Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বিজেপির হয়েই কি ব্যাট ধরছে কং-সিপিএম?
হারাধন চৌধুরী

বছর তিরিশ আগের কিছু কথা মনে পড়ছে। জ্যোতি বসুর মুখ্যমন্ত্রিত্বের তখন থার্ড টার্ম। সিদ্ধার্থ-জমানার সন্ত্রাসের বাস্তব অনেকটাই অতীত ততদিনে। সিপিএমের সন্ত্রাসটাই তখন হাতেগরম। সাতাত্তরে সিপিএম এবং জ্যোতি বসুর নামে যে মোহ জেগেছিল, অনেক সাচ্চা বামপন্থীদেরও ঘুচে গিয়েছে। সাংবাদিকতায় হাতেখড়ির সেই গোড়ার দিনগুলোতে আমাদের ব্যতিব্যস্ত রাখত সিপিএম পার্টি ক্যাডাররা। রোজ সকালে ঘুম ভাঙত কোনও না কোনও কংগ্রেস নেতা বা কর্মীর ফোনে কিংবা কড়া-নাড়ায়। তাঁদের দেওয়া খবরের পিছনে ছুটে দেখতে পেতাম, অমুক গ্রামে এত বাড়ি পুড়িয়ে ছারখার
করে দেওয়া হয়েছে। তমুক গ্রামে এতজনকে একসঙ্গে খুন করা হয়েছে। একটি গ্রামের শতাধিক পুরুষ মানুষ গ্রামছাড়া। বারাসত থানায় অন্য খবর নিতে গিয়ে প্রায়ই দেখতে পেতাম, কোনও মহিলা অঝোরে কেঁদে চলেছেন? কী ব্যাপার? তাঁর স্বামীকে সাতদিন ধরে পাওয়া যাচ্ছে না। ভেড়িতে কাজ করতে গিয়ে আর ফেরেননি। কোনও কোনও দিন অল্প বয়সি ছেলেমেয়েদের সঙ্গে দেখা হতো। তারা আসে তাদের বাবাকে খুঁজে পেতে, পুলিসের সাহায্য চায়। এসব করুণ মুখ দেখার কিছুদিন পরই কোনও খালের ধারে, ভেড়ির মধ্যে কিংবা ঝোপের আড়ালে আবিষ্কার হতো একটা-দু’টো গলাকাটা অথবা পচাগলা লাশ। মিলে যেত অঙ্ক।
কলকাতার উপকণ্ঠে কুখ্যাতির শিখরে তখন বারাসতের শাসন অঞ্চল। পার্টির প্রশ্রয়ে সামান্য এক মজিদ মাস্টার পার্টির থেকেও দীর্ঘতর হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর হার্মাদ বাহিনীর অত্যাচারের খবর নিতে যাওয়ার স্বাধীনতা ছিল না সাংবাদিকদের। শাসন গ্রামের প্রবেশমুখে মজিদ মাস্টারের লেঠেলদের পারমিশন নিতে হতো। কোনও ডেয়ার-ডেভিল রিপোর্টার
যদি চালাকি করে বলতেন যে, আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের পারমিশন নেওয়া আছে, তাঁকে শুনিয়ে দেওয়া হতো, ‘শাসনে জ্যোতি বসুর নয়, মজিদ মাস্টারের শাসন চলে।’
বেশিরভাগ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করে জেলের ঘানি টানানোর খবর পেতাম না। এ শুধু শাসনের বারোমাস্যা ছিল না। ওই পঙ্‌঩ক্তিতে বসানো হয়েছিল মেদিনীপুরের কেশপুর, বর্ধমানের পূর্বস্থলী থেকে কোচবিহারের দিনহাটা পর্যন্ত অসংখ্য অঞ্চলকে। অকারণ উপদ্রুত করে তোলা গ্রামের হিসেবটা রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষেও মনে রাখা সম্ভব ছিল না। সংখ্যাটা তাঁর পার্টির সম্পদরা রোজ কী হারে বাড়িয়ে চলেছিল, তা ভাবতে আজও শিউরে উঠি।
লালপার্টির অত্যাচারের প্রতিকারে প্রশাসনের বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। বাংলাজুড়ে ত্রাহি মধুসূদন রব। সবাই তাকিয়ে আছে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের দিকে। প্রধান নেতা তখন ‘ভোটপাখি’ নামে খ্যাত সিদ্ধার্থবাবু। সামনের সারিতে আর আছেন সোমেন মিত্র। জ্যোতি বসুর সঙ্গে গোপন মিত্রতার সুবাদে যাঁর কাগুজে পরিচিতি ‘তরমুজ’ বেশ লোকপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রদেশ কংগ্রেসের প্রথম সারিতে আর যাঁরা ছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম প্রণববাবু। প্রণব মুখোপাধ্যায়কে সকলে মূলত দিল্লিবাসী বলেই মনে করত। আর অবশ্যই ছিলেন গনি সাহেব, গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তাঁকে মালদহের বাইরে কমই পাওয়া যেত।
প্রদেশ কংগ্রেসকে নেতৃত্ব দেওয়ার ব্যাপারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যথেষ্ট যোগ্য হয়ে ওঠা সত্ত্বেও সোমেনবাবুরা তাঁকে উঠতে দেননি। পিছনে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের কী খেলা ছিল, মানুষ জানত। যাই হোক, ১৯৯১-তে ‘মানুদা’র নেতৃত্বে কংগ্রেসিরা একদিন শাসন অভিযানে বেরলেন। শখের মজদুরি করতে বেরনো এই মানুষটি নাকি ‘জ্যোতির পার্টি’র অত্যাচারের হেস্তনেস্ত করে তবে ফিরবেন। মাঝপথেই তাঁদের আটকে দিল লালপার্টির ছেলেরা। মাঠের মধ্যে চাদর বিছিয়ে লম্বা বিশ্রাম এবং মায়াদির (সিদ্ধার্থবাবুর স্ত্রী) হাতে তৈরি স্যান্ডুইচ খেয়ে সেখান থেকে ব্যাক টু প্যাভিলিয়ন হলেন কংগ্রেসের বিপ্লবীরা। আন্দোলন নাটকে যবনিকা পতন হল দ্রুত। 
সিপিএমের সন্ত্রাস ঠেকানো, ততোধিক দুর্নামের ভাগীদার আর একটা দলের পক্ষে কি আদৌ সম্ভব ছিল? সম্ভব হয়তো হতো, যদি কংগ্রেসের বিশ্বাসযোগ্যতা খানিকটা ফিরত, কিছুটা আন্তরিকতা দেখাতে পারত তারা। কংগ্রেস তাতে যার পর নাই ব্যর্থতারই পরিচয় দিয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন কংগ্রেসে ছিলেন, তাঁর হাত-পা কার্যত বাঁধা ছিল। সিপিএমকে ঘাড়ধাক্কা দেওয়ার প্রস্তুতি নিতে তাঁকে কংগ্রেস ছাড়তেই হয়েছিল। গড়তে হয়েছিল একেবারে নতুন দল। তারপর মমতা দেবী এবং তৃণমূলকে দীর্ঘ লড়াই ও ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। সেটা চলমান ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
সিপিএম নামক কালাপাহাড়কে সরানোর কৃতিত্ব যাঁর, সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকেই হটানোর প্রতিজ্ঞা নিয়েছে কংগ্রেস। সঙ্গে দোসর সিপিএম! সিপিএমের ইচ্ছে ও ঘোষণা নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। এ তার হক, রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা। সমস্যাটা কংগ্রেসকে নিয়ে। একটা সময় সোমেনবাবুদের কংগ্রেসকে ‘সিপিএমের বি-টিম’ বলে গাল পাড়ত অনেকে। অধীর চৌধুরীদের কংগ্রেস অবশেষে সেই পাতলা ঘোমটাটাও খুলে ফেলল। এখন আর বি-টিম নয়। নিজেই প্রমাণ করতে মরিয়া যে তাদের একটাই টিম। সিপিএম-কংগ্রেস এখন মানিকজোড়।
তারা নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হটিয়ে জোটের সরকার গড়বে। কোন জোট? সিপিএম-কংগ্রেসের। কোন সিপিএম? কোন কংগ্রেস? যে সিপিএমের সরকারকে বঙ্গোপসাগরে নিক্ষেপ করার হুঙ্কার দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিলেন গনি খান চৌধুরী। সিপিএমের প্রবাদপ্রতিম মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর সরকারকে উৎখাত করার ডাক দিয়ে রাজীব গান্ধী স্লোগান তুলেছিলেন, ‘এই হতাশা ভাঙতে চাই, নতুন বাংলা গড়তে চাই’। কংগ্রেসিরা ইন্দিরাকে ইন্ডিয়ার সমার্থ (ইন্দিরা ইজ ইন্ডিয়া) এবং ‘এশিয়ার মুক্তিসূর্য’ মনে করলেও সিপিএম তাঁকে ‘কালনাগিনী’ বলে গাল পাড়ত, সেইমতো ছবিও আঁকত দেওয়ালে দেওয়ালে। ‘হাত’ চিহ্নে ভোট দেওয়ার অপরাধে এই সিপিএম হাওড়ার কান্দুয়ায় কংগ্রেস সমর্থকদের পাঞ্জা থেকে হাত কেটে নিয়েছিল। ছেলের রক্তমাখা ভাত মাকে খাইয়েছিল বর্ধমানের সাঁইবাড়িতে। কংগ্রেসিদের সঙ্গে এই পৈশাচিক কাণ্ড ঘটানো বীরদের কারও কারও গুরুত্বপূর্ণ পুনর্বাসন হয়েছিল জ্যোতি বসু ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মন্ত্রিসভায় এবং পার্লামেন্টে।
কংগ্রেস হল ছোট গল্পের সংজ্ঞার মতো। রবীন্দ্রনাথ যেমনটা বলেছেন: শেষ হয়েও শেষ হল না। কংগ্রেস এখনও ন্যাশনাল পার্টি, নিঃসন্দেহে। সিপিএমও নিজেকে তাই মনে করে। জাতীয় পর্যায়ে বিজেপি এই দুই পার্টিরই শত্রু। বিজেপিই সমগ্র উত্তর ভারতে কংগ্রেসকে প্রায় ‘নো হোয়ার’ করে ছেড়েছে। তাহলে বাংলায় এসে কি কংগ্রেসের বাধ্যবাধকতা পাল্টে গেল? এখানে তাদের প্রধান টার্গেট বিজেপি নয় কেন? সিপিএমের ত্রিপুরার রাজ্যপাট চৌপাট করে দিয়েছে বিজেপি। কেরলেও নাকানি চোবানি খাওয়াচ্ছে। তবু বাংলায় মার্কসবাদী কমিউনিস্টদের প্রধান টার্গেট বিজেপি নয়, মমতার দল! বাংলায় সিপিএমের বাড়াভাতে ছাই মমতাই দিয়েছেন। সেই সত্য মেনে নিলেও প্রশ্ন ওঠে, বামেদের বৃহত্তর শত্রু কে মমতা না মোদি? মমতার অন্য দল হলেও তাঁর নীতি ও কর্মপদ্ধতির সঙ্গে নিখাদ বামপন্থীদের তফাত আদৌ কিছু আছে কি? তিনি বরং সিপিএমের থেকে কিঞ্চিদধিক বামপন্থী। তবু কেন তাঁকেই প্রধান টার্গেট করা হল? বামপন্থার প্রতি সিপিএমের আনুগত্যও আগামী ভোটে প্রশ্নের মুখে পড়বে।
পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি, সিপিএম, কংগ্রেস দু’টোই এখন মহা ফাঁপরে। এগলেও বিপদ তাদের, বিপদ পিছলেও। এরাজ্যে মূল টক্কর তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির। অন্যদিকে, তৃণমূলকেই টার্গেট করে হুঙ্কার ছাড়ছে সিপিএম, কংগ্রেস।‌ তাদের কাছে বিজেপি একটা পার্শ্বচরিত্র মাত্র। ২৬ নভেম্বর দেশজুড়ে সাধারণ ধর্মঘট বামেদের। বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে মোদিকে যেন উপলক্ষমাত্র মনে হচ্ছে, এই আন্দোলনে মূল নিশানা মমতাই!
তেলে-জলে সন্ধির ফল কী হয়? জল, তেল দু’টোই নষ্ট হয়, পচে দুর্গন্ধ বেরয়। সদ্য বিহার দেখিয়েছে—তেজস্বীর প্রায় নিশ্চিত সৌভাগ্য কংগ্রেসের হাত ধরেই দুর্ভাগ্যে পরিণত হয়েছে। সিপিএম-কংগ্রেস জোটের ফল, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও অন্যরকম হওয়ার নয়। দু’টো দলেরই বিশ্বাসযোগ্যতা তলানিতে যাবে। রাজনীতি হল বিশ্বাসযোগ্যতার শিল্প। যে দলের বিশ্বাসযোগ্যতা যত, মানুষের সমর্থন সেই দলের প্রতি তত বেশি। শুধু মমতাকে হটানোর নেশায়, তারা এক হতে চাইছে। এটা তৃণমূলকে বুঝিয়ে বলার দরকার পড়বে কি? এটা কংগ্রেসিরাও বুঝতে পারছেন, বিলক্ষণ বোঝেন বামপন্থীরাও। এই সুবিধাবাদকে ওই দুই মতের ক’জন ভালোভাবে নেবেন? সন্দেহ আছে। শুধু তাঁরাই পছন্দ করবেন, যাঁরা রাজক্ষমতাকে সামনে রেখে কিছু করে খেতে চান। যাঁদের এছাড়া গ্রাসাচ্ছাদনের অন্য ফিকির জানা নেই। যাদের কাছে যাহাই কংগ্রেস, তাহাই কংস কিংবা যাহাই মার্কসবাদ তাহাই মামদোবাজি। খাঁটি কংগ্রেসি এবং খাঁটি বামপন্থীরা বোঝেন, এই মেকি সংগ্রামে বিজেপিরই শুধু লাভ। বিজেপির হয়ে মিম যে রান তুলবে, তাতে আরও কিছু যোগ করবে কং-সিপিএমের দুর্বলতম ব্যাটিং।  
19th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন। ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? 
বিশদ

20th  November, 2020
কংগ্রেস কি দিনে দিনে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে
সন্দীপন বিশ্বাস

 কংগ্রেসের বিগত কয়েক বছরের ব্যর্থতা বারবার নিঃশব্দে বলে গিয়েছে নেতৃত্বে গলদ রয়েছে। আজ বুঝি তাই ভিতর থেকে একটা ভূকম্পনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। নতুন করে পার্টিটাকে বাঁধতে না পারলে মোদির সঙ্গে তার টক্কর দেওয়া সম্ভব নয়।
বিশদ

18th  November, 2020
ছুঁচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরনোর খেলা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

পরীক্ষায় পাশ নরেন্দ্র মোদি। তবে উতরানোটা মোটেই খুব সহজ ছিল না! একদিকে মহামারীর আতঙ্ক, আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ... প্রশ্ন একটাই, বিজেপির বিকল্প কি খোঁজার সময় এসে গিয়েছে? বিহার বলল, না আসেনি। কারণ, বিকল্প কেউ নেই। আপাতত...। তাই নরেন্দ্র মোদি জনপ্রিয়তার ফাঁকা ময়দানে গোল দিয়েই চলেছেন।   বিশদ

17th  November, 2020
করোনাকালে বায়ুদূষণ এক অশনিসঙ্কেত
অনির্বাণ মিত্র

ইতালির দু’টি অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি রোগীর মৃত্যু হয়। ওই দুই অঞ্চলে দূষণ প্রচণ্ড। একই ধরনের রিপোর্ট আসে চীন থেকেও। যুক্তরাষ্ট্রেও যেখানে বায়ুদূষণের মাত্রা বেশি, সেখানেই তত বেশি করোনা রোগী মারা যাচ্ছেন।  বিশদ

16th  November, 2020
বিভাজন করেই আমাদের পতন হয়
পি চিদম্বরম

বিভাজনের প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে এবং এটা গভীরতরও হতে পারে—মার্কিন মুলুকে, ওইসঙ্গে ভারতেও। ... ভারতের আঘাতটা হবে ভীষণ খারাপ। সমাজ বিভাজিত হয়ে যাবে। অর্থনীতি উদ্যম হারিয়ে বসবে।  বিশদ

16th  November, 2020
একনজরে
টি-২০ চ্যালেঞ্জারের দ্বিতীয় ম্যাচেও টাউনের কাছে ১৪ রানে হারল ইস্ট বেঙ্গল। টুর্নামেন্টে পরপর দু’ম্যাচে হার অনেকটাই কোণঠাসা করে দিল অর্ণব নন্দীদের। বৃহস্পতিবার প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৪২ রান তোলে টাউন। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: ২০০৮ সালের ১৭ নভেম্বর শীতের দুপুরে নিজের শিল্পকর্মে ব্যস্ত ছিলেন শিল্গী। হঠাৎ পাশে থাকা ফোনটা বেজে উঠল। ফোনের ওপার থেকে আওয়াজ এল ...

বাড়ি বাড়ি পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দিতে হবে। লক্ষ্য বেঁধে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পুরসভাগুলিতে দ্রুতগতিতে চলছে পরিস্রুত পানীয় জলপ্রকল্পের কাজ। কোথাও ট্রিটমেন্ট ...

সংবাদদাতা, কানকি: কানকিতে সকাল থেকে রাস্তার ধারে জড়ো হয়ে যান কয়েক হাজার কৃষক। সেইসঙ্গে পাইকার, গাড়িচালক, ভ্যানচালক মিলে ভিড়ে ভিড়াক্কার। এতটাই সেই ভিড়ের চাপ যে, ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কর্মলাভে কিছু বিলম্ব হবে। প্রেম ভালোবাসায় সাফল্য লাভ ঘটবে। বিবাহযোগ আছে। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৯৫- গেরাসিম লেবেদেফের উদ্যোগে কলকাতার মঞ্চে প্রথম অভিনীত হল নাটক
১৮৭৮- কবি যতীন্দ্রমোহন বাগচির জন্ম
১৮৮৮ - কবিপুত্র তথা বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কৃষিবিজ্ঞানী,শিক্ষাবিদ ও লেখক রথীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম
১৮৯৫ - বিশিষ্ট বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল তাঁর সমস্ত সম্পত্তি উইল করে নোবেল পুরস্কার প্রদানের জন্য তহবিল গঠন করেন।
১৯০৭ - বিশিষ্ট ভারতীয় হিন্দি ভাষার কবি ও লেখক হরিবংশ রাই বচ্চনের জন্ম
১৯১৩- চিত্রশিল্পী চিত্রানিভা চৌধুরির জন্ম
১৯১৪ - ব্রিটেনে প্রথম মহিলা পুলিস নিয়োগ হয়।
১৯৪০- অভিনেতা ও মার্শাল আর্ট শিল্পী ব্রুস লি’র জন্ম
১৯৫২- সুরকার বাপ্পি লাহিড়ির জন্ম
১৯৮৪- অভিনেতা অসিতবরণের মৃত্যু
১৯৮৬- ভারতীয় ক্রিকেটার সুরেশ রায়নার জন্ম
১৯৯২ - এই দিন থেকে ব্রিটেনের রানী আয়কর দিতে শুরু করেন।
২০০৮- ভারতের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী ভি পি সিংয়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০২ টাকা ৭৪.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯৭.১৯ টাকা ১০০.৬২ টাকা
ইউরো ৮৬.৫৩ টাকা ৮৯.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯, ৮৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬১, ১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬১, ২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৪/২৫ দিবা ৭/৪৭। অশ্বিনী নক্ষত্র ৪৫/৫৩ রাত্রি ১২/২৩। সূর্যোদয় ৬/১/৮, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৬। অমৃতযোগ  ৬/৪২ মধ্যে পুনঃ ৭/২৬ গতে ৯/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৫ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে ৩/২২ মধ্যে পুনঃ ৪/১৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪২ গতে ১১/২৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫ গতে ৯/৪৫ মধ্যে।  
১১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, দ্বাদশী দিবা ৮/১৬। অশ্বিনী নক্ষত্র রাত্রি ১/২৮। সূর্যোদয় ৬/৩, সূর্যাস্ত ৪/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৭/৩৯ গতে ৯/৪৬ মধ্যে ও ১১/৫৩ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৩/২৫ গতে ৪/৪৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৮ মধ্যে ও ১১/৫৯ গতে ৩/৩৪ মধ্যে ও ৪/২৭ গতে ৬/৪ মধ্যে। বারবেলা ৮/৪৪ গতে ১১/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৬ মধ্যে। 
১১ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শুভেন্দুর পদত্যাগ, কী বললেন ভাই দিব্যেন্দু অধিকারি ?
শুভেন্দু অধিকারির মন্ত্রিত্ব ছাড়ার বিষয়ে টেলিফোনে তাঁর ভাই তথা তৃণমূলের ...বিশদ

01:58:20 PM

মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ  করলেন শুভেন্দু অধিকারি
পরিবহণমন্ত্রী ও সেচমন্ত্রীর পদ থেকে  ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারি। আজ ...বিশদ

01:33:00 PM

১ম ওডিআই: ভারতকে ৩৭৫  রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া

01:24:40 PM

কঙ্গনার পাশেই আদালত, খারিজ বিএমসি-র অভিযোগ
আজ, শুক্রবার কঙ্গনার পক্ষেই রায় দিল বম্বে হাইকোর্ট। স্বস্তি পেলেন ...বিশদ

12:52:13 PM

১ম ওডিআই: অস্ট্রেলিয়া ২৮১/৩ (৪২ ওভার)

12:39:45 PM

১ম ওডিআই: অস্ট্রেলিয়া ১৬৯/১(৩০ ওভার)
 ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রথম একদিনের ম্যাচে ফিঞ্চ ও ওয়ার্নারের জুটিতে দুরন্ত ...বিশদ

11:43:55 AM