Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মূকরাই সরব হবেন যথাসময়ে
পি চিদম্বরম

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যে পৃথিবী বিপুলভাবে সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠেছে সেখানে দরিদ্র বা গরিব রয়ে যাওয়াটা এক দুর্ভাগ্য। একটা দরিদ্র দেশে দরিদ্র থাকাটা গণতন্ত্রের ব্যর্থতা। আর একটা গরিব দেশের গরিব রাজ্যে দরিদ্র থেকে গেলে তাকে রাজনীতির অভিশাপ মানতে হবে। 
বিহার রাজ্যের গড়পড়তা নাগরিকরা দুর্ভাগ্যের শিকার—এটা একইসঙ্গে গণতন্ত্রের ব্যর্থতা এবং রাজনীতির অভিশাপ। সৌভাগ্যের ভবিষ্যতে প্রবেশের সুযোগ এখন বিহারের সামনে, এমাসেই তাদের বিধানসভার ভোট শুরু হচ্ছে। তাদের সামনে চারটে চয়েস: (এক) জেডিইউ, বিজেপি ও এইচএএম-কে নিয়ে এনডিএ। (দুই) আরজেডি, কংগ্রেস, সিপিআই, সিপিএম, সিপিআই (এমএল) প্রভৃতিকে নিয়ে মহাগাটবন্ধন। (তিন) এলজেপি (পাসোয়ান)। আর চার নম্বর হল ছোট ছোট পার্টিগুলোকে নিয়ে আর একটা কোয়ালিশন। 
 বিহারের দারিদ্র্য
বিহার কতটা দরিদ্র? কিছু পরিমাপক বা মেট্রিকের দিকে তাকানো যাক। বর্তমান মূল্যমানে ২০১৯-২০-তে ভারতের নিট মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ ছিল ১,৩৪,২২৬ টাকা। এই অঙ্কটা বিহারের ক্ষেত্রে ছিল মাত্র ৪৬,৬৬৪ টাকা। অর্থাৎ জাতীয় গড়ের তিনভাগের একভাগ—সব রাজ্যের নীচে! মাসিক ৩,৮৮৮ টাকা আয়ে একজন বিহারবাসীর পক্ষে পর্যাপ্ত খাদ্য, বস্ত্র ও ভদ্রস্থ বাসস্থানের বন্দোবস্ত করা সম্ভব হয় না। (ভারতের মধ্যে চূড়ান্ত বৈষম্যের এই রাজ্যের বিশাল সংখ্যক মানুষের আয় গড় আয়ের নীচে।) 
কৃষকরা অত্যন্ত দুর্দশার মধ্যে রয়েছেন। সারা ভারতের রাজ্যগুলো মিলিয়ে কৃষির জন্য গড়ে ৭.১ শতাংশ খরচ করে। সেখানে বিহারে কৃষির জন্য ব্যয় বরাদ্দ হয় ৩.৫ শতাংশ—দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন। বিহারের ৪২.৫ শতাংশ কৃষক পরিবার ঋণগ্রস্ত। সংখ্যাটা প্রান্তিক কৃষকদের ক্ষেত্রে ৮৬.৭ শতাংশ। বিহারের এপিএমসি আইন বাতিল করা হয়েছে এবং বিহার রাজ্য নিজেকে শস্যবিমার স্কিমের (পিএমএফবিওয়াই) বাইরে রেখেছে। ২০১৯-এর ফেব্রুয়ারি, অর্থাৎ কোভিডের ধাক্কা আসার আগে থেকে বিহারে বেকারত্বের হার ১০ শতাংশ—সংখ্যাটা যুব শ্রেণীর মধ্যে ৫৫ শতাংশ। কর্মরতদের মধ্যে ৮৭ শতাংশের আয় বা বেতন নিয়মিত নয়। ২ কোটি পরিবার ১০০ দিনের কাজে (এমজিএনআরইজিএ) নাম লিখিয়ে কাজ পেয়েছে মাত্র ৩৬.৫ শতাংশ। 
 উত্তরাধিকার অমান্য করা হয়েছে
স্বাধীনতার সময় রাজ্যটার একটা দৃঢ়  প্রশাসনিক কাঠামো, সৎ ও প্রগতিশীল নেতৃত্ব ছিল। আর ছিল সিভিল সার্ভেন্টদের একটা ইস্পাতকঠিন তুল্য কাঠামো। প্রবাহিত গঙ্গা দক্ষিণ বিহারকে ভারতের সবচেয়ে উর্বর ভূমির একটা হিসেবে গড়ে দিয়েছে। শুরুতেই ভূমিসংস্কার, জমিদারি প্রথার উচ্ছেদ এবং ভূমিহীনদের মধ্যে তার বণ্টন—এসব ছিল বিহারের জন্য ‘সিগন্যাল অ্যাচিভেমন্ট’ (একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছিল জম্মু ও কাশ্মীর)। সুশিক্ষার বীজ বপন করেছিলেন মিশনারিরা। সবার উপরে হল বিহারের কঠোর পরিশ্রমী ও প্রাণবন্ত কর্মী বাহিনী। (এমনকী আজকের দিনেও, ফসল কাটার শ্রমিক এবং নির্মাণ শ্রমিকের পর বিহারী পরিযায়ী পুরুষ শ্রমিকদের সবচেয়ে বেশি কদর।)
গত তিরিশ বছরে সবকিছুই নাটকীয়ভাবে পাল্টে গিয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে নীতীশ কুমারের ১৫ বছরের (তাঁরই কারণে ২৭৮ দিনের একটা ‘ব্রেক’ ধরে নিয়ে) জমানা। এই সমস্ত মন্দের মূলে কুশাসন। ২০১১-১২ এবং ২০১৮-১৯ সালের ভিতরে বিহারে জিডিপির গড়পড়তা বৃদ্ধির হার ছিল ৬.৬ শতাংশ, অথচ ওইসময়ে মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (জিডিপি) বৃদ্ধির জাতীয় হারটি ছিল গড়ে ৭.৭৩ শতাংশ। ২০০৫ থেকে ২০১৯-এর ভিতরে বিহার রাজ্যের ঋণের পরিমাণ ৪৩,১৮৩ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১,৬১,৯৮০ কোটি টাকা। সিএজির একটা রিপোর্ট বলছে, ‘নতুন’ ঋণের ৮৫ শতাংশ খরচ হয়ে যায় পুরনো ঋণের সুদ-আসল মেটাতে। নিজস্ব যৎসামান্য সম্পদ, সামান্য ঋণ এবং একটা দুর্বল-বিশৃঙ্খল প্রশাসনিক কাঠামোর কারণে বিহারের মূলধনী ব্যয়ের পরিমাণও সামান্য এবং নতুন নিয়মিত আয়ের চাকরির সুযোগও সামান্য। 
পরিণাম হল—ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য। নীতি আয়োগের পর্যবেক্ষণ বলছে যে, ২০১৮-১৯ সালে বিহারের দারিদ্র্য অনুপাত বেড়ে ৫৫ শতাংশ হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে একজন দরিদ্র বিহারবাসী কী করবেন? কাজের খোঁজে তিনি দূরে কোথাও পাড়ি দেন, প্রায়ই সপরিবারে। মানুষের ইতিহাসের এই দুঃখের অধ্যায়টা আমরা কেউই ভুলিনি, লাখে লাখে নিরাশ্রয়, ভুখা শ্রমিক কয়েকশো কিমি হেঁটেছিলেন বিহার ও উত্তপ্রদেশের শহর অথবা গ্রামের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার জন্যে। সৌজন্যে ২৪ মার্চ, ২০২০ তারিখের আচমকা সম্পূর্ণ লকডাউন। তাঁদের একটাই করুণ আর্তি ছিল, ‘মরতে হলে আমরা নিজের জনদের কাছেই ফিরে গিয়ে মরব।’ 
 ভোটের মাধ্যমে অযোগ্যের বিদায়
এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, বিহারের মানুষ নীতীশ কুমারের ‘পক্ষে’ অথবা ‘বিরুদ্ধে’ ভোট দেবেন। নীতীশ কুমার হলেন জে পি মুভমেন্টের (জয়প্রকাশ নারায়ণের বিখ্যাত আন্দোলন) ফসল এবং তিনি একজন সমাজতান্ত্রিকও বটেন। তাঁর সম্পর্কে এটাই বিশ্বাস ছিল যে তিনি আদ্যপান্ত ‘সেকুলার’ এবং নরেন্দ্র মোদির উত্থান রুখতে লড়াই করবেন। তিনি যখন প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন, মানুষ ভেবেছিল যে আইনশৃঙ্খলার শাসন ফিরবে এবং সত্যিকার উন্নয়নে তিনি মনোনিবেশ করবেন। 
২০১৭ সালে গিয়ে সব পাল্টে গেল, যখন মোদিজির বিরোধিতার লাইন নীতীশ কুমার ত্যাগ করলেন, আরজেডির সঙ্গে জোট সরকার ভেঙে দিলেন, বিজেপির সঙ্গে হাত মেলালেন, ওইসময় বিহারে এনডিএ সরকারের শীর্ষনেতা হিসেবে মুখ্যমন্ত্রিত্বেও বহাল রইলেন। তখন থেকে নীতীশ কুমার নিজেকে চিনিয়ে দিলেন এইভাবে—তিনি বিহারের মানুষের যত না কাছের, তার চেয়ে অনেক বেশি নরেন্দ্র মোদির কাছের মানুষ—গদি টিকিয়ে রাখতেই তাঁকে এটা করতে হয়েছে। এটাও মানুষ ক্ষমা করে দিতে পারত যদি তাঁর প্রশাসন বিহার রাজ্যের অর্থনীতিকে কয়েক ধাপ উঁচুতে তুলে নিয়ে যেতে পারত। সেটা তো হয়ইনি, উল্টে, রাজ্যটা আরও নেমে গিয়েছে। 
এমনকী, বিহারের আইনশৃঙ্খলাকেও নীতীশ কুমার চাঙ্গা করতে পারেননি। ২০০৫ থেকে ২১০৯-এর মধ্যে শাস্তিযোগ্য অপরাধের হার ১৫৭ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। বিহারে দৈনিক গড়ে যত অপরাধের কেস নথিভুক্ত হচ্ছে  তার ভিতরে ৫১টি মহিলাদের বিরুদ্ধে, ১৮টি দলিতদের বিরুদ্ধে এবং ৪টি ধর্ষণ সংক্রান্ত। 
অব্যাহত দারিদ্র্য এবং বেড়ে চলা অপরাধ বিহারের মানুষকে মূক করে রেখেছে। তারা অবশ্যই মুখ খুলবে এবং শাসকের বিরুদ্ধে  ভোট দেবে, অন্য দল বা জোটের হাতে শাসনভার তুলে দেবে—যে সরকার ভদ্রস্থ ও দক্ষ প্রশাসন দিতে ব্যর্থ হবে তাকেই নির্বাচনের মাধ্যমে বিদায় জানাবার হুঁশিয়ারি  থাকবে। ভোটের মাধ্যমে অপছন্দের অযোগ্যকে উৎখাত করার হুঁশিয়ারিটাই হল ভোটারদের আসল ক্ষমতা। ২০২০ হল এর সূচনাকাল।
 লেখক সংসদ সদস্য ও ভারতের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। মতামত ব্যক্তিগত
28th  October, 2020
কৈলাসে ফিরতে
মন চাইবে না মা
হারাধন চৌধুরী

আমাদের পাশে থেকো মা। তোমাকে কথা দিচ্ছি, আগামীবার এসে দেখবে—আমাদের এই পৃথিবীর সমস্ত অসুখ সেরে গেছে। আমাদের কারও মধ্যে ছোঁয়াছুঁয়ির ভয় নেই, কোনওরকম ছুঁৎমার্গ নেই। বিশদ

বিহারের ভোটে অনেক পাখি মারার ছক মোদির
সন্দীপন বিশ্বাস

২০১৫ সালে বিহার বিধানসভার নির্বাচনের খবর করতে গিয়ে দেখেছিলাম, বিজেপি সেখানে কী পরিমাণ টাকা ঢেলেছিল। সমস্তিপুর, বেগুসরাই, জামুই, ভাগলপুর, মুঙ্গের, খাগাড়িয়া, লক্ষ্মীসরাই ঘুরে দেখেছিলাম, পতাকা, ফেস্টুন, ফ্লেক্স দিয়ে বিজেপি শহর মুড়ে দিয়েছে। বিশদ

28th  October, 2020
উৎসব এবার চেতনার
মৃণালকান্তি দাস 

মন খারাপ। খুব মন খারাপ। সব আছে। অথচ কী যেন নেই! জীবনটা যেন এখন লুডোর গুটি। রোজ শুধু ওঠা-নামার খেলা। সবসময় মনে আতঙ্ক। যত না সংক্রমণে তার থেকে অনেক বেশি প্রিয়জনের থেকে দূরে চলে যাওয়ার। সেই নীলকণ্ঠ পাখিটা উড়ে গিয়েছে অজানা কোন অচিনপুরে। কিন্তু এই দুঃসময়েও মানুষ আগামীদিনের সুদিনের জন্য বুক বাঁধে। তাই তো এবারও মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পুজোর তোড়জোড়।   বিশদ

23rd  October, 2020
বেদ, পুরাণে বন্দিতা মহামায়া দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

 একদা দেবাসুর-সংগ্রামে ব্রহ্মশক্তির প্রেরণায় জয় হল দেবতাদের। একে বিজয় মহিমা মনে করে অগ্নি, বায়ু, বরুণ ও চন্দ্র এই চার দেবতা অহংকৃত ও গৌরবান্বিত হন। তাঁদের মুখমণ্ডলে কর্তৃত্বের পরিতৃপ্তি। বলদর্পে আচ্ছন্ন হয়ে সেই অমরবৃন্দ ভুলে গেলেন ব্রহ্মশক্তির কথা, যাঁর শক্তি ও অনুকম্পায় তাঁরা এতকাল শক্তিমান। বিশদ

22nd  October, 2020
বাৎসরিক আয়ু ক্রয়ের হাট
হারাধন চৌধুরী

 এবার পুজো হওয়াটা জরুরি। নিয়মরক্ষার হলেও। অন্যথায়, বাঙালি আরও বিষাদে ডুবে যাবে। উৎসব হলে মানুষের কেনাকাটা কিছুটা বাড়বে। যার ভিতরে অর্থনীতির জন্য সুখবর লুকিয়ে থাকে। বিশদ

22nd  October, 2020
পুজো হোক, লকডাউনে থাকুক উৎসব
সন্দীপন বিশ্বাস

এবার আমাদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আমাদের জয়ী হতেই হবে। তাই এবারের পুজো হোক অন্য পরিবেশে, অন্য মানসিকতায়। বাড়িতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটু আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং টিভিতেই হোক ঠাকুরদেখা। বিশদ

21st  October, 2020
প্রতিবাদে মাথা নোয়ায় পর্বতও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 নোট বাতিল কিংবা জিএসটির ক্ষেত্রে যে ডোন্ট কেয়ার দাপট মোদি সরকার দেখিয়েছিল, তা আপাতত উধাও। সব ইস্যুতেই এখন বিরোধীদের চরম বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যা তাদের ‘একচ্ছত্র’ ইমেজে বড়সড় একটা দাগ! বিশদ

20th  October, 2020
বৃদ্ধি ছাড়াই সংস্কার
পি চিদম্বরম

একটা ব্যাপারে সবাই একমত হতে পারি যে, নিজের মত, নীতি ও কাজের প্রচারে কোনও শাসক দল এবং সরকার—বিজেপি অথবা মোদি সরকারের মতো সফল হয়নি। এবং, এই উদ্দেশ্যে তারা যে-কোনও পরিমাণ টাকা খরচ করবে, যত দরকার কাউকে উৎপীড়ন করবে, যতটা প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে হুমকির মুখে রাখবে এবং যে-কোনও প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখবে। অতিশয়োক্তিটা ওদের কাছে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।   বিশদ

19th  October, 2020
অনেক হারানোর পুজো
হিমাংশু সিংহ

পুজোর ছুটির একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকে। উৎসবের অনেক আগে থেকেই সেই গন্ধে ম ম করে বাংলার গাঁ গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্র। সেই গন্ধের সঙ্গে আগমনি মিশে তৈরি হয় অদ্ভুত ঘোর লাগানো একটা অপেক্ষার। মা আসছেন। বাঙালির অনেক না পাওয়া ক্ষতবিক্ষত জীবনে এর চেয়ে পরম প্রাপ্তির আর কিছুই হতে পারে না। সেই অপেক্ষার সঙ্গেই মিশে যায় বিদেশে কাজ করা দত্ত বাড়ির ছেলে, দূরে বিয়ে হওয়া পাশের বাড়ির হেমন্তদার মেয়ের ঘরে ফেরার খুশি। 
বিশদ

18th  October, 2020
করোনা রোখার মন্ত্র ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’ 
তন্ময় মল্লিক

করোনা মোকাবিলায় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলার ও মাস্ককে জীবনসঙ্গী করার পরামর্শ হচ্ছে উপেক্ষিত। সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ। সকলের নজর সেই দিকেই। তাতে সাহসী হচ্ছে মানুষ। বাড়ছে বেপরোয়া ভাব। এগিয়ে আসছে বাংলার ভোট। প্রকট হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষমতা দখলের বাসনা। করোনার মধ্যেও ইস্যু পেলেই আন্দোলন। না থাকলে তৈরির চেষ্টা। অভিমুখ রাজ্যপাট। তাই কথায় কথায় মিছিল আর লড়াই।  
বিশদ

17th  October, 2020
অতিরিক্ত দিল্লি নির্ভরতাই বঙ্গ-বিজেপির সঙ্কট
সমৃদ্ধ দত্ত

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মতো ঝোড়ো আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেননি আর কেউই। সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু-স্রোত। এই সঙ্কটের মধ্যেই তাঁকে কাজ করতে হয়েছে। তাঁকে অভীধা দেওয়া হয় বাংলার রূপকার। কিন্তু ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ছিল, তিনি কৃষিকে অবহেলা করেছেন। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে তিনি যতটা উন্নতিসাধন করেছিলেন শিল্পে, সেই তুলনায় কৃষির উন্নয়ন কম হয়েছে।  
বিশদ

16th  October, 2020
ষড়যন্ত্রের তত্ত্বে সব ব্যর্থতা ঢাকা যায় না 
সন্দীপন বিশ্বাস

ব্যর্থতার এক একটি মাইলস্টোন স্থাপন করতে করতে ক্রমেই অতল খাদের দিকে এগিয়ে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অ্যান্ড কোম্পানি। অনেকেই অবশ্য মানবেন না যে খাদটা অতল। কেননা ভোটের এখনও অনেকদিন বাকি। কিন্তু তাঁর জনপ্রিয়তার প্রতিদিনই পতন হচ্ছে। সেটা তিনি নিজেও বোঝেন। তাই ইদানীং ছাতি বাজানো, তালি বাজানো বন্ধ করে দিয়েছেন। চেষ্টা করছেন, নানা রকম ভুজুং ভাজুং দিয়ে হারানো গৌরব উদ্ধার করতে।  
বিশদ

14th  October, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ভুয়ো ভাউচার ছাপিয়ে ময়নার শ্রীকণ্ঠা সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি থেকে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগ উঠল সমিতির ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। গত ১৭ অক্টোবর সমবায় সমিতির সম্পাদক সুবোধচন্দ্র মাইতি ম্যানেজার সোমনাথ দাসের বিরুদ্ধে ময়না থানায় এফআইআর করেছেন।   ...

সংবাদদাতা, পতিরাম: ১৯৩৩ সালের ২৮ অক্টোবর। অবিভক্ত ভারতের হিলি স্টেশনে দার্জিলিং মেলে লুটপাট চালিয়েছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামীরা। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের কাজে লেগেছিল সেই ‘লুটের টাকা’।   ...

করোনা আবহেও লক্ষ্মীর আরাধনার বাজেটে খামতি পড়েনি। এমনকী বাইরে থেকে চাঁদা আদায়ও নয়। গ্রামবাসীরাই বছরভর মাটির ভাঁড়ে যে টাকা জমিয়েছেন, তাতেই হচ্ছে পুজোর আয়োজন। ...

কাশ্মীর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহল, বিশেষ করে দুই মুসলিম দেশের কাছে বড় ধাক্কা খেল পাকিস্তান। জম্মু ও কাশ্মীরের উপর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মঙ্গলবার ইরানে কালা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইমরান খানের সরকার। এমনকী, সৌদি আরবের রিয়াধেও সেই ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব আছে। কর্মরতদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস
১৯৬৯: ইন্টারনেটের আগের স্তর আরপানেটের আবিষ্কার
১৯৭১: অস্ট্রেলিয় ক্রিকেটার ম্যাথু হেডের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রীমা সেনের জন্ম
১৯৮৫: বক্সার বিজেন্দর সিংয়ের জন্ম
১৯৮৮: সমাজ সংস্কারক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৯: ওড়িশায় ঘূর্ণিঝড়ে কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু
২০০৫: দিল্লিতে পরপর তিনটি বিস্ফোরণে অন্তত ৬২জনের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৪৭ টাকা ৯৭.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৫.২৮ টাকা ৮৮.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫১,৮১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৯,৮৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী ২৩/৫২ দিবা ৩/১৬। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র ১৫/৪১ দিবা ১২/০। সূর্যোদয় ৫/৪৩/১৬, সূর্যাস্ত ৪/৫৭/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৩ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১০ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।
১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী দিবা ৩/২১। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র দিবা ১/১২। সূর্যোদয় ৫/৪৪, সূর্যাস্ত ৪/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৮ মধ্যে ও ১/১১ গতে ২/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ৩/১৪ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৫/৪৫ মধ্যে। কালবেলা ২/১০ গতে ৪/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৭ মধ্যে।
১১ রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: কেকেআর-কে ৬ উইকেটে হারাল সিএসকে 

11:14:20 PM

আইপিএল: চেন্নাই ১২১/৩ (১৫ ওভার) 

10:43:26 PM

আইপিএল: চেন্নাই ৮৮/১ (১১ ওভার) 

10:19:05 PM

আইপিএল: চেন্নাই ৩৭/০ (৫ ওভার) 

09:51:13 PM

আইপিএল: চেন্নাইকে ১৭৩ রানের টার্গেট দিল কেকেআর 

09:10:38 PM

আইপিএল: কেকেআর ১২৫/৩ (১৬ ওভার) 

08:47:27 PM