Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বিহারের ভোটে অনেক পাখি মারার ছক মোদির
সন্দীপন বিশ্বাস

২০১৫ সালে বিহার বিধানসভার নির্বাচনের খবর করতে গিয়ে দেখেছিলাম, বিজেপি সেখানে কী পরিমাণ টাকা ঢেলেছিল। সমস্তিপুর, বেগুসরাই, জামুই, ভাগলপুর, মুঙ্গের, খাগাড়িয়া, লক্ষ্মীসরাই ঘুরে দেখেছিলাম, পতাকা, ফেস্টুন, ফ্লেক্স দিয়ে বিজেপি শহর মুড়ে দিয়েছে। বিভিন্ন শহরে যত হোটেল ছিল, তার সব ঘর বুক করে নিয়েছিল একমাসের জন্য। যাতে বাইরে থেকে অন্য পার্টির নেতা-কর্মীরা এসে ঘাঁটি দখল করে প্রচার করতে না পারেন। বৈভবের ঠাটটুকু দেখে মাথা ঘুরে গেলে মনে হবে, বিজেপি অন্যদের থেকে অনেক এগিয়ে। কিন্তু গ্রামের দিকে ঢুকে, ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে বুঝেছিলাম, নীতীশ-লালুর জোটের পক্ষেই মানুষ। ফলে গত বিধানসভা নির্বাচনে ভঙ্গি দিয়ে চোখ ভোলানোর সহজ খেলায় বিজেপি জিততে পারেনি। বিজেপির ভোট হয়তো বেড়েছিল, কিন্তু বিজেপিকে হার মানতে হয়েছিল নীতীশ-লালু-কংগ্রেসের মহাগঠবন্ধনের কাছে। এ প্রসঙ্গে একটা কথা মনে রাখা দরকার। তার আগের বছর অর্থাৎ ২০১৪ সালে কেন্দ্রে মোদি সরকার বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় এসেছে। মোদির তখন দেশজোড়া জনপ্রিয়তা। সেই ঝোড়ো মোদি হাওয়াও কিন্তু বিজেপিকে বিহারে ক্ষমতায় আনতে পারেনি।  আর এখন সারাদেশ জুড়েই তো মোদিজির ভাঙাচোরা ভাবমূর্তি। 
কিন্তু বিজেপির চেনা ছক শুরু হল। সহজ হারকে কী করে কঠিন কৌশলে ক্ষমতা দখলের প্লট বানানো যায়, সেটা বিজেপির মতো আর কেউ জানে না।  বিহারে ঘটল বাংলা সিরিয়ালের কুচুটে পিসি-মাসির মতো জোটের ঘর ভাঙার খেলা। বিজেপি সেখানে গঠবন্ধনের ঘরে আগুন লাগিয়ে বিবাদ বাধিয়ে কংগ্রেস আর আরজেডিকে সরিয়ে দিয়ে নীতীশের সঙ্গে মধুচন্দ্রিমা শুরু করে দিল। পরবর্তী দিনগুলিতে বিজেপি নীতীশের পায়ের তলা থেকে ধীরে ধীরে মাটি কেড়ে নেওয়ার গোপন খেলা খেলেছে। এবারের ভোটে নীতীশ সরকারের প্রতি মানুষের ক্ষোভ ও ধিক্কার দেখে সেটা বোঝাই যাচ্ছে। এখন নীতীশ সেটা নিজে বুঝতে পারলেও তাঁর কিছু করার নেই। তিনি এখন বন্দি সাজাহান। একদিন মুখ্যমন্ত্রী পদের লালসায় আরজেডি, কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে নিজের ঘরে খাল কেটে তিনি কুমির ডেকে এনেছিলেন। আজ সেই কুমিরই তাঁকে গিলে খেয়ে নেবে। এবার বিহারের ভোটে বিজেপির সব থেকে বড় শত্রু কিন্তু নীতীশ কুমারই। কথাটা একেবারে সত্যি। এটা বুঝতে পেরে, নীতীশ বিজেপির থেকে কথা আদায় করে নিয়েছেন, এনডিএ জোটে যার যত সংখ্যক আসনই থাক না কেন, তিনিই হবেন মুখ্যমন্ত্রী। জোটের বৈঠকে সেই দাবি বিজেপি মেনে নিয়েছে। কিন্তু আড়ালে মুচকি হেসেছেন বিজেপি নেতারা। নীতীশ বধের খেলায় তাঁর পিছনে বিজেপি ম্যান মার্কিং করার জন্য নামিয়েছে এলজেপির সদ্য প্রয়াত নেতা রামবিলাস পাসোয়ানের ছেলে চিরাগ পাসোয়ানকে। চিরাগ বিজেপির কাছ থেকে সুপারি নিয়েছেন, কারণ তিনি স্বপ্ন দেখছেন, বাবার মন্ত্রিত্ব বিজেপি এবার তাঁকেই দেবে। কেন্দ্রের মন্ত্রিত্ব পেতে নীতীশের বিরুদ্ধে অল আউট নেমেছেন চিরাগ। নীতীশের বিরুদ্ধে ভ্রষ্টাচারের সব থেকে বড় অভিযোগ বিরোধীরা কিন্তু আনেননি। এনেছেন চিরাগ পাসোয়ানই। তিনি বলেছেন, নতুন সরকার এলে নীতীশজি জেলে যাবেন। একথার নেপথ্য সৌজন্যে অবশ্যই বিজেপি। চিরাগ এখন বিজেপির হিজ মাস্টার’স ভয়েস। তাহলে বোঝা যাচ্ছে কি, বিজেপি ক্ষমতায় এলে নীতীশজির পরিণতি কী হতে পারে? অবশ্য চিরাগবাবুরও অসহায় অবস্থা। তাঁর সামনে খুড়োর কল। তিনি এখন মোদি এবং অমিতজির আজ্ঞাবহ। চিরাগকে বোঝানো হয়েছে, দলিত ভোট কাটার জন্যই তাঁকে একা লড়তে হবে। এই জোটে চিরাগের ভূমিকা আবুলিশের মতো। থেকেও যা, না থেকেও তাই। বিহারের ভোটে নীতীশের মতো চিরাগও বিজেপির একটা পাখি। প্রথম দফার ভোটের জোটের প্রচারের পোস্টার, ফ্লেক্সে মোদির সঙ্গে মুখ ছিল নীতীশ কুমারেরও। দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচারে নীতীশজির মুখ উধাও বহু জায়গায়। বিহারে বিজেপি ভোট করছে মোদিজির মুখ দেখিয়ে। 
বাংলা সিরিয়ালের কুচুটে চরিত্রগুলি যেমনভাবে ঘরে আগুন লাগিয়ে নিজে ক্ষমতার ক্ষীরটুকু নিশ্চিন্তে খাব বলে ছক কষে, সেরকমই বিহার নিয়ে ছক বিজেপির। প্রথমেই বলে নেওয়া ভালো যে, এনডিএ জোটের মধ্যে নীতীশের জনতা দল ইউনাইটেডের অবস্থা সব থেকে খারাপ। ‘নীতীশজি ভালো মুখ্যমন্ত্রী’, এই প্রচারেই তিনি ক্ষমতায় আসতেন। কিন্তু রাজ্যের মানুষ এবার তাঁর প্রতি ক্ষুব্ধ। সকলেই বলছেন, বিজেপির পাল্লায় পড়ে নীতীশকুমার তাঁর সুশাসনের দিনগুলি ভুলে গিয়েছেন। এনডিএর প্রার্থীরা প্রচারে বেরিয়ে মানুষের নানা অপ্রিয় প্রশ্নের মুখোমুখি হচ্ছেন। অনেক প্রার্থীকে অপদস্থ হতে হচ্ছে। দু’একটি জায়গায় জেডিইউয়ের প্রার্থীর গাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়াও হয়েছে। প্রচারে এসে ‘মুর্দাবাদ’ ধ্বনি হজম করতে হয়েছে যোগী আদিত্যনাথকেও। এর পিছনে  রয়েছেন বিহারের সেই সব দরিদ্র মানুষ, যাঁরা  হাজার হাজার মাইল স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে হেঁটে  বাড়ি ফিরেছেন, যাঁদের কেউ কেউ ফিরতেও পারেননি। কারও বৃদ্ধ বাবা, কারও বৃদ্ধা মা, কারও বা শিশু সন্তান পথেই মারা গিয়েছে। একটু খাবার একটু জল, একটু দুধের অভাবে লকডাউনের সময় মারা গিয়েছেন অনেকে। তাঁরাই আজ বিহারে অনেকটা নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা গ্রহণ করবেন।  কোনও দলের কোনও প্রচারই তাঁদের ভাবাবেগ, তাঁদের ফেলে আসা দুর্দশার স্মৃতিগুলিকে প্রভাবিত করতে পারবে না। কী নীতীশ কুমার, কী বিজেপি, উভয় দল সম্পর্কেই তাঁদের ভাবনা একই। তাঁদের মধ্যে হিন্দু ভোট আছে, তাঁদের মধ্যে মুসলিম ভোটও আছে। সেই অভাবী, দরিদ্র মানুষগুলোর যন্ত্রণার অনুভূতিতে কোনও ধর্মের সুড়সুড়ি, হিন্দুত্বের আবেগ বা রামমন্দিরের উল্লাস প্রভাব ফেলতে পারবে না। তাঁরা নিঃস্ব, ক্ষমতাহীন। কিন্তু পাঁচ বছর অন্তর তাঁদের একটাই ক্ষমতা দিয়েছে দেশের সংবিধান, দেশের গণতন্ত্র। সেই পাশুপত অস্ত্র এবার তাঁরা ভোটে প্রয়োগ করবেন।
কিন্তু বিহারের ভোটে এটা প্রধান ইস্যু নয়। বিহারের ভোটে প্রধান ইস্যু হল বেরোজগারি। বিহারের যুব সম্প্রদায় এবার চান অন্য বিহার। যে বিহারকে অন্য রাজ্যের মানুষ আঙুল দেখিয়ে বলে, অনুন্নত। সেই বিহারকে বদল করতে চায় যুব সম্প্রদায়। লালুপ্রসাদ যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নির্বাচনী ইস্তাহার সেই প্রত্যাশাকেই স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছে। সেই ইস্তাহারে এবার দশ লাখ চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি বিষয়ে প্রতিশ্রুতি রয়েছে। ঠিক এইখানেই বিজেপি তড়িঘড়ি তেজস্বী যাদবকে টক্কর দিতে উনিশ লক্ষ চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই ঘোষণা থেকেই বোঝা যাচ্ছে, বিজেপি কতটা চাপে! বিজেপির চাপটা আরও বুঝিয়ে দিয়েছেন, নির্মলা সীতারামন। একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়ে তিনি বলে বসলেন, বিহারে বিজেপি ক্ষমতায় এলে সবাইকে বিনা পয়সায় করোনার ভ্যাকসিন দেবে। তাহলে অন্য রাজ্যের মানুষের কী হবে? কিংবা যে রাজ্যেগুলিতে বিজেপি ক্ষমতায় নেই, সেখানে কী হবে? অর্থাৎ আগুপিছু বিবেচনা না করে অর্থমন্ত্রী বলে ফেললেন, তোমরা আমাদের ভোট দাও, আমরা তোমাদের ফ্রি ভ্যাকসিন দেব। একেই বলে চাপের কাছে নতিস্বীকার।
আজ বিহারে প্রথম দফার ভোট। কারা এবার বিহারে ক্ষমতা দখল করবে, তারই টি-২০ ম্যাচ শুরু। তবে এবার বিহারের ভোটাররা কারও প্রচারে প্রভাবিত না হয়েই ভোট দেবেন। মানি পাওয়ার বা মাসল পাওয়ারের জমানা পেরিয়ে বিহার বেরিয়ে আসতে চায়। এবার কিন্তু বিহারে টাকা ছড়িয়ে কোনও দলই ভোটে জিততে পারবে না। এবার তারা অনেক হিসাব বুঝে নিতে চাইছে।     
মোদি যেদিন প্রথম বিহারে নির্বাচনী প্রচারে এলেন, সেদিনটাই বলে দিয়েছে বিহারের ভোটের ফল কী হতে চলেছে। গোয়েন্দারা সেই রিপোর্ট কেন্দ্রকে দিয়ে দিয়েছেন। বক্তৃতায় মোদিজির বডি ল্যাঙ্গুয়েজে সেই ঝাঁঝ দেখা যায়নি। বিহারের মোবাইলে মোবাইলে ছড়িয়ে পড়েছে ‘হ্যাজট্যাগ মোদি গো ব্যাক’ স্লোগান। প্রতিদিন বদলে যাচ্ছে আগাম ওপিনিয়ন পোলের ফলাফল। বিহারে এবারের ভোট একটা আন্দোলনের রূপ নিয়েছে। আওয়াজ উঠেছে, ‘লালটেন-লালটেন’। অর্থাৎ আরজেডির প্রতীক লণ্ঠন। এমনই ঝোড়ো হাওয়া এরাজ্যে দেখা গিয়েছেল ২০১১ সালে। ঝড়ের সেই পূর্বাভাস বুঝতে পারছেন নেতারাও। তাই মোদি অ্যান্ড কোম্পানি এবার যতই বিহারে পাখি মারার ছক কষুক না কেন, কোনও ফলই হবে না। কেননা  শিকারি এবার নিজেই শিকার। সব দিক থেকেই এবার বিহারের ভোট অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মোদির সার্বিক ব্যর্থতার প্রতি মানুষের মনোভাব স্পষ্টরূপে বোঝা যাবে এই নির্বাচনে। এই নির্বাচনে মোদি বাহিনীর ভরাডুবি হলে এখনই বলে দেওয়া যাবে, পশ্চিমবঙ্গেও তাদের ঠাঁই নেই, ঠাঁই নেই।
28th  October, 2020
প্রতিষ্ঠানের থেকে বড় কেউ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। যার নেপথ্যে রয়েছে সংগ্রামী অতীত। তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশদ

ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

30th  November, 2020
আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। বিশদ

28th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন। ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? 
বিশদ

20th  November, 2020
একনজরে
নবম শিখ গুরু তেগবাহাদুরের ৪০০তম জন্মবার্ষিকী ধুমধাম সহকারে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। বিভিন্ন কর্মসূচি শুরু হবে ৩১ জানুয়ারি। এগুলির সফল রূপায়ণের জন্য জাতীয় স্তরে ...

আগামী শুক্রবার সর্বদলীয় বৈঠকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হলেও সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করছে বিরোধীরা। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ওই বৈঠকে হবে। বৈঠকে যোগ দিতে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রকের উদ্যোগে সংসদীয় দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। ...

রবিবার রাতে গাজোলে এক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল তিন বন্ধুর। পুজোর ভোগ খেয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা।  শাহাজাদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের  জামতলা রাইস মিলের কাছে  ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কে ...

পোষ্য মেজরের সঙ্গে খেলতে গিয়ে পড়ে গিয়ে পায়ের হাড়ে চিড় ধরল জো বাইডেনের। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ক্ষত সারাতে বেশ কয়েক সপ্তাহ বিশেষ জুতো পরতে হবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট বাইডনেকে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব এইডস দিবস
১৭৬১: মাদাম তুসো জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ম্যারি তুসোর জন্ম
১৯৩২:  ঔপন্যাসিক, কল্পবিজ্ঞান লেখক ও সম্পাদক অদ্রীশ বর্ধনের জন্ম
১৯৪১: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণে চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেন জাপানের সম্রাট হিরোহিতো
১৯৫৪: সমাজকর্মী মেধা পাটেকরের জন্ম
১৯৬৩: ভারতের ১৬তম রাজ্য হিসাবে ঘোষিত হল নাগাল্যাণ্ড
১৯৬৫: প্রতিষ্ঠিত হল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)
১৯৭৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী সুচেতা কৃপালিনীর মৃত্যু
১৯৮০: ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফের জন্ম
১৯৯৭: বিহারের লক্ষ্মণপুর-বাথে অঞ্চলে ৬৩জন নিম্নবর্গীয়কে খুন করল রণবীর সেনা
১৯৯৯: গায়ক শান্তিদেব ঘোষের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০০ টাকা ৭৪.৭১ টাকা
পাউন্ড ৯৭.০৯ টাকা ১০০.৪৮ টাকা
ইউরো ৮৬.৫১ টাকা ৮৯.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  November, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৯,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৯,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০, প্রতিপদ ২৭/১ অপঃ ৪/৫২। রোহিণী নক্ষত্র ৬/৩১ দিবা ৮/৩১। সূর্যোদয় ৬/৪/২, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/২০। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৭/২৮ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১২ গতে ১১/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/৩৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে পুনঃ ৫/৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০, প্রতিপদ দিবা ৩/৫৭। রোহিণী নক্ষত্র দিবা ৮/৩৯। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৬ গতে ৮/৪৬ মধ্যে ও ১২/৪৭ গতে ২/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৭ মধ্যে। 
১৫ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৬৭ বছরের নীচে প্লাজমা প্রয়োগে ইতিবাচক ফল
রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্লাজমা থেরাপিতে যথেষ্ট ইতিবাচক ফল মিলেছে। সদ্য ...বিশদ

30-11-2020 - 09:58:34 PM

ডেঙ্গু রোধে নিকাশি নালাগুলি সংস্কারের নির্দেশ মুখ্যসচিবের
ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া রোধে আজ সোমবার নবান্নে সেচ, পুর নগরোন্নয়ন ...বিশদ

30-11-2020 - 09:57:00 PM

রাজ্যে করোনা জয়ীর সংখ্যা ৪.৫০ লক্ষ ছাড়াল
বাংলায় দৈনিক করোনা সংক্রমণের গ্রাফ নিম্নমূখী।  গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ...বিশদ

30-11-2020 - 09:21:04 PM

 কাশি বিশ্বনাথ মন্দিরে পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

30-11-2020 - 05:29:50 PM

সুতাহাটায় শিক্ষিকার গলা কাটা দেহ উদ্ধার 
সোমবার বিকেলে সুতাহাটার চৈতন্যপুরে এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকার গলা কাটা দেহ ...বিশদ

30-11-2020 - 05:26:01 PM

জো বাইডেন সরকারে আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত 
আমেরিকার জো বাইডেন সরকারে অংশ নিতে চলেছেন আরও এক ভারতীয় ...বিশদ

30-11-2020 - 05:20:24 PM