Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অনেক হারানোর পুজো
হিমাংশু সিংহ

পুজোর ছুটির একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকে। উৎসবের অনেক আগে থেকেই সেই গন্ধে ম ম করে বাংলার গাঁ গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্র। সেই গন্ধের সঙ্গে আগমনি মিশে তৈরি হয় অদ্ভুত ঘোর লাগানো একটা অপেক্ষার। মা আসছেন। বাঙালির অনেক না পাওয়া ক্ষতবিক্ষত জীবনে এর চেয়ে পরম প্রাপ্তির আর কিছুই হতে পারে না। সেই অপেক্ষার সঙ্গেই মিশে যায় বিদেশে কাজ করা দত্ত বাড়ির ছেলে, দূরে বিয়ে হওয়া পাশের বাড়ির হেমন্তদার মেয়ের ঘরে ফেরার খুশি। এবার পুজোয় ঘরে ফেরার সেই তাগিদটাই কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছে। ফিরতেই চাইছে না কেউ! উধাও হয়ে গিয়েছে পুজোর ছুটির জন্য মন কেমন করাটাও। অবকাশ, আনন্দ আর অনেকটা পথ চলে একটু জিরিয়ে নেওয়ার অনুভূতিটাকেই যেন হত্যা করেছে পৃথিবীর গভীরতম অসুখ। স্কুলই বন্ধ ৬ মাসের উপর। তাই ছুটি পড়েছে, এই আনন্দে বেলুন উড়িয়ে মায়ের হাত ধরে এবার ঘরে ফিরবে না কোনও শিশু। লকডাউনের শুরুতে সেই যে পলাশ চেন্নাই থেকে চলে এসেছে তারপর শুধুই ওয়ার্ক ফ্রম হোম। ওর কাছে আলাদা করে অবকাশ আজ মূল্যহীন। সত্যেনের বহুজাতিক সংস্থা বলে দিয়েছে আপাতত কোনও প্রজেক্ট নেই। আবার হাতে কাজ এলে যোগাযোগ করবে। ততদিন বেতন অর্ধেক। এবার পুজোয় তাই সত্যেনের মনের অন্ধকার হাজার ওয়াটের হ্যালোজেনেও উদ্ভাসিত হওয়া কঠিন!
স্বপন লোকাল ট্রেনে বাদাম আর ঝুরিভাজা বেচত। গত দশ বছর সকাল থেকে সন্ধ্যা তার একটাই ঠিকানা। নৈহাটি থেকে উল্টোডাঙা লোকাল ট্রেনের কামরা। চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ মেরে নিমেষে কীভাবে পাশের প্ল্যাটফর্মের ভিড়ে হারিয়ে যেত, সে এক অদ্ভুত বিস্ময়। গলায় ঝোলানো ছোট ছোট বাদামের প্যাকেট। মালার মতো পেঁচিয়ে এক ট্রেন থেকে অন্য ট্রেনে ঘেমে নেয়ে অক্লান্ত ছোটাছুটিই ছিল ওর নিত্যদিনের জীবন যুদ্ধ। গত সাত মাস ট্রেন বন্ধ। স্বপনের সংসারে যেন আচমকা বাজ পড়েছে। রোজগার নেই। থমকে গিয়েছে সবকিছু। আধপেটা খেয়ে চলছে কোনওরকমে। সেদিন দমদম স্টেশনের বাইরে দেখা হতেই অঝোরে কান্না। ‘দাদা যাব কোথায় বলতে পারেন, ট্রেন বন্ধ। সিনেমা হল খুলছে না। পার্কেও আজকাল আর তেমন লোক আসে না। বয়স্করা তো নয়ই। সেদিন রাস্তায় একটা বাচ্চা হাত বাড়াতেই তার মা বলল, ওসব বাইরের জিনিস খেতে নেই বাবা, করোনা হবে! অথচ শপিং মল থেকে তো দিব্যি দামি চিপসের প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে। করোনা কি শুধু গরিব মানুষের থেকে ছড়ায়!’ ওর প্রশ্নের কোনও উত্তর আমি দিতে পারিনি।
সান্ত্বনা দিতে পারিনি রতনকেও। আগমার্কা স্বার্থপর ভদ্রলোকের মতো এ কথা সে কথার ফাঁকে পালিয়ে এসেছি নিজের নিরাপদ চৌহদ্দিতে। দমদম থেকে শিয়ালদহ ট্রেনে দশ টাকায় পাঁচটা ডট পেন বিক্রি করত রতন। কেউ একসঙ্গে কুড়ি টাকার কিনলে আরও একটা পেন বাড়তি। তাতেই কোনওরকমে চলত মা, স্ত্রী আর তিন ছেলেমেয়েকে নিয়ে রতনের কষ্টের সংসার। ট্রেন বন্ধ দুশো দিনের ওপর।
বন্ধ স্কুলও। কোথায় যাবে রতনরা? তার ওপর পড়াশোনা তো সব অনলাইনে। পরীক্ষাও ট্যাবে-ল্যাপটপে। পেনের প্রয়োজন ফুরোচ্ছে। শশা আর পেয়ারা কেটে নুন মাখিয়ে উল্টোডাঙা প্ল্যাটফর্মের সাবওয়ে দিয়ে নামার মুখে বসত হরিসাধন। এখন
বসে স্টেশনের বাইরে রাস্তায় এককোণে। দিনে বার কয়েক লাঠির ঘা আর তাড়া খেতে হয় পুলিসের। স্টেডিয়ামে খেলা থাকলে ছুটত সেখানে বাড়তি লাভের আশায়। সঙ্গে ছোট ছেলেকে নিত চা বিক্রি করতে। সীমাহীন দারিদ্র্য ওই একরত্তি ছেলেটাকেও কত তাড়াতাড়ি কাজে ঢুকিয়ে দিয়েছে। স্কুল, সিনেমা হল, লোকাল ট্রেনের মতো স্টেডিয়ামের খেলাও
তো বন্ধ। চেনা জীবনের ছন্দটাই কখন যেন হারিয়ে গিয়েছে। জিজ্ঞেস করেছিলাম, বিক্রি কিছু হচ্ছে
তো? ফ্যাকাসে মুখটা কোনওরকমে তুলে বলেছিল, বাইশ বছরের অভ্যাস তাই রোজ এসে বসি।
ট্রেন নেই, লোক কোথায়। যা হচ্ছে তা দিয়ে পেট
চলে না দাদা। আর বাড়িতে থেকেই বা কী করব,
তাই সব ভুলে থাকতে এসে বসে থাকি অনেকদিনের চেনা জায়গাটায়!
আগস্টে আবার ট্রেন চলবে শুনে মনের কোণে এক চিলতে আশার আলো জ্বলেছিল বটে। মনে হয়েছিল, পুজোর আগে আবার সব বুঝি ঠিক হয়ে যাবে। আবার গমগম করবে স্টেশন, প্ল্যাটফর্ম। মানুষের পায়ে পায়ে বিকোবে বাদাম, ডট পেন, লজেন্স, কাটা শসা, পেয়ারা। জীবন আবার চলবে পুরনো গতিতে। এখন ওই আশাটুকুও ক্ষীণ হতে হতে মিলিয়ে গিয়েছে। সবাই বুঝে গিয়েছে এবার পুজোয় লোকাল চলার আশা নেই। তাই শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর, হাওড়া থেকে তারকেশ্বর, উল্টোডাঙা থেকে বনগাঁ একের পর এক স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম ঘিরে যে অভাবী মুখগুলো লড়াই করে বেঁচে ছিল, তাদের স্পন্দনটাই কখন যেন থমকে রয়েছে। কে না জানে লোকাল ট্রেন আর প্ল্যাটফর্মগুলিকে আশ্রয় করে যত মানুষ এই বাংলায় বেঁচে থাকেন তা হার মানাতে পারে কয়েকশো বড় কারখানাকেও। ওদের কাছে এবারের পুজোটা তাই অনেক আগেই হারিয়ে গিয়েছে।
ছোটবেলায় আমাদের স্কুলের ঠিক বাইরে সদানন্দ বসত হজমি গুলি আর লাঠি লজেন্স নিয়ে। সঙ্গে ছোট ছোট কুল আর আচার। বিক্রিবাটার ফাঁকে অনেক মজার মজার গল্পও বলত। টিফিনের সময় সে কী ভিড়। সদানন্দকে শেষ দেখেছি কাঠি আইসক্রিম বিক্রি করতে। তারপর ওর ছেলেও কাঠের গাড়ি ঠেলে আইসক্রিম নিয়ে স্কুলের বাইরে বসত। ফুচকা বেচত সজল। অনেক দিন আর ওদের খোঁজ পাইনি। আসা যাওয়ার পথে দেখাও হয়নি। কে জানে এই আকালের সময়ে কেমন রয়েছে ওরা!
যাদের অনেক আছে পুজো মানেই তাদের কাছে নতুন জামা কাপড় জুতো আর রংবাহারি নানা কিসিমের শাড়ি কেনার গল্প। তবু সেই সম্পন্ন ঘরেও ষষ্ঠীতে তাঁত, সপ্তমীতে জামদানি আর অষ্টমীতে বালুচরীর হিসেবনিকেশেও এবার যেন অদ্ভুত ভাটা। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের একশো ঘণ্টাও আর বাকি নেই। কিন্তু মনটা আগের মতো আর আনচান
করছে না। খুশির ঝিলিকে উদ্বেল হচ্ছে না। পুজোটা কেমন করে কাটাব, তার বদলে বিজয়া দশমী পর্যন্ত সুস্থ থাকব তো, আলোচনা তা নিয়েই। মন কেমন করা এক আশ্চর্য বিষণ্ণতা বাসা বেঁধেছে মনের কোণে। বদলে যাওয়া সময়ে নিজেকে সাজিয়ে তোলার ইচ্ছেটাকেই কখন যেন মেরে ফেলেছে করোনা! মুখ ঢেকেছে মাস্কে। মহামারী মোকাবিলার অস্ত্র বলতে তো ওই মাস্ক আর স্যানিটাইজার। পুজোয় আদৌ ঠাকুর দেখতে বেরবে কি না, বেরনো উচিত কি না, সেই দোলাচলে আজ বাঙালি। তবে এবার বাৎসরিক ঠাকুর দেখার মিছিলে হাঁটা থেকে বিরত থাকাটাই বিবেচকের কাজ হবে। বেঁচে থাকলে আসছে বছর আবার হবে, এই স্লোগানে ভর করেই আপাতত পরের বছর আশ্বিনের শারদ প্রাতের অপেক্ষায় কাটুক দিন। ততদিনে সবার শরীরে ভ্যাকসিনও ঢুকে যাবে। পরাজিত হবে করোনাসুর। আবার আগমনি সুর বাজবে, মা আসবেন ভুবন ভোলানো রূপে। মলো মাসের ভ্রূকুটি নয়, মহালয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রটে যাবে মহাশক্তির আগমন বার্তা।
মন্মথ গত দশবছর হকারি করে গড়িয়াহাটে। বলছিল, লকডাউনের ঠেলায় গত ৬ মাস বাজারটা শ্মশান হয়ে গিয়েছিল। অভ্যাসবশত এসে বসতাম। চা মুড়ির পয়সাও উঠত না। গত দু’সপ্তাহ একটু লোকের মুখ দেখতে পাচ্ছি। তবু তা বলার মতো নয়। তাতেই আপনারা বলছেন, ভিড় একদম নয়, করোনা ছড়াবে। তা পেটটা তো মানবে না। ওইটুকু বিক্রিতে গত সাতমাসের লোকসানই মিটবে না। আর তো বাকি কয়েকটা দিন। তারপরই উৎসব মিটে গেলে আবার মুখ থুবড়ে পড়বে কেনাকাটা। মন্মথর আক্ষেপ, করোনা থেকে বাঁচলেও এরকম চললে অনাহার যে মেরে ফেলবে আমাদের!
পুজোর বেশ একমাস আগে থেকে যাঁরা নিত্যনতুন জায়গায় বেড়াতে যাওয়ার প্ল্যান করেন। বড় মামার বয়স হয়েছে, কোমরে ব্যথা। তাঁর জন্য একটা লোয়ার বার্থ চাই। হলিডে হোমটা সমুদ্রের কাছে তো। হোটেলের ঘর থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা......? এবার সেইসব অন্তহীন কলকাকলি কবেই যেন থামিয়ে দিয়েছে নিষ্ঠুর করোনা দৈত্য। গাড়িতে চেপে ছোটখাটো ট্যুর কিছু হলেও পর্যটন শিল্পটাই ঘুমিয়ে পড়েছে। সেখানেও আয় হারিয়েছে শতশত মানুষ। সংক্রমণ কমছে না বাড়ছে, ভ্যাকসিন কবে আসছে সেই দিকেই তাকিয়ে ওরা।
আর আমি সামান্য কলমচি এই পুজোর ৬ মাস আগেই হারিয়েছি জীবনের শ্রেষ্ঠ আশ্রয় মাকে। লকডাউনের শুরুতে। যত রাতই হোক অফিস থেকে আমার বাড়ি ফেরা পর্যন্ত জেগে থাকত যে দুটো স্নেহভরা সজাগ চোখ, তাঁকে হারানোর চেয়ে বড় ক্ষতি মানবজীবনে আর হয় নাকি? এই পুজো তাই ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে অপূরণীয় ক্ষতির। নিজের শিকড় হারানোর। 
18th  October, 2020
গণদেবতার আশীর্বাদ
মৃণালকান্তি দাস

শেষ বিচারে বঙ্গসমাজ বিজেপির আইডেনটিটি পলিটিকস তত্ত্বকে আমল দেয়নি। বাঙালিয়ানা বিসর্জন দিয়ে বিজেপির হিন্দু-হিন্দি-হিন্দুস্তান মার্কা ভারতীয়ত্বকে আপন করে নিতে চায়নি। বহুত্ববাদ, বৈচিত্র্য ও বিবিধকে আঁকড়ে ধরে একদর্শী মতবাদকে তফাতে ঠেলেছে। দিনের শেষে এই রাজনৈতিক সংঘাত তাই রূপ নিয়েছে এক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে।
বিশদ

প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

ভোট পর্ব মিটতে না মিটতে করোনা রোধে আঁটসাঁট বিধিনিষেধ। মাত্র এক দেড় মাসের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছাচারী ভোট পরিচালনায় রাজ্যব্যাপী সর্বত্র করোনা ছড়িয়ে গেছে। এমন অভিযোগ উঠে এসেছে কেবলমাত্র রাজনৈতিক দলের মধ্য থেকে নয়, খোদ মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকেও। বিশদ

06th  May, 2021
রাজধর্ম পালনের শপথ
হারাধন চৌধুরী

কোভিড পরিস্থিতি আপনারা দায়িত্ব নিয়ে যদি এতটা খারাপ না করে ফেলতেন, তাহলে অবশ্যই বলতাম, মোদি-শাহ-নাড্ডা বাংলায় আসুন। আজই সুযোগ। মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতার শপথের হ্যাটট্রিক। দেখে যান রাজধর্ম পালনের শপথ কীভাবে নিতে হয়। বিশদ

05th  May, 2021
মোদি হাওয়া নেই... ছিলও না 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বাঁদরের হাতে লোডেড রিভলভার ধরিয়ে দিলে কী হয়? উত্তরের জন্য কোনও পুরস্কার নেই। কিন্তু যে ব্যক্তি এই মহান কর্মটি করে, তার মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। নিশ্চিতভাবে তার মাথার ব্যামো আছে। আমাদের আর্থ-সামাজিক কাঠামোটাও কতকটা তেমন। 
বিশদ

04th  May, 2021
বাংলার আবেগের
অপর নাম আজ মমতা
হিমাংশু সিংহ

নরেন্দ্র মোদির আজকের এই পরাজয় তাই শুধু বাংলাতে পা রাখতে না পারার লজ্জা নয়, এক ৬৫ বছরের মহিলাকে ক্রমাগত ‘দিদি ও দিদি’ ও ‘জয় শ্রীরাম’ গালাগালি নিক্ষেপ করারও মধুর বদলা।  বাংলা ও বাঙালি আজ মমতাময়। বিশদ

03rd  May, 2021
সঙ্কট থেকে  চরম বিপর্যয়
পি চিদম্বরম

আপনি এই নিবন্ধ যখন পড়ছেন ততক্ষণে ১৮-৪৪ বছর বয়সিদের করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার মতো বিরাট কর্মসূচিটা দেশে চালু হয়ে গিয়েছে। কিছু রাজ্য আগ্রহের সঙ্গে এবং কিছু রাজ্য অনিচ্ছা সত্ত্বেও এতে শামিল হয়েছে। অন্যদিকে, ততক্ষণে শেষ হয়ে গিয়েছে ভোটগণনার মতো আর একটা ইভেন্ট এবং ফলাফল বেরিয়ে গিয়েছে। বিশদ

03rd  May, 2021
সঙ্কটকালে করোনাই
হোক প্রধান প্রতিপক্ষ
তন্ময় মল্লিক

করোনা আবহে দ্রুত বদলে যাচ্ছে সব কিছুই। বদলে যাচ্ছে মানুষের চাহিদাও। সোনাদানা, গাড়ি বাড়ির চেয়েও বহু মানুষের কাছে মূল্যবান অক্সিজেন সিলিন্ডার। এই পরিস্থিতিতে বদল দরকার রাজনৈতিক নেতাদেরও। তাঁদের ভাবনার। কোনও রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি নয়, সঙ্কটকালে করোনাই হোক প্রধান প্রতিপক্ষ। বিশদ

01st  May, 2021
রাষ্ট্রের কাছে কি
এটাই প্রাপ্য ছিল?
সমৃদ্ধ দত্ত

তাহলে আপনাদের সময়কালে একটা দেশভাগ হলে কী করতেন? ভারত স্বাধীন হয়েছে, একটি নতুন রাষ্ট্র নির্মাণ করতে হবে। কীভাবে সামলাতেন? প্রায় ছশোর বেশি দেশীয় রাজ্য আছে। তাদের ভারতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে নরমে অথবা গরমে। পারতেন সেই কুশলতা দেখাতে? বিশদ

30th  April, 2021
কেন্দ্রীয় সরকারের
অপদার্থতায় কোভিড বেলাগাম
মৃন্ময় চন্দ

কোনও ওষুধ বা ভ্যাকসিনই কোভিডে অব্যর্থ নয়, তাই ট্র্যাক-টেস্ট-ভ্যাকসিন এবং মাস্ক ও দূরত্ববিধির ওপর জোর দিলেই কোভিডের পরাক্রম কমবে। সর্বোপরি সর্বশক্তিতে প্রতিরোধ করতে হবে ভোটের বিজয় মিছিল। বিশদ

29th  April, 2021
দেশকে তিনি করেছেন
ছন্নছাড়া শ্মশানভূমি
সন্দীপন বিশ্বাস

জীবনদাতা নিজেই যখন টিকা উৎসবের ঘোষণা করে মরণ উৎসবে মেতে ওঠেন, দেশটা তখন একটা ছন্নছাড়া, শ্মশান ছাড়া আর কিছুই হয়ে উঠতে পারে না। স্বাধীনতার প্ল্যাটিনাম জয়ন্তীর প্রাক্কালে দেশকে আপনি কোন শ্মশান যাত্রায় পাঠাচ্ছেন মিঃ পিএম?  বিশদ

28th  April, 2021
মানুষের জন্য কী করলেন?
জবাব চায় দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রায় ৫১ কোটি ৩০ লক্ষ দেশবাসীকে নিজের ভ্যাকসিন নিজেকেই বুঝে নিতে হবে। এটাই প্রধানমন্ত্রীর নিদান। কেন? দেশের তরুণ প্রজন্ম কি ছাগলের তৃতীয় সন্তান? নাকি এই প্রজন্মের জন্য গোমূত্র স্টক করা হচ্ছে? বলা যায় না... কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যদি বলতে পারেন যে, গোমূত্র খেলে কোভিড হবে না, তাহলে সে দেশে সব সম্ভব। বিশদ

27th  April, 2021
সাত বছর বাদে প্রাপ্তি বঞ্চনা, রোগ আর মৃত্যু
পি চিদম্বরম 

দু’বছর আগে তাকে ক্ষমতায় বসাতে দেশ শুধু বিজেপিকেই ৩০৩ আসন দিয়েছিল। আর তার নেতৃত্বাধীন এনডিএ-কে দিয়েছিল ৩৫৩ আসন। এই বিপুল গরিষ্ঠতা যে সরকারের সেটা
তৃতীয় বর্ষে পদার্পণের প্রাক্কালে প্রাসঙ্গিক দু’টি প্রশ্ন রাখা দরকার: (এক) কোন ধরনের শাসনব্যবস্থা আমরা পেলাম? 
বিশদ

26th  April, 2021
একনজরে
বিজেপি আসছেই, ধরে নিয়ে গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছিল বেশকিছু শিক্ষক সংগঠন। রবিবার ফল প্রকাশের পর থেকে রীতিমতো চিন্তায় পড়ে গিয়েছে তারা। নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের সমালোচনা ...

মদের বদলে অ্যালকোহল মিশ্রিত হোমিওপ্যাথি ওষুধ খেয়ে মৃত্যু হল সাত জনের। গুরুতর অসুস্থ আরও পাঁচ। ঘটনাটি ঘটেছে ছত্তিশগড়ের বিলাসপুর জেলার একটি গ্রামে। অসুস্থ অবস্থায় মঙ্গলবার বাড়িতেই চারজনের মৃত্যু হয়। বুধবার বাকি তিনজনের মৃত্যু হয় হাসপাতালে। ...

২৭ বছরের দাম্পত্য জীবনে সম্প্রতি ইতি টেনেছেন বিল এবং মেলিন্ডা গেটস। তারপর থেকেই বিশ্বজুড়ে তাঁদের সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকার যৌথ সম্পত্তি নিয়ে প্রবল চর্চা ...

মালদহের বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও গবেষক পুষ্পজিৎ রায় প্রয়াত। বৃহস্পতিবার মালদহের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। সম্প্রতি ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর-স্বাস্থ্যের হঠাৎ অবনতি। উচ্চশিক্ষায় বাধা। সৃষ্টিশীল কাজে উন্নতি। পারিবারিক কলহ এড়িয়ে চলুন। জ্ঞাতি বিরোধ সম্পত্তি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব হাঁপানি দিবস
ইঞ্জিনিয়ার্স ডে

১৭৭০ - ইংরেজ কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের জন্ম
১৮৪৯: স্ত্রী শিক্ষা প্রসারে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হল বেথুন স্কুল
১৮৬১ - আইনজীবী ও জাতীয়তাবাদী নেতা মতিলাল নেহরুর জন্ম
১৯১০: সঙ্গীতশিল্পী শান্তিদেব ঘোষের জন্ম
১৯২৬: অভিনেত্রী মঞ্জু দে'র জন্ম
১৯৪৫: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির আত্মসমর্পণ



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.১৯ টাকা ৭৫.৪৮ টাকা
পাউন্ড ১০০.১৯ টাকা ১০৫.০৮ টাকা
ইউরো ৮৬.৫৩ টাকা ৯০.৭৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৭,৭০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,২৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৫,৯৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭০,৫৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭০,৬৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  May, 2021

দিন পঞ্জিকা

২৩ বৈশাখ ১৪২৮, শুক্রবার, ৭ মে ২০২১। একাদশী ২৬/১০ দিবা ৩/৩৩। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র ১৮/২৪ দিবা ১২/২৬। সূর্যোদয় ৫/৪/২৬, সূর্যাস্ত ৬/১/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৭/৪১ গতে ১০/১৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৫২ গতে ২/৩৪ মধ্যে পুনক্ষ ৪/১৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/২৯ গতে ৮/৫৮ মধ্যে পুনঃ ২/৫৩ গতে ৩/৩৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/২৭ গতে ১১/১১ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৯ গতে ১১/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪৭ গতে ১০/১০ মধ্যে।
২৩ বৈশাখ ১৪২৮, শুক্রবার, ৭ মে ২০২১। একাদশী অপরাহ্ন ৫/৩৪। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র দিবা ২/৪১। সূর্যোদয় ৫/৫, সূর্যাস্ত ৬/৩। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে ও ৭/৩৮ গতে ১০/১৫ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ২/৩৫ মধ্যে ও ৪/২০ গতে ৬/৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৯/০ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৩/৩৪ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/২৭ গতে ১১/১১ মধ্যে ও ৩/৩৪ গতে ৫/৪ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৯ গতে ১১/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪৯ গতে ১০/১১ মধ্যে।
২৪ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সুতাহাটায় বেতন না দিয়ে কলেজ থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকি
সুতাহাটায় মাসের পর মাস বেতন না দিয়ে কলেজ থেকে তাড়িয়ে ...বিশদ

05:44:12 PM

ছোটা রাজনের মৃত্যুর খবর অস্বীকার করল এইমস
মৃত্যু হয়নি ছোটা রাজনের । করোনা আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ থাকলেও ...বিশদ

05:37:15 PM

এবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে কোভিড হাসপাতাল
২৫০টি বেড নিয়ে এবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে শুরু হল কোভিড হাসপাতাল। ...বিশদ

05:35:00 PM

পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামে উদ্ধার ২২ টি তাজা বোমা
 

পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রামের উকতা পঞ্চায়েতের পিচকুড়ি গ্রাম থেকে উদ্ধার ...বিশদ

05:06:00 PM

ময়নাগুড়িতে কোভিড রোগী দাহ করা যাবে না, বিক্ষোভ মহিলাদের  
ময়নাগুড়ির বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় কোভিড রোগী দাহ করতে শ্মশান ...বিশদ

04:59:31 PM

সোমবার রাজভবনে সকাল ১১ টায় নতুন মন্ত্রীসভার শপথগ্রহণ

04:52:27 PM