Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

‘গোলাপকে যে নামেই ডাকা হোক না কেন, সে গন্ধ বিতরণ করবেই।’ বলেছিলেন মহাকবি শেক্সপিয়র। নাম পাল্টে দিলেও গোলাপের চরিত্র বদলায় না। জঙ্গিরা অনেকটা তেমনই। আল কায়েদা হোক বা এলটিটিই, মাওবাদী হোক বা লস্কর-ই-তোইবা—সকলেই নরখাদক, শয়তানের উপাসক। নাশকতা চালানো আর সুস্থিতি বিনষ্ট করাই এদের উদ্দেশ্য। সব জঙ্গিগোষ্ঠীই মানবজাতি ও মানবতার শত্রু। তাই বিশ্বের সমস্ত গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে জঙ্গিরাই সব চেয়ে বড় থ্রেট। ভারতবর্ষও তার বাইরে নয়। দেশপ্রেমী সব ধর্মের মানুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সর্বাত্মক লড়াইয়েই আসতে পারে জঙ্গি দমনে সাফল্য। কিন্তু, জঙ্গি দমনকে রাজনৈতিক ইস্যু বানালেই বিপদ।
আল কায়েদা জঙ্গি মডিউলের খোঁজ মিলতেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু পশ্চিমবঙ্গ ও কেরল। এই দুই রাজ্য থেকে ন’জনকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ। ধৃতদের সঙ্গে পুলওয়ামার হত্যাকারীদের যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছে এই কেন্দ্রীয় সংস্থাটি। আল কায়েদার নামডাকের সঙ্গে উদ্ধার হওয়া মালপত্রের সামঞ্জস্য খুঁজে পাচ্ছেন না অনেকেই। তা নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। তবে, সেই বিতর্কে না গিয়েও স্পষ্ট করে বলা যায়, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। আর সেটাই জঙ্গি দমনের পথে প্রধান অন্তরায়।
জঙ্গি জন্মায় না, তৈরি করা হয়। বঞ্চনার অভিমানকে উস্কে দিয়ে জাগিয়ে তোলা হয় প্রতিহিংসার নেশা। লাগাতার মগজ ধোলাইয়ে মাথায় গেঁথে দেওয়া হয়, সে বঞ্চিত। তার জন্য দায়ী সরকারি সিস্টেম। তাই তাকেই আঘাতে আঘাতে জর্জরিত করতে হবে। দুর্ভাগ্য, সেই লক্ষ্য পূরণে পবিত্র ধর্মকে নির্লজ্জভাবে কাজে লাগানো হয়।
ইসলাম ধর্মকে হাতিয়ার করে আল কায়েদা, আইএস এর মতো জঙ্গি সংগঠনগুলি বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করতে চাইছে। আইএস ২০২০ সালের মধ্যে ভারত সহ পৃথিবীর বিস্তীর্ণ অংশকে ইসলামিক স্টেটের অধীনে আনার কথা ঘোষণা করেছে। মানুষকে আতঙ্কিত করতে তারা নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ছড়িয়ে দিচ্ছে। তাতে জঙ্গিরা সাহস পায়। ক্ষমতালোভী কিছু লোক ইসলামকে রক্ষার নামে ‘জেহাদি’ তৈরি করে। ধ্বংসই লক্ষ্য। তাদের পাতা ফাঁদে পা দিচ্ছে হতদরিদ্র ও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত মানুষজন। অথচ যে ধর্মের দোহাই দিয়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে, সেই ইসলাম শান্তি, সহনশীলতা ও উদারতার কথাই বলে। স্বয়ং হজরত মহম্মদ বলেছেন, ‘ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না। এই বাড়াবাড়ির ফলে অতীতে বহু জাতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।’
আসলে ধর্ম অনেকটা ছুরির মতো। ডাক্তারের হাতের ছুরি মানুষের জীবন বাঁচায়। আবার দুষ্কৃতীর হাতে সেই ছুরিই মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। ধর্মও ঠিক তেমনটাই। ধর্মীয় ভাব জাগলে মানুষ হয় দয়ালু। আর্তের পাশে দাঁড়ায়। আবার সেই ধর্মকে কাজে লাগিয়েই মৌলবাদীরা ‘ভালো’ মানুষকে খারাপ কাজের দিকে ঠেলে দেয়। নাশকতায় লিপ্ত করে।
এনআইএ-র অনুমান, পশ্চিমবঙ্গ ও কেরল থেকে ধৃত জঙ্গিরা খারাপ কাজে উৎসাহিত হয়েছিল। নাশকতার দক্ষ কারিগর হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলছিল লোকচক্ষুর আড়ালে। নীরবে।
ধ্বংসাত্মক আন্দোলনের ভয়ঙ্কর রূপ দেখেছে বাংলা। দার্জিলিংয়ে জঙ্গি আন্দোলনের ভয়াবহ স্মৃতি ফিকে হলেও মুছে যায়নি। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সশস্ত্র আন্দোলনে শান্ত দার্জিলিং হয়ে উঠেছিল আগ্নেয়গিরি। ব্যক্তিগত ফায়দার জন্য সুবাস ঘিসিং শান্তিপ্রিয় গোর্খাদের জাত্যভিমানকে উস্কে দিয়েছিলেন। আর কৌশলী সিপিএম সেই বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনকে বানিয়েছিল রাজনীতির উপাদান। ‘এক কোলিজা রক্ত দেব, বাংলা ভাগ হতে দেব না’ এমনই দেওয়াল লিখনে ভরে গিয়েছিল রাজ্য। দার্জিলিংকে সামনে রেখে বামফ্রন্ট জিতেছিল একের পর এক নির্বাচন।
সেই দার্জিলিং এখন শান্ত। কারণ সমস্যা সমাধানে শাসকের সদিচ্ছা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দার্জিলিংকে ভোটে জেতার ইস্যু বানাতে চাননি, চেয়েছিলেন সমাধান। তাই শান্তি ফিরেছে। যারা বাংলা থেকে দার্জিলিংকে আলাদা করতে চেয়েছিল, আজ তারাই পাহাড় থেকে বিচ্ছিন্ন। গোর্খাল্যান্ড সমর্থন না করায় তৃণমূল দার্জিলিংয়ে বারবার হেরেছে, তাও মমতা সমঝোতার রাস্তায় হাঁটেননি। তাই আজও দার্জিলিং পশ্চিমবঙ্গের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।
সদিচ্ছা ও আন্তরিকতায় অনেক জটিল সমস্যাও সহজ হয়। তার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত, এ রাজ্যের মাওবাদী সমস্যা। বাম জমানার শেষদিকে মাওবাদী আতঙ্কে কাঁপত জঙ্গলমহল। গুলি, বারুদের দাপটে ভরসন্ধেতেই নামত গভীর রাতের নিস্তব্ধতা। ঝুপ ঝুপ করে দোকানের ঝাঁপ পড়ত। শুনশান হয়ে যেত রাস্তাঘাট। বনপার্টির দল বাড়ি থেকে সিপিএমের নেতাদের তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করত। সেই সব দেহ উদ্ধারের জন্য পুলিস থাকত ভোরের আলো ফোটার অপেক্ষায়। আনাচেকানাচে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ক্যাম্প, হার্মাদ ক্যাম্প বসিয়েও জঙ্গলমহলকে বাগে আনা যায়নি। কারণ মাওবাদী দমন অপেক্ষা তাকে ভোটের ইস্যু বানানোর দিকেই বামেদের নজর ছিল বেশি। খাল কেটে কুমির ডাকলে তার পেটে যাওয়াটাই ভবিতব্য!
জঙ্গলমহলে শান্তি ফেরানো ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রতিশ্রতি। তাই প্রথম থেকেই তিনি সমস্যা মেটানোয় ছিলেন আন্তরিক। ইস্যু জিইয়ে রাখতে চাননি বলেই সমস্যার গভীরে ঢুকেছিলেন। জঙ্গলমহলে জঙ্গি থাকলেও তিনি গোটা জঙ্গলমহলকে মাওবাদী ভাবেননি। তিনি বুঝেছিলেন, শুধু অস্ত্র দিয়ে হবে না। মাওবাদী দমন করতে গেলে মানুষকে তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে। তার জন্য দরকার গরিব মানুষের ভাতের ব্যবস্থা করা। সেই মতো সাজিয়ে ছিলেন রণকৌশল।
নিখুঁত পরিকল্পনা ও সদিচ্ছায় সফল হয়েছিল উদ্দেশ্য। গুলির লড়াইয়ে মরেছিলেন কিষেণজি। ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য করেছিলেন ভাতের ব্যবস্থা। শান্তি ফিরেছিল জঙ্গলমহলে। জঙ্গলমহল জঙ্গিমুক্ত। প্রায় ১০ বছর ঘটেনি রক্ত ঝরার কোনও ঘটনা। অন্য রাজ্যে দাপট দেখালেও বঙ্গে ঢোকার সাহস দেখায়নি মাওবাদীরা। একইভাবে আল কায়েদা জঙ্গিদেরও মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে। তবেই আসবে সাফল্য। তা না করে ধর্মের দিকে আঙুল তুললে, তা হবে মারাত্মক ভুল।
মুর্শিদাবাদ থেকে ছ’জন গ্রেপ্তার হতেই বিজেপি নেতৃত্ব পশ্চিমবঙ্গকে ‘জঙ্গি হাব’ বলে প্রচার শুরু করেছে। মহামহিম এব্যাপারে সর্বদাই এগিয়ে। তাঁর কথায়, ‘রাজ্য তো জঙ্গি, বোমা, অপরাধী তৈরির স্বর্গোদ্যান।’ পিছিয়ে নেই কংগ্রেস-সিপিএম। তবে, কেরল থেকে আল কায়েদার তিনজন গ্রেপ্তার হওয়ায় সিপিএম কিঞ্চিৎ বিব্রত।
গোয়েন্দাদের মতে, কেরল থেকে গ্রেপ্তার হওয়া মুর্শিদই এই মডিউলের মাস্টার মাইন্ড। সে কেরল থেকেই দিল্লি, কাশ্মীর ঘুরে ঘুরে নানা তথ্য সংগ্রহ করত। জন্মস্থান বাংলায় হলেও জঙ্গি কার্যকলাপ চালাত কেরলে বসেই। তার উপর কেরলের সিপিএম সরকারের বিপদ বাড়িয়েছেন বাম সরকারের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী কে টি জলিল। তাঁর বিরুদ্ধে আবার বিদেশ থেকে অর্থ সাহায্য নেওয়া ও ধর্মীয় প্রচার-পুস্তিকা আনানোর অভিযোগ। এনআইএ-র জেরার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকেও।
বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভি মুরলীধরণ সরাসরি কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে আক্রমণ করেছেন। মুরলীধরণ বলেছেন, বিজয়নের আমলেই কেরল সন্ত্রাসবাদী ও দেশ-বিরোধী শক্তির নিরাপদ আশ্রয় হয়ে উঠেছে।
এসব থেকে স্পষ্ট, জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা। বালাকোটের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের কথা স্মরণ করে অনেকেই আশঙ্কা করছেন, বিধানসভা ভোট যত কাছে আসবে, এই ধরনের ঘটনা আরও ঘটবে। তাতে মূল সমস্যা থেকে নজর ঘুরে যাবে। জীবন-জীবিকা, অর্থনীতি, পেট্রল, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি, চাষির উপর কৃষিবিলের ভয়ঙ্কর প্রভাবের আলোচনা চাপা পড়ে যাবে। ঝোড়ো ইনিংস শুরু করে দেবে ধর্মীয় বিভাজন ও মেরুকরণের চর্চা। এসব করে হয়তো ভোটের বাজারে ফায়দা আসবে, কিন্তু জঙ্গির শিকড় উপড়ে ফেলা অসম্ভব। তার জন্য দরকার মানসিকতা।
সমস্যার সমাধান হয় সদিচ্ছা ও নিখুঁত পরিকল্পনায়। তার জোরে জটিল সমস্যাও হয়ে যায় জলবৎ তরলং। দৃষ্টান্ত আছে চোখের সামনেই। দার্জিলিং
আর জঙ্গলমহল।
26th  September, 2020
কৈলাসে ফিরতে
মন চাইবে না মা
হারাধন চৌধুরী

আমাদের পাশে থেকো মা। তোমাকে কথা দিচ্ছি, আগামীবার এসে দেখবে—আমাদের এই পৃথিবীর সমস্ত অসুখ সেরে গেছে। আমাদের কারও মধ্যে ছোঁয়াছুঁয়ির ভয় নেই, কোনওরকম ছুঁৎমার্গ নেই। বিশদ

মূকরাই সরব হবেন যথাসময়ে
পি চিদম্বরম

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যে পৃথিবী বিপুলভাবে সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠেছে সেখানে দরিদ্র বা গরিব রয়ে যাওয়াটা এক দুর্ভাগ্য। একটা দরিদ্র দেশে দরিদ্র থাকাটা গণতন্ত্রের ব্যর্থতা। আর একটা গরিব দেশের গরিব রাজ্যে দরিদ্র থেকে গেলে তাকে রাজনীতির অভিশাপ মানতে হবে।  বিশদ

28th  October, 2020
বিহারের ভোটে অনেক পাখি মারার ছক মোদির
সন্দীপন বিশ্বাস

২০১৫ সালে বিহার বিধানসভার নির্বাচনের খবর করতে গিয়ে দেখেছিলাম, বিজেপি সেখানে কী পরিমাণ টাকা ঢেলেছিল। সমস্তিপুর, বেগুসরাই, জামুই, ভাগলপুর, মুঙ্গের, খাগাড়িয়া, লক্ষ্মীসরাই ঘুরে দেখেছিলাম, পতাকা, ফেস্টুন, ফ্লেক্স দিয়ে বিজেপি শহর মুড়ে দিয়েছে। বিশদ

28th  October, 2020
উৎসব এবার চেতনার
মৃণালকান্তি দাস 

মন খারাপ। খুব মন খারাপ। সব আছে। অথচ কী যেন নেই! জীবনটা যেন এখন লুডোর গুটি। রোজ শুধু ওঠা-নামার খেলা। সবসময় মনে আতঙ্ক। যত না সংক্রমণে তার থেকে অনেক বেশি প্রিয়জনের থেকে দূরে চলে যাওয়ার। সেই নীলকণ্ঠ পাখিটা উড়ে গিয়েছে অজানা কোন অচিনপুরে। কিন্তু এই দুঃসময়েও মানুষ আগামীদিনের সুদিনের জন্য বুক বাঁধে। তাই তো এবারও মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পুজোর তোড়জোড়।   বিশদ

23rd  October, 2020
বেদ, পুরাণে বন্দিতা মহামায়া দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

 একদা দেবাসুর-সংগ্রামে ব্রহ্মশক্তির প্রেরণায় জয় হল দেবতাদের। একে বিজয় মহিমা মনে করে অগ্নি, বায়ু, বরুণ ও চন্দ্র এই চার দেবতা অহংকৃত ও গৌরবান্বিত হন। তাঁদের মুখমণ্ডলে কর্তৃত্বের পরিতৃপ্তি। বলদর্পে আচ্ছন্ন হয়ে সেই অমরবৃন্দ ভুলে গেলেন ব্রহ্মশক্তির কথা, যাঁর শক্তি ও অনুকম্পায় তাঁরা এতকাল শক্তিমান। বিশদ

22nd  October, 2020
বাৎসরিক আয়ু ক্রয়ের হাট
হারাধন চৌধুরী

 এবার পুজো হওয়াটা জরুরি। নিয়মরক্ষার হলেও। অন্যথায়, বাঙালি আরও বিষাদে ডুবে যাবে। উৎসব হলে মানুষের কেনাকাটা কিছুটা বাড়বে। যার ভিতরে অর্থনীতির জন্য সুখবর লুকিয়ে থাকে। বিশদ

22nd  October, 2020
পুজো হোক, লকডাউনে থাকুক উৎসব
সন্দীপন বিশ্বাস

এবার আমাদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আমাদের জয়ী হতেই হবে। তাই এবারের পুজো হোক অন্য পরিবেশে, অন্য মানসিকতায়। বাড়িতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটু আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং টিভিতেই হোক ঠাকুরদেখা। বিশদ

21st  October, 2020
প্রতিবাদে মাথা নোয়ায় পর্বতও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 নোট বাতিল কিংবা জিএসটির ক্ষেত্রে যে ডোন্ট কেয়ার দাপট মোদি সরকার দেখিয়েছিল, তা আপাতত উধাও। সব ইস্যুতেই এখন বিরোধীদের চরম বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যা তাদের ‘একচ্ছত্র’ ইমেজে বড়সড় একটা দাগ! বিশদ

20th  October, 2020
বৃদ্ধি ছাড়াই সংস্কার
পি চিদম্বরম

একটা ব্যাপারে সবাই একমত হতে পারি যে, নিজের মত, নীতি ও কাজের প্রচারে কোনও শাসক দল এবং সরকার—বিজেপি অথবা মোদি সরকারের মতো সফল হয়নি। এবং, এই উদ্দেশ্যে তারা যে-কোনও পরিমাণ টাকা খরচ করবে, যত দরকার কাউকে উৎপীড়ন করবে, যতটা প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে হুমকির মুখে রাখবে এবং যে-কোনও প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখবে। অতিশয়োক্তিটা ওদের কাছে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।   বিশদ

19th  October, 2020
অনেক হারানোর পুজো
হিমাংশু সিংহ

পুজোর ছুটির একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকে। উৎসবের অনেক আগে থেকেই সেই গন্ধে ম ম করে বাংলার গাঁ গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্র। সেই গন্ধের সঙ্গে আগমনি মিশে তৈরি হয় অদ্ভুত ঘোর লাগানো একটা অপেক্ষার। মা আসছেন। বাঙালির অনেক না পাওয়া ক্ষতবিক্ষত জীবনে এর চেয়ে পরম প্রাপ্তির আর কিছুই হতে পারে না। সেই অপেক্ষার সঙ্গেই মিশে যায় বিদেশে কাজ করা দত্ত বাড়ির ছেলে, দূরে বিয়ে হওয়া পাশের বাড়ির হেমন্তদার মেয়ের ঘরে ফেরার খুশি। 
বিশদ

18th  October, 2020
করোনা রোখার মন্ত্র ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’ 
তন্ময় মল্লিক

করোনা মোকাবিলায় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলার ও মাস্ককে জীবনসঙ্গী করার পরামর্শ হচ্ছে উপেক্ষিত। সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ। সকলের নজর সেই দিকেই। তাতে সাহসী হচ্ছে মানুষ। বাড়ছে বেপরোয়া ভাব। এগিয়ে আসছে বাংলার ভোট। প্রকট হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষমতা দখলের বাসনা। করোনার মধ্যেও ইস্যু পেলেই আন্দোলন। না থাকলে তৈরির চেষ্টা। অভিমুখ রাজ্যপাট। তাই কথায় কথায় মিছিল আর লড়াই।  
বিশদ

17th  October, 2020
অতিরিক্ত দিল্লি নির্ভরতাই বঙ্গ-বিজেপির সঙ্কট
সমৃদ্ধ দত্ত

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মতো ঝোড়ো আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেননি আর কেউই। সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু-স্রোত। এই সঙ্কটের মধ্যেই তাঁকে কাজ করতে হয়েছে। তাঁকে অভীধা দেওয়া হয় বাংলার রূপকার। কিন্তু ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ছিল, তিনি কৃষিকে অবহেলা করেছেন। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে তিনি যতটা উন্নতিসাধন করেছিলেন শিল্পে, সেই তুলনায় কৃষির উন্নয়ন কম হয়েছে।  
বিশদ

16th  October, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ভুয়ো ভাউচার ছাপিয়ে ময়নার শ্রীকণ্ঠা সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি থেকে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগ উঠল সমিতির ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। গত ১৭ অক্টোবর সমবায় সমিতির সম্পাদক সুবোধচন্দ্র মাইতি ম্যানেজার সোমনাথ দাসের বিরুদ্ধে ময়না থানায় এফআইআর করেছেন।   ...

ট্যুইটারে লাদাখকে চীনের অংশ হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এনিয়ে ভারতের যৌথ সংসদীয় কমিটির প্রশ্নের মুখে ট্যুইটার ইন্ডিয়া। তাদের তরফে বিষয়টি নিয়ে এই মাইক্রোব্লগিং সাইট কর্তৃপক্ষের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়। যার উত্তরে সংশ্লিষ্ট কমিটিকে ট্যুইটার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, এ ব্যাপারে তারা ভারতের ...

কাশ্মীর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহল, বিশেষ করে দুই মুসলিম দেশের কাছে বড় ধাক্কা খেল পাকিস্তান। জম্মু ও কাশ্মীরের উপর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মঙ্গলবার ইরানে কালা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইমরান খানের সরকার। এমনকী, সৌদি আরবের রিয়াধেও সেই ...

করোনা আবহেও লক্ষ্মীর আরাধনার বাজেটে খামতি পড়েনি। এমনকী বাইরে থেকে চাঁদা আদায়ও নয়। গ্রামবাসীরাই বছরভর মাটির ভাঁড়ে যে টাকা জমিয়েছেন, তাতেই হচ্ছে পুজোর আয়োজন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব আছে। কর্মরতদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস
১৯৬৯: ইন্টারনেটের আগের স্তর আরপানেটের আবিষ্কার
১৯৭১: অস্ট্রেলিয় ক্রিকেটার ম্যাথু হেডের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রীমা সেনের জন্ম
১৯৮৫: বক্সার বিজেন্দর সিংয়ের জন্ম
১৯৮৮: সমাজ সংস্কারক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৯: ওড়িশায় ঘূর্ণিঝড়ে কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু
২০০৫: দিল্লিতে পরপর তিনটি বিস্ফোরণে অন্তত ৬২জনের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৪৭ টাকা ৯৭.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৫.২৮ টাকা ৮৮.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫১,৮১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৯,৮৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী ২৩/৫২ দিবা ৩/১৬। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র ১৫/৪১ দিবা ১২/০। সূর্যোদয় ৫/৪৩/১৬, সূর্যাস্ত ৪/৫৭/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৩ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১০ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।
১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী দিবা ৩/২১। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র দিবা ১/১২। সূর্যোদয় ৫/৪৪, সূর্যাস্ত ৪/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৮ মধ্যে ও ১/১১ গতে ২/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ৩/১৪ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৫/৪৫ মধ্যে। কালবেলা ২/১০ গতে ৪/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৭ মধ্যে।
১১ রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বাগনানে বনধ, রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের 
বনধ ঘিরে বাগনানে অশান্তি। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে,ব্যারিকেড ফেলে বিক্ষোভ দেখান ...বিশদ

12:49:00 PM

পুরুলিয়ায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যু, চাঞ্চল্য 
বুধবার রাতে পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যুতে ...বিশদ

12:47:00 PM

পুরুলিয়ায় যুবককে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ 
এক যুবককে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে পুরুলিয়ার কোটশিলা থানার পুলিস শিবরাম ...বিশদ

12:42:42 PM

প্রয়াত ঝাড়গ্রামের বিধায়ক সুকুমার হাঁসদা
 

কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হল ডেপুটি স্পিকার তথা ঝাড়গ্রামের ...বিশদ

12:39:00 PM

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে গুলির চেষ্টা 
পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে গুলির চেষ্টা। ঘটনাটি ঘটেছে তপসিয়া এলাকার কোহিনুর ...বিশদ

12:02:31 PM

নন্দীগ্রামে বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার গাড়ির নীচ থেকে উদ্ধার বোমা
নন্দীগ্রামের কেন্দেমারি-জালপাই গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মানসুরা বেগমের স্বামী তথা বহিষ্কৃত ...বিশদ

11:55:04 AM