Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে চিন্তা থাকবে না কাল কী খাব। কিন্তু সেই দিন এল না...। পার্টির দাদাগিরি, ফড়েদের উৎপাতে নামমাত্র মূল্যে বিক্রি হয়ে গেল রক্ত জল করা পরিশ্রম। দাম পেলেন না ভূতনাথ। পরিণতি... ৫০ বছর বয়সের নিথর শরীরটা পাওয়া গেল তাঁর। গলায় দড়ি দিয়েছিলেন ভূতনাথ পাল। সময়... বাম জমানার শেষ দিক।
বাসুদেব রঙ্গা সাবলে। নাসিকের কৃষক। পেঁয়াজ চাষ করেছিল সে। কিন্তু প্রকৃতি পাশে দাঁড়াল না। অনাবৃষ্টির শুখায় খেতেই শেষ হয়ে গেল আশা-ভরসা...। পাশে দাঁড়াল না মহাজনও। টাকা ফেরত দিতে হবে। কী করে? জানত না বাসুদেব। জানত না মহাজনও। যেভাবে হোক টাকা ফেরত দাও... সুদটা তো বটেই। গলায় ফঁাস জড়ানো শরীরে ছিল শুধুই সব হারানোর যন্ত্রণা। নাসিক মহাকুম্ভের ঠিক আগে।
এ দেশের চাষি বোঝে, দাম না পাওয়ার যন্ত্রণা। জানে, সেই আতঙ্ক কোথায় যেতে পারে। পরিবারের মানুষগুলো প্রতি রাতে ঘুমায় বুকভরা আশঙ্কা নিয়ে... পরদিন ঘুম থেকে উঠে বাড়ির লোকটাকে দেখতে পাব তো! আশপাশে কোথাও সেঁকো বিষ না থেকে যায়... কিংবা একগাছা দড়ি...। দাম না পেলে দু’বেলা দু’মুঠো জোটে না। সারা মরশুমের খাটনি হারিয়ে যায় কিছু ফড়ের দালালি, মহাজনের চোখ রাঙানিতে। মরশুমের শুরুতে ধার করার আগে তাই সে বারবার ভাবে... মেটাতে পারব তো? ফসলের দাম পাব তো? গ্যারান্টি ছিল না বাম জমানায়। ছিল না সহায়ক মূল্য, ছিল না ফড়েরাজ বন্ধ করার এতটুকু প্রয়াস... তাই চাষির ঘরে মৃত্যু আকছার ঘটনা। নাঃ, মৃত্যু নয়... আত্মহত্যা।
সংস্কার যজ্ঞে নেমেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। এবার পালা কৃষির। তিনটি অর্ডিন্যান্স এবং সংসদের ‘বহুমতে’ তা আইনে পরিণত করা। সেই সব দেখনদারির কারবার শেষ। নয়া কৃষি আইন বলবৎ হতে এখন শুধু রাষ্ট্রপতির সইয়ের অপেক্ষা। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বললেন, ‘আমিও কৃষক। এ সরকার কৃষকের স্বার্থ বোঝে। তাই এই বিল পাশ।’ বিরোধীরা মানল না। মানল না এনডিএর সবচেয়ে পুরনো শরিক শিরোমণি আকালি দলও। ‘সরকারকে বোঝাতে পারিনি’... এই হতাশা নিয়ে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরসিমরত কউর বাদল। আকালি দলের নেত্রী। কেন? সরকারের মধ্যেই যদি সমীকরণে গলদ দেখা যায়, তাহলে কি বলা যায় যে, সব ঠিক আছে? না সব ঠিক নেই। সেটা নরেন্দ্র মোদিও বিলক্ষণ বোঝেন। তাই চলছে সাফাই... লাগাতার।
নতুন বিলে আতঙ্ক কোথায়? মূলত চারটি... বিক্রিবাটা বা লেনদেনের জায়গা (ট্রেড এরিয়া), ব্যবসায়ী (ট্রেডার), বাজার দর (মার্কেট ফি) এবং সমস্যা হলে তার সমাধানের প্রক্রিয়া (ডিসপুট রেজল্যুশন)।
প্রথমে দেখা যাক ‘ট্রেড এরিয়া’ বলতে কী বলা হচ্ছে। নয়া ব্যবস্থাপনায় ট্রেড এরিয়া হল এমন এলাকা বা জায়গা, যেখানে ফসল উৎপাদন বা সংগ্রহ হয়। তার মধ্যে রয়েছে, খামার চত্বর, কারখানা চত্বর, গুদাম, হিমঘর, ফসলের গোলা, বা দেশের এমন যে কোনও জায়গা, যেখানে কৃষিজাত দ্রব্যের ব্যবসায়িক লেনদেন চলতে পারে। এই তালিকায় কিন্তু কিষাণ মান্ডি, বাজার, বা বাজার চত্বরের উল্লেখ নেই। অর্থাৎ রাজ্যের আইন মোতাবেক তৈরি হওয়া মান্ডি বা পাইকারি বাজারের সেই অর্থে কোনও গুরুত্ব থাকছে না। মান্ডি বা পাইকারি বাজারে জায়গা পাওয়ার জন্য লাইসেন্স দরকার। তা না থাকলে সেই ব্যবসায়ী বৈধ নয়। ফড়ে বা সেই জাতীয় লোকজন যাতে কৃষকদের ঠকাতে না পারে, সেই বিষয়টা নিশ্চিত করার জন্যই এই নিয়ম। কিন্তু নতুন বিলে সে সবের বালাই নেই। আইন কার্যকর হলে মান্ডিগুলিকে তাদের একটা লক্ষ্মণরেখার মধ্যে বেঁধে দেওয়া হবে। যা ভেঙে বেরনো তাদের পক্ষে সম্ভব হবে না। বরং বেসরকারি সংস্থা বা খাদ্যপণ্য জগতের কর্পোরেট চাঁইদের পোয়াবারো। এক একটা মান্ডি এখন প্রায় ২০০টি গ্রামকে একসঙ্গে পরিষেবা দিতে পারে। তাদের ‘বন্দি’ করে ফেললে কর্পোরেটদের পরিধি বাড়বে ঠিকই, কিন্তু ধীরে ধীরে ধসে পড়বে কিষাণ মান্ডি। মূল ব্যবসায়ী বা ‘ট্রেডার’ হয়ে উঠবে কর্পোরেট। এই ট্রেডার কারা? যারা সরাসরি কৃষকদের থেকে শস্য কিনবে, তারাই ট্রেডার। দেশের যে কোনও জায়গায় এই ট্রেডিং চলতে পারে। এরপর থেকে ফসলের উপর রাজ্যের কোনও অধিকার বলতে কিছু থাকবে না। গুজরাত থেকে কোনও ‘ট্রেডার’ এসে বাংলার ধান কিনে নিয়ে যেতেই পারে। পাইকারি, মজুতদার, রপ্তানিকারী, বা খুচরো বিক্রেতা—কোথাও বাধা থাকবে না। শুধু প্যান কার্ড থাকলেই হল। কিষাণ মান্ডির জন্য বা রাজ্যের এপিএমসি আইনের আওতাধীন লাইসেন্স? দরকার নেই।
কেন্দ্রীয় সরকার দাবি করছে, মধ্যসত্ত্বভোগী বা ফড়েদের রাজত্ব এবার শেষ হবে। সরাসরি ক্রেতারা যাবেন কৃষকের কাছে। কিনে নেবেন ফসল। সঠিক দামটা পাবেন চাষি। সত্যিই কি তাই হবে? কৃষক কি জানতে পারবেন, কে ফড়ে, আর কে নন? ভুয়ো প্যানকার্ড গলায় ঝুলিয়ে প্রতারক যদি পাঁচ কুইন্টাল ধান কিনতে যান, দালানে বসে থাকা চাষির পক্ষে তাকে চেনা সম্ভব নয়। তাঁরা কিন্তু চেনেন কিষাণ মান্ডির অমুক মণ্ডল বা তমুক হালদারকে। পাঞ্জাবে না হয় মান্ডিতে ফসল বিক্রি করতে গেলে সাড়ে আট শতাংশ লেভি দিতে হয়। যার মধ্যে মার্কেট ফি তিন শতাংশ, গ্রামীণ উন্নয়ন চার্জ তিন শতাংশ এবং ‘অরহতিয়া কমিশন’ আড়াই শতাংশ। অরহতিয়া কী? সোজা ভাষায় মধ্যসত্ত্বভোগী। পাঞ্জাবের মতো ধনী কৃষিনির্ভর রাজ্যে একটা বড় অংশ এই ‘পেশা’তেই পেট চালায়। সেখানকার কৃষকরাও যা মেনে নিয়েছেন। বছরের পর বছর ধরে এটাই চলে আসছে। পশ্চিমবঙ্গে অবশ্য এমন কোনও লেভি নেই। মান্ডিতে ধান বিক্রি করতে গেলে কোনও বাড়তি টাকা বা কমিশনও গুনতে হয় না। বরং এখানে চাষি জানেন, সরকারি সহায়ক মূল্যটা কত। মান্ডিতে সেই দামের থেকে নীচে নামা মুশকিল। কৃষক তাহলে তাঁর উৎপাদিত শস্য সরকারকেই বিক্রি করে দেবে। যেমন ধরে নেওয়া যাক, চলতি মরশুমে এক কুইন্টাল ধানের সহায়ক মূল্য ১৮১৫ টাকা। আগামী মরশুমে তা আরও ৫৩ টাকা বাড়বে। এমনটা কেন হয়? বিদ্যুৎ, সার, মজুরি... এই সবই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে। সরকার সহায়ক মূল্য বাড়িয়ে সেই বাড়তি খরচকেই ভারসাম্যে নিয়ে আসে। কিন্তু সহায়ক মূল্য বা সরকারি দামের গ্যারান্টি না থাকলে কর্পোরেট দুনিয়া যেমন খুশি দাম দেবে। প্রথম প্রথম একটু বেশিই। মান্ডি বাজারের কাঠামো ধসে পড়লে আঘাত সরাসরি পড়বে কৃষকদের উপর। তখন ছড়ি ঘোরাবে কর্পোরেট। এই পরিস্থিতিতে বেসরকারি বাজার যা দাম দেবে, তাতেই সন্তুষ্ট থাকতে হবে কৃষকদের। অর্থাৎ, শুরু হবে কর্পোরেট মনোপলি। কৃষিক্ষেত্রেও একচ্ছত্র আধিপত্য বেসরকারি জগতের। কোনও সমস্যা হলে? সমঝোতা করে নিতে হবে ব্যবসায়ীর সঙ্গে। খুব বেশি হলে এসডিওর কাছে দেওয়া যাবে আবেদনপত্র। তিনি সেই আবেদন পৌঁছে দেবেন তাঁরই তৈরি করা বোর্ডের কাছে। যারা বিচার করবে, কৃষকের আবেদন কতটা ঠিক। অর্থাৎ, আদালতের দরজায় কড়া নাড়তে পারবেন না কৃষক। বন্ধ হচ্ছে সেই পথ। চাষ করে যেতে হবে মুখ বুজে... মিলবে না দাম। কর্পোরেটের হাত ধরে ফিরবে নীল চাষের সিঁদুরে মেঘ।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাফাই দিতে আসরে নেমেছেন। বলছেন, মান্ডি বন্ধ হবে না। ভয় পাবেন না। এ এক ঐতিহাসিক বিল। কৃষকের স্বার্থে। সত্যিই কি তাই? আমাদের ভারত সরকার বোধহয় দূরেরটা ভাবছে না। আর না হলে বানিয়াদের সুবিধার্থে এক সুদূরপ্রসারী অঙ্ক রয়েছে এই সরকারের। বিরোধীরা কিন্তু এই অভিযোগেই সরব হয়েছে। তুমুল হট্টগোল হয়েছে রাজ্যসভায়। ওয়াক আউট, ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ, আট এমপি সাসপেন্ড... তারপরও পাশ হয়ে গিয়েছে বিল। সংখ্যাগরিষ্ঠতায়। আধিপত্য এখানেও। বিজেপির আধিপত্য, নরেন্দ্র মোদির আধিপত্য। বিজেপি সরকার এখন যা চাইবে, সেটাই হবে। অঙ্ক তাই বলছে। যে বিল আনা হবে, সেটাই হেলায় পাশ হয়ে যাবে। বিরোধী মতের গুরুত্ব নেই। কারণ, আমরা... ভারতবাসী ভোটের ঝুলি উজাড় করে বিজেপিকে কেন্দ্রের কুর্সিতে বসিয়েছি। ‘ভোটার দেবতা’র বরলাভ করে এখন নরেন্দ্র মোদির তূণীর সর্ব অস্ত্রে সজ্জিত। তাই সংস্কার হবে। নতুন নতুন আইন আসবে। সংশোধন হবে। মেনে নিতে হবে মানুষকে... কৃষককে।
২০১১ সালের পর থেকে বাংলায় ভূতনাথ পালের সংখ্যা কমেছে। গত দু’বছরে ফসলের দাম না পাওয়ায় একজন কৃষকও এ রাজ্যে আত্মঘাতী হয়নি। কিন্তু নতুন আইনে যদি রাজ্যের সব ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়, তাহলে কী হবে? আমরা কি নতুন, আধুনিক ভারতের দিকে আরও একধাপ এগব? নাকি ফিরে যাব ফেলে আসা অন্ধকারাচ্ছন্ন অতীতে... যেখানে মৃত্যুই কৃষকের একমাত্র মুক্তির পথ।  
22nd  September, 2020
মূকরাই সরব হবেন যথাসময়ে
পি চিদম্বরম

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যে পৃথিবী বিপুলভাবে সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠেছে সেখানে দরিদ্র বা গরিব রয়ে যাওয়াটা এক দুর্ভাগ্য। একটা দরিদ্র দেশে দরিদ্র থাকাটা গণতন্ত্রের ব্যর্থতা। আর একটা গরিব দেশের গরিব রাজ্যে দরিদ্র থেকে গেলে তাকে রাজনীতির অভিশাপ মানতে হবে।  বিশদ

বিহারের ভোটে অনেক পাখি মারার ছক মোদির
সন্দীপন বিশ্বাস

২০১৫ সালে বিহার বিধানসভার নির্বাচনের খবর করতে গিয়ে দেখেছিলাম, বিজেপি সেখানে কী পরিমাণ টাকা ঢেলেছিল। সমস্তিপুর, বেগুসরাই, জামুই, ভাগলপুর, মুঙ্গের, খাগাড়িয়া, লক্ষ্মীসরাই ঘুরে দেখেছিলাম, পতাকা, ফেস্টুন, ফ্লেক্স দিয়ে বিজেপি শহর মুড়ে দিয়েছে। বিশদ

উৎসব এবার চেতনার
মৃণালকান্তি দাস 

মন খারাপ। খুব মন খারাপ। সব আছে। অথচ কী যেন নেই! জীবনটা যেন এখন লুডোর গুটি। রোজ শুধু ওঠা-নামার খেলা। সবসময় মনে আতঙ্ক। যত না সংক্রমণে তার থেকে অনেক বেশি প্রিয়জনের থেকে দূরে চলে যাওয়ার। সেই নীলকণ্ঠ পাখিটা উড়ে গিয়েছে অজানা কোন অচিনপুরে। কিন্তু এই দুঃসময়েও মানুষ আগামীদিনের সুদিনের জন্য বুক বাঁধে। তাই তো এবারও মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পুজোর তোড়জোড়।   বিশদ

23rd  October, 2020
বেদ, পুরাণে বন্দিতা মহামায়া দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

 একদা দেবাসুর-সংগ্রামে ব্রহ্মশক্তির প্রেরণায় জয় হল দেবতাদের। একে বিজয় মহিমা মনে করে অগ্নি, বায়ু, বরুণ ও চন্দ্র এই চার দেবতা অহংকৃত ও গৌরবান্বিত হন। তাঁদের মুখমণ্ডলে কর্তৃত্বের পরিতৃপ্তি। বলদর্পে আচ্ছন্ন হয়ে সেই অমরবৃন্দ ভুলে গেলেন ব্রহ্মশক্তির কথা, যাঁর শক্তি ও অনুকম্পায় তাঁরা এতকাল শক্তিমান। বিশদ

22nd  October, 2020
বাৎসরিক আয়ু ক্রয়ের হাট
হারাধন চৌধুরী

 এবার পুজো হওয়াটা জরুরি। নিয়মরক্ষার হলেও। অন্যথায়, বাঙালি আরও বিষাদে ডুবে যাবে। উৎসব হলে মানুষের কেনাকাটা কিছুটা বাড়বে। যার ভিতরে অর্থনীতির জন্য সুখবর লুকিয়ে থাকে। বিশদ

22nd  October, 2020
পুজো হোক, লকডাউনে থাকুক উৎসব
সন্দীপন বিশ্বাস

এবার আমাদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আমাদের জয়ী হতেই হবে। তাই এবারের পুজো হোক অন্য পরিবেশে, অন্য মানসিকতায়। বাড়িতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটু আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং টিভিতেই হোক ঠাকুরদেখা। বিশদ

21st  October, 2020
প্রতিবাদে মাথা নোয়ায় পর্বতও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 নোট বাতিল কিংবা জিএসটির ক্ষেত্রে যে ডোন্ট কেয়ার দাপট মোদি সরকার দেখিয়েছিল, তা আপাতত উধাও। সব ইস্যুতেই এখন বিরোধীদের চরম বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যা তাদের ‘একচ্ছত্র’ ইমেজে বড়সড় একটা দাগ! বিশদ

20th  October, 2020
বৃদ্ধি ছাড়াই সংস্কার
পি চিদম্বরম

একটা ব্যাপারে সবাই একমত হতে পারি যে, নিজের মত, নীতি ও কাজের প্রচারে কোনও শাসক দল এবং সরকার—বিজেপি অথবা মোদি সরকারের মতো সফল হয়নি। এবং, এই উদ্দেশ্যে তারা যে-কোনও পরিমাণ টাকা খরচ করবে, যত দরকার কাউকে উৎপীড়ন করবে, যতটা প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে হুমকির মুখে রাখবে এবং যে-কোনও প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখবে। অতিশয়োক্তিটা ওদের কাছে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।   বিশদ

19th  October, 2020
অনেক হারানোর পুজো
হিমাংশু সিংহ

পুজোর ছুটির একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকে। উৎসবের অনেক আগে থেকেই সেই গন্ধে ম ম করে বাংলার গাঁ গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্র। সেই গন্ধের সঙ্গে আগমনি মিশে তৈরি হয় অদ্ভুত ঘোর লাগানো একটা অপেক্ষার। মা আসছেন। বাঙালির অনেক না পাওয়া ক্ষতবিক্ষত জীবনে এর চেয়ে পরম প্রাপ্তির আর কিছুই হতে পারে না। সেই অপেক্ষার সঙ্গেই মিশে যায় বিদেশে কাজ করা দত্ত বাড়ির ছেলে, দূরে বিয়ে হওয়া পাশের বাড়ির হেমন্তদার মেয়ের ঘরে ফেরার খুশি। 
বিশদ

18th  October, 2020
করোনা রোখার মন্ত্র ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’ 
তন্ময় মল্লিক

করোনা মোকাবিলায় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলার ও মাস্ককে জীবনসঙ্গী করার পরামর্শ হচ্ছে উপেক্ষিত। সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ। সকলের নজর সেই দিকেই। তাতে সাহসী হচ্ছে মানুষ। বাড়ছে বেপরোয়া ভাব। এগিয়ে আসছে বাংলার ভোট। প্রকট হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষমতা দখলের বাসনা। করোনার মধ্যেও ইস্যু পেলেই আন্দোলন। না থাকলে তৈরির চেষ্টা। অভিমুখ রাজ্যপাট। তাই কথায় কথায় মিছিল আর লড়াই।  
বিশদ

17th  October, 2020
অতিরিক্ত দিল্লি নির্ভরতাই বঙ্গ-বিজেপির সঙ্কট
সমৃদ্ধ দত্ত

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মতো ঝোড়ো আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেননি আর কেউই। সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু-স্রোত। এই সঙ্কটের মধ্যেই তাঁকে কাজ করতে হয়েছে। তাঁকে অভীধা দেওয়া হয় বাংলার রূপকার। কিন্তু ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ছিল, তিনি কৃষিকে অবহেলা করেছেন। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে তিনি যতটা উন্নতিসাধন করেছিলেন শিল্পে, সেই তুলনায় কৃষির উন্নয়ন কম হয়েছে।  
বিশদ

16th  October, 2020
ষড়যন্ত্রের তত্ত্বে সব ব্যর্থতা ঢাকা যায় না 
সন্দীপন বিশ্বাস

ব্যর্থতার এক একটি মাইলস্টোন স্থাপন করতে করতে ক্রমেই অতল খাদের দিকে এগিয়ে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অ্যান্ড কোম্পানি। অনেকেই অবশ্য মানবেন না যে খাদটা অতল। কেননা ভোটের এখনও অনেকদিন বাকি। কিন্তু তাঁর জনপ্রিয়তার প্রতিদিনই পতন হচ্ছে। সেটা তিনি নিজেও বোঝেন। তাই ইদানীং ছাতি বাজানো, তালি বাজানো বন্ধ করে দিয়েছেন। চেষ্টা করছেন, নানা রকম ভুজুং ভাজুং দিয়ে হারানো গৌরব উদ্ধার করতে।  
বিশদ

14th  October, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, মালদহ: সরকারি আবাসনে এক প্রৌঢ় রেলকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল মালদহে। বিজয়া দশমীর সন্ধ্যায় ওই রেলকর্মীর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃতের শরীর কার্যত ...

স্বরূপনগরের প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক আনিসুর রহমান(৭৮) প্রয়াত হয়েছেন। রবিবার গভীর রাতে সল্টলেকের বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ...

বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় টিভির অভিনেত্রী মালভি মালহোত্রাকে ছুরি দিয়ে কোপাল যোগেশকুমার মহিপাল সিং নামে এক ব্যক্তি। সোমবার রাত ন’টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটেছে ...

অবশেষে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগে জয় হল ডোনাল্ড ট্রাম্পের। প্রেসিডেন্ট মনোনীত কনজারভেটিভ জুরি অ্যামি ব্যারেটই ওই পদে শপথ নিলেন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের ঘণ্টাখানেক আগে তাঁর ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সহায়তায় কর্মস্থলে জটিলতার সমাধান। বাতজবেদনায় কষ্ট পাবার সম্ভাবনা। প্রেম-প্রণয়ে সাফল্য। পরশ্রীকাতর ব্যক্তির দ্বারা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪২০: মিং সাম্রাজ্যে বেজিং প্রথম রাজধানী হিসেবে সরকারী স্বীকৃতি পেল
১৪৯২: ইতালিয়ান নাবিক অভিযাত্রী ক্রিস্টোফার কলম্বাস কিউবা আবিষ্কার করেন।
১৮৬৬: বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক যোগীন্দ্রনাথ সরকারের জন্ম
১৮৬৭ - অ্যাংলো-আইরিশ বংশোদভূত সমাজকর্মী, লেখিকা,শিক্ষিকা তথা স্বামী বিবেকানন্দের শিষ্যা ভগিনী নিবেদিতার জন্ম
১৮৮৬: আজকের দিনে ফ্রান্স যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসাবে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উৎসর্গ করে।
১৯২২: বেনিতো মুসোলিনির নেতৃত্বে ইতালির ফ্যাসিস্ত সরকার রোম দখল করে
১৯৫৫ - মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের জন্ম
২০০২ - বিশিষ্ট কবি ও অবিস্মরণীয় ছড়াকার, কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক অন্নদাশঙ্কর রায়ের মৃত্যু।
২০০৬: ঢাকায় বাংলাদেশের আওয়ামী লিগের একদল কর্মী বিরোধী দলের এক সভায় হামলা চালায়। খুন করে বিরোধী দলের ১৪ কর্মীকে
২০০৯: পেশোয়ারে বোমা বিস্ফোরণে ১১৭ জনের মৃত্যু হয়। জখম হয় ২১৩ জন



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.১১ টাকা ৭৪.৮২ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৭৫ টাকা ৯৮.০৯ টাকা
ইউরো ৮৫.৯০ টাকা ৮৯.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫১, ৭৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯, ১৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৯, ৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২, ১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২, ২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ কার্তিক, ১৪২৭, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, দ্বাদশী ১৭/৫৯ দিবা ১২/৫৪। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র ৮/৪১ দিবা ৯/১১। সূর্যোদয় ৫/৪২/৪০, সূর্যাস্ত ৪/৫৮/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/২৬ মধ্যে পুনঃ ৭/১২ গতে ৭/৫৭ মধ্যে পুনঃ ১০/১৩ গতে ১২/২৮ মধ্যে। রাত্রি ৫/৫১ গতে ৬/৪২ মধ্যে পুনঃ ৮/২৩ গতে ৩/১০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/২৬ গতে ৭/১২ মধ্যে পুনঃ ১/১৪ গতে ৩/২৯ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩১ গতে ৯/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/২০ গতে ১২/৪৫ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩২ গতে ৪/৭ মধ্যে।
১১ কার্তিক, ১৪২৭, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, দ্বাদশী দিবা ১/৪০। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র দিবা ১১/১। সূর্যোদয় ৫/৪৪, সূর্যাস্ত ৪/৫৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৮ মধ্যে ও ৭/২১ গতে ৮/৫ মধ্যে ও ১০/১৬ গতে ১২/২৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪১ গতে ৬/৩৩
মধ্যে ও ৮/১৮ গতে ৩/১৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৩৮ গতে ৭/২১ মধ্যে ও ১/১০ গতে ৩/২১ মধ্যে। কালবেলা ৮/৩৩ গতে ৯/৫৭ মধ্যে ও ১১/২১ গতে ১২/৪৬ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩৩ গতে ৪/৮ মধ্যে।
১০ রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: ৮৮ রানে জিতল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ 

27-10-2020 - 11:00:00 PM

আইপিএল: দিল্লি ৯৬/৬ (১৫ ওভার) 

27-10-2020 - 10:40:09 PM

আইপিএল: দিল্লি ৭৬/৪ (১১ ওভার) 

27-10-2020 - 10:18:29 PM

আইপিএল: দিল্লি ৩৪/২ (৫ ওভার) 

27-10-2020 - 09:48:54 PM

দিল্লিকে ২২০ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

27-10-2020 - 09:09:36 PM

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ১৭৫/২ (১৫ ওভার) 

27-10-2020 - 08:46:00 PM