Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

এত স্বল্প সময়ের অধিবেশন খুব বেশি দেখেনি ভারতীয় সংসদ। দেখেনি বিল পাশের প্রাণান্তকর হুড়োহুড়িও। গণতন্ত্রের পীঠস্থানে ধ্বনিভোটে সবকিছুকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়ার এমন বর্ণাঢ্য মহোৎসবের নজির প্রায় নেই বললেই চলে। ১৪ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর। নয় নয় করে অনুমোদন পেয়েছে ২৫টি বিল। নির্ধারিত ১৮ দিনের বদলে মাত্র ১০ দিনেই বাদল অধিবেশন শেষ। তাতেই ঝড় উঠে গিয়েছে ভারতীয় রাজনীতিতে। ৩০ বছর আগে মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বে দেশে উদার অর্থনীতির যে দমকা হাওয়া বইতে শুরু করেছিল তারই যেন ছোঁয়া লেগেছে কৃষিতে। কিন্তু এই নয়া সংস্কারে কৃষকের দিন কি ফিরবে? রাজ্যে রাজ্যে এই প্রশ্ন ও আশঙ্কার সামনে কৃষক সমাজ। সরকারি রক্ষাকবচের মধ্যে থেকেও দেশে কৃষক আত্মহত্যা বন্ধ হয়নি। উল্টে বেড়েছে। আর আজ কৃষককে যেখানে খুশি, যাকে খুশি ফসল বিক্রির স্বাধীনতা দিতে গিয়ে আরও বড় কোনও বঞ্চনার মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে না তো? কে না জানে মস্ত জলাশয়েই কুমির, হাঙরেরা বাস করে!
বিরোধীশূন্য রাজ্যসভায় দম ফেলার সুযোগ না দিয়েই যে দ্রুততায় শেষ দু’দিনে একের পর এক বিল পাশ হল তা এককথায় রেকর্ড। ঘণ্টায় ঘণ্টায় পাশ হয়ে যাচ্ছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বিল। কোনওটা কৃষকের। কোনওটা শ্রমিকের। আলোচনা নেই। মতবিনিময় নেই। চাঁচাছোলা বিতর্ক, তাও করোনার অজুহাতে ব্রাত্য। যুক্ত হচ্ছে না কোনও সংশোধনী। সিলেক্ট কমিটিতে আরও পর্যালোচনার জন্য বিল পাঠানোর দাবি, তাও পত্রপাঠ নস্যাৎ করে দিচ্ছে সরকারপক্ষ। বিরোধীরা বলছে, একে একে মৃত্যু পরোয়ানা জারি হচ্ছে, এক এক পেশার মানুষের জন্য। কৃষক আর শ্রমিকই তো এদেশে সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি। প্রান্তিক মানুষ তারাই। তাদের মেরুদণ্ড ভেঙে গেলে আর অবশিষ্ট থাকেটা কী? আগেই নাভিশ্বাস উঠে গিয়েছে ছোট ব্যবসায়ীদের। জিএসটির গুঁতোয়। করোনা আর লকডাউন শেষ করে দিয়েছে হকারদের। এবার কৃষক ও শ্রমিকের পালা। এ তো ধীরে ধীরে পরিকল্পিতভাবে বৃহৎ পুঁজির কাছে দেশটাকে বিকিয়ে দেওয়ারই দীর্ঘমেয়াদি কৌশল।
আর মধ্যবিত্ত সাধারণ মানুষ? এমনিতেই চাল ডাল আলু পেঁয়াজের দাম আগুন। তারপর ৬৮ দিনের বেহিসেবি লকডাউনে রোজগার না কমে দিব্যি আছেন, এমন মানুষ বিরল। এরই মধ্যে আলুর দাম রোজ লাফিয়ে বাড়ছে। পেঁয়াজের দাম ৫০ টাকা ছুঁয়েছে। সেই ঝাঁঝ আরও তীব্র করে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকেও এবার এদের বাদ দেওয়া হল। তাতে হল কী? উঠে গেল যাবতীয় নিয়ন্ত্রণ। খুব জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া দাম ঠিক করার, কৃত্রিমভাবে মূল্যবৃদ্ধি ঘটানোর হীন ব্যবসায়িক অভিসন্ধি রুখে দেওয়ার এক্তিয়ার আর রইল না সরকারের হাতে। আর এখানেই আশঙ্কা। বিরোধীরা বলছে, বেলাগাম এই ব্যবস্থা নিশ্চিতভাবেই আরও বড় সর্বনাশ ডেকে আনতে চলেছে মধ্যবিত্তের ভাঙা ঘরে!
সরকার অবশ্য ওসবে কান দিতে নারাজ। উল্টে তার দাবি, এই বিলে দিন বদলাবে অবহেলিত কৃষকের। নিয়ন্ত্রণ উঠে যাওয়ায় শেষ হবে অসাধু ফড়েরাজ। দ্বিগুণ হবে আয়। আর বিরোধীরা পাল্টা তোপ দেগে বলছে, গরিব মানুষকে পথে বসিয়ে কর্পোরেট দুনিয়ার হাতে চাষবাসের নিয়ন্ত্রণ তুলে দিতেই এই ‘মহতী’ আয়োজন। ছোট ছোট অনেক ফড়ের বদলে বাজারের নিয়ন্ত্রণ যাবে বাছাই করা সরকার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন রাঘব বোয়ালের হাতে। নিজের জমিতেই হয়তো কোনও কর্পোরেট সংস্থার অধীনে কাজ করতে হবে ছোট কৃষককে। এটাই তাহলে নয়া আইনে কৃষকের স্বাধীনতার আসল অর্থ?
কৃষক যাতে তার ফসলের সঠিক দাম পায়, সেই কথা ভেবেই দীর্ঘদিন ধরে চালু আছে মিনিমাম সাপোর্ট প্রাইস। ন্যূনতম সহায়ক মূল্য। সংক্ষেপে এমএসপি। তারও আগে ষাটের দশকে তৈরি হয়েছিল এপিএমসি। এগ্রিকালচারাল প্রোডিউস মার্কেটিং কমিটি। কৃষি বিপণন কমিটি। সারা দেশে এমন আড়াই হাজার এপিএমসি ও মান্ডিতেই কৃষক নিরাপদে তার ফসল বিক্রি করে আসছে এতদিন। অভাবের দিনে কৃষকের স্বার্থ রক্ষা করতেই কেন্দ্রীয় সরকার ওই ব্যবস্থা চালু করে। সরকার নির্ধারিত দামের কমে যাতে কোনও অবস্থাতেই কৃষককে উৎপাদিত ফসল বিক্রি করতে না হয়। দুঃসময়ে অভাবী বিক্রি বন্ধ করাই ছিল এর লক্ষ্য। বিলে সেই সহায়ক মূল্যের ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলা নেই বলেই অভিযোগ। সরকার মুখে যতই আশ্বাস দিক না কেন, এই আশঙ্কা কিন্তু ক্রমেই চেপে বসছে কৃষিপ্রধান রাজ্যগুলিতে। সরকার বিএসএনএল বন্ধ করেনি। কিন্তু তার গুরুত্ব আজ শূন্যে এসে ঠেকেছে। মুখে স্বীকার না করলেও রেলের বেসরকারিকরণের বন্দোবস্তও পাকা। সেরকমই এই নয়া আইন ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ও কৃষি বিপণন সংস্থাকে ক্রমেই তাৎপর্যহীন করে দেবে, এমনই আশঙ্কা। তার প্রতিবাদেই পাঞ্জাব, হরিয়ানা উত্তাল। তার চেয়েও যেটা ভয়ঙ্কর তা হচ্ছে, রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
অনেক ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে যে চুক্তি চাষের কথা নতুন আইনে বলা হয়েছে সেখানেও রয়ে গিয়েছে বিস্তর ফাঁক। চুক্তিভঙ্গে সরকার গরিব কৃষকের পাশে থাকবে কি না, তা আদৌ বিলে স্পষ্ট নয়। স্পষ্ট নয়, সেক্ষেত্রে মামলা হলে তার খরচ দেবে কে? যেখানে খুশি উৎপাদিত সামগ্রী বিক্রি করতে গিয়ে শেষে না সর্বস্বান্ত হতে হয়! সরকারি বদান্যতায় অসৎ হাঙরের তো অভাব নেই এ দেশে! বিরোধীদের বক্তব্য, এ তো গরিবের গালে চড় মেরে পাকাপাকি লুণ্ঠনের বন্দোবস্ত! সরকারের নয়া আইনে বড় সম্পন্ন চাষি হয়তো কিছুটা উপকৃত হতে পারেন। কিন্তু সাধারণ গ্রামের কৃষকের সর্বনাশ তো এর ফলে অনিবার্য। যার ফায়দা লুটবে বড় পুঁজির ধুরন্ধর ব্যবসায়ীরা। নেতা-আইন-পুলিস তাদের পকেটে। হতদরিদ্র চাষি তার তল পাবে কোথা থেকে?
আর শ্রমিকের লাভ? নয়া আইনে ৩০০ জন কাজ করে এমন সংস্থায় আর কর্মী ছাঁটাই ও ব্যবসা গোটানোর জন্য সরকারের আর অনুমতি লাগবে না। আগে ১০০ জন কাজ করে এমন সংস্থা গুটিয়ে ফেলতে অনুমতি লাগত না। সেই ক্ষেত্রটাকে আরও প্রশস্ত করে কার স্বার্থ দেখা হল? এতে করে তো ইচ্ছা মতো কর্মী সঙ্কোচন ও ব্যবসা গুটিয়ে ফেলার পথই প্রশস্ত হবে। খুশি হবেন ব্যবসায়ীরা। খুলে যাবে ইচ্ছেমতো ঢালাও ঠিকা শ্রমিক নিয়োগের পথও। কোটি কোটি মধ্যবিত্তের একটা নিরাপদ পাকা চাকরির কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দেবে এই আইন। করোনা আবহে যার ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই মিলতে শুরু করেছে। নয়া আইন কার্যকর হলে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হবে। দৈনিক কাজের সময় বাড়বে। সেইসঙ্গে কমবে সামাজিক নিরাপত্তা। অথচ এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল, যার সঙ্গে দেশের কোটি কোটি মানুষ ও তাদের জীবন জীবিকা জড়িত, তাও পাশ হয়ে গেল নীরবে।
করোনার ভয়ে ভারতীয় গণতন্ত্রের মন্দিরে কাজকর্ম এমনিতেই এবার ছিল অনেকটাই সংক্ষিপ্ত। সংক্রমণের ভয়ে প্রত্যেক সদস্যের আসনই কার্বন শিট দিয়ে ঘেরা। প্রশ্নোত্তর পর্ব বাতিল হয়েছে আগেই। সেইসঙ্গে সব প্রশ্নেরই যেন মৃত্যু হয়েছে। এক অদ্ভুত সমাপতন যেন! প্রধানমন্ত্রীকে সাংবাদিকদের সরাসরি প্রশ্ন করার অধিকার খর্ব হয়েছে আগেই। গত ৬ বছরে হাবেভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন, সাংবাদিক সম্মেলন করা তাঁর অভিধানে নেই। আর এবার সংসদ সদস্যরাও কোয়েশ্চন আওয়ারে তাঁদের এলাকার ইস্যু তুলে ধরা থেকে বঞ্চিত হলেন। এমনকী রাজ্যসভায় সংখ্যালঘু হলেও একটি ক্ষেত্রেও ভোটাভুটির রাস্তায় পর্যন্ত যায়নি সরকার পক্ষ! যদিও এতকিছুর পরেও সরকারের সবচেয়ে পুরনো শরিক অকালি দলের ঘর থেকেই বিদ্রোহের ঢেউ সামনে এসেছে। ক্ষোভে, প্রতিবাদে মন্ত্রিসভা ছেড়েছেন ক্যাবিনেট মন্ত্রী হরসিমরত কাউর বাদল। বিহার ভোটের আগে একটু একটু করে বেঁকে বসছেন ‘সুযোগসন্ধানী’ নীতীশ কুমারও। কারণ কৃষক লবি ক্ষুব্ধ হলে আসন্ন বিহার নির্বাচনের সমীকরণও যে কঠিন হতে বাধ্য তা তিনি বিলক্ষণ জানেন। তাই ভোট বালাইয়ের কথা ভেবেই বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করার চেষ্টা করছেন।
কিন্তু তাতে কি হারানো সম্মান ফিরবে সংসদের? কথায় বলে, সংসদ বিরোধীদের। হাউস বিলংস টু অপজিশন। এই দর্শনের উপরই ভারতীয় গণতন্ত্র ও সংবিধান দাঁড়িয়ে। সংসদ দেশের আইন তৈরির পবিত্র মন্দির। তার অবমাননা কখনও মেনে নেওয়া যায় না। তাই ২০১৪ সালে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করেই ভারতীয় গণতন্ত্রের মন্দিরে প্রবেশ করেছিলেন মোদি। এই মন্দিরের ঐতিহ্য ও সম্মান তাঁর হাতে অক্ষুণ্ণ থাকবে, এই আশায় ভর করেই গত লোকসভাতেও ভোট দিয়েছে দেশবাসী। আর আজ সরকার যেখানে সংখ্যালঘু সেই রাজ্যসভাতেও বিল পাশ হয়ে যায় বিনা বাক্যব্যয়ে। এমনকী, সরকারের প্রধান দুই স্তম্ভ মোদি-অমিত শাহের উপস্থিতি ছাড়াই। সব আগল যেন ভেঙে গিয়েছে। সংসদীয় গণতন্ত্রের বেসামাল ছবিটাই প্রমাণ করছে, মোদির আগমার্কা ‘বিশুদ্ধ আচ্ছে দিন’ সমাগত! সব দখলের নেশায় মত্ত শাসক। আর তারই ধাক্কায় শুধু কৃষক, শ্রমিক, খেটে খাওয়া মানুষই নয়, বিপন্ন আজ দেশের মূল ভিত্তি গণতন্ত্রও।
27th  September, 2020
মূকরাই সরব হবেন যথাসময়ে
পি চিদম্বরম

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যে পৃথিবী বিপুলভাবে সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠেছে সেখানে দরিদ্র বা গরিব রয়ে যাওয়াটা এক দুর্ভাগ্য। একটা দরিদ্র দেশে দরিদ্র থাকাটা গণতন্ত্রের ব্যর্থতা। আর একটা গরিব দেশের গরিব রাজ্যে দরিদ্র থেকে গেলে তাকে রাজনীতির অভিশাপ মানতে হবে।  বিশদ

বিহারের ভোটে অনেক পাখি মারার ছক মোদির
সন্দীপন বিশ্বাস

২০১৫ সালে বিহার বিধানসভার নির্বাচনের খবর করতে গিয়ে দেখেছিলাম, বিজেপি সেখানে কী পরিমাণ টাকা ঢেলেছিল। সমস্তিপুর, বেগুসরাই, জামুই, ভাগলপুর, মুঙ্গের, খাগাড়িয়া, লক্ষ্মীসরাই ঘুরে দেখেছিলাম, পতাকা, ফেস্টুন, ফ্লেক্স দিয়ে বিজেপি শহর মুড়ে দিয়েছে। বিশদ

উৎসব এবার চেতনার
মৃণালকান্তি দাস 

মন খারাপ। খুব মন খারাপ। সব আছে। অথচ কী যেন নেই! জীবনটা যেন এখন লুডোর গুটি। রোজ শুধু ওঠা-নামার খেলা। সবসময় মনে আতঙ্ক। যত না সংক্রমণে তার থেকে অনেক বেশি প্রিয়জনের থেকে দূরে চলে যাওয়ার। সেই নীলকণ্ঠ পাখিটা উড়ে গিয়েছে অজানা কোন অচিনপুরে। কিন্তু এই দুঃসময়েও মানুষ আগামীদিনের সুদিনের জন্য বুক বাঁধে। তাই তো এবারও মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পুজোর তোড়জোড়।   বিশদ

23rd  October, 2020
বেদ, পুরাণে বন্দিতা মহামায়া দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

 একদা দেবাসুর-সংগ্রামে ব্রহ্মশক্তির প্রেরণায় জয় হল দেবতাদের। একে বিজয় মহিমা মনে করে অগ্নি, বায়ু, বরুণ ও চন্দ্র এই চার দেবতা অহংকৃত ও গৌরবান্বিত হন। তাঁদের মুখমণ্ডলে কর্তৃত্বের পরিতৃপ্তি। বলদর্পে আচ্ছন্ন হয়ে সেই অমরবৃন্দ ভুলে গেলেন ব্রহ্মশক্তির কথা, যাঁর শক্তি ও অনুকম্পায় তাঁরা এতকাল শক্তিমান। বিশদ

22nd  October, 2020
বাৎসরিক আয়ু ক্রয়ের হাট
হারাধন চৌধুরী

 এবার পুজো হওয়াটা জরুরি। নিয়মরক্ষার হলেও। অন্যথায়, বাঙালি আরও বিষাদে ডুবে যাবে। উৎসব হলে মানুষের কেনাকাটা কিছুটা বাড়বে। যার ভিতরে অর্থনীতির জন্য সুখবর লুকিয়ে থাকে। বিশদ

22nd  October, 2020
পুজো হোক, লকডাউনে থাকুক উৎসব
সন্দীপন বিশ্বাস

এবার আমাদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আমাদের জয়ী হতেই হবে। তাই এবারের পুজো হোক অন্য পরিবেশে, অন্য মানসিকতায়। বাড়িতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটু আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং টিভিতেই হোক ঠাকুরদেখা। বিশদ

21st  October, 2020
প্রতিবাদে মাথা নোয়ায় পর্বতও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 নোট বাতিল কিংবা জিএসটির ক্ষেত্রে যে ডোন্ট কেয়ার দাপট মোদি সরকার দেখিয়েছিল, তা আপাতত উধাও। সব ইস্যুতেই এখন বিরোধীদের চরম বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যা তাদের ‘একচ্ছত্র’ ইমেজে বড়সড় একটা দাগ! বিশদ

20th  October, 2020
বৃদ্ধি ছাড়াই সংস্কার
পি চিদম্বরম

একটা ব্যাপারে সবাই একমত হতে পারি যে, নিজের মত, নীতি ও কাজের প্রচারে কোনও শাসক দল এবং সরকার—বিজেপি অথবা মোদি সরকারের মতো সফল হয়নি। এবং, এই উদ্দেশ্যে তারা যে-কোনও পরিমাণ টাকা খরচ করবে, যত দরকার কাউকে উৎপীড়ন করবে, যতটা প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে হুমকির মুখে রাখবে এবং যে-কোনও প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখবে। অতিশয়োক্তিটা ওদের কাছে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।   বিশদ

19th  October, 2020
অনেক হারানোর পুজো
হিমাংশু সিংহ

পুজোর ছুটির একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকে। উৎসবের অনেক আগে থেকেই সেই গন্ধে ম ম করে বাংলার গাঁ গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্র। সেই গন্ধের সঙ্গে আগমনি মিশে তৈরি হয় অদ্ভুত ঘোর লাগানো একটা অপেক্ষার। মা আসছেন। বাঙালির অনেক না পাওয়া ক্ষতবিক্ষত জীবনে এর চেয়ে পরম প্রাপ্তির আর কিছুই হতে পারে না। সেই অপেক্ষার সঙ্গেই মিশে যায় বিদেশে কাজ করা দত্ত বাড়ির ছেলে, দূরে বিয়ে হওয়া পাশের বাড়ির হেমন্তদার মেয়ের ঘরে ফেরার খুশি। 
বিশদ

18th  October, 2020
করোনা রোখার মন্ত্র ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’ 
তন্ময় মল্লিক

করোনা মোকাবিলায় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলার ও মাস্ককে জীবনসঙ্গী করার পরামর্শ হচ্ছে উপেক্ষিত। সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ। সকলের নজর সেই দিকেই। তাতে সাহসী হচ্ছে মানুষ। বাড়ছে বেপরোয়া ভাব। এগিয়ে আসছে বাংলার ভোট। প্রকট হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষমতা দখলের বাসনা। করোনার মধ্যেও ইস্যু পেলেই আন্দোলন। না থাকলে তৈরির চেষ্টা। অভিমুখ রাজ্যপাট। তাই কথায় কথায় মিছিল আর লড়াই।  
বিশদ

17th  October, 2020
অতিরিক্ত দিল্লি নির্ভরতাই বঙ্গ-বিজেপির সঙ্কট
সমৃদ্ধ দত্ত

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মতো ঝোড়ো আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেননি আর কেউই। সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু-স্রোত। এই সঙ্কটের মধ্যেই তাঁকে কাজ করতে হয়েছে। তাঁকে অভীধা দেওয়া হয় বাংলার রূপকার। কিন্তু ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ছিল, তিনি কৃষিকে অবহেলা করেছেন। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে তিনি যতটা উন্নতিসাধন করেছিলেন শিল্পে, সেই তুলনায় কৃষির উন্নয়ন কম হয়েছে।  
বিশদ

16th  October, 2020
ষড়যন্ত্রের তত্ত্বে সব ব্যর্থতা ঢাকা যায় না 
সন্দীপন বিশ্বাস

ব্যর্থতার এক একটি মাইলস্টোন স্থাপন করতে করতে ক্রমেই অতল খাদের দিকে এগিয়ে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অ্যান্ড কোম্পানি। অনেকেই অবশ্য মানবেন না যে খাদটা অতল। কেননা ভোটের এখনও অনেকদিন বাকি। কিন্তু তাঁর জনপ্রিয়তার প্রতিদিনই পতন হচ্ছে। সেটা তিনি নিজেও বোঝেন। তাই ইদানীং ছাতি বাজানো, তালি বাজানো বন্ধ করে দিয়েছেন। চেষ্টা করছেন, নানা রকম ভুজুং ভাজুং দিয়ে হারানো গৌরব উদ্ধার করতে।  
বিশদ

14th  October, 2020
একনজরে
শেষ পর্যন্ত কি প্লে-অফে জায়গা করে নিতে পারবে কলকাতা নাইট রাইডার্স? এই প্রশ্নটাই এখন ঘুরপাক কাছে কেকেআর সমর্থকদের মনে। গত ম্যাচে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের কাছে ...

বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় টিভির অভিনেত্রী মালভি মালহোত্রাকে ছুরি দিয়ে কোপাল যোগেশকুমার মহিপাল সিং নামে এক ব্যক্তি। সোমবার রাত ন’টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটেছে ...

স্বরূপনগরের প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক আনিসুর রহমান(৭৮) প্রয়াত হয়েছেন। রবিবার গভীর রাতে সল্টলেকের বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ...

...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সহায়তায় কর্মস্থলে জটিলতার সমাধান। বাতজবেদনায় কষ্ট পাবার সম্ভাবনা। প্রেম-প্রণয়ে সাফল্য। পরশ্রীকাতর ব্যক্তির দ্বারা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪২০: মিং সাম্রাজ্যে বেজিং প্রথম রাজধানী হিসেবে সরকারী স্বীকৃতি পেল
১৪৯২: ইতালিয়ান নাবিক অভিযাত্রী ক্রিস্টোফার কলম্বাস কিউবা আবিষ্কার করেন।
১৮৬৬: বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক যোগীন্দ্রনাথ সরকারের জন্ম
১৮৬৭ - অ্যাংলো-আইরিশ বংশোদভূত সমাজকর্মী, লেখিকা,শিক্ষিকা তথা স্বামী বিবেকানন্দের শিষ্যা ভগিনী নিবেদিতার জন্ম
১৮৮৬: আজকের দিনে ফ্রান্স যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসাবে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উৎসর্গ করে।
১৯২২: বেনিতো মুসোলিনির নেতৃত্বে ইতালির ফ্যাসিস্ত সরকার রোম দখল করে
১৯৫৫ - মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের জন্ম
২০০২ - বিশিষ্ট কবি ও অবিস্মরণীয় ছড়াকার, কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক অন্নদাশঙ্কর রায়ের মৃত্যু।
২০০৬: ঢাকায় বাংলাদেশের আওয়ামী লিগের একদল কর্মী বিরোধী দলের এক সভায় হামলা চালায়। খুন করে বিরোধী দলের ১৪ কর্মীকে
২০০৯: পেশোয়ারে বোমা বিস্ফোরণে ১১৭ জনের মৃত্যু হয়। জখম হয় ২১৩ জন



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.১১ টাকা ৭৪.৮২ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৭৫ টাকা ৯৮.০৯ টাকা
ইউরো ৮৫.৯০ টাকা ৮৯.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫১, ৭৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯, ১৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৯, ৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২, ১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২, ২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ কার্তিক, ১৪২৭, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, দ্বাদশী ১৭/৫৯ দিবা ১২/৫৪। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র ৮/৪১ দিবা ৯/১১। সূর্যোদয় ৫/৪২/৪০, সূর্যাস্ত ৪/৫৮/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/২৬ মধ্যে পুনঃ ৭/১২ গতে ৭/৫৭ মধ্যে পুনঃ ১০/১৩ গতে ১২/২৮ মধ্যে। রাত্রি ৫/৫১ গতে ৬/৪২ মধ্যে পুনঃ ৮/২৩ গতে ৩/১০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/২৬ গতে ৭/১২ মধ্যে পুনঃ ১/১৪ গতে ৩/২৯ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩১ গতে ৯/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/২০ গতে ১২/৪৫ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩২ গতে ৪/৭ মধ্যে।
১১ কার্তিক, ১৪২৭, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, দ্বাদশী দিবা ১/৪০। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র দিবা ১১/১। সূর্যোদয় ৫/৪৪, সূর্যাস্ত ৪/৫৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৮ মধ্যে ও ৭/২১ গতে ৮/৫ মধ্যে ও ১০/১৬ গতে ১২/২৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪১ গতে ৬/৩৩
মধ্যে ও ৮/১৮ গতে ৩/১৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৩৮ গতে ৭/২১ মধ্যে ও ১/১০ গতে ৩/২১ মধ্যে। কালবেলা ৮/৩৩ গতে ৯/৫৭ মধ্যে ও ১১/২১ গতে ১২/৪৬ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩৩ গতে ৪/৮ মধ্যে।
১০ রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: ৮৮ রানে জিতল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ 

27-10-2020 - 11:00:00 PM

আইপিএল: দিল্লি ৯৬/৬ (১৫ ওভার) 

27-10-2020 - 10:40:09 PM

আইপিএল: দিল্লি ৭৬/৪ (১১ ওভার) 

27-10-2020 - 10:18:29 PM

আইপিএল: দিল্লি ৩৪/২ (৫ ওভার) 

27-10-2020 - 09:48:54 PM

দিল্লিকে ২২০ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

27-10-2020 - 09:09:36 PM

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ১৭৫/২ (১৫ ওভার) 

27-10-2020 - 08:46:00 PM