Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

বেশ বোঝা যাচ্ছে ভোট শিয়রে। সেই চেনা গন্ধ। দিল্লির চেনা ছকের খেলা। গতবারের মতো এবার আর সুদীপ্ত সেন নয়, হঠাৎ ‘লালু-ভুলু’র আমদানি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআই ও ইডি। কী ভয়ঙ্কর তৎপরতা। তল্লাশি, ধরপাকড়। বলি এতগুলো বছর কেটে যাওয়ার পর সারদা-নারদ তদন্তের পরিণাম কী, জানা আছে। রোজভ্যালির টাকা গরিব বিনিয়োগকারীদের সিবিআই পাইয়ে দিয়েছে! কে না জানে, এসবই নির্বাচনের আগে দিল্লির নির্দেশে প্রতিপক্ষকে নাস্তানাবুদ করার ছক মাত্র। মানুষকে সুবিচার পাইয়ে দেওয়া, টাকা ফেরত দেওয়ার সদিচ্ছা কতটুকু তা নিয়ে স্বভাবতই সন্দেহ জাগে। কারণটা জলের মতো পরিষ্কার। প্রতিবার ভোট মিটতেই যাবতীয় তৎপরতা ঘুমিয়ে পড়ে! তদন্ত চলে যায় ঠান্ডা ঘরে। এবারও বিধানসভার লড়াইয়ের ছ’মাস আগে থাকতেই সেই পুরনো খেলা ঘিরে তৎপরতা তুঙ্গে।
দিল্লির শাসকদের নয়া নির্দেশ, নয়া ছক। সঙ্গে নয়া নাটক। ঝাঁপাও পাচার নিয়ে। মওকা বুঝে ছেটাও কালি। লালা আর এনামুল। যেন মানিকজোড়। সদ্য খোঁজ মিলল। আসল কারণ তো, ভোট আসছে বলেই গোরু পাচার, কয়লা পাচার সিন্ডিকেটের উপর চোখ পড়েছে। নাহলে এমন তো কতই হয় চোখের উপর। বলুন তো, গত সাড়ে চারবছর কি গোরু পাচার ছিল না? আলবাত ছিল। দশকের পর দশক ধরে চলে আসছে। বিএসএফের কর্তাদের যোগসাজশে বুক ফুলিয়ে। কনসাইনমেন্ট পিছু ৩৫-৪০ লক্ষ টাকার হাত বিনিময়। এত বড় লেনদেন সব গোপনে হয়েছে! ওই পরিমাণ টাকা হজম করা এতই সোজা। এর একচুল দায় কেন্দ্র অস্বীকার করতে পারে? বিএসএফ কার, ইসিএল কার নিয়ন্ত্রণে, মানুষ জানে না। এখন একতরফা রাজ্যের শাসক দলের উপর দায় চাপালে ব্যাপারটা দৃষ্টিকটু লাগতে পারে বলেই বিএসএফের কমান্ড্যান্ট সতীশ কুমারকে গ্রেপ্তারের নাটক। এর থেকেই প্রমাণ হয়, আগাগোড়া পুরো বিষয়টাই দিল্লির গোচরে ছিল।
আর কয়লা পাচার? বেআইনি কয়লা খাদানের কারবার? সে সিন্ডিকেটের জট তো আরও গভীরে। শুধু এরাজ্য নয়, রাজ্যের বাইরেও অনেক লোক এই খেলায় জড়িত। পুরোটাই বছরের পর বছর চলে আসছে কেন্দ্রের ইসিএল সংস্থার কিছু অফিসারের সঙ্গে গোপন বোঝাপড়ায়। ইসিএল জানে না, অথচ খনিমুখ থেকে অসৎ কারবারিরা কয়লা তুলে চড়া দামে বিক্রি করছে, এই সহজ সরলীকরণ মেনে নেওয়া কতটা সম্ভব। দেড় হাজার টাকার জিনিসটা বিক্রি হচ্ছে পাঁচ হাজারে। ভোটের ছ’মাস আগে জানা গেল সার সত্যটা। এসবই ভোটের আগে পাচার নিয়ে রাজ্য-রাজনীতিকে সরগরম করার অপচেষ্টা। সবকিছু এলোমেলো করে দেওয়ার প্রয়াস। এতেই প্রমাণ হয়, এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সোজাসুজি লড়তে বিরোধী শক্তি ভয় পাচ্ছে। তাঁর জনসমর্থনের তল খুঁজে পাচ্ছে না। তাই অশান্তি, অস্বস্তি তৈরির বেপরোয়া চেষ্টা। একদিকে তৃণমূলের লোভী বিশ্বাসঘাতক নেতাদের চিহ্নিত করে দল ভাঙার বর্ণাঢ্য আয়োজন। অন্যদিকে, পাচারকারী ‘লালু–ভুলু’কে সামনে এনে শীর্ষ নেতৃত্বের ভাবমূর্তিতে কালি ছেটানোর নোংরা অপচেষ্টা। 
এসবের আড়ালে আবার চলছে গেরুয়া নেতাদের ফাঁকা হুঙ্কার, শাসক দলের নেতাদের লুকনো 
সম্পত্তি খুঁজে বার করে জেলের ভাত খাওয়াব। ভাবটা এমন, গেরুয়া নেতারা বুঝি সব সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী। মাটিতে ভাত খান। সব ছেড়ে দিলাম। 
শুধু গত পাঁচবছরে অমিত-পুত্র জয় শাহের 
ক্ষমতা ও ব্যবসার বহুগুণ বৃদ্ধির হিসেবটা কি 
একবার দেবেন বঙ্গের বিজেপি নেতারা?
২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটের কথা মনে আছে। সারদা আর নারদ দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে ফেলার চেষ্টা সেবারও কম হয়নি। সঙ্গে মিলেছিল মধ্য কলকাতার বুকে দিনে-দুপুরে নির্মীয়মাণ সেতু ভেঙে পড়ার সাতকাহন। আখেরে লাভের লাভ কিছুই হয়নি। পুরো প্ল্যানটাই ফ্লপ করেছিল। সব অভিযোগ উড়িয়ে ২০৮ আসনে জিতেছিলেন মমতা। হ্যাঁ, জয়টা একান্তভাবে তাঁরই ছিল। কারণ ২৯৪টি আসনে তিনিই প্রার্থী ছিলেন। সেবারও কেন্দ্রের একতরফা প্রচার তাঁর ভাবমূর্তিকে ছোট করতে পারেনি। ফল বেরতেই দেখা গেল, একইসঙ্গে কংগ্রেস, সিপিএম ও বিজেপি কার্যত ছত্রভঙ্গ হয়ে গিয়েছে।
মোদি সরকার দিল্লির তখতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ঠিক কী হয়েছিল সেবার একটু মনে করাই। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরেই সারদা মামলায় মদন মিত্রকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য-রাজনীতিতে ঝড় তোলার চেষ্টা হয়েছিল। গোটা ঘটনায় ক্ষিপ্ত মমতা চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলেন, পারলে আমায় গ্রেপ্তার করুন। তারপর কোথাকার জল কোথায় গড়িয়েছে আজ ছ’বছর পর তা কারও অজানা নয়। মদনবাবু কিছুদিনের মধ্যেই মুক্ত। রোজভ্যালি মামলায় বেশিদিন আটকে রাখা যায়নি সুদীপবাবুকেও। মামলা তারপর আর খুব একটা এগয়নি। আর দুর্নীতির সঙ্গে তৃণমূলের যে নেতার নাম জড়িয়ে বঙ্গের বিজেপি নেতারা সেদিন স্লোগান আর হুঙ্কারে রাতদিন এক করে ফেলেছিলেন, তাঁকেই আজ সর্বভারতীয় সহসভাপতির আসন দিয়েছে। সংগঠনের মাথায় তুলেছে। এরাজ্যে গদি দখলের অন্যতম মুখ করেছে। এ কেমন নীতিহীন সমঝোতা! এটাই তাহলে নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহের দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াইয়ের আদর্শ নমুনা!
দিলীপবাবুরা এরপর কী বলবেন, নিশ্চয় সর্বভারতীয় সহসভাপতিকে এ যাত্রায় জেলের ভাত খাওয়াবেন না। প্রয়োজনে তাঁকে গঙ্গাজলে ধুয়ে নেবেন! বিজেপিতে যোগ দিলেই বুঝি দুর্নীতির, টাকা কামানোর অভিযোগ রাতারাতি মুছে যায়! আর পরিবারতন্ত্র? মমতার দয়ায় কারও ছেলে এমএলএ তো অন্যজনের স্ত্রী, ভাই—কেউ বাদ নেই। নিদেনপক্ষে একটা কাউন্সিলর। এভাবেই মমতাকে আশ্রয় করে গোটা পরিবারটাকে গুছিয়ে নেওয়ার দু’শো আয়োজন। আর এখন বঞ্চনা আর অবহেলার অভিযোগ তুলে জননেত্রীর দিকে আঙুল তুলে দল বদলালেই কলঙ্কমুক্ত? ভাবমূর্তি সফেদ? মানুষের আদালতে এর কোনও বিচার হবে না? পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে এত বোকা ভাবার কোনও কারণ নেই। সব হিসেব ঠিক সময় তাঁরা চুকিয়ে দেবেন।
আসলে এরাজ্যে গেরুয়া দলটা এখনও হাওয়ায় ভাসছে। অর্ধেক বুথে এবারও এজেন্ট দিতে কালঘাম ছুটবে। এত বড় বড় কথা বলার পরও জেলায় জেলায় সংগঠন বলে কিছু নেই। ক্ষীণবল হলেও দূর গ্রামে এখনও বামেদের কর্মসূচি কিন্তু গেরুয়া দলের থেকে বেশি। কিন্তু সঙ্ঘ পরিবারের প্রচারযন্ত্র অত্যন্ত শক্তিশালী। নয়কে হয়, আর হয়কে নয় করতে তারা ওস্তাদ। সেই সুবাদেই হাওয়া তোলার বেপরোয়া চেষ্টা চলছে। সুকৌশলে বারবার বলা হচ্ছে, তারা ক্ষমতার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। শুধু ফলটুকুর অপেক্ষা। এটাকেই ইংরেজিতে বলে ‘পারসেপশন ব্যাটল’। এই যুদ্ধে আরএসএসের প্রচারকরা সিদ্ধহস্ত। বঙ্গ নেতারা বিলক্ষণ জানেন, এতকিছু করেও বাংলা দখল এখনও দূর অস্ত। তার ওপর ক্ষমতায় আসার আগেই জেলায় জেলায় দলটার ভিতরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের নগ্ন চেহারা কতটা তীব্র হয়েছে, তা দিল্লির নেতারা টের পেয়ে গিয়েছেন। নীচের তলায় টাকা তোলাও শুরু হয়ে গিয়েছে। ক্ষমতায় আসার আগেই এত দূর! বঙ্গের গেরুয়া শক্তিকে প্রশ্ন করি, গোটা রাজ্যটাতেই যখন আপনারা জাঁকিয়ে বসেছেন তাহলে ভিন রাজ্য থেকে পাঁচজন পর্যবেক্ষক আনতে হচ্ছে কেন? বাংলায় আপনাদের লোক নেই, না কি আপনাদের উপর দিল্লির নেতৃত্বের এখনও আস্থা নেই? এখন থেকেই পদ দখল নিয়ে দলের নেতা ও কর্মীদের ঝগড়া যেভাবে চরমে পৌঁছেছে তা তো ভয়ঙ্কর। এরা ক্ষমতায় এলে সঙ্কীর্ণ স্বার্থের মারামারি যে আরও কদর্য চেহারা নেবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ আছে নাকি?
বাস্তবে দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। এভাবেই অবিশ্বাসের বীজ বুনে ভাঙনের নোংরা খেলায় উসকানি দেওয়া। সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে, প্রতিপক্ষের সঙ্গে মুখোমুখি লড়াইয়ে পেরে না উঠলে কী করি? আঙুলটা একটু বাঁকাই। ঘুরপথে প্রতিপক্ষকে দুর্বল করার চেষ্টা করি। দল ভাঙানো। মিথ্যে মামলা। সিবিআই-ইডিকে যুগপৎ লাগিয়ে নেতাদের টানা হ্যাঁচড়া। জেরার পর জেরা, গ্রেপ্তার—এসবই এই চেনা খেলার অঙ্গ।
এতদিনে সবাই আসল ধান্দাটা ধরে ফেলেছে। এসবই ভোটের আগের পাঁচ ছ’মাসের কাহানি। 
ভোট ফুরলেই তদন্তের নটেগাছটাও কখন মুড়িয়ে যাবে, কেউ টের পাবে না। বুক ফুলিয়ে পাচার চলবে। দেদার জাল নোট চলবে। বেআইনি কয়লা সিন্ডিকেটের বাড়বাড়ন্ত দেখেও কেন্দ্রীয় এজেন্সি চুপ করে থাকবে। যাবতীয় তৎপরতা তোলা থাকবে আবার পরের ভোটের জন্য! সেই ট্র্যাডিশন চলতেই থাকে বিরামহীন।
22nd  November, 2020
দীর্ঘ ভোটপর্ব: একগুঁয়েমির
মূল্য মানুষ কেন দেবে?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটের লড়াই, বিরোধী দল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়... কোনও বিষয় কি এই উদ্বেগের আবহে গুরুত্ব পায়? রাজনীতির বাইরে বেরনোর সময় তো এটাই ছিল? হল না... রাজনীতির মোড়ক ভেঙে বেরতে পারল না বিজেপি, পারল না সিপিএম। বাংলার মানুষের প্রতি এতটুকু দায়বদ্ধতা থাকলে তারা আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়াত। লড়াইটা তো ভোটের যন্ত্রে! তার বাইরে শুধু ইগো চরিতার্থ করাটা রাজনীতি নয়। বিশদ

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা কমে গিয়েছে
পি চিদম্বরম 

আমি প্রথম কোনও নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়েছিলাম ১৯৭৭ সালে। পরিস্থিতি তখন কদর্য ছিল না। নির্বাচনে কিছু অবাঞ্ছিত জিনিস তখনও ছিল, কিন্তু আজকের যে কদর্য রূপ সেটা মোটেই ছিল না। 
বিশদ

19th  April, 2021
মোদি-শাহকে যেসব
প্রশ্নের উত্তর দিতেই হবে...
হিমাংশু সিংহ

২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে মমতার বাংলায় পা রাখতে পারলে গণতন্ত্র হত্যার মহোৎসব সাফল্যমণ্ডিত হবে, এটাই মোদিজির লক্ষ্য। তাই বিজেপি মরিয়া। কিন্তু ওই ‘আসল পরিবর্তন’এর আড়ালে কোন বিষ অপেক্ষা করছে তা অসম ও ত্রিপুরার  মানুষ আজ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন। আমরাও নিশ্চিত, বাঙালি সেই ভুল করবে না। বিশদ

18th  April, 2021
এখনও তিনি ‘স্ট্রিট ফাইটার’
তন্ময় মল্লিক

করোনা বাড়তেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি, বাকি তিন দফার ভোট একবারে হোক। কিন্তু বিজেপি সেই আট দফাতেই অনড়। মমতা চান, বাংলার মানুষ থাকুক সুরক্ষিত। বিজেপির লক্ষ্য, বঙ্গ দখল।  ফারাকটা এখানেই।
বিশদ

17th  April, 2021
বাঙালির প্রাণ বাঙালির মন
বাঙালির ঘরে যত ভাইবোন
সমৃদ্ধ দত্ত

এই প্রথম একটি ভোট হচ্ছে বাঙালি জাতির আত্মসম্মানের ভোট। বাঙালি সত্ত্বার জয়-পরাজয়ের ভোট! বাঙালির আবেগের ভোট। স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষে এবার এসেছে বাঙালির চেতনা ও স্বাধীনতা রক্ষার ভোট! বিশদ

16th  April, 2021
স্বাধীন ভারতে সবথেকে
কলঙ্কিত নির্বাচন
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপির বাংলা জয়ের লক্ষ্যের পিছনে রয়েছে নিধন-বাসনা। উড়েছে বস্তা বস্তা বেহিসেবি টাকা। বিজেপির আসল লক্ষ্য বাঙালির অস্মিতা নিধন, বাঙালির ভাষা নিধন, বাঙালির সংস্কৃতি নিধন, বাঙালির ঐক্য নিধন। বাঙালিকে হিরো থেকে জিরো করে দাসানুদাসে পরিণত করা। কিন্তু তা বোধহয় সম্ভব হল না। শোনা যাচ্ছে জননির্ঘোষ, ‘ঘর সামলাও চৌ...কি...দা...র।’ বিশদ

14th  April, 2021
শীতলকুচি ট্রেলার হলে পুরো সিনেমাটা কী? 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফেলুদা সোফায় বসে বাটিটা মোড়ক থেকে খুলে টেবিলের উপর রেখে বলল, ‘এটার একটা বিশেষত্ব আছে।’
‘কী বিশেষত্ব?’
‘জীবনে এই প্রথম একটা বাটি দেখলাম যেটাকে সোনার পাথরবাটি বললে খুব ভুল বলা হয় না।’
জয়সলমিরের মানুষ বাংলা সম্পর্কে প্রথম যে শব্দবন্ধটি শেখে, সেটি একটি নাম—সত্যজিৎ রায়। ‘সোনার পাথরে’ তৈরি বাটি-ঘটি বিক্রির খুব সাধারণ দোকানে গিয়েও দেখেছি, সত্যজিৎ রায়ের ছবি টাঙানো। 
বিশদ

13th  April, 2021
ফিরে এল রাফালের ভূত
পি চিদম্বরম 

স্মৃতি ক্ষণস্থায়ী। সাধারণ মানুষের পক্ষে রোজকার বেঁচে থাকা একটা চ্যালেঞ্জ। দেশ এবং দেশের প্রশাসনের বৃহত্তর চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তারা সচেতন। কিন্তু তারা সেসব নিয়ে দীর্ঘকাল ভাবতে পারে না। 
বিশদ

12th  April, 2021
বাংলার মহিলাদের জীবনে
এই ভোট কেন গুরুত্বপূর্ণ
হিমাংশু সিংহ

ইতিমধ্যেই যে ক’দফা ভোট হয়েছে তাতে অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে উঠে এসেছে মহিলাদের লম্বা লাইন। যা আশা জাগিয়েই শুধু ক্ষান্ত হয়নি, প্রমাণ করেছে প্রত্যয়ী মুখে বর্গীর হানাদারি রুখতে বঙ্গ নারী কতটা অকুতোভয়। আসলে এই শক্তি তাঁরা পাচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে দেখেই।
  বিশদ

11th  April, 2021
আক্রান্ত প্রার্থীরা: বঙ্গ
রাজনীতিতে ‘অশনি সঙ্কেত’
তন্ময় মল্লিক

ভোটের দফা যত গড়াচ্ছে রাজনৈতিক মারামারি, প্রার্থীদের উপর হামলা ততই বাড়ছে। নেতাদের ‘জয়লাভে’র দাবিকে সত্যি ধরে নিয়ে অনেকেই ‘বদলা’ নেওয়ার মহড়া শুরু করে দিয়েছে। নন্দীগ্রাম কার্যত বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে আছে। রাজ্যের জন্য এ-এক ‘অশনি সঙ্কেত’।
  বিশদ

10th  April, 2021
মতুয়াদের সামনে ‘গাজর’
ঝুলিয়ে লাভ নেই! 
মৃণালকান্তি দাস

অসমের গল্পটা নিশ্চিত এতদিনে বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে জলের মতো পরিষ্কার। কী সেই গল্প? নাগরিকত্ব আইন আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৬ সালে অসম দখল করেছিল বিজেপি। আর পাঁচ বছর পর, বিধানসভা ভোটের মুখে জানা গেল, টাকা শেষ। অতএব ঝাঁপ বন্ধ এনআরসি দপ্তরের।  
বিশদ

09th  April, 2021
সোনার বাংলা গড়বে না
বেচে দেবে, প্রশ্ন সেটাই
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

যে সরকার নিজেই তার সমস্ত সংস্থা বিক্রি করে দিতে উঠে পরে লেগেছে সেই সরকার ভবিষ্যতে চাকরিবাকরি বা পরিষেবা দেবে কী দিয়ে? মানুষকেই তার নিজের যোগ্যতায় রোজগার করার পথ খুঁজে নিতে হবে। সরকার কিছু দেবে না, উল্টে সরকারের সব সম্পদ বেচে দেবে। এটাই হল মোদি সরকার বা বিজেপির সরকার চালানোর আসল দর্শন! বিশদ

08th  April, 2021
একনজরে
হোম আইসোলেশনে গেলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। ৪৮ঘণ্টা সমস্ত কর্মসূচি তিনি বাতিল করেছেন। দলের মুখপাত্র জয়ন্ত দাস বলেন, উনি টানা প্রচার করছেন। বহু মানুষের ...

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে টালমাটাল শেয়ার বাজার। এই অবস্থায় বেশ কিছুদিন নিম্মমুখী থাকার পর ফের চড়ল সোনার দাম। সপ্তাহের প্রথম কাজের দিনে সোনার দাম বেড়েছে ৪১১ টাকা। যার জেরে দেশের রাজধানী দিল্লিতে ১০ গ্রাম সোনার দাম হয়েছে ৪৭ হাজার ২৯১ টাকা। ...

করোনা পরিস্থিতির জন্য ফের বাতিল হল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ভারত সফর। সোমবার সেদেশের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একথা জানানো হয়েছে। চলতি মাসের শেষে তিন দিনের ...

উপলেন্দ্রনাথ সরকার মেমোরিয়াল অনূর্ধ্ব ১৫ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় স্পন্দন ক্রিকেট  অ্যাকাডেমি বিজয়ীর সন্মান লাভ করে। স্পন্দন ক্রিকেট অ্যাকাডেমি ৪০ ওভারে ৩ উইকেটে ২৬৩ রান ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় সাফল্য ও হতাশা দুই-ই বর্তমান। নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ যোগ আছে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৯: জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাডলফ হিটলারের জন্ম
১৯১২: আইরিশ লেখক ব্রাম স্টোকারের মৃত্যু
১৯৫০: রাজনীতিক তথা অন্ধ্রপ্রদেশের ১৩তম মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডুর জন্ম
১৯৭২: চাঁদের মাটিতে নামল অ্যাপোলো ১৬
১৯৯৯: কলেরাডোর কলম্বাইন হাইস্কুলে ১৩ জনকে হত্যা করে আত্মহত্যা করল এরিক হ্যারিস এবং ডিলান কেবোল্ড
২০১৩: চীনের সিচুয়ান প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃত ১৫০ 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৭ টাকা ৭৫.৫৯ টাকা
পাউন্ড ১০১.৬১ টাকা ১০৫.১৫ টাকা
ইউরো ৮৭.৭৬ টাকা ৯০.৯৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৫০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ০০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬, ৭০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৯, ৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৯, ৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ বৈশাখ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১। অষ্টমী ৪৮/৩৯ রাত্রি ১২/৪৪। পুনর্বসু নক্ষত্র ৪/১ দিবা ৬/৫৩। সূর্যোদয় ৫/১৬/১৭, সূর্যাস্ত ৫/৫৪/৫৯। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৭ গতে ১০/১৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৪ মধ্যে, রাত্রি ৬/৪০ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১২/১২ মধ্যে পুনঃ ১/২৯ গতে ৩/০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫১ গতে ৮/২৬ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৪৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/২০ গতে ৮/৪৫ মধ্যে। 
৬ বৈশাখ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১। অষ্টমী রাত্রি ৭/১৮। পুষ্যা নক্ষত্র রাত্রি ৩/৮। সূর্যোদয় ৫/১৬, সূর্যাস্ত ৫/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ গতে ১০/১৫ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ২/৩৫ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৫/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৭ মধ্যে ও ৯/০ গতে ১১/১১ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৫১ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫১ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ১/১১ গতে ২/৪৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/২১ গতে ৮/৪৬ মধ্যে। 
৭ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা আক্রান্ত শুভশ্রী
ফের করোনার থাবা টলিউডে। জিৎ-এর পর এবার শুভশ্রীও কোভিড পজেটিভ। ...বিশদ

04:03:53 PM

করোনা আক্রান্ত রাহুল গান্ধী, আইসোলেশনে কেজরিওয়াল
মনমোহন সিংয়ের পর এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন রাহুল গান্ধী। আজ, ...বিশদ

03:55:11 PM

কালনায় করোনায় মৃত ১
কালনায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত‍্যু হল এক ব‍্যক্তির। মৃতের নাম ...বিশদ

02:48:00 PM

দিল্লি-বাংলার লড়াইতে জিতবে বাংলা: মমতা

02:00:00 PM

বিজেপি সব বিক্রি করে দিচ্ছে: মমতা

01:58:47 PM

এই নির্বাচনে দিল্লির সঙ্গে বাংলার লড়াই: মমতা

01:57:04 PM