Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বিমল গুরুংয়ের রাজ্যে প্রত্যাবর্তনের পর বিরোধীরা অনেক অঙ্ক কষেছিলেন। ভেবেছিলেন, গুরুং তৃণমূলকে সমর্থন করায় শাসক দলের লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হবে। পাহাড়ের দখলদারি নিয়ে বিনয় তামাংয়ের সঙ্গে গুরুংয়ের লড়াই শুরু হল বলে। দার্জিলিংয়ে আগুন জ্বলবে। আর তাতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পাহাড় হাসছে’ স্লোগানের মুখে আশি মনি থাপ্পড় পড়বে। কিন্তু সে গুড়ে বালি। এখনও পর্যন্ত যা অবস্থা তাতে বাঘে ও গোরুতে একঘাটে জল খাওয়ার লক্ষণই স্পষ্ট। এই ধারা বজায় থাকলে উত্তরবঙ্গে বিজেপির বাড়া ভাতে ছাই পড়া ঠেকানো বেশ কঠিন হবে।
বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে বঙ্গ রাজনীতিতে ঘটনার ঘনঘটা ততই বাড়বে। নিত্যনতুন সমীকরণে বদলাবে রাজনীতির রং। বিহারেও শেষ মুহূর্তে খেলা বদলেছিল। রামবিলাস পাসোয়ানের ছেলে চিরাগের বিদ্রোহেই নীতীশ কুমারের গায়ে ‘রাবার স্ট্যাম্প’ মুখ্যমন্ত্রীর তকমা। যাঁকে সামনে রেখে বিহার দখল, সেই নীতীশ কুমারই এখন বিজেপির করুণার পাত্র। অমিত শাহ সেই জন্যই ‘চাণক্য’। বিহার জয়ের কৃতিত্ব তাদের বলেই জাহির করছে গেরুয়া শিবির। নির্বাচনের ফল অনুকূলে যেতেই করোনার ‘থার্ড ওয়েভ’ এর মধ্যেও দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামনে রেখে ‘বিজয় সমাবেশ’ করে বিজেপি বুঝিয়ে দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা চালিয়েছে, বিহার জয়ের কারিগর তারাই। কেন্দ্রীয় সরকারের কাজের উপর ভর করে বিহার জেতার দম থাকলে বিজেপি কিছুতেই নীতীশের সঙ্গে জোটে যেত না। একক শক্তিতে ক্ষমতা দখল সম্ভব নয় বুঝেই বিজেপি নেতৃত্ব নীতীশের তৈরি করা জমিতেই ফসল বুনেছিল। তারপর সাফল্য মিলতেই নীতীশকে পিছনের সারিতে ঠেলে দিয়ে সাফল্যের একক কৃতিত্ব জাহিরের হাঁকডাক। তবে, তাতেও ৩১ বছরের এক যুবকের চ্যালেঞ্জের সামনে তাদের নাকানি-চোবানি খাওয়া চাপা থাকেনি। তেজস্বী যাদবের দলই সর্বাধিক আসন দখল করেছে। এনডিএ ও মহাজোটের ভোটের পার্থক্য মাত্র ০.০৩ শতাংশ। অর্থাৎ খুবই নগণ্য।
লোকসভা ভোটের আগে ও পরে হওয়া অধিকাংশ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনেই বিজেপি নাস্তানাবুদ হয়েছে। ঝাড়খণ্ড হাতছাড়া হওয়ার পর বিজেপি কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি। জোট করে কোনওরকমে ক্ষমতা দখল করলেও গেরুয়া শিবির সেটাকে তাদেরই বিরাট সাফল্য বলে তুলে ধরতে চাইছে। উদ্দেশ্য, ২০২১ সালে বাংলার নির্বাচনের আগে বিজেপির বঙ্গ ব্রিগেডকে চাঙ্গা করা। ‘রাজনীতির ময়দানে শিশু’ তেজস্বীকে সামলাতেই বিজেপির তাবড় তাবড় নেতা মন্ত্রীর নাভিশ্বাস উঠেছে। সেখানে পোড়খাওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মোকাবিলা যে খুব সহজ হবে না, তা গেরুয়া শিবির হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচনের পাঁচ মাস আগেই বাইরে থেকে প্লেয়ার পাঠানো শুরু করেছে। অনেকে বলছেন, ম্যাচ কঠিন বুঝেই বিজেপি লোকাল প্লেয়ারদের উপর ভরসা করতে পারছে না। তাই ভারতের বাছাই করা খেলোয়াড়দের এনে ফিল্ডিং সাজাচ্ছে। কিন্তু, তাতেও কতটা ফায়দা আসবে, সেটা বলা কঠিন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ট্র্যাক রেকর্ড গেরুয়া শিবিরের চিন্তার কারণ। সমীহ করার মতোই তাঁর লড়াই এবং উত্থান। ৩৪ বছরের সিপিএম সরকারকে হটানোর রেকর্ড তো আছেই। তাছাড়াও ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে জোড়া ফলা নারদ-সারদার মুখ থেকেও দলকে টেনে তুলেছিলেন তিনিই। একক ক্ষমতায়। চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ম্যাচ বের করার রেকর্ড রয়েছে তাঁরই ঝুলিতে। করোনা মোকাবিলাই এখনও তাঁর অগ্রাধিকারের তালিকায়। তাই তিনি ময়দানে নামলে ২০০ আসনের টার্গেট বেঁধে দেওয়া অমিত শাহের ঘোড়া লক্ষ্যভেদ করবে, নাকি প্রতিরোধের সামনে মুখ থুবড়ে পড়বে, সেটা সময়ই বলবে।
তবে, পশ্চিমবঙ্গে নীতীশ কুমার নেই। এখানে বিজেপিকে লড়তে হবে নিজের তাকতে। নিজেদের তৈরি করা জমির উপর দাঁড়িয়ে। স্বাধীনতার পর থেকে বঙ্গ বিজেপির সাফল্য বলতে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ১৮টি আসন দখল। আর সেটাও বাম ভোটের সৌজন্যে। সেই ভোটও এসেছিল হাওয়ায়। জবরদস্ত ইস্যু না থাকলে ভারতের অর্থনীতির মতোই পাঁকে আটকে যায় বিজেপির রথের চাকা। পাঁকে তখন আর পদ্ম ফোটে না। তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ এরাজ্যে তিনটি আসনে উপনির্বাচনের ফল।
লোকসভা ভোটের পর এরাজ্যে তিনটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হয়েছিল। তিনটিতেই লোকসভা নির্বাচনের বিপুল ব্যবধান মুছে দিয়ে তৃণমূল প্রার্থীরাই জয়ী হয়েছিলেন। তার অন্যতম কারণ দু’টি। প্রথমত, বালাকোটের মতো জাতীয় ভাবাবেগ তৈরির ইস্যু ছিল না। দ্বিতীয়ত, এনআরসি ইস্যু বিজেপির অস্ত্র হওয়ার জায়গায় ব্যুমেরাং হয়েছিল। এরাজ্যে বিজেপি ভালো ফল করলেও সাংগঠনিক কাঠামোর বিচারে বামেরা এখনও বিজেপির চেয়ে এগিয়ে। সংগঠন থাকলেও মানুষ সরে যাচ্ছে। তবে, তার জন্য দায়ী সিপিএমের ‘দিদিভাই-মোদিভাই’ পলিসি। ৩৪ বছরের শাসন ক্ষমতা থেকে উৎখাত করার জন্য সিপিএম নেতা কর্মীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সহ্য করতে পারেন না। বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাই তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। ত্রিপুরায় লেনিনের মূর্তি ভাঙা, কমরেডদের উপর নির্মম অত্যাচারের পরেও সিপিএম নেতাদের চোখে উভয়েই সমান। অনেকেই মনে করেন, বাম নেতৃত্বের এই মধ্যপন্থার নীতিই তাদের দ্রুত শক্তিক্ষয়ের অন্যতম কারণ। বিশেষ করে যুবকরা দোদুল্যমানতা পছন্দ করে না। তারা একটা স্ট্রং লাইন চায়। 
বৃহস্পতিবার ‘গণশক্তি’ পত্রিকায় সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির দীর্ঘ সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে। সেখানেও তিনি দেশে এবং রাজ্যে বিজেপিকে প্রধান শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করলেও তৃণমূলকে হারানোর কথাই বলেছেন। তাঁর যুক্তি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই না করলে রাজ্যের বিরোধী ভোট চলে যাবে বিজেপির কব্জায়। তাই উভয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে তৃতীয় নির্ভরযোগ্য বিকল্প তৈরি করতে হবে। কিন্তু, ইয়েচুরি সাহেব বুঝতে চাইছেন না, বঙ্গে সিপিএমের তালপুকুরে আজ আর ঘটিটিও ডোবে না। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদকের আরও একটি কথা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেছেন, ‘কেউ যদি বলেন, বিজেপিকে পরাস্ত করতে তৃণমূল সহ সকলকে নিয়ে চলতে হবে, তা হবে আত্মঘাতী।’ তাঁর এই বক্তব্য সম্প্রতি সিপিআই(এমএল) এর সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্যের একটি মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।
বিহার নির্বাচনের পর সিপিআই(এমএল) এর মুখপত্র ‘দেশব্রতী’ পত্রিকায় দীপঙ্করবাবু খুব স্পষ্ট করে তৃণমূলের বদলে বিজেপিকেই আক্রমণের মূল লক্ষ্য করতে চেয়েছেন। কারণ তিনিও বুঝেছেন, তৃণমূলকে হটানোই যদি একমাত্র লক্ষ্য হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে বিজেপি তার পুরো ফায়দা তুলবে। দীপঙ্করবাবু বলেছেন, এই মুহূর্তে আইনের শাসনের ক্ষেত্রে, গণতন্ত্রের জন্য, সংবিধানের জন্য বিজেপি একটা বিরাট বিপদ। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আছে। তাদের গণতন্ত্র বিরোধী আচরণ এবং দুর্নীতির প্রশ্নগুলি আমাদের কাছে আছে। তবুও আমি বলব, পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপিকেই এক নম্বর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে বামপন্থীদের অবশ্যই নিতে হবে।
বাস্তব পরিস্থিতি উপলব্ধি করে দীপঙ্করবাবু সাফ বুঝিয়ে দিয়েছেন, বিজেপিকে ঠেকানোই বামেদের মূল এজেন্ডা হওয়া উচিত। সিপিআই(এমএল) এর রাজ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য সজল অধিকারীর মতে, ‘শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু’ নীতি নিয়ে চললে ভুল হবে। যাঁরা ভাবছেন, ২০২১ সালে রাম, আর ২০২৬ সালে বাম, তাঁরা বিজেপির অজিত মালব্যদের পাতা ফাঁদেই পা দিচ্ছেন। পশ্চিমবঙ্গ দখলকে ঘিরে বিজেপির ‘গেম প্ল্যান’কেই সাহায্য করছেন। বিহার নির্বাচনে বামেদের ভোট বেড়েছে। তবে, আশাতীত ফল করেছে সিপিআই(এমএল)। ১৯টি আসনে লড়ে ১২টিতে জিতেছে। প্রায় প্রতিটি আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে। তিনটি আসন হেরেছে খুব সামান্য ভোটে। সেখানে সিপিএম ও সিপিআই পেয়েছে চারটি। বিহার নির্বাচনে সাফল্যের সূত্রেই সিপিআই(এমএল) বাম রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গে ছোট দল হলেও সিপিআই(এমএল) এর হাতে লেগে নেই কান্দুয়া, ছোট আঙারিয়া, নন্দীগ্রাম, নেতাই গণহত্যার রক্ত। সিপিএম জমানায় সংগঠিত একের পর এক গণহত্যা ও অত্যাচারের ঘটনায় বহু বাম মনস্ক মানুষের মাথা লজ্জায় হেঁট হয়েছে। তাঁরা সরে গিয়েছেন। এখনও এরাজ্যের লক্ষ লক্ষ মানুষ বামপন্থায় বিশ্বাসী। নিজেদের বামপন্থী বলে ভাবতে গর্ববোধ করেন। দীপঙ্করবাবুদের দল দেশ ও রাজ্যের বাস্তব প্রেক্ষিত বিচার করে বলিষ্ঠ সিদ্ধান্ত নিলে এরাজ্যে খুলে যেতে পারে বিকল্প বামপন্থার এক নতুন দিগন্ত।
21st  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন। ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? 
বিশদ

20th  November, 2020
বিজেপির হয়েই কি ব্যাট ধরছে কং-সিপিএম?
হারাধন চৌধুরী

বছর তিরিশ আগের কিছু কথা মনে পড়ছে। জ্যোতি বসুর মুখ্যমন্ত্রিত্বের তখন থার্ড টার্ম। সিদ্ধার্থ-জমানার সন্ত্রাসের বাস্তব অনেকটাই অতীত ততদিনে। সিপিএমের সন্ত্রাসটাই তখন হাতেগরম। সাতাত্তরে সিপিএম এবং জ্যোতি বসুর নামে যে মোহ জেগেছিল, অনেক সাচ্চা বামপন্থীদেরও ঘুচে গিয়েছে। সাংবাদিকতায় হাতেখড়ির সেই গোড়ার দিনগুলোতে আমাদের ব্যতিব্যস্ত রাখত সিপিএম পার্টি ক্যাডাররা।  
বিশদ

19th  November, 2020
কংগ্রেস কি দিনে দিনে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে
সন্দীপন বিশ্বাস

 কংগ্রেসের বিগত কয়েক বছরের ব্যর্থতা বারবার নিঃশব্দে বলে গিয়েছে নেতৃত্বে গলদ রয়েছে। আজ বুঝি তাই ভিতর থেকে একটা ভূকম্পনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। নতুন করে পার্টিটাকে বাঁধতে না পারলে মোদির সঙ্গে তার টক্কর দেওয়া সম্ভব নয়।
বিশদ

18th  November, 2020
ছুঁচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরনোর খেলা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

পরীক্ষায় পাশ নরেন্দ্র মোদি। তবে উতরানোটা মোটেই খুব সহজ ছিল না! একদিকে মহামারীর আতঙ্ক, আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ... প্রশ্ন একটাই, বিজেপির বিকল্প কি খোঁজার সময় এসে গিয়েছে? বিহার বলল, না আসেনি। কারণ, বিকল্প কেউ নেই। আপাতত...। তাই নরেন্দ্র মোদি জনপ্রিয়তার ফাঁকা ময়দানে গোল দিয়েই চলেছেন।   বিশদ

17th  November, 2020
করোনাকালে বায়ুদূষণ এক অশনিসঙ্কেত
অনির্বাণ মিত্র

ইতালির দু’টি অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি রোগীর মৃত্যু হয়। ওই দুই অঞ্চলে দূষণ প্রচণ্ড। একই ধরনের রিপোর্ট আসে চীন থেকেও। যুক্তরাষ্ট্রেও যেখানে বায়ুদূষণের মাত্রা বেশি, সেখানেই তত বেশি করোনা রোগী মারা যাচ্ছেন।  বিশদ

16th  November, 2020
বিভাজন করেই আমাদের পতন হয়
পি চিদম্বরম

বিভাজনের প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে এবং এটা গভীরতরও হতে পারে—মার্কিন মুলুকে, ওইসঙ্গে ভারতেও। ... ভারতের আঘাতটা হবে ভীষণ খারাপ। সমাজ বিভাজিত হয়ে যাবে। অর্থনীতি উদ্যম হারিয়ে বসবে।  বিশদ

16th  November, 2020
একনজরে
বাড়ি বাড়ি পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দিতে হবে। লক্ষ্য বেঁধে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পুরসভাগুলিতে দ্রুতগতিতে চলছে পরিস্রুত পানীয় জলপ্রকল্পের কাজ। কোথাও ট্রিটমেন্ট ...

টি-২০ চ্যালেঞ্জারের দ্বিতীয় ম্যাচেও টাউনের কাছে ১৪ রানে হারল ইস্ট বেঙ্গল। টুর্নামেন্টে পরপর দু’ম্যাচে হার অনেকটাই কোণঠাসা করে দিল অর্ণব নন্দীদের। বৃহস্পতিবার প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৪২ রান তোলে টাউন। ...

ফের ‘এক দেশ, এক ভোট’-এর পক্ষে জোর সওয়াল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানিয়ে দিলেন, কয়েক মাস অন্তর ভোট হওয়ার ফলে দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। দেশের ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: ২০০৮ সালের ১৭ নভেম্বর শীতের দুপুরে নিজের শিল্পকর্মে ব্যস্ত ছিলেন শিল্গী। হঠাৎ পাশে থাকা ফোনটা বেজে উঠল। ফোনের ওপার থেকে আওয়াজ এল ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কর্মলাভে কিছু বিলম্ব হবে। প্রেম ভালোবাসায় সাফল্য লাভ ঘটবে। বিবাহযোগ আছে। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৯৫- গেরাসিম লেবেদেফের উদ্যোগে কলকাতার মঞ্চে প্রথম অভিনীত হল নাটক
১৮৭৮- কবি যতীন্দ্রমোহন বাগচির জন্ম
১৮৮৮ - কবিপুত্র তথা বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কৃষিবিজ্ঞানী,শিক্ষাবিদ ও লেখক রথীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম
১৮৯৫ - বিশিষ্ট বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল তাঁর সমস্ত সম্পত্তি উইল করে নোবেল পুরস্কার প্রদানের জন্য তহবিল গঠন করেন।
১৯০৭ - বিশিষ্ট ভারতীয় হিন্দি ভাষার কবি ও লেখক হরিবংশ রাই বচ্চনের জন্ম
১৯১৩- চিত্রশিল্পী চিত্রানিভা চৌধুরির জন্ম
১৯১৪ - ব্রিটেনে প্রথম মহিলা পুলিস নিয়োগ হয়।
১৯৪০- অভিনেতা ও মার্শাল আর্ট শিল্পী ব্রুস লি’র জন্ম
১৯৫২- সুরকার বাপ্পি লাহিড়ির জন্ম
১৯৮৪- অভিনেতা অসিতবরণের মৃত্যু
১৯৮৬- ভারতীয় ক্রিকেটার সুরেশ রায়নার জন্ম
১৯৯২ - এই দিন থেকে ব্রিটেনের রানী আয়কর দিতে শুরু করেন।
২০০৮- ভারতের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী ভি পি সিংয়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০২ টাকা ৭৪.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯৭.১৯ টাকা ১০০.৬২ টাকা
ইউরো ৮৬.৫৩ টাকা ৮৯.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯, ৮৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬১, ১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬১, ২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৪/২৫ দিবা ৭/৪৭। অশ্বিনী নক্ষত্র ৪৫/৫৩ রাত্রি ১২/২৩। সূর্যোদয় ৬/১/৮, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৬। অমৃতযোগ  ৬/৪২ মধ্যে পুনঃ ৭/২৬ গতে ৯/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৫ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে ৩/২২ মধ্যে পুনঃ ৪/১৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪২ গতে ১১/২৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫ গতে ৯/৪৫ মধ্যে।  
১১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, দ্বাদশী দিবা ৮/১৬। অশ্বিনী নক্ষত্র রাত্রি ১/২৮। সূর্যোদয় ৬/৩, সূর্যাস্ত ৪/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৭/৩৯ গতে ৯/৪৬ মধ্যে ও ১১/৫৩ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৩/২৫ গতে ৪/৪৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৮ মধ্যে ও ১১/৫৯ গতে ৩/৩৪ মধ্যে ও ৪/২৭ গতে ৬/৪ মধ্যে। বারবেলা ৮/৪৪ গতে ১১/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৬ মধ্যে। 
১১ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শুভন্দুর পদত্যাগ, বাবা শিশির অধিকারি কী বললেন
শুভেন্দু অধিকারির পদত্যাগ  বিষয়ে এবার মুখ খুললেন তাঁর বাবা তথা ...বিশদ

02:39:12 PM

শুভেন্দুর পদত্যাগ, কী বললেন ভাই দিব্যেন্দু অধিকারি ?
শুভেন্দু অধিকারির মন্ত্রিত্ব ছাড়ার বিষয়ে টেলিফোনে তাঁর ভাই তথা তৃণমূলের ...বিশদ

01:58:20 PM

মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ  করলেন শুভেন্দু অধিকারি
পরিবহণমন্ত্রী ও সেচমন্ত্রীর পদ থেকে  ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারি। আজ ...বিশদ

01:33:00 PM

১ম ওডিআই: ভারতকে ৩৭৫  রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া

01:24:40 PM

কঙ্গনার পাশেই আদালত, খারিজ বিএমসি-র অভিযোগ
আজ, শুক্রবার কঙ্গনার পক্ষেই রায় দিল বম্বে হাইকোর্ট। স্বস্তি পেলেন ...বিশদ

12:52:13 PM

১ম ওডিআই: অস্ট্রেলিয়া ২৮১/৩ (৪২ ওভার)

12:39:45 PM