Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

পেগাসাস নিয়ে জোর চর্চা হয়েছিল গত বছর। হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক হয়ে যাচ্ছে। বিশ্বে সংখ্যাটা ছিল ১ হাজার ৪০০, আর ভারতে ১২১। পেগাসাস ‘স্নুপওয়্যার’ হানা দিয়েছিল মাত্র এই ক’জনের উপর। তাও সে নিয়ে তোলপাড় পড়েছিল গোটা দুনিয়ায়। কারণ, ব্যাপারটা স্বাভাবিক নয়। এর আগে পর্যন্ত বলা হতো, হোয়াটসঅ্যাপ ‘এন্ড টু এন্ড এনক্রিপডেট’। ট্যাগলাইন, ‘ইটস বিটউইন ইউ’। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি মেসেজ করলেন এবং যাঁর কাছে সেই মেসেজ পৌঁছল... এই দু’জন ছাড়া কেউ তা দেখতে পাবেন না। হোয়াটসঅ্যাপও নিজেদের কাছে চ্যাটের রেকর্ড রাখে না। কাজেই তাদের থেকেও যে দুই প্রান্তের কথাবার্তার জেনে নেওয়া যাবে... সে সুযোগ নেই। ছিদ্রটা দেখিয়েছিল পেগাসাস। নজর করার মতো বিষয় হল, যাঁদের হোয়াটসঅ্যাপে পেগাসাস ঢুকেছিল, তাঁরা সবাই কোনও না কোনওভাবে সামাজিক কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত। এবং অবশ্যই সরকারের সঙ্গে এঁদের তেমন সদ্ভাব নেই। ভারতে কোন ১২১ জনের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টে হানা দিয়েছিল পেগাসাস? জানা নেই। তবে একটা খবর পাওয়া গিয়েছিল—২০ জন ভারতীয়ের ক্ষেত্রে পেগাসাস সফল। মানে এঁদের চ্যাট বক্সে ঢুকে যাবতীয় তথ্য এবং কথোপকথন হাতানো হয়ে গিয়েছে। কত খরচ এই স্পাইওয়্যারের? প্রত্যেক অ্যাকাউন্টের জন্য প্রায় ১ লক্ষ ডলার। একটু খরচসাপেক্ষ। মানে, আমি-আপনি চাইলেই যে পেগাসাস নিয়ে খেলা করতে পারব, সে সম্ভাবনা খুব একটা নেই। তাহলে কার পক্ষে এই বিপুল খরচের ভার বহন সম্ভব? যে ধনী ব্যক্তিদের ধনের শেষ নেই তাঁরা, কিংবা সরকার।
স্টেট ভার্সেস... অর্থাৎ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো। মারাত্মক অপরাধ। এই অভিযোগ একজনকে টেনে কোথা থেকে কোথায় নামাতে পারে, তার ধারণা করা মুশকিলই নয়, অসম্ভব। রাষ্ট্রের বিরোধিতা করা, কাজকর্মের বিরুদ্ধে সরব হওয়া, সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখালেখি... পদ্ধতি যা খুশি হতে পারে। পরিণতি একটাই—সরকারের রোষ। আজ না হোক, কাল। রাজনৈতিক হলে তাঁর কেরিয়ার হবে টার্গেট। হঠাৎ তিনি দেখতে পাবেন, তাঁর বিরুদ্ধে কোনও না কোনও মামলা খাড়া হয়ে গিয়েছে। বাড়িতে হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দারা। সেই ঠেলা সামলাতে গিয়ে আর বিরোধিতার অবকাশ থাকবে না সেই রাজনৈতিক নেতার। কিংবা খুঁজে বের করা হবে তাঁর বিশেষ কোনও দুর্বলতা। তারপর চলবে সেই ইস্যু ধরে লাগাতার আক্রমণ। কখনও কখনও ‘বিলো দ্য বেল্ট’। এটাই ছক... বিরোধিতার ভিত ভেঙে দিতে হবে। ‘মুখপত্র’ বেশিরভাগ সময়েই হাই প্রোফাইল নেতা-মন্ত্রীরা। আর তা না হলে অন্য কাউকে সামনে দাঁড় করিয়ে ফায়দা লোটার কৌশল। আর তিনি যদি একটু নামজাদা অভিনেত্রী হন এবং খানিক আগডুম-বাগডুম কথাবার্তার রেকর্ড তাঁর থাকে, তাহলে তো কথাই নেই! ঠিক যেভাবে এখন হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি আচমকা মাদকের আঁতুড়ঘর হয়ে গিয়েছে। কঙ্গনা রানাওয়াত শুরুটা করেছিলেন সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু দিয়ে। তারপর তিনি মাখনের মতো সেই ইস্যু থেকে ঢুকে পড়েছেন মাদকে। দাবি করেছেন, বলিউডে সর্বত্র নাকি মাদকের মারাত্মক রমরমা। একের পর এক অভিনেত্রীর নাম করেছেন তিনি। এবং সবচেয়ে বড় কথা, তাঁদের অনেকেই একে একে ডাক পেয়েছেন নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর। রিয়া চক্রবর্তীর জিজ্ঞাসাবাদের শুরুটা ছিল সুশান্তের মৃত্যু নিয়ে। তারপর কখন তা মাদক অ্যাঙ্গেলে বেঁকে গিয়েছে, সেই দিনক্ষণ নির্দিষ্ট করে বলা মুশকিল। তারপর একে একে ডাক পড়েছে রকুলপ্রীত সিং, দীপিকা পাড়ুকোন, সারা আলি খান, শ্রদ্ধা কাপুরের। অথচ, কঙ্গনা রানাওয়াত মাদক নেওয়ার কথা স্বীকার করা সত্ত্বেও এনসিবি তাঁকে এখনও তলব করার প্রয়োজন বোধ করেনি। উপরন্তু তাঁর বাড়ি বা দপ্তরের বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে যাওয়ায় উদ্ধব থ্যাকারে সরকারকে তোপের মুখে পড়তে হয়েছে। শিবসেনা এখন বিজেপির দুয়োরানি। এনডিএ ছেড়ে বেরনোর পর থেকেই তাদের সঙ্গে দিল্লির দড়ি টানাটানি চলছে। ভাবটা এমন, নিজেদের কী মনে করে ওরা? আমরা না একক সংখ্যাগরিষ্ঠ! তাই কঙ্গনা ওয়াই ক্যাটিগরি নিরাপত্তা পেয়ে গিয়েছেন। কমান্ডো নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি। আর ‘বিলো দ্য বেল্ট’ আক্রমণ করছেন ‘শত্রু’দের। কার শত্রু? হিন্দিতে একটা কথা খুব চলে, ‘সমঝদারো কে লিয়ে ইশারা হি কাফি হ্যায়’।
রিয়া চক্রবর্তীকে যেদিন গ্রেপ্তার করা হল, সেদিন একটি কালো টি-শার্ট পরে গিয়েছিলেন তিনি। তাতে লেখা ছিল, ‘লেটস স্ম্যাশ প্যাট্রিয়ার্কি, মি অ্যান্ড ইউ।’ এসো, তুমি-আমি মিলে পিতৃতন্ত্রকে দুরমুশ করি। অদ্ভুত সমাপতন। কারণ, পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। আর কেমন অভিনেত্রী? যাঁদের কোনও রাজনৈতিক খুঁটি নেই। বা সে সবে তাঁরা গা করেন না। দীপিকা পাড়ুকোন সিনেমা নিয়ে থাকলেই পারতেন। কেন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ‘বিদ্রোহী’ ছাত্রছাত্রীদের পাশে দাঁড়াতে গেলেন? সে সময় বিস্তর চোখ-মুখ কুঁচকে ছিল বিজেপি। গেরুয়া রাজনীতির দাদারা তখন দীপিকার বিরুদ্ধে সরবও হয়েছিল। এমনিতেই ‘পদ্মাবত’ নিয়ে গেরুয়া শিবিরের চক্ষুশূল হয়েই ছিলেন দীপিকা। তারপর জেএনইউ। খুব বেশিদিন কিন্তু অপেক্ষা করতে হল না। তিন বছর আগের একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের কান ধরে টেনে তাঁকে আনা হল বাজারে। আমরা দেখলাম। কারণ এটাই দেখানো হল। বড় বড় খবর হল টিভিতে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল বিতর্ক। কিন্তু একবারও ভাবলাম না... কীভাবে বাইরে এল এই কথোপকথন? কীভাবে একের পর এক মিডিয়া রিয়া চক্রবর্তী ও সুশান্ত সিংয়ের হোয়াটসঅ্যাপ কিংবা ব্যক্তিগত ভিডিও প্রকাশ করে চলেছে? এসব তো মিডিয়ার পাওয়ার কথা নয়? হোয়াটসঅ্যাপের দাবি অনুযায়ী, এ তো পুলিসেরও পাওয়ার কথা নয়! এক হতে পারে সেই ফোনগুলি তদন্তকারী অফিসাররা বাজেয়াপ্ত করেছেন। এবং তারপর সর্ষের মধ্যে ভূত! অন্দরেরই কেউ সে সব ছড়িয়ে দিচ্ছে সংবাদমাধ্যমে। আর কী হতে পারে? অন্য সম্ভাবনাও আছে—মোবাইল ফোন ক্লোন করে নেওয়া। তাহলে সবটাই চলে আসবে অন্য ডিভাইসে। আর তৃতীয় উপায় হল পেগাসাস। সরকার যদি ১ লক্ষ মার্কিন ডলার এই অভিনেতা-অভিনেত্রী পিছু খরচ করতে চায়... সে সম্ভাবনা অবশ্য কম। এমনিতেই ভারত সরকারের এখন হাড়ির হাল। ক্যাগ পর্যন্ত রিপোর্ট দিয়েছে রাজ্যগুলির প্রাপ্য জিএসটি ক্ষতিপূরণের টাকাও কেন্দ্র অন্যত্র সরিয়ে ফেলেছে। কারণ কী? প্রথমত, এমনটা করলে আর্থিক ঘাটতি কম করে দেখানো যাবে। দ্বিতীয়ত, ওই টাকাটাই রাজ্যগুলিকে দেওয়ার সময় কেন্দ্র বলবে, ‘এই তো অনুদান দিচ্ছি।’ আসলে গোটা প্রক্রিয়াটাই একটা চাল। এই কৌশল কার্যকর হলে গ্লোবাল রেটিং এজেন্সিগুলির কাছে ভুল তথ্য পৌঁছবে। আর আর্থিক বৃদ্ধির হার যতটা কম দেখানোর কথা, ততটা হবে না। রেটিংয়েও ভারত কিছুটা হলেও ভালো জায়গায় থাকবে। কিন্তু এই বিষয়টা নিয়ে দেশজুড়ে কতটা আলোচনা চলছে? আনলক পর্বে গাড়ি চলতে শুরু করা মাত্র পেট্রল-ডিজেলের দামে আগুন লেগেছে। নিঃশব্দে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। জাতীয় শিক্ষানীতি, কৃষি বিল পাশের ধাক্কা পড়তে চলেছে রাজ্যের অধিকারে... এই সবই এখন পিছনের সারিতে। দুর্বল বিরোধীদের হাঁকডাক দেশের স্লোগান হয়ে উঠতে পারছে না। কারণ, রাষ্ট্র সেটা চাইছে না। সরকার চাইছে, মাদক নিয়ে মাতামাতি। সেটাই হচ্ছে। এটাই শাসনতন্ত্র। আধিপত্য। ধান-গমের সহায়ক মূল্য নয়, নতুন প্রজন্ম এখন ব্যস্ত সেলিব্রিটিদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে।
নয়ের দশকে মাদক ইস্যুতে শিরোনামে এসেছিলেন সঞ্জয় দত্ত। স্বীকার করেছিলেন, মা নার্গিসের মৃত্যুর পর মাদক সেবনের চোরাবালিতে অনেকটা ঢুকে গিয়েছিলেন তিনি। তা বলে সঞ্জয় একা নন। তিনি মাছরাঙা মাত্র, মাছের খোঁজে থাকা পাখির সংখ্যা সে সময়ও ফিল্ম দুনিয়ায় কম ছিল না! অর্থাৎ বিষয়টা পরিষ্কার, বলিউডের আনাচে কানাচে মাদকের আনাগোনা আজকের ঘটনা নয়। এমনটা নয়, পুলিস-গোয়েন্দারা ব্যাপারটা এই প্রথম রিসার্চ করে বের করল। তাহলে হঠাৎ এই আদিখ্যেতা কেন?
মাস কয়েক আগে করণ জোহরের ঘরোয়া পার্টির একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। বহু নামজাদা অভিনেতা ও অভিনেত্রীকে সেই ভিডিওয় দেখা যায়। যার থেকে বেশ হইচইও হয়। কই, দীপিকা ছাড়া তাঁদের কারওর তো এই মামলায় ডাক পড়ল না? তাঁদের রাজনৈতিক খুঁটির জোর আছে বলে?
করণ জোহর সাফাই দিয়েছিলেন, ‘তেমন বেআইনি কিছু হলে আমি থোড়াই এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দিতাম?’ এই বক্তব্যের সত্যতা যাচাই হয়নি।
কারণ, সরকার চায়নি। রাষ্ট্রের কাছে নাগরিকরা হল আদার ব্যাপারী। জাহাজের খোঁজ নেওয়ার অধিকার তাঁদের নেই। আর সরকার দেখাতে না চাইলেও সত্যিটা হল, জাহাজ কিন্তু ডুবছে। আজ বা কাল
তা নজরে আসবেই।
29th  September, 2020
কৈলাসে ফিরতে
মন চাইবে না মা
হারাধন চৌধুরী

আমাদের পাশে থেকো মা। তোমাকে কথা দিচ্ছি, আগামীবার এসে দেখবে—আমাদের এই পৃথিবীর সমস্ত অসুখ সেরে গেছে। আমাদের কারও মধ্যে ছোঁয়াছুঁয়ির ভয় নেই, কোনওরকম ছুঁৎমার্গ নেই। বিশদ

মূকরাই সরব হবেন যথাসময়ে
পি চিদম্বরম

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যে পৃথিবী বিপুলভাবে সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠেছে সেখানে দরিদ্র বা গরিব রয়ে যাওয়াটা এক দুর্ভাগ্য। একটা দরিদ্র দেশে দরিদ্র থাকাটা গণতন্ত্রের ব্যর্থতা। আর একটা গরিব দেশের গরিব রাজ্যে দরিদ্র থেকে গেলে তাকে রাজনীতির অভিশাপ মানতে হবে।  বিশদ

28th  October, 2020
বিহারের ভোটে অনেক পাখি মারার ছক মোদির
সন্দীপন বিশ্বাস

২০১৫ সালে বিহার বিধানসভার নির্বাচনের খবর করতে গিয়ে দেখেছিলাম, বিজেপি সেখানে কী পরিমাণ টাকা ঢেলেছিল। সমস্তিপুর, বেগুসরাই, জামুই, ভাগলপুর, মুঙ্গের, খাগাড়িয়া, লক্ষ্মীসরাই ঘুরে দেখেছিলাম, পতাকা, ফেস্টুন, ফ্লেক্স দিয়ে বিজেপি শহর মুড়ে দিয়েছে। বিশদ

28th  October, 2020
উৎসব এবার চেতনার
মৃণালকান্তি দাস 

মন খারাপ। খুব মন খারাপ। সব আছে। অথচ কী যেন নেই! জীবনটা যেন এখন লুডোর গুটি। রোজ শুধু ওঠা-নামার খেলা। সবসময় মনে আতঙ্ক। যত না সংক্রমণে তার থেকে অনেক বেশি প্রিয়জনের থেকে দূরে চলে যাওয়ার। সেই নীলকণ্ঠ পাখিটা উড়ে গিয়েছে অজানা কোন অচিনপুরে। কিন্তু এই দুঃসময়েও মানুষ আগামীদিনের সুদিনের জন্য বুক বাঁধে। তাই তো এবারও মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পুজোর তোড়জোড়।   বিশদ

23rd  October, 2020
বেদ, পুরাণে বন্দিতা মহামায়া দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

 একদা দেবাসুর-সংগ্রামে ব্রহ্মশক্তির প্রেরণায় জয় হল দেবতাদের। একে বিজয় মহিমা মনে করে অগ্নি, বায়ু, বরুণ ও চন্দ্র এই চার দেবতা অহংকৃত ও গৌরবান্বিত হন। তাঁদের মুখমণ্ডলে কর্তৃত্বের পরিতৃপ্তি। বলদর্পে আচ্ছন্ন হয়ে সেই অমরবৃন্দ ভুলে গেলেন ব্রহ্মশক্তির কথা, যাঁর শক্তি ও অনুকম্পায় তাঁরা এতকাল শক্তিমান। বিশদ

22nd  October, 2020
বাৎসরিক আয়ু ক্রয়ের হাট
হারাধন চৌধুরী

 এবার পুজো হওয়াটা জরুরি। নিয়মরক্ষার হলেও। অন্যথায়, বাঙালি আরও বিষাদে ডুবে যাবে। উৎসব হলে মানুষের কেনাকাটা কিছুটা বাড়বে। যার ভিতরে অর্থনীতির জন্য সুখবর লুকিয়ে থাকে। বিশদ

22nd  October, 2020
পুজো হোক, লকডাউনে থাকুক উৎসব
সন্দীপন বিশ্বাস

এবার আমাদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আমাদের জয়ী হতেই হবে। তাই এবারের পুজো হোক অন্য পরিবেশে, অন্য মানসিকতায়। বাড়িতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটু আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং টিভিতেই হোক ঠাকুরদেখা। বিশদ

21st  October, 2020
প্রতিবাদে মাথা নোয়ায় পর্বতও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 নোট বাতিল কিংবা জিএসটির ক্ষেত্রে যে ডোন্ট কেয়ার দাপট মোদি সরকার দেখিয়েছিল, তা আপাতত উধাও। সব ইস্যুতেই এখন বিরোধীদের চরম বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যা তাদের ‘একচ্ছত্র’ ইমেজে বড়সড় একটা দাগ! বিশদ

20th  October, 2020
বৃদ্ধি ছাড়াই সংস্কার
পি চিদম্বরম

একটা ব্যাপারে সবাই একমত হতে পারি যে, নিজের মত, নীতি ও কাজের প্রচারে কোনও শাসক দল এবং সরকার—বিজেপি অথবা মোদি সরকারের মতো সফল হয়নি। এবং, এই উদ্দেশ্যে তারা যে-কোনও পরিমাণ টাকা খরচ করবে, যত দরকার কাউকে উৎপীড়ন করবে, যতটা প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে হুমকির মুখে রাখবে এবং যে-কোনও প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখবে। অতিশয়োক্তিটা ওদের কাছে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।   বিশদ

19th  October, 2020
অনেক হারানোর পুজো
হিমাংশু সিংহ

পুজোর ছুটির একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকে। উৎসবের অনেক আগে থেকেই সেই গন্ধে ম ম করে বাংলার গাঁ গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্র। সেই গন্ধের সঙ্গে আগমনি মিশে তৈরি হয় অদ্ভুত ঘোর লাগানো একটা অপেক্ষার। মা আসছেন। বাঙালির অনেক না পাওয়া ক্ষতবিক্ষত জীবনে এর চেয়ে পরম প্রাপ্তির আর কিছুই হতে পারে না। সেই অপেক্ষার সঙ্গেই মিশে যায় বিদেশে কাজ করা দত্ত বাড়ির ছেলে, দূরে বিয়ে হওয়া পাশের বাড়ির হেমন্তদার মেয়ের ঘরে ফেরার খুশি। 
বিশদ

18th  October, 2020
করোনা রোখার মন্ত্র ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’ 
তন্ময় মল্লিক

করোনা মোকাবিলায় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলার ও মাস্ককে জীবনসঙ্গী করার পরামর্শ হচ্ছে উপেক্ষিত। সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ। সকলের নজর সেই দিকেই। তাতে সাহসী হচ্ছে মানুষ। বাড়ছে বেপরোয়া ভাব। এগিয়ে আসছে বাংলার ভোট। প্রকট হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষমতা দখলের বাসনা। করোনার মধ্যেও ইস্যু পেলেই আন্দোলন। না থাকলে তৈরির চেষ্টা। অভিমুখ রাজ্যপাট। তাই কথায় কথায় মিছিল আর লড়াই।  
বিশদ

17th  October, 2020
অতিরিক্ত দিল্লি নির্ভরতাই বঙ্গ-বিজেপির সঙ্কট
সমৃদ্ধ দত্ত

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মতো ঝোড়ো আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেননি আর কেউই। সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু-স্রোত। এই সঙ্কটের মধ্যেই তাঁকে কাজ করতে হয়েছে। তাঁকে অভীধা দেওয়া হয় বাংলার রূপকার। কিন্তু ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ছিল, তিনি কৃষিকে অবহেলা করেছেন। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে তিনি যতটা উন্নতিসাধন করেছিলেন শিল্পে, সেই তুলনায় কৃষির উন্নয়ন কম হয়েছে।  
বিশদ

16th  October, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ভুয়ো ভাউচার ছাপিয়ে ময়নার শ্রীকণ্ঠা সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি থেকে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগ উঠল সমিতির ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। গত ১৭ অক্টোবর সমবায় সমিতির সম্পাদক সুবোধচন্দ্র মাইতি ম্যানেজার সোমনাথ দাসের বিরুদ্ধে ময়না থানায় এফআইআর করেছেন।   ...

সংবাদদাতা, পতিরাম: ১৯৩৩ সালের ২৮ অক্টোবর। অবিভক্ত ভারতের হিলি স্টেশনে দার্জিলিং মেলে লুটপাট চালিয়েছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামীরা। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের কাজে লেগেছিল সেই ‘লুটের টাকা’।   ...

কাশ্মীর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহল, বিশেষ করে দুই মুসলিম দেশের কাছে বড় ধাক্কা খেল পাকিস্তান। জম্মু ও কাশ্মীরের উপর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মঙ্গলবার ইরানে কালা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইমরান খানের সরকার। এমনকী, সৌদি আরবের রিয়াধেও সেই ...

বংশপরম্পরায় আজও মহানায়ক উত্তমকুমারের বাড়ির লক্ষ্মী প্রতিমা তৈরি করে চলেছেন কুমোরটুলির একটি নির্দিষ্ট শিল্পী পরিবার। পটুয়াপাড়ার ৪০/১, বনমালি সরকার স্ট্রিটে মৃৎশিল্পী জয়ন্ত পালের ঘরে জোরকদমে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব আছে। কর্মরতদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস
১৯৬৯: ইন্টারনেটের আগের স্তর আরপানেটের আবিষ্কার
১৯৭১: অস্ট্রেলিয় ক্রিকেটার ম্যাথু হেডের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রীমা সেনের জন্ম
১৯৮৫: বক্সার বিজেন্দর সিংয়ের জন্ম
১৯৮৮: সমাজ সংস্কারক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৯: ওড়িশায় ঘূর্ণিঝড়ে কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু
২০০৫: দিল্লিতে পরপর তিনটি বিস্ফোরণে অন্তত ৬২জনের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৪৭ টাকা ৯৭.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৫.২৮ টাকা ৮৮.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫১,৮১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৯,৮৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী ২৩/৫২ দিবা ৩/১৬। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র ১৫/৪১ দিবা ১২/০। সূর্যোদয় ৫/৪৩/১৬, সূর্যাস্ত ৪/৫৭/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৩ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১০ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।
১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী দিবা ৩/২১। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র দিবা ১/১২। সূর্যোদয় ৫/৪৪, সূর্যাস্ত ৪/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৮ মধ্যে ও ১/১১ গতে ২/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ৩/১৪ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৫/৪৫ মধ্যে। কালবেলা ২/১০ গতে ৪/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৭ মধ্যে।
১১ রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বাগনানে বনধ, রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের 
বনধ ঘিরে বাগনানে অশান্তি। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে,ব্যারিকেড ফেলে বিক্ষোভ দেখান ...বিশদ

12:49:00 PM

পুরুলিয়ায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যু, চাঞ্চল্য 
বুধবার রাতে পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যুতে ...বিশদ

12:47:00 PM

পুরুলিয়ায় যুবককে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ 
এক যুবককে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে পুরুলিয়ার কোটশিলা থানার পুলিস শিবরাম ...বিশদ

12:42:42 PM

প্রয়াত ঝাড়গ্রামের বিধায়ক সুকুমার হাঁসদা
 

কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হল ডেপুটি স্পিকার তথা ঝাড়গ্রামের ...বিশদ

12:39:00 PM

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে গুলির চেষ্টা 
পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে গুলির চেষ্টা। ঘটনাটি ঘটেছে তপসিয়া এলাকার কোহিনুর ...বিশদ

12:02:31 PM

নন্দীগ্রামে বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার গাড়ির নীচ থেকে উদ্ধার বোমা
নন্দীগ্রামের কেন্দেমারি-জালপাই গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মানসুরা বেগমের স্বামী তথা বহিষ্কৃত ...বিশদ

11:55:04 AM