Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি। ভ্যাকসিনের ভালোমন্দ বোঝার আগেই আমেরিকা তাই সাত হাজার তিনশো চুয়াল্লিশ কোটি পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়ে ভ্যাকসিনটির আগাম বায়না সেরে রেখেছে। অগ্রিম বায়নায় জাপান, ইউরোপ, ইংল্যান্ডও একই পথের পথিক। সিরাম ইন্ডিয়ার সৌজন্যে ভারতেও ২২৫ টাকায় মিলবে ভ্যাকসিনটি। গরিব মানুষকে সরকার ভ্যাকসিনটি দেবে ৬০ টাকায়। তর সইছে না কারওরই। ফেজ-থ্রি ট্রায়ালের ওপরই ভ্যাকসিনটির ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভরশীল। ভ্যাকসিনটি কতটা ফলপ্রদ—তাও বোঝা যাবে ফেজ-থ্রি ট্রায়াল সসম্মানে উতরনোর পর। দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল ও ইংল্যান্ডে ভ্যাকসিনটির ট্রায়াল চলছে। ভারত ও আমেরিকাতেও ট্রায়াল শুরু হওয়ার মুখে। সেই মাহেন্দ্রক্ষণে এক স্বেচ্ছাসেবকের অসুস্থতায় সারা বিশ্ব মায় ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারীরাও প্রমাদ গুনছেন। আগেও এক স্বেচ্ছাসেবকের অসুস্থতায় সাময়িক বিরতি দিতে হয়েছিল অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনটির ট্রায়ালে। ভ্যাকসিনজনিত কারণেই অসুস্থতা হয়ে থাকলে শুধু ‘কোভিশিল্ড’ নয়, অন্যান্য ভ্যাকসিনের কপালেও দুর্যোগের ঘনঘটা অবশ্যম্ভাবী।
বিশ্বে সব থেকে কম সময়ে, ভূমিষ্ঠ হয়েছিল মাম্পসের ভ্যাকসিন। ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ থেকে ফেজ-থ্রি ট্রায়ালের গাঁট পেরিয়ে এফডিএ-র অনুমোদন পেয়ে, ১৯৬৭ সালে, মাত্র চার বছরে ভ্যাকসিনটি দিনের আলো দেখেছিল। কোভিড মাত্র আট মাসের ফোকলা শিশু। তাড়াহুড়ো করে নামকা ওয়াস্তে ট্রায়ালের পর ভ্যাকসিন বাজারে এনে মানুষকে গিনিপিগ বানিয়ে তা নির্বিচারে দেওয়া শুরু হলে কোনও অভাবিত বিপদের সম্মুখীন মানবসভ্যতাকে হতে হবে না তো? ভয়াবহতায় যা কোভিডকেও হার মানাবে! এ প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। কারণ, ১৯৭৬ সালের ফেব্রুয়ারি, নিউ জার্সির ‘ফোর্ট ডিক্সে’একটি সেনা ছাউনিতে শ’-খানেক সৈন্য ‘এইচ-ওয়ান এন-ওয়ান’ বা ‘সোয়াইন ফ্লু’তে বেমক্কা সংক্রামিত হলেন। ১৯১৮-র সোয়াইন ফ্লু মহামারীর স্মৃতি তখনও ঝাপসা হয়নি। পাঁচ কোটি লোক মারা গিয়েছিল ১৯১৮-র সোয়াইন ফ্লুতে। কিন্তু ১৯১৮-র সোয়াইন ফ্লুর দাপটের সিকিভাগও ১৯৭৬-তে অবশিষ্ট ছিল না। অবশিষ্ট ছিল ১৯ মাস আগে ছেড়ে যাওয়া রিচার্ড নিক্সনের গদির প্রলোভন। নির্বাচনে জিতলেই হোয়াইট হাউসের চার বছরের রাজ্যপাট নিশ্চিত ছিল জেরাল্ড ফোর্ডের।
ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের অবাধ মিউটেশনের চরিত্রহীনতার বহর দেখে তখন ‘হু’ বছরে দু’বার ভ্যাকসিন তৈরির ফরমায়েশ করত। দরদি প্রেসিডেন্ট, জেরাল্ড ফোর্ডের জনগণের দুর্দশায় চোখের জলের বাঁধ মানল না। ‘হু’-কে বাধ্য করে তড়িঘড়ি ভ্যাকসিনের বরাত দেওয়া হল। মিলল না নিয়মমাফিক ট্রায়ালের ফুরসত। সমাজের কেষ্টবিষ্টু থেকে সাধারণ মানুষ লাইন লাগিয়ে ভ্যাকসিন নিতে শুরু করলেন। একটি মানুষের প্রাণও যাতে না যায় তার জন্য রাতারাতি মার্কিন কংগ্রেস ১৩.৫ কোটি ডলার বরাদ্দ করল। শুরু হল গণটিকাকরণ। ওভাল অফিসে আস্তিন গুটিয়ে ক্যামেরার অজস্র ফ্ল্যাশবাল্বের ঝলকানির মধ্যে জেরাল্ড ফোর্ডও বসে পড়লেন টিকা নিতে। ভ্যাকসিন পর্ব সমাধা হতে না-হতেই ৪৫০ জন ভ্যাকসিন-গ্রহীতা ‘গ্যুলেন-বেরি সিনড্রোমে’ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়লেন। মারা পড়লেন তিরিশেরও বেশি মানুষ। টিকা নেওয়ার বহু বছর পরেও অসংখ্য মানুষ কালাত্মক ‘গ্যুলেন-বেরি সিনড্রোমে’ আক্রান্ত হয়ে চিরকালের জন্য পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। জনগণের জন্য দরদের পরাকাষ্ঠা, না কি রাজনীতির চাল, না কি চটজলদি জনপ্রিয়তার অমোঘ হাতছানি—কোন অছিলায় অবৈজ্ঞানিক ব্যর্থ টিকার হোমানলে আত্মাহুতি দিতে বাধ্য করা হল অসংখ্য অসহায় মানুষকে? সে-যাত্রায় সোয়াইন ফ্লু-র ভ্যাকসিনে আমেরিকার দোসর হয়নি কোনও দেশই। ফলে, বরাতজোরে তারা বেঁচে গিয়েছিল। ফোর্ট ডিক্সেও একটি ব্যতীত মৃত্যু হয়নি আর কোনও সৈনিকের। ট্রাম্পের সঙ্গে বা মোদিজির সঙ্গে কিঞ্চিৎ মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে কি জেরাল্ড ফোর্ডের? নভেম্বরে আমেরিকার নির্বাচন, আগামী বছরে পশ্চিমবঙ্গে ভোট। নির্বাচনে ভরাডুবির হাত থেকে পরিত্রাণ পেতে তুরুপের তাস হতেই পারে ভ্যাকসিন! দু’-দশ কোটি লোকের ফাঁকতালে মহাপ্রয়াণেই-বা তাতে কী ক্ষতি?
কোভিডের নেই কোনও ওষুধ, ভাবিজি পাঁপড় বা ‘সংশামনি বটিকা’ বা গোমূত্র ছাড়া নেই কোনও চিকিৎসা পদ্ধতি। সাধারণ মানুষের কাছে উত্তাল করোনা-সমুদ্রে ভাসার খড়কুটো ভ্যাকসিনের দুরাশা। গুটিবসন্ত, প্লেগ, হাম, পোলিও বাগ মেনেছে ভ্যাকসিনে। সবগুলিই করোনার তুলনায় বহুগুণ ভয়াবহ। ‘নিউট্রালিজিং অ্যান্টিবডি’ বা ‘নিউট’ মারফত ভ্যাকসিন ইমিউনিটি জোগায়। ‘ল্যানসেটে’র সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে স্পষ্ট কোভিডের ক্ষেত্রে যে ক’টি ভ্যাকসিন ফেজ-থ্রি ট্রায়ালে কিঞ্চিৎ আশার আলো জ্বালিয়েছে তারা কেউই ৩০ শতাংশের বেশি ‘নিউট’ তৈরি করতে পারছে না। ৩০ শতাংশ নিউটে কাজের কাজ অর্থাৎ ‘হার্ড ইমিউনিটির’ পরিবর্তে হতেই পারে ‘ভ্যাকসিন এনহান্সমেন্ট’ বা ‘অ্যান্টিবডিডিপেনডেন্ট এনহান্সমেন্ট’। ফিলিপিন্সে ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ পর্যন্ত ডেঙ্গুর ভ্যাকসিন ‘ডেঙ্গভ্যাক্সিয়ার’ ভ্যাকসিন এনহান্সমেন্টে ৬০০ নিষ্পাপ শিশু-সহ হাজার জনেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্কের মৃত্যু হয়েছে। ডেঙ্গু থেকে বাঁচাতে জাতীয় স্তরে পরিকল্পনামাফিক শিশুদের টিকাকরণ শুরু হয়েছিল ফিলিপিন্সে। ভ্যাকসিন দেওয়ার পর এমন তেড়েফুঁড়ে ডেঙ্গু ফিরে এল যে কোনও চিকিৎসাতেই মারণ ডেঙ্গু আটকানো গেল না। কোভিডের ক্ষেত্রেও এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি যে ঘটবে না তা হলফ করে বলা মুশকিল।
গুটিবসন্ত, প্লেগ, হাম, পোলিও, টিবি, এডস, কোভিডের সঙ্গে লড়ার ক্ষেত্রে শরীরের স্বাভাবিক সহজাত ‘ইনেট ইমিউনিটি’র সঙ্গে প্রয়োজন ‘অ্যাডাপ্টিভ ইমিউনিটি’র জোশ। ভ্যাকসিন সচরাচর ‘টি সেল’ মারফত বাইরে থেকে ঠেকান দেয় সেই ‘অ্যাডাপ্টিভ ইমিউনিটি’কে। ভ্যাকসিন ‘টি সেল’ মারফত যে ধরনের সুরক্ষা প্রদানে অভ্যস্ত কোভিডের ক্ষেত্রে তা একেবারেই অনুপস্থিত। থোরাসিক লিম্ফ নোড বা প্লীহার, জার্মিনাল সেন্টার, ‘টিএনএফ-আলফা’র দু’কুল ভাসানো প্লাবনে চিরাচরিত ‘টি সেল’ তৈরিই করতে পারছে না। অথচ ‘রিসেপ্টর বাইন্ডিং ডোমেইন’ বা ‘এস-আরবিডি’তে ৮৬% ও ভাইরাসটির ‘নিউক্লিয় ক্যাপসিড’ বা ‘এন-প্রোটিনে’ তৈরি হচ্ছে ৭৪% ‘নিউট্রালাইজিং অ্যান্টিবডি’। আবার নভেল করোনার পিসি-মাসি বা ‘কমন কোল্ড করোনা ভাইরাসদের’ দৌরাত্ম্যে গা-সওয়া ইনফ্লুয়েঞ্জার সৌজন্যেই ‘সিডিফোর’ ও ‘সিডিএইট প্লাস’ টি সেলের বিরাট এক সাঁজোয়া বাহিনী শরীরের সমরাঙ্গণে আগে থেকেই প্রস্তুত রয়েছে। নভেল করোনাকে পরাভূত করার পক্ষে তাও যথেষ্ট কার্যকর। ভ্যাকসিন মারফত পরিচিত ‘টি সেলের’ অ্যান্টিবডি মিলছে না বলে হা-হুতাশ করা নির্বুদ্ধিতা। ভ্যাকসিনের অভাবে হাজারো অপরিচিত অ্যান্টিবডিকে সম্মুখসমরে নামিয়ে শরীর অক্লেশে করোনার মোকাবিলা করছে। ভ্যাকসিনের ‘ছদ্ম নিরাপত্তায়’ না-ভুলে মাস্ক পরে, অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে কোভিডকে কিন্তু সহজেই পরাস্ত করা যায়।
 লেখক লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিকাল মেডিসিন -এর বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। মতামত ব্যক্তিগত 
23rd  September, 2020
কৈলাসে ফিরতে
মন চাইবে না মা
হারাধন চৌধুরী

আমাদের পাশে থেকো মা। তোমাকে কথা দিচ্ছি, আগামীবার এসে দেখবে—আমাদের এই পৃথিবীর সমস্ত অসুখ সেরে গেছে। আমাদের কারও মধ্যে ছোঁয়াছুঁয়ির ভয় নেই, কোনওরকম ছুঁৎমার্গ নেই। বিশদ

মূকরাই সরব হবেন যথাসময়ে
পি চিদম্বরম

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যে পৃথিবী বিপুলভাবে সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠেছে সেখানে দরিদ্র বা গরিব রয়ে যাওয়াটা এক দুর্ভাগ্য। একটা দরিদ্র দেশে দরিদ্র থাকাটা গণতন্ত্রের ব্যর্থতা। আর একটা গরিব দেশের গরিব রাজ্যে দরিদ্র থেকে গেলে তাকে রাজনীতির অভিশাপ মানতে হবে।  বিশদ

28th  October, 2020
বিহারের ভোটে অনেক পাখি মারার ছক মোদির
সন্দীপন বিশ্বাস

২০১৫ সালে বিহার বিধানসভার নির্বাচনের খবর করতে গিয়ে দেখেছিলাম, বিজেপি সেখানে কী পরিমাণ টাকা ঢেলেছিল। সমস্তিপুর, বেগুসরাই, জামুই, ভাগলপুর, মুঙ্গের, খাগাড়িয়া, লক্ষ্মীসরাই ঘুরে দেখেছিলাম, পতাকা, ফেস্টুন, ফ্লেক্স দিয়ে বিজেপি শহর মুড়ে দিয়েছে। বিশদ

28th  October, 2020
উৎসব এবার চেতনার
মৃণালকান্তি দাস 

মন খারাপ। খুব মন খারাপ। সব আছে। অথচ কী যেন নেই! জীবনটা যেন এখন লুডোর গুটি। রোজ শুধু ওঠা-নামার খেলা। সবসময় মনে আতঙ্ক। যত না সংক্রমণে তার থেকে অনেক বেশি প্রিয়জনের থেকে দূরে চলে যাওয়ার। সেই নীলকণ্ঠ পাখিটা উড়ে গিয়েছে অজানা কোন অচিনপুরে। কিন্তু এই দুঃসময়েও মানুষ আগামীদিনের সুদিনের জন্য বুক বাঁধে। তাই তো এবারও মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পুজোর তোড়জোড়।   বিশদ

23rd  October, 2020
বেদ, পুরাণে বন্দিতা মহামায়া দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

 একদা দেবাসুর-সংগ্রামে ব্রহ্মশক্তির প্রেরণায় জয় হল দেবতাদের। একে বিজয় মহিমা মনে করে অগ্নি, বায়ু, বরুণ ও চন্দ্র এই চার দেবতা অহংকৃত ও গৌরবান্বিত হন। তাঁদের মুখমণ্ডলে কর্তৃত্বের পরিতৃপ্তি। বলদর্পে আচ্ছন্ন হয়ে সেই অমরবৃন্দ ভুলে গেলেন ব্রহ্মশক্তির কথা, যাঁর শক্তি ও অনুকম্পায় তাঁরা এতকাল শক্তিমান। বিশদ

22nd  October, 2020
বাৎসরিক আয়ু ক্রয়ের হাট
হারাধন চৌধুরী

 এবার পুজো হওয়াটা জরুরি। নিয়মরক্ষার হলেও। অন্যথায়, বাঙালি আরও বিষাদে ডুবে যাবে। উৎসব হলে মানুষের কেনাকাটা কিছুটা বাড়বে। যার ভিতরে অর্থনীতির জন্য সুখবর লুকিয়ে থাকে। বিশদ

22nd  October, 2020
পুজো হোক, লকডাউনে থাকুক উৎসব
সন্দীপন বিশ্বাস

এবার আমাদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আমাদের জয়ী হতেই হবে। তাই এবারের পুজো হোক অন্য পরিবেশে, অন্য মানসিকতায়। বাড়িতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটু আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং টিভিতেই হোক ঠাকুরদেখা। বিশদ

21st  October, 2020
প্রতিবাদে মাথা নোয়ায় পর্বতও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 নোট বাতিল কিংবা জিএসটির ক্ষেত্রে যে ডোন্ট কেয়ার দাপট মোদি সরকার দেখিয়েছিল, তা আপাতত উধাও। সব ইস্যুতেই এখন বিরোধীদের চরম বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যা তাদের ‘একচ্ছত্র’ ইমেজে বড়সড় একটা দাগ! বিশদ

20th  October, 2020
বৃদ্ধি ছাড়াই সংস্কার
পি চিদম্বরম

একটা ব্যাপারে সবাই একমত হতে পারি যে, নিজের মত, নীতি ও কাজের প্রচারে কোনও শাসক দল এবং সরকার—বিজেপি অথবা মোদি সরকারের মতো সফল হয়নি। এবং, এই উদ্দেশ্যে তারা যে-কোনও পরিমাণ টাকা খরচ করবে, যত দরকার কাউকে উৎপীড়ন করবে, যতটা প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে হুমকির মুখে রাখবে এবং যে-কোনও প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখবে। অতিশয়োক্তিটা ওদের কাছে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।   বিশদ

19th  October, 2020
অনেক হারানোর পুজো
হিমাংশু সিংহ

পুজোর ছুটির একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকে। উৎসবের অনেক আগে থেকেই সেই গন্ধে ম ম করে বাংলার গাঁ গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্র। সেই গন্ধের সঙ্গে আগমনি মিশে তৈরি হয় অদ্ভুত ঘোর লাগানো একটা অপেক্ষার। মা আসছেন। বাঙালির অনেক না পাওয়া ক্ষতবিক্ষত জীবনে এর চেয়ে পরম প্রাপ্তির আর কিছুই হতে পারে না। সেই অপেক্ষার সঙ্গেই মিশে যায় বিদেশে কাজ করা দত্ত বাড়ির ছেলে, দূরে বিয়ে হওয়া পাশের বাড়ির হেমন্তদার মেয়ের ঘরে ফেরার খুশি। 
বিশদ

18th  October, 2020
করোনা রোখার মন্ত্র ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’ 
তন্ময় মল্লিক

করোনা মোকাবিলায় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলার ও মাস্ককে জীবনসঙ্গী করার পরামর্শ হচ্ছে উপেক্ষিত। সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ। সকলের নজর সেই দিকেই। তাতে সাহসী হচ্ছে মানুষ। বাড়ছে বেপরোয়া ভাব। এগিয়ে আসছে বাংলার ভোট। প্রকট হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষমতা দখলের বাসনা। করোনার মধ্যেও ইস্যু পেলেই আন্দোলন। না থাকলে তৈরির চেষ্টা। অভিমুখ রাজ্যপাট। তাই কথায় কথায় মিছিল আর লড়াই।  
বিশদ

17th  October, 2020
অতিরিক্ত দিল্লি নির্ভরতাই বঙ্গ-বিজেপির সঙ্কট
সমৃদ্ধ দত্ত

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মতো ঝোড়ো আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেননি আর কেউই। সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু-স্রোত। এই সঙ্কটের মধ্যেই তাঁকে কাজ করতে হয়েছে। তাঁকে অভীধা দেওয়া হয় বাংলার রূপকার। কিন্তু ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ছিল, তিনি কৃষিকে অবহেলা করেছেন। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে তিনি যতটা উন্নতিসাধন করেছিলেন শিল্পে, সেই তুলনায় কৃষির উন্নয়ন কম হয়েছে।  
বিশদ

16th  October, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, পতিরাম: ১৯৩৩ সালের ২৮ অক্টোবর। অবিভক্ত ভারতের হিলি স্টেশনে দার্জিলিং মেলে লুটপাট চালিয়েছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামীরা। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের কাজে লেগেছিল সেই ‘লুটের টাকা’।   ...

বংশপরম্পরায় আজও মহানায়ক উত্তমকুমারের বাড়ির লক্ষ্মী প্রতিমা তৈরি করে চলেছেন কুমোরটুলির একটি নির্দিষ্ট শিল্পী পরিবার। পটুয়াপাড়ার ৪০/১, বনমালি সরকার স্ট্রিটে মৃৎশিল্পী জয়ন্ত পালের ঘরে জোরকদমে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ভুয়ো ভাউচার ছাপিয়ে ময়নার শ্রীকণ্ঠা সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি থেকে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগ উঠল সমিতির ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। গত ১৭ অক্টোবর সমবায় সমিতির সম্পাদক সুবোধচন্দ্র মাইতি ম্যানেজার সোমনাথ দাসের বিরুদ্ধে ময়না থানায় এফআইআর করেছেন।   ...

ট্যুইটারে লাদাখকে চীনের অংশ হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এনিয়ে ভারতের যৌথ সংসদীয় কমিটির প্রশ্নের মুখে ট্যুইটার ইন্ডিয়া। তাদের তরফে বিষয়টি নিয়ে এই মাইক্রোব্লগিং সাইট কর্তৃপক্ষের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়। যার উত্তরে সংশ্লিষ্ট কমিটিকে ট্যুইটার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, এ ব্যাপারে তারা ভারতের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব আছে। কর্মরতদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস
১৯৬৯: ইন্টারনেটের আগের স্তর আরপানেটের আবিষ্কার
১৯৭১: অস্ট্রেলিয় ক্রিকেটার ম্যাথু হেডের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রীমা সেনের জন্ম
১৯৮৫: বক্সার বিজেন্দর সিংয়ের জন্ম
১৯৮৮: সমাজ সংস্কারক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৯: ওড়িশায় ঘূর্ণিঝড়ে কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু
২০০৫: দিল্লিতে পরপর তিনটি বিস্ফোরণে অন্তত ৬২জনের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৪৭ টাকা ৯৭.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৫.২৮ টাকা ৮৮.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫১,৮১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৯,৮৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী ২৩/৫২ দিবা ৩/১৬। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র ১৫/৪১ দিবা ১২/০। সূর্যোদয় ৫/৪৩/১৬, সূর্যাস্ত ৪/৫৭/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৩ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১০ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।
১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী দিবা ৩/২১। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র দিবা ১/১২। সূর্যোদয় ৫/৪৪, সূর্যাস্ত ৪/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৮ মধ্যে ও ১/১১ গতে ২/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ৩/১৪ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৫/৪৫ মধ্যে। কালবেলা ২/১০ গতে ৪/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৭ মধ্যে।
১১ রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পুরুলিয়ায় যুবককে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ 
এক যুবককে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে পুরুলিয়ার কোটশিলা থানার পুলিস শিবরাম ...বিশদ

12:42:42 PM

প্রয়াত ঝাড়গ্রামের বিধায়ক সুকুমার হাঁসদা
 

কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হল ডেপুটি স্পিকার তথা ঝাড়গ্রামের ...বিশদ

12:39:00 PM

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে গুলির চেষ্টা 
পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে গুলির চেষ্টা। ঘটনাটি ঘটেছে তপসিয়া এলাকার কোহিনুর ...বিশদ

12:02:31 PM

নন্দীগ্রামে বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার গাড়ির নীচ থেকে উদ্ধার বোমা
নন্দীগ্রামের কেন্দেমারি-জালপাই গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মানসুরা বেগমের স্বামী তথা বহিষ্কৃত ...বিশদ

11:55:04 AM

বাগনানে গ্রেপ্তার ৬ বিজেপি নেতা, উদ্ধার তাজা বোমা 
বনধ চলাকালীন বোমা মজুত করে অশান্তি পাকানোর অভিযোগে বাগনানের রথতলা ...বিশদ

11:45:42 AM

করোনা: তেলেঙ্গানায় আক্রান্ত আরও ১৫০৪
 

তেলেঙ্গানায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হলেন ১৫০৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

11:40:06 AM