Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস। তিনি বলেছিলেন, বিধবাবিবাহ তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কর্ম। তারজন্য তিনি যে দৃঢ় চিত্ততা ও সমস্ত প্রতিকূলতাকে জয় করার অদম্য মানসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন তা ইতিহাস। কেন তিনি তা করেছিলেন তা বোঝার জন্য ওই সময়ের সমাজটা জানা দরকার। শরৎচন্দ্রের ‘পণ্ডিতমশায়’ উপন্যাসের প্রথম পংক্তিতে তার একটি সকরুণ চিত্র পাওয়া যায়। “কুঞ্জ বোস্টমের ছোট বোন কুসুমের বাল্য-ইতিহাসটা এতই বিশ্রী যে, এখন সে-সব কথা স্মরণ করিলেও, সে লজ্জায় মাটির সহিত মিশিয়া যাইতে থাকে। যখন সে দুবছরের শিশু তখন বাপ মরে, মা ভিক্ষা করিয়া ছেলে ও মেয়েটিকে প্রতিপালন করে। যখন পাঁচ বছরের, তখন মেয়েটিকে সুশ্রী দেখিয়া, বাড়ল গ্রামের অবস্থাপন্ন গৌরদাস অধিকারী তাহার পুত্র বৃন্দাবনের সহিত বিবাহ দেয়। কিন্তু বিবাহের অনতিকাল পরেই কুসুমের বিধবা মায়ের দুর্নাম উঠে, তাহাতে গৌরদাস কুসুমকে পরিত্যাগ করিয়া ছেলের পুনর্বার বিবাহ দেয়। তারপর কুসুমের মা তাকে আসল এক বৈরাগীর সংগে কণ্ঠীবদল করে, ছয় মাসের মধ্যে সেই বৈরাগী নিত্যধামে গমন করেন। ... এত কাণ্ড কুসুমের সাত বৎসর বয়সেই শেষ হইয়া যায়”। কুসুমের পরবর্তী জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত নিয়েই উপন্যাসটি।
বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহের কারণে শৈশব অবস্থা থেকেই এদেশের মেয়েরা কী দুঃসহ জীবনের সম্মুখীন হতো তা এই বিবরণ থেকে পাওয়া যায়। বিদ্যাসাগরও তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বাল্যবিবাহ-বহুবিবাহ-কৌলিন্য প্রথা বজায় রাখার কারণে উদ্ভূত নারী জীবনের অনেক হৃদয়বিদারক কাহিনী বিবৃত করেছেন। যখন শিশু-কন্যাদের বাবা-মায়ের স্নেহে বাড়িতে প্রতিপালিত হওয়ার কথা, নারীত্ব-প্রেম-যৌনতা এসব কোন অনুভূতি সৃষ্টি হওয়ার কথা নয় তখনই তারা বাল্যবিবাহের শিকার হতো। কৌলিন্য প্রথার দৌলতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বর হতো বার্ধ্যক্যের দরজায় দাঁড়ানো পুরুষ, যার অবশ্যম্ভাবী ফল হতো শিশু-বধূটির অকাল বৈধব্য। সাদা থান পরিহিত বিধবা-বেশী, উৎসব-অনুষ্ঠানে যোগ দানের অধিকার বিবর্জিত, শ্বশুরালয় বা পিত্রালয়ের নানা গঞ্জনার শিকারে পরিণত হওয়া নারীর সংখ্যা ছিল সমাজে প্রচুর। একাদশী-পূর্ণিমাতে সারাদিন নির্জলা উপবাস করে কত বাল-বিধবার যে প্রাণ যেত! এই বালবিধবারা যখন যৌবনপ্রাপ্ত হতেন তখন কখনও স্বাভাবিক চাহিদা, অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিকট আত্মীয় পরিজন পুরুষের লালসার শিকার হয়ে গর্ভবতী হয়ে পড়তেন। তারপর পারিবারিক সম্মান রক্ষা কিংবা সমাজচ্যুত হওয়ার ভয়ে গোপনে ভ্রূণহত্যার চেষ্টা হতো। তাতে অনেক প্রসূতি মায়ের জীবন সংশয় হতো অথবা সূতিকাগারে সদ্যজাত সন্তানকে হত্যা করা হতো। দুঃসহ এই সামাজিক পরিস্থিতি বিদ্যাসাগরের মনকে অস্থির করে তুলেছিল। এর থেকে নারী সমাজের মুক্তিদানের আকাঙ্ক্ষায় তিনি ছটফট করতেন।
অন্যদিকে প্রণয়-ভালোবাসা ছাড়া যে বিবাহ সুখের
হয় না, অত্যন্ত কৈশোরে তা যে অসম্ভব,
সে সম্পর্কে তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য ছিল।
তিনি লিখেছেন, “অস্মদেশে দাম্পত্যনিবন্ধন অকপট প্রায় দৃষ্টই হয় না, কেবল প্রনয়ী ভর্তাস্বরূপ এবং প্রনয়িনী গৃহপরিচারিকা স্বরূপ হইয়া সংসারযাত্রা নির্বাহ করে”। অত্যন্ত আধুনিক মানসিকতার এটা পরিচায়ক, যা ইউরোপীয় রেনেসাঁর উত্তরাধিকারে তাঁর পাওয়া। তিনি ছিলেন মাইকেল মদুসূদনের ভাষায় ‘‘এদেশে প্রথম আধুনিক মানুষ’’; সুকুমার সেনের কথায়, “তাঁর মতন ‘আধুনিক মানুষ’ আজ পর্যন্ত আমাদের দেশে জন্মায়নি”।
আরও একটি বিষয় তাঁকে পীড়া দিত। বিবাহই যদি কৈশোরে মেয়েদের ভবিতব্য হয় তাহলে স্কুলে আসবে কে? সমাজ প্রগতির জন্য তখন নারী শিক্ষার প্রয়োজন তিনি গভীরভাবে অনুভব করতেন। কী অক্লান্ত পরিশ্রম করে তিনি চারটি জেলায় ৩৫টি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেছিলেন এবং ব্রিটিশরা প্রথমে প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরে পিছিয়ে এলেও কীভাবে সেগুলি চালিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন তা ইতিহাস।
এই সমস্ত কারণে বিধবাবিবাহের প্রচলন এবং বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ রোধ তিনি জীবনের প্রধান কর্ম হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন। কিন্তু তথাকথিত শাস্ত্রকার নিয়ন্ত্রিত ধর্মীয় কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজে তা যে কত দুরূহ সে সম্পর্কে তাঁর সম্যক ধারণা ছিল। তিনি বুঝেছিলেন শাস্ত্রের বিধানে বিধবাবিবাহ যে সিদ্ধ তা যদি প্রমাণ না করতে পারেন তাহলে সমাজপতিদের দুর্লঙ্ঘ বাধা তিনি অতিক্রম করতে পারবেন না।
তিনি শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিত ছিলেন, জ্ঞান চর্চা করতেন সৃষ্টিশীল মানসিকতা থেকে, পাণ্ডিত্য জাহির করার উদ্দেশ্যে নয়। উদ্দেশ্যমুখীনতা থেকে মনুসংহিতা, গৌতমসংহিতা, শঙ্করসংহিতা ও পরাশরসংহিতা তন্নিষ্ঠভাবে অনুসন্ধান করে তিনি দেখলেন পরাশরসংহিতা‍ বিধবাবিবাহ অনুমোদন করে। শোভাবাজার রাজবাড়ি তখন ছিল সমাজপতিদের প্রায় হেডকোয়ার্টার। সেখানেই প্রথম সারির শাস্ত্র বিশারদদের সঙ্গে বৈঠক হয়। শাস্ত্র আলোচনায় তাঁরা পরাস্ত হন। তাঁর সামনে থেকে বাধার পাহাড় অপসারিত হয়। কিন্তু পণ্ডিতবর্গ লোকাচারের দোহাই দিয়ে বিধবা বিবাহ প্রবর্তনের বিরোধিতা করেন। তখন বিদ্যাসাগর তাঁদের মানবিক হতে আবেদন করেছিলেন।
ধর্ম-বিশ্বাসী না হয়েও কেন তিনি ধর্মশাস্ত্রের আশ্রয় নিয়েছিলেন তা না বুঝে কেউ কেউ তাঁকে সমালোচনা করেন। তাঁর নিজের কথায়, “যদি যুক্তিমাত্র অবলম্বন করিয়া ইহাকে কর্তব্যকর্ম বলিয়া প্রতিপন্ন কর, তাহা হইলে এতদ্দেশীয় লোকে কখনই ইহা কর্তব্যকর্ম বলিয়া স্বীকার করিবেন না। যদি শাস্ত্রে কর্তব্যকর্ম বলিয়া প্রতিপন্ন করা থাকে, তবেই তাহারা কর্তব্যকর্ম বলিয়া স্বীকার করিতে এবং তদনুসারে চলিতে পারেন”।
বিধবাবিবাহ কেন আইনসিদ্ধ হওয়া উচিত সে সম্পর্কে তিনি দুইটি বই লেখেন। সমাজে প্রবল আলোড়ন সৃষ্টি হয়। গোঁড়া হিন্দুদের কাছ থেকে বাধা আসে প্রচুর। এমনকী বঙ্কিমচন্দ্রের মত সাহিত্যিকও কলম ধরেন। তাঁর ‘বিষবৃক্ষ’ উপন্যাসের সূর্যমুখী একখানা চিঠিতে লিখেছে, “ঈশ্বর বিদ্যাসাগর নামে কলিকাতায় কে না কি বড় পণ্ডিত আছেন, তিনি আবার একখানি বিধবাবিবাহের বহি বাহির করিয়াছেন। যে বিধবার বিবাহের ব্যবস্থা দেয়, সে যদি পণ্ডিত, তবে মুর্খ কে”? বহুবিবাহ কেন বন্ধ হওয়া উচিত সে সম্পর্কে লেখা বিদ্যাসাগরের পুস্তক নিয়েও বঙ্কিমচন্দ্র ব্যঙ্গ করেছিলেন। সমাজপতিদের ষড়যন্ত্রে বিদ্যাসাগরের প্রাণনাশেরও চেষ্টা হয়। যাই হোক, প্রবল সামাজিক আন্দোলনের চাপে বিধবাবিবাহের আইন গৃহীত হয়।
আইন তো হল, কিন্তু এমন বিবাহ করবে কে? বর, কনে কোথায় পাওয়া যাবে? এখানেও বিদ্যাসাগরের অক্লান্ত পরিশ্রম। অবশেষে এসেছিল সেইদিন-- ১৮৫৬ সালের ৭ ডিসেম্বর, শ্রীশচন্দ্র ও কালীমতীর বিয়ে। প্রথম বিধবাবিবাহ। আনন্দের বন্যা বয়ে গিয়েছিল বিদ্যাসাগরের হৃদয়ে। তার বর্ণনা পাওয়া যায় সে সময়ের সংবাদপত্রের পাতায়। কিন্তু যে বন্ধুরা তাঁকে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেলেন তাঁদের অনেকে সমাজচ্যুত হওয়ার ভয়ে পিছিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁকেও একঘরে করা হয়েছিল। কোনও কিছুতেই তিনি পিছিয়ে আসেননি। এমনকী তাঁর বন্ধু রামমোহন পুত্র রমাপ্রসাদ রায় প্রথম বিধবাবিবাহের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পিছিয়ে এসেছিলেন। এই ভীরুতায় দুঃখ পেয়ে দেওয়ালে রামমোহনের ছবির দিকে ইঙ্গিত করে রমাপ্রসাদকে বলেছিলেন, ‘ওটা ফেলে দাও’।
এরপর তাঁর জীবদ্দশায় বহু বিধবাবিবাহের ব্যবস্থা তিনি করেছিলেন। কিন্তু কথা উঠছিল, ‘পরের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে বিদ্যাসাগর নাম কিনছেন। নিজের ছেলের বিয়ে দিচ্ছেন না’। অবশেষে একমাত্র পুত্র নারায়ণচন্দ্র বিধবাবিবাহ করেন। আত্মীয়-স্বজনের প্রবল আপত্তি, এমনকী ভাই শম্ভুচন্দ্র প্রথমদিকে সম্মতি দিলেও পরে সাবধানতার নামে বাধা দেন। কিন্তু কোনও বাধাই নারায়ণচন্দ্রের পিতাকে নিরস্ত করতে পারেনি।
এই হচ্ছে বিদ্যাসাগর। আদর্শের প্রতি অনড়, সংকল্পে অটল, আপসহীন এক রেনেসাঁ ব্যক্তিত্ব। তাঁর প্রতি রবীন্দ্রনাথের শ্রদ্ধার্ঘ্যটি ছিল অত্যন্ত যথার্থ – “দয়া নহে, বিদ্যা নহে, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের চরিত্রের প্রধান গৌরব তাঁহার অজেয় পৌরুষ, তাঁহার অক্ষয় মনুষ্যত্ব”।
 লেখক যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। মতামত ব্যক্তিগত
26th  September, 2020
কৈলাসে ফিরতে
মন চাইবে না মা
হারাধন চৌধুরী

আমাদের পাশে থেকো মা। তোমাকে কথা দিচ্ছি, আগামীবার এসে দেখবে—আমাদের এই পৃথিবীর সমস্ত অসুখ সেরে গেছে। আমাদের কারও মধ্যে ছোঁয়াছুঁয়ির ভয় নেই, কোনওরকম ছুঁৎমার্গ নেই। বিশদ

মূকরাই সরব হবেন যথাসময়ে
পি চিদম্বরম

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যে পৃথিবী বিপুলভাবে সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠেছে সেখানে দরিদ্র বা গরিব রয়ে যাওয়াটা এক দুর্ভাগ্য। একটা দরিদ্র দেশে দরিদ্র থাকাটা গণতন্ত্রের ব্যর্থতা। আর একটা গরিব দেশের গরিব রাজ্যে দরিদ্র থেকে গেলে তাকে রাজনীতির অভিশাপ মানতে হবে।  বিশদ

28th  October, 2020
বিহারের ভোটে অনেক পাখি মারার ছক মোদির
সন্দীপন বিশ্বাস

২০১৫ সালে বিহার বিধানসভার নির্বাচনের খবর করতে গিয়ে দেখেছিলাম, বিজেপি সেখানে কী পরিমাণ টাকা ঢেলেছিল। সমস্তিপুর, বেগুসরাই, জামুই, ভাগলপুর, মুঙ্গের, খাগাড়িয়া, লক্ষ্মীসরাই ঘুরে দেখেছিলাম, পতাকা, ফেস্টুন, ফ্লেক্স দিয়ে বিজেপি শহর মুড়ে দিয়েছে। বিশদ

28th  October, 2020
উৎসব এবার চেতনার
মৃণালকান্তি দাস 

মন খারাপ। খুব মন খারাপ। সব আছে। অথচ কী যেন নেই! জীবনটা যেন এখন লুডোর গুটি। রোজ শুধু ওঠা-নামার খেলা। সবসময় মনে আতঙ্ক। যত না সংক্রমণে তার থেকে অনেক বেশি প্রিয়জনের থেকে দূরে চলে যাওয়ার। সেই নীলকণ্ঠ পাখিটা উড়ে গিয়েছে অজানা কোন অচিনপুরে। কিন্তু এই দুঃসময়েও মানুষ আগামীদিনের সুদিনের জন্য বুক বাঁধে। তাই তো এবারও মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পুজোর তোড়জোড়।   বিশদ

23rd  October, 2020
বেদ, পুরাণে বন্দিতা মহামায়া দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

 একদা দেবাসুর-সংগ্রামে ব্রহ্মশক্তির প্রেরণায় জয় হল দেবতাদের। একে বিজয় মহিমা মনে করে অগ্নি, বায়ু, বরুণ ও চন্দ্র এই চার দেবতা অহংকৃত ও গৌরবান্বিত হন। তাঁদের মুখমণ্ডলে কর্তৃত্বের পরিতৃপ্তি। বলদর্পে আচ্ছন্ন হয়ে সেই অমরবৃন্দ ভুলে গেলেন ব্রহ্মশক্তির কথা, যাঁর শক্তি ও অনুকম্পায় তাঁরা এতকাল শক্তিমান। বিশদ

22nd  October, 2020
বাৎসরিক আয়ু ক্রয়ের হাট
হারাধন চৌধুরী

 এবার পুজো হওয়াটা জরুরি। নিয়মরক্ষার হলেও। অন্যথায়, বাঙালি আরও বিষাদে ডুবে যাবে। উৎসব হলে মানুষের কেনাকাটা কিছুটা বাড়বে। যার ভিতরে অর্থনীতির জন্য সুখবর লুকিয়ে থাকে। বিশদ

22nd  October, 2020
পুজো হোক, লকডাউনে থাকুক উৎসব
সন্দীপন বিশ্বাস

এবার আমাদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আমাদের জয়ী হতেই হবে। তাই এবারের পুজো হোক অন্য পরিবেশে, অন্য মানসিকতায়। বাড়িতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটু আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং টিভিতেই হোক ঠাকুরদেখা। বিশদ

21st  October, 2020
প্রতিবাদে মাথা নোয়ায় পর্বতও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 নোট বাতিল কিংবা জিএসটির ক্ষেত্রে যে ডোন্ট কেয়ার দাপট মোদি সরকার দেখিয়েছিল, তা আপাতত উধাও। সব ইস্যুতেই এখন বিরোধীদের চরম বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যা তাদের ‘একচ্ছত্র’ ইমেজে বড়সড় একটা দাগ! বিশদ

20th  October, 2020
বৃদ্ধি ছাড়াই সংস্কার
পি চিদম্বরম

একটা ব্যাপারে সবাই একমত হতে পারি যে, নিজের মত, নীতি ও কাজের প্রচারে কোনও শাসক দল এবং সরকার—বিজেপি অথবা মোদি সরকারের মতো সফল হয়নি। এবং, এই উদ্দেশ্যে তারা যে-কোনও পরিমাণ টাকা খরচ করবে, যত দরকার কাউকে উৎপীড়ন করবে, যতটা প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে হুমকির মুখে রাখবে এবং যে-কোনও প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখবে। অতিশয়োক্তিটা ওদের কাছে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।   বিশদ

19th  October, 2020
অনেক হারানোর পুজো
হিমাংশু সিংহ

পুজোর ছুটির একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকে। উৎসবের অনেক আগে থেকেই সেই গন্ধে ম ম করে বাংলার গাঁ গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্র। সেই গন্ধের সঙ্গে আগমনি মিশে তৈরি হয় অদ্ভুত ঘোর লাগানো একটা অপেক্ষার। মা আসছেন। বাঙালির অনেক না পাওয়া ক্ষতবিক্ষত জীবনে এর চেয়ে পরম প্রাপ্তির আর কিছুই হতে পারে না। সেই অপেক্ষার সঙ্গেই মিশে যায় বিদেশে কাজ করা দত্ত বাড়ির ছেলে, দূরে বিয়ে হওয়া পাশের বাড়ির হেমন্তদার মেয়ের ঘরে ফেরার খুশি। 
বিশদ

18th  October, 2020
করোনা রোখার মন্ত্র ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’ 
তন্ময় মল্লিক

করোনা মোকাবিলায় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলার ও মাস্ককে জীবনসঙ্গী করার পরামর্শ হচ্ছে উপেক্ষিত। সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ। সকলের নজর সেই দিকেই। তাতে সাহসী হচ্ছে মানুষ। বাড়ছে বেপরোয়া ভাব। এগিয়ে আসছে বাংলার ভোট। প্রকট হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষমতা দখলের বাসনা। করোনার মধ্যেও ইস্যু পেলেই আন্দোলন। না থাকলে তৈরির চেষ্টা। অভিমুখ রাজ্যপাট। তাই কথায় কথায় মিছিল আর লড়াই।  
বিশদ

17th  October, 2020
অতিরিক্ত দিল্লি নির্ভরতাই বঙ্গ-বিজেপির সঙ্কট
সমৃদ্ধ দত্ত

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মতো ঝোড়ো আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেননি আর কেউই। সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু-স্রোত। এই সঙ্কটের মধ্যেই তাঁকে কাজ করতে হয়েছে। তাঁকে অভীধা দেওয়া হয় বাংলার রূপকার। কিন্তু ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ছিল, তিনি কৃষিকে অবহেলা করেছেন। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে তিনি যতটা উন্নতিসাধন করেছিলেন শিল্পে, সেই তুলনায় কৃষির উন্নয়ন কম হয়েছে।  
বিশদ

16th  October, 2020
একনজরে
ট্যুইটারে লাদাখকে চীনের অংশ হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এনিয়ে ভারতের যৌথ সংসদীয় কমিটির প্রশ্নের মুখে ট্যুইটার ইন্ডিয়া। তাদের তরফে বিষয়টি নিয়ে এই মাইক্রোব্লগিং সাইট কর্তৃপক্ষের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়। যার উত্তরে সংশ্লিষ্ট কমিটিকে ট্যুইটার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, এ ব্যাপারে তারা ভারতের ...

‘দরওয়াজা বন্ধ’ করেই অনুশীলন করাতে পছন্দ করেন এটিকে মোহন বাগানের হেডস্যার আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। গতবার সল্টলেক স্টেডিয়ামের সংলগ্ন প্র্যাকটিস মাঠে এরকমই চিত্র দেখা গিয়েছিল। এবার গোয়াতে আইএসএলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রণয়-প্রবীররা। ...

বংশপরম্পরায় আজও মহানায়ক উত্তমকুমারের বাড়ির লক্ষ্মী প্রতিমা তৈরি করে চলেছেন কুমোরটুলির একটি নির্দিষ্ট শিল্পী পরিবার। পটুয়াপাড়ার ৪০/১, বনমালি সরকার স্ট্রিটে মৃৎশিল্পী জয়ন্ত পালের ঘরে জোরকদমে ...

সংবাদদাতা, পতিরাম: ১৯৩৩ সালের ২৮ অক্টোবর। অবিভক্ত ভারতের হিলি স্টেশনে দার্জিলিং মেলে লুটপাট চালিয়েছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামীরা। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের কাজে লেগেছিল সেই ‘লুটের টাকা’।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব আছে। কর্মরতদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস
১৯৬৯: ইন্টারনেটের আগের স্তর আরপানেটের আবিষ্কার
১৯৭১: অস্ট্রেলিয় ক্রিকেটার ম্যাথু হেডের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রীমা সেনের জন্ম
১৯৮৫: বক্সার বিজেন্দর সিংয়ের জন্ম
১৯৮৮: সমাজ সংস্কারক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৯: ওড়িশায় ঘূর্ণিঝড়ে কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু
২০০৫: দিল্লিতে পরপর তিনটি বিস্ফোরণে অন্তত ৬২জনের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৪৭ টাকা ৯৭.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৫.২৮ টাকা ৮৮.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫১,৮১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৯,৮৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী ২৩/৫২ দিবা ৩/১৬। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র ১৫/৪১ দিবা ১২/০। সূর্যোদয় ৫/৪৩/১৬, সূর্যাস্ত ৪/৫৭/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৩ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১০ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।
১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী দিবা ৩/২১। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র দিবা ১/১২। সূর্যোদয় ৫/৪৪, সূর্যাস্ত ৪/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৮ মধ্যে ও ১/১১ গতে ২/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ৩/১৪ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৫/৪৫ মধ্যে। কালবেলা ২/১০ গতে ৪/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৭ মধ্যে।
১১ রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বাগনানে বনধ, রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের 
বনধ ঘিরে বাগনানে অশান্তি। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে,ব্যারিকেড ফেলে বিক্ষোভ দেখান ...বিশদ

12:49:00 PM

পুরুলিয়ায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যু, চাঞ্চল্য 
বুধবার রাতে পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যুতে ...বিশদ

12:47:00 PM

পুরুলিয়ায় যুবককে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ 
এক যুবককে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে পুরুলিয়ার কোটশিলা থানার পুলিস শিবরাম ...বিশদ

12:42:42 PM

প্রয়াত বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার সুকুমার হাঁসদা
কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হল ডেপুটি স্পিকার তথা ঝাড়গ্রামের ...বিশদ

12:39:00 PM

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে গুলির চেষ্টা 
পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে গুলির চেষ্টা। ঘটনাটি ঘটেছে তপসিয়া এলাকার কোহিনুর ...বিশদ

12:02:31 PM

নন্দীগ্রামে বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার গাড়ির নীচ থেকে উদ্ধার বোমা
নন্দীগ্রামের কেন্দেমারি-জালপাই গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মানসুরা বেগমের স্বামী তথা বহিষ্কৃত ...বিশদ

11:55:04 AM