Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বিহারের ভোটে অনেক পাখি মারার ছক মোদির
সন্দীপন বিশ্বাস

২০১৫ সালে বিহার বিধানসভার নির্বাচনের খবর করতে গিয়ে দেখেছিলাম, বিজেপি সেখানে কী পরিমাণ টাকা ঢেলেছিল। সমস্তিপুর, বেগুসরাই, জামুই, ভাগলপুর, মুঙ্গের, খাগাড়িয়া, লক্ষ্মীসরাই ঘুরে দেখেছিলাম, পতাকা, ফেস্টুন, ফ্লেক্স দিয়ে বিজেপি শহর মুড়ে দিয়েছে। বিভিন্ন শহরে যত হোটেল ছিল, তার সব ঘর বুক করে নিয়েছিল একমাসের জন্য। যাতে বাইরে থেকে অন্য পার্টির নেতা-কর্মীরা এসে ঘাঁটি দখল করে প্রচার করতে না পারেন। বৈভবের ঠাটটুকু দেখে মাথা ঘুরে গেলে মনে হবে, বিজেপি অন্যদের থেকে অনেক এগিয়ে। কিন্তু গ্রামের দিকে ঢুকে, ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে বুঝেছিলাম, নীতীশ-লালুর জোটের পক্ষেই মানুষ। ফলে গত বিধানসভা নির্বাচনে ভঙ্গি দিয়ে চোখ ভোলানোর সহজ খেলায় বিজেপি জিততে পারেনি। বিজেপির ভোট হয়তো বেড়েছিল, কিন্তু বিজেপিকে হার মানতে হয়েছিল নীতীশ-লালু-কংগ্রেসের মহাগঠবন্ধনের কাছে। এ প্রসঙ্গে একটা কথা মনে রাখা দরকার। তার আগের বছর অর্থাৎ ২০১৪ সালে কেন্দ্রে মোদি সরকার বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় এসেছে। মোদির তখন দেশজোড়া জনপ্রিয়তা। সেই ঝোড়ো মোদি হাওয়াও কিন্তু বিজেপিকে বিহারে ক্ষমতায় আনতে পারেনি।  আর এখন সারাদেশ জুড়েই তো মোদিজির ভাঙাচোরা ভাবমূর্তি। 
কিন্তু বিজেপির চেনা ছক শুরু হল। সহজ হারকে কী করে কঠিন কৌশলে ক্ষমতা দখলের প্লট বানানো যায়, সেটা বিজেপির মতো আর কেউ জানে না।  বিহারে ঘটল বাংলা সিরিয়ালের কুচুটে পিসি-মাসির মতো জোটের ঘর ভাঙার খেলা। বিজেপি সেখানে গঠবন্ধনের ঘরে আগুন লাগিয়ে বিবাদ বাধিয়ে কংগ্রেস আর আরজেডিকে সরিয়ে দিয়ে নীতীশের সঙ্গে মধুচন্দ্রিমা শুরু করে দিল। পরবর্তী দিনগুলিতে বিজেপি নীতীশের পায়ের তলা থেকে ধীরে ধীরে মাটি কেড়ে নেওয়ার গোপন খেলা খেলেছে। এবারের ভোটে নীতীশ সরকারের প্রতি মানুষের ক্ষোভ ও ধিক্কার দেখে সেটা বোঝাই যাচ্ছে। এখন নীতীশ সেটা নিজে বুঝতে পারলেও তাঁর কিছু করার নেই। তিনি এখন বন্দি সাজাহান। একদিন মুখ্যমন্ত্রী পদের লালসায় আরজেডি, কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে নিজের ঘরে খাল কেটে তিনি কুমির ডেকে এনেছিলেন। আজ সেই কুমিরই তাঁকে গিলে খেয়ে নেবে। এবার বিহারের ভোটে বিজেপির সব থেকে বড় শত্রু কিন্তু নীতীশ কুমারই। কথাটা একেবারে সত্যি। এটা বুঝতে পেরে, নীতীশ বিজেপির থেকে কথা আদায় করে নিয়েছেন, এনডিএ জোটে যার যত সংখ্যক আসনই থাক না কেন, তিনিই হবেন মুখ্যমন্ত্রী। জোটের বৈঠকে সেই দাবি বিজেপি মেনে নিয়েছে। কিন্তু আড়ালে মুচকি হেসেছেন বিজেপি নেতারা। নীতীশ বধের খেলায় তাঁর পিছনে বিজেপি ম্যান মার্কিং করার জন্য নামিয়েছে এলজেপির সদ্য প্রয়াত নেতা রামবিলাস পাসোয়ানের ছেলে চিরাগ পাসোয়ানকে। চিরাগ বিজেপির কাছ থেকে সুপারি নিয়েছেন, কারণ তিনি স্বপ্ন দেখছেন, বাবার মন্ত্রিত্ব বিজেপি এবার তাঁকেই দেবে। কেন্দ্রের মন্ত্রিত্ব পেতে নীতীশের বিরুদ্ধে অল আউট নেমেছেন চিরাগ। নীতীশের বিরুদ্ধে ভ্রষ্টাচারের সব থেকে বড় অভিযোগ বিরোধীরা কিন্তু আনেননি। এনেছেন চিরাগ পাসোয়ানই। তিনি বলেছেন, নতুন সরকার এলে নীতীশজি জেলে যাবেন। একথার নেপথ্য সৌজন্যে অবশ্যই বিজেপি। চিরাগ এখন বিজেপির হিজ মাস্টার’স ভয়েস। তাহলে বোঝা যাচ্ছে কি, বিজেপি ক্ষমতায় এলে নীতীশজির পরিণতি কী হতে পারে? অবশ্য চিরাগবাবুরও অসহায় অবস্থা। তাঁর সামনে খুড়োর কল। তিনি এখন মোদি এবং অমিতজির আজ্ঞাবহ। চিরাগকে বোঝানো হয়েছে, দলিত ভোট কাটার জন্যই তাঁকে একা লড়তে হবে। এই জোটে চিরাগের ভূমিকা আবুলিশের মতো। থেকেও যা, না থেকেও তাই। বিহারের ভোটে নীতীশের মতো চিরাগও বিজেপির একটা পাখি। প্রথম দফার ভোটের জোটের প্রচারের পোস্টার, ফ্লেক্সে মোদির সঙ্গে মুখ ছিল নীতীশ কুমারেরও। দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচারে নীতীশজির মুখ উধাও বহু জায়গায়। বিহারে বিজেপি ভোট করছে মোদিজির মুখ দেখিয়ে। 
বাংলা সিরিয়ালের কুচুটে চরিত্রগুলি যেমনভাবে ঘরে আগুন লাগিয়ে নিজে ক্ষমতার ক্ষীরটুকু নিশ্চিন্তে খাব বলে ছক কষে, সেরকমই বিহার নিয়ে ছক বিজেপির। প্রথমেই বলে নেওয়া ভালো যে, এনডিএ জোটের মধ্যে নীতীশের জনতা দল ইউনাইটেডের অবস্থা সব থেকে খারাপ। ‘নীতীশজি ভালো মুখ্যমন্ত্রী’, এই প্রচারেই তিনি ক্ষমতায় আসতেন। কিন্তু রাজ্যের মানুষ এবার তাঁর প্রতি ক্ষুব্ধ। সকলেই বলছেন, বিজেপির পাল্লায় পড়ে নীতীশকুমার তাঁর সুশাসনের দিনগুলি ভুলে গিয়েছেন। এনডিএর প্রার্থীরা প্রচারে বেরিয়ে মানুষের নানা অপ্রিয় প্রশ্নের মুখোমুখি হচ্ছেন। অনেক প্রার্থীকে অপদস্থ হতে হচ্ছে। দু’একটি জায়গায় জেডিইউয়ের প্রার্থীর গাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়াও হয়েছে। প্রচারে এসে ‘মুর্দাবাদ’ ধ্বনি হজম করতে হয়েছে যোগী আদিত্যনাথকেও। এর পিছনে  রয়েছেন বিহারের সেই সব দরিদ্র মানুষ, যাঁরা  হাজার হাজার মাইল স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে হেঁটে  বাড়ি ফিরেছেন, যাঁদের কেউ কেউ ফিরতেও পারেননি। কারও বৃদ্ধ বাবা, কারও বৃদ্ধা মা, কারও বা শিশু সন্তান পথেই মারা গিয়েছে। একটু খাবার একটু জল, একটু দুধের অভাবে লকডাউনের সময় মারা গিয়েছেন অনেকে। তাঁরাই আজ বিহারে অনেকটা নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা গ্রহণ করবেন।  কোনও দলের কোনও প্রচারই তাঁদের ভাবাবেগ, তাঁদের ফেলে আসা দুর্দশার স্মৃতিগুলিকে প্রভাবিত করতে পারবে না। কী নীতীশ কুমার, কী বিজেপি, উভয় দল সম্পর্কেই তাঁদের ভাবনা একই। তাঁদের মধ্যে হিন্দু ভোট আছে, তাঁদের মধ্যে মুসলিম ভোটও আছে। সেই অভাবী, দরিদ্র মানুষগুলোর যন্ত্রণার অনুভূতিতে কোনও ধর্মের সুড়সুড়ি, হিন্দুত্বের আবেগ বা রামমন্দিরের উল্লাস প্রভাব ফেলতে পারবে না। তাঁরা নিঃস্ব, ক্ষমতাহীন। কিন্তু পাঁচ বছর অন্তর তাঁদের একটাই ক্ষমতা দিয়েছে দেশের সংবিধান, দেশের গণতন্ত্র। সেই পাশুপত অস্ত্র এবার তাঁরা ভোটে প্রয়োগ করবেন।
কিন্তু বিহারের ভোটে এটা প্রধান ইস্যু নয়। বিহারের ভোটে প্রধান ইস্যু হল বেরোজগারি। বিহারের যুব সম্প্রদায় এবার চান অন্য বিহার। যে বিহারকে অন্য রাজ্যের মানুষ আঙুল দেখিয়ে বলে, অনুন্নত। সেই বিহারকে বদল করতে চায় যুব সম্প্রদায়। লালুপ্রসাদ যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নির্বাচনী ইস্তাহার সেই প্রত্যাশাকেই স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছে। সেই ইস্তাহারে এবার দশ লাখ চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি বিষয়ে প্রতিশ্রুতি রয়েছে। ঠিক এইখানেই বিজেপি তড়িঘড়ি তেজস্বী যাদবকে টক্কর দিতে উনিশ লক্ষ চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই ঘোষণা থেকেই বোঝা যাচ্ছে, বিজেপি কতটা চাপে! বিজেপির চাপটা আরও বুঝিয়ে দিয়েছেন, নির্মলা সীতারামন। একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়ে তিনি বলে বসলেন, বিহারে বিজেপি ক্ষমতায় এলে সবাইকে বিনা পয়সায় করোনার ভ্যাকসিন দেবে। তাহলে অন্য রাজ্যের মানুষের কী হবে? কিংবা যে রাজ্যেগুলিতে বিজেপি ক্ষমতায় নেই, সেখানে কী হবে? অর্থাৎ আগুপিছু বিবেচনা না করে অর্থমন্ত্রী বলে ফেললেন, তোমরা আমাদের ভোট দাও, আমরা তোমাদের ফ্রি ভ্যাকসিন দেব। একেই বলে চাপের কাছে নতিস্বীকার।
আজ বিহারে প্রথম দফার ভোট। কারা এবার বিহারে ক্ষমতা দখল করবে, তারই টি-২০ ম্যাচ শুরু। তবে এবার বিহারের ভোটাররা কারও প্রচারে প্রভাবিত না হয়েই ভোট দেবেন। মানি পাওয়ার বা মাসল পাওয়ারের জমানা পেরিয়ে বিহার বেরিয়ে আসতে চায়। এবার কিন্তু বিহারে টাকা ছড়িয়ে কোনও দলই ভোটে জিততে পারবে না। এবার তারা অনেক হিসাব বুঝে নিতে চাইছে।     
মোদি যেদিন প্রথম বিহারে নির্বাচনী প্রচারে এলেন, সেদিনটাই বলে দিয়েছে বিহারের ভোটের ফল কী হতে চলেছে। গোয়েন্দারা সেই রিপোর্ট কেন্দ্রকে দিয়ে দিয়েছেন। বক্তৃতায় মোদিজির বডি ল্যাঙ্গুয়েজে সেই ঝাঁঝ দেখা যায়নি। বিহারের মোবাইলে মোবাইলে ছড়িয়ে পড়েছে ‘হ্যাজট্যাগ মোদি গো ব্যাক’ স্লোগান। প্রতিদিন বদলে যাচ্ছে আগাম ওপিনিয়ন পোলের ফলাফল। বিহারে এবারের ভোট একটা আন্দোলনের রূপ নিয়েছে। আওয়াজ উঠেছে, ‘লালটেন-লালটেন’। অর্থাৎ আরজেডির প্রতীক লণ্ঠন। এমনই ঝোড়ো হাওয়া এরাজ্যে দেখা গিয়েছেল ২০১১ সালে। ঝড়ের সেই পূর্বাভাস বুঝতে পারছেন নেতারাও। তাই মোদি অ্যান্ড কোম্পানি এবার যতই বিহারে পাখি মারার ছক কষুক না কেন, কোনও ফলই হবে না। কেননা  শিকারি এবার নিজেই শিকার। সব দিক থেকেই এবার বিহারের ভোট অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মোদির সার্বিক ব্যর্থতার প্রতি মানুষের মনোভাব স্পষ্টরূপে বোঝা যাবে এই নির্বাচনে। এই নির্বাচনে মোদি বাহিনীর ভরাডুবি হলে এখনই বলে দেওয়া যাবে, পশ্চিমবঙ্গেও তাদের ঠাঁই নেই, ঠাঁই নেই।
28th  October, 2020
কৈলাসে ফিরতে
মন চাইবে না মা
হারাধন চৌধুরী

আমাদের পাশে থেকো মা। তোমাকে কথা দিচ্ছি, আগামীবার এসে দেখবে—আমাদের এই পৃথিবীর সমস্ত অসুখ সেরে গেছে। আমাদের কারও মধ্যে ছোঁয়াছুঁয়ির ভয় নেই, কোনওরকম ছুঁৎমার্গ নেই। বিশদ

মূকরাই সরব হবেন যথাসময়ে
পি চিদম্বরম

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যে পৃথিবী বিপুলভাবে সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠেছে সেখানে দরিদ্র বা গরিব রয়ে যাওয়াটা এক দুর্ভাগ্য। একটা দরিদ্র দেশে দরিদ্র থাকাটা গণতন্ত্রের ব্যর্থতা। আর একটা গরিব দেশের গরিব রাজ্যে দরিদ্র থেকে গেলে তাকে রাজনীতির অভিশাপ মানতে হবে।  বিশদ

28th  October, 2020
উৎসব এবার চেতনার
মৃণালকান্তি দাস 

মন খারাপ। খুব মন খারাপ। সব আছে। অথচ কী যেন নেই! জীবনটা যেন এখন লুডোর গুটি। রোজ শুধু ওঠা-নামার খেলা। সবসময় মনে আতঙ্ক। যত না সংক্রমণে তার থেকে অনেক বেশি প্রিয়জনের থেকে দূরে চলে যাওয়ার। সেই নীলকণ্ঠ পাখিটা উড়ে গিয়েছে অজানা কোন অচিনপুরে। কিন্তু এই দুঃসময়েও মানুষ আগামীদিনের সুদিনের জন্য বুক বাঁধে। তাই তো এবারও মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পুজোর তোড়জোড়।   বিশদ

23rd  October, 2020
বেদ, পুরাণে বন্দিতা মহামায়া দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

 একদা দেবাসুর-সংগ্রামে ব্রহ্মশক্তির প্রেরণায় জয় হল দেবতাদের। একে বিজয় মহিমা মনে করে অগ্নি, বায়ু, বরুণ ও চন্দ্র এই চার দেবতা অহংকৃত ও গৌরবান্বিত হন। তাঁদের মুখমণ্ডলে কর্তৃত্বের পরিতৃপ্তি। বলদর্পে আচ্ছন্ন হয়ে সেই অমরবৃন্দ ভুলে গেলেন ব্রহ্মশক্তির কথা, যাঁর শক্তি ও অনুকম্পায় তাঁরা এতকাল শক্তিমান। বিশদ

22nd  October, 2020
বাৎসরিক আয়ু ক্রয়ের হাট
হারাধন চৌধুরী

 এবার পুজো হওয়াটা জরুরি। নিয়মরক্ষার হলেও। অন্যথায়, বাঙালি আরও বিষাদে ডুবে যাবে। উৎসব হলে মানুষের কেনাকাটা কিছুটা বাড়বে। যার ভিতরে অর্থনীতির জন্য সুখবর লুকিয়ে থাকে। বিশদ

22nd  October, 2020
পুজো হোক, লকডাউনে থাকুক উৎসব
সন্দীপন বিশ্বাস

এবার আমাদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আমাদের জয়ী হতেই হবে। তাই এবারের পুজো হোক অন্য পরিবেশে, অন্য মানসিকতায়। বাড়িতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটু আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং টিভিতেই হোক ঠাকুরদেখা। বিশদ

21st  October, 2020
প্রতিবাদে মাথা নোয়ায় পর্বতও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 নোট বাতিল কিংবা জিএসটির ক্ষেত্রে যে ডোন্ট কেয়ার দাপট মোদি সরকার দেখিয়েছিল, তা আপাতত উধাও। সব ইস্যুতেই এখন বিরোধীদের চরম বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যা তাদের ‘একচ্ছত্র’ ইমেজে বড়সড় একটা দাগ! বিশদ

20th  October, 2020
বৃদ্ধি ছাড়াই সংস্কার
পি চিদম্বরম

একটা ব্যাপারে সবাই একমত হতে পারি যে, নিজের মত, নীতি ও কাজের প্রচারে কোনও শাসক দল এবং সরকার—বিজেপি অথবা মোদি সরকারের মতো সফল হয়নি। এবং, এই উদ্দেশ্যে তারা যে-কোনও পরিমাণ টাকা খরচ করবে, যত দরকার কাউকে উৎপীড়ন করবে, যতটা প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে হুমকির মুখে রাখবে এবং যে-কোনও প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখবে। অতিশয়োক্তিটা ওদের কাছে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।   বিশদ

19th  October, 2020
অনেক হারানোর পুজো
হিমাংশু সিংহ

পুজোর ছুটির একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকে। উৎসবের অনেক আগে থেকেই সেই গন্ধে ম ম করে বাংলার গাঁ গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্র। সেই গন্ধের সঙ্গে আগমনি মিশে তৈরি হয় অদ্ভুত ঘোর লাগানো একটা অপেক্ষার। মা আসছেন। বাঙালির অনেক না পাওয়া ক্ষতবিক্ষত জীবনে এর চেয়ে পরম প্রাপ্তির আর কিছুই হতে পারে না। সেই অপেক্ষার সঙ্গেই মিশে যায় বিদেশে কাজ করা দত্ত বাড়ির ছেলে, দূরে বিয়ে হওয়া পাশের বাড়ির হেমন্তদার মেয়ের ঘরে ফেরার খুশি। 
বিশদ

18th  October, 2020
করোনা রোখার মন্ত্র ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’ 
তন্ময় মল্লিক

করোনা মোকাবিলায় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলার ও মাস্ককে জীবনসঙ্গী করার পরামর্শ হচ্ছে উপেক্ষিত। সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ। সকলের নজর সেই দিকেই। তাতে সাহসী হচ্ছে মানুষ। বাড়ছে বেপরোয়া ভাব। এগিয়ে আসছে বাংলার ভোট। প্রকট হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষমতা দখলের বাসনা। করোনার মধ্যেও ইস্যু পেলেই আন্দোলন। না থাকলে তৈরির চেষ্টা। অভিমুখ রাজ্যপাট। তাই কথায় কথায় মিছিল আর লড়াই।  
বিশদ

17th  October, 2020
অতিরিক্ত দিল্লি নির্ভরতাই বঙ্গ-বিজেপির সঙ্কট
সমৃদ্ধ দত্ত

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মতো ঝোড়ো আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেননি আর কেউই। সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু-স্রোত। এই সঙ্কটের মধ্যেই তাঁকে কাজ করতে হয়েছে। তাঁকে অভীধা দেওয়া হয় বাংলার রূপকার। কিন্তু ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ছিল, তিনি কৃষিকে অবহেলা করেছেন। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে তিনি যতটা উন্নতিসাধন করেছিলেন শিল্পে, সেই তুলনায় কৃষির উন্নয়ন কম হয়েছে।  
বিশদ

16th  October, 2020
ষড়যন্ত্রের তত্ত্বে সব ব্যর্থতা ঢাকা যায় না 
সন্দীপন বিশ্বাস

ব্যর্থতার এক একটি মাইলস্টোন স্থাপন করতে করতে ক্রমেই অতল খাদের দিকে এগিয়ে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অ্যান্ড কোম্পানি। অনেকেই অবশ্য মানবেন না যে খাদটা অতল। কেননা ভোটের এখনও অনেকদিন বাকি। কিন্তু তাঁর জনপ্রিয়তার প্রতিদিনই পতন হচ্ছে। সেটা তিনি নিজেও বোঝেন। তাই ইদানীং ছাতি বাজানো, তালি বাজানো বন্ধ করে দিয়েছেন। চেষ্টা করছেন, নানা রকম ভুজুং ভাজুং দিয়ে হারানো গৌরব উদ্ধার করতে।  
বিশদ

14th  October, 2020
একনজরে
‘দরওয়াজা বন্ধ’ করেই অনুশীলন করাতে পছন্দ করেন এটিকে মোহন বাগানের হেডস্যার আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। গতবার সল্টলেক স্টেডিয়ামের সংলগ্ন প্র্যাকটিস মাঠে এরকমই চিত্র দেখা গিয়েছিল। এবার গোয়াতে আইএসএলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রণয়-প্রবীররা। ...

ট্যুইটারে লাদাখকে চীনের অংশ হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এনিয়ে ভারতের যৌথ সংসদীয় কমিটির প্রশ্নের মুখে ট্যুইটার ইন্ডিয়া। তাদের তরফে বিষয়টি নিয়ে এই মাইক্রোব্লগিং সাইট কর্তৃপক্ষের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়। যার উত্তরে সংশ্লিষ্ট কমিটিকে ট্যুইটার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, এ ব্যাপারে তারা ভারতের ...

সংবাদদাতা, পতিরাম: ১৯৩৩ সালের ২৮ অক্টোবর। অবিভক্ত ভারতের হিলি স্টেশনে দার্জিলিং মেলে লুটপাট চালিয়েছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামীরা। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের কাজে লেগেছিল সেই ‘লুটের টাকা’।   ...

করোনা আবহেও লক্ষ্মীর আরাধনার বাজেটে খামতি পড়েনি। এমনকী বাইরে থেকে চাঁদা আদায়ও নয়। গ্রামবাসীরাই বছরভর মাটির ভাঁড়ে যে টাকা জমিয়েছেন, তাতেই হচ্ছে পুজোর আয়োজন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব আছে। কর্মরতদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস
১৯৬৯: ইন্টারনেটের আগের স্তর আরপানেটের আবিষ্কার
১৯৭১: অস্ট্রেলিয় ক্রিকেটার ম্যাথু হেডের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রীমা সেনের জন্ম
১৯৮৫: বক্সার বিজেন্দর সিংয়ের জন্ম
১৯৮৮: সমাজ সংস্কারক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৯: ওড়িশায় ঘূর্ণিঝড়ে কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু
২০০৫: দিল্লিতে পরপর তিনটি বিস্ফোরণে অন্তত ৬২জনের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৪৭ টাকা ৯৭.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৫.২৮ টাকা ৮৮.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫১,৮১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৯,৮৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী ২৩/৫২ দিবা ৩/১৬। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র ১৫/৪১ দিবা ১২/০। সূর্যোদয় ৫/৪৩/১৬, সূর্যাস্ত ৪/৫৭/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৩ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১০ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।
১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী দিবা ৩/২১। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র দিবা ১/১২। সূর্যোদয় ৫/৪৪, সূর্যাস্ত ৪/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৮ মধ্যে ও ১/১১ গতে ২/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ৩/১৪ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৫/৪৫ মধ্যে। কালবেলা ২/১০ গতে ৪/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৭ মধ্যে।
১১ রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজকের দিনটি কেমন যাবে?  
মেষ: কর্মরতদের উপার্জনের ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই। বৃষ: শেয়ার বা ফাটকায় বিনিয়োগ ...বিশদ

04:29:40 PM

ইতিহাসে আজকের দিনে  
বিশ্ব স্ট্রোক দিবস ১৯৬৯: ইন্টারনেটের আগের স্তর আরপানেটের আবিষ্কার ১৯৭১: অস্ট্রেলিয় ক্রিকেটার ...বিশদ

04:28:18 PM

আইপিএল: কেকেআর-কে ৬ উইকেটে হারাল সিএসকে 

11:14:20 PM

আইপিএল: চেন্নাই ১২১/৩ (১৫ ওভার) 

10:43:26 PM

আইপিএল: চেন্নাই ৮৮/১ (১১ ওভার) 

10:19:05 PM

আইপিএল: চেন্নাই ৩৭/০ (৫ ওভার) 

09:51:13 PM