্মেষ ঘটবে। এই কাজে প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ যুবশক্তি। বিশদ

12th  January, 2021
মহামারী, ভ্যাকসিন
এবং বিতর্ক
পি চিদম্বরম

মহামারী বিদায় নিচ্ছে বলে মনে হয়, তবে এখনও বিদায় হয়নি। ভ্যাকসিন আসছে বলে মনে হয়, তবে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছয়নি। কিন্তু একটা জিনিস বরাবর একজায়গায় রয়ে গিয়েছে, সেটা হল বিতর্ক! বিশদ

11th  January, 2021
আদি বনাম নব্য, বিজেপিতে
নরকগুলজার সপ্তমে
হিমাংশু সিংহ

শেষে হাটে হাঁড়িটা ভাঙলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষই। দলে স্বার্থপর দলবদলুদের দাপাদাপি দেখে আর স্থির থাকতে পারলেন না। বলেই বসলেন, একদিন যাঁরা নন্দীগ্রামে বিজেপিকে ঢুকতে বাধা দিয়েছিলেন, তাঁরাই আজ নতমস্তকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। আলিঙ্গন করছেন। একেবারে হক কথা। বিশদ

10th  January, 2021
রাজনীতিবিদদের ‘সৌজন্যে’ই
করোনার নয়া স্ট্রেইনে পঙ্গু ব্রিটেন
রূপাঞ্জনা দত্ত

বি.১.১.৭। কোভিডের নয়া অবতার বা বিলিতি স্ট্রেইনের পোশাকি নাম এটাই। চীনের উহান থেকে সার্স-কোভ-২ ছড়িয়ে পড়ার পর যতটা আতঙ্ক ছড়িয়েছিল বিশ্বজুড়ে, সেই দিনগুলিই ফিরিয়ে এনেছে ভাইরাসের এই নয়া রূপ। ‘ভাইরাস আন্ডার ইনভেস্টিগেশন’ থেকে ‘ভাইরাস অব কনসার্ন’ হতে এর খুব বেশিদিন সময় লাগেনি। বিশদ

10th  January, 2021
প্রচারকে নিয়েও রাজনীতি
করা যায়, দেখাচ্ছে বিজেপি

তন্ময় মল্লিক

তৃণমূলের ‘অতৃপ্ত আত্মা’রা চলে যাওয়ায় দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বও কমে গিয়েছে। দলের কর্মীরা যে মমতার সঙ্গে আছে, সেটা প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠছে। ভিড়ের প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে না পেরে বিজেপির অস্ত্র ‘হুইসপারিং ক্যাম্পেন’। বিশদ

09th  January, 2021
বিরোধী দলগুলির
স্থায়ী ক্ষতি হল
সমৃদ্ধ দত্ত

যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে বিজেপি সরব ছিল, তাঁদেরই বিজেপি এখন উচ্চপদে বরণ করছে। এর ফলে বিজেপির শক্তি ও প্রভাব হয়তো বাড়ছে বলে তারা মনে করছে। কিন্তু বড়সড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে ভাবমূর্তির। বিশদ

08th  January, 2021
একনজরে
বিচ্ছিন্নতাবাদী খলিস্তানপন্থী সংগঠন ‘শিখ ফর জাস্টিস’-এর সঙ্গে যোগসাজশ নিয়ে বহু কৃষক নেতাকে সমন পাঠালো জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। সম্প্রতি শিখ ফর জাস্টিসের নেতা গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নু বলেছেন, ‘মানুষের ক্ষোভ, হতাশাকে কাজে লাগিয়ে ভয় এবং নৈরাজ্যের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ...

শপথ নেওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে ১০ কোটি আমেরিকান নাগরিককে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। দেশের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে শুক্রবার এই ঘোষণা করেন বাইডেন। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান ও আসানসোল: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। দুই বর্ধমানের ১৩টি সেশন সাইট থেকে করোনার টিকা দেওয়া শুরু হল। সব কেন্দ্র থেকেই ১০০ জনকে ভ্যাকসিন ...

বিজেপি নেতারা প্রতিদিনই দাবি করছেন, ক্ষমতায় আসার পর বাংলাকে ‘গুজরাত মডেল’-এ তৈরি করা হবে। কিন্তু উন্নয়নের নিরিখে গুজরাতের থেকে বাংলা কত এগিয়ে তা তথ্য তুলে ধরে দাবি করল তৃণমূল। সেইসঙ্গে পেট্রোল, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন তৃণমূল নেতৃত্ব। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বাড়তি অর্থ পাবার যোগ আছে। পদোন্নতির পাশাপাশি কর্মস্থান পরিবর্তন হতে পারে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পক্ষে থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪১ - বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম মাউন্ট এভারেস্ট রাখা হয়
১৯৪২: মার্কিন মুষ্টিযোদ্ধা মহম্মদ আলির জন্ম
১৯৪৫: গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারের জন্ম
১৯৫৩ - সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার এবং চিত্রপরিচালক অঞ্জন দত্তের জন্ম
২০১০: কমিউনিস্ট নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর মৃত্যু 
২০১১ - অভিনেত্রী গীতা দের মৃত্যু
২০১৪ - অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২৯ টাকা ৭৪.০০ টাকা
পাউন্ড ৯৭.৬৬ টাকা ১০১.১২ টাকা
ইউরো ৮৬.৭৮ টাকা ৮৯.৯৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৬৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,১২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,৮৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৫,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৫,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, চতুর্থী ৪/২৫ দিবা ৮/৯। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৬/২৩/৫, সূর্যাস্ত ৫/১০/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে  ৯/৫৮ মধ্যে, রাত্রি ৬/৫৫ গতে ৮/৪১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৫০ গতে ১/৩৪ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩ গতে ৬/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১২/১২ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৫ গতে ১/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৫ গতে ৩/৪ মধ্যে।
৩ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, চতুর্থী দিবা ৯/২৪। শতভিষা নক্ষত্র দিবা ৭/৪৮। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ গতে ১০/০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৮/৪৮ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ১/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১২ গতে ৭/৪ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৭ গতে ১/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। 
৩ জমাদিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএমএ রাজ্যশাখার নির্বাচনে ফের জিতল তৃণমূলপন্থী প্যানেল

08:01:00 PM

করোনা পজেটিভ প্রয়াত সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মেয়ে পৌলমি

07:17:00 PM

সৌমিত্র খাঁ-কে তিরস্কার বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের
বিষ্ণুপুরের সংসদ সদস্য সৌমিত্র খাঁ-কে তিরস্কার করল বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। ...বিশদ

06:40:08 PM

বামফ্রন্ট–কংগ্রেস আসনরফা অধরাই
শিয়রে বিধানসভা ভোট।  কিন্তু এখনও বাংলায় বাম-কংগ্রেসের আসন রফার জট ...বিশদ

06:14:36 PM

চড় মারার অভিযোগ মহেশ মঞ্জরেকরের বিরুদ্ধে
এ কী করলেন মহেশ মঞ্জরেকর! আজ, রবিবার চড় মারার অভিযোগ  ...বিশদ

05:57:13 PM

প্রয়াত পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত সঙ্গীতশল্পী
প্রয়াত কিংবদন্তী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী ওস্তাদ গুলাম মুস্তফা খান।  বয়স হয়েছিল ...বিশদ

05:39:00 PM