Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটি অ্যাফ্রো-আমেরিকান লোকগানের কয়েকটি লাইন... এক অক্লান্ত উড়ানের কথা... আর ‘প্রমিসড ল্যান্ড’। বইয়ের নামটাও বারাক ওবামা ওটাই রেখেছেন। আত্মজীবনী? হয়তো। আরও স্পষ্টভাবে বললে, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর দেশের ক্ষমতার অলিন্দে তাঁর প্রবেশ, রোজনামচা। এবং চাপ চাপ বিতর্ক। বই বাজারে আসার আগে থেকেই। আর হওয়াটাই স্বাভাবিক। কারণ, এই ৯০০ পাতার আত্মকথনে ঢুকে পড়েছে ভারতীয় বেশ কিছু চরিত্র। শুধু প্রবেশে ব্যাপারটা সীমাবদ্ধ থাকলে হয়তো বিতর্ক এতটা মাথাচাড়া দিত না। কিন্তু ওবামা সেই সব চরিত্র বিশ্লেষণ করেছেন... ব্যাখ্যা করেছেন। ইতিহাসের প্রথম অ-শ্বেতাঙ্গ মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন মহাত্মা গান্ধীর কথা... টেনেছেন ইন্দিরা, রাজীব হত্যার প্রসঙ্গ। এবং অবশ্যই সোনিয়া গান্ধী ও তাঁর পুত্র। নানা ব্যক্তি, নানা দল এই ক্ষেত্রবিশেষেই তেলেবেগুনে জ্বলে উঠেছেন। একজন বিদেশি... হলেই বা প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট! এই বিশ্লেষণের অধিকার তাঁকে কে দিয়েছে? 
মতপ্রকাশের অধিকার তো বিশ্বজনীন! অন্তত এই ইস্যুতে একজনকে কাঠগড়ায় তোলাটা বৃথা। অনেকে এই বইয়ের জন্য ওবামার বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলেও হুমকি-টুমকি দিচ্ছেন। মামলা হলে ওবামা সামলে নেবেন। প্রশ্নটা অন্যত্র... এই বিশ্লেষণের পিছনে কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই তো? বা ভারতের সংস্কৃতিকে হেয় করার চেষ্টা? আপাত দৃষ্টিতে তেমন কিছু অবশ্য নজরে আসছে না। কারণ তিনি নিজেই লিখেছেন, ‘ভারত মানে আমার কাছে ২ হাজার জনজাতি, আর সাতশোরও বেশি ভাষা। ছেলেবেলার কিছুটা ইন্দোনেশিয়ায় কাটিয়েছিলাম বলেই হয়তো মনের একটা আলাদা ঘরে ভারত সম্পর্কে কল্পনার প্রাসাদ গড়ে উঠেছিল। রামায়ণ, মহাভারত... বা কলেজের সেই বন্ধুরা। তাদের মধ্যে ভারতীয় ছিল, পাকিস্তানিও। ওরা আমাকে ডাল আর কিমা রান্না করতে শিখিয়েছিল। ওদের জন্যই বলতে গেলে বলিউডি মুভির পোকা হয়ে গিয়েছিলাম।’ বিষয়টা খুব পরিষ্কার... ভারত সম্পর্কে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্টের ধারণা, বিশ্বাস বা ব্যাখ্যায় এতটুকু গলদ নেই। আছে কিছু ভারতীয় সম্পর্কে। সিস্টেমকে ব্যবহার করে একের পর এক কেলেঙ্কারি, মারদাঙ্গা, গণতন্ত্রের নামে পরিবারতন্ত্র... আমাদের দেশের এই ‘মহত্ত্ব’কেও ছুঁয়ে গিয়েছেন ওবামা। যখনই সুযোগ পেয়েছেন। আর বলেছেন ডঃ মনমোহন সিংয়ের কথা। দ্বিধাহীন ভাষায় লিখেছেন, নয়ের দশক থেকে উদার অর্থনীতি এবং সাফল্যের যে দৌড় ভারত শুরু করেছে, তার প্রতীক একজনই—মনমোহন সিং। অসাধারণ জ্ঞান আর শিক্ষণীয় সৌজন্য। নির্বিবাদী এই রাষ্ট্রনেতাকে তিনি ঠিক কতটা সম্মান করেন, তা ওবামা লোকাননি। লোকানোর চেষ্টাও করেননি। লিখেছেন নয়াদিল্লিতে মনমোহনের বাড়ির সেই ডিনারের কথাও... ‘টেবলে সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধী... সেদিন দু’জনেই ছিলেন। ষাটের ঘরে বয়স, তাও ধাক্কা লাগার মতো ব্যক্তিত্ব। ট্র্যাডিশনাল শাড়ি, শান্ত-রাজকীয় উপস্থিতি, আর দু’টো কালো চোখ... যা সবসময় কাটাছেঁড়া করে যাচ্ছে। বলেছিলেন খুব কম। শুনেছিলেন বেশি। পলিসি সংক্রান্ত কিছু নিয়ে যখনই কথা উঠেছে, খুব বুঝে পা ফেলেছেন। ভেবেচিন্তে ছাড় দিয়েছেন মনমোহন সিংকে... কথা বলার জন্য। আর সব সময় খেয়াল রেখেছেন, রাহুলের সঙ্গে বা রাহুলকে নিয়ে কী কথা হচ্ছে। আর রাহুল... স্মার্ট, আন্তরিক। রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলছিলেন তিনি। মাঝে মাঝে থেমে অপেক্ষা করছিলেন... কিছু বোঝার চেষ্টা। যেন একটি ছাত্র পড়া করে এসে শিক্ষককে ইমপ্রেস করার মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু গভীরভাবে দেখলে, বিষয়টাতে তার না আছে বোধ, না আবেগ। স্মার্ট, কিন্তু নার্ভাস, অপরিণত।’
কংগ্রেসের পরিবারতন্ত্রকে সুকৌশলে বাজারে নামিয়ে এনেছেন ওবামা। প্রমাণ করেছেন, সোনিয়া গান্ধী শুধু তাঁর ছেলের জায়গাটা নিরাপদ রাখার খাতিরে এমন একজন প্রধানমন্ত্রীকে নির্বাচন করেছিলেন, যাঁর মতো যোগ্য কিন্তু নির্বিবাদী মানুষ গোটা ভারতে পাওয়া যাবে না। মনমোহন সিংয়ের প্রধানমন্ত্রিত্ব দেশে ‘উদার গণতন্ত্র’ নিয়ে আসেনি। বরং ওটা ছিল একটা ব্যতিক্রম মাত্র। মনমোহন নিজেও সেটা জানতেন। বুঝতেন। আর তাই পদে পদে থমকে যেতেন। 
ভারতের রাজনীতিতে ক্ষমতাশালী এবং ‘অসহায়ে’র মধ্যে সরাসরি একটা বিভাজিকা টেনে দিয়েছেন বারাক ওবামা। বিতর্ক হওয়াটা তাই স্বাভাবিক। কিন্তু বই প্রকাশের আগেই এই বিতর্ক কেন? নেগেটিভ পাবলিসিটি কখনও কখনও ইতিবাচক প্রচারকেও ছাপিয়ে চলে যায়। ভারতের মতো শিক্ষিত বাজারে একটা ‘প্রি বুকিং’ বিতর্ক ছড়িয়ে দিতে পারলে তার লাভের গুড় প্রকাশক প্রথম কয়েক দিনেই ঘরে তুলে নেবে। ফলে বিতর্ক ছড়িয়ে দেওয়াটা স্ট্র্যাটেজি হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কী আছে, আর কী নেই... এটা শুধু হাওয়ায় ছড়িয়ে দাও। বাকিটা মার্কেট করে দেবে।
যেমন, শশী থারুর। দিন কয়েক আগে একটি ট্যুইট করেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে এক লাইনও লেখেননি ওবামা। ঠিকই... তার একটা কারণও রয়েছে। ওসামা অভিযান... ২০১১ সাল। ওখানেই শেষ হয়েছে ‘আ প্রমিসড ল্যান্ড’-এর সফর। মানে এরপর আরও আসছে। দ্বিতীয় পর্ব। তখন হয়তো নরেন্দ্র মোদি থাকবেন। এবার বলেননি তিনি... কিন্তু বুঝিয়েছেন, ভারত সেই তিমিরেই রয়ে গিয়েছে। দিকে দিকে ধর্মের নামে, রাজনীতির নামে মারামারি, জাতের নামে ভোট, হিংসা, দুর্নীতি... এর থেকে ভারত মুক্তি পায়নি। বই প্রকাশের পর ব্যাপারটা এমন হয়েছে, আমার ঘরে হচ্ছে হোক, পড়শি বলতে পারবে না। আমরা নিজেদের শুধরানোর চেষ্টা না করে তাই মার্কিন প্রেসিডেন্টের নামে গাল পাড়ছি। ওবামা নিজেও ধোয়া তুলসিপাতা নন, এ ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই! নরেন্দ্র মোদির একটি শিক্ষিত এবং বিদেশি ব্র্যান্ড তিনি। প্রকৃত অর্থে বেচুবাবু। স্বপ্নের ফেরিওয়ালা। জানেন, কোনটা পাবলিক খাবে, আর কোনটা ছুঁড়ে ফেলে দেবে। তাই হোয়াইট হাউসে প্রবেশের দিন থেকে তাঁর লক্ষ্য ছিল একজন—ওসামা বিন লাদেন। কারণ ওবামা বুঝেছিলেন, একটা ৯/১১ হামলা প্রত্যেক আমেরিকানের মনে ত্রাস, আর প্রতিশোধের এক বেমানান মিশ্রণ তৈরি করেছে। লাদেনকে খুঁজে বের করতে পারলে গোটা দেশের সেন্টিমেন্ট তাঁর দিকে ধেয়ে আসবে। সেটাই করেছিলেন তিনি। পাকিস্তানের অ্যাবটাবাদের বাড়িতে ঢুকে নেভি সিল খতম করেছিল লাদেনকে। পাকিস্তান তার আগেও আমেরিকার বন্ধু ছিল। তার পরেও কিন্তু আছে। আল কায়েদা সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে অপারেশনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন ওবামা। কিন্তু শুধু লাদেন কেন? পাকিস্তান তো সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর! মাসুদ আজহার, হাফিজ সইদদের তথ্যও নিশ্চয়ই আছে আমেরিকার কাছে। তাহলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান কেন চালায়নি ওবামা প্রশাসন? কারণ ওই জঙ্গিরা তাঁর গায়ে আঁচড় দেয়নি। তাঁর আদর্শ যে অহিংসা! হোক না সে পরিস্থিতি বিশেষে। তাই তিনি লেখেন মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ, তাঁর হার না মানা লড়াই, সাদামাটা জীবনের কথা। তুলে ধরেন মিশেলের সঙ্গে মণি ভবনে যাওয়ার মুহূর্তগুলো। মুম্বইয়ের শহরতলিতে। সেখানকার গেস্টবুকে ওবামা দেখেছিলেন মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের সই... ১৯৫৯ সালের। জুতো খুলে ঘরে ঢোকার পর প্রতিটা মুহূর্ত পাতায় এঁকেছেন ওবামা। মাটিতে করা বিছানা, চরকা, ছাদের দরজা বেয়ে নেমে আসা হালকা বাতাস, আর আবছা আলো। লিখেছেন, ‘ভীষণভাবে মনে হয়, যদি ওঁর পাশে বসতে পারতাম... কিছু কথা বলার ছিল... আর কিছু জিজ্ঞাসা... এত কম সামর্থ্যে এত বেশি কিছু করার শক্তি কোথায় পেয়েছিলেন? কীভাবে দেখেছিলেন এই স্বপ্ন?’
মহাত্মা গান্ধী কিন্তু সত্যের পক্ষে বা অনাচারের বিরুদ্ধে তাঁর লড়াইকে ব্যক্তিগত স্তরে সীমাবদ্ধ রাখেননি। তাঁর আন্দোলন দেশের সীমান্তে আটকে থাকেনি। দক্ষিণ আফ্রিকাতেও বর্ণবিদ্বেষ ও শ্রেণী বিভাজনের বিরুদ্ধে তাঁর আন্দোলন ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে। আর ওবামা? সন্ত্রাসবাদ বিরোধী যুদ্ধে গোটা বিশ্বকে এক হওয়ার ডাক দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই আহ্বান বক্তৃতাতেই তালাবন্দি থেকে গিয়েছে। হুমকি দিয়েছেন, জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে পাকিস্তানকে অর্থ সাহায্য বন্ধ করে দেবে আমেরিকা। কিন্তু যুগ যুগ কেটে গেলেও তাতে সিলমোহর পড়েনি। সেদিন ডিনারের আগে কিছুক্ষণ মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে একান্তে কথা বলেছিলেন ওবামা। পিছনে দাঁড়িয়ে থাকার কেউ ছিল না। কেউ নোট নিচ্ছিল না। মনমোহন তাঁকে বলেছিলেন লস্কর-ই-তোইবার কথা। জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআইয়ের যোগসাজশের কথা। ওবামা লিখেছেন, ‘হামলার পর পাকিস্তানকে পাল্টা আক্রমণের যে চাপ তৈরি হয়েছিল, তা বহু কষ্টে রুখেছিলেন মনমোহন। কারণ ওটা সমাধান নয়। যার মাশুল তাঁকে দিতে হয়েছিল রাজনৈতিকভাবে। মনমোহনের ভয় ছিল, মুসলিম বিরোধী আক্রোশ যেভাবে বাড়ছে, তার সুযোগ নেবে হিন্দু জাতীয়তাবাদী পার্টি বিজেপি। বলেছিলেন, মিস্টার প্রেসিডেন্ট... কখনও কখনও ধর্মীয় জোট সমাজের কাছে বিষাক্ত হয়ে ওঠে। আর রাজনীতিকরা তার সুযোগ নেয়। ভারতে... অন্য দেশেও।’ দূরদর্শী ছিলেন মনমোহন। বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠ উত্থান যে তারপরই! পাকিস্তান বিরোধী সেন্টিমেন্টকে কাজে লাগিয়ে। ২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। 
স্বস্তিতে থাকবেন না নরেন্দ্র মোদিও।
24th  November, 2020
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা দেশের
জন্যও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ
জিষ্ণু বসু

বাঙালি ভারতের নবজাগরণের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালন করেছে। জীবন্ত জাগ্রত ভারতাত্মার পূজাবেদি ছিল বাংলা। ১৮৮২ সালে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র লিখলেন আনন্দমঠ উপন্যাস। বাঁধা হল ‘বন্দেমাতরম’ গান। দেশমাতৃকাকে দশপ্রহরণধারিণী দেবী দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন সাহিত্যসম্রাট। বিশদ

14th  January, 2021
এই রাজ্যে মেয়েদের
ভোট ভাগ করা যাবে না
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপি জানে, পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা দখল করতে না পারলে তাদের সিএএ-এনআরসি সব ব্যর্থ হয়ে যাবে। সারা দেশে একজন ব্যক্তিত্বই তাঁদের সব ভুলভাল কাজকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে লড়াই জারি রাখতে পারেন। তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির কাছে মমতা নামটাই জুজুর মতো। বিশদ

13th  January, 2021
বিজেপির প্রচারে স্বামীজি
আছেন, কিন্তু অনুসরণে...?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

স্বামীজি বলতেন, ‘এমন ধর্ম চাই, যার মূল মন্ত্র হবে মানবপ্রেম। এমন ধর্ম চাই, যা মানুষকে, বিশেষ করে অবহেলিত, পদদলিত মানুষকে প্রত্যক্ষ মানুষ বলে প্রচার করবে। খালি পেটে ধর্ম হয় না। ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে ধর্ম বা ঈশ্বর অর্থহীন।’ নাঃ... যে পরিব্রাজক এমন কথা বলতে পারেন, তাঁকে বিজেপি অন্তত অনুসরণ করে না। বিশদ

12th  January, 2021
বিবেকানন্দের স্বপ্নের
বাংলা আবার গঠিত হবে
জগৎপ্রকাশ নাড্ডা

এক নতুন ভারতবর্ষের স্বপ্ন দেখেছিলেন স্বামীজি, যেখানে দারিদ্র্যের মোচন এবং চেতনার উন্মেষ ঘটবে। এই কাজে প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ যুবশক্তি। বিশদ

12th  January, 2021
মহামারী, ভ্যাকসিন
এবং বিতর্ক
পি চিদম্বরম

মহামারী বিদায় নিচ্ছে বলে মনে হয়, তবে এখনও বিদায় হয়নি। ভ্যাকসিন আসছে বলে মনে হয়, তবে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছয়নি। কিন্তু একটা জিনিস বরাবর একজায়গায় রয়ে গিয়েছে, সেটা হল বিতর্ক! বিশদ

11th  January, 2021
আদি বনাম নব্য, বিজেপিতে
নরকগুলজার সপ্তমে
হিমাংশু সিংহ

শেষে হাটে হাঁড়িটা ভাঙলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষই। দলে স্বার্থপর দলবদলুদের দাপাদাপি দেখে আর স্থির থাকতে পারলেন না। বলেই বসলেন, একদিন যাঁরা নন্দীগ্রামে বিজেপিকে ঢুকতে বাধা দিয়েছিলেন, তাঁরাই আজ নতমস্তকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। আলিঙ্গন করছেন। একেবারে হক কথা। বিশদ

10th  January, 2021
রাজনীতিবিদদের ‘সৌজন্যে’ই
করোনার নয়া স্ট্রেইনে পঙ্গু ব্রিটেন
রূপাঞ্জনা দত্ত

বি.১.১.৭। কোভিডের নয়া অবতার বা বিলিতি স্ট্রেইনের পোশাকি নাম এটাই। চীনের উহান থেকে সার্স-কোভ-২ ছড়িয়ে পড়ার পর যতটা আতঙ্ক ছড়িয়েছিল বিশ্বজুড়ে, সেই দিনগুলিই ফিরিয়ে এনেছে ভাইরাসের এই নয়া রূপ। ‘ভাইরাস আন্ডার ইনভেস্টিগেশন’ থেকে ‘ভাইরাস অব কনসার্ন’ হতে এর খুব বেশিদিন সময় লাগেনি। বিশদ

10th  January, 2021
প্রচারকে নিয়েও রাজনীতি
করা যায়, দেখাচ্ছে বিজেপি

তন্ময় মল্লিক

তৃণমূলের ‘অতৃপ্ত আত্মা’রা চলে যাওয়ায় দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বও কমে গিয়েছে। দলের কর্মীরা যে মমতার সঙ্গে আছে, সেটা প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠছে। ভিড়ের প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে না পেরে বিজেপির অস্ত্র ‘হুইসপারিং ক্যাম্পেন’। বিশদ

09th  January, 2021
বিরোধী দলগুলির
স্থায়ী ক্ষতি হল
সমৃদ্ধ দত্ত

যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে বিজেপি সরব ছিল, তাঁদেরই বিজেপি এখন উচ্চপদে বরণ করছে। এর ফলে বিজেপির শক্তি ও প্রভাব হয়তো বাড়ছে বলে তারা মনে করছে। কিন্তু বড়সড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে ভাবমূর্তির। বিশদ

08th  January, 2021
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ এবং সংবাদদাতা: গৌড়বঙ্গের তিন জেলায় শনিবার উৎসবের মেজাজে করোনার টিকাকরণ কর্মসূচি হল। এদিন মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে টিকাকরণকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।   ...

হুগলির মগরা থানা এলাকার ভাঙাঘাটের বাসিন্দা এক স্কুলছাত্রী আত্মঘাতী হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃত ছাত্রীর নাম সানিয়া সাউ। ...

করোনা কালেও বিখ্যাত গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা হন্ডা সিটি রেকর্ড সংখ্যাক গাড়ি বিক্রি করেছে। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সংস্থা সংস্থার ‘মিড সাইজ সেডান’ বিভাগে এই সময়ে ২১ হাজার ৮২৬টি গাড়ি বিক্রি হয়েছে। ...

বিচ্ছিন্নতাবাদী খলিস্তানপন্থী সংগঠন ‘শিখ ফর জাস্টিস’-এর সঙ্গে যোগসাজশ নিয়ে বহু কৃষক নেতাকে সমন পাঠালো জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। সম্প্রতি শিখ ফর জাস্টিসের নেতা গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নু বলেছেন, ‘মানুষের ক্ষোভ, হতাশাকে কাজে লাগিয়ে ভয় এবং নৈরাজ্যের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বাড়তি অর্থ পাবার যোগ আছে। পদোন্নতির পাশাপাশি কর্মস্থান পরিবর্তন হতে পারে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পক্ষে থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪১ - বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম মাউন্ট এভারেস্ট রাখা হয়
১৯৪২: মার্কিন মুষ্টিযোদ্ধা মহম্মদ আলির জন্ম
১৯৪৫: গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারের জন্ম
১৯৫৩ - সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার এবং চিত্রপরিচালক অঞ্জন দত্তের জন্ম
২০১০: কমিউনিস্ট নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর মৃত্যু 
২০১১ - অভিনেত্রী গীতা দের মৃত্যু
২০১৪ - অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২৯ টাকা ৭৪.০০ টাকা
পাউন্ড ৯৭.৬৬ টাকা ১০১.১২ টাকা
ইউরো ৮৬.৭৮ টাকা ৮৯.৯৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৬৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,১২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,৮৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৫,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৫,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, চতুর্থী ৪/২৫ দিবা ৮/৯। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৬/২৩/৫, সূর্যাস্ত ৫/১০/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে  ৯/৫৮ মধ্যে, রাত্রি ৬/৫৫ গতে ৮/৪১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৫০ গতে ১/৩৪ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩ গতে ৬/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১২/১২ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৫ গতে ১/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৫ গতে ৩/৪ মধ্যে।
৩ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, চতুর্থী দিবা ৯/২৪। শতভিষা নক্ষত্র দিবা ৭/৪৮। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ গতে ১০/০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৮/৪৮ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ১/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১২ গতে ৭/৪ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৭ গতে ১/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। 
৩ জমাদিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সৌমিত্র খাঁ-কে তিরস্কার বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের
বিষ্ণুপুরের সংসদ সদস্য সৌমিত্র খাঁ-কে তিরস্কার করল বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। ...বিশদ

06:40:08 PM

বামফ্রন্ট–কংগ্রেস আসনরফা অধরাই
শিয়রে বিধানসভা ভোট।  কিন্তু এখনও বাংলায় বাম-কংগ্রেসের আসন রফার জট ...বিশদ

06:14:36 PM

চড় মারার অভিযোগ মহেশ মঞ্জরেকরের বিরুদ্ধে
এ কী করলেন মহেশ মঞ্জরেকর! আজ, রবিবার চড় মারার অভিযোগ  ...বিশদ

05:57:13 PM

প্রয়াত পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত সঙ্গীতশল্পী
প্রয়াত কিংবদন্তী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী ওস্তাদ গুলাম মুস্তফা খান।  বয়স হয়েছিল ...বিশদ

05:39:00 PM

ত্রিপুরায় কংগ্রেস নেতার উপর হামলার অভিযোগ

ত্রিপুরার সিপাহিজেলায় কংগ্রেস নেতা পিযুষকান্তি বিশ্বাসের উপর হামলার অভিযোগ। গুরুতর ...বিশদ

04:29:06 PM

শান্তিপুরে ইটভাটায় দুর্ঘটনা, মৃত ২ 
নদীয়ার শান্তিপুরের একটি ইটভাটায় মজুত রাখা ইটের গাদায় ধস। ইট ...বিশদ

04:25:50 PM