Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

বেশ বোঝা যাচ্ছে ভোট শিয়রে। সেই চেনা গন্ধ। দিল্লির চেনা ছকের খেলা। গতবারের মতো এবার আর সুদীপ্ত সেন নয়, হঠাৎ ‘লালু-ভুলু’র আমদানি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআই ও ইডি। কী ভয়ঙ্কর তৎপরতা। তল্লাশি, ধরপাকড়। বলি এতগুলো বছর কেটে যাওয়ার পর সারদা-নারদ তদন্তের পরিণাম কী, জানা আছে। রোজভ্যালির টাকা গরিব বিনিয়োগকারীদের সিবিআই পাইয়ে দিয়েছে! কে না জানে, এসবই নির্বাচনের আগে দিল্লির নির্দেশে প্রতিপক্ষকে নাস্তানাবুদ করার ছক মাত্র। মানুষকে সুবিচার পাইয়ে দেওয়া, টাকা ফেরত দেওয়ার সদিচ্ছা কতটুকু তা নিয়ে স্বভাবতই সন্দেহ জাগে। কারণটা জলের মতো পরিষ্কার। প্রতিবার ভোট মিটতেই যাবতীয় তৎপরতা ঘুমিয়ে পড়ে! তদন্ত চলে যায় ঠান্ডা ঘরে। এবারও বিধানসভার লড়াইয়ের ছ’মাস আগে থাকতেই সেই পুরনো খেলা ঘিরে তৎপরতা তুঙ্গে।
দিল্লির শাসকদের নয়া নির্দেশ, নয়া ছক। সঙ্গে নয়া নাটক। ঝাঁপাও পাচার নিয়ে। মওকা বুঝে ছেটাও কালি। লালা আর এনামুল। যেন মানিকজোড়। সদ্য খোঁজ মিলল। আসল কারণ তো, ভোট আসছে বলেই গোরু পাচার, কয়লা পাচার সিন্ডিকেটের উপর চোখ পড়েছে। নাহলে এমন তো কতই হয় চোখের উপর। বলুন তো, গত সাড়ে চারবছর কি গোরু পাচার ছিল না? আলবাত ছিল। দশকের পর দশক ধরে চলে আসছে। বিএসএফের কর্তাদের যোগসাজশে বুক ফুলিয়ে। কনসাইনমেন্ট পিছু ৩৫-৪০ লক্ষ টাকার হাত বিনিময়। এত বড় লেনদেন সব গোপনে হয়েছে! ওই পরিমাণ টাকা হজম করা এতই সোজা। এর একচুল দায় কেন্দ্র অস্বীকার করতে পারে? বিএসএফ কার, ইসিএল কার নিয়ন্ত্রণে, মানুষ জানে না। এখন একতরফা রাজ্যের শাসক দলের উপর দায় চাপালে ব্যাপারটা দৃষ্টিকটু লাগতে পারে বলেই বিএসএফের কমান্ড্যান্ট সতীশ কুমারকে গ্রেপ্তারের নাটক। এর থেকেই প্রমাণ হয়, আগাগোড়া পুরো বিষয়টাই দিল্লির গোচরে ছিল।
আর কয়লা পাচার? বেআইনি কয়লা খাদানের কারবার? সে সিন্ডিকেটের জট তো আরও গভীরে। শুধু এরাজ্য নয়, রাজ্যের বাইরেও অনেক লোক এই খেলায় জড়িত। পুরোটাই বছরের পর বছর চলে আসছে কেন্দ্রের ইসিএল সংস্থার কিছু অফিসারের সঙ্গে গোপন বোঝাপড়ায়। ইসিএল জানে না, অথচ খনিমুখ থেকে অসৎ কারবারিরা কয়লা তুলে চড়া দামে বিক্রি করছে, এই সহজ সরলীকরণ মেনে নেওয়া কতটা সম্ভব। দেড় হাজার টাকার জিনিসটা বিক্রি হচ্ছে পাঁচ হাজারে। ভোটের ছ’মাস আগে জানা গেল সার সত্যটা। এসবই ভোটের আগে পাচার নিয়ে রাজ্য-রাজনীতিকে সরগরম করার অপচেষ্টা। সবকিছু এলোমেলো করে দেওয়ার প্রয়াস। এতেই প্রমাণ হয়, এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সোজাসুজি লড়তে বিরোধী শক্তি ভয় পাচ্ছে। তাঁর জনসমর্থনের তল খুঁজে পাচ্ছে না। তাই অশান্তি, অস্বস্তি তৈরির বেপরোয়া চেষ্টা। একদিকে তৃণমূলের লোভী বিশ্বাসঘাতক নেতাদের চিহ্নিত করে দল ভাঙার বর্ণাঢ্য আয়োজন। অন্যদিকে, পাচারকারী ‘লালু–ভুলু’কে সামনে এনে শীর্ষ নেতৃত্বের ভাবমূর্তিতে কালি ছেটানোর নোংরা অপচেষ্টা। 
এসবের আড়ালে আবার চলছে গেরুয়া নেতাদের ফাঁকা হুঙ্কার, শাসক দলের নেতাদের লুকনো 
সম্পত্তি খুঁজে বার করে জেলের ভাত খাওয়াব। ভাবটা এমন, গেরুয়া নেতারা বুঝি সব সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী। মাটিতে ভাত খান। সব ছেড়ে দিলাম। 
শুধু গত পাঁচবছরে অমিত-পুত্র জয় শাহের 
ক্ষমতা ও ব্যবসার বহুগুণ বৃদ্ধির হিসেবটা কি 
একবার দেবেন বঙ্গের বিজেপি নেতারা?
২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটের কথা মনে আছে। সারদা আর নারদ দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে ফেলার চেষ্টা সেবারও কম হয়নি। সঙ্গে মিলেছিল মধ্য কলকাতার বুকে দিনে-দুপুরে নির্মীয়মাণ সেতু ভেঙে পড়ার সাতকাহন। আখেরে লাভের লাভ কিছুই হয়নি। পুরো প্ল্যানটাই ফ্লপ করেছিল। সব অভিযোগ উড়িয়ে ২০৮ আসনে জিতেছিলেন মমতা। হ্যাঁ, জয়টা একান্তভাবে তাঁরই ছিল। কারণ ২৯৪টি আসনে তিনিই প্রার্থী ছিলেন। সেবারও কেন্দ্রের একতরফা প্রচার তাঁর ভাবমূর্তিকে ছোট করতে পারেনি। ফল বেরতেই দেখা গেল, একইসঙ্গে কংগ্রেস, সিপিএম ও বিজেপি কার্যত ছত্রভঙ্গ হয়ে গিয়েছে।
মোদি সরকার দিল্লির তখতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ঠিক কী হয়েছিল সেবার একটু মনে করাই। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরেই সারদা মামলায় মদন মিত্রকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য-রাজনীতিতে ঝড় তোলার চেষ্টা হয়েছিল। গোটা ঘটনায় ক্ষিপ্ত মমতা চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলেন, পারলে আমায় গ্রেপ্তার করুন। তারপর কোথাকার জল কোথায় গড়িয়েছে আজ ছ’বছর পর তা কারও অজানা নয়। মদনবাবু কিছুদিনের মধ্যেই মুক্ত। রোজভ্যালি মামলায় বেশিদিন আটকে রাখা যায়নি সুদীপবাবুকেও। মামলা তারপর আর খুব একটা এগয়নি। আর দুর্নীতির সঙ্গে তৃণমূলের যে নেতার নাম জড়িয়ে বঙ্গের বিজেপি নেতারা সেদিন স্লোগান আর হুঙ্কারে রাতদিন এক করে ফেলেছিলেন, তাঁকেই আজ সর্বভারতীয় সহসভাপতির আসন দিয়েছে। সংগঠনের মাথায় তুলেছে। এরাজ্যে গদি দখলের অন্যতম মুখ করেছে। এ কেমন নীতিহীন সমঝোতা! এটাই তাহলে নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহের দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াইয়ের আদর্শ নমুনা!
দিলীপবাবুরা এরপর কী বলবেন, নিশ্চয় সর্বভারতীয় সহসভাপতিকে এ যাত্রায় জেলের ভাত খাওয়াবেন না। প্রয়োজনে তাঁকে গঙ্গাজলে ধুয়ে নেবেন! বিজেপিতে যোগ দিলেই বুঝি দুর্নীতির, টাকা কামানোর অভিযোগ রাতারাতি মুছে যায়! আর পরিবারতন্ত্র? মমতার দয়ায় কারও ছেলে এমএলএ তো অন্যজনের স্ত্রী, ভাই—কেউ বাদ নেই। নিদেনপক্ষে একটা কাউন্সিলর। এভাবেই মমতাকে আশ্রয় করে গোটা পরিবারটাকে গুছিয়ে নেওয়ার দু’শো আয়োজন। আর এখন বঞ্চনা আর অবহেলার অভিযোগ তুলে জননেত্রীর দিকে আঙুল তুলে দল বদলালেই কলঙ্কমুক্ত? ভাবমূর্তি সফেদ? মানুষের আদালতে এর কোনও বিচার হবে না? পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে এত বোকা ভাবার কোনও কারণ নেই। সব হিসেব ঠিক সময় তাঁরা চুকিয়ে দেবেন।
আসলে এরাজ্যে গেরুয়া দলটা এখনও হাওয়ায় ভাসছে। অর্ধেক বুথে এবারও এজেন্ট দিতে কালঘাম ছুটবে। এত বড় বড় কথা বলার পরও জেলায় জেলায় সংগঠন বলে কিছু নেই। ক্ষীণবল হলেও দূর গ্রামে এখনও বামেদের কর্মসূচি কিন্তু গেরুয়া দলের থেকে বেশি। কিন্তু সঙ্ঘ পরিবারের প্রচারযন্ত্র অত্যন্ত শক্তিশালী। নয়কে হয়, আর হয়কে নয় করতে তারা ওস্তাদ। সেই সুবাদেই হাওয়া তোলার বেপরোয়া চেষ্টা চলছে। সুকৌশলে বারবার বলা হচ্ছে, তারা ক্ষমতার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। শুধু ফলটুকুর অপেক্ষা। এটাকেই ইংরেজিতে বলে ‘পারসেপশন ব্যাটল’। এই যুদ্ধে আরএসএসের প্রচারকরা সিদ্ধহস্ত। বঙ্গ নেতারা বিলক্ষণ জানেন, এতকিছু করেও বাংলা দখল এখনও দূর অস্ত। তার ওপর ক্ষমতায় আসার আগেই জেলায় জেলায় দলটার ভিতরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের নগ্ন চেহারা কতটা তীব্র হয়েছে, তা দিল্লির নেতারা টের পেয়ে গিয়েছেন। নীচের তলায় টাকা তোলাও শুরু হয়ে গিয়েছে। ক্ষমতায় আসার আগেই এত দূর! বঙ্গের গেরুয়া শক্তিকে প্রশ্ন করি, গোটা রাজ্যটাতেই যখন আপনারা জাঁকিয়ে বসেছেন তাহলে ভিন রাজ্য থেকে পাঁচজন পর্যবেক্ষক আনতে হচ্ছে কেন? বাংলায় আপনাদের লোক নেই, না কি আপনাদের উপর দিল্লির নেতৃত্বের এখনও আস্থা নেই? এখন থেকেই পদ দখল নিয়ে দলের নেতা ও কর্মীদের ঝগড়া যেভাবে চরমে পৌঁছেছে তা তো ভয়ঙ্কর। এরা ক্ষমতায় এলে সঙ্কীর্ণ স্বার্থের মারামারি যে আরও কদর্য চেহারা নেবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ আছে নাকি?
বাস্তবে দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। এভাবেই অবিশ্বাসের বীজ বুনে ভাঙনের নোংরা খেলায় উসকানি দেওয়া। সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে, প্রতিপক্ষের সঙ্গে মুখোমুখি লড়াইয়ে পেরে না উঠলে কী করি? আঙুলটা একটু বাঁকাই। ঘুরপথে প্রতিপক্ষকে দুর্বল করার চেষ্টা করি। দল ভাঙানো। মিথ্যে মামলা। সিবিআই-ইডিকে যুগপৎ লাগিয়ে নেতাদের টানা হ্যাঁচড়া। জেরার পর জেরা, গ্রেপ্তার—এসবই এই চেনা খেলার অঙ্গ।
এতদিনে সবাই আসল ধান্দাটা ধরে ফেলেছে। এসবই ভোটের আগের পাঁচ ছ’মাসের কাহানি। 
ভোট ফুরলেই তদন্তের নটেগাছটাও কখন মুড়িয়ে যাবে, কেউ টের পাবে না। বুক ফুলিয়ে পাচার চলবে। দেদার জাল নোট চলবে। বেআইনি কয়লা সিন্ডিকেটের বাড়বাড়ন্ত দেখেও কেন্দ্রীয় এজেন্সি চুপ করে থাকবে। যাবতীয় তৎপরতা তোলা থাকবে আবার পরের ভোটের জন্য! সেই ট্র্যাডিশন চলতেই থাকে বিরামহীন।
22nd  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন। ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? 
বিশদ

20th  November, 2020
বিজেপির হয়েই কি ব্যাট ধরছে কং-সিপিএম?
হারাধন চৌধুরী

বছর তিরিশ আগের কিছু কথা মনে পড়ছে। জ্যোতি বসুর মুখ্যমন্ত্রিত্বের তখন থার্ড টার্ম। সিদ্ধার্থ-জমানার সন্ত্রাসের বাস্তব অনেকটাই অতীত ততদিনে। সিপিএমের সন্ত্রাসটাই তখন হাতেগরম। সাতাত্তরে সিপিএম এবং জ্যোতি বসুর নামে যে মোহ জেগেছিল, অনেক সাচ্চা বামপন্থীদেরও ঘুচে গিয়েছে। সাংবাদিকতায় হাতেখড়ির সেই গোড়ার দিনগুলোতে আমাদের ব্যতিব্যস্ত রাখত সিপিএম পার্টি ক্যাডাররা।  
বিশদ

19th  November, 2020
কংগ্রেস কি দিনে দিনে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে
সন্দীপন বিশ্বাস

 কংগ্রেসের বিগত কয়েক বছরের ব্যর্থতা বারবার নিঃশব্দে বলে গিয়েছে নেতৃত্বে গলদ রয়েছে। আজ বুঝি তাই ভিতর থেকে একটা ভূকম্পনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। নতুন করে পার্টিটাকে বাঁধতে না পারলে মোদির সঙ্গে তার টক্কর দেওয়া সম্ভব নয়।
বিশদ

18th  November, 2020
ছুঁচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরনোর খেলা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

পরীক্ষায় পাশ নরেন্দ্র মোদি। তবে উতরানোটা মোটেই খুব সহজ ছিল না! একদিকে মহামারীর আতঙ্ক, আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ... প্রশ্ন একটাই, বিজেপির বিকল্প কি খোঁজার সময় এসে গিয়েছে? বিহার বলল, না আসেনি। কারণ, বিকল্প কেউ নেই। আপাতত...। তাই নরেন্দ্র মোদি জনপ্রিয়তার ফাঁকা ময়দানে গোল দিয়েই চলেছেন।   বিশদ

17th  November, 2020
করোনাকালে বায়ুদূষণ এক অশনিসঙ্কেত
অনির্বাণ মিত্র

ইতালির দু’টি অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি রোগীর মৃত্যু হয়। ওই দুই অঞ্চলে দূষণ প্রচণ্ড। একই ধরনের রিপোর্ট আসে চীন থেকেও। যুক্তরাষ্ট্রেও যেখানে বায়ুদূষণের মাত্রা বেশি, সেখানেই তত বেশি করোনা রোগী মারা যাচ্ছেন।  বিশদ

16th  November, 2020
বিভাজন করেই আমাদের পতন হয়
পি চিদম্বরম

বিভাজনের প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে এবং এটা গভীরতরও হতে পারে—মার্কিন মুলুকে, ওইসঙ্গে ভারতেও। ... ভারতের আঘাতটা হবে ভীষণ খারাপ। সমাজ বিভাজিত হয়ে যাবে। অর্থনীতি উদ্যম হারিয়ে বসবে।  বিশদ

16th  November, 2020
একনজরে
টি-২০ চ্যালেঞ্জারের দ্বিতীয় ম্যাচেও টাউনের কাছে ১৪ রানে হারল ইস্ট বেঙ্গল। টুর্নামেন্টে পরপর দু’ম্যাচে হার অনেকটাই কোণঠাসা করে দিল অর্ণব নন্দীদের। বৃহস্পতিবার প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৪২ রান তোলে টাউন। ...

বাড়ি বাড়ি পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দিতে হবে। লক্ষ্য বেঁধে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পুরসভাগুলিতে দ্রুতগতিতে চলছে পরিস্রুত পানীয় জলপ্রকল্পের কাজ। কোথাও ট্রিটমেন্ট ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: ২০০৮ সালের ১৭ নভেম্বর শীতের দুপুরে নিজের শিল্পকর্মে ব্যস্ত ছিলেন শিল্গী। হঠাৎ পাশে থাকা ফোনটা বেজে উঠল। ফোনের ওপার থেকে আওয়াজ এল ...

ফের ‘এক দেশ, এক ভোট’-এর পক্ষে জোর সওয়াল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানিয়ে দিলেন, কয়েক মাস অন্তর ভোট হওয়ার ফলে দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। দেশের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কর্মলাভে কিছু বিলম্ব হবে। প্রেম ভালোবাসায় সাফল্য লাভ ঘটবে। বিবাহযোগ আছে। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৯৫- গেরাসিম লেবেদেফের উদ্যোগে কলকাতার মঞ্চে প্রথম অভিনীত হল নাটক
১৮৭৮- কবি যতীন্দ্রমোহন বাগচির জন্ম
১৮৮৮ - কবিপুত্র তথা বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কৃষিবিজ্ঞানী,শিক্ষাবিদ ও লেখক রথীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম
১৮৯৫ - বিশিষ্ট বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল তাঁর সমস্ত সম্পত্তি উইল করে নোবেল পুরস্কার প্রদানের জন্য তহবিল গঠন করেন।
১৯০৭ - বিশিষ্ট ভারতীয় হিন্দি ভাষার কবি ও লেখক হরিবংশ রাই বচ্চনের জন্ম
১৯১৩- চিত্রশিল্পী চিত্রানিভা চৌধুরির জন্ম
১৯১৪ - ব্রিটেনে প্রথম মহিলা পুলিস নিয়োগ হয়।
১৯৪০- অভিনেতা ও মার্শাল আর্ট শিল্পী ব্রুস লি’র জন্ম
১৯৫২- সুরকার বাপ্পি লাহিড়ির জন্ম
১৯৮৪- অভিনেতা অসিতবরণের মৃত্যু
১৯৮৬- ভারতীয় ক্রিকেটার সুরেশ রায়নার জন্ম
১৯৯২ - এই দিন থেকে ব্রিটেনের রানী আয়কর দিতে শুরু করেন।
২০০৮- ভারতের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী ভি পি সিংয়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০২ টাকা ৭৪.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯৭.১৯ টাকা ১০০.৬২ টাকা
ইউরো ৮৬.৫৩ টাকা ৮৯.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯, ৮৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬১, ১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬১, ২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৪/২৫ দিবা ৭/৪৭। অশ্বিনী নক্ষত্র ৪৫/৫৩ রাত্রি ১২/২৩। সূর্যোদয় ৬/১/৮, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৬। অমৃতযোগ  ৬/৪২ মধ্যে পুনঃ ৭/২৬ গতে ৯/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৫ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে ৩/২২ মধ্যে পুনঃ ৪/১৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪২ গতে ১১/২৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫ গতে ৯/৪৫ মধ্যে।  
১১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, দ্বাদশী দিবা ৮/১৬। অশ্বিনী নক্ষত্র রাত্রি ১/২৮। সূর্যোদয় ৬/৩, সূর্যাস্ত ৪/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৭/৩৯ গতে ৯/৪৬ মধ্যে ও ১১/৫৩ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৩/২৫ গতে ৪/৪৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৮ মধ্যে ও ১১/৫৯ গতে ৩/৩৪ মধ্যে ও ৪/২৭ গতে ৬/৪ মধ্যে। বারবেলা ৮/৪৪ গতে ১১/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৬ মধ্যে। 
১১ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শুভেন্দুর পদত্যাগ, কী বললেন ভাই দিব্যেন্দু অধিকারি ?
শুভেন্দু অধিকারির মন্ত্রিত্ব ছাড়ার বিষয়ে টেলিফোনে তাঁর ভাই তথা তৃণমূলের ...বিশদ

01:58:20 PM

মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ  করলেন শুভেন্দু অধিকারি
পরিবহণমন্ত্রী ও সেচমন্ত্রীর পদ থেকে  ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারি। আজ ...বিশদ

01:33:00 PM

১ম ওডিআই: ভারতকে ৩৭৫  রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া

01:24:40 PM

কঙ্গনার পাশেই আদালত, খারিজ বিএমসি-র অভিযোগ
আজ, শুক্রবার কঙ্গনার পক্ষেই রায় দিল বম্বে হাইকোর্ট। স্বস্তি পেলেন ...বিশদ

12:52:13 PM

১ম ওডিআই: অস্ট্রেলিয়া ২৮১/৩ (৪২ ওভার)

12:39:45 PM

১ম ওডিআই: অস্ট্রেলিয়া ১৬৯/১(৩০ ওভার)
 ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রথম একদিনের ম্যাচে ফিঞ্চ ও ওয়ার্নারের জুটিতে দুরন্ত ...বিশদ

11:43:55 AM