Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রতিবাদে মাথা নোয়ায় পর্বতও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 বাংলায় একটা প্রবাদ আছে—ঠেলার নাম বাবাজি। সংখ্যাতত্ত্বের বিচারে নরেন্দ্র মোদি সরকার যতই অহংয়ের উড়োজাহাজে উড়ে বেড়াক না কেন, গণতন্ত্রের কাছে সেই মাথা নত করতে হল। ‘ঠেলা’র তত্ত্ব আরও একবার মান্যতা পেল অর্থনীতির দরবারে। কেন? বিরোধীদের চাপে শেষমেশ কেন্দ্র জানাল, নাঃ, ঋণটা আমরাই করছি। অর্থাৎ, পণ্য ও পরিষেবা কর বা জিএসটি আদায়ে রাজ্যগুলির যে লোকসান হয়েছে, তা পূরণ করতে প্রয়োজনীয় লোন নেবে কেন্দ্র। তারপর প্রাপ্য অনুযায়ী টাকাটা ভাগাভাগি করে দেবে। যে ঋণ কি না এতদিন রাজ্যগুলিকেই নেওয়ার জন্য চাপাচাপি করছিল মহামান্য ভারত সরকার। তাহলে হঠাৎ হলটা কী? জিএসটি কাউন্সিলের একের পর এক বৈঠকে এই একটা বিষয়েই তো সমাধানসূত্র অধরা থেকে যাচ্ছিল। অনড় ছিল মোদি সরকার—রাজ্যের কোষাগার হাল্কা হয়ে থাকলে ঋণ করে নিক! রাজ্যগুলিরও বক্তব্য ছিল সাফ—পারব না। জিএসটির লোকসান যা হবে, সেই মতো ঘাটতি পুষিয়ে দেওয়ার কথা কেন্দ্রের। কাজেই লোন কেন্দ্রকেই করতে হবে। যাই হোক, রামের সুমতি হল... কিন্তু কিছু গুরুতর প্রশ্ন পাতে সাজিয়ে রেখে।
প্রথম প্রশ্নই হল, এতদিন ঝুলিয়ে রাখার খুব কি দরকার ছিল? করোনা মোকাবিলায় যে নামতে হবে, তার বিন্দুমাত্র আভাস বা প্রস্তুতি ছিল না রাজ্যের। বাংলার আবার একটা বিষফোঁড়াও ছিল—উম-পুন। তারপরও টালবাহানা কম করেনি কেন্দ্র! আর রাজ্যগুলি চেয়েছিল তো প্রাপ্যটাই। মানে, জিএসটি আদায়ে লোকসানটুকু। পশ্চিমবঙ্গের না হয় বাড়তি বেশ কয়েক হাজার কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। সেই প্রাপ্য ফেরাতেই অনীহা কেন্দ্রের। সবচেয়ে বড় কথা, ঋণ যদি কেন্দ্র নেয়, তাহলে নিশ্চিতভাবে সুদের হার অনেক কম হবে। আর প্রত্যেক রাজ্যই একটি নির্দিষ্ট হারে সুদ কেন্দ্রকে ফেরাতে পারবে। অথচ রাজ্যগুলি ঋণ করতে বাজারে নামলে এক এক রাজ্যের জন্য এক এক রকম সুদ হবে। এবং বিলক্ষণ সেই হার বেশ চড়া।
দ্বিতীয়ত, কেন এক লক্ষ কোটি টাকাই ঋণ নিচ্ছে কেন্দ্র? জিএসটি সংগ্রহে লোকসান তো প্রায় তিন লক্ষ কোটি টাকা! এমনও নয়, এই ঋণের জন্য ব্যাপক আর্থিক ঘাটতি হবে। কেন্দ্রীয় সরকারই জানিয়েছে, তেমন কোনও প্রভাব এই লোনের জন্য পড়বে না। তাহলে কেন পুরো টাকাটাই কেন্দ্র ধার করল না? নাকি কেন্দ্র লোন করে দিলে, রাজ্যগুলি লোকসানের টাকাটা ভবিষ্যতে আর দাবি করবে না? এই পরিমাণ অর্থে বাটিতে সামান্য জল হয়তো পড়বে, কিন্তু চিঁড়ে ভিজবে না। অদূর ভবিষ্যতে দাবি-দাওয়া নিয়ে আবার রাজ্যগুলি হাতা গুটিয়ে নেমে পড়বে আসরে।
এর পরের প্রশ্ন, টাকাটা রাজ্যগুলির হাতে কীভাবে তুলে দেওয়া হবে? পাবলিক অ্যাকাউন্ট অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমে? সংবিধানের ২৬৬(২) ধারা অনুযায়ী গঠন করা হয়েছিল পাবলিক অ্যাকাউন্ট। রাজ্যের পিএফের টাকা, রিজার্ভ ফান্ড, আয়কর সংক্রান্ত অর্থ... এই সবই পাবলিক অ্যাকাউন্ট অব ইন্ডিয়ার অন্তর্গত। এই অ্যাকাউন্টের টাকা সরকারের নয়। কাজেই ফেরত করা বাধ্যতামূলক। আবার এই অ্যাকাউন্ট থেকে খরচ করলে সংসদের অনুমতিও নিতে হয় না। কাজেই কেন্দ্র যে ঋণ করতে চলেছে, তা রাজ্যগুলির কাছে পৌঁছে দেওয়ার এটা একটা পছন্দসই মাধ্যম হতে পারে। যদিও তেমন কিছু করা হচ্ছে কি না, তা কেন্দ্র এখনও খোলসা করেনি।
এই প্রশ্নগুলির উত্তর যত দ্রুত মিলবে, ততই ভালো। তা না হলে কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যগুলির অন্তর্কলহ কিন্তু নিত্য বাড়বে। রাজ্যগুলির ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে সুবিধা একটাই—সামনে বেশ কিছু বিধানসভা ভোট। প্রথমেই বিহার, আর পরের বছর বাংলা। ২০১৪ সালে দিল্লির কুর্সি দখলের পর থেকেই বঙ্গবিজয়ের স্বপ্ন দেখে চলেছে বিজেপি। তার জন্য যদি কিছু নেতা, কিছু আদর্শ ত্যাগ করতে হয়, তাও সই। বাংলার ভোটারদের কাছে কিন্তু বঞ্চনার থিওরিটা রীতিমতো বিশ্বাসযোগ্য। প্রাপ্য টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র—এই অভিযোগ বারবার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তার প্রমাণও মিলেছে। অঙ্কটা ৬০ হাজার কোটির উপর। তাই কেন্দ্র বিরোধী প্রচারে এই ইস্যুতেই বেশ গতি পাবে তৃণমূল কংগ্রেস। এর উপর জিএসটি সংক্রান্ত বঞ্চনার সম্ভাবনা তৈরি হলে নিশ্চিতভাবে তা ফের প্রচারের হাতিয়ার করবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। যা ভোটের আগে মোটেও বিজেপিকে খুব একটা ডিভিডেন্ড দেবে না। এমনিতেই গত কয়েক বছরের প্রবল প্রতাপের কাঠিন্যে খানিকটা হলেও জং ধরতে শুরু করেছে। নোট বাতিল কিংবা জিএসটির ক্ষেত্রে যে ডোন্ট কেয়ার দাপট মোদি সরকার দেখিয়েছিল, তা আপাতত উধাও। সব ইস্যুতেই এখন বিরোধীদের চরম বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যা তাদের ‘একচ্ছত্র’ ইমেজে বড়সড় একটা দাগ! সংখ্যার জোর দেখিয়ে একের পর এক বিল সংসদে পাশ হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু রাজপথের বিরোধ তাতে এড়ানো যাচ্ছে না। আর সবচেয়ে বড় কথা, নজর ঘোরানোর নানা পন্থা অবলম্বন সত্ত্বেও এবার আর একটি রোগ ফিরে ফিরে আসছে। যার নাম নিরাপত্তাহীনতা। একটি বালাকোট বা পাকিস্তান বিরোধী গরম গরম কথাবার্তা এতদিন ভোটযন্ত্রে ভালোরকম সুবিধা দিয়েছিল বিজেপিকে। এবার হাওয়া ঘুরছে। চীনের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাত কিংবা করোনা মহামারীও মোদি সরকারের নড়বড়ে ভাবটা আড়াল করতে পারছে না। মাঝে আরও দু’টি ইস্যু উঠে এল... একটি বলিউডে মাদক কাণ্ড এবং দ্বিতীয় হাতরাস। তা সত্ত্বেও এই মুহূর্তের সবচেয়ে বড় ইস্যু থেকে মানুষের নজর ঘোরেনি। আর তা হল, কৃষি আইন।
চাষবাস চিরকালই দেশের অর্থনীতির ভিত্তি। এর কর্পোরেটাইজেশন যে কখনওই আমাদের সুদূরপ্রসারী লাভের মুখ দেখাবে না, সে ব্যাপারে কোনও সংশয় নেই। কাজেই ন্যূনতম যা প্রয়োজন, তার উল্লেখ এই আইনে রাখতেই হবে। এটাই বিরোধীদের তথা আম আদমির একমাত্র দাবি। জিএসটি আদায় সংক্রান্ত লোকসানে কিন্তু ‘অ্যাক্ট অব গড’ তত্ত্বে অনড় থাকতে পারেনি কেন্দ্র। ঈশ্বরের ঘাড়ে সবটা চাপিয়ে দিয়ে দায়মুক্তির স্বপ্ন দেখেছিল মোদি সরকার। সেই অলীক স্বপ্ন ভেঙেছে। এবং এই পদক্ষেপ দেখিয়ে দিয়েছে, চাপ বাড়ালে কাজ হয়। সঠিক এবং যুক্তিসঙ্গত প্রতিবাদের সামনে মাথা নোয়াবে সরকার। অহং এবং একগুঁয়েমির খোলস ছেড়েও বেরতে বাধ্য হবে। এই সরকারের দৌলতে এখনই চাল-ডাল আর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তালিকায় নেই। অর্থাৎ যে যেমন চাইবে, তেমনই দাম হাঁকতে পারবে। সরকার যদি দাবি করে, এর ফলে কৃষকের লাভ হবে... ব্যাপারটা মোটেও তেমন নয়। ন্যায্য দাম তাঁরা পাবেন না। বরং এতে লাভ হবে কর্পোরেট জগতের। লকডাউনের বাজারে কৃষিজাত পণ্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের চাহিদা-সরবরাহের অনুপাতই একমাত্র ধাক্কা খায়নি। শুধু তাই নয়, কৃষিপণ্যের রপ্তানিও গত কয়েক মাসে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে সরকারি নিয়ন্ত্রণ যথাযথভাবে থাকলে তা মানুষের ঘরে খাবারের অভাব যেমন তৈরি করবে না, ঠিক তেমনই বাজারের সামঞ্জস্যও বজায় থাকবে। সংসদে সংখ্যা থাকলেই বিরোধিতা সম্ভব, নতুবা নয়... এই ফর্মুলা আঁকড়ে কান্নাকাটির সময় এটা নয়। ভোটাররা ভরসা করেছিলেন। তাই মোদি সরকার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। নিশ্চিতভাবেই এর ফলে শরিক সমস্যা সরকারে থাকে না। মানে, ভালো কিছু করার ইচ্ছে থাকলে তাতে বাগড়া দেওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। কিন্তু উল্টোটাও যে হয়! এবং হচ্ছে। একের পর এক জনবিরোধী কর্মসূচিকে সংস্কারের তকমা দিয়ে কার্যকর করতে উঠেপড়ে লেগেছে কেন্দ্র। অথচ বিরোধীরা সরব হয়েও কিছু করতে পারছে না। লক্ষ লক্ষ কৃষক রাস্তায় নেমেছেন... রাজনৈতিক দল, ব্যানার নির্বিশেষে। তাঁদের কথা ভেবেও কি সরকার কিছু করছে? বলছে, মানুষকে বোঝাতে হবে। সেটা কে বোঝাবে? নিশ্চয়ই কেন্দ্র! এতকিছুর পরও যখন মানুষ, বা আরও স্পষ্টভাবে বললে কৃষক সমাজ বুঝছে না, তাহলে গলদ তো কোথাও আছেই।
শাসক এবং বিরোধী—সুযোগ দু’পক্ষেরই আছে। মানুষের পাশে আসলে কে রয়েছে, সেটা বোঝানোর। যদি বিরোধীরা সঠিক হয়, তাদের লড়াই জনস্বার্থে হয়... মানুষ সঙ্গে থাকবেই। কারণ এই আন্দোলন যতটা রাজনীতির জন্য, তার থেকে অনেক বেশি ভবিষ্যৎ ভারতের স্বার্থে।
20th  October, 2020
প্রতিষ্ঠানের থেকে বড় কেউ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। যার নেপথ্যে রয়েছে সংগ্রামী অতীত। তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশদ

ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

30th  November, 2020
আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। বিশদ

28th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন। ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? 
বিশদ

20th  November, 2020
একনজরে
লক্ষ্মীবিলাস ব্যাঙ্কের (এলভিবি) গ্রাহকরা সম্পূর্ণ ব্যাঙ্কিং পরিষেবাই পাবেন। সোমবার ডিবিএস ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে একথা জানানো হয়েছে। সম্প্রতি ডিবিএস ব্যাঙ্কের সঙ্গে লক্ষ্মীবিলাস ব্যাঙ্কের সংযুক্তিকরণ ঘটানো হয়। এরপরেই আমানত নিয়ে এলভিবির গ্রাহকদের মধ্যে নানা সংশয় দেখা দেয়। ...

মানুষের তৈরি করা রাজনৈতিক সীমান্ত কী, জানে না পাখিরা। তাই শীতের শুরুতেই দুই বাংলা থেকে পরিযায়ী পাখিরা ভিড় জমিয়েছে সুন্দরবনের পাখিরালয় জঙ্গলে। হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের শেষ সীমান্ত কালীতলা পঞ্চায়েতের পাখিরালয় গ্রাম। এই সীমান্তে ভারতের শেষ জঙ্গল ঝিঙেখালি। ...

আগামী শুক্রবার সর্বদলীয় বৈঠকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হলেও সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করছে বিরোধীরা। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ওই বৈঠকে হবে। বৈঠকে যোগ দিতে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রকের উদ্যোগে সংসদীয় দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। ...

নবম শিখ গুরু তেগবাহাদুরের ৪০০তম জন্মবার্ষিকী ধুমধাম সহকারে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। বিভিন্ন কর্মসূচি শুরু হবে ৩১ জানুয়ারি। এগুলির সফল রূপায়ণের জন্য জাতীয় স্তরে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব এইডস দিবস
১৭৬১: মাদাম তুসো জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ম্যারি তুসোর জন্ম
১৯৩২:  ঔপন্যাসিক, কল্পবিজ্ঞান লেখক ও সম্পাদক অদ্রীশ বর্ধনের জন্ম
১৯৪১: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণে চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেন জাপানের সম্রাট হিরোহিতো
১৯৫৪: সমাজকর্মী মেধা পাটেকরের জন্ম
১৯৬৩: ভারতের ১৬তম রাজ্য হিসাবে ঘোষিত হল নাগাল্যাণ্ড
১৯৬৫: প্রতিষ্ঠিত হল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)
১৯৭৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী সুচেতা কৃপালিনীর মৃত্যু
১৯৮০: ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফের জন্ম
১৯৯৭: বিহারের লক্ষ্মণপুর-বাথে অঞ্চলে ৬৩জন নিম্নবর্গীয়কে খুন করল রণবীর সেনা
১৯৯৯: গায়ক শান্তিদেব ঘোষের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০০ টাকা ৭৪.৭১ টাকা
পাউন্ড ৯৭.০৯ টাকা ১০০.৪৮ টাকা
ইউরো ৮৬.৫১ টাকা ৮৯.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  November, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৯,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৯,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০, প্রতিপদ ২৭/১ অপঃ ৪/৫২। রোহিণী নক্ষত্র ৬/৩১ দিবা ৮/৩১। সূর্যোদয় ৬/৪/২, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/২০। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৭/২৮ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১২ গতে ১১/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/৩৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে পুনঃ ৫/৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০, প্রতিপদ দিবা ৩/৫৭। রোহিণী নক্ষত্র দিবা ৮/৩৯। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৬ গতে ৮/৪৬ মধ্যে ও ১২/৪৭ গতে ২/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৭ মধ্যে। 
১৫ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৬৭ বছরের নীচে প্লাজমা প্রয়োগে ইতিবাচক ফল
রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্লাজমা থেরাপিতে যথেষ্ট ইতিবাচক ফল মিলেছে। সদ্য ...বিশদ

30-11-2020 - 09:58:34 PM

ডেঙ্গু রোধে নিকাশি নালাগুলি সংস্কারের নির্দেশ মুখ্যসচিবের
ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া রোধে আজ সোমবার নবান্নে সেচ, পুর নগরোন্নয়ন ...বিশদ

30-11-2020 - 09:57:00 PM

রাজ্যে করোনা জয়ীর সংখ্যা ৪.৫০ লক্ষ ছাড়াল
বাংলায় দৈনিক করোনা সংক্রমণের গ্রাফ নিম্নমূখী।  গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ...বিশদ

30-11-2020 - 09:21:04 PM

 কাশি বিশ্বনাথ মন্দিরে পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

30-11-2020 - 05:29:50 PM

সুতাহাটায় শিক্ষিকার গলা কাটা দেহ উদ্ধার 
সোমবার বিকেলে সুতাহাটার চৈতন্যপুরে এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকার গলা কাটা দেহ ...বিশদ

30-11-2020 - 05:26:01 PM

জো বাইডেন সরকারে আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত 
আমেরিকার জো বাইডেন সরকারে অংশ নিতে চলেছেন আরও এক ভারতীয় ...বিশদ

30-11-2020 - 05:20:24 PM