Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বিমল গুরুংয়ের রাজ্যে প্রত্যাবর্তনের পর বিরোধীরা অনেক অঙ্ক কষেছিলেন। ভেবেছিলেন, গুরুং তৃণমূলকে সমর্থন করায় শাসক দলের লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হবে। পাহাড়ের দখলদারি নিয়ে বিনয় তামাংয়ের সঙ্গে গুরুংয়ের লড়াই শুরু হল বলে। দার্জিলিংয়ে আগুন জ্বলবে। আর তাতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পাহাড় হাসছে’ স্লোগানের মুখে আশি মনি থাপ্পড় পড়বে। কিন্তু সে গুড়ে বালি। এখনও পর্যন্ত যা অবস্থা তাতে বাঘে ও গোরুতে একঘাটে জল খাওয়ার লক্ষণই স্পষ্ট। এই ধারা বজায় থাকলে উত্তরবঙ্গে বিজেপির বাড়া ভাতে ছাই পড়া ঠেকানো বেশ কঠিন হবে।
বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে বঙ্গ রাজনীতিতে ঘটনার ঘনঘটা ততই বাড়বে। নিত্যনতুন সমীকরণে বদলাবে রাজনীতির রং। বিহারেও শেষ মুহূর্তে খেলা বদলেছিল। রামবিলাস পাসোয়ানের ছেলে চিরাগের বিদ্রোহেই নীতীশ কুমারের গায়ে ‘রাবার স্ট্যাম্প’ মুখ্যমন্ত্রীর তকমা। যাঁকে সামনে রেখে বিহার দখল, সেই নীতীশ কুমারই এখন বিজেপির করুণার পাত্র। অমিত শাহ সেই জন্যই ‘চাণক্য’। বিহার জয়ের কৃতিত্ব তাদের বলেই জাহির করছে গেরুয়া শিবির। নির্বাচনের ফল অনুকূলে যেতেই করোনার ‘থার্ড ওয়েভ’ এর মধ্যেও দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামনে রেখে ‘বিজয় সমাবেশ’ করে বিজেপি বুঝিয়ে দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা চালিয়েছে, বিহার জয়ের কারিগর তারাই। কেন্দ্রীয় সরকারের কাজের উপর ভর করে বিহার জেতার দম থাকলে বিজেপি কিছুতেই নীতীশের সঙ্গে জোটে যেত না। একক শক্তিতে ক্ষমতা দখল সম্ভব নয় বুঝেই বিজেপি নেতৃত্ব নীতীশের তৈরি করা জমিতেই ফসল বুনেছিল। তারপর সাফল্য মিলতেই নীতীশকে পিছনের সারিতে ঠেলে দিয়ে সাফল্যের একক কৃতিত্ব জাহিরের হাঁকডাক। তবে, তাতেও ৩১ বছরের এক যুবকের চ্যালেঞ্জের সামনে তাদের নাকানি-চোবানি খাওয়া চাপা থাকেনি। তেজস্বী যাদবের দলই সর্বাধিক আসন দখল করেছে। এনডিএ ও মহাজোটের ভোটের পার্থক্য মাত্র ০.০৩ শতাংশ। অর্থাৎ খুবই নগণ্য।
লোকসভা ভোটের আগে ও পরে হওয়া অধিকাংশ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনেই বিজেপি নাস্তানাবুদ হয়েছে। ঝাড়খণ্ড হাতছাড়া হওয়ার পর বিজেপি কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি। জোট করে কোনওরকমে ক্ষমতা দখল করলেও গেরুয়া শিবির সেটাকে তাদেরই বিরাট সাফল্য বলে তুলে ধরতে চাইছে। উদ্দেশ্য, ২০২১ সালে বাংলার নির্বাচনের আগে বিজেপির বঙ্গ ব্রিগেডকে চাঙ্গা করা। ‘রাজনীতির ময়দানে শিশু’ তেজস্বীকে সামলাতেই বিজেপির তাবড় তাবড় নেতা মন্ত্রীর নাভিশ্বাস উঠেছে। সেখানে পোড়খাওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মোকাবিলা যে খুব সহজ হবে না, তা গেরুয়া শিবির হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচনের পাঁচ মাস আগেই বাইরে থেকে প্লেয়ার পাঠানো শুরু করেছে। অনেকে বলছেন, ম্যাচ কঠিন বুঝেই বিজেপি লোকাল প্লেয়ারদের উপর ভরসা করতে পারছে না। তাই ভারতের বাছাই করা খেলোয়াড়দের এনে ফিল্ডিং সাজাচ্ছে। কিন্তু, তাতেও কতটা ফায়দা আসবে, সেটা বলা কঠিন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ট্র্যাক রেকর্ড গেরুয়া শিবিরের চিন্তার কারণ। সমীহ করার মতোই তাঁর লড়াই এবং উত্থান। ৩৪ বছরের সিপিএম সরকারকে হটানোর রেকর্ড তো আছেই। তাছাড়াও ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে জোড়া ফলা নারদ-সারদার মুখ থেকেও দলকে টেনে তুলেছিলেন তিনিই। একক ক্ষমতায়। চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ম্যাচ বের করার রেকর্ড রয়েছে তাঁরই ঝুলিতে। করোনা মোকাবিলাই এখনও তাঁর অগ্রাধিকারের তালিকায়। তাই তিনি ময়দানে নামলে ২০০ আসনের টার্গেট বেঁধে দেওয়া অমিত শাহের ঘোড়া লক্ষ্যভেদ করবে, নাকি প্রতিরোধের সামনে মুখ থুবড়ে পড়বে, সেটা সময়ই বলবে।
তবে, পশ্চিমবঙ্গে নীতীশ কুমার নেই। এখানে বিজেপিকে লড়তে হবে নিজের তাকতে। নিজেদের তৈরি করা জমির উপর দাঁড়িয়ে। স্বাধীনতার পর থেকে বঙ্গ বিজেপির সাফল্য বলতে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ১৮টি আসন দখল। আর সেটাও বাম ভোটের সৌজন্যে। সেই ভোটও এসেছিল হাওয়ায়। জবরদস্ত ইস্যু না থাকলে ভারতের অর্থনীতির মতোই পাঁকে আটকে যায় বিজেপির রথের চাকা। পাঁকে তখন আর পদ্ম ফোটে না। তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ এরাজ্যে তিনটি আসনে উপনির্বাচনের ফল।
লোকসভা ভোটের পর এরাজ্যে তিনটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হয়েছিল। তিনটিতেই লোকসভা নির্বাচনের বিপুল ব্যবধান মুছে দিয়ে তৃণমূল প্রার্থীরাই জয়ী হয়েছিলেন। তার অন্যতম কারণ দু’টি। প্রথমত, বালাকোটের মতো জাতীয় ভাবাবেগ তৈরির ইস্যু ছিল না। দ্বিতীয়ত, এনআরসি ইস্যু বিজেপির অস্ত্র হওয়ার জায়গায় ব্যুমেরাং হয়েছিল। এরাজ্যে বিজেপি ভালো ফল করলেও সাংগঠনিক কাঠামোর বিচারে বামেরা এখনও বিজেপির চেয়ে এগিয়ে। সংগঠন থাকলেও মানুষ সরে যাচ্ছে। তবে, তার জন্য দায়ী সিপিএমের ‘দিদিভাই-মোদিভাই’ পলিসি। ৩৪ বছরের শাসন ক্ষমতা থেকে উৎখাত করার জন্য সিপিএম নেতা কর্মীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সহ্য করতে পারেন না। বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাই তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। ত্রিপুরায় লেনিনের মূর্তি ভাঙা, কমরেডদের উপর নির্মম অত্যাচারের পরেও সিপিএম নেতাদের চোখে উভয়েই সমান। অনেকেই মনে করেন, বাম নেতৃত্বের এই মধ্যপন্থার নীতিই তাদের দ্রুত শক্তিক্ষয়ের অন্যতম কারণ। বিশেষ করে যুবকরা দোদুল্যমানতা পছন্দ করে না। তারা একটা স্ট্রং লাইন চায়। 
বৃহস্পতিবার ‘গণশক্তি’ পত্রিকায় সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির দীর্ঘ সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে। সেখানেও তিনি দেশে এবং রাজ্যে বিজেপিকে প্রধান শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করলেও তৃণমূলকে হারানোর কথাই বলেছেন। তাঁর যুক্তি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই না করলে রাজ্যের বিরোধী ভোট চলে যাবে বিজেপির কব্জায়। তাই উভয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে তৃতীয় নির্ভরযোগ্য বিকল্প তৈরি করতে হবে। কিন্তু, ইয়েচুরি সাহেব বুঝতে চাইছেন না, বঙ্গে সিপিএমের তালপুকুরে আজ আর ঘটিটিও ডোবে না। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদকের আরও একটি কথা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেছেন, ‘কেউ যদি বলেন, বিজেপিকে পরাস্ত করতে তৃণমূল সহ সকলকে নিয়ে চলতে হবে, তা হবে আত্মঘাতী।’ তাঁর এই বক্তব্য সম্প্রতি সিপিআই(এমএল) এর সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্যের একটি মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।
বিহার নির্বাচনের পর সিপিআই(এমএল) এর মুখপত্র ‘দেশব্রতী’ পত্রিকায় দীপঙ্করবাবু খুব স্পষ্ট করে তৃণমূলের বদলে বিজেপিকেই আক্রমণের মূল লক্ষ্য করতে চেয়েছেন। কারণ তিনিও বুঝেছেন, তৃণমূলকে হটানোই যদি একমাত্র লক্ষ্য হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে বিজেপি তার পুরো ফায়দা তুলবে। দীপঙ্করবাবু বলেছেন, এই মুহূর্তে আইনের শাসনের ক্ষেত্রে, গণতন্ত্রের জন্য, সংবিধানের জন্য বিজেপি একটা বিরাট বিপদ। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আছে। তাদের গণতন্ত্র বিরোধী আচরণ এবং দুর্নীতির প্রশ্নগুলি আমাদের কাছে আছে। তবুও আমি বলব, পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপিকেই এক নম্বর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে বামপন্থীদের অবশ্যই নিতে হবে।
বাস্তব পরিস্থিতি উপলব্ধি করে দীপঙ্করবাবু সাফ বুঝিয়ে দিয়েছেন, বিজেপিকে ঠেকানোই বামেদের মূল এজেন্ডা হওয়া উচিত। সিপিআই(এমএল) এর রাজ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য সজল অধিকারীর মতে, ‘শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু’ নীতি নিয়ে চললে ভুল হবে। যাঁরা ভাবছেন, ২০২১ সালে রাম, আর ২০২৬ সালে বাম, তাঁরা বিজেপির অজিত মালব্যদের পাতা ফাঁদেই পা দিচ্ছেন। পশ্চিমবঙ্গ দখলকে ঘিরে বিজেপির ‘গেম প্ল্যান’কেই সাহায্য করছেন। বিহার নির্বাচনে বামেদের ভোট বেড়েছে। তবে, আশাতীত ফল করেছে সিপিআই(এমএল)। ১৯টি আসনে লড়ে ১২টিতে জিতেছে। প্রায় প্রতিটি আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে। তিনটি আসন হেরেছে খুব সামান্য ভোটে। সেখানে সিপিএম ও সিপিআই পেয়েছে চারটি। বিহার নির্বাচনে সাফল্যের সূত্রেই সিপিআই(এমএল) বাম রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গে ছোট দল হলেও সিপিআই(এমএল) এর হাতে লেগে নেই কান্দুয়া, ছোট আঙারিয়া, নন্দীগ্রাম, নেতাই গণহত্যার রক্ত। সিপিএম জমানায় সংগঠিত একের পর এক গণহত্যা ও অত্যাচারের ঘটনায় বহু বাম মনস্ক মানুষের মাথা লজ্জায় হেঁট হয়েছে। তাঁরা সরে গিয়েছেন। এখনও এরাজ্যের লক্ষ লক্ষ মানুষ বামপন্থায় বিশ্বাসী। নিজেদের বামপন্থী বলে ভাবতে গর্ববোধ করেন। দীপঙ্করবাবুদের দল দেশ ও রাজ্যের বাস্তব প্রেক্ষিত বিচার করে বলিষ্ঠ সিদ্ধান্ত নিলে এরাজ্যে খুলে যেতে পারে বিকল্প বামপন্থার এক নতুন দিগন্ত।
21st  November, 2020
দীর্ঘ ভোটপর্ব: একগুঁয়েমির
মূল্য মানুষ কেন দেবে?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটের লড়াই, বিরোধী দল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়... কোনও বিষয় কি এই উদ্বেগের আবহে গুরুত্ব পায়? রাজনীতির বাইরে বেরনোর সময় তো এটাই ছিল? হল না... রাজনীতির মোড়ক ভেঙে বেরতে পারল না বিজেপি, পারল না সিপিএম। বাংলার মানুষের প্রতি এতটুকু দায়বদ্ধতা থাকলে তারা আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়াত। লড়াইটা তো ভোটের যন্ত্রে! তার বাইরে শুধু ইগো চরিতার্থ করাটা রাজনীতি নয়। বিশদ

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা কমে গিয়েছে
পি চিদম্বরম 

আমি প্রথম কোনও নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়েছিলাম ১৯৭৭ সালে। পরিস্থিতি তখন কদর্য ছিল না। নির্বাচনে কিছু অবাঞ্ছিত জিনিস তখনও ছিল, কিন্তু আজকের যে কদর্য রূপ সেটা মোটেই ছিল না। 
বিশদ

19th  April, 2021
মোদি-শাহকে যেসব
প্রশ্নের উত্তর দিতেই হবে...
হিমাংশু সিংহ

২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে মমতার বাংলায় পা রাখতে পারলে গণতন্ত্র হত্যার মহোৎসব সাফল্যমণ্ডিত হবে, এটাই মোদিজির লক্ষ্য। তাই বিজেপি মরিয়া। কিন্তু ওই ‘আসল পরিবর্তন’এর আড়ালে কোন বিষ অপেক্ষা করছে তা অসম ও ত্রিপুরার  মানুষ আজ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন। আমরাও নিশ্চিত, বাঙালি সেই ভুল করবে না। বিশদ

18th  April, 2021
এখনও তিনি ‘স্ট্রিট ফাইটার’
তন্ময় মল্লিক

করোনা বাড়তেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি, বাকি তিন দফার ভোট একবারে হোক। কিন্তু বিজেপি সেই আট দফাতেই অনড়। মমতা চান, বাংলার মানুষ থাকুক সুরক্ষিত। বিজেপির লক্ষ্য, বঙ্গ দখল।  ফারাকটা এখানেই।
বিশদ

17th  April, 2021
বাঙালির প্রাণ বাঙালির মন
বাঙালির ঘরে যত ভাইবোন
সমৃদ্ধ দত্ত

এই প্রথম একটি ভোট হচ্ছে বাঙালি জাতির আত্মসম্মানের ভোট। বাঙালি সত্ত্বার জয়-পরাজয়ের ভোট! বাঙালির আবেগের ভোট। স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষে এবার এসেছে বাঙালির চেতনা ও স্বাধীনতা রক্ষার ভোট! বিশদ

16th  April, 2021
স্বাধীন ভারতে সবথেকে
কলঙ্কিত নির্বাচন
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপির বাংলা জয়ের লক্ষ্যের পিছনে রয়েছে নিধন-বাসনা। উড়েছে বস্তা বস্তা বেহিসেবি টাকা। বিজেপির আসল লক্ষ্য বাঙালির অস্মিতা নিধন, বাঙালির ভাষা নিধন, বাঙালির সংস্কৃতি নিধন, বাঙালির ঐক্য নিধন। বাঙালিকে হিরো থেকে জিরো করে দাসানুদাসে পরিণত করা। কিন্তু তা বোধহয় সম্ভব হল না। শোনা যাচ্ছে জননির্ঘোষ, ‘ঘর সামলাও চৌ...কি...দা...র।’ বিশদ

14th  April, 2021
শীতলকুচি ট্রেলার হলে পুরো সিনেমাটা কী? 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফেলুদা সোফায় বসে বাটিটা মোড়ক থেকে খুলে টেবিলের উপর রেখে বলল, ‘এটার একটা বিশেষত্ব আছে।’
‘কী বিশেষত্ব?’
‘জীবনে এই প্রথম একটা বাটি দেখলাম যেটাকে সোনার পাথরবাটি বললে খুব ভুল বলা হয় না।’
জয়সলমিরের মানুষ বাংলা সম্পর্কে প্রথম যে শব্দবন্ধটি শেখে, সেটি একটি নাম—সত্যজিৎ রায়। ‘সোনার পাথরে’ তৈরি বাটি-ঘটি বিক্রির খুব সাধারণ দোকানে গিয়েও দেখেছি, সত্যজিৎ রায়ের ছবি টাঙানো। 
বিশদ

13th  April, 2021
ফিরে এল রাফালের ভূত
পি চিদম্বরম 

স্মৃতি ক্ষণস্থায়ী। সাধারণ মানুষের পক্ষে রোজকার বেঁচে থাকা একটা চ্যালেঞ্জ। দেশ এবং দেশের প্রশাসনের বৃহত্তর চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তারা সচেতন। কিন্তু তারা সেসব নিয়ে দীর্ঘকাল ভাবতে পারে না। 
বিশদ

12th  April, 2021
বাংলার মহিলাদের জীবনে
এই ভোট কেন গুরুত্বপূর্ণ
হিমাংশু সিংহ

ইতিমধ্যেই যে ক’দফা ভোট হয়েছে তাতে অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে উঠে এসেছে মহিলাদের লম্বা লাইন। যা আশা জাগিয়েই শুধু ক্ষান্ত হয়নি, প্রমাণ করেছে প্রত্যয়ী মুখে বর্গীর হানাদারি রুখতে বঙ্গ নারী কতটা অকুতোভয়। আসলে এই শক্তি তাঁরা পাচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে দেখেই।
  বিশদ

11th  April, 2021
আক্রান্ত প্রার্থীরা: বঙ্গ
রাজনীতিতে ‘অশনি সঙ্কেত’
তন্ময় মল্লিক

ভোটের দফা যত গড়াচ্ছে রাজনৈতিক মারামারি, প্রার্থীদের উপর হামলা ততই বাড়ছে। নেতাদের ‘জয়লাভে’র দাবিকে সত্যি ধরে নিয়ে অনেকেই ‘বদলা’ নেওয়ার মহড়া শুরু করে দিয়েছে। নন্দীগ্রাম কার্যত বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে আছে। রাজ্যের জন্য এ-এক ‘অশনি সঙ্কেত’।
  বিশদ

10th  April, 2021
মতুয়াদের সামনে ‘গাজর’
ঝুলিয়ে লাভ নেই! 
মৃণালকান্তি দাস

অসমের গল্পটা নিশ্চিত এতদিনে বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে জলের মতো পরিষ্কার। কী সেই গল্প? নাগরিকত্ব আইন আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৬ সালে অসম দখল করেছিল বিজেপি। আর পাঁচ বছর পর, বিধানসভা ভোটের মুখে জানা গেল, টাকা শেষ। অতএব ঝাঁপ বন্ধ এনআরসি দপ্তরের।  
বিশদ

09th  April, 2021
সোনার বাংলা গড়বে না
বেচে দেবে, প্রশ্ন সেটাই
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

যে সরকার নিজেই তার সমস্ত সংস্থা বিক্রি করে দিতে উঠে পরে লেগেছে সেই সরকার ভবিষ্যতে চাকরিবাকরি বা পরিষেবা দেবে কী দিয়ে? মানুষকেই তার নিজের যোগ্যতায় রোজগার করার পথ খুঁজে নিতে হবে। সরকার কিছু দেবে না, উল্টে সরকারের সব সম্পদ বেচে দেবে। এটাই হল মোদি সরকার বা বিজেপির সরকার চালানোর আসল দর্শন! বিশদ

08th  April, 2021
একনজরে
স্বাস্থ্যকর্মী এবং করোনার ‘প্রথম সারির যোদ্ধা’দের টিকাকরণের পর ধাপে ধাপে সাধারণ মানুষের জন্যও টিকাকরণ চালু হয়েছে। মার্চের শুরুর দিকে যখন ষাটোর্ধ্ব এবং ৪৫ বছরের বেশি ...

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে টালমাটাল শেয়ার বাজার। এই অবস্থায় বেশ কিছুদিন নিম্মমুখী থাকার পর ফের চড়ল সোনার দাম। সপ্তাহের প্রথম কাজের দিনে সোনার দাম বেড়েছে ৪১১ টাকা। যার জেরে দেশের রাজধানী দিল্লিতে ১০ গ্রাম সোনার দাম হয়েছে ৪৭ হাজার ২৯১ টাকা। ...

 পলাশীপাড়ার বিধায়ক ছিলেন তাপস সাহা। পাঁচ বছরে সেখানকার মানুষের কী উপকারটা করেছেন শুনি? তেহট্টের পড়শি বিধানসভা কেন্দ্র পলাশীপাড়া। তাপসবাবু এবার কেন্দ্র বদলেছেন। কিন্তু কেন্দ্র তাঁর ...

করোনা পরিস্থিতির জন্য ফের বাতিল হল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ভারত সফর। সোমবার সেদেশের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একথা জানানো হয়েছে। চলতি মাসের শেষে তিন দিনের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় সাফল্য ও হতাশা দুই-ই বর্তমান। নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ যোগ আছে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৯: জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাডলফ হিটলারের জন্ম
১৯১২: আইরিশ লেখক ব্রাম স্টোকারের মৃত্যু
১৯৫০: রাজনীতিক তথা অন্ধ্রপ্রদেশের ১৩তম মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডুর জন্ম
১৯৭২: চাঁদের মাটিতে নামল অ্যাপোলো ১৬
১৯৯৯: কলেরাডোর কলম্বাইন হাইস্কুলে ১৩ জনকে হত্যা করে আত্মহত্যা করল এরিক হ্যারিস এবং ডিলান কেবোল্ড
২০১৩: চীনের সিচুয়ান প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃত ১৫০ 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৭ টাকা ৭৫.৫৯ টাকা
পাউন্ড ১০১.৬১ টাকা ১০৫.১৫ টাকা
ইউরো ৮৭.৭৬ টাকা ৯০.৯৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৫০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ০০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬, ৭০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৯, ৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৯, ৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ বৈশাখ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১। অষ্টমী ৪৮/৩৯ রাত্রি ১২/৪৪। পুনর্বসু নক্ষত্র ৪/১ দিবা ৬/৫৩। সূর্যোদয় ৫/১৬/১৭, সূর্যাস্ত ৫/৫৪/৫৯। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৭ গতে ১০/১৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৪ মধ্যে, রাত্রি ৬/৪০ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১২/১২ মধ্যে পুনঃ ১/২৯ গতে ৩/০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫১ গতে ৮/২৬ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৪৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/২০ গতে ৮/৪৫ মধ্যে। 
৬ বৈশাখ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১। অষ্টমী রাত্রি ৭/১৮। পুষ্যা নক্ষত্র রাত্রি ৩/৮। সূর্যোদয় ৫/১৬, সূর্যাস্ত ৫/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ গতে ১০/১৫ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ২/৩৫ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৫/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৭ মধ্যে ও ৯/০ গতে ১১/১১ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৫১ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫১ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ১/১১ গতে ২/৪৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/২১ গতে ৮/৪৬ মধ্যে। 
৭ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কমিশনের সমালোচনা ফিরহাদের
কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক বোর্ড ভেঙে দেওয়া‌য় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা ...বিশদ

04:24:49 PM

করোনা আক্রান্ত শুভশ্রী
ফের করোনার থাবা টলিউডে। জিৎ-এর পর এবার শুভশ্রীও কোভিড পজেটিভ। ...বিশদ

04:03:53 PM

করোনা আক্রান্ত রাহুল গান্ধী, আইসোলেশনে কেজরিওয়াল
মনমোহন সিংয়ের পর এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন রাহুল গান্ধী। আজ, ...বিশদ

03:55:11 PM

কালনায় করোনায় মৃত ১
কালনায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত‍্যু হল এক ব‍্যক্তির। মৃতের নাম ...বিশদ

02:48:00 PM

দিল্লি-বাংলার লড়াইতে জিতবে বাংলা: মমতা

02:00:00 PM

বিজেপি সব বিক্রি করে দিচ্ছে: মমতা

01:58:47 PM