Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অতিরিক্ত দিল্লি নির্ভরতাই বঙ্গ-বিজেপির সঙ্কট
সমৃদ্ধ দত্ত

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মতো ঝোড়ো আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেননি আর কেউই। সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু-স্রোত। এই সঙ্কটের মধ্যেই তাঁকে কাজ করতে হয়েছে। তাঁকে অভীধা দেওয়া হয় বাংলার রূপকার। কিন্তু ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ছিল, তিনি কৃষিকে অবহেলা করেছেন। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে তিনি যতটা উন্নতিসাধন করেছিলেন শিল্পে, সেই তুলনায় কৃষির উন্নয়ন কম হয়েছে। ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় ব্যক্তি প্রফুল্লচন্দ্র সেন ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি নিজেই প্রায় নিত্যদিন আক্ষেপ করতেন, বাংলায় চাল, ডাল, তেল, সবকিছুতেই ঘাটতি।
এই খাদ্য সমস্যা অর্থাৎ কৃষি উৎপাদনের ঘাটতির সুযোগ নিয়ে বিরোধী বামপন্থীরা প্রচার আন্দোলন তুঙ্গে নিয়ে যায়। রাজনৈতিক সুফলও পায়। সেই কথাটি মনে রেখেই ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পর জ্যোতি বসু সর্বাগ্রে জোর দিয়েছিলেন কৃষিতে। তাঁর সরকার ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ভূমি সংস্কার ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির উপর। সেই সুফলকেই সঙ্গে নিয়ে ৩৪ বছর ধরে পথ হেঁটেছিল সিপিএম। আর কী আশ্চর্য ঘটনা! ঠিক সেই কৃষির ইস্যুতেই তাদের পতন ঘটল। দুর্নীতি, দাদাগিরি, সিন্ডিকেট, রিগিং, প্রোমোটার-রাজ, শিক্ষা-স্বাস্থ্যকে অবহেলা ইত্যাদি তাবৎ বিরুদ্ধ-ইস্যুকে হারিয়ে বারংবার জয়ী হয়েছিল বামফ্রন্ট সরকার। কারণ, কৃষি ও ভূমি সংস্কারে গুরুত্ব। কিন্তু দক্ষিণবঙ্গের কলকাতা লাগোয়া একটি ক্ষুদ্র জনপদ সিঙ্গুর আর মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে প্রধানত কৃষিজমি দখল করা হচ্ছে এই প্রচারটিকেই পাখির চোখ করে এগিয়ে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিস্ময়করভাবে ২০১১ সালে সেই কৃষি ও খাদ্যশস্য ইস্যুতেই সিপিএম হেরে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। কংগ্রেসের থেকে বামপন্থীদের ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া, ক্ষমতায় থেকে যাওয়া এবং আবার বামপন্থীদের ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করেছে কৃষি ও খাদ্যশস্যের মতো স্পর্শকাতর একটি ইস্যু।
এই প্রসঙ্গ উত্থাপন করার কারণ, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে বিজেপি বহু প্ল্যান প্রোগ্রাম করেও এখনও এমন কোনও পাখির চোখ করার মতো জ্বলন্ত ইস্যু ধরতে পারেনি। একটি নিশ্চিত কোনও ইস্যুতে রাজনৈতিক ডিসকোর্স তৈরি করতে পারেনি। কোনও একটি ইস্যুতে সরকার বিরোধিতাকে চরম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার মুন্সিয়ানা বঙ্গবিজেপি দেখাতে পারেনি। হিন্দুত্ব, সংখ্যালঘু তোষণ, দুর্নীতি ইত্যাদি নানাবিধ বিক্ষিপ্ত ইস্যুতে তারা আটকে রয়েছে। কিন্তু কৃষি, শিল্প, খাদ্য, কর্মসংস্থান ইত্যাদি নিয়ে এখনও ফোকাসড কোনও ইস্যু নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো রাজনৈতিকভাবে তীক্ষ্ণ ব্যক্তিত্বকে পরাস্ত করার জন্য যে সুতীব্র গেমপ্ল্যান দরকার, সেটা এখনও চোখে পড়ছে না বিজেপির রাজনীতিতে। অথচ বিজেপির জনসমর্থন রয়েছে এবং হয়তো বাড়ছেও। সিপিএম সমর্থকদের বড় অংশের ভোট তো থাকবেই তাদের কাছে। কিন্তু ধারাবাহিক জনস্বার্থের রাজনৈতিক ইস্যু ও কর্মসূচি নেই। শুধু নবান্ন অভিযানের রঙিন জলসিক্ত ছবি ভোটে প্রতিফলিত হয় না।
এই সঙ্কটের অন্যতম কারণ হল, বঙ্গবিজেপি সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদি নির্ভর একটি সংগঠনে পরিণত করে রেখেছে নিজেকে। বস্তুত অতিরিক্ত মোদি নির্ভরতাই বঙ্গবিজেপির অন্যতম প্রধান দুর্বলতা। বুথ স্তরের সংগঠন, বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী নির্বাচন, ব্লকে ব্লকে একাধিক মুখকে পরিচিত নেতা হিসেবে তুলে আনা ইত্যাদি কাজ কিন্তু মোদি করবেন না। এটা করতে হয় রাজ্যের দলটিকেই। কিন্তু সেটা করার মতো রাজনৈতিক প্রাজ্ঞতাই নেই বঙ্গবিজেপির। তাদের সমস্যা হল, তারা মুখে অভিযোগ করে যে, কংগ্রেস একটি হাইকমান্ড নির্ভর দল, অথচ নিজেরাও সেই হাইকমান্ড নির্ভরই হয়ে গিয়েছে। বিজেপির তরফে বাংলার জন্য যে কোনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় দিল্লি থেকে। রাজনৈতিক অবস্থান গ্রহণের জন্য এ রাজ্যে মাঝেমধ্যেই আসেন দিল্লির পাঠানো নেতারা। বস্তুত বাংলার দলটির নীতি নির্ধারণ করেন নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। সেটা হতেই পারে। সর্বভারতীয় দলের নিয়ম। কিন্তু সেই নীতি ও সিদ্ধান্তগুলি প্রয়োগ করতেও পাঠানো হয় কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদেরই। অর্থাৎ মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে বঙ্গবিজেপিকে কীভাবে লড়াই করতে হবে, বাংলায় কোন কোন ইস্যুকে টার্গেট করতে হবে এটা যে বিজেপি নেতারা সারাবছর বাংলায় বাস করছেন, তাঁদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার একক অধিকার নেই। হয়তো তাঁরা প্রস্তাব দেন, সুপারিশ করেন, ইস্যুকে আইডেন্টিফাই করেন বিভিন্ন বৈঠকে। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আসেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ও শীর্ষ নেতারা।
অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় দলনির্ভরতার কুফল হল, একটি কমিউনিকেশন গ্যাপ তৈরি হয়। অর্থাৎ বাংলার সংস্কৃতি, সমাজ, রাজনীতির যে দৈনন্দিন আটপৌরে একটা ছন্দ আছে, সেটা কখনও বহিরাগত রাজনীতিকদের পক্ষে আত্মস্থ করা সম্ভব হয় না। তাঁরা একটা ফর্মুলা মেনে হয়তো অগ্রসর হন। কিন্তু যে মডেল অসমে সফল হয়েছে, সেই একই মডেল বাংলায় চলবে তার নিশ্চয়তা নেই। আর এভাবে দুটি ক্ষতি হচ্ছে। প্রথমত, বঙ্গবিজেপি নেতাদের নিজস্ব একক ভাবমূর্তি তৈরি হতে পারছে না। আর দ্বিতীয়ত, মোদি বা অমিত শাহদের যে কোনও ব্যর্থতার বোঝাও বহন করতে হচ্ছে। সর্বভারতীয় দলের হয়ে রাজ্যে রাজনীতি করার এটা একটা প্রধান সমস্যা। উত্তরপ্রদেশে দলিত কন্যার ধর্ষণ হয়েছে, সে ব্যাপারে তীব্র নিন্দা না করে সাফাই গাইতে হচ্ছে। কারণ ওই রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতাসীন। দেশে অর্থনীতি ডুবে যাচ্ছে। সেটা বুঝতে পেরেও কেন্দ্রের স্বপক্ষে অবান্তর যুক্তি দিতে হচ্ছে রাজ্য বিজেপিকে। এসব থেকে বাঁচার উপায় ছিল। যদি বঙ্গবিজেপির নেতৃত্ব নিজেরাই একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যুর নির্মাণ করতে সক্ষম হতেন। সেটাতেই ফোকাস করতেন। রাজ্যবাসী সেই ইস্যুকে আগ্রহ নিয়ে দেখত। কিন্তু সেটা তাঁরা পারছেন না।
কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বহু স্লোগান, বহু বিবৃতি, বহু চাপিয়ে দেওয়া সংস্কৃতি যে বাংলার মানুষের কাছে অতটা পরিচিত নয়, সেটা বুঝতে পেরেও বঙ্গবিজেপিকে বাধ্য হয়ে সেই প্রচারই করতে হচ্ছে। একইসঙ্গে বিজেপির অন্যতম সমস্যা হল, নিচুতলায় দলে দলে সিপিএমের আগ্রাসী ক্যাডারবাহিনী চলে এসেছে। তারা বিজেপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের পাত্তাই দেয় না। সুতরাং প্রকৃত পুরনো বিজেপি নেতাকর্মীদের ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে। আবার উল্টোদিকে উপরতলায় দেখা যাচ্ছে, গুরুত্ব দখল করে নিচ্ছেন তৃণমূল থেকে আসা নেতারা। তাঁদের অভিজ্ঞতাকেই কাজে লাগাতে সচেষ্ট কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। তার জেরে বিজেপির পুরনো নেতারা কোণঠাসা অনুভব করছেন। তৃতীয় সমস্যা হল, বিজেপি যখন শক্তিশালী হয়নি, তখন প্রধানত রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের অনুগামী, শাখায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদেরই বেশি ভিড় ছিল। কিন্তু যখন বিজেপি রাজ্যে শক্তিশালী হচ্ছে তখন নেতা ও কর্মী হিসেবে এমন একটি শ্রেণী প্রথম সারিতে চলে এসেছে, যাদের সঙ্গে আর এস এসের কোনও সম্পর্কই ছিল না কোনওদিন।
মমতা বন্দ্যোপাধায়ের এটা সুবিধা। তাঁর কোনও হাইকমান্ড নেই। সিদ্ধান্ত তিনিই গ্রহণ করেন। বিজেপি অথবা কংগ্রেসের এই সমস্যাটি প্রকট। কংগ্রেস আজ যতই বলুক বামেদের সঙ্গে জোট করবে, সেটা ততক্ষণ পর্যন্ত ১০০ শতাংশ নিশ্চিত নয়, যতক্ষণ তাদের হাইকমান্ড সবুজ সংকেত দেবে। কখন যে সোনিয়া গান্ধী মমতা বন্দ্যোপাধ্যা঩য়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলে কোনও একটি রাজনৈতিক ইস্যুতে আবার বৈঠক ডাকবেন, সেটা বঙ্গ কংগ্রেস নেতৃত্ব জানে না। হয়তো দেখা যাবে অন্য রাজ্য থেকে আসা কোনও পর্যবেক্ষক বঙ্গ কংগ্রেসের প্রার্থী নির্বাচন কিংবা কর্মসূচি গ্রহণের অন্যতম সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী হয়ে যাবেন।
বঙ্গবিজেপিরও তাই। নির্বাচনে কোন কেন্দ্রে কে প্রার্থী হবেন তা বঙ্গবিজেপির হাতে পুরোপুরি নেই। সুতরাং বঙ্গবিজেপি এবং বঙ্গ কংগ্রেসের নেতৃত্বের সবথেকে বড় সঙ্কট হল, তারা পরাধীন। সিদ্ধান্তগ্রহণে স্বাধীন নয়। দিল্লি থেকে আসে তাঁদের ভবিষ্যৎ যে কোনও কর্মপন্থার কনফামের্শন। ফলে রাজ্যস্তরে যে কোনও ইস্যুতে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারছে না তারা। যেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেরেছিলেন। কখনও ব্যর্থ হয়েছেন। কখনও সফল হয়েছেন। কিন্তু নিরন্তর একটা ট্রায়াল অ্যান্ড এররের মধ্যে দিয়েই তিনি এগিয়েছেন। সর্বোপরি তিনি এই রাজ্যের ভূগোলটি হাতের তালুর মতো চেনেন। প্রতিটি জেলা, ব্লক তাঁর মুখস্থ। এটা রাজনীতিতে প্রচণ্ড প্রয়োজন। গাড়িতে, বাইকে, পদযাত্রায়, মিছিলে গোটা রাজ্যে অবিরত দৌঁড়ে বেড়াচ্ছেন, এরকম বিরোধী নেতা আর দেখা যাচ্ছে না কেন? রাজনীতিতে একটা পরিভাষা আছে। ফেস রেকগনিশন। অর্থাৎ একজন নেতাকে যে কোনও প্রত্যন্ত প্রান্তের মানুষও চিনে গিয়েছেন। নামে ও চেহারায়। জওহরলাল নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী, নরেন্দ্র মোদিরা সেই গোত্রের। এ রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার বহু বছর আগেই সেই শ্রেণীভুক্ত হয়ে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধী নেতাদের কেউ সাড়ে ৯ কোটি বঙ্গবাসী তথা জাতীয় স্তরে ফেস রেকগনাইজড পার্সোনালিটি হতে পারছেন না। রাজনীতিতে সোশ্যাল মিডিয়া কিন্তু শেষ কথা নয়! 
16th  October, 2020
পুজো হোক, লকডাউনে থাকুক উৎসব
সন্দীপন বিশ্বাস

এবার আমাদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আমাদের জয়ী হতেই হবে। তাই এবারের পুজো হোক অন্য পরিবেশে, অন্য মানসিকতায়। বাড়িতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটু আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং টিভিতেই হোক ঠাকুরদেখা। বিশদ

প্রতিবাদে মাথা নোয়ায় পর্বতও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 নোট বাতিল কিংবা জিএসটির ক্ষেত্রে যে ডোন্ট কেয়ার দাপট মোদি সরকার দেখিয়েছিল, তা আপাতত উধাও। সব ইস্যুতেই এখন বিরোধীদের চরম বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যা তাদের ‘একচ্ছত্র’ ইমেজে বড়সড় একটা দাগ! বিশদ

20th  October, 2020
বৃদ্ধি ছাড়াই সংস্কার
পি চিদম্বরম

একটা ব্যাপারে সবাই একমত হতে পারি যে, নিজের মত, নীতি ও কাজের প্রচারে কোনও শাসক দল এবং সরকার—বিজেপি অথবা মোদি সরকারের মতো সফল হয়নি। এবং, এই উদ্দেশ্যে তারা যে-কোনও পরিমাণ টাকা খরচ করবে, যত দরকার কাউকে উৎপীড়ন করবে, যতটা প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে হুমকির মুখে রাখবে এবং যে-কোনও প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখবে। অতিশয়োক্তিটা ওদের কাছে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।   বিশদ

19th  October, 2020
অনেক হারানোর পুজো
হিমাংশু সিংহ

পুজোর ছুটির একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকে। উৎসবের অনেক আগে থেকেই সেই গন্ধে ম ম করে বাংলার গাঁ গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্র। সেই গন্ধের সঙ্গে আগমনি মিশে তৈরি হয় অদ্ভুত ঘোর লাগানো একটা অপেক্ষার। মা আসছেন। বাঙালির অনেক না পাওয়া ক্ষতবিক্ষত জীবনে এর চেয়ে পরম প্রাপ্তির আর কিছুই হতে পারে না। সেই অপেক্ষার সঙ্গেই মিশে যায় বিদেশে কাজ করা দত্ত বাড়ির ছেলে, দূরে বিয়ে হওয়া পাশের বাড়ির হেমন্তদার মেয়ের ঘরে ফেরার খুশি। 
বিশদ

18th  October, 2020
করোনা রোখার মন্ত্র ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’ 
তন্ময় মল্লিক

করোনা মোকাবিলায় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলার ও মাস্ককে জীবনসঙ্গী করার পরামর্শ হচ্ছে উপেক্ষিত। সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ। সকলের নজর সেই দিকেই। তাতে সাহসী হচ্ছে মানুষ। বাড়ছে বেপরোয়া ভাব। এগিয়ে আসছে বাংলার ভোট। প্রকট হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষমতা দখলের বাসনা। করোনার মধ্যেও ইস্যু পেলেই আন্দোলন। না থাকলে তৈরির চেষ্টা। অভিমুখ রাজ্যপাট। তাই কথায় কথায় মিছিল আর লড়াই।  
বিশদ

17th  October, 2020
ষড়যন্ত্রের তত্ত্বে সব ব্যর্থতা ঢাকা যায় না 
সন্দীপন বিশ্বাস

ব্যর্থতার এক একটি মাইলস্টোন স্থাপন করতে করতে ক্রমেই অতল খাদের দিকে এগিয়ে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অ্যান্ড কোম্পানি। অনেকেই অবশ্য মানবেন না যে খাদটা অতল। কেননা ভোটের এখনও অনেকদিন বাকি। কিন্তু তাঁর জনপ্রিয়তার প্রতিদিনই পতন হচ্ছে। সেটা তিনি নিজেও বোঝেন। তাই ইদানীং ছাতি বাজানো, তালি বাজানো বন্ধ করে দিয়েছেন। চেষ্টা করছেন, নানা রকম ভুজুং ভাজুং দিয়ে হারানো গৌরব উদ্ধার করতে।  
বিশদ

14th  October, 2020
ডিজিটাল রঙ্গমঞ্চের কাঠের পুতুল
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ল্যাপটপটা পড়ে আছে টেবিলের উপর। শাটডাউন। খোলা শুধু টপ কভারটা। আপনি অফিস থেকে ফিরে ঘরে ঢুকলেন। জামাকাপড় চেঞ্জ করছেন। এরপর বাথরুম। ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে বসলেন বিছানায়...। বন্ধ ঘরে কেউ নেই। কেউ দেখছে না আপনার ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো। 
বিশদ

13th  October, 2020
শাস্তি থেকে অব্যাহতির পীঠস্থান উত্তরপ্রদেশ 
পি চিদম্বরম

গত ২০ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লির সফদরজং হাসপাতালে এক তরুণী মারা গেলেন। ২২ সেপ্টেম্বর ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এক বয়ানে তিনি জানান, ১৪ সেপ্টেম্বর ওই তরুণী নিগৃহীতা এবং ধর্ষিতা হয়েছেন। এই ঘটনায় তরুণী যে চারজনের নামে অভিযোগ এনেছেন তারা তাঁরই গ্রামের ছেলে—উত্তরপ্রদেশে হাতরাস জেলার বুলাগড়ি গ্রামের বাসিন্দা।  
বিশদ

12th  October, 2020
বাংলার বদনাম করার চক্রান্ত রুখে দিন
হিমাংশু সিংহ

ক্ষমতায় না আসতেই গেরুয়া শক্তির গুন্ডামির ন্যক্কারজনক প্রদর্শনী দেখল বাংলার রাজপথ। ক্ষমতায় এলে এরা রাজ্যটাকে কোন নরকে টেনে নামাবে তার একটা সুস্পষ্ট ইঙ্গিতও মিলল। সেই সঙ্গে আতঙ্কের ঠান্ডা স্রোত খেলে গেল রাজ্যবাসীর শিরদাঁড়ায়। বৃহস্পতিবারের নবান্ন অভিযানের ছবিগুলো দেখতে দেখতে একসময় মনে হচ্ছিল, এ কোনও গণতান্ত্রিক আন্দোলন, না স্রেফ দাঙ্গা-হাঙ্গামার মহড়া! 
বিশদ

11th  October, 2020
কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলাই ভোটের কৌশল
তন্ময় মল্লিক

বাতাসে হিমের ছোঁয়া লাগলেই বোঝা যায়, পুজো আসছে। মাটিতে ঝরে পড়া শিউলি বুঝিয়ে দেয়, পুজোর আর দেরি নেই। উচ্ছ্বসিত কিশোরীর মতো কাশফুলের দোল খাওয়া দেখলেই মনে হয়, ঢাকে কাঠি এই পড়ল বলে। নীল আকাশের কোলে সাদা মেঘের ছোটাছুটি বুঝিয়ে দেয়, শারদোৎসব আগতপ্রায়। 
বিশদ

10th  October, 2020
আমেরিকায় কর ফাঁকি দিয়েও ভোটে জেতা যায়?
মৃণালকান্তি দাস

কর এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ আমেরিকার মতো দেশে অনেক বড় অপরাধ। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা ‘গোঁড়া সমর্থক’ হিসেবেই পরিচিত। যা কিছুই হোক, তাঁরা ট্রাম্পের সঙ্গেই রয়েছেন। বিশদ

09th  October, 2020
সুন্দর অভ্যাসগুলিকেও কি বিদায় দেব
হারাধন চৌধুরী

সাল ২০১৮। সাল ২০১৯। পর পর দু’বছর। কলকাতা সারা দেশের মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ শহরের শিরোপা দখল করেছিল। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর (এনসিআরবি) সর্বশেষ রিপোর্ট প্রকাশ হয় ২০২০-র জানুয়ারিতে। তাতেই কলকাতা এইভাবে চিহ্নিত হয়।   বিশদ

08th  October, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, পূর্বস্থলী: পূর্বস্থলীর মুকশিমপাড়ায় হালদার বাড়ির সন্ধিপুজোর প্রাক্কালে এককালে কামান দাগা হতো। সেই শব্দ শুনে প্রজারা আসতেন জমিদার বাড়ির দুর্গাপুজো দেখতে। বর্তমানে পরিবারের সেই জমিদারি প্রথা আর নেই।  ...

 কথায় আছে জিরে থেকে হীরে সব জিনিসই এক ছাতার তলায় পাওয়া যায় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সেই পথে হেঁটেই এক জানালা পরিষেবা দেবে বাংলা সহায়ক কেন্দ্রের মাধ্যমে। ...

 চীনকে চাপে রাখতে তাইওয়ানের সঙ্গে সখ্যতা বাড়াতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাইওয়ান বরাবরই ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে চীনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হতে পারে আশঙ্কায় ভারত এখনও পর্যন্ত তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে তেমন আগ্রহ দেখায়নি। ...

 আজ, মহাপঞ্চমীতে কলকাতা ও শহরতলিতে বিদ্যুতের চাহিদা তুঙ্গে উঠবে বলে মনে করছে সিইএসসি। তাদের অনুমান, আজ বিদ্যুতের চাহিদা ছুঁতে পারে ১ হাজার ৭৮০ মেগাওয়াট। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় সাফল্য ও হতাশা দুই-ই বর্তমান, নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ যোগ আছে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০৫: ত্রাফালগারের যুদ্ধে ভাইস অ্যাডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কাছে পরাজিত হয় নেপোলিয়ানের বাহিনী
১৮৩৩: ডিনামাইট ও নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক সুইডিশ আলফ্রেড নোবেলের জন্ম
১৮৫৪: ক্রিমিয়ার যুদ্ধে পাঠানো হয় ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গলের নেতৃত্বে ৩৮ জন নার্সের একটি দল
১৯৩১: অভিনেতা শাম্মি কাপুরের জন্ম
১৯৪০: আর্নেস্ট হেমিংওয়ের প্রথম উপন্যাস ফর হুম দ্য বেল টোলস-এর প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়
১৯৪৩: সিঙ্গাপুরে আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
১৯৬৭: ভিয়েতনামের যুদ্ধের প্রতিবাদে আমেরিকার ওয়াশিংটনে এক লক্ষ মানুষের বিক্ষোভ হয়
২০১২: পরিচালক ও প্রযোজক যশ চোপড়ার মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৫৪ টাকা ৭৪.২৫ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৪০ টাকা ৯৬.৭১ টাকা
ইউরো ৮৪.৮৭ টাকা ৮৮.০২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫১,৭৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,১০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৯,৮৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২,৬৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২,৭৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ৪ কার্তিক, ১৪২৭, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, পঞ্চমী ৮/৪২ দিবা ৯/৮। মূলানক্ষত্র ৪৮/৫৫ রাত্রি ১/১৩। সূর্যোদয় ৫/৩৯/২১, সূর্যাস্ত ৫/৩/১৭। অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১০ গতে ৭/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১০/১৩ গতে ১২/৩০ মধ্যে। রাত্রি ৫/৫৪ গতে ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৮/২৫ গতে ৩/৯ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/২৫ গতে ৭/১০ মধ্যে পুনঃ ১/১৫ গতে ৩/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩০ গতে ৯/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ১২/৪৭ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩১ গতে ৪/৬ মধ্যে।
৪ কার্তিক, ১৪২৭, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, পঞ্চমী দিবা ২/৪৫। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র দিবা ৮/২১। সূর্যোদয় ৫/৪০, সূর্যাস্ত ৫/৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৩ মধ্যে ও ৭/১৮ গতে ৮/২ মধ্যে ও ১০/১৪ গতে ১২/২৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৬/৩৫ মধ্যে ও ৮/১৯ গতে ৩/১৪ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৩৩ গতে ৭/১৮ মধ্যে ও ১/১১ গতে ৩/২৩ মধ্যে। কালবেলা ৮/৩১ গতে ৯/৫৭ মধ্যে ও ১১/২২ গতে ১২/৪৮ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩১ গতে ৪/৬ মধ্যে।
 ৩ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 ইতিহাসে আজকের দিনে
১৮০৫: ত্রাফালগারের যুদ্ধে ভাইস অ্যাডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর ...বিশদ

07:55:00 AM

আজকের রাশিফল
মেষ: উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সাফল্য লাভ। বৃষ: সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় সন্তোষজনক ...বিশদ

07:45:00 AM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৫ উইকেটে জয়ী কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব 

20-10-2020 - 11:03:37 PM

 আইপিএল: পাঞ্জাব ১০১/৩ (১০ ওভার)

20-10-2020 - 10:17:00 PM

 আইপিএল: পাঞ্জাব ৫০/১ (৫ ওভার)

20-10-2020 - 09:53:43 PM

আইপিএল: কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবকে ১৬৫ রানের টার্গেট দিল দিল্লি ক্যাপিটালস

20-10-2020 - 09:14:25 PM