Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কৈলাসে ফিরতে
মন চাইবে না মা
হারাধন চৌধুরী

এই বঙ্গদেশ গঙ্গাবিধৌত। গঙ্গা আমাদের পুরো সত্তা জুড়ে। আমাদের আত্মার আত্মা গঙ্গা। আচমন থেকে বিসর্জন সবই আমাদের গঙ্গাজলে। মৃন্ময়ী মূর্তি থেকে চিন্ময়ী মা—সবারই জন্য অভিন্ন নিয়ম। অতএব গঙ্গাপুজো গঙ্গাজলেই সেরে নেওয়া যাক। এ আমাদের অভ্যাসের অঙ্গ। পাপ নয়, বরং পুণ্য। পুজোর কথা ঠাকুরের মুখ দিয়েই বলিয়ে নিই। বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। বঙ্গজীবনে সেই জননীর মাহাত্ম্য বিচারেও রবিঠাকুরের বিকল্প রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আসুন তাঁর উপলব্ধির চোখ দিয়েই দেখি দেবীকে—‘‘মাটির কন্যার আগমনী গান এই তো সেদিন বাজিল। মেঘের নন্দীভৃঙ্গী শিঙা বাজাইতে বাজাইতে গৌরী শারদাকে এই কিছুদিন হইল ধরা-জননীর কোলে রাখিয়া গেছে। কিন্তু বিজয়ার গান বাজিতে আর তো দেরি নাই; শ্মশানবাসী পাগলটা এল বলিয়া, ...’’।
সত্যিই তাই। ‘‘বাজল তোমার আলোর বেণু ...’’ বলে মাকে আবাহন করার দিন কয়েকের ভিতরেই নবমীনিশি পোহানোর ব্যস্ততা, তাঁর বিদায়ের তোড়জোড় আমাদের পীড়া দেয়। দিকে দিকে বিজয়ার বাজনা বেজে ওঠে। মায়ের শ্মশানবাসী পাগল স্বামীটার যেন উমাকে ফিরিয়ে নেওয়ার তর সয় না। আর তিনি একবার চাইলে মাকে ফিরিয়ে না-দেওয়ার জো কোথায় মর্ত্যবাসীর! মেনকাও প্রতিবার প্রার্থনা করেন গিরিরাজপ্রাসাদ যেন আরও কিছুক্ষণ আলোকিত থাকে। দেবী উষার কাছে মেনকা করজোড়ে প্রার্থনা করেছিলেন, নবমীনিশি যেন এত তাড়াতাড়ি না-পোহায়, কন্যার বিদায়বেলা যেন আর একটু পিছিয়ে যায়। কিন্তু উষাও আশাহত করেন মেনকাকে—যথাসময়ে দশমীর ভোর উঁকি দেয়। তবুও মায়ের চেষ্টার অন্ত থাকে না। সখী বিজয়াকে মেনকা নির্দেশ দেন, হরকে সাফ বলে দাও, উমাকে এখনই পাঠানো যাবে না—‘‘জয়া বলো গো, পাঠানো হবে না,/ হর মায়ের বেদন কেমন জানে না।’’
আমরা জানি, মেনকার ভিতর দিয়ে আমাদের মতো কোটি কোটি সন্তানের এমন প্রার্থনা কখনওই মঞ্জুর হয় না। মাদুর্গা তিথি নক্ষত্র মেনেই পতিগৃহে ফিরে যান। নীলকণ্ঠ পাখিটাও পাগলা শিবের এমন ন্যাওটা যে শত শত মাইল পাড়ি দেয় উমার ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি সংবাদ নিয়ে। হরও তিথি নক্ষত্র মেনে গিরিরাজপ্রাসাদে হাজির হন দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে।
অন্যদিকে, মায়ের বিদায়ের অনুভব আমাদের দুঃখিত, ব্যথিত করে। কিন্তু আমরা ভুলে যাই, এই দিনেই মাদুর্গা অশুভশক্তির বিরুদ্ধে বিজয়িনী হয়েছিলেন। মহিষাসুরের সঙ্গে ন’দিন ন’রাত্রি যুদ্ধ করে মাদুর্গা বিজয় লাভ করেছিলেন। মাটির পৃথিবীতে শুভশক্তির প্রতিষ্ঠা করে দেওয়ার পর তাঁর আপাতত কীই-বা করার থাকে। তাঁকে তো ফিরে যেতেই হয় শিবলোকে, তিনি যে সময়মতো ফিরে যাওয়ারই কথা দিয়ে এসেছেন কৈলাসপতিকে।
মহাকবি দেখেছেন—‘‘হাসির চন্দ্রকলা তার ললাটে লাগিয়া আছে, কিন্তু তার জটায় জটায় কান্নার মন্দাকিনী। ... আমাদের শরতে আগমনীটাই ধুয়া। সেই ধুয়াতেই বিজয়ার গানের মধ্যেও উৎসবের তান লাগিল।’’
বিচ্ছেদ-বেদনার ভিতরেও আমরা সান্ত্বনা খুঁজে নিই—‘‘বারে বারে নূতন করিয়া ফিরিয়া আসিবে বলিয়াই চলিয়া যায়, তাই ধরার আঙিনায় আগমনী-গানের অন্ত নাই। যে লইয়া যায় সেই আবার ফিরাইয়া আনে। তাই সকল উৎসবের মধ্যে বড়ো উৎসব এই হারাইয়া পাওয়ার উৎসব।’’
অন্যদিকে, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ব্যাখ্যা করেছেন, মাটির পৃথিবীর সঙ্গে, এখানকার সন্তানদের সঙ্গে মাদুর্গার বাস্তবে কোনও বিচ্ছেদই হয় না। তিনি সাকার রূপে পুজো নিয়ে নিরাকার রূপে কৈলাসে ফিরে যান। তাঁর সাবেক সাকার মূর্তিটাই আমাদের ঘিরে থাকে, আচ্ছন্ন করে রাখে।  
মা আসলে আমাদের মধ্যে রয়ে যান সর্বক্ষণের জন্যে। আমাদের সুখ-দুঃখের সাথী হিসেবে। বিশেষ করে দুঃখের ভার সমানভাবে গ্রহণের জন্য। এই যে দুঃসহ দু’হাজার বিশ সাল। আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে, এই সালের বিষবৎ ভার মায়ের জন্যেও সমান। তিনি স্বয়ংপ্রকাশিতা হয়ে, আমাদের সঙ্গে থেকে, আমাদের সবার যন্ত্রণা প্রত্যক্ষ করলেন। এই অপরিমেয় দুঃখনিবারণের উপায় তিনিই সাজাচ্ছেন নিজের হাতে।
ফের মায়েরই উপর ভরসা রাখি। তাঁকে পুরো একটা বছর আমরা সময় দেব। তিনি আমাদের সংবৎসরের প্রয়োজন গোছাতে থাকুন। চাল ডাল তেল নুন বস্ত্র ওষুধপথ্য-সহ সবকিছু। আশা করি, সেসব দিয়ে আগামী পুজোর আগেই আমাদের পুরো পৃথিবী গুছিয়ে নিতে পারবে। আমরা প্রস্তুত হয়ে যাব অন্যবারের মতো। সাকার মাকে মণ্ডপে মণ্ডপে সাজাব মহাসমারোহে। আগামীবারের উৎসব হবে সত্যিকারের উৎসব যেমন হয়, কোনওভাবেই এবারের মতো নয়। কাছে পেয়েও সন্তানরা মাকে কাছে পাইনি। অদ্ভুত এক দূরত্ব রেখে দিতে বাধ্য হয়েছি আমরা। মাও কোনওরকম প্ররোচনা দেননি। পাছে আমাদের স্বাস্থ্যবিধির আগল খুলে যায়, আমরা বড় কোনও ভুল করে বসি। পুজোর আয়োজন থেকে অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতাই বজায় রয়ে গেল বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়ে।
আলিঙ্গন বা কোলাকুলি থেকে দূরে রইলাম সকল বন্ধু প্রিয়জন। দূর থেকে নমস্কার সারলাম কিংবা সমস্ত প্রীতি শুভেচ্ছা ভালোবাসা নিয়ে প্রবেশ করলাম ভার্চুয়াল দুনিয়ায়। চিঠি লেখার সংস্কৃতিকে আগেই বিদায় জানিয়েছি আমরা। গুরুজনদের পা ছুঁয়ে প্রণাম এবং প্রিয়জনদের আলিঙ্গন করার যে রীতিটা বাঁচাতে পেরেছিলাম, সেটাকেও এবার মুলতুবি রাখতে বাধ্য হয়েছি আমরা। না-মরে বেঁচে থাকা কাকে বলে—আমাদের দেখে জেনে গেছ মা নিশ্চয়। তেমনি পুজো করেও পুজো না-করার বছর গেল যে এবার আমাদের! এই দুঃস্বপ্নের কালের চিরনির্বাসন হোক পশ্চাতের করাল গর্ভে।
মাদুর্গার কাছে আমাদের প্রার্থনা—আগামীবার তোমার চিরকালীন আটপৌরে রূপেই ফিরে এসো মা। তোমার কোলে, তোমার আঁচলতলে মাথা রাখার মতো করে পেতে চাই তোমাকে, ফের। তোমাকে এইভাবে না-পেলে যে আমাদের কোনও সুখই সুখ বলে অনুভব হয় না। শত সুখও বিষাদের চাদের ঢাকা পড়ে যায়। চেনা রূপেই এসো মা, আমরা তার ভিতরেই আমাদের ষড়ঋতুর, সারা বছরের আলো, অপার সুখ খুঁজে নেব। তোমার আসা-যাওয়ার নিয়মে এবারের মতো অবাঞ্ছিত বৈচিত্র চাই না মা। এবার বিষাদময় যে ঘর নিজের চর্মচক্ষে দেখে গেলে, আমাদের, তাতে সবচেয়ে মজবুত তালাটা তুমি নিজের হাতে দিয়ো, চিরতরের জন্যে।
আমাদের পাশে থেকো মা। তোমাকে কথা দিচ্ছি, আগামীবার এসে দেখবে—আমাদের এই পৃথিবীর সমস্ত অসুখ সেরে গেছে। আমাদের কারও মধ্যে ছোঁয়াছুঁয়ির ভয় নেই, কোনওরকম ছুঁৎমার্গ নেই। আমরা সবাই আগের মতো চঞ্চল, কর্মচঞ্চল। নদীর প্রবল স্রোত বা পাহাড়ি ঝরনাধারার সামনে যেমন কোনও বাঁধই যথেষ্ট নয়, তেমনি আমাদেরকেও কেউ রুখতে পারছে না। শিক্ষায়-গবেষণায়, ব্যবসায়-বাণিজ্যে, অর্থে-সম্পদে, খেলাধুলোয়, শিল্পে-কলায়, সাহিত্যে-সঙ্গীতে, রাজনীতিতে-রাষ্ট্রপরিচালনায়, জনচেতনায়-জনকল্যাণে, প্রেমে-ভালোবাসায়—সব সবদিকে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনে অগ্রণী। এখন থেকেই ভাবো তো মা, তাহলে আগামীবার তোমাকে আমরা আরও কত সুন্দরভাবে বরণ করে নিতে পারব। তোমাকে নিয়ে আমাদের আনন্দ উচ্ছ্বাস হবে সমস্তরকমে বাঁধন ছেঁড়া। তোমার জন্য আগমনি গান লেখা হবে নতুন উৎসাহে। দেখে নিয়ো মাদুগ্গা, আগামীবার পাগলা শিবের হাজার জোরাজুরি সত্ত্বেও পতিগৃহে ফিরে যেতে মন চাইবে না তোমার। একটুও না। এই মাটির পৃথিবী কৈলাসের অধিক মায়া ফেলে দেবে তোমার মনের আনাচে-কানাচে।
মূকরাই সরব হবেন যথাসময়ে
পি চিদম্বরম

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যে পৃথিবী বিপুলভাবে সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠেছে সেখানে দরিদ্র বা গরিব রয়ে যাওয়াটা এক দুর্ভাগ্য। একটা দরিদ্র দেশে দরিদ্র থাকাটা গণতন্ত্রের ব্যর্থতা। আর একটা গরিব দেশের গরিব রাজ্যে দরিদ্র থেকে গেলে তাকে রাজনীতির অভিশাপ মানতে হবে।  বিশদ

28th  October, 2020
বিহারের ভোটে অনেক পাখি মারার ছক মোদির
সন্দীপন বিশ্বাস

২০১৫ সালে বিহার বিধানসভার নির্বাচনের খবর করতে গিয়ে দেখেছিলাম, বিজেপি সেখানে কী পরিমাণ টাকা ঢেলেছিল। সমস্তিপুর, বেগুসরাই, জামুই, ভাগলপুর, মুঙ্গের, খাগাড়িয়া, লক্ষ্মীসরাই ঘুরে দেখেছিলাম, পতাকা, ফেস্টুন, ফ্লেক্স দিয়ে বিজেপি শহর মুড়ে দিয়েছে। বিশদ

28th  October, 2020
উৎসব এবার চেতনার
মৃণালকান্তি দাস 

মন খারাপ। খুব মন খারাপ। সব আছে। অথচ কী যেন নেই! জীবনটা যেন এখন লুডোর গুটি। রোজ শুধু ওঠা-নামার খেলা। সবসময় মনে আতঙ্ক। যত না সংক্রমণে তার থেকে অনেক বেশি প্রিয়জনের থেকে দূরে চলে যাওয়ার। সেই নীলকণ্ঠ পাখিটা উড়ে গিয়েছে অজানা কোন অচিনপুরে। কিন্তু এই দুঃসময়েও মানুষ আগামীদিনের সুদিনের জন্য বুক বাঁধে। তাই তো এবারও মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পুজোর তোড়জোড়।   বিশদ

23rd  October, 2020
বেদ, পুরাণে বন্দিতা মহামায়া দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

 একদা দেবাসুর-সংগ্রামে ব্রহ্মশক্তির প্রেরণায় জয় হল দেবতাদের। একে বিজয় মহিমা মনে করে অগ্নি, বায়ু, বরুণ ও চন্দ্র এই চার দেবতা অহংকৃত ও গৌরবান্বিত হন। তাঁদের মুখমণ্ডলে কর্তৃত্বের পরিতৃপ্তি। বলদর্পে আচ্ছন্ন হয়ে সেই অমরবৃন্দ ভুলে গেলেন ব্রহ্মশক্তির কথা, যাঁর শক্তি ও অনুকম্পায় তাঁরা এতকাল শক্তিমান। বিশদ

22nd  October, 2020
বাৎসরিক আয়ু ক্রয়ের হাট
হারাধন চৌধুরী

 এবার পুজো হওয়াটা জরুরি। নিয়মরক্ষার হলেও। অন্যথায়, বাঙালি আরও বিষাদে ডুবে যাবে। উৎসব হলে মানুষের কেনাকাটা কিছুটা বাড়বে। যার ভিতরে অর্থনীতির জন্য সুখবর লুকিয়ে থাকে। বিশদ

22nd  October, 2020
পুজো হোক, লকডাউনে থাকুক উৎসব
সন্দীপন বিশ্বাস

এবার আমাদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আমাদের জয়ী হতেই হবে। তাই এবারের পুজো হোক অন্য পরিবেশে, অন্য মানসিকতায়। বাড়িতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটু আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং টিভিতেই হোক ঠাকুরদেখা। বিশদ

21st  October, 2020
প্রতিবাদে মাথা নোয়ায় পর্বতও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 নোট বাতিল কিংবা জিএসটির ক্ষেত্রে যে ডোন্ট কেয়ার দাপট মোদি সরকার দেখিয়েছিল, তা আপাতত উধাও। সব ইস্যুতেই এখন বিরোধীদের চরম বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যা তাদের ‘একচ্ছত্র’ ইমেজে বড়সড় একটা দাগ! বিশদ

20th  October, 2020
বৃদ্ধি ছাড়াই সংস্কার
পি চিদম্বরম

একটা ব্যাপারে সবাই একমত হতে পারি যে, নিজের মত, নীতি ও কাজের প্রচারে কোনও শাসক দল এবং সরকার—বিজেপি অথবা মোদি সরকারের মতো সফল হয়নি। এবং, এই উদ্দেশ্যে তারা যে-কোনও পরিমাণ টাকা খরচ করবে, যত দরকার কাউকে উৎপীড়ন করবে, যতটা প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে হুমকির মুখে রাখবে এবং যে-কোনও প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখবে। অতিশয়োক্তিটা ওদের কাছে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।   বিশদ

19th  October, 2020
অনেক হারানোর পুজো
হিমাংশু সিংহ

পুজোর ছুটির একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকে। উৎসবের অনেক আগে থেকেই সেই গন্ধে ম ম করে বাংলার গাঁ গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্র। সেই গন্ধের সঙ্গে আগমনি মিশে তৈরি হয় অদ্ভুত ঘোর লাগানো একটা অপেক্ষার। মা আসছেন। বাঙালির অনেক না পাওয়া ক্ষতবিক্ষত জীবনে এর চেয়ে পরম প্রাপ্তির আর কিছুই হতে পারে না। সেই অপেক্ষার সঙ্গেই মিশে যায় বিদেশে কাজ করা দত্ত বাড়ির ছেলে, দূরে বিয়ে হওয়া পাশের বাড়ির হেমন্তদার মেয়ের ঘরে ফেরার খুশি। 
বিশদ

18th  October, 2020
করোনা রোখার মন্ত্র ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’ 
তন্ময় মল্লিক

করোনা মোকাবিলায় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলার ও মাস্ককে জীবনসঙ্গী করার পরামর্শ হচ্ছে উপেক্ষিত। সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ। সকলের নজর সেই দিকেই। তাতে সাহসী হচ্ছে মানুষ। বাড়ছে বেপরোয়া ভাব। এগিয়ে আসছে বাংলার ভোট। প্রকট হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষমতা দখলের বাসনা। করোনার মধ্যেও ইস্যু পেলেই আন্দোলন। না থাকলে তৈরির চেষ্টা। অভিমুখ রাজ্যপাট। তাই কথায় কথায় মিছিল আর লড়াই।  
বিশদ

17th  October, 2020
অতিরিক্ত দিল্লি নির্ভরতাই বঙ্গ-বিজেপির সঙ্কট
সমৃদ্ধ দত্ত

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মতো ঝোড়ো আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেননি আর কেউই। সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু-স্রোত। এই সঙ্কটের মধ্যেই তাঁকে কাজ করতে হয়েছে। তাঁকে অভীধা দেওয়া হয় বাংলার রূপকার। কিন্তু ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ছিল, তিনি কৃষিকে অবহেলা করেছেন। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে তিনি যতটা উন্নতিসাধন করেছিলেন শিল্পে, সেই তুলনায় কৃষির উন্নয়ন কম হয়েছে।  
বিশদ

16th  October, 2020
ষড়যন্ত্রের তত্ত্বে সব ব্যর্থতা ঢাকা যায় না 
সন্দীপন বিশ্বাস

ব্যর্থতার এক একটি মাইলস্টোন স্থাপন করতে করতে ক্রমেই অতল খাদের দিকে এগিয়ে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অ্যান্ড কোম্পানি। অনেকেই অবশ্য মানবেন না যে খাদটা অতল। কেননা ভোটের এখনও অনেকদিন বাকি। কিন্তু তাঁর জনপ্রিয়তার প্রতিদিনই পতন হচ্ছে। সেটা তিনি নিজেও বোঝেন। তাই ইদানীং ছাতি বাজানো, তালি বাজানো বন্ধ করে দিয়েছেন। চেষ্টা করছেন, নানা রকম ভুজুং ভাজুং দিয়ে হারানো গৌরব উদ্ধার করতে।  
বিশদ

14th  October, 2020
একনজরে
ট্যুইটারে লাদাখকে চীনের অংশ হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এনিয়ে ভারতের যৌথ সংসদীয় কমিটির প্রশ্নের মুখে ট্যুইটার ইন্ডিয়া। তাদের তরফে বিষয়টি নিয়ে এই মাইক্রোব্লগিং সাইট কর্তৃপক্ষের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়। যার উত্তরে সংশ্লিষ্ট কমিটিকে ট্যুইটার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, এ ব্যাপারে তারা ভারতের ...

করোনা আবহেও লক্ষ্মীর আরাধনার বাজেটে খামতি পড়েনি। এমনকী বাইরে থেকে চাঁদা আদায়ও নয়। গ্রামবাসীরাই বছরভর মাটির ভাঁড়ে যে টাকা জমিয়েছেন, তাতেই হচ্ছে পুজোর আয়োজন। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ভুয়ো ভাউচার ছাপিয়ে ময়নার শ্রীকণ্ঠা সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি থেকে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগ উঠল সমিতির ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। গত ১৭ অক্টোবর সমবায় সমিতির সম্পাদক সুবোধচন্দ্র মাইতি ম্যানেজার সোমনাথ দাসের বিরুদ্ধে ময়না থানায় এফআইআর করেছেন।   ...

‘দরওয়াজা বন্ধ’ করেই অনুশীলন করাতে পছন্দ করেন এটিকে মোহন বাগানের হেডস্যার আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। গতবার সল্টলেক স্টেডিয়ামের সংলগ্ন প্র্যাকটিস মাঠে এরকমই চিত্র দেখা গিয়েছিল। এবার গোয়াতে আইএসএলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রণয়-প্রবীররা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব আছে। কর্মরতদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস
১৯৬৯: ইন্টারনেটের আগের স্তর আরপানেটের আবিষ্কার
১৯৭১: অস্ট্রেলিয় ক্রিকেটার ম্যাথু হেডের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রীমা সেনের জন্ম
১৯৮৫: বক্সার বিজেন্দর সিংয়ের জন্ম
১৯৮৮: সমাজ সংস্কারক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৯: ওড়িশায় ঘূর্ণিঝড়ে কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু
২০০৫: দিল্লিতে পরপর তিনটি বিস্ফোরণে অন্তত ৬২জনের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৪৭ টাকা ৯৭.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৫.২৮ টাকা ৮৮.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫১,৮১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৯,৮৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী ২৩/৫২ দিবা ৩/১৬। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র ১৫/৪১ দিবা ১২/০। সূর্যোদয় ৫/৪৩/১৬, সূর্যাস্ত ৪/৫৭/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৩ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১০ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।
১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী দিবা ৩/২১। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র দিবা ১/১২। সূর্যোদয় ৫/৪৪, সূর্যাস্ত ৪/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৮ মধ্যে ও ১/১১ গতে ২/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ৩/১৪ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৫/৪৫ মধ্যে। কালবেলা ২/১০ গতে ৪/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৭ মধ্যে।
১১ রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: কেকেআর-কে ৬ উইকেটে হারাল সিএসকে 

11:14:20 PM

আইপিএল: চেন্নাই ১২১/৩ (১৫ ওভার) 

10:43:26 PM

আইপিএল: চেন্নাই ৮৮/১ (১১ ওভার) 

10:19:05 PM

আইপিএল: চেন্নাই ৩৭/০ (৫ ওভার) 

09:51:13 PM

আইপিএল: চেন্নাইকে ১৭৩ রানের টার্গেট দিল কেকেআর 

09:10:38 PM

আইপিএল: কেকেআর ১২৫/৩ (১৬ ওভার) 

08:47:27 PM