Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বৃদ্ধি ছাড়াই সংস্কার
পি চিদম্বরম

একটা ব্যাপারে সবাই একমত হতে পারি যে, নিজের মত, নীতি ও কাজের প্রচারে কোনও শাসক দল এবং সরকার—বিজেপি অথবা মোদি সরকারের মতো সফল হয়নি। এবং, এই উদ্দেশ্যে তারা যে-কোনও পরিমাণ টাকা খরচ করবে, যত দরকার কাউকে উৎপীড়ন করবে, যতটা প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে হুমকির মুখে রাখবে এবং যে-কোনও প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখবে। অতিশয়োক্তিটা ওদের কাছে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। অতিশয়োক্তিকে তারা এই পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে যে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারা বুঝিয়েছিল, ভারতই ‘পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগতির বৃহৎ অর্থনীতি’। অথচ, সত্যিটা ছিল এই—ভারতীয় অর্থনীতির দ্রুত পতন হচ্ছে, এই অর্থনীতি অতলে নেমে যাচ্ছে।
এই প্রোপাগান্ডার এক ও একমাত্র উদ্দেশ্য হল নরেন্দ্র মোদিকে ভারতের মহান নেতাদের উচ্চতায় তুলে ধরা। কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে সঙ্গিন অর্থনৈতিক ‘পারফরম্যান্স’ দেখানো মোদিজিকে ‘বোল্ড ইকনমিক পারফর্মার’ রূপে চিত্রিত করার চেষ্টা হচ্ছে। [এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যায় যে, আটটি ত্রৈমাসিকে বৃদ্ধির নিম্ন হারের পরিণামে ২০২০-২১ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে বৃদ্ধি ঋণাত্মক (নেগেটিভ) হয়ে গেল। অর্থাৎ বৃদ্ধি ধনাত্মকের (পজিটিভ) বদলে ঋণাত্মক (নেগেটিভ) হয়ে গেল। এমনকী ওই কোয়ার্টারে ‘ডি-গ্রোথ’-এর হার (-) ২৩.৯ শতাংশে গিয়ে দাঁড়াল!] ‘চিয়ারলিডারদের’ দলে সর্বশেষ সংযোজন হলেন বিশিষ্ট পণ্ডিত ডঃ অরবিন্দ পানাগড়িয়া। তাঁর বক্তব্যের মূল প্রতিপাদ্য হল, ‘মোদিজি সংস্কারক হিসেবে রাও এবং বাজপেয়ির সারিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন।’ খেয়াল করুন, ওই তালিকায় ডঃ মনমোহন সিংয়ের কোনও জায়গা হয়নি!
তাঁর যুক্তি প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে ডঃ পানাগড়িয়া পাঁচটি সংস্কারের তালিকা তৈরি করেছেন:
১. পরিশোধে অক্ষমতা এবং দেউলিয়া বিধি (দ্য ইনসলভেন্সি অ্যান্ড ব্যাঙ্করাপসি কোড, সংক্ষেপে আইবিসি): রঘুরাম রাজন রিপোর্ট (২০০৮) থেকে আইডিয়াটি এসেছিল। তারপর সেটা সচিবদের কমিটির (২০১৩) মাধ্যমে ‘ডেভেলপ’ করে একটা খসড়া বিলের (২০১৩-১৪) রূপ নিয়েছিল। এটাকেই একটা আইনে পরিণত করে মোদি সরকার পাস করিয়ে নেয়। এর অনেকগুলো ত্রুটি ছিল। কয়েকটা সংশোধনী আইনের মাধ্যমে সেসব মেরামত করার চেষ্টা হয়েছে। তবে, এটা এখনও সম্পূর্ণ হয়নি, চলছে। আইবিসির চার বছরের খতিয়ান সন্তোষজনক নয়। এই বিষয়ে খ্যাতি এবং অখ্যাতি—উভয়ই অবশ্যই মোদিজির উপর বর্তায়।
২. শ্রম আইন সংশোধন: আইনের বিধিবদ্ধকরণ (কোডিফিকেশন অফ ল’স) হল একটা প্রশাসনিক কাজ। এটা কোনও যুগান্তকারী সংস্কার নয়। আগে ‘হায়ার অ্যান্ড ফায়ার’ প্রয়োগের জন্য কোনও প্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম শ্রমিক সংখ্যা দরকার হতো ১০০, এখন সেটাকে বাড়িয়ে ৩০০ করা হয়েছে। চারটে কোড বা বিধির বাকিগুলোতে উল্লেখযোগ্য কোনও সংস্কার করা হয়নি, যা করা হয়েছে তা ওপর ওপরই বলা যায়। এমনকী যেসব ধনতান্ত্রিক দেশে শক্তিশালী শ্রমিক ইউনিয়ন রয়েছে, সেখানে ‘উপযুক্ত ও পর্যাপ্ত কারণ’ (গুড কজ) ছাড়া কোনও শ্রমিককেই চাকরি থেকে ছাঁটাই করা যায় না। অন্যায়ভাবে ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে ইউনিয়নগুলো লড়াই করবে। ভারতের মতো দেশ, যেখানে সামান্য সংখ্যক শ্রমিক ইউনিয়নের ছাতার তলায় রয়েছে সেখানে আইনটাই একমাত্র রক্ষাকবচ। এখনও পর্যন্ত একজন শ্রমিককে কেবলমাত্র ‘উপযুক্ত ও পর্যাপ্ত কারণেই’ (গুড কজ) ছাঁটাই করা সম্ভব। নতুন বিধিগুলোর সৌজন্যে শ্রমিকরা আরও বেশি ক্যাজুয়াল হবেন এবং কন্ট্র্যাক্ট লেবার (ম্যানপাওয়ার সাপ্লায়ারদের মাধ্যমে) বাড়তে থাকবে। চাকরির নিরাপত্তা হল শ্রমিকদের জন্য একটা ‘পাওয়ারফুল ইনসেনটিভ’। চাকরির নিরাপত্তা শ্রমিকের কর্মদক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে। সেই সূত্রে কারখানায় প্রোডাক্টিভিটি বা উৎপাদনশীলতাও বৃদ্ধি পায়। যে সামান্য নিরাপত্তা শ্রমিকরা ভোগ করেছেন সেটুকুতেও কাটছাঁট করা হচ্ছে। ব্যাপারটা আরএসএস অনুগামী ভারতীয় মজদুর সংঘ অবধি মানতে পারেনি, তারাও এই অন্যায় পরিবর্তনের প্রতিবাদ করেছে। শ্রমিক ইউনিয়নগুলো এবং শ্রমিক শ্রেণীর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সংবিধানে শ্রম আইন সংস্কার করতে হবে।
৩. কৃষি আইন: নতুন কৃষি আইন সম্পর্কে যত কম বলা যায় তত ভালো। কৃষিপণ্য বেচাকেনা বা প্রোকিওরমেন্টের যে বর্তমান ব্যবস্থা, তাতে অনেক সমস্যা রয়েছে। এর সংস্কার প্রয়োজন। কিন্তু নতুন আইন যে-ওষুধের পরামর্শ দিচ্ছে, তা রোগের থেকেও খারাপ। আমি বারংবার আমার মত জানিয়েছি যে, যেমন তেমন ‘মান্ডি’ সিস্টেম এর কোনও সুরাহা নয়। বড় গ্রাম এবং ছোট শহরগুলোতে হাজার হাজার ফার্মার্স মার্কেট গড়ে তোলার ভিতরেই এর আসল সমাধান। যেখানে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের (এমএসপি) কমে কেনাবেচা না-করার ব্যাপারে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে একটা সহমত থাকবে। অবাধ নীতি (Laissez faire), কর্পোরেটদের প্রবেশাধিকার এবং সম্পূর্ণ অনিয়ন্ত্রতি পরিবেশে ক্রয়-বিক্রয়—সব মিলিয়ে যা দাঁড়ায় তাকে ‘সংস্কার’ বলা চলে না। ডঃ পানাগড়িয়ার যুক্তি আমরা মেনে নেওয়ার আগে, তাঁকে অবশ্যই জানাতে হবে দেশের সেরা কৃষকরা—যাঁরা পাঞ্জাব ও হরিয়ানার লোক—কেন রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছেন।
৪. মেডিক্যাল এডুকেশনের সংস্কার: আমি বুঝতে পারছি না মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার (এমসিআই) জায়গায় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন (এনএমসি) আনার মধ্যে কোন আমূল সংস্কার রয়েছে। পূর্বতন এমসিআই অনেক বছর যাবৎ যিনি নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং করছেন, তিনি মোদিজিরই ঘনিষ্ঠ এক মিত্র। এমসিআই সরানোর আইডিয়াটা ইউপিএ জমানার। কমিশনের স্বাধীন কাজকর্মের ভিতরেই এই নয়া পদক্ষেপের প্রমাণ মিলবে। কিন্তু ভয়টা হল—এনএমসি-টাও বিজেপির কব্জায় চলে যাবে, সরকারের মাধ্যমে অথবা অন্য কোনওভাবে—বিশ্ববিদ্যালয়গুলোসহ অনেক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে যেমনটা ঘটেছে।
৫. প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) উদারীকরণ: নরসিমা রাও এবং ডঃ মনমোহন সিংয়ের জমানায় এফডিআই উদারীকরণের প্রতিটি পদক্ষেপে বিজেপি বিরোধিতা করেছিল। বিদেশি লগ্নিকারী সমেত বেসরকারি ক্ষেত্রের সামনে বিমা শিল্পকে উন্মুক্ত করার জন্য প্রথম বিল আনা হয়েছিল ১৯৯৭ সালে। বিরোধী আসনে থেকে বিজেপি তীব্রভাবে সেটার বিরোধিতা করে আটকে দিয়েছিল! খুচরো ব্যবসায় এফডিআইয়ের বিরুদ্ধেও বিজেপি বলিষ্ঠ প্রতিবাদ গড়ে তুলেছিল। তৎকালীন বাজপেয়ি সরকার এবং আজকের মোদি সরকার—এফডিআই সম্পর্কে মনোভাবের একটা পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে। এবং, আমি এটাকে স্বাগতই জানাচ্ছি। কিন্তু ডঃ পানাগড়িয়া তাঁর ‘হিরো’কে এককভাবে মহিমান্বিত করার জন্য যে সংস্কারের দাবি করছেন এটা কোনওভাবেই তা নয়।
আমার মতে, মোদিজি এমন একজন সতর্ক নেতা, যিনি ক্রোনি ক্যাপিটালিজমের ব্যাপারে অত্যন্ত ‘বায়াস’। নয়া একচেটিয়া বাণিজ্য বা মনোপলিকে তিনি সমর্থন করেন। যদি তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে সত্যিকার সংস্কারের দায়িত্ব নিতে চান, লোকসভায় নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতার জোরে তিনি সেটা করতেই পারেন—যে নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতার সুবিধা না নরিসমা রাও, না মনমোহন সিং দু’জনের কেউই পাননি—এই বিষয়ে একটা তালিকাই পেশ করা যায়। একটা সংস্কার চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হল কি না তা মালুম হয় অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (জিডিপি) বৃদ্ধির হার কতটা বাড়ল বা তাতে কতটা গতিসঞ্চার হল, সেটা দেখে। সংস্কার বিচারের এই যে প্রশ্নাতীত মান তাতে ডঃ মনমোহন সিং বিশেষভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন—তাঁর জমানায় চরম বৃদ্ধির বছরগুলোই (বুম ইয়ারস) তার প্রমাণ। অর্থনৈতিক সংস্কারকদের উচ্চাসনে স্থান পাওয়ার স্বপ্ন দেখার আগে মোদিজি বৃদ্ধির ব্যবস্থাটা করুন।
 লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী 
19th  October, 2020
প্রতিষ্ঠানের থেকে বড় কেউ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। যার নেপথ্যে রয়েছে সংগ্রামী অতীত। তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশদ

ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

30th  November, 2020
আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। বিশদ

28th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন। ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? 
বিশদ

20th  November, 2020
একনজরে
দুর্গাপুর এক্সপ্রেস ওয়ের উপর দিয়ে প্রতিদিন সরকারি, বেসরকারি শয়ে শয়ে বাস যাতায়াত করে। পুরুলিয়া থেকে কলকাতা যাওয়া বা দীঘা থেকে দুর্গাপুর আসা, ওই সড়কে এসবিএসটিসির ...

রবিবার রাতে গাজোলে এক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল তিন বন্ধুর। পুজোর ভোগ খেয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা।  শাহাজাদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের  জামতলা রাইস মিলের কাছে  ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কে ...

ওয়ান্ডা মেট্রোপলিটানোয় খেলা হলেও বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে আতলেতিকো মাদ্রিদকে এগিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চলতি মরশুমে জার্মান ক্লাবটি অনবদ্য ছন্দে রয়েছে। ...

আগামী শুক্রবার সর্বদলীয় বৈঠকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হলেও সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করছে বিরোধীরা। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ওই বৈঠকে হবে। বৈঠকে যোগ দিতে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রকের উদ্যোগে সংসদীয় দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব এইডস দিবস
১৭৬১: মাদাম তুসো জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ম্যারি তুসোর জন্ম
১৯৩২:  ঔপন্যাসিক, কল্পবিজ্ঞান লেখক ও সম্পাদক অদ্রীশ বর্ধনের জন্ম
১৯৪১: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণে চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেন জাপানের সম্রাট হিরোহিতো
১৯৫৪: সমাজকর্মী মেধা পাটেকরের জন্ম
১৯৬৩: ভারতের ১৬তম রাজ্য হিসাবে ঘোষিত হল নাগাল্যাণ্ড
১৯৬৫: প্রতিষ্ঠিত হল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)
১৯৭৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী সুচেতা কৃপালিনীর মৃত্যু
১৯৮০: ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফের জন্ম
১৯৯৭: বিহারের লক্ষ্মণপুর-বাথে অঞ্চলে ৬৩জন নিম্নবর্গীয়কে খুন করল রণবীর সেনা
১৯৯৯: গায়ক শান্তিদেব ঘোষের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০০ টাকা ৭৪.৭১ টাকা
পাউন্ড ৯৭.০৯ টাকা ১০০.৪৮ টাকা
ইউরো ৮৬.৫১ টাকা ৮৯.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  November, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৯,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৯,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০, প্রতিপদ ২৭/১ অপঃ ৪/৫২। রোহিণী নক্ষত্র ৬/৩১ দিবা ৮/৩১। সূর্যোদয় ৬/৪/২, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/২০। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৭/২৮ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১২ গতে ১১/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/৩৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে পুনঃ ৫/৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০, প্রতিপদ দিবা ৩/৫৭। রোহিণী নক্ষত্র দিবা ৮/৩৯। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৬ গতে ৮/৪৬ মধ্যে ও ১২/৪৭ গতে ২/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৭ মধ্যে। 
১৫ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৬৭ বছরের নীচে প্লাজমা প্রয়োগে ইতিবাচক ফল
রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্লাজমা থেরাপিতে যথেষ্ট ইতিবাচক ফল মিলেছে। সদ্য ...বিশদ

30-11-2020 - 09:58:34 PM

ডেঙ্গু রোধে নিকাশি নালাগুলি সংস্কারের নির্দেশ মুখ্যসচিবের
ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া রোধে আজ সোমবার নবান্নে সেচ, পুর নগরোন্নয়ন ...বিশদ

30-11-2020 - 09:57:00 PM

রাজ্যে করোনা জয়ীর সংখ্যা ৪.৫০ লক্ষ ছাড়াল
বাংলায় দৈনিক করোনা সংক্রমণের গ্রাফ নিম্নমূখী।  গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ...বিশদ

30-11-2020 - 09:21:04 PM

 কাশি বিশ্বনাথ মন্দিরে পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

30-11-2020 - 05:29:50 PM

সুতাহাটায় শিক্ষিকার গলা কাটা দেহ উদ্ধার 
সোমবার বিকেলে সুতাহাটার চৈতন্যপুরে এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকার গলা কাটা দেহ ...বিশদ

30-11-2020 - 05:26:01 PM

জো বাইডেন সরকারে আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত 
আমেরিকার জো বাইডেন সরকারে অংশ নিতে চলেছেন আরও এক ভারতীয় ...বিশদ

30-11-2020 - 05:20:24 PM