Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কৈলাসে ফিরতে
মন চাইবে না মা
হারাধন চৌধুরী

এই বঙ্গদেশ গঙ্গাবিধৌত। গঙ্গা আমাদের পুরো সত্তা জুড়ে। আমাদের আত্মার আত্মা গঙ্গা। আচমন থেকে বিসর্জন সবই আমাদের গঙ্গাজলে। মৃন্ময়ী মূর্তি থেকে চিন্ময়ী মা—সবারই জন্য অভিন্ন নিয়ম। অতএব গঙ্গাপুজো গঙ্গাজলেই সেরে নেওয়া যাক। এ আমাদের অভ্যাসের অঙ্গ। পাপ নয়, বরং পুণ্য। পুজোর কথা ঠাকুরের মুখ দিয়েই বলিয়ে নিই। বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। বঙ্গজীবনে সেই জননীর মাহাত্ম্য বিচারেও রবিঠাকুরের বিকল্প রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আসুন তাঁর উপলব্ধির চোখ দিয়েই দেখি দেবীকে—‘‘মাটির কন্যার আগমনী গান এই তো সেদিন বাজিল। মেঘের নন্দীভৃঙ্গী শিঙা বাজাইতে বাজাইতে গৌরী শারদাকে এই কিছুদিন হইল ধরা-জননীর কোলে রাখিয়া গেছে। কিন্তু বিজয়ার গান বাজিতে আর তো দেরি নাই; শ্মশানবাসী পাগলটা এল বলিয়া, ...’’।
সত্যিই তাই। ‘‘বাজল তোমার আলোর বেণু ...’’ বলে মাকে আবাহন করার দিন কয়েকের ভিতরেই নবমীনিশি পোহানোর ব্যস্ততা, তাঁর বিদায়ের তোড়জোড় আমাদের পীড়া দেয়। দিকে দিকে বিজয়ার বাজনা বেজে ওঠে। মায়ের শ্মশানবাসী পাগল স্বামীটার যেন উমাকে ফিরিয়ে নেওয়ার তর সয় না। আর তিনি একবার চাইলে মাকে ফিরিয়ে না-দেওয়ার জো কোথায় মর্ত্যবাসীর! মেনকাও প্রতিবার প্রার্থনা করেন গিরিরাজপ্রাসাদ যেন আরও কিছুক্ষণ আলোকিত থাকে। দেবী উষার কাছে মেনকা করজোড়ে প্রার্থনা করেছিলেন, নবমীনিশি যেন এত তাড়াতাড়ি না-পোহায়, কন্যার বিদায়বেলা যেন আর একটু পিছিয়ে যায়। কিন্তু উষাও আশাহত করেন মেনকাকে—যথাসময়ে দশমীর ভোর উঁকি দেয়। তবুও মায়ের চেষ্টার অন্ত থাকে না। সখী বিজয়াকে মেনকা নির্দেশ দেন, হরকে সাফ বলে দাও, উমাকে এখনই পাঠানো যাবে না—‘‘জয়া বলো গো, পাঠানো হবে না,/ হর মায়ের বেদন কেমন জানে না।’’
আমরা জানি, মেনকার ভিতর দিয়ে আমাদের মতো কোটি কোটি সন্তানের এমন প্রার্থনা কখনওই মঞ্জুর হয় না। মাদুর্গা তিথি নক্ষত্র মেনেই পতিগৃহে ফিরে যান। নীলকণ্ঠ পাখিটাও পাগলা শিবের এমন ন্যাওটা যে শত শত মাইল পাড়ি দেয় উমার ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি সংবাদ নিয়ে। হরও তিথি নক্ষত্র মেনে গিরিরাজপ্রাসাদে হাজির হন দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে।
অন্যদিকে, মায়ের বিদায়ের অনুভব আমাদের দুঃখিত, ব্যথিত করে। কিন্তু আমরা ভুলে যাই, এই দিনেই মাদুর্গা অশুভশক্তির বিরুদ্ধে বিজয়িনী হয়েছিলেন। মহিষাসুরের সঙ্গে ন’দিন ন’রাত্রি যুদ্ধ করে মাদুর্গা বিজয় লাভ করেছিলেন। মাটির পৃথিবীতে শুভশক্তির প্রতিষ্ঠা করে দেওয়ার পর তাঁর আপাতত কীই-বা করার থাকে। তাঁকে তো ফিরে যেতেই হয় শিবলোকে, তিনি যে সময়মতো ফিরে যাওয়ারই কথা দিয়ে এসেছেন কৈলাসপতিকে।
মহাকবি দেখেছেন—‘‘হাসির চন্দ্রকলা তার ললাটে লাগিয়া আছে, কিন্তু তার জটায় জটায় কান্নার মন্দাকিনী। ... আমাদের শরতে আগমনীটাই ধুয়া। সেই ধুয়াতেই বিজয়ার গানের মধ্যেও উৎসবের তান লাগিল।’’
বিচ্ছেদ-বেদনার ভিতরেও আমরা সান্ত্বনা খুঁজে নিই—‘‘বারে বারে নূতন করিয়া ফিরিয়া আসিবে বলিয়াই চলিয়া যায়, তাই ধরার আঙিনায় আগমনী-গানের অন্ত নাই। যে লইয়া যায় সেই আবার ফিরাইয়া আনে। তাই সকল উৎসবের মধ্যে বড়ো উৎসব এই হারাইয়া পাওয়ার উৎসব।’’
অন্যদিকে, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ব্যাখ্যা করেছেন, মাটির পৃথিবীর সঙ্গে, এখানকার সন্তানদের সঙ্গে মাদুর্গার বাস্তবে কোনও বিচ্ছেদই হয় না। তিনি সাকার রূপে পুজো নিয়ে নিরাকার রূপে কৈলাসে ফিরে যান। তাঁর সাবেক সাকার মূর্তিটাই আমাদের ঘিরে থাকে, আচ্ছন্ন করে রাখে।  
মা আসলে আমাদের মধ্যে রয়ে যান সর্বক্ষণের জন্যে। আমাদের সুখ-দুঃখের সাথী হিসেবে। বিশেষ করে দুঃখের ভার সমানভাবে গ্রহণের জন্য। এই যে দুঃসহ দু’হাজার বিশ সাল। আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে, এই সালের বিষবৎ ভার মায়ের জন্যেও সমান। তিনি স্বয়ংপ্রকাশিতা হয়ে, আমাদের সঙ্গে থেকে, আমাদের সবার যন্ত্রণা প্রত্যক্ষ করলেন। এই অপরিমেয় দুঃখনিবারণের উপায় তিনিই সাজাচ্ছেন নিজের হাতে।
ফের মায়েরই উপর ভরসা রাখি। তাঁকে পুরো একটা বছর আমরা সময় দেব। তিনি আমাদের সংবৎসরের প্রয়োজন গোছাতে থাকুন। চাল ডাল তেল নুন বস্ত্র ওষুধপথ্য-সহ সবকিছু। আশা করি, সেসব দিয়ে আগামী পুজোর আগেই আমাদের পুরো পৃথিবী গুছিয়ে নিতে পারবে। আমরা প্রস্তুত হয়ে যাব অন্যবারের মতো। সাকার মাকে মণ্ডপে মণ্ডপে সাজাব মহাসমারোহে। আগামীবারের উৎসব হবে সত্যিকারের উৎসব যেমন হয়, কোনওভাবেই এবারের মতো নয়। কাছে পেয়েও সন্তানরা মাকে কাছে পাইনি। অদ্ভুত এক দূরত্ব রেখে দিতে বাধ্য হয়েছি আমরা। মাও কোনওরকম প্ররোচনা দেননি। পাছে আমাদের স্বাস্থ্যবিধির আগল খুলে যায়, আমরা বড় কোনও ভুল করে বসি। পুজোর আয়োজন থেকে অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতাই বজায় রয়ে গেল বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়ে।
আলিঙ্গন বা কোলাকুলি থেকে দূরে রইলাম সকল বন্ধু প্রিয়জন। দূর থেকে নমস্কার সারলাম কিংবা সমস্ত প্রীতি শুভেচ্ছা ভালোবাসা নিয়ে প্রবেশ করলাম ভার্চুয়াল দুনিয়ায়। চিঠি লেখার সংস্কৃতিকে আগেই বিদায় জানিয়েছি আমরা। গুরুজনদের পা ছুঁয়ে প্রণাম এবং প্রিয়জনদের আলিঙ্গন করার যে রীতিটা বাঁচাতে পেরেছিলাম, সেটাকেও এবার মুলতুবি রাখতে বাধ্য হয়েছি আমরা। না-মরে বেঁচে থাকা কাকে বলে—আমাদের দেখে জেনে গেছ মা নিশ্চয়। তেমনি পুজো করেও পুজো না-করার বছর গেল যে এবার আমাদের! এই দুঃস্বপ্নের কালের চিরনির্বাসন হোক পশ্চাতের করাল গর্ভে।
মাদুর্গার কাছে আমাদের প্রার্থনা—আগামীবার তোমার চিরকালীন আটপৌরে রূপেই ফিরে এসো মা। তোমার কোলে, তোমার আঁচলতলে মাথা রাখার মতো করে পেতে চাই তোমাকে, ফের। তোমাকে এইভাবে না-পেলে যে আমাদের কোনও সুখই সুখ বলে অনুভব হয় না। শত সুখও বিষাদের চাদের ঢাকা পড়ে যায়। চেনা রূপেই এসো মা, আমরা তার ভিতরেই আমাদের ষড়ঋতুর, সারা বছরের আলো, অপার সুখ খুঁজে নেব। তোমার আসা-যাওয়ার নিয়মে এবারের মতো অবাঞ্ছিত বৈচিত্র চাই না মা। এবার বিষাদময় যে ঘর নিজের চর্মচক্ষে দেখে গেলে, আমাদের, তাতে সবচেয়ে মজবুত তালাটা তুমি নিজের হাতে দিয়ো, চিরতরের জন্যে।
আমাদের পাশে থেকো মা। তোমাকে কথা দিচ্ছি, আগামীবার এসে দেখবে—আমাদের এই পৃথিবীর সমস্ত অসুখ সেরে গেছে। আমাদের কারও মধ্যে ছোঁয়াছুঁয়ির ভয় নেই, কোনওরকম ছুঁৎমার্গ নেই। আমরা সবাই আগের মতো চঞ্চল, কর্মচঞ্চল। নদীর প্রবল স্রোত বা পাহাড়ি ঝরনাধারার সামনে যেমন কোনও বাঁধই যথেষ্ট নয়, তেমনি আমাদেরকেও কেউ রুখতে পারছে না। শিক্ষায়-গবেষণায়, ব্যবসায়-বাণিজ্যে, অর্থে-সম্পদে, খেলাধুলোয়, শিল্পে-কলায়, সাহিত্যে-সঙ্গীতে, রাজনীতিতে-রাষ্ট্রপরিচালনায়, জনচেতনায়-জনকল্যাণে, প্রেমে-ভালোবাসায়—সব সবদিকে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনে অগ্রণী। এখন থেকেই ভাবো তো মা, তাহলে আগামীবার তোমাকে আমরা আরও কত সুন্দরভাবে বরণ করে নিতে পারব। তোমাকে নিয়ে আমাদের আনন্দ উচ্ছ্বাস হবে সমস্তরকমে বাঁধন ছেঁড়া। তোমার জন্য আগমনি গান লেখা হবে নতুন উৎসাহে। দেখে নিয়ো মাদুগ্গা, আগামীবার পাগলা শিবের হাজার জোরাজুরি সত্ত্বেও পতিগৃহে ফিরে যেতে মন চাইবে না তোমার। একটুও না। এই মাটির পৃথিবী কৈলাসের অধিক মায়া ফেলে দেবে তোমার মনের আনাচে-কানাচে।
29th  October, 2020
প্রতিষ্ঠানের থেকে বড় কেউ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। যার নেপথ্যে রয়েছে সংগ্রামী অতীত। তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশদ

ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

30th  November, 2020
আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। বিশদ

28th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন। ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? 
বিশদ

20th  November, 2020
একনজরে
পোষ্য মেজরের সঙ্গে খেলতে গিয়ে পড়ে গিয়ে পায়ের হাড়ে চিড় ধরল জো বাইডেনের। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ক্ষত সারাতে বেশ কয়েক সপ্তাহ বিশেষ জুতো পরতে হবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট বাইডনেকে। ...

নবম শিখ গুরু তেগবাহাদুরের ৪০০তম জন্মবার্ষিকী ধুমধাম সহকারে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। বিভিন্ন কর্মসূচি শুরু হবে ৩১ জানুয়ারি। এগুলির সফল রূপায়ণের জন্য জাতীয় স্তরে ...

ওয়ান্ডা মেট্রোপলিটানোয় খেলা হলেও বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে আতলেতিকো মাদ্রিদকে এগিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চলতি মরশুমে জার্মান ক্লাবটি অনবদ্য ছন্দে রয়েছে। ...

দুর্গাপুর এক্সপ্রেস ওয়ের উপর দিয়ে প্রতিদিন সরকারি, বেসরকারি শয়ে শয়ে বাস যাতায়াত করে। পুরুলিয়া থেকে কলকাতা যাওয়া বা দীঘা থেকে দুর্গাপুর আসা, ওই সড়কে এসবিএসটিসির ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব এইডস দিবস
১৭৬১: মাদাম তুসো জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ম্যারি তুসোর জন্ম
১৯৩২:  ঔপন্যাসিক, কল্পবিজ্ঞান লেখক ও সম্পাদক অদ্রীশ বর্ধনের জন্ম
১৯৪১: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণে চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেন জাপানের সম্রাট হিরোহিতো
১৯৫৪: সমাজকর্মী মেধা পাটেকরের জন্ম
১৯৬৩: ভারতের ১৬তম রাজ্য হিসাবে ঘোষিত হল নাগাল্যাণ্ড
১৯৬৫: প্রতিষ্ঠিত হল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)
১৯৭৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী সুচেতা কৃপালিনীর মৃত্যু
১৯৮০: ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফের জন্ম
১৯৯৭: বিহারের লক্ষ্মণপুর-বাথে অঞ্চলে ৬৩জন নিম্নবর্গীয়কে খুন করল রণবীর সেনা
১৯৯৯: গায়ক শান্তিদেব ঘোষের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০০ টাকা ৭৪.৭১ টাকা
পাউন্ড ৯৭.০৯ টাকা ১০০.৪৮ টাকা
ইউরো ৮৬.৫১ টাকা ৮৯.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  November, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৯,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৯,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০, প্রতিপদ ২৭/১ অপঃ ৪/৫২। রোহিণী নক্ষত্র ৬/৩১ দিবা ৮/৩১। সূর্যোদয় ৬/৪/২, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/২০। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৭/২৮ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১২ গতে ১১/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/৩৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে পুনঃ ৫/৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০, প্রতিপদ দিবা ৩/৫৭। রোহিণী নক্ষত্র দিবা ৮/৩৯। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৬ গতে ৮/৪৬ মধ্যে ও ১২/৪৭ গতে ২/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৭ মধ্যে। 
১৫ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৬৭ বছরের নীচে প্লাজমা প্রয়োগে ইতিবাচক ফল
রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্লাজমা থেরাপিতে যথেষ্ট ইতিবাচক ফল মিলেছে। সদ্য ...বিশদ

30-11-2020 - 09:58:34 PM

ডেঙ্গু রোধে নিকাশি নালাগুলি সংস্কারের নির্দেশ মুখ্যসচিবের
ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া রোধে আজ সোমবার নবান্নে সেচ, পুর নগরোন্নয়ন ...বিশদ

30-11-2020 - 09:57:00 PM

রাজ্যে করোনা জয়ীর সংখ্যা ৪.৫০ লক্ষ ছাড়াল
বাংলায় দৈনিক করোনা সংক্রমণের গ্রাফ নিম্নমূখী।  গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ...বিশদ

30-11-2020 - 09:21:04 PM

 কাশি বিশ্বনাথ মন্দিরে পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

30-11-2020 - 05:29:50 PM

সুতাহাটায় শিক্ষিকার গলা কাটা দেহ উদ্ধার 
সোমবার বিকেলে সুতাহাটার চৈতন্যপুরে এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকার গলা কাটা দেহ ...বিশদ

30-11-2020 - 05:26:01 PM

জো বাইডেন সরকারে আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত 
আমেরিকার জো বাইডেন সরকারে অংশ নিতে চলেছেন আরও এক ভারতীয় ...বিশদ

30-11-2020 - 05:20:24 PM