Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পুজো হোক, লকডাউনে থাকুক উৎসব
সন্দীপন বিশ্বাস

বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোয় বিগ বাজেট কিংবা স্টার ক্লাবগুলির প্রস্তুতি, উদ্বোধন এখন দ্বিতীয়ার মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। তৃতীয়া থেকে নামে মানুষের ঠাকুর দেখার ঢল। পাঁচদিনের পুজোকে আমরা টেনে টেনে দিন দশেকে নিয়ে গিয়েছি। কিন্তু এবার পরিস্থিতি অন্য। এবার কিন্তু ‘প্রমোদে ঢালিয়া দিনু মন’ বলে বেরিয়ে পড়া যাবে না। ‘চুলোয় যাক করোনা। আমার কিসসু হবে না’ বলে যে সব অতি উৎসাহী ব্যক্তি নানা রকম পরিকল্পনা নিয়ে বেরিয়ে পড়ার স্কিম করেছিলেন, করোনাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে প্যান্ডেল হপিংয়ে শৌর্য প্রদর্শন করবেন বলে কোমর বাঁধছিলেন, তাঁদের সেই মূর্খামির মুখের উপর ব্যারিকেড বসিয়ে দিয়ে যথার্থ কাজই করেছে হাইকোর্ট। বেশ কিছুদিন ধরেই সরকার সংযতভাবে উৎসব পালন করার কথা বলে আসছিল, ডাক্তারবাবুরা বারবার করোনার সূচক বৃদ্ধির
আশঙ্কা করছিলেন, হাসপাতালে হাসপাতালে সেই আশঙ্কায় বাড়তি বেড রাখার কথাও বলা হচ্ছিল। এসব দেখে মনে পড়ছিল অসমের জাটিঙ্গার কথা। অদ্ভুত রহস্যজনক এক গ্রাম। যেখানে হাজার হাজার পরিযায়ী পাখি বছরের একটা বিশেষ সময়ে উড়ে আসে আত্মহননের নেশায়। সেই আত্মহননের মধ্যে কী কোনও আনন্দ লুকিয়ে থাকে? গবেষকরা আজও সেই রহস্যের সন্ধান করে চলেছেন। হাইকোর্টের নির্দেশে আশা করি অতি উৎসাহীরা সংযত হবেন। এবারের উৎসবকে শেষ পর্যন্ত জাটিঙ্গার মতো আত্মহত্যার উৎসব হতে দেব না, সেই প্রতিজ্ঞা আমাদের সবাইকে করতে হবে।
আমাদের বোঝা উচিত, করোনা নিঃশব্দে গেরিলার মতো ঘাপটি মেরে বসে আছে। এবার উৎসবের প্রাঙ্গণজুড়ে মৃত্যুর আলপনা। একটু বেচাল অবস্থা হলেই ঘরে ঘরে শুরু হয়ে যাবে করোনার সংক্রমণ বিপ্লব। যে ভাইরাসকে আমরা তিল তিল করে
নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা করছি, সারা বিশ্ব যে রোগের
ওষুধ আবিষ্কারের জন্য মাথা কুটছে, তাকে আমরা উদ্দাম জমায়েতের মধ্য দিয়ে ওয়াকওভার পেতে দেব না। আর কয়েকটা মাস হয়তো আমাদের এভাবে চোয়াল চেপে এই সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে হবে। শেষ পর্যন্ত যেন তীরে এসে তরী না ডোবে। এই সচেতনতাটুকু কী আমরা প্রত্যাশা করতে পারি না? পুজোর শেষে বিসর্জনের সময় আমরা যেমন বলি, ‘আসছে বছর আবার হবে।’ সেটাই এবার আমরা পুজোর আগেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধভাবে বলি, ‘আসছে বছর বড় করে হবে।’ আসছে বছরে সেরার সেরা থিমের পুরস্কার আমরাই জিতব। আসছে বছর সেরা ইঁদুর বা সেরা পেঁচার পুরস্কার আমাদের জিততেই হবে।
এবার বৃহত্তর স্বার্থে সব দূরে থাক। পুজোটুকু হোক। সেখানে আমাদের অন্তরের স্পর্শটুকু লেগে থাকুক। এবার শুধু পুজো হোক, লকডাউন থাকুক উৎসবের লাগামছাড়া বহিঃপ্রকাশে।
সকাল দেখেই যেমন বোঝা যায়, দিনটা কেমন যাবে, তেমনই বাঙালির আত্মঘাতী স্বরূপে পুজোর বাজার দেখেই বোঝা যাচ্ছিল এবার শারদোৎসব কেমন যাবে। আমাদের সামনে ভয়ঙ্কর উদাহরণ হয়ে আছে ওনাম উৎসব। আমরা সবাই জানি কেমন করে ওনামের পর কেরলে বেড়ে গেল করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। শুধু পুজোর বাজারকেই বা দোষ দিই কী করে! সিপিএমের আন্দোলন আর বিজেপির নবান্ন অভিযান কম যায় কীসে? বিজেপির ওই অভিযান তো তবলিগি সমাবেশের আতঙ্ককেও হার মানিয়েছে। রাজনৈতিক দিক থেকে বিজেপির সাম্প্রতিক অভিযানের নিট ফল নেগেটিভ হলেও নিঃশব্দে করোনা সম্প্রসারণে সেটি পজিটিভ ভূমিকা নিয়েছে বলে অনুযোগ করাই যায়। তাই সমস্ত পরিস্থিতি বিচার করে হাইকোর্টের এই রায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আশা করা যায়, ওই রায় আমাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের শক্তিকে অনেকটাই বাড়িয়ে দেবে। সেই সঙ্গে বলতে হয়, পুজোর আবহাওয়া নিয়ে পূর্বাভাসের কথা। আবহাওয়া দপ্তর পুজোর মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা ঘোষণা করেছে। বৃষ্টি হলে এবার সেটা শাপে বর হয়ে যাবে। বলা যেতে পারে, হাইকোর্টের রায় এবং বৃষ্টির পূর্বাভাস, এমন রাজযোটকের আশীর্বাদে বাইরে বেরনোর উৎসাহ অনেকটাই কমতে পারে।
কিন্তু কোর্টের রায় কি সব? বাঙালি আবার একটু ভাবুক জাত। সেই সঙ্গে অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়। তাই সে অন্যরকম ভাবে। হাইকোর্টের রায়ে ‘নো এন্ট্রি’ তো মণ্ডপে। রাস্তায় তো নয়, সুতরাং পথ জুড়ে উৎসবে ভেসে বেড়ানোর লাগামছাড়া আচরণ লক্ষ্য করা যেতেও পারে। এগরোল, বিরিয়ানি, আইসক্রিম কিংবা ফুচকার মস্তি কি আর থাকবে না! লকডাউনে যাঁদের ঘরে আটকে রাখা যায়নি, থুতনিতে মাস্ক ঝুলিয়ে যাঁরা ‘থাকব নাকো বদ্ধ ঘরে’ বলে পাড়া বিজয়ে বেরিয়েছিলেন, পুলিসের সামনে কান ধরে ওঠবস করেও যাঁরা অসম্মানকে জয় করতে পেরেছিলেন, করোনা নিয়ে বড় বড় লেকচার দিয়েছিলেন, কিংবা পাড়ার মোড়ে চা খেতে গিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করেছিলেন এবং পুজোর আগে বাজারে গিয়ে সব স্বাস্থ্যবিধি জলাঞ্জলি দিয়ে দেদার কেনাকাটা করেছেন, তাঁদের ঘরে আটকে রাখবে কোন আদালতের রায়! বেরিয়ে তাঁরা পড়বেনই। মণ্ডপ ফাঁকা থাকলেও রাস্তায় যে মানুষের ঢল নামবে না, তার গ্যারান্টি বাঙালি দিতে পারছে না। কিন্তু এবার আমাদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আমাদের জয়ী হতেই হবে। তাই এবারের পুজো হোক অন্য পরিবেশে, অন্য মানসিকতায়। বাড়িতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটু আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং টিভিতেই হোক ঠাকুরদেখা। এছাড়া আমরা করোনার অমিতবিক্রমকে রোধ করতে পারব না। যেভাবে দেবী দুর্গা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে মহিষাসুরকে বধ করেছিলেন, সেভাবেই আমাদের ভার্চুয়াল যুদ্ধের মধ্য দিয়ে পজিটিভ হওয়া থেকে বাঁচতে হবে। করোনা যেন রক্তবীজের দল। তাকে নিঃশেষ করার জন্য দেবীর আশীর্বাদ আমাদের কাম্য। আমরা দেবীর কাছে প্রার্থনা করে শাক্তগীতিকার দ্বিজ শম্ভুচন্দ্রের মতোই বলতে পারি, ‘কুদিন ঘুচে’ সুদিন কি আর হবে না!’ হবে, নিশ্চয়ই হবে। সেই সুদিনের প্রত্যাশাই ঘিরে থাকুক আমাদের।
তাই আজ যখন কার্তিকের ‘শারদপ্রাতে বেজে উঠছে আলোক মঞ্জীর, ধরণীর বহিরাকাশে অন্তর্হিত মেঘমালা। প্রকৃতির অন্তরাকাশে জাগরিত জ্যোতির্ময়ী জগন্মাতার আগমন বার্তা। আনন্দময়ী মহামায়ার পদধ্বনি অসীম ছন্দে বেজে উঠে রূপলোক ও রসলোকে আনে নব ভাব মাধুরীর সঞ্জীবন। ’ তখন যেন আমরা সেই উৎসবে সংক্রমণের বিরুদ্ধে সেই সঞ্জীবনকেই প্রকাশিত হতে দেখি। দেবী দুর্গার মধ্যে যে ব্যপ্ত তেজরাশির প্রকাশ, তা সেই সঞ্জীবনেরই প্রকাশমাত্র। সেই সঞ্জীবনসুধা আমাদের অমৃত দান করে। তিনি দুর্গা। তিনি শক্তির আধার। তিনি অদ্বিতীয় চৈতন্যরূপিণী। কিন্তু কেন তিনি দুর্গা? চণ্ডীতে আছে শুম্ভ ও নিশুম্ভকে বধ করার পর দেবতাদের বরদানের সময় দেবী দুর্গা বলেছিলেন, ত্রিলোকে অসুররা যখনই উৎপাত করবে, তখনই আমি আবির্ভূত হব এবং সেই বিপদ থেকে সকলকে উদ্ধার করব। আর দুর্গম নামে এক অসুরকে বধ করে আমি দুর্গা নামে খ্যাত হব। প্রাচীনকালে রুরু অসুরের পুত্র দুর্গমাসুর কঠোর তপস্যায় ব্রহ্মার কাছ থেকে অজেয়ত্ব এবং কোনও পুরুষের হাতে নিহত না হওয়ার বর লাভ করেন। এই বরে মত্ত হয়ে দুর্গমাসুর দেবতাদের স্বর্গচ্যূত করেন। দেবতারা শিবের শরণাপন্ন হন। দুর্গমাসুর ছিলেন মহা বলবান। মায়াবী অসুর দেবীর সঙ্গে যুদ্ধের সময় মায়াঝড় সৃষ্টি করে আকাশপথে যুদ্ধ করতে থাকেন। নানারূপ ধারণ করে দুর্গমাসুর দেবীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে লাগলেন। একবার করে দেবী তাঁকে আঘাত করেন আর ক্ষণে ক্ষণে দুর্গমাসুর রূপ বদল করতে থাকেন। অবশেষে দেবী দুর্গমাসুরকে বধ করলেন। দেবী বললেন, ‘অদ্য প্রভৃতি মে নাম দুর্গেতি খ্যাতিমেষ্যাতি।’ আজ থেকে আমার নাম দুর্গা বলে খ্যাত হবে। তিনি আরও বললেন, ‘ন তেষাং দুর্গতিঃ ক্কচিৎ।’ যে দুর্গার শরণ নেবে, তার কখনও দুর্গতি হবে না। দেবী দুর্গা তাই দুর্গতিনাশিনী। আজ এই অতিমারীর কালে তাঁকে আহ্বানের মধ্য দিয়ে, পুজোর মধ্য দিয়ে আমরা যেন চৈতন্যলাভ করি। যে প্রাজ্ঞচৈতন্যের মধ্য দিয়ে এই জগৎকে সুন্দর করে গড়ে তোলা যায়, এই জগৎকে ভালোবাসার আধার করে গড়ে তোলা যায়। ‘যা দেবী সর্বভূতেষু চেতনেত্যভিধীয়তে। নমস্তসৈ নমস্তসৈ নমস্তসৈ নমোনমঃ।’ তিনি হলেন চৈতন্যের আধার। তাঁর অসীম চৈতন্যের দীপ্তির কণিকা স্পর্শ করুক আমাদের। সেই চৈতন্যই হোক দেবীপূজার প্রকৃত প্রসাদ।
21st  October, 2020
প্রতিষ্ঠানের থেকে বড় কেউ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। যার নেপথ্যে রয়েছে সংগ্রামী অতীত। তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশদ

ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

30th  November, 2020
আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। বিশদ

28th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন। ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? 
বিশদ

20th  November, 2020
একনজরে
মানুষের তৈরি করা রাজনৈতিক সীমান্ত কী, জানে না পাখিরা। তাই শীতের শুরুতেই দুই বাংলা থেকে পরিযায়ী পাখিরা ভিড় জমিয়েছে সুন্দরবনের পাখিরালয় জঙ্গলে। হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের শেষ সীমান্ত কালীতলা পঞ্চায়েতের পাখিরালয় গ্রাম। এই সীমান্তে ভারতের শেষ জঙ্গল ঝিঙেখালি। ...

লক্ষ্মীবিলাস ব্যাঙ্কের (এলভিবি) গ্রাহকরা সম্পূর্ণ ব্যাঙ্কিং পরিষেবাই পাবেন। সোমবার ডিবিএস ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে একথা জানানো হয়েছে। সম্প্রতি ডিবিএস ব্যাঙ্কের সঙ্গে লক্ষ্মীবিলাস ব্যাঙ্কের সংযুক্তিকরণ ঘটানো হয়। এরপরেই আমানত নিয়ে এলভিবির গ্রাহকদের মধ্যে নানা সংশয় দেখা দেয়। ...

পোষ্য মেজরের সঙ্গে খেলতে গিয়ে পড়ে গিয়ে পায়ের হাড়ে চিড় ধরল জো বাইডেনের। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ক্ষত সারাতে বেশ কয়েক সপ্তাহ বিশেষ জুতো পরতে হবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট বাইডনেকে। ...

আগামী শুক্রবার সর্বদলীয় বৈঠকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হলেও সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করছে বিরোধীরা। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ওই বৈঠকে হবে। বৈঠকে যোগ দিতে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রকের উদ্যোগে সংসদীয় দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব এইডস দিবস
১৭৬১: মাদাম তুসো জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ম্যারি তুসোর জন্ম
১৯৩২:  ঔপন্যাসিক, কল্পবিজ্ঞান লেখক ও সম্পাদক অদ্রীশ বর্ধনের জন্ম
১৯৪১: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণে চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেন জাপানের সম্রাট হিরোহিতো
১৯৫৪: সমাজকর্মী মেধা পাটেকরের জন্ম
১৯৬৩: ভারতের ১৬তম রাজ্য হিসাবে ঘোষিত হল নাগাল্যাণ্ড
১৯৬৫: প্রতিষ্ঠিত হল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)
১৯৭৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী সুচেতা কৃপালিনীর মৃত্যু
১৯৮০: ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফের জন্ম
১৯৯৭: বিহারের লক্ষ্মণপুর-বাথে অঞ্চলে ৬৩জন নিম্নবর্গীয়কে খুন করল রণবীর সেনা
১৯৯৯: গায়ক শান্তিদেব ঘোষের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০০ টাকা ৭৪.৭১ টাকা
পাউন্ড ৯৭.০৯ টাকা ১০০.৪৮ টাকা
ইউরো ৮৬.৫১ টাকা ৮৯.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  November, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৯,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৯,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০, প্রতিপদ ২৭/১ অপঃ ৪/৫২। রোহিণী নক্ষত্র ৬/৩১ দিবা ৮/৩১। সূর্যোদয় ৬/৪/২, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/২০। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৭/২৮ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১২ গতে ১১/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/৩৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে পুনঃ ৫/৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০, প্রতিপদ দিবা ৩/৫৭। রোহিণী নক্ষত্র দিবা ৮/৩৯। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৬ গতে ৮/৪৬ মধ্যে ও ১২/৪৭ গতে ২/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৭ মধ্যে। 
১৫ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৬৭ বছরের নীচে প্লাজমা প্রয়োগে ইতিবাচক ফল
রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্লাজমা থেরাপিতে যথেষ্ট ইতিবাচক ফল মিলেছে। সদ্য ...বিশদ

30-11-2020 - 09:58:34 PM

ডেঙ্গু রোধে নিকাশি নালাগুলি সংস্কারের নির্দেশ মুখ্যসচিবের
ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া রোধে আজ সোমবার নবান্নে সেচ, পুর নগরোন্নয়ন ...বিশদ

30-11-2020 - 09:57:00 PM

রাজ্যে করোনা জয়ীর সংখ্যা ৪.৫০ লক্ষ ছাড়াল
বাংলায় দৈনিক করোনা সংক্রমণের গ্রাফ নিম্নমূখী।  গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ...বিশদ

30-11-2020 - 09:21:04 PM

 কাশি বিশ্বনাথ মন্দিরে পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

30-11-2020 - 05:29:50 PM

সুতাহাটায় শিক্ষিকার গলা কাটা দেহ উদ্ধার 
সোমবার বিকেলে সুতাহাটার চৈতন্যপুরে এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকার গলা কাটা দেহ ...বিশদ

30-11-2020 - 05:26:01 PM

জো বাইডেন সরকারে আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত 
আমেরিকার জো বাইডেন সরকারে অংশ নিতে চলেছেন আরও এক ভারতীয় ...বিশদ

30-11-2020 - 05:20:24 PM