Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মূকরাই সরব হবেন যথাসময়ে
পি চিদম্বরম

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যে পৃথিবী বিপুলভাবে সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠেছে সেখানে দরিদ্র বা গরিব রয়ে যাওয়াটা এক দুর্ভাগ্য। একটা দরিদ্র দেশে দরিদ্র থাকাটা গণতন্ত্রের ব্যর্থতা। আর একটা গরিব দেশের গরিব রাজ্যে দরিদ্র থেকে গেলে তাকে রাজনীতির অভিশাপ মানতে হবে। 
বিহার রাজ্যের গড়পড়তা নাগরিকরা দুর্ভাগ্যের শিকার—এটা একইসঙ্গে গণতন্ত্রের ব্যর্থতা এবং রাজনীতির অভিশাপ। সৌভাগ্যের ভবিষ্যতে প্রবেশের সুযোগ এখন বিহারের সামনে, এমাসেই তাদের বিধানসভার ভোট শুরু হচ্ছে। তাদের সামনে চারটে চয়েস: (এক) জেডিইউ, বিজেপি ও এইচএএম-কে নিয়ে এনডিএ। (দুই) আরজেডি, কংগ্রেস, সিপিআই, সিপিএম, সিপিআই (এমএল) প্রভৃতিকে নিয়ে মহাগাটবন্ধন। (তিন) এলজেপি (পাসোয়ান)। আর চার নম্বর হল ছোট ছোট পার্টিগুলোকে নিয়ে আর একটা কোয়ালিশন। 
 বিহারের দারিদ্র্য
বিহার কতটা দরিদ্র? কিছু পরিমাপক বা মেট্রিকের দিকে তাকানো যাক। বর্তমান মূল্যমানে ২০১৯-২০-তে ভারতের নিট মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ ছিল ১,৩৪,২২৬ টাকা। এই অঙ্কটা বিহারের ক্ষেত্রে ছিল মাত্র ৪৬,৬৬৪ টাকা। অর্থাৎ জাতীয় গড়ের তিনভাগের একভাগ—সব রাজ্যের নীচে! মাসিক ৩,৮৮৮ টাকা আয়ে একজন বিহারবাসীর পক্ষে পর্যাপ্ত খাদ্য, বস্ত্র ও ভদ্রস্থ বাসস্থানের বন্দোবস্ত করা সম্ভব হয় না। (ভারতের মধ্যে চূড়ান্ত বৈষম্যের এই রাজ্যের বিশাল সংখ্যক মানুষের আয় গড় আয়ের নীচে।) 
কৃষকরা অত্যন্ত দুর্দশার মধ্যে রয়েছেন। সারা ভারতের রাজ্যগুলো মিলিয়ে কৃষির জন্য গড়ে ৭.১ শতাংশ খরচ করে। সেখানে বিহারে কৃষির জন্য ব্যয় বরাদ্দ হয় ৩.৫ শতাংশ—দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন। বিহারের ৪২.৫ শতাংশ কৃষক পরিবার ঋণগ্রস্ত। সংখ্যাটা প্রান্তিক কৃষকদের ক্ষেত্রে ৮৬.৭ শতাংশ। বিহারের এপিএমসি আইন বাতিল করা হয়েছে এবং বিহার রাজ্য নিজেকে শস্যবিমার স্কিমের (পিএমএফবিওয়াই) বাইরে রেখেছে। ২০১৯-এর ফেব্রুয়ারি, অর্থাৎ কোভিডের ধাক্কা আসার আগে থেকে বিহারে বেকারত্বের হার ১০ শতাংশ—সংখ্যাটা যুব শ্রেণীর মধ্যে ৫৫ শতাংশ। কর্মরতদের মধ্যে ৮৭ শতাংশের আয় বা বেতন নিয়মিত নয়। ২ কোটি পরিবার ১০০ দিনের কাজে (এমজিএনআরইজিএ) নাম লিখিয়ে কাজ পেয়েছে মাত্র ৩৬.৫ শতাংশ। 
 উত্তরাধিকার অমান্য করা হয়েছে
স্বাধীনতার সময় রাজ্যটার একটা দৃঢ়  প্রশাসনিক কাঠামো, সৎ ও প্রগতিশীল নেতৃত্ব ছিল। আর ছিল সিভিল সার্ভেন্টদের একটা ইস্পাতকঠিন তুল্য কাঠামো। প্রবাহিত গঙ্গা দক্ষিণ বিহারকে ভারতের সবচেয়ে উর্বর ভূমির একটা হিসেবে গড়ে দিয়েছে। শুরুতেই ভূমিসংস্কার, জমিদারি প্রথার উচ্ছেদ এবং ভূমিহীনদের মধ্যে তার বণ্টন—এসব ছিল বিহারের জন্য ‘সিগন্যাল অ্যাচিভেমন্ট’ (একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছিল জম্মু ও কাশ্মীর)। সুশিক্ষার বীজ বপন করেছিলেন মিশনারিরা। সবার উপরে হল বিহারের কঠোর পরিশ্রমী ও প্রাণবন্ত কর্মী বাহিনী। (এমনকী আজকের দিনেও, ফসল কাটার শ্রমিক এবং নির্মাণ শ্রমিকের পর বিহারী পরিযায়ী পুরুষ শ্রমিকদের সবচেয়ে বেশি কদর।)
গত তিরিশ বছরে সবকিছুই নাটকীয়ভাবে পাল্টে গিয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে নীতীশ কুমারের ১৫ বছরের (তাঁরই কারণে ২৭৮ দিনের একটা ‘ব্রেক’ ধরে নিয়ে) জমানা। এই সমস্ত মন্দের মূলে কুশাসন। ২০১১-১২ এবং ২০১৮-১৯ সালের ভিতরে বিহারে জিডিপির গড়পড়তা বৃদ্ধির হার ছিল ৬.৬ শতাংশ, অথচ ওইসময়ে মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (জিডিপি) বৃদ্ধির জাতীয় হারটি ছিল গড়ে ৭.৭৩ শতাংশ। ২০০৫ থেকে ২০১৯-এর ভিতরে বিহার রাজ্যের ঋণের পরিমাণ ৪৩,১৮৩ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১,৬১,৯৮০ কোটি টাকা। সিএজির একটা রিপোর্ট বলছে, ‘নতুন’ ঋণের ৮৫ শতাংশ খরচ হয়ে যায় পুরনো ঋণের সুদ-আসল মেটাতে। নিজস্ব যৎসামান্য সম্পদ, সামান্য ঋণ এবং একটা দুর্বল-বিশৃঙ্খল প্রশাসনিক কাঠামোর কারণে বিহারের মূলধনী ব্যয়ের পরিমাণও সামান্য এবং নতুন নিয়মিত আয়ের চাকরির সুযোগও সামান্য। 
পরিণাম হল—ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য। নীতি আয়োগের পর্যবেক্ষণ বলছে যে, ২০১৮-১৯ সালে বিহারের দারিদ্র্য অনুপাত বেড়ে ৫৫ শতাংশ হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে একজন দরিদ্র বিহারবাসী কী করবেন? কাজের খোঁজে তিনি দূরে কোথাও পাড়ি দেন, প্রায়ই সপরিবারে। মানুষের ইতিহাসের এই দুঃখের অধ্যায়টা আমরা কেউই ভুলিনি, লাখে লাখে নিরাশ্রয়, ভুখা শ্রমিক কয়েকশো কিমি হেঁটেছিলেন বিহার ও উত্তপ্রদেশের শহর অথবা গ্রামের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার জন্যে। সৌজন্যে ২৪ মার্চ, ২০২০ তারিখের আচমকা সম্পূর্ণ লকডাউন। তাঁদের একটাই করুণ আর্তি ছিল, ‘মরতে হলে আমরা নিজের জনদের কাছেই ফিরে গিয়ে মরব।’ 
 ভোটের মাধ্যমে অযোগ্যের বিদায়
এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, বিহারের মানুষ নীতীশ কুমারের ‘পক্ষে’ অথবা ‘বিরুদ্ধে’ ভোট দেবেন। নীতীশ কুমার হলেন জে পি মুভমেন্টের (জয়প্রকাশ নারায়ণের বিখ্যাত আন্দোলন) ফসল এবং তিনি একজন সমাজতান্ত্রিকও বটেন। তাঁর সম্পর্কে এটাই বিশ্বাস ছিল যে তিনি আদ্যপান্ত ‘সেকুলার’ এবং নরেন্দ্র মোদির উত্থান রুখতে লড়াই করবেন। তিনি যখন প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন, মানুষ ভেবেছিল যে আইনশৃঙ্খলার শাসন ফিরবে এবং সত্যিকার উন্নয়নে তিনি মনোনিবেশ করবেন। 
২০১৭ সালে গিয়ে সব পাল্টে গেল, যখন মোদিজির বিরোধিতার লাইন নীতীশ কুমার ত্যাগ করলেন, আরজেডির সঙ্গে জোট সরকার ভেঙে দিলেন, বিজেপির সঙ্গে হাত মেলালেন, ওইসময় বিহারে এনডিএ সরকারের শীর্ষনেতা হিসেবে মুখ্যমন্ত্রিত্বেও বহাল রইলেন। তখন থেকে নীতীশ কুমার নিজেকে চিনিয়ে দিলেন এইভাবে—তিনি বিহারের মানুষের যত না কাছের, তার চেয়ে অনেক বেশি নরেন্দ্র মোদির কাছের মানুষ—গদি টিকিয়ে রাখতেই তাঁকে এটা করতে হয়েছে। এটাও মানুষ ক্ষমা করে দিতে পারত যদি তাঁর প্রশাসন বিহার রাজ্যের অর্থনীতিকে কয়েক ধাপ উঁচুতে তুলে নিয়ে যেতে পারত। সেটা তো হয়ইনি, উল্টে, রাজ্যটা আরও নেমে গিয়েছে। 
এমনকী, বিহারের আইনশৃঙ্খলাকেও নীতীশ কুমার চাঙ্গা করতে পারেননি। ২০০৫ থেকে ২১০৯-এর মধ্যে শাস্তিযোগ্য অপরাধের হার ১৫৭ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। বিহারে দৈনিক গড়ে যত অপরাধের কেস নথিভুক্ত হচ্ছে  তার ভিতরে ৫১টি মহিলাদের বিরুদ্ধে, ১৮টি দলিতদের বিরুদ্ধে এবং ৪টি ধর্ষণ সংক্রান্ত। 
অব্যাহত দারিদ্র্য এবং বেড়ে চলা অপরাধ বিহারের মানুষকে মূক করে রেখেছে। তারা অবশ্যই মুখ খুলবে এবং শাসকের বিরুদ্ধে  ভোট দেবে, অন্য দল বা জোটের হাতে শাসনভার তুলে দেবে—যে সরকার ভদ্রস্থ ও দক্ষ প্রশাসন দিতে ব্যর্থ হবে তাকেই নির্বাচনের মাধ্যমে বিদায় জানাবার হুঁশিয়ারি  থাকবে। ভোটের মাধ্যমে অপছন্দের অযোগ্যকে উৎখাত করার হুঁশিয়ারিটাই হল ভোটারদের আসল ক্ষমতা। ২০২০ হল এর সূচনাকাল।
 লেখক সংসদ সদস্য ও ভারতের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। মতামত ব্যক্তিগত
28th  October, 2020
প্রতিষ্ঠানের থেকে বড় কেউ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। যার নেপথ্যে রয়েছে সংগ্রামী অতীত। তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশদ

ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

30th  November, 2020
আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। বিশদ

28th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন। ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? 
বিশদ

20th  November, 2020
একনজরে
নবম শিখ গুরু তেগবাহাদুরের ৪০০তম জন্মবার্ষিকী ধুমধাম সহকারে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। বিভিন্ন কর্মসূচি শুরু হবে ৩১ জানুয়ারি। এগুলির সফল রূপায়ণের জন্য জাতীয় স্তরে ...

লক্ষ্মীবিলাস ব্যাঙ্কের (এলভিবি) গ্রাহকরা সম্পূর্ণ ব্যাঙ্কিং পরিষেবাই পাবেন। সোমবার ডিবিএস ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে একথা জানানো হয়েছে। সম্প্রতি ডিবিএস ব্যাঙ্কের সঙ্গে লক্ষ্মীবিলাস ব্যাঙ্কের সংযুক্তিকরণ ঘটানো হয়। এরপরেই আমানত নিয়ে এলভিবির গ্রাহকদের মধ্যে নানা সংশয় দেখা দেয়। ...

রবিবার রাতে গাজোলে এক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল তিন বন্ধুর। পুজোর ভোগ খেয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা।  শাহাজাদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের  জামতলা রাইস মিলের কাছে  ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কে ...

ওয়ান্ডা মেট্রোপলিটানোয় খেলা হলেও বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে আতলেতিকো মাদ্রিদকে এগিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চলতি মরশুমে জার্মান ক্লাবটি অনবদ্য ছন্দে রয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব এইডস দিবস
১৭৬১: মাদাম তুসো জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ম্যারি তুসোর জন্ম
১৯৩২:  ঔপন্যাসিক, কল্পবিজ্ঞান লেখক ও সম্পাদক অদ্রীশ বর্ধনের জন্ম
১৯৪১: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণে চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেন জাপানের সম্রাট হিরোহিতো
১৯৫৪: সমাজকর্মী মেধা পাটেকরের জন্ম
১৯৬৩: ভারতের ১৬তম রাজ্য হিসাবে ঘোষিত হল নাগাল্যাণ্ড
১৯৬৫: প্রতিষ্ঠিত হল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)
১৯৭৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী সুচেতা কৃপালিনীর মৃত্যু
১৯৮০: ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফের জন্ম
১৯৯৭: বিহারের লক্ষ্মণপুর-বাথে অঞ্চলে ৬৩জন নিম্নবর্গীয়কে খুন করল রণবীর সেনা
১৯৯৯: গায়ক শান্তিদেব ঘোষের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০০ টাকা ৭৪.৭১ টাকা
পাউন্ড ৯৭.০৯ টাকা ১০০.৪৮ টাকা
ইউরো ৮৬.৫১ টাকা ৮৯.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  November, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৯,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৯,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০, প্রতিপদ ২৭/১ অপঃ ৪/৫২। রোহিণী নক্ষত্র ৬/৩১ দিবা ৮/৩১। সূর্যোদয় ৬/৪/২, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/২০। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৭/২৮ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১২ গতে ১১/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/৩৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে পুনঃ ৫/৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০, প্রতিপদ দিবা ৩/৫৭। রোহিণী নক্ষত্র দিবা ৮/৩৯। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৬ গতে ৮/৪৬ মধ্যে ও ১২/৪৭ গতে ২/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৭ মধ্যে। 
১৫ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৬৭ বছরের নীচে প্লাজমা প্রয়োগে ইতিবাচক ফল
রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্লাজমা থেরাপিতে যথেষ্ট ইতিবাচক ফল মিলেছে। সদ্য ...বিশদ

30-11-2020 - 09:58:34 PM

ডেঙ্গু রোধে নিকাশি নালাগুলি সংস্কারের নির্দেশ মুখ্যসচিবের
ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া রোধে আজ সোমবার নবান্নে সেচ, পুর নগরোন্নয়ন ...বিশদ

30-11-2020 - 09:57:00 PM

রাজ্যে করোনা জয়ীর সংখ্যা ৪.৫০ লক্ষ ছাড়াল
বাংলায় দৈনিক করোনা সংক্রমণের গ্রাফ নিম্নমূখী।  গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ...বিশদ

30-11-2020 - 09:21:04 PM

 কাশি বিশ্বনাথ মন্দিরে পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

30-11-2020 - 05:29:50 PM

সুতাহাটায় শিক্ষিকার গলা কাটা দেহ উদ্ধার 
সোমবার বিকেলে সুতাহাটার চৈতন্যপুরে এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকার গলা কাটা দেহ ...বিশদ

30-11-2020 - 05:26:01 PM

জো বাইডেন সরকারে আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত 
আমেরিকার জো বাইডেন সরকারে অংশ নিতে চলেছেন আরও এক ভারতীয় ...বিশদ

30-11-2020 - 05:20:24 PM