Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বেদ, পুরাণে বন্দিতা মহামায়া দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

একদা দেবাসুর-সংগ্রামে ব্রহ্মশক্তির প্রেরণায় জয় হল দেবতাদের। একে বিজয় মহিমা মনে করে অগ্নি, বায়ু, বরুণ ও চন্দ্র এই চার দেবতা অহংকৃত ও গৌরবান্বিত হন। তাঁদের মুখমণ্ডলে কর্তৃত্বের পরিতৃপ্তি। বলদর্পে আচ্ছন্ন হয়ে সেই অমরবৃন্দ ভুলে গেলেন ব্রহ্মশক্তির কথা, যাঁর শক্তি ও অনুকম্পায় তাঁরা এতকাল শক্তিমান। কতিপয় দেবতার এই মিথ্যা অভিমান নিরসন করার জন্য ব্রহ্ম এক অত্যুজ্জ্বল জ্যোতিরূপে তাঁদের সামনে প্রকাশিত হলেন। এই অপরূপ জ্যোতির স্বরূপ জানতে না পেরে তাঁরা প্রথমে অগ্নিকে জেনে আসতে পাঠালেন। তৎসমীপে এগিয়ে আসতেই জ্যোতির্ময় ব্রহ্ম তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কে তুমি? কেমন তোমার বীর্যবত্তা ও কর্মকুশলতা?’ তাচ্ছিল্যভাবে উত্তর দিলেন অগ্নিদেব, ‘আমি জাতবেদা। পৃথিবীতে যা কিছু আছে আমি সমস্ত কিছুই ভস্ম করতে পারি।’ তখন ব্রহ্ম একটি তৃণখণ্ড দিয়ে অগ্নিকে বললেন, ‘তবে একে দগ্ধ কর।’ সমুদয় বল প্রয়োগ করেও তৃণটি দহন করতে না পেরে অগ্নি মুহ্যমান হয়ে অবনত মস্তকে ফিরে এলেন। দেবগণের অনুরোধে এবার বয়োজ্যেষ্ঠ পবনদেব ব্রহ্মসমীপে পরিচয় জানতে গেলেন। ব্রহ্ম পূর্বে তাঁর নাম ও শক্তি জানতে চাইলেন। অবজ্ঞায় উত্তর দিলেন মাতরিশ্বা, ইচ্ছা করলে জগতের সবকিছুকে বায়ু মুহূর্তের মধ্যে স্থানচ্যুত করতে পারে। ব্রহ্ম তখন বায়ুর সম্মুখে একটি তৃণগাছি নিক্ষেপ করলেন। কিন্তু বায়ু সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করেও তা ওড়াতে না পেরে ব্যর্থকাম হয়ে ভয়ে সরে পড়লেন। একই অবস্থা চন্দ্র ও বরুণদেবের। অনন্তর দেবরাজ ইন্দ্র এগিয়ে যেতেই সেই জ্যোতিব্রহ্ম তৎক্ষণাৎ অন্তর্হিত হলেন। ইন্দ্র দেখলেন আকাশে আবির্ভূতা সুবর্ণভূষণে বিভূষিতা কোটিচন্দ্রের সমপ্রভা এক অপরূপা দেবীমূর্তি। ইনি মহামায়া উমা-হৈমবতী। ব্রহ্মশক্তিস্বরূপিণী মহিমময়ী দেবীর নির্দেশে ইন্দ্র জানতে পারলেন এই মহাদেবীর করুণাতেই দেবগণের সমস্ত কার্যে সাফল্য। তাঁর শক্তিতেই তাঁরা শক্তিমান। এভাবে গর্বিত দেবতাদের দর্প চূর্ণ হল।
বৈদিক যুগে শক্তির আরাধনার বীজ যে কতখানি পুষ্পিত হয়েছিল উপরিউক্ত এই সুস্পষ্ট ছবিটি পাওয়া গেল সামবেদীয় উপনিষদে। এখানে ব্রহ্মবিদ্যারূপিণী বহুশোভমানা দেবী উমা-হৈমবতীর দর্শন পাই। ইনিই দেবরাজ ইন্দ্রকে ব্রহ্মজ্ঞান দিয়েছিলেন। সিন্ধু সভ্যতা ও বৈদিক সভ্যতা থেকে উৎসারিত হয়েছিল শক্তি আরাধনার মূল ধারাটি। ‘যা দেবী সর্বভূতেষু শক্তিরূপেণ সংস্থিতা’ এই অখণ্ড মহতী শক্তি ভক্তজনকে অনুগ্রহ করার নিমিত্ত মহামাতৃকায় বিভিন্ন রূপ ধারণ করে প্রকাশিত হন। —‘সাধকানাং হিতার্থায় ব্রহ্মণো রূপকল্পনা’। দুর্গা, কালী, জগদ্ধাত্রী, অন্নপূর্ণা, গায়ত্রী, সাবিত্রী, চামুণ্ডা, চণ্ডী প্রভৃতি নাম ও মূর্তি মাতৃপুজোর এক বিশেষ অভিব্যক্তি। জগন্নিয়ন্ত্রী আদ্যাশক্তি মহামায়া শারদ লগ্নে আমাদের সমক্ষে পুজোর বেদিতে আবির্ভূতা হন মহাশক্তি দারিদ্র্য দুঃখহারিণী জগন্মাতা মা দুর্গারূপে। তিনিই আমাদের সকলের জননী জগৎপালিনী দুর্গতিহারিণী দুর্গা। জগতের সমস্ত দুঃখকে দূর করে যিনি মানবকে আনন্দময় করে তোলেন তিনিই মা দুর্গা।
পৃথিবীর প্রাচীনতম গ্রন্থ ঋগ্বেদে মাঙ্গল্যদায়িনী মহাজননীর সর্বদেবময়ী ঈশ্বরীরূপের সর্বাগ্রে পরিচয় পাই। এখানে দেবী অদিতিরূপে চিহ্নিত। ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলের ‘দেবী সূক্তে’ দেবী নিজেকে সর্বশক্তি সমন্বিতা, সর্বস্রষ্টী, জগতের ঈশ্বরী বলে আভাসিত করেছেন। শুক্ল যজুর্বেদে দেবী অম্বিকা শারদা নামেই ধরা দিয়েছেন। তাই এই শরৎকালই যেন মা অম্বিকার এক শোভন ও রমণীয় রূপ। তৈত্তিরীয় আরণ্যকের মহানারায়ণ উপনিষদে পাই, ‘দুর্গাং দেবীং শরণমহং প্রপদ্যে।’—আমি দেবী দুর্গার আশ্রয় গ্রহণ করি। তৈত্তিরীয় আরণ্যকের দুর্গা গায়ত্রীতে উল্লেখ দেখা যায়, ‘কাত্যায়নায় বিদ্মহে কন্যাকুমারীং ধীমহি তন্মো দুর্গিঃ প্রচোদয়াৎ।’ এই মন্ত্র শ্রীদুর্গাগায়ত্রী রূপেই বন্দিত। সায়নাচার্যের ভাষ্যমতে দুর্গি ও দুর্গা অভিন্ন।
মার্কণ্ডেয় পুরাণের অন্তর্গত শ্রীশ্রীচণ্ডীতে দেবী পুজোর সামগ্রিক বিকাশটি সুস্পষ্টরূপে ফুটে উঠেছে। আদ্যাশক্তি মহামায়া গুণ ও কর্মভেদে তিনি কখনও মহাকালী, কখনও মহালক্ষ্মী, কখনও বা মহাসরস্বতী রূপে প্রকাশিতা। তামসীরূপে তিনি মহাকালী, সাত্ত্বিকীরূপে তিনি মহাসরস্বতী আর বাজসীরূপে দেবীর প্রকাশ মহালক্ষ্মীরূপে। চণ্ডীতে দেবী নিজেই তাঁর পরিচয় দিয়ে বলেছেন, ‘আমি আবার দুর্গম নামক মহাসুরকে বধ করে, দুর্গাদেবী নামে বিখ্যাত হব।’
দেবী ভগবতী চণ্ডিকাদেবীর ধ্যানমন্ত্রে তাঁর বৈচিত্র্যময় স্বরূপটি প্রকটিত। যে চণ্ডিকা মধুকৈটভাদি দৈত্যদলনকারিণী, যিনি মহিষাসুরমর্দিনী, যিনি ধূম্রলোচন-চণ্ডমুণ্ডাসুরসংহারিণী, যিনি রক্তবীজ- ভক্ষয়িত্রী, যে শক্তি শুম্ভনিশুম্ভাসুর- বিনাশকারিণী এবং পরমা সিদ্ধিদাত্রী এবং নবকোটি সহচরী পরিবৃতা সেই বিশ্বেশ্বরীদেবী আমাকে পালন করুন। ‘যা চণ্ডী মধুকৈটভাদিদৈত্যদলনী’ ইত্যাদি।
‘জগন্মাতা দুর্গা হতে অভিন্না নব মাতৃকা শক্তি সমষ্টিগত ভাবে নবদুর্গা নামে বিশেষ প্রসিদ্ধ। শ্রীশ্রীচণ্ডীর ‘দেবীকবচ’ স্তোত্রে দেবী দুর্গার নয়টি নাম উল্লিখিত। যথা শৈলপুত্রী, ব্রহ্মচারিণী, চন্দ্রঘণ্টা, কুষ্মাণ্ডা, স্কন্দমাতা, কাত্যায়নী, কালরাত্রি, মহাগৌরী ও সিদ্ধিদাত্রী। সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা, দেবী দুর্গার এই নয়টি রূপের নামকরণ করেছেন। ‘দুর্গাসি দুর্গ ভবসাগর নৌর সঙ্গা’— দুর্গ বা সঙ্কট হতে যিনি সকলকে উদ্ধার করেন, তিনিই দুর্গা। মাতৃপুজোর ইতিহাস অনুধ্যান করলে আমরা দেখতে পাই সর্বমঙ্গলা এই চিন্ময়ী ভগবতী স্বর্গের অমরগণ, মর্ত্যের রাজন্যবর্গ ও দেশনায়কদের অনিষ্ট নাশনে যুগে যুগে অসুরশক্তিকে বিধ্বংস করে বিশ্ব চরাচরে উদ্ধারকর্ত্রী রূপে পূজিতা ও বন্দিতা হয়েছেন। শ্রীশ্রীচণ্ডীতে আছে, মেধাঋষির নিকট দেবী মাহাত্ম্য বিস্তারিতভাবে শোনার পর রাজ্যহৃত রাজা সুরথ এবং স্বজন পরিত্যক্ত সমাধি বৈশ্য নদীতটে মাতৃদুর্গার মৃন্ময়ী মূর্তি নির্মাণ করে পুষ্পধূপাগ্নি তর্পণ দ্বারা দেবীর পুজো করেছিলেন। মা দুর্গার বর পেয়ে নৃপতি সুরথ ফিরে পেয়েছিলেন রাজ্যপাট আর মুমুক্ষু সাধক সমাধি হয়েছিলেন মুক্তিপদ ব্রহ্মজ্ঞানের অধিকারী। রাজা সুরথ বসন্তকালে মৃন্ময়ী প্রতিমাতে দুর্গা-অর্চনা করেছিলেন বলে তাই এই পুজোর নাম বাসন্তী পুজো। ত্রেতাযুগে মর্যাদা-পুরুষোত্তম শ্রীরামচন্দ্র সীতা উদ্ধার কামনায় শরৎকালে অকালে দেবীর বোধন করে যে পুজো করেছিলেন তার ধারাবাহিকতা আজও চলে আসছে। তখন থেকেই এই শারদীয়া দুর্গাপুজোর প্রচলন বলে কথিত। বাংলার মহাকবি কৃত্তিবাসের রামায়ণে একশো আট নীলপদ্ম দ্বারা শ্রীরামের দুর্গোৎসবের বিস্তৃত বিবরণ দেওয়া আছে। মহর্ষি বাল্মীকির রামায়ণে রামচন্দ্রের দুর্গাবন্দনার কথা উল্লেখ না থাকলেও দেবী ভাগবত, কালিকাপুরাণ, বৃহদ্ধর্মপুরাণ, বৃহন্নন্দিকেশ্বর পুরাণ, মহাভাগবত পুরাণাদিতে দুর্গাদেবীর অকালবোধনের নানান প্রকারের কথা দৃপ্ত কণ্ঠে বিঘোষিত। ‘রাবণস্য বধার্থায় রামস্যানুগ্রহায় চ’। ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে চিরশুভকারিণী দেবী দুর্গা প্রথম প্রকৃতিরূপে বর্ণিত। সৃষ্টির কার্যে প্রকৃতি পাঁচভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন। প্রথমে তিনি গণেশজননী দুর্গা, দ্বিতীয় হলেন মহালক্ষ্মী, তৃতীয় সরস্বতী, চতুর্থ রাধা ও পঞ্চম সাবিত্রীরূপে।
ভারতের অখণ্ডতা ও সংহতি রক্ষার প্রথম রূপকার পুরুষোত্তম শ্রীকৃষ্ণচন্দ্রের দুর্গাস্তুতির কথা ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে আলোচিত। এই মহাপুরাণের প্রকৃতিখণ্ডের ৬৬তম অধ্যায়ে আছে, রাসেশ্বর রাধারমণ যশোদাদুলাল, বৃন্দাবনের রাসমণ্ডলে প্রথম মহামায়া মহাজননীর অর্চনা করেছিলেন। ‘প্রথমে পূজিতা সা চ কৃষ্ণেন পরমাত্মনা। বৃন্দাবনে চ সৃষ্ট্যাদৌ গোলকে রাস মণ্ডলে।’ ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে এই প্রকৃতিদেবী দুর্গাশক্তি সম্বন্ধে দেবকীনন্দন গোপরাজ নন্দকে বলেছিলেন, ‘শ্রীদুর্গা আদিভূতা নারায়ণী শক্তি। আমার এই শক্তি সৃষ্টিস্থিতিপ্রলয়কারিণী। আমার ওই শক্তি হতেই এ সংসারের উৎপত্তি। ইনিই গোলকে রাধিকা, বৈকুণ্ঠে লক্ষ্মী, কৈলাসে সতী এবং হিমালয়ে পার্বতী। ইনিই আবার সরস্বতী ও সাবিত্রী। বহ্নিতে দাহিকা শক্তি, ভাস্করের প্রজা শক্তি, চন্দ্রে শোভা শক্তি, ব্রাহ্মণে ব্রাহ্মণ্য শক্তি, দেবগণে দেব শক্তি, তপস্বীতে তপস্যা শক্তি—সকলই ইনি। আমার ওই শক্তি গৃহীগণের গৃহদেবতা, মুক্তের বিদ্যারূপা এবং সাংসারিকের মায়া। আমার ভক্তগণের মধ্যে ইনিই ভক্তিদেবী রূপে বিরাজিতা। রাজার রাজলক্ষ্মী, বণিকের লভ্যরূপা, শাস্ত্রে ব্যাখ্যারূপিণী, সাধুগণের সুবুদ্ধিরূপা, মেধাবীতে মেধাস্বরূপা, দাতৃগণের দানরূপা—সকলই ওই শক্তি। এককথায় দুর্গাশক্তি সর্বশক্তিস্বরূপা।’
 লেখক প্রাবন্ধিক ও গ্রন্থপ্রণেতা
22nd  October, 2020
প্রতিষ্ঠানের থেকে বড় কেউ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। যার নেপথ্যে রয়েছে সংগ্রামী অতীত। তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশদ

ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

30th  November, 2020
আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। বিশদ

28th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন। ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? 
বিশদ

20th  November, 2020
একনজরে
দুর্গাপুর এক্সপ্রেস ওয়ের উপর দিয়ে প্রতিদিন সরকারি, বেসরকারি শয়ে শয়ে বাস যাতায়াত করে। পুরুলিয়া থেকে কলকাতা যাওয়া বা দীঘা থেকে দুর্গাপুর আসা, ওই সড়কে এসবিএসটিসির ...

লক্ষ্মীবিলাস ব্যাঙ্কের (এলভিবি) গ্রাহকরা সম্পূর্ণ ব্যাঙ্কিং পরিষেবাই পাবেন। সোমবার ডিবিএস ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে একথা জানানো হয়েছে। সম্প্রতি ডিবিএস ব্যাঙ্কের সঙ্গে লক্ষ্মীবিলাস ব্যাঙ্কের সংযুক্তিকরণ ঘটানো হয়। এরপরেই আমানত নিয়ে এলভিবির গ্রাহকদের মধ্যে নানা সংশয় দেখা দেয়। ...

রবিবার রাতে গাজোলে এক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল তিন বন্ধুর। পুজোর ভোগ খেয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা।  শাহাজাদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের  জামতলা রাইস মিলের কাছে  ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কে ...

ওয়ান্ডা মেট্রোপলিটানোয় খেলা হলেও বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে আতলেতিকো মাদ্রিদকে এগিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চলতি মরশুমে জার্মান ক্লাবটি অনবদ্য ছন্দে রয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব এইডস দিবস
১৭৬১: মাদাম তুসো জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ম্যারি তুসোর জন্ম
১৯৩২:  ঔপন্যাসিক, কল্পবিজ্ঞান লেখক ও সম্পাদক অদ্রীশ বর্ধনের জন্ম
১৯৪১: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণে চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেন জাপানের সম্রাট হিরোহিতো
১৯৫৪: সমাজকর্মী মেধা পাটেকরের জন্ম
১৯৬৩: ভারতের ১৬তম রাজ্য হিসাবে ঘোষিত হল নাগাল্যাণ্ড
১৯৬৫: প্রতিষ্ঠিত হল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)
১৯৭৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী সুচেতা কৃপালিনীর মৃত্যু
১৯৮০: ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফের জন্ম
১৯৯৭: বিহারের লক্ষ্মণপুর-বাথে অঞ্চলে ৬৩জন নিম্নবর্গীয়কে খুন করল রণবীর সেনা
১৯৯৯: গায়ক শান্তিদেব ঘোষের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০০ টাকা ৭৪.৭১ টাকা
পাউন্ড ৯৭.০৯ টাকা ১০০.৪৮ টাকা
ইউরো ৮৬.৫১ টাকা ৮৯.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  November, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৯,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৯,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০, প্রতিপদ ২৭/১ অপঃ ৪/৫২। রোহিণী নক্ষত্র ৬/৩১ দিবা ৮/৩১। সূর্যোদয় ৬/৪/২, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/২০। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৭/২৮ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১২ গতে ১১/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/৩৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে পুনঃ ৫/৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০, প্রতিপদ দিবা ৩/৫৭। রোহিণী নক্ষত্র দিবা ৮/৩৯। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৬ গতে ৮/৪৬ মধ্যে ও ১২/৪৭ গতে ২/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৭ মধ্যে। 
১৫ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৬৭ বছরের নীচে প্লাজমা প্রয়োগে ইতিবাচক ফল
রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্লাজমা থেরাপিতে যথেষ্ট ইতিবাচক ফল মিলেছে। সদ্য ...বিশদ

30-11-2020 - 09:58:34 PM

ডেঙ্গু রোধে নিকাশি নালাগুলি সংস্কারের নির্দেশ মুখ্যসচিবের
ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া রোধে আজ সোমবার নবান্নে সেচ, পুর নগরোন্নয়ন ...বিশদ

30-11-2020 - 09:57:00 PM

রাজ্যে করোনা জয়ীর সংখ্যা ৪.৫০ লক্ষ ছাড়াল
বাংলায় দৈনিক করোনা সংক্রমণের গ্রাফ নিম্নমূখী।  গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ...বিশদ

30-11-2020 - 09:21:04 PM

 কাশি বিশ্বনাথ মন্দিরে পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

30-11-2020 - 05:29:50 PM

সুতাহাটায় শিক্ষিকার গলা কাটা দেহ উদ্ধার 
সোমবার বিকেলে সুতাহাটার চৈতন্যপুরে এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকার গলা কাটা দেহ ...বিশদ

30-11-2020 - 05:26:01 PM

জো বাইডেন সরকারে আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত 
আমেরিকার জো বাইডেন সরকারে অংশ নিতে চলেছেন আরও এক ভারতীয় ...বিশদ

30-11-2020 - 05:20:24 PM