Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কংগ্রেস কি দিনে দিনে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে
সন্দীপন বিশ্বাস

 কংগ্রেস এমন একটা পার্টি, যার নেতৃত্ব গান্ধী পরিবারের বাইরে যেতে পারবে না। আসলে গান্ধী পরিবারের নেতৃত্বে পার্টিটা থাকলে তার সাংগঠনিক বন্ধন কিছুটা দৃঢ় থাকে। গান্ধী-আনুগত্যই পার্টি শৃঙ্খলার চাবিকাঠি। নাহলে কেউ কাউকে মানবে না। দল ভেঙে গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে যাবে। যার জন্য সোনিয়ার পরে দায়িত্ব পান রাহুল গান্ধী। কিন্তু অতবড় দল সামলানোর মতো ব্যক্তিত্ব যে তাঁর নেই, সেটা প্রথমেই জানা গিয়েছিল। তাই তাঁকে সেনাপতি করে মোদির বিরুদ্ধে নামিয়ে পার্টি খুব ভুল করেছিল। পার্টির অনেকেই রাহুলের ‘নাবালকত্ব’ সম্পর্কে জানলেও কেউ কিছুই বলেননি। তাতে সোনিয়ার বিরূপ নজরে পড়তে পারেন। দলের হারের পরই রাহুল নেতৃত্ব ছাড়লেন। মনে হচ্ছিল কখন গা থেকে নেতৃত্বের পোশাকটা খুলে ফেলবেন। কংগ্রেসের পরিচালনার দায়িত্ব অসুস্থ মায়ের কাঁধে চাপিয়ে দিয়ে তিনি গায়ে হাওয়া দিয়ে বেড়াচ্ছেন। কোনও দায়দায়িত্ব নেই। হারের দায় স্বীকার করে পালিয়ে যাওয়াটা আসলে কাপুরুষতা। সেই সঙ্গে
তা পলায়নপর ও জোশহীন মনোবৃত্তিকেই প্রকাশ করে। সেদিক থেকে গান্ধী পরিবারের কারও সঙ্গেই তাঁর মানসিকতা মেলে না। যে সাহস ও নিবেদন আমরা জওহরলাল, ইন্দিরা, রাজীব এমনকী সোনিয়ার মধ্যেও দেখেছি, তার কণামাত্র আমরা রাহুলের মধ্যে দেখি না। এত বড় পার্টির যে দায়িত্ব উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন, তা রক্ষা করার ইচ্ছা, মনের জোর বা কৌশল কিছুই তাঁর মধ্যে নেই। আনউইলিং হর্সকে ছোটানোর চেষ্টা করলে যা হয়, রাহুল গান্ধীও তাই। আসলে রাজনীতিটা তাঁর কাছে একটা পার্ট টাইম খেলা। বাকি সময়টা এখান ওখান। মাঝে মাঝেই তিনি বিদেশে উড়ে যান। কেন যান, কোথায় যান, কেউ জানেন না। তাঁর এই আচরণ নিয়ে পার্টি নেতৃত্বের অধিকাংশই ক্ষুব্ধ। শুধু সোনিয়ার জন্য কেউ মুখ খোলেন না।
বিহারে কংগ্রেসের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স অত্যন্ত খারাপ। ৭০টি আসনে লড়াই করে তারা জিতেছে মাত্র ১৯টিতে। অর্থাৎ জয়ের শতকরা হার ২৭ শতাংশ। তেজস্বীর দলের জয়ের শতকরা হার সেখানে ৫২। বামপন্থীদের জয় সেখানে ৫৫ শতাংশ আসনে। অবশ্য তেজস্বীর সঙ্গে না লড়লে বিহারে কংগ্রেস ৫/৬ টার বেশি আসন পেত না। কংগ্রেস এখন কতটা পরজীবী পার্টি তার আরও একটা উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে।
মহারাষ্ট্রে ২০০৯ সালে কংগ্রেস শারদ পাওয়ারের দলের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে লড়ে পেল ৪৮ শতাংশ আসন। ঠিক পাঁচ বছর পরের ভোটে কংগ্রেস একা লড়াই করল। কংগ্রেস জয় পেল মাত্র ১৪ শতাংশ আসনে। আবার ২০১৯ সালে কংগ্রেস হাত ধরল শারদ পাওয়ারের। জয়ের শতকরা হার বেড়ে হল ৩০ শতাংশ। যে পার্টির আধিপত্য ছিল সারাদেশে, তারাই এখন অন্যের কাঁধে ভর দিয়ে ছাড়া হাঁটতে পারে না। এর জন্য দায়ী কংগ্রেস নিজেই। রাহুল গান্ধীর তৎপরতার একটা পরিসংখ্যান দিই। বিহারে রাহুল মাত্র ৪টি সভা করেছিলেন। আর মহারাষ্ট্রে মাত্র ২টো। বিহারের কংগ্রেস নেতারা চেয়েছিলেন রাহুল রাজ্যের ভোট প্রচারে আরও একটু বেশি সময় দিন। কিন্তু রাহুলের হাতে সময় কোথায়? তিনি তখন সিমলায় দিদির পরিবারের সঙ্গে পিকনিক করছেন। এই উড়ুউড়ু মন নিয়ে রাজনীতিতে ভালো ফল করা যায় নাকি? নির্বাচনী ময়দান হল যুদ্ধক্ষেত্র। সেখানে অন্যের মুখের গ্রাস ছিনিয়ে আনতে না পারলে জয় পাওয়া সম্ভব নয়। আজন্ম একটি হাই প্রোফাইল রাজনৈতিক পরিবারে বড় হয়ে রাহুল গান্ধী যদি এটা না বোঝেন, তাহলে তাঁর সাবালকত্ব নিয়ে সন্দেহ তৈরি হতেই পারে।
অপরদিকে রাজনৈতিক পরিবারে বড় হয়েছেন তেজস্বী যাদবও। তাঁর মধ্যে যে তাগিদটা দেখা গিয়েছে, সেটা শিক্ষণীয় হওয়া উচিত। এই মুহূর্তে রাহুলের সামনে রাজনৈতিক যোদ্ধার দৃষ্টান্ত হতে পারেন তেজস্বী যাদব। কীভাবে চোয়াল টিপে তিনি মোদির সঙ্গে লড়াই করেছেন, সেটা দেখে যদি কংগ্রেস কিছু না শেখে, তবে আবার মোদিজি ওয়াকওভার নিয়ে যাবেন। কংগ্রেস এখনও মনে করে পার্টিটা জমিদারের, এই দেশটা তাদের জমিদারি এবং দেশের মানুষ তাদের অনুগত প্রজা। সেই সময় যে কবে কেটে গিয়েছে, তার হুঁশ নেই। যে তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বকে একসময় মনে হতো, কংগ্রেসের আগামী দিনের জ্যোতিষ্ক, সেই টিমটাই ভেঙে গিয়েছে। পার্টির উপর ক্ষোভে দল ছেড়ে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া আজ বিজেপির এমপি। শচীন পাইলটকে কোনওভাবে আটকানো গিয়েছে। সেই সঙ্গে আটকানো গিয়েছে রাজস্থানের পতন। ভবিষ্যতে কী হবে, কেউ জানেন না।
রাজীব গান্ধীও কিন্তু প্রথমদিকে খুব সড়গড় নেতা ছিলেন না। কিন্তু যত দিন গিয়েছে, পরিশ্রম করে অনেক কিছু শিখে তিনি বড় নেতা হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর প্রথম দিকের বক্তৃতা এবং শেষের দিকের বক্তৃতা বিশ্লেষণ করলেই বোঝা যায়, তিনি কতটা পরিণত হয়ে উঠেছিলেন। রাজনীতিক হতে চাননি। কিন্তু যখন পরিস্থিতির বাধ্যবাধকতায় হয়েই গেলেন, তখন সেখানে তিনি নিজের একশো শতাংশ ঢেলে দিয়েছিলেন। সেইভাবে রাহুল যদি তাঁর একশো শতাংশ ঢেলে দিতেন, তাহলে ছবিটা হয়তো অন্যরকম হতে পারত। কিন্তু ছোটবেলা থেকে শুনে আসছেন, তিনি কংগ্রেসের যুবরাজ। তাই হয়তো কখনও ভিতর থেকে তাঁর সেই মাটি কামড়ানো তাগিদ দেখা যায়নি। এতে তাঁর ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতি যতটা হয়েছে, তার থেকে অনেক বেশি ক্ষতি হয়েছে পার্টির।
বিগত কয়েক বছরের মধ্যে দেখা গিয়েছে, ক্ষমতায় থেকেও কংগ্রেস কয়েকটি রাজ্যে সরকার বাঁচাতে পারেনি। নিজেদের অসতর্ক মানসিকতার জন্য ঩বিজেপি বারবার তাদের গড় ভেঙে দিয়েছে। মধ্যপ্রদেশে কমলনাথ সরকারের পতন ঘটিয়ে বিজেপি সেখানে কংগ্রেসের হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে। কর্ণাটকেও তারা সরকার গড়েছিল কুমারস্বামীর সঙ্গে। কিন্তু সেই সরকারও রাখা সম্ভব হয়নি। বিজেপির এই হানাদার মানসিকতার মুখোমুখি দাঁড়াতে গেলে পার্টি নেতৃত্বের যা দরকার, তা কংগ্রেসের নেই। তেজস্বী যেমন মোদির চোখে চোখ রেখে বিহারে লড়াই করেছেন, সেইভাবে না লড়লে কংগ্রেস ধীরে ধীরে এলেবেলে হয়ে যাবে।
প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাঁর আত্মজীবনীমূলক বই ‘দ্য প্রমিসড ল্যান্ড’এ রাহুল গান্ধী সম্পর্কে যে মন্তব্যটি করেছেন, তা প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেছেন, ‘রাহুল একজন নার্ভাস প্রকৃতির এবং অনেকটাই অপরিণত। তিনি যেন স্কুলের একজন ছাত্র, যিনি একটা ক্লাসওয়ার্ক করেই তড়িঘড়ি শিক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান। কিন্তু কাজটা কত ভালো এবং সুন্দর করে করা যায়, সেদিকে তাঁর মন নেই।’ এই বিশ্লেষণটা কি খুব ভুল করেছেন ওবামা?
ওবামার কথা না হয় ছেড়েই দিলাম। এখন তো দলের মধ্যেই দাবি উঠেছে, নতুন করে দল সাজাতে হবে। গত আগস্টেই দলের ২৩ জন নেতা সোনিয়াকে চিঠি দিয়ে বলেন, পরিস্থিতি ভালো নয়, নতুন করে দলকে সাজানো দরকার। কিন্তু সেই চিঠির কী
অবস্থা হয়েছে, কেউই জানেন না। এবার কপিল সিবাল বোমা ফাটিয়েছেন। তিনি স্পষ্টতই বলেছেন, এভাবে চললে মানুষ কংগ্রেসকে আর কার্যকরী বিকল্প হিসাবে ভাববে না। সাম্প্রতিক বিহারের নির্বাচন এবং কয়েকটি রাজ্যের উপনির্বাচন নিয়ে তিনি কড়া ভাষায় মন্তব্য করেছেন। দলের শক্তিক্ষয় নিয়ে আত্মসমালোচনা করে সিবাল বলেন, দলে এখন একজন ‘সতর্ক নেতা’ দরকার। সিবালের ইঙ্গিতটা নিশ্চয়ই বোঝা যাচ্ছে? কপিল একা মুখ খুললেও পিছনে কিন্তু আরও অনেকেই আছেন। আসলে যে কোনও নেতৃত্বের মূল কথা হল সাফল্য। কংগ্রেসের বিগত কয়েক বছরের ব্যর্থতা বারবার নিঃশব্দে বলে গিয়েছে নেতৃত্বে গলদ রয়েছে। আজ বুঝি তাই ভিতর থেকে একটা ভূকম্পনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। নতুন করে পার্টিটাকে বাঁধতে না পারলে মোদির সঙ্গে তার টক্কর দেওয়া সম্ভব নয়।
মোদির সঙ্গে যেকোনও লড়াই লড়তে গেলে চাই আগুনখিদে। ওই খিদেটা না থাকলে গো হারান হারতেই হবে। কংগ্রেসের কারও মধ্যে এই আগুনখিদেটাই আজ আর নজরে পড়ে না। শতাব্দী প্রাচীন এই দলটাকে তাই এখন অন্যের অনুকম্পার উপর বেঁচে থাকতে হয়।
আগামী বছরে এরাজ্যে ভোট। এখানে কংগ্রেসের যা অবস্থা, বামেদেরও তাই। এ বলে আমায় দেখ, ও বলে আমায় দেখ। এখানে দু’জনেই দু’জনের উপর নির্ভরশীল। সত্যি বলতে কী তৃণমূল –বিজেপির লড়াইয়ে আবহে কং-বাম জোট অনেকটাই অপ্রাসঙ্গিক। তবুও বলব, এ রা‌঩জ্যের ভোট তাদের কাছে টিকে থাকার অগ্নিপরীক্ষা।
18th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন। ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? 
বিশদ

20th  November, 2020
বিজেপির হয়েই কি ব্যাট ধরছে কং-সিপিএম?
হারাধন চৌধুরী

বছর তিরিশ আগের কিছু কথা মনে পড়ছে। জ্যোতি বসুর মুখ্যমন্ত্রিত্বের তখন থার্ড টার্ম। সিদ্ধার্থ-জমানার সন্ত্রাসের বাস্তব অনেকটাই অতীত ততদিনে। সিপিএমের সন্ত্রাসটাই তখন হাতেগরম। সাতাত্তরে সিপিএম এবং জ্যোতি বসুর নামে যে মোহ জেগেছিল, অনেক সাচ্চা বামপন্থীদেরও ঘুচে গিয়েছে। সাংবাদিকতায় হাতেখড়ির সেই গোড়ার দিনগুলোতে আমাদের ব্যতিব্যস্ত রাখত সিপিএম পার্টি ক্যাডাররা।  
বিশদ

19th  November, 2020
ছুঁচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরনোর খেলা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

পরীক্ষায় পাশ নরেন্দ্র মোদি। তবে উতরানোটা মোটেই খুব সহজ ছিল না! একদিকে মহামারীর আতঙ্ক, আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ... প্রশ্ন একটাই, বিজেপির বিকল্প কি খোঁজার সময় এসে গিয়েছে? বিহার বলল, না আসেনি। কারণ, বিকল্প কেউ নেই। আপাতত...। তাই নরেন্দ্র মোদি জনপ্রিয়তার ফাঁকা ময়দানে গোল দিয়েই চলেছেন।   বিশদ

17th  November, 2020
করোনাকালে বায়ুদূষণ এক অশনিসঙ্কেত
অনির্বাণ মিত্র

ইতালির দু’টি অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি রোগীর মৃত্যু হয়। ওই দুই অঞ্চলে দূষণ প্রচণ্ড। একই ধরনের রিপোর্ট আসে চীন থেকেও। যুক্তরাষ্ট্রেও যেখানে বায়ুদূষণের মাত্রা বেশি, সেখানেই তত বেশি করোনা রোগী মারা যাচ্ছেন।  বিশদ

16th  November, 2020
বিভাজন করেই আমাদের পতন হয়
পি চিদম্বরম

বিভাজনের প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে এবং এটা গভীরতরও হতে পারে—মার্কিন মুলুকে, ওইসঙ্গে ভারতেও। ... ভারতের আঘাতটা হবে ভীষণ খারাপ। সমাজ বিভাজিত হয়ে যাবে। অর্থনীতি উদ্যম হারিয়ে বসবে।  বিশদ

16th  November, 2020
একনজরে
বাড়ি বাড়ি পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দিতে হবে। লক্ষ্য বেঁধে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পুরসভাগুলিতে দ্রুতগতিতে চলছে পরিস্রুত পানীয় জলপ্রকল্পের কাজ। কোথাও ট্রিটমেন্ট ...

ফের ‘এক দেশ, এক ভোট’-এর পক্ষে জোর সওয়াল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানিয়ে দিলেন, কয়েক মাস অন্তর ভোট হওয়ার ফলে দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। দেশের ...

সংসদ ও বিধানসভায় ফি বছর প্রথম অধিবেশনের শুরুতে সংবিধানের প্রস্তাবনা পাঠের নিয়ম চালু করার পক্ষে দাবি উঠল। যে সে নন, স্বয়ং রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: ২০০৮ সালের ১৭ নভেম্বর শীতের দুপুরে নিজের শিল্পকর্মে ব্যস্ত ছিলেন শিল্গী। হঠাৎ পাশে থাকা ফোনটা বেজে উঠল। ফোনের ওপার থেকে আওয়াজ এল ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কর্মলাভে কিছু বিলম্ব হবে। প্রেম ভালোবাসায় সাফল্য লাভ ঘটবে। বিবাহযোগ আছে। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৯৫- গেরাসিম লেবেদেফের উদ্যোগে কলকাতার মঞ্চে প্রথম অভিনীত হল নাটক
১৮৭৮- কবি যতীন্দ্রমোহন বাগচির জন্ম
১৮৮৮ - কবিপুত্র তথা বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কৃষিবিজ্ঞানী,শিক্ষাবিদ ও লেখক রথীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম
১৮৯৫ - বিশিষ্ট বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল তাঁর সমস্ত সম্পত্তি উইল করে নোবেল পুরস্কার প্রদানের জন্য তহবিল গঠন করেন।
১৯০৭ - বিশিষ্ট ভারতীয় হিন্দি ভাষার কবি ও লেখক হরিবংশ রাই বচ্চনের জন্ম
১৯১৩- চিত্রশিল্পী চিত্রানিভা চৌধুরির জন্ম
১৯১৪ - ব্রিটেনে প্রথম মহিলা পুলিস নিয়োগ হয়।
১৯৪০- অভিনেতা ও মার্শাল আর্ট শিল্পী ব্রুস লি’র জন্ম
১৯৫২- সুরকার বাপ্পি লাহিড়ির জন্ম
১৯৮৪- অভিনেতা অসিতবরণের মৃত্যু
১৯৮৬- ভারতীয় ক্রিকেটার সুরেশ রায়নার জন্ম
১৯৯২ - এই দিন থেকে ব্রিটেনের রানী আয়কর দিতে শুরু করেন।
২০০৮- ভারতের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী ভি পি সিংয়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০২ টাকা ৭৪.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯৭.১৯ টাকা ১০০.৬২ টাকা
ইউরো ৮৬.৫৩ টাকা ৮৯.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯, ৮৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬১, ১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬১, ২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৪/২৫ দিবা ৭/৪৭। অশ্বিনী নক্ষত্র ৪৫/৫৩ রাত্রি ১২/২৩। সূর্যোদয় ৬/১/৮, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৬। অমৃতযোগ  ৬/৪২ মধ্যে পুনঃ ৭/২৬ গতে ৯/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৫ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে ৩/২২ মধ্যে পুনঃ ৪/১৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪২ গতে ১১/২৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫ গতে ৯/৪৫ মধ্যে।  
১১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, দ্বাদশী দিবা ৮/১৬। অশ্বিনী নক্ষত্র রাত্রি ১/২৮। সূর্যোদয় ৬/৩, সূর্যাস্ত ৪/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৭/৩৯ গতে ৯/৪৬ মধ্যে ও ১১/৫৩ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৩/২৫ গতে ৪/৪৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৮ মধ্যে ও ১১/৫৯ গতে ৩/৩৪ মধ্যে ও ৪/২৭ গতে ৬/৪ মধ্যে। বারবেলা ৮/৪৪ গতে ১১/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৬ মধ্যে। 
১১ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শুভেন্দুর পদত্যাগ, কী বললেন ভাই দিব্যেন্দু অধিকারি ?
শুভেন্দু অধিকারির মন্ত্রিত্ব ছাড়ার বিষয়ে টেলিফোনে তাঁর ভাই তথা তৃণমূলের ...বিশদ

01:58:20 PM

মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ  করলেন শুভেন্দু অধিকারি
পরিবহণমন্ত্রী ও সেচমন্ত্রীর পদ থেকে  ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারি। আজ ...বিশদ

01:33:00 PM

১ম ওডিআই: ভারতকে ৩৭৫  রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া

01:24:40 PM

কঙ্গনার পাশেই আদালত, খারিজ বিএমসি-র অভিযোগ
আজ, শুক্রবার কঙ্গনার পক্ষেই রায় দিল বম্বে হাইকোর্ট। স্বস্তি পেলেন ...বিশদ

12:52:13 PM

১ম ওডিআই: অস্ট্রেলিয়া ২৮১/৩ (৪২ ওভার)

12:39:45 PM

১ম ওডিআই: অস্ট্রেলিয়া ১৬৯/১(৩০ ওভার)
 ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রথম একদিনের ম্যাচে ফিঞ্চ ও ওয়ার্নারের জুটিতে দুরন্ত ...বিশদ

11:43:55 AM