Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

ন্যাশনাল স্যাম্পেল সার্ভে থেকে নীচের তথ্যগুলো (কিছুটা পুরনো হয়ে গিয়েছে যদিও) পেয়েছি (রঙিন টেবলটি দেখুন): কয়েক দশক যাবৎ বিভিন্ন রাজ্যে কৃষি পণ্য বাজার কমিটি (এপিএমসি) আইন চালু থাকা সত্ত্বেও বেশিরভাগ কৃষক তাঁদের উৎপাদিত পণ্য ‘স্থানীয়’ ব্যবসায়ীদের কাছেই বিক্রি করে থাকেন। ধান এবং গম চাষিদের ৬০ শতাংশই এই শ্রেণীতে পড়েন। সরকারি তথ্য বলছে, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে মাত্র ১ কোটি ২৪ লক্ষ ধানচাষি এবং ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ৪৩ লক্ষ ৩৫ হাজার গমচাষি ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের (এমএসপি) পেয়েছেন।   

এপিএমসি-র ভালো ও মন্দ দিক
কারণগুলো স্পষ্ট। কৃষকদের ৮৫ শতাংশই ছোট জোতের মালিক। মানে এক হেক্টরের চেয়েও ছোট ছোট জোতের মালিক তাঁরা। ফলে, বিক্রি করার মতো উদ্বৃত্ত ফসল তাঁদের কমই থাকে। এপিএমসি মার্কেটগুলো যেসব ছোট কৃষকের খামার থেকে অনেক দূরে, তাদের জন্য এই ব্যবস্থা লাভদায়ক নয়। কারণ পণ্যগুলো সামান্য কয়েকটা বস্তায় ভরা, লোডিং করা, গাড়ি করে নিয়ে যাওয়া এবং আনলোডিং করার একটা ভালো খরচ রয়েছে। তারপর আসে এপিএমসিতে পৌঁছে প্রতীক্ষা-সহ ফি জমা করার পালা। এরপর বিক্রীত পণ্যের দাম আদায় করতে কেটে যায় দু’দিন! ছোট ছোট কৃষকের জন্য এ এক নিরর্থক ব্যবস্থা। সেই তুলনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অনেকটাই নির্ভরযোগ্য বন্ধু হয়ে ওঠেন। কারণ, তাঁরা খামারে গিয়েই পণ্য কেনেন এবং হাতে হাতে দাম মিটিয়ে দেন। দামটা তখন এমসিপি-র চেয়ে কিছুটা কম হলেও পুষিয়ে যায়।
এপিএমসি মার্কেট চত্বরগুলো পাঞ্জাব ও হরিয়ানার মতো রাজ্যগুলোর জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। কারণ, এসব রাজ্যে বিক্রি করার মতো বিপুল ফসল উদ্বৃত্ত থাকে। এই দুই রাজ্যে উৎপাদিত ধান ও গমের ৭৫ শতাংশ সরকারি এজেন্সিগুলো মারফত কেনা হয়ে থাকে। অন্য রাজ্যগুলোর বেলায় কী হয়—কতিপয় পণ্ডিত এই নিয়ে তর্ক করেন যে বাজারের সংখ্যা পর্যাপ্ত নয় এবং সেগুলো বেশ দূরে দূরেও। উদাহরণ হিসেবে তামিলনাড়ুর কথা বলতে চাই। ৩৬টি জেলায় ২৮৩টা বাজার রয়েছে। মানে জেলাপিছু গড়ে ৮টা বাজার। এগুলোতে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে সর্বমোট ১২৯ কোটি ৭৬ লক্ষ টাকার ব্যবসা হয়েছে। আর যদি মহারাষ্ট্রের কথা ধরি, সেটাও খুব ভালো দৃষ্টান্ত নয়। সেখানে বাজারের সংখ্যা ৩২৬। ফসল ওইসব বাজারে নিয়ে যেতে কৃষকদের গড়ে ২৫ কিমি যেতে হয়। 
কোনও সংশয় নেই যে এপিএমসি আইন কৃষিপণ্যের অবাধ কেনাবেচা নিয়ন্ত্রণ করে এবং বাজার চত্বর কৃষকদের জন্য সুরক্ষার ব্যবস্থা করে। পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় এই ধরনের মার্কেট থেকে সংগৃহীত ফি দ্বারা রাজ্যের সরকারি কোষাগার বিশেষভাবে লাভবান হয়। সংশ্লিষ্ট সরকারও ওই টাকা খরচ করে কৃষি
এবং গ্রামীণ পরিকাঠামোর উন্নয়নের জন্য। তৎসত্ত্বেও আমি মনে করি যে সময় হলে এপিএমসি আইন অবশ্যই অবাধ বাণিজ্যের পক্ষে সুফলদায়ক হবে। এজন্য অবশ্য বাজারের সংখ্যা অনেক গুণ বাড়াতে হবে এবং সেগুলোকে সব কৃষকের জন্য সুবিধাজনক করে গড়ে তুলেত হবে।   


কংগ্রেসের ইস্তাহার বনাম বিজেপির বিল
২০১৯ সালে কংগ্রেসের ইস্তাহারে এটাই ছিল প্রতিশ্রুতি। কংগ্রেসের ইস্তাহার ‘ফার্মার প্রডিউসার কোম্পানিগুলোকে/সংগঠনগুলোকে প্রমোট করার’ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কেন? ‘তথ্যাদি,  প্রযুক্তি এবং বাজারকে নাগালে পাওয়ার মতো কৃষকদের উপযুক্ত করে তোলার জন্য’। আরও উদ্দেশ্য ছিল—‘উপযুক্ত পরিকাঠামো সমেত ফার্মার্স মার্কেট তৈরি করা। বড় গ্রাম এবং ছোট শহরগুলোকে এমনভাবে সাপোর্ট দেওয়া হবে যে কৃষকরা সহজেই তাঁদের ফসল বাজারে নিয়ে যেতে পারবেন এবং অবাধে বেচাকেনা সেরে ফেলবেন।’ দেশজুড়ে এই ধরনের হাজার হাজার বাজার নির্মাণ করাই ছিল কংগ্রেসের ওই প্রতিশ্রুতির নির্যাস। এই ধরনের বাজার তৈরি করতে পারবে রাজ্য সরকার নিজেই, অথবা স্থানীয় পঞ্চায়েত, সমবায় সমিতি কিংবা লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোনও বেসরকারি উদ্যোগী। এই বাজারগুলোতে হালকা নিয়ন্ত্রণ থাকবে এবং প্রতিটা লেনদেন এই শর্তে সম্পন্ন হবে যে, কোনও ক্ষেত্রেই এমএসপি-র কম দাম গ্রাহ্য হবে না। তখন এপিএমসি আইন বাতিল করার প্রস্তাবটা হয়ে উঠত—কৃষকদের নাগালের ভিতরে কয়েক গুণ বাজার তৈরির একটা স্বাভাবিক পরিণতি। 
উল্টো দিকে, মোদি সরকার কী করল? তারা এমএসপির নিরাপত্তাটিকে দুর্বল করে দিল এবং শস্য সংগ্রহের সরকারি ব্যবস্থাটিকে হালকা করে ফেলল। কৃষকরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছেন। কারণ, তাঁরা ভয় পাচ্ছেন যে এমএসপি ব্যবস্থাটিকেই তুলে দেওয়া হবে না তো? রাজ্য সরকারগুলির আতঙ্ক হল—খাদ্যশস্যের সরকারি সংগ্রহ এবং গণবণ্টন ব্যবস্থা (রেশন) ধ্বংস হয়ে যাবে। খাদ্য নিরাপত্তার তিনটি পিলারের গোড়া একবার যদি নড়বড়ে করে দেওয়া হয়, তবে জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আইন, ২০১৩-র মাধ্যমে যে খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়া হয়েছে, সেটি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়বে।
মোদি সরকারের আইন হাজার হাজার বিকল্প বাজার সৃষ্টি করছে না। তার পরিবর্তে বরং তারা চুক্তি চাষের অনুমতি দেবে। কর্পোরেটদের জন্য, এবং পরিশেষে, কার্টেলদের (দাম নিয়ন্ত্রণে দক্ষ বড় ব্যবসায়ীদের জোট) জন্যও দরজা হাট-আলগা করে দেবে। এই ধরনের পরাক্রমশালী ক্রেতাদের বিরুদ্ধে ছোট/মাঝারি কৃষকদের দর কষাকষির অথবা চুক্তি সম্পাদনের সমান ক্ষমতা থাকবে না। নতুন আইনে বিতর্ক-বিবাদ মীমাংসার ব্যবস্থাটিও এমন জটিল যে কৃষকরা একেবারে শেষ হয়ে যাবেন।

আরও একটি ফাঁকা আওয়াজ
কৃষিমন্ত্রী সংসদকে বলেছেন যে এমএসপি নিয়ে নতুন আইনের কোনও কিছুই করার নেই। সেটা আক্ষরিক অর্থেই সত্যি! তবুও, তিনি বলেছেন যে সরকার কৃষকদের এমএসপির ‘গ্যারান্টি’ বা নিশ্চয়তা দেবে। এটি একটি উদ্ভট প্রতিশ্রুতি। সরকার কীভাবে জানবে—কোন কৃষক, কোন ফসল কোন ক্রেতাকে বিক্রি করল? যদি এমএসপি বাধ্যতামূলক রাখাই সরকারের উদ্দেশ্য, তবে কেন এই সংক্রান্ত বিলে সেইমতো একটি ধারা (ক্লজ) রাখা হল না—কৃষককে ক্রেতা যে দাম মেটাবেন, সেটি ‘সরকারের তরফে নির্দিষ্ট করে দেওয়া এমএসপির কম হবে না’?
নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল। আপাতভাবে, মোদি সরকার বিশ্বাস করে যে সে সব মানুষকে সব সময়ের জন্য বোকা বানাতে ওস্তাদ।
 লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। মতামত ব্যক্তিগত
28th  September, 2020
মূকরাই সরব হবেন যথাসময়ে
পি চিদম্বরম

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যে পৃথিবী বিপুলভাবে সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠেছে সেখানে দরিদ্র বা গরিব রয়ে যাওয়াটা এক দুর্ভাগ্য। একটা দরিদ্র দেশে দরিদ্র থাকাটা গণতন্ত্রের ব্যর্থতা। আর একটা গরিব দেশের গরিব রাজ্যে দরিদ্র থেকে গেলে তাকে রাজনীতির অভিশাপ মানতে হবে।  বিশদ

বিহারের ভোটে অনেক পাখি মারার ছক মোদির
সন্দীপন বিশ্বাস

২০১৫ সালে বিহার বিধানসভার নির্বাচনের খবর করতে গিয়ে দেখেছিলাম, বিজেপি সেখানে কী পরিমাণ টাকা ঢেলেছিল। সমস্তিপুর, বেগুসরাই, জামুই, ভাগলপুর, মুঙ্গের, খাগাড়িয়া, লক্ষ্মীসরাই ঘুরে দেখেছিলাম, পতাকা, ফেস্টুন, ফ্লেক্স দিয়ে বিজেপি শহর মুড়ে দিয়েছে। বিশদ

উৎসব এবার চেতনার
মৃণালকান্তি দাস 

মন খারাপ। খুব মন খারাপ। সব আছে। অথচ কী যেন নেই! জীবনটা যেন এখন লুডোর গুটি। রোজ শুধু ওঠা-নামার খেলা। সবসময় মনে আতঙ্ক। যত না সংক্রমণে তার থেকে অনেক বেশি প্রিয়জনের থেকে দূরে চলে যাওয়ার। সেই নীলকণ্ঠ পাখিটা উড়ে গিয়েছে অজানা কোন অচিনপুরে। কিন্তু এই দুঃসময়েও মানুষ আগামীদিনের সুদিনের জন্য বুক বাঁধে। তাই তো এবারও মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পুজোর তোড়জোড়।   বিশদ

23rd  October, 2020
বেদ, পুরাণে বন্দিতা মহামায়া দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

 একদা দেবাসুর-সংগ্রামে ব্রহ্মশক্তির প্রেরণায় জয় হল দেবতাদের। একে বিজয় মহিমা মনে করে অগ্নি, বায়ু, বরুণ ও চন্দ্র এই চার দেবতা অহংকৃত ও গৌরবান্বিত হন। তাঁদের মুখমণ্ডলে কর্তৃত্বের পরিতৃপ্তি। বলদর্পে আচ্ছন্ন হয়ে সেই অমরবৃন্দ ভুলে গেলেন ব্রহ্মশক্তির কথা, যাঁর শক্তি ও অনুকম্পায় তাঁরা এতকাল শক্তিমান। বিশদ

22nd  October, 2020
বাৎসরিক আয়ু ক্রয়ের হাট
হারাধন চৌধুরী

 এবার পুজো হওয়াটা জরুরি। নিয়মরক্ষার হলেও। অন্যথায়, বাঙালি আরও বিষাদে ডুবে যাবে। উৎসব হলে মানুষের কেনাকাটা কিছুটা বাড়বে। যার ভিতরে অর্থনীতির জন্য সুখবর লুকিয়ে থাকে। বিশদ

22nd  October, 2020
পুজো হোক, লকডাউনে থাকুক উৎসব
সন্দীপন বিশ্বাস

এবার আমাদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আমাদের জয়ী হতেই হবে। তাই এবারের পুজো হোক অন্য পরিবেশে, অন্য মানসিকতায়। বাড়িতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটু আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং টিভিতেই হোক ঠাকুরদেখা। বিশদ

21st  October, 2020
প্রতিবাদে মাথা নোয়ায় পর্বতও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 নোট বাতিল কিংবা জিএসটির ক্ষেত্রে যে ডোন্ট কেয়ার দাপট মোদি সরকার দেখিয়েছিল, তা আপাতত উধাও। সব ইস্যুতেই এখন বিরোধীদের চরম বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যা তাদের ‘একচ্ছত্র’ ইমেজে বড়সড় একটা দাগ! বিশদ

20th  October, 2020
বৃদ্ধি ছাড়াই সংস্কার
পি চিদম্বরম

একটা ব্যাপারে সবাই একমত হতে পারি যে, নিজের মত, নীতি ও কাজের প্রচারে কোনও শাসক দল এবং সরকার—বিজেপি অথবা মোদি সরকারের মতো সফল হয়নি। এবং, এই উদ্দেশ্যে তারা যে-কোনও পরিমাণ টাকা খরচ করবে, যত দরকার কাউকে উৎপীড়ন করবে, যতটা প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে হুমকির মুখে রাখবে এবং যে-কোনও প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখবে। অতিশয়োক্তিটা ওদের কাছে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।   বিশদ

19th  October, 2020
অনেক হারানোর পুজো
হিমাংশু সিংহ

পুজোর ছুটির একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকে। উৎসবের অনেক আগে থেকেই সেই গন্ধে ম ম করে বাংলার গাঁ গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্র। সেই গন্ধের সঙ্গে আগমনি মিশে তৈরি হয় অদ্ভুত ঘোর লাগানো একটা অপেক্ষার। মা আসছেন। বাঙালির অনেক না পাওয়া ক্ষতবিক্ষত জীবনে এর চেয়ে পরম প্রাপ্তির আর কিছুই হতে পারে না। সেই অপেক্ষার সঙ্গেই মিশে যায় বিদেশে কাজ করা দত্ত বাড়ির ছেলে, দূরে বিয়ে হওয়া পাশের বাড়ির হেমন্তদার মেয়ের ঘরে ফেরার খুশি। 
বিশদ

18th  October, 2020
করোনা রোখার মন্ত্র ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’ 
তন্ময় মল্লিক

করোনা মোকাবিলায় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলার ও মাস্ককে জীবনসঙ্গী করার পরামর্শ হচ্ছে উপেক্ষিত। সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ। সকলের নজর সেই দিকেই। তাতে সাহসী হচ্ছে মানুষ। বাড়ছে বেপরোয়া ভাব। এগিয়ে আসছে বাংলার ভোট। প্রকট হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষমতা দখলের বাসনা। করোনার মধ্যেও ইস্যু পেলেই আন্দোলন। না থাকলে তৈরির চেষ্টা। অভিমুখ রাজ্যপাট। তাই কথায় কথায় মিছিল আর লড়াই।  
বিশদ

17th  October, 2020
অতিরিক্ত দিল্লি নির্ভরতাই বঙ্গ-বিজেপির সঙ্কট
সমৃদ্ধ দত্ত

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মতো ঝোড়ো আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেননি আর কেউই। সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু-স্রোত। এই সঙ্কটের মধ্যেই তাঁকে কাজ করতে হয়েছে। তাঁকে অভীধা দেওয়া হয় বাংলার রূপকার। কিন্তু ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ছিল, তিনি কৃষিকে অবহেলা করেছেন। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে তিনি যতটা উন্নতিসাধন করেছিলেন শিল্পে, সেই তুলনায় কৃষির উন্নয়ন কম হয়েছে।  
বিশদ

16th  October, 2020
ষড়যন্ত্রের তত্ত্বে সব ব্যর্থতা ঢাকা যায় না 
সন্দীপন বিশ্বাস

ব্যর্থতার এক একটি মাইলস্টোন স্থাপন করতে করতে ক্রমেই অতল খাদের দিকে এগিয়ে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অ্যান্ড কোম্পানি। অনেকেই অবশ্য মানবেন না যে খাদটা অতল। কেননা ভোটের এখনও অনেকদিন বাকি। কিন্তু তাঁর জনপ্রিয়তার প্রতিদিনই পতন হচ্ছে। সেটা তিনি নিজেও বোঝেন। তাই ইদানীং ছাতি বাজানো, তালি বাজানো বন্ধ করে দিয়েছেন। চেষ্টা করছেন, নানা রকম ভুজুং ভাজুং দিয়ে হারানো গৌরব উদ্ধার করতে।  
বিশদ

14th  October, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, মালদহ: সরকারি আবাসনে এক প্রৌঢ় রেলকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল মালদহে। বিজয়া দশমীর সন্ধ্যায় ওই রেলকর্মীর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃতের শরীর কার্যত ...

স্বরূপনগরের প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক আনিসুর রহমান(৭৮) প্রয়াত হয়েছেন। রবিবার গভীর রাতে সল্টলেকের বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ...

পরিযায়ী’ প্রতিমা সংরক্ষণের ভাবনা। বেহালা বড়িশা ক্লাবের প্রতিমা এবার নজর কেড়েছে সকলের। শিল্পশৈলীর অনবদ্য নিদর্শন। দুর্গার পরিযায়ী শ্রমিকের রূপ ভাইরাল হয়েছে সর্বত্র। ...

অবশেষে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগে জয় হল ডোনাল্ড ট্রাম্পের। প্রেসিডেন্ট মনোনীত কনজারভেটিভ জুরি অ্যামি ব্যারেটই ওই পদে শপথ নিলেন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের ঘণ্টাখানেক আগে তাঁর ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সহায়তায় কর্মস্থলে জটিলতার সমাধান। বাতজবেদনায় কষ্ট পাবার সম্ভাবনা। প্রেম-প্রণয়ে সাফল্য। পরশ্রীকাতর ব্যক্তির দ্বারা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪২০: মিং সাম্রাজ্যে বেজিং প্রথম রাজধানী হিসেবে সরকারী স্বীকৃতি পেল
১৪৯২: ইতালিয়ান নাবিক অভিযাত্রী ক্রিস্টোফার কলম্বাস কিউবা আবিষ্কার করেন।
১৮৬৬: বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক যোগীন্দ্রনাথ সরকারের জন্ম
১৮৬৭ - অ্যাংলো-আইরিশ বংশোদভূত সমাজকর্মী, লেখিকা,শিক্ষিকা তথা স্বামী বিবেকানন্দের শিষ্যা ভগিনী নিবেদিতার জন্ম
১৮৮৬: আজকের দিনে ফ্রান্স যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসাবে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উৎসর্গ করে।
১৯২২: বেনিতো মুসোলিনির নেতৃত্বে ইতালির ফ্যাসিস্ত সরকার রোম দখল করে
১৯৫৫ - মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের জন্ম
২০০২ - বিশিষ্ট কবি ও অবিস্মরণীয় ছড়াকার, কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক অন্নদাশঙ্কর রায়ের মৃত্যু।
২০০৬: ঢাকায় বাংলাদেশের আওয়ামী লিগের একদল কর্মী বিরোধী দলের এক সভায় হামলা চালায়। খুন করে বিরোধী দলের ১৪ কর্মীকে
২০০৯: পেশোয়ারে বোমা বিস্ফোরণে ১১৭ জনের মৃত্যু হয়। জখম হয় ২১৩ জন



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.১১ টাকা ৭৪.৮২ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৭৫ টাকা ৯৮.০৯ টাকা
ইউরো ৮৫.৯০ টাকা ৮৯.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫১, ৭৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯, ১৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৯, ৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২, ১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২, ২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ কার্তিক, ১৪২৭, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, দ্বাদশী ১৭/৫৯ দিবা ১২/৫৪। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র ৮/৪১ দিবা ৯/১১। সূর্যোদয় ৫/৪২/৪০, সূর্যাস্ত ৪/৫৮/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/২৬ মধ্যে পুনঃ ৭/১২ গতে ৭/৫৭ মধ্যে পুনঃ ১০/১৩ গতে ১২/২৮ মধ্যে। রাত্রি ৫/৫১ গতে ৬/৪২ মধ্যে পুনঃ ৮/২৩ গতে ৩/১০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/২৬ গতে ৭/১২ মধ্যে পুনঃ ১/১৪ গতে ৩/২৯ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩১ গতে ৯/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/২০ গতে ১২/৪৫ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩২ গতে ৪/৭ মধ্যে।
১১ কার্তিক, ১৪২৭, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, দ্বাদশী দিবা ১/৪০। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র দিবা ১১/১। সূর্যোদয় ৫/৪৪, সূর্যাস্ত ৪/৫৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৮ মধ্যে ও ৭/২১ গতে ৮/৫ মধ্যে ও ১০/১৬ গতে ১২/২৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪১ গতে ৬/৩৩
মধ্যে ও ৮/১৮ গতে ৩/১৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৩৮ গতে ৭/২১ মধ্যে ও ১/১০ গতে ৩/২১ মধ্যে। কালবেলা ৮/৩৩ গতে ৯/৫৭ মধ্যে ও ১১/২১ গতে ১২/৪৬ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩৩ গতে ৪/৮ মধ্যে।
১০ রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: ৮৮ রানে জিতল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ 

27-10-2020 - 11:00:00 PM

আইপিএল: দিল্লি ৯৬/৬ (১৫ ওভার) 

27-10-2020 - 10:40:09 PM

আইপিএল: দিল্লি ৭৬/৪ (১১ ওভার) 

27-10-2020 - 10:18:29 PM

আইপিএল: দিল্লি ৩৪/২ (৫ ওভার) 

27-10-2020 - 09:48:54 PM

দিল্লিকে ২২০ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

27-10-2020 - 09:09:36 PM

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ১৭৫/২ (১৫ ওভার) 

27-10-2020 - 08:46:00 PM