Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। মোদি সরকারের একের পর এক ভুল সিদ্ধান্তে দেশটা ক্রমেই টাইটানিকের মতো একটু একটু করে তলিয়ে যাচ্ছে। ক্রমেই আমাদের বেঁচে থাকার অক্সিজেন কমে আসছে। এতগুলি ভ্রান্তিবিলাসের পর আবার আনা হল কৃষকঘাতী বিল। এবার দেশের কৃষক সমাজকে ঠেলে দেওয়া হল মৃত্যুর দিকে।
হ্যাঁ, মোদি সরকারের আনা এই বিল কৃষকদের মৃত্যুর পরোয়ানা ছাড়া আর কিছুই নয়। এই কৃষিবিল দেশের চাষিদের আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেবে। তাঁদের মঙ্গলের নামে অমঙ্গল ডেকে আনবে। কৃষিক্ষেত্রটাই বৃহৎ শিল্পপতিদের দখলে চলে যাবে। কৃষিপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা চলে যাবে বড় বড় কর্পোরেট সংস্থার হাতে। কয়েকটি সংস্থা মিলে ঠিক করবে, কোন কৃষিপণ্যের কী দাম হবে। সেক্ষেত্রে তারাই বাজার একচেটিয়াভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে। তখন বাজারের মূল ভাষ্য হয়ে দাঁড়াবে, ‘হে চাষিগণ, হয় এই দাম নাও, নাহলে ভাগো।’ ভাগো মানে তুমি জাহান্নামে যাও, আমরা মুনাফা করে নিই। বানিয়া সরকারের বানিয়া সঙ্গীরা লুটেপুটে খাবে। আর চাষি কীটনাশক খেয়ে মর্গে পড়ে থাকবে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায়।
সারাদেশের খোলাবাজারে চাষিরা কৃষিপণ্য বিক্রি করতে পারবেন বলে লোভ দেখিয়ে তাঁদের কর্পোরেট সংস্থার গাড্ডার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। তাহলে মান্ডি কি থাকবে? সরকার বলছে থাকবে। কিন্তু এমন চালাকি করে তা করা হচ্ছে যে, দু’একবছর পরে তার আর কোনও প্রয়োজনই থাকবে না। ন্যূনতম সহায়ক মূল্য কি থাকবে না? সরকার বলছে থাকবে। কিন্তু সরকার নামার আগে কর্পোরেট সংস্থাগুলি বাজারে নেমে ধান কিনতে শুরু করে দিলে এর আর কোনও মূল্যই থাকবে না। সরকার বলছে, বিক্রির বাজার বড় হয়ে গেলে ভালো দাম পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু কয়েকটি কোম্পানি যদি বাজার নিয়ন্ত্রণ করে, তখন তা মনোপলি মার্কেটিং হয়ে যায়। সেখানে ছোট ব্যবসায়ীদের প্রবেশাধিকার থাকে না। ছোট বিক্রেতারা তাদের সঙ্গে টাকার প্রতিযোগিতায় হেরে যায়। একচেটিয়া বাজার দেশের বৃহৎ পুঁজিপতিদের কুক্ষিগত হয়ে যায়। এভাবেই নিঃশব্দে লেখা হয়ে যায় মৃত্যুর পরোয়ানা।
সরকারের যদি ভালো উদ্দেশ্যই থাকবে, তবে রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা না করে একতরফাভাবে এই বিল চাপিয়ে দিচ্ছে কেন? আসলে এতে রাজ্যগুলির ক্ষতি হবে। এতে রাজ্যের খাদ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হবে। রেশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। খাদ্যসামগ্রীর দাম চড়চড় করে উঠতে থাকবে। কর্পোরেট সংস্থাগুলি চাষির থেকে কম দামে কিনে তা খোলাবাজারে দেশের মানুষের কাছে বেশি দামে বিক্রি করবে। মানুষ কী দামে খাদ্যসামগ্রী কিনবে, তাও তারা ঠিক করে দেবে। তাদের কাছে গচ্ছিত থাকবে দেশের সিংহভাগ খাদ্যসামগ্রী। তাই তাদের মুনাফার ব্যবস্থা মোদি সরকার করে দিল। কৃষিবিলের প্রতিটি শর্তের মধ্যে লেখা রয়েছে কৃষকের অন্তিম শ্বাস। অতীতের মতোই আবার দেখা গেল, দেশের বড় বড় শিল্পপতিদের স্বার্থকেই তিনি প্রাধান্য দিচ্ছেন। তাঁদের হাতে তামাক খেয়ে তিনি দেশের সবক্ষেত্রেই নীতি নির্ধারণ করছেন। এর কারণ আছে। দেশের শিল্পপতিদের একটা বড় শিক্ষা দিয়ে গেল করোনা। করোনার সময় শিল্প-টিল্প সব বন্ধ। যেটুকু সক্রিয় ছিল, সেটা হল দেশের কৃষিক্ষেত্র। তাই শিল্পপতিদের নজর পড়েছে এবার কৃষিক্ষেত্রে। শিল্পপতিরা হয়ে উঠতে চাইছেন কৃষিপতি। হে চাষি, তোমার লাঙল, তোমার জমি, আমার প্রফিট। তুমি আসলে আমার কৃষিদাস।
পাঞ্জাবে ইতিমধ্যেই এর বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়েছে। হরিয়ানায় শুরু হয়েছে। আস্তে আস্তে তা বিহার, ঝাড়খণ্ড সহ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে। কৃষকঘাতী এই আইনের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গও অবিলম্বে রুখে দাঁড়াবে। সামনে বিহারে ভোট। এই কৃষিনীতি সেখানেও চাষিদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন ফেলবে। এই সময়ে বিহারে বিরোধী দলগুলি যদি সাবালকের মতো আচরণ করতে না পারে, তবে তারা চাষিদের এই সরকার বিদ্বেষী মনোভাবের ফসল ভোটবাক্সে তুলতে পারবে না। আগামী বছর এই রাজ্যে বিধানসভা ভোট। এখনই গেরুয়া শিবিরের মধ্যে যে ঔদ্ধত্য দেখা যাচ্ছে, তাতে তারা ধরেই নিয়েছে, এখানে বিজেপি সরকার গড়ে ফেলেছে। একটা কথা এখানে বলাই যায়। সেটা হল, মোদি সরকারের যাবতীয় জনবিরোধী কাজের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর মতো শক্তিশালী একটা মুখই দেশে আছে। তিনি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই মোদি-বাহিনী জানে, তাঁকে কোনওভাবে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ফেলতে পারলে মোদির যাবতীয় খুড়োর কলের প্রকল্প বিনা বাধায় দমন-পীড়নের মধ্য দিয়ে এখানে প্রয়োগ করা সম্ভব হবে। হায়রে, ভোটারদের মনের খবর দেবা ন জানন্তি কুতো লিডার। কৃষিবিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শিরোমণি অকালি দলের হরসিমরতের পদত্যাগের পর চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন হরিয়ানার উপ মুখ্যমন্ত্রী দুষ্যন্ত সিং চৌতালা। বিজেপির টোপ গিলে তিনি উপ মুখ্যমন্ত্রীর পদ পেয়ে আহ্লাদিত হয়েছিলেন। এখন জাঠ-কৃষকদের আন্দোলন দেখে ঠিক করতে পারছেন না সিংহাসন আঁকড়ে থাকবেন, নাকি ওই পদ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে কৃষকদের পাশে গিয়ে দাঁড়াবেন। ইতিমধ্যেই তাঁর দল জননায়ক জনতা পার্টিতে ভাঙন শুরু হয়েছে। দলের ভিতরেই একটা শক্তি দুষ্যন্তের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করেছে। তারা বুঝেছে, এভাবে বিজেপির তোষামোদ করে ক্ষমতার রসগোল্লা খেতে থাকলে আগামীদিনে তাদের রাজনৈতিক কেরিয়ার শেষ হয়ে যাবে। তখন একফোঁটা রসও জুটবে না। সুতরাং এই মুহূর্তে কৃষকদের পাশেই দাঁড়াতে হবে। যে কারণে হরসিমরতকে সরে দাঁড়াতে হয়েছে। পাঞ্জাবের কৃষকরা হুমকি দিয়ে বলেছেন, যাঁরা এই বিলকে সমর্থন করবেন, তাঁদের গ্রামে ঢুকতে দেবেন না। রাজনৈতিক নিরাপত্তার স্বার্থে এনডিএ জোটে ভাঙন ধরতে শুরু করেছে। বিহারে ভোটের আগে দোনামোনায় অন্য শরিকদল রামবিলাস পাসোয়ানের লোক জনশক্তি পার্টি। একেই আসনরফা নিয়ে কোণঠাসা রামবিলাসের দল পাল্টা জবাব দিতে চাইছে। এই অবসরে তাঁর রাজনৈতিক হাতিয়ার হতে পারে কৃষি বিল।
নমো-র শাসনকালে আমরা বারবার তাঁর হাতে দেখি মানুষের মৃত্যুর পরোয়ানা। নোটবাতিলের রূঢ় নৌটঙ্কিতে ব্যাঙ্ক আর এটিএমের সামনে দাঁড়িয়ে কত মানুষ মারা গিয়েছেন, সরকারের কাছে তার কোনও হিসেব আছে? এনআরসি, সিএএ’র মতো নষ্ট আইন প্রতিষ্ঠা করার গা-জোয়ারিতে কত মানুষের চোখের জল পড়েছে, আত্মহত্যা করেছেন কতজন, মোদি সরকারের কাছে তার কোনও হিসেব আছে? লকডাউনে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে কষ্টে, যন্ত্রণায়, অনাহারে সারাদেশে কত মানুষের মৃত্যু হয়েছে, মোদি সরকারের কাছে তার কোনও হিসেব আছে? নেই। কেননা এসব চোখের জল আর মৃত্যুর কোনও দামই নেই এই কর্পোরেট সরকারের কাছে। সরকারের প্রাত্যহিক ড্রামাবজির আড়ালে দেশের নানা প্রান্তে মানুষ নিষ্পেষিত হচ্ছে। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ঔদ্ধত্য তাঁকে ভুলিয়ে দিয়েছে দেশের মানুষের কথা। একদিকে ধনী আরও ধনী হয়ে উঠছে, গরিব আরও গরিব হয়ে যাচ্ছে। কর্পোরেট ভাবনায় এসবের কোনও মূল্যই নেই। একদিন তিনি রেলস্টেশনে চা বেচতেন। আজ তিনি দেশের রেলস্টেশনই বেচে দিতে মরিয়া। তাঁর বিভিন্ন সিদ্ধান্তে লাভবান হচ্ছেন দেশের বৃহৎ শিল্পপতিরা। তাঁদেরই শতশত কোটি টাকার সাহায্য এসে জমা হচ্ছে পিএম কেয়ার্স ফান্ডে।
মার্চ মাসে করোনা হানার আগে ফোর্বস সারা বিশ্বের ধনীদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল। একশো কোটি ডলারের মালিকদের সেই তালিকায় ভারতের ১১২ জন বিলিওনার ছিলেন। কয়েকদিন আগে আবার ফোর্বস একটি তালিকা প্রকাশ করেছে, সেখানে ভারতের ১১৭ জনের নাম আছে। অর্থাৎ করোনাকালে আরও ১৫ জন ভারতীয় তাঁদের সম্পত্তি বাড়িয়ে এই তালিকায় ঢুকে পড়েছেন। যাঁরা তালিকায় ছিলেন, তাঁদের সম্পত্তিও অনেক বেড়েছে। পাশাপাশি মার খেতে খেতে ক্রমেই পিছু হটছে এদেশের দরিদ্র আর মধ্যবিত্তরা। জিডিপি মাইনাসে, করোনাকালে চাকরি হারিয়েছেন এদেশের প্রায় ৪২ লক্ষ মানুষ। ওই ৪২ লক্ষ মানুষ অন্তত দেড় থেকে দু’ কোটি মানুষের অন্নসংস্থান করত, সেই সব পরিবার এখন খড়কুটো আঁকড়ে বাঁচতে চাইছে। ব্যাঙ্কের সুদ কমতে কমতে এমন জায়গায় এসেছে, যেখানে প্রবীণরা তাঁদের ওষুধ কেনার পয়সা জোগাড় করতে পারছেন না, রুটি জোগাড় তো দূর কি বাত! চাকরির পর ব্যাঙ্কে জমানো পিএফের উপর সুদের টাকায় কোটি কোটি মানুষের সারা মাস চলে। তাঁদের মুখের খাবার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। অনেকে প্রাণ বাঁচাতে বিনিয়োগ করছেন শেয়ার বাজারে। লক্ষ্য করার বিষয়, কীভাবে নিঃশব্দে মানুষকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে শেয়ার বাজারের অনিশ্চয়তার দিকে। শেয়ার বিক্রি বাড়ছে, তার দরও বাড়ছে। লাভবান হচ্ছেন বড় বড় শিল্পপতিরা। এভাবেই নিঃশব্দে তৈরি হয়ে যায় মৃত্যুর পরোয়ানা।
আরও আছে, ধৈর্যং রহু। কর্মীদের ছাঁটাই করার অধিকার বৃহৎ মালিকগোষ্ঠীর হাতে দিয়ে তাঁদের সুরক্ষিত করা হচ্ছে। যে কোনও সময় কর্মীদের চাকরি কেড়ে নেওয়ার অধিকার তুলে দেওয়া হচ্ছে তাঁদের হাতে। তাহলে কী চায় এই সরকার? এই সরকারের একটিই মাত্র মুখ্য প্রকল্প। মানুষে মানুষে বিভেদ সঞ্চার কর, ঘৃণা ঢুকিয়ে দাও মানুষের মনে। সমাজে সব সময় একটা সঙ্কট তৈরি করে দাও। অর্থাৎ দেশে সবসময় একটা গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করে রাখ, অসন্তোষ তৈরি করে রাখ। হিটলার বলেছিলেন, মানুষকে ঠেলতে ঠেলতে এমন কোণঠাসা করে দাও, যেখানে তার মনে হবে, কোনওভাবে বেঁচে থাকা মানেই ভালোভাবে থাকা। ঠিক তাই। আজ তাই প্রত্যেকটি মানুষের মনে হচ্ছে, এই দেশটা একটা অবরুদ্ধ ক্যাম্প! অবিলম্বে অক্সিজেন দরকার। 
23rd  September, 2020
উৎসব এবার চেতনার
মৃণালকান্তি দাস 

মন খারাপ। খুব মন খারাপ। সব আছে। অথচ কী যেন নেই! জীবনটা যেন এখন লুডোর গুটি। রোজ শুধু ওঠা-নামার খেলা। সবসময় মনে আতঙ্ক। যত না সংক্রমণে তার থেকে অনেক বেশি প্রিয়জনের থেকে দূরে চলে যাওয়ার। সেই নীলকণ্ঠ পাখিটা উড়ে গিয়েছে অজানা কোন অচিনপুরে। কিন্তু এই দুঃসময়েও মানুষ আগামীদিনের সুদিনের জন্য বুক বাঁধে। তাই তো এবারও মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পুজোর তোড়জোড়।   বিশদ

23rd  October, 2020
বেদ, পুরাণে বন্দিতা মহামায়া দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

 একদা দেবাসুর-সংগ্রামে ব্রহ্মশক্তির প্রেরণায় জয় হল দেবতাদের। একে বিজয় মহিমা মনে করে অগ্নি, বায়ু, বরুণ ও চন্দ্র এই চার দেবতা অহংকৃত ও গৌরবান্বিত হন। তাঁদের মুখমণ্ডলে কর্তৃত্বের পরিতৃপ্তি। বলদর্পে আচ্ছন্ন হয়ে সেই অমরবৃন্দ ভুলে গেলেন ব্রহ্মশক্তির কথা, যাঁর শক্তি ও অনুকম্পায় তাঁরা এতকাল শক্তিমান। বিশদ

22nd  October, 2020
বাৎসরিক আয়ু ক্রয়ের হাট
হারাধন চৌধুরী

 এবার পুজো হওয়াটা জরুরি। নিয়মরক্ষার হলেও। অন্যথায়, বাঙালি আরও বিষাদে ডুবে যাবে। উৎসব হলে মানুষের কেনাকাটা কিছুটা বাড়বে। যার ভিতরে অর্থনীতির জন্য সুখবর লুকিয়ে থাকে। বিশদ

22nd  October, 2020
পুজো হোক, লকডাউনে থাকুক উৎসব
সন্দীপন বিশ্বাস

এবার আমাদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আমাদের জয়ী হতেই হবে। তাই এবারের পুজো হোক অন্য পরিবেশে, অন্য মানসিকতায়। বাড়িতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটু আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং টিভিতেই হোক ঠাকুরদেখা। বিশদ

21st  October, 2020
প্রতিবাদে মাথা নোয়ায় পর্বতও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 নোট বাতিল কিংবা জিএসটির ক্ষেত্রে যে ডোন্ট কেয়ার দাপট মোদি সরকার দেখিয়েছিল, তা আপাতত উধাও। সব ইস্যুতেই এখন বিরোধীদের চরম বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যা তাদের ‘একচ্ছত্র’ ইমেজে বড়সড় একটা দাগ! বিশদ

20th  October, 2020
বৃদ্ধি ছাড়াই সংস্কার
পি চিদম্বরম

একটা ব্যাপারে সবাই একমত হতে পারি যে, নিজের মত, নীতি ও কাজের প্রচারে কোনও শাসক দল এবং সরকার—বিজেপি অথবা মোদি সরকারের মতো সফল হয়নি। এবং, এই উদ্দেশ্যে তারা যে-কোনও পরিমাণ টাকা খরচ করবে, যত দরকার কাউকে উৎপীড়ন করবে, যতটা প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে হুমকির মুখে রাখবে এবং যে-কোনও প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখবে। অতিশয়োক্তিটা ওদের কাছে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।   বিশদ

19th  October, 2020
অনেক হারানোর পুজো
হিমাংশু সিংহ

পুজোর ছুটির একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকে। উৎসবের অনেক আগে থেকেই সেই গন্ধে ম ম করে বাংলার গাঁ গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্র। সেই গন্ধের সঙ্গে আগমনি মিশে তৈরি হয় অদ্ভুত ঘোর লাগানো একটা অপেক্ষার। মা আসছেন। বাঙালির অনেক না পাওয়া ক্ষতবিক্ষত জীবনে এর চেয়ে পরম প্রাপ্তির আর কিছুই হতে পারে না। সেই অপেক্ষার সঙ্গেই মিশে যায় বিদেশে কাজ করা দত্ত বাড়ির ছেলে, দূরে বিয়ে হওয়া পাশের বাড়ির হেমন্তদার মেয়ের ঘরে ফেরার খুশি। 
বিশদ

18th  October, 2020
করোনা রোখার মন্ত্র ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’ 
তন্ময় মল্লিক

করোনা মোকাবিলায় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলার ও মাস্ককে জীবনসঙ্গী করার পরামর্শ হচ্ছে উপেক্ষিত। সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ। সকলের নজর সেই দিকেই। তাতে সাহসী হচ্ছে মানুষ। বাড়ছে বেপরোয়া ভাব। এগিয়ে আসছে বাংলার ভোট। প্রকট হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষমতা দখলের বাসনা। করোনার মধ্যেও ইস্যু পেলেই আন্দোলন। না থাকলে তৈরির চেষ্টা। অভিমুখ রাজ্যপাট। তাই কথায় কথায় মিছিল আর লড়াই।  
বিশদ

17th  October, 2020
অতিরিক্ত দিল্লি নির্ভরতাই বঙ্গ-বিজেপির সঙ্কট
সমৃদ্ধ দত্ত

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মতো ঝোড়ো আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেননি আর কেউই। সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু-স্রোত। এই সঙ্কটের মধ্যেই তাঁকে কাজ করতে হয়েছে। তাঁকে অভীধা দেওয়া হয় বাংলার রূপকার। কিন্তু ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ছিল, তিনি কৃষিকে অবহেলা করেছেন। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে তিনি যতটা উন্নতিসাধন করেছিলেন শিল্পে, সেই তুলনায় কৃষির উন্নয়ন কম হয়েছে।  
বিশদ

16th  October, 2020
ষড়যন্ত্রের তত্ত্বে সব ব্যর্থতা ঢাকা যায় না 
সন্দীপন বিশ্বাস

ব্যর্থতার এক একটি মাইলস্টোন স্থাপন করতে করতে ক্রমেই অতল খাদের দিকে এগিয়ে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অ্যান্ড কোম্পানি। অনেকেই অবশ্য মানবেন না যে খাদটা অতল। কেননা ভোটের এখনও অনেকদিন বাকি। কিন্তু তাঁর জনপ্রিয়তার প্রতিদিনই পতন হচ্ছে। সেটা তিনি নিজেও বোঝেন। তাই ইদানীং ছাতি বাজানো, তালি বাজানো বন্ধ করে দিয়েছেন। চেষ্টা করছেন, নানা রকম ভুজুং ভাজুং দিয়ে হারানো গৌরব উদ্ধার করতে।  
বিশদ

14th  October, 2020
ডিজিটাল রঙ্গমঞ্চের কাঠের পুতুল
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ল্যাপটপটা পড়ে আছে টেবিলের উপর। শাটডাউন। খোলা শুধু টপ কভারটা। আপনি অফিস থেকে ফিরে ঘরে ঢুকলেন। জামাকাপড় চেঞ্জ করছেন। এরপর বাথরুম। ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে বসলেন বিছানায়...। বন্ধ ঘরে কেউ নেই। কেউ দেখছে না আপনার ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো। 
বিশদ

13th  October, 2020
শাস্তি থেকে অব্যাহতির পীঠস্থান উত্তরপ্রদেশ 
পি চিদম্বরম

গত ২০ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লির সফদরজং হাসপাতালে এক তরুণী মারা গেলেন। ২২ সেপ্টেম্বর ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এক বয়ানে তিনি জানান, ১৪ সেপ্টেম্বর ওই তরুণী নিগৃহীতা এবং ধর্ষিতা হয়েছেন। এই ঘটনায় তরুণী যে চারজনের নামে অভিযোগ এনেছেন তারা তাঁরই গ্রামের ছেলে—উত্তরপ্রদেশে হাতরাস জেলার বুলাগড়ি গ্রামের বাসিন্দা।  
বিশদ

12th  October, 2020
একনজরে
স্বদেশীয়দের চাকরির বাজারকে সুরক্ষিত করতে ভিসা নীতি আরও স্পষ্ট করতে চলেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এইচ-১বি জন্য দক্ষ বিদেশী কর্মীদের যাতে ব্যবসায়িক ভিসা না দেওয়া হয়, তার ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সঠিক বন্ধু নির্বাচন আবশ্যক, কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। বদলির কোনও সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। শেয়ার বা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬০৫: মুঘল সম্রাট আকবরের মৃত্যু
১৯০১ – বিশিষ্ট বাংলা লোকসঙ্গীত গায়ক আব্বাসউদ্দিনের জন্ম
১৯০৪ – স্বাধীনতা সংগ্রামী যতীন্দ্র নাথ দাসের জন্ম
১৯২০ – ভারতীতের ১০ম রাষ্ট্রপতি কে. আর. নারায়ানানের জন্ম
১৯৭৭: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার কুমার সাঙ্গাকারার জন্ম
১৯৮৪: ভারতীয় ক্রিকেটার ইরফান পাঠানের জন্ম
১৯৮৬: অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার ডেভিড ওয়ার্নারের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৫.১২ টাকা ৯৮.৪৭ টাকা
ইউরো ৮৫.৭৬ টাকা ৮৮.৮৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  October, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,০৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৪১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,১৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,০৩০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,১৩০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
23rd  October, 2020

দিন পঞ্জিকা

৬ কার্তিক, ১৪২৭, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, সপ্তমী ৩/১৩ দিবা ৬/৫৭। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র ৪৯/২৯ রাত্রি ১/২৮। সূর্যোদয় ৫/৪০/১৮, সূর্যাস্ত ৫/১/৪৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১১ গতে ৯/২৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৫৪ গতে ৯/১৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/৯ মধ্যে পুনঃ ৪/০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৩০ গতে ১১/২১ মধ্যে। পূর্বাহ্ন ৬/৫৭ মধ্যে শারদীয়া দুর্গাপুজোর নবপত্রিকা প্রবেশ ও স্থাপন। 
৬ কার্তিক, ১৪২৭, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, সপ্তমী দিবা ১১/৫৭। পূর্বষাঢ়া নক্ষত্র দিবা ৬/৫১। সূর্যোদয় ৫/৪১, সূর্যাস্ত ৫/৩। অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৫ মধ্যে ও ৭/১৯ গতে ৯/৩১ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ২/৩৮ মধ্যে ও ৩/২৩ গতে ৫/৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৭ গতে ৩/১৫ মধ্যে ও ৪/৭ গতে ৫/৪২ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩২ গতে ১১/২২ মধ্যে। দিবা ৮/৩২ মধ্যে শারদীয়া দুর্গাপুজোর নবপত্রিকা প্রবেশ, স্থাপন। রাত্রি ১০/৫৮ গতে ১১/৪৬ মধ্যে দেবীর অর্ধরাত্রবিহিত পূজা। 
৫ রবিয়ল আউয়ল। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: ৮৮ রানে জিতল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ 

11:00:00 PM

আইপিএল: দিল্লি ৯৬/৬ (১৫ ওভার) 

10:40:09 PM

আইপিএল: দিল্লি ৭৬/৪ (১১ ওভার) 

10:18:29 PM

আইপিএল: দিল্লি ৩৪/২ (৫ ওভার) 

09:48:54 PM

দিল্লিকে ২২০ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:09:36 PM

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ১৭৫/২ (১৫ ওভার) 

08:46:00 PM