Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অনেক হারানোর পুজো
হিমাংশু সিংহ

পুজোর ছুটির একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকে। উৎসবের অনেক আগে থেকেই সেই গন্ধে ম ম করে বাংলার গাঁ গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্র। সেই গন্ধের সঙ্গে আগমনি মিশে তৈরি হয় অদ্ভুত ঘোর লাগানো একটা অপেক্ষার। মা আসছেন। বাঙালির অনেক না পাওয়া ক্ষতবিক্ষত জীবনে এর চেয়ে পরম প্রাপ্তির আর কিছুই হতে পারে না। সেই অপেক্ষার সঙ্গেই মিশে যায় বিদেশে কাজ করা দত্ত বাড়ির ছেলে, দূরে বিয়ে হওয়া পাশের বাড়ির হেমন্তদার মেয়ের ঘরে ফেরার খুশি। এবার পুজোয় ঘরে ফেরার সেই তাগিদটাই কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছে। ফিরতেই চাইছে না কেউ! উধাও হয়ে গিয়েছে পুজোর ছুটির জন্য মন কেমন করাটাও। অবকাশ, আনন্দ আর অনেকটা পথ চলে একটু জিরিয়ে নেওয়ার অনুভূতিটাকেই যেন হত্যা করেছে পৃথিবীর গভীরতম অসুখ। স্কুলই বন্ধ ৬ মাসের উপর। তাই ছুটি পড়েছে, এই আনন্দে বেলুন উড়িয়ে মায়ের হাত ধরে এবার ঘরে ফিরবে না কোনও শিশু। লকডাউনের শুরুতে সেই যে পলাশ চেন্নাই থেকে চলে এসেছে তারপর শুধুই ওয়ার্ক ফ্রম হোম। ওর কাছে আলাদা করে অবকাশ আজ মূল্যহীন। সত্যেনের বহুজাতিক সংস্থা বলে দিয়েছে আপাতত কোনও প্রজেক্ট নেই। আবার হাতে কাজ এলে যোগাযোগ করবে। ততদিন বেতন অর্ধেক। এবার পুজোয় তাই সত্যেনের মনের অন্ধকার হাজার ওয়াটের হ্যালোজেনেও উদ্ভাসিত হওয়া কঠিন!
স্বপন লোকাল ট্রেনে বাদাম আর ঝুরিভাজা বেচত। গত দশ বছর সকাল থেকে সন্ধ্যা তার একটাই ঠিকানা। নৈহাটি থেকে উল্টোডাঙা লোকাল ট্রেনের কামরা। চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ মেরে নিমেষে কীভাবে পাশের প্ল্যাটফর্মের ভিড়ে হারিয়ে যেত, সে এক অদ্ভুত বিস্ময়। গলায় ঝোলানো ছোট ছোট বাদামের প্যাকেট। মালার মতো পেঁচিয়ে এক ট্রেন থেকে অন্য ট্রেনে ঘেমে নেয়ে অক্লান্ত ছোটাছুটিই ছিল ওর নিত্যদিনের জীবন যুদ্ধ। গত সাত মাস ট্রেন বন্ধ। স্বপনের সংসারে যেন আচমকা বাজ পড়েছে। রোজগার নেই। থমকে গিয়েছে সবকিছু। আধপেটা খেয়ে চলছে কোনওরকমে। সেদিন দমদম স্টেশনের বাইরে দেখা হতেই অঝোরে কান্না। ‘দাদা যাব কোথায় বলতে পারেন, ট্রেন বন্ধ। সিনেমা হল খুলছে না। পার্কেও আজকাল আর তেমন লোক আসে না। বয়স্করা তো নয়ই। সেদিন রাস্তায় একটা বাচ্চা হাত বাড়াতেই তার মা বলল, ওসব বাইরের জিনিস খেতে নেই বাবা, করোনা হবে! অথচ শপিং মল থেকে তো দিব্যি দামি চিপসের প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে। করোনা কি শুধু গরিব মানুষের থেকে ছড়ায়!’ ওর প্রশ্নের কোনও উত্তর আমি দিতে পারিনি।
সান্ত্বনা দিতে পারিনি রতনকেও। আগমার্কা স্বার্থপর ভদ্রলোকের মতো এ কথা সে কথার ফাঁকে পালিয়ে এসেছি নিজের নিরাপদ চৌহদ্দিতে। দমদম থেকে শিয়ালদহ ট্রেনে দশ টাকায় পাঁচটা ডট পেন বিক্রি করত রতন। কেউ একসঙ্গে কুড়ি টাকার কিনলে আরও একটা পেন বাড়তি। তাতেই কোনওরকমে চলত মা, স্ত্রী আর তিন ছেলেমেয়েকে নিয়ে রতনের কষ্টের সংসার। ট্রেন বন্ধ দুশো দিনের ওপর।
বন্ধ স্কুলও। কোথায় যাবে রতনরা? তার ওপর পড়াশোনা তো সব অনলাইনে। পরীক্ষাও ট্যাবে-ল্যাপটপে। পেনের প্রয়োজন ফুরোচ্ছে। শশা আর পেয়ারা কেটে নুন মাখিয়ে উল্টোডাঙা প্ল্যাটফর্মের সাবওয়ে দিয়ে নামার মুখে বসত হরিসাধন। এখন
বসে স্টেশনের বাইরে রাস্তায় এককোণে। দিনে বার কয়েক লাঠির ঘা আর তাড়া খেতে হয় পুলিসের। স্টেডিয়ামে খেলা থাকলে ছুটত সেখানে বাড়তি লাভের আশায়। সঙ্গে ছোট ছেলেকে নিত চা বিক্রি করতে। সীমাহীন দারিদ্র্য ওই একরত্তি ছেলেটাকেও কত তাড়াতাড়ি কাজে ঢুকিয়ে দিয়েছে। স্কুল, সিনেমা হল, লোকাল ট্রেনের মতো স্টেডিয়ামের খেলাও
তো বন্ধ। চেনা জীবনের ছন্দটাই কখন যেন হারিয়ে গিয়েছে। জিজ্ঞেস করেছিলাম, বিক্রি কিছু হচ্ছে
তো? ফ্যাকাসে মুখটা কোনওরকমে তুলে বলেছিল, বাইশ বছরের অভ্যাস তাই রোজ এসে বসি।
ট্রেন নেই, লোক কোথায়। যা হচ্ছে তা দিয়ে পেট
চলে না দাদা। আর বাড়িতে থেকেই বা কী করব,
তাই সব ভুলে থাকতে এসে বসে থাকি অনেকদিনের চেনা জায়গাটায়!
আগস্টে আবার ট্রেন চলবে শুনে মনের কোণে এক চিলতে আশার আলো জ্বলেছিল বটে। মনে হয়েছিল, পুজোর আগে আবার সব বুঝি ঠিক হয়ে যাবে। আবার গমগম করবে স্টেশন, প্ল্যাটফর্ম। মানুষের পায়ে পায়ে বিকোবে বাদাম, ডট পেন, লজেন্স, কাটা শসা, পেয়ারা। জীবন আবার চলবে পুরনো গতিতে। এখন ওই আশাটুকুও ক্ষীণ হতে হতে মিলিয়ে গিয়েছে। সবাই বুঝে গিয়েছে এবার পুজোয় লোকাল চলার আশা নেই। তাই শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর, হাওড়া থেকে তারকেশ্বর, উল্টোডাঙা থেকে বনগাঁ একের পর এক স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম ঘিরে যে অভাবী মুখগুলো লড়াই করে বেঁচে ছিল, তাদের স্পন্দনটাই কখন যেন থমকে রয়েছে। কে না জানে লোকাল ট্রেন আর প্ল্যাটফর্মগুলিকে আশ্রয় করে যত মানুষ এই বাংলায় বেঁচে থাকেন তা হার মানাতে পারে কয়েকশো বড় কারখানাকেও। ওদের কাছে এবারের পুজোটা তাই অনেক আগেই হারিয়ে গিয়েছে।
ছোটবেলায় আমাদের স্কুলের ঠিক বাইরে সদানন্দ বসত হজমি গুলি আর লাঠি লজেন্স নিয়ে। সঙ্গে ছোট ছোট কুল আর আচার। বিক্রিবাটার ফাঁকে অনেক মজার মজার গল্পও বলত। টিফিনের সময় সে কী ভিড়। সদানন্দকে শেষ দেখেছি কাঠি আইসক্রিম বিক্রি করতে। তারপর ওর ছেলেও কাঠের গাড়ি ঠেলে আইসক্রিম নিয়ে স্কুলের বাইরে বসত। ফুচকা বেচত সজল। অনেক দিন আর ওদের খোঁজ পাইনি। আসা যাওয়ার পথে দেখাও হয়নি। কে জানে এই আকালের সময়ে কেমন রয়েছে ওরা!
যাদের অনেক আছে পুজো মানেই তাদের কাছে নতুন জামা কাপড় জুতো আর রংবাহারি নানা কিসিমের শাড়ি কেনার গল্প। তবু সেই সম্পন্ন ঘরেও ষষ্ঠীতে তাঁত, সপ্তমীতে জামদানি আর অষ্টমীতে বালুচরীর হিসেবনিকেশেও এবার যেন অদ্ভুত ভাটা। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের একশো ঘণ্টাও আর বাকি নেই। কিন্তু মনটা আগের মতো আর আনচান
করছে না। খুশির ঝিলিকে উদ্বেল হচ্ছে না। পুজোটা কেমন করে কাটাব, তার বদলে বিজয়া দশমী পর্যন্ত সুস্থ থাকব তো, আলোচনা তা নিয়েই। মন কেমন করা এক আশ্চর্য বিষণ্ণতা বাসা বেঁধেছে মনের কোণে। বদলে যাওয়া সময়ে নিজেকে সাজিয়ে তোলার ইচ্ছেটাকেই কখন যেন মেরে ফেলেছে করোনা! মুখ ঢেকেছে মাস্কে। মহামারী মোকাবিলার অস্ত্র বলতে তো ওই মাস্ক আর স্যানিটাইজার। পুজোয় আদৌ ঠাকুর দেখতে বেরবে কি না, বেরনো উচিত কি না, সেই দোলাচলে আজ বাঙালি। তবে এবার বাৎসরিক ঠাকুর দেখার মিছিলে হাঁটা থেকে বিরত থাকাটাই বিবেচকের কাজ হবে। বেঁচে থাকলে আসছে বছর আবার হবে, এই স্লোগানে ভর করেই আপাতত পরের বছর আশ্বিনের শারদ প্রাতের অপেক্ষায় কাটুক দিন। ততদিনে সবার শরীরে ভ্যাকসিনও ঢুকে যাবে। পরাজিত হবে করোনাসুর। আবার আগমনি সুর বাজবে, মা আসবেন ভুবন ভোলানো রূপে। মলো মাসের ভ্রূকুটি নয়, মহালয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রটে যাবে মহাশক্তির আগমন বার্তা।
মন্মথ গত দশবছর হকারি করে গড়িয়াহাটে। বলছিল, লকডাউনের ঠেলায় গত ৬ মাস বাজারটা শ্মশান হয়ে গিয়েছিল। অভ্যাসবশত এসে বসতাম। চা মুড়ির পয়সাও উঠত না। গত দু’সপ্তাহ একটু লোকের মুখ দেখতে পাচ্ছি। তবু তা বলার মতো নয়। তাতেই আপনারা বলছেন, ভিড় একদম নয়, করোনা ছড়াবে। তা পেটটা তো মানবে না। ওইটুকু বিক্রিতে গত সাতমাসের লোকসানই মিটবে না। আর তো বাকি কয়েকটা দিন। তারপরই উৎসব মিটে গেলে আবার মুখ থুবড়ে পড়বে কেনাকাটা। মন্মথর আক্ষেপ, করোনা থেকে বাঁচলেও এরকম চললে অনাহার যে মেরে ফেলবে আমাদের!
পুজোর বেশ একমাস আগে থেকে যাঁরা নিত্যনতুন জায়গায় বেড়াতে যাওয়ার প্ল্যান করেন। বড় মামার বয়স হয়েছে, কোমরে ব্যথা। তাঁর জন্য একটা লোয়ার বার্থ চাই। হলিডে হোমটা সমুদ্রের কাছে তো। হোটেলের ঘর থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা......? এবার সেইসব অন্তহীন কলকাকলি কবেই যেন থামিয়ে দিয়েছে নিষ্ঠুর করোনা দৈত্য। গাড়িতে চেপে ছোটখাটো ট্যুর কিছু হলেও পর্যটন শিল্পটাই ঘুমিয়ে পড়েছে। সেখানেও আয় হারিয়েছে শতশত মানুষ। সংক্রমণ কমছে না বাড়ছে, ভ্যাকসিন কবে আসছে সেই দিকেই তাকিয়ে ওরা।
আর আমি সামান্য কলমচি এই পুজোর ৬ মাস আগেই হারিয়েছি জীবনের শ্রেষ্ঠ আশ্রয় মাকে। লকডাউনের শুরুতে। যত রাতই হোক অফিস থেকে আমার বাড়ি ফেরা পর্যন্ত জেগে থাকত যে দুটো স্নেহভরা সজাগ চোখ, তাঁকে হারানোর চেয়ে বড় ক্ষতি মানবজীবনে আর হয় নাকি? এই পুজো তাই ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে অপূরণীয় ক্ষতির। নিজের শিকড় হারানোর। 
18th  October, 2020
পুজো হোক, লকডাউনে থাকুক উৎসব
সন্দীপন বিশ্বাস

এবার আমাদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আমাদের জয়ী হতেই হবে। তাই এবারের পুজো হোক অন্য পরিবেশে, অন্য মানসিকতায়। বাড়িতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটু আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং টিভিতেই হোক ঠাকুরদেখা। বিশদ

প্রতিবাদে মাথা নোয়ায় পর্বতও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 নোট বাতিল কিংবা জিএসটির ক্ষেত্রে যে ডোন্ট কেয়ার দাপট মোদি সরকার দেখিয়েছিল, তা আপাতত উধাও। সব ইস্যুতেই এখন বিরোধীদের চরম বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যা তাদের ‘একচ্ছত্র’ ইমেজে বড়সড় একটা দাগ! বিশদ

20th  October, 2020
বৃদ্ধি ছাড়াই সংস্কার
পি চিদম্বরম

একটা ব্যাপারে সবাই একমত হতে পারি যে, নিজের মত, নীতি ও কাজের প্রচারে কোনও শাসক দল এবং সরকার—বিজেপি অথবা মোদি সরকারের মতো সফল হয়নি। এবং, এই উদ্দেশ্যে তারা যে-কোনও পরিমাণ টাকা খরচ করবে, যত দরকার কাউকে উৎপীড়ন করবে, যতটা প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে হুমকির মুখে রাখবে এবং যে-কোনও প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখবে। অতিশয়োক্তিটা ওদের কাছে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।   বিশদ

19th  October, 2020
করোনা রোখার মন্ত্র ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’ 
তন্ময় মল্লিক

করোনা মোকাবিলায় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলার ও মাস্ককে জীবনসঙ্গী করার পরামর্শ হচ্ছে উপেক্ষিত। সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ। সকলের নজর সেই দিকেই। তাতে সাহসী হচ্ছে মানুষ। বাড়ছে বেপরোয়া ভাব। এগিয়ে আসছে বাংলার ভোট। প্রকট হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষমতা দখলের বাসনা। করোনার মধ্যেও ইস্যু পেলেই আন্দোলন। না থাকলে তৈরির চেষ্টা। অভিমুখ রাজ্যপাট। তাই কথায় কথায় মিছিল আর লড়াই।  
বিশদ

17th  October, 2020
অতিরিক্ত দিল্লি নির্ভরতাই বঙ্গ-বিজেপির সঙ্কট
সমৃদ্ধ দত্ত

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মতো ঝোড়ো আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেননি আর কেউই। সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু-স্রোত। এই সঙ্কটের মধ্যেই তাঁকে কাজ করতে হয়েছে। তাঁকে অভীধা দেওয়া হয় বাংলার রূপকার। কিন্তু ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ছিল, তিনি কৃষিকে অবহেলা করেছেন। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে তিনি যতটা উন্নতিসাধন করেছিলেন শিল্পে, সেই তুলনায় কৃষির উন্নয়ন কম হয়েছে।  
বিশদ

16th  October, 2020
ষড়যন্ত্রের তত্ত্বে সব ব্যর্থতা ঢাকা যায় না 
সন্দীপন বিশ্বাস

ব্যর্থতার এক একটি মাইলস্টোন স্থাপন করতে করতে ক্রমেই অতল খাদের দিকে এগিয়ে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অ্যান্ড কোম্পানি। অনেকেই অবশ্য মানবেন না যে খাদটা অতল। কেননা ভোটের এখনও অনেকদিন বাকি। কিন্তু তাঁর জনপ্রিয়তার প্রতিদিনই পতন হচ্ছে। সেটা তিনি নিজেও বোঝেন। তাই ইদানীং ছাতি বাজানো, তালি বাজানো বন্ধ করে দিয়েছেন। চেষ্টা করছেন, নানা রকম ভুজুং ভাজুং দিয়ে হারানো গৌরব উদ্ধার করতে।  
বিশদ

14th  October, 2020
ডিজিটাল রঙ্গমঞ্চের কাঠের পুতুল
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ল্যাপটপটা পড়ে আছে টেবিলের উপর। শাটডাউন। খোলা শুধু টপ কভারটা। আপনি অফিস থেকে ফিরে ঘরে ঢুকলেন। জামাকাপড় চেঞ্জ করছেন। এরপর বাথরুম। ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে বসলেন বিছানায়...। বন্ধ ঘরে কেউ নেই। কেউ দেখছে না আপনার ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো। 
বিশদ

13th  October, 2020
শাস্তি থেকে অব্যাহতির পীঠস্থান উত্তরপ্রদেশ 
পি চিদম্বরম

গত ২০ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লির সফদরজং হাসপাতালে এক তরুণী মারা গেলেন। ২২ সেপ্টেম্বর ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এক বয়ানে তিনি জানান, ১৪ সেপ্টেম্বর ওই তরুণী নিগৃহীতা এবং ধর্ষিতা হয়েছেন। এই ঘটনায় তরুণী যে চারজনের নামে অভিযোগ এনেছেন তারা তাঁরই গ্রামের ছেলে—উত্তরপ্রদেশে হাতরাস জেলার বুলাগড়ি গ্রামের বাসিন্দা।  
বিশদ

12th  October, 2020
বাংলার বদনাম করার চক্রান্ত রুখে দিন
হিমাংশু সিংহ

ক্ষমতায় না আসতেই গেরুয়া শক্তির গুন্ডামির ন্যক্কারজনক প্রদর্শনী দেখল বাংলার রাজপথ। ক্ষমতায় এলে এরা রাজ্যটাকে কোন নরকে টেনে নামাবে তার একটা সুস্পষ্ট ইঙ্গিতও মিলল। সেই সঙ্গে আতঙ্কের ঠান্ডা স্রোত খেলে গেল রাজ্যবাসীর শিরদাঁড়ায়। বৃহস্পতিবারের নবান্ন অভিযানের ছবিগুলো দেখতে দেখতে একসময় মনে হচ্ছিল, এ কোনও গণতান্ত্রিক আন্দোলন, না স্রেফ দাঙ্গা-হাঙ্গামার মহড়া! 
বিশদ

11th  October, 2020
কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলাই ভোটের কৌশল
তন্ময় মল্লিক

বাতাসে হিমের ছোঁয়া লাগলেই বোঝা যায়, পুজো আসছে। মাটিতে ঝরে পড়া শিউলি বুঝিয়ে দেয়, পুজোর আর দেরি নেই। উচ্ছ্বসিত কিশোরীর মতো কাশফুলের দোল খাওয়া দেখলেই মনে হয়, ঢাকে কাঠি এই পড়ল বলে। নীল আকাশের কোলে সাদা মেঘের ছোটাছুটি বুঝিয়ে দেয়, শারদোৎসব আগতপ্রায়। 
বিশদ

10th  October, 2020
আমেরিকায় কর ফাঁকি দিয়েও ভোটে জেতা যায়?
মৃণালকান্তি দাস

কর এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ আমেরিকার মতো দেশে অনেক বড় অপরাধ। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা ‘গোঁড়া সমর্থক’ হিসেবেই পরিচিত। যা কিছুই হোক, তাঁরা ট্রাম্পের সঙ্গেই রয়েছেন। বিশদ

09th  October, 2020
সুন্দর অভ্যাসগুলিকেও কি বিদায় দেব
হারাধন চৌধুরী

সাল ২০১৮। সাল ২০১৯। পর পর দু’বছর। কলকাতা সারা দেশের মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ শহরের শিরোপা দখল করেছিল। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর (এনসিআরবি) সর্বশেষ রিপোর্ট প্রকাশ হয় ২০২০-র জানুয়ারিতে। তাতেই কলকাতা এইভাবে চিহ্নিত হয়।   বিশদ

08th  October, 2020
একনজরে
 দলের স্বার্থে যে কোনও পজিশনে ব্যাটিং করতে রাজি জস বাটলার। সোমবার আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে রাজস্থান রয়্যালসের জয়ের নায়ক বলেন, ‘টিম ম্যানেজমেন্ট যেখানে চাইবে, ...

 জম্মুর কাটরায় শুরু হল ‘নবরাত্রি উৎসব’। আনুষ্ঠানিকভাবে উৎসবের সূচনা করেন উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রকের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। ...

 কথায় আছে জিরে থেকে হীরে সব জিনিসই এক ছাতার তলায় পাওয়া যায় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সেই পথে হেঁটেই এক জানালা পরিষেবা দেবে বাংলা সহায়ক কেন্দ্রের মাধ্যমে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: মণ্ডপে মণ্ডপে গিয়ে নয়, এবার পুজো দেখা যাবে স্মার্ট মোবাইল ফোনেই। দরকার শুধু ইন্টারনেট সংযোগ। ভিড় এড়াতে জলপাইগুড়ি শহরের বেশ কয়েকটি বিগ বাজেটের বারোয়ারি পুজো কমিটি এবার এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় সাফল্য ও হতাশা দুই-ই বর্তমান, নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ যোগ আছে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০৫: ত্রাফালগারের যুদ্ধে ভাইস অ্যাডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কাছে পরাজিত হয় নেপোলিয়ানের বাহিনী
১৮৩৩: ডিনামাইট ও নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক সুইডিশ আলফ্রেড নোবেলের জন্ম
১৮৫৪: ক্রিমিয়ার যুদ্ধে পাঠানো হয় ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গলের নেতৃত্বে ৩৮ জন নার্সের একটি দল
১৯৩১: অভিনেতা শাম্মি কাপুরের জন্ম
১৯৪০: আর্নেস্ট হেমিংওয়ের প্রথম উপন্যাস ফর হুম দ্য বেল টোলস-এর প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়
১৯৪৩: সিঙ্গাপুরে আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
১৯৬৭: ভিয়েতনামের যুদ্ধের প্রতিবাদে আমেরিকার ওয়াশিংটনে এক লক্ষ মানুষের বিক্ষোভ হয়
২০১২: পরিচালক ও প্রযোজক যশ চোপড়ার মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৫৪ টাকা ৭৪.২৫ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৪০ টাকা ৯৬.৭১ টাকা
ইউরো ৮৪.৮৭ টাকা ৮৮.০২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫১,৭৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,১০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৯,৮৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২,৬৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২,৭৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ৪ কার্তিক, ১৪২৭, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, পঞ্চমী ৮/৪২ দিবা ৯/৮। মূলানক্ষত্র ৪৮/৫৫ রাত্রি ১/১৩। সূর্যোদয় ৫/৩৯/২১, সূর্যাস্ত ৫/৩/১৭। অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১০ গতে ৭/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১০/১৩ গতে ১২/৩০ মধ্যে। রাত্রি ৫/৫৪ গতে ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৮/২৫ গতে ৩/৯ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/২৫ গতে ৭/১০ মধ্যে পুনঃ ১/১৫ গতে ৩/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩০ গতে ৯/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ১২/৪৭ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩১ গতে ৪/৬ মধ্যে।
৪ কার্তিক, ১৪২৭, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, পঞ্চমী দিবা ২/৪৫। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র দিবা ৮/২১। সূর্যোদয় ৫/৪০, সূর্যাস্ত ৫/৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৩ মধ্যে ও ৭/১৮ গতে ৮/২ মধ্যে ও ১০/১৪ গতে ১২/২৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৬/৩৫ মধ্যে ও ৮/১৯ গতে ৩/১৪ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৩৩ গতে ৭/১৮ মধ্যে ও ১/১১ গতে ৩/২৩ মধ্যে। কালবেলা ৮/৩১ গতে ৯/৫৭ মধ্যে ও ১১/২২ গতে ১২/৪৮ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩১ গতে ৪/৬ মধ্যে।
 ৩ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
খন্নানে মানসিক ভারসাম্যহীন ভবঘুরেকে গণধর্ষণের অভিযোগ 
খন্নানে এক মানসিক ভারসাম্যহীন ভবঘুরে মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল তিনজনের ...বিশদ

10:13:30 AM

করোনা: কিছুটা বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু 
টানা কয়েকদিন কমার পর দেশে ফের কিছুটা বাড়ল করোনায় দৈনিক ...বিশদ

10:12:12 AM

উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আরও দু’টি উৎসব স্পেশাল 
পুজো উপলক্ষে আরও  দু’টি স্পেশাল ট্রেন চালাবে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল। ...বিশদ

09:50:25 AM

 করোনায় মৃত তৃণমূল নেতা
করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন দমদমের তৃণমূল নেতা দয়াময় ভট্টাচার্য। ...বিশদ

09:45:00 AM

 আজ মাধ্যমিকের রিভিউ স্ক্রুটিনির ফল
মাধ্যমিক পরীক্ষার রিভিউ ও স্ক্রুটিনির ফল আজ, বুধবার প্রকাশিত হবে। ...বিশদ

09:44:21 AM

 করোনায় দুর্গা প্রতিমা দর্শনের ভার্চুয়াল মঞ্চ
ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে প্রতিমা দর্শনের আধুনিক উদ্যোগ। সৌজন্যে ePujo.in। যা আসলের ...বিশদ

09:36:55 AM