Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কুকথায় হাততালি জুটলেও
দূরে সরে যায় মানুষ 
তন্ময় মল্লিক

রুটি সেঁকার জন্য তাওয়া গরম করতে হয়। আবার সেই তাওয়া বেশি তেতে গেলে রুটি যায় পুড়ে। তখন খাবারের থালার বদলে রুটির জায়গা হয় ডাস্টবিনে। রাজনীতিতেও তেমনটাই। কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য নেতারা গরম গরম ভাষণ দেন। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়। পাতে তোলে না। বলতে বাধা নেই, ভোট এগিয়ে আসতেই গেরুয়া শিবিরের কিছু নেতার ভাষণে গরমের মাত্রা দিন দিন বাড়ছে। হুঙ্কার ছাড়ার প্রতিযোগিতায় যেন একে অপরকে ছাপিয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে নেমেছেন। তাতে কর্মীরা কিঞ্চিৎ চাঙ্গা হচ্ছেন, হাততালিও পাচ্ছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ? মুখ ফেরাচ্ছেন। কারণ বেশিরভাগ মানুষই শান্তিপ্রিয়। অশান্তি এবং মারদাঙ্গা তাঁদের নাপসন্দ। পঞ্চায়েত ভোটে সেই ভুল করেছিল শাসক দল। মানুষ শিক্ষা দিয়েছিল লোকসভা নির্বাচনে।
কথায় আছে, মুখের কথা আর হাতের ঢিল ছোঁড়ার আগে সাতবার ভাবতে হয়। একবার তা বেরিয়ে গেলে ফেরানো যায় না। তার রেশ থেকে যায় মৃত্যুর পরেও। সেই নজির এরাজ্যে প্রচুর। বাম জমানার শেষলগ্নে সিপিএম নেতা অনিল বসু আরামবাগের একটি জনসভায় কর্মীদের চাঙ্গা করতে গিয়ে সেই ভুলটাই করেছিলেন। কর্মীদের হাততালি পেয়েছিলেন, কিন্তু মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল জনগণ। লোকসভা আসনে অনিল বসুর রেকর্ড ভোটে জেতার কথা হয়তো মানুষ ভুলে যাবে, ভুলবে না তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে করা কুৎসিত অঙ্গভঙ্গি।
নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় ‘লাইফ হেল’ করে দেওয়ার হুঙ্কার ছেড়েছিলেন সিপিএমের বিনয় কোঙার। সমাজসেবী মেধা পাটেকর নন্দীগ্রামে যাবেন শুনে বিনয়বাবু বলেছিলেন, ‘নন্দীগ্রামের মেয়েরা মেধা পাটেকরকে পাছা দেখাবে।’ তাঁর কথায় ছিল উস্কানি। কৃষক আন্দোলনের সামনের সারিতে
ছিলেন বিনয় কোঙার। ভাগচাষিদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর লড়াইয়ের গৌরব ম্লান করে দিয়েছে তাঁরই কুকথা। তবে অনিল বসু বা বিনয় কোঙার নন, প্রমোদ দাশগুপ্তকেই এরাজ্যে কুকথার স্রষ্টা বলে অনেকে মনে করেন। যুক্তফ্রন্টের আমলে নকশাল আন্দোলন দমনে ব্যর্থ পুলিসকে কটাক্ষ করতে
গিয়ে তিনি অত্যন্ত কুৎসিত মন্তব্য করেছিলেন। পুলিসের গুলিতে নকশালদের না মরার পিছনে
এমন কথা বলেছিলেন, যা মনে পড়লে এখনও বহু কমরেড লজ্জায় মুখ লুকান।
এরাজ্যের মানুষের কাছে যাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল নায়ক হিসেবে, তাঁর নাম তাপস পাল। সিনেমাপাগল লক্ষ লক্ষ মা-বোনের চোখে তিনি ছিলেন ‘হিরো’। একের পর এক হিট সিমেনা উপহার দিয়েছিলেন। সেই ইমেজের জোরেই তিনি বিধানসভা ও লোকসভার কঠিন আসনেও অনায়াসেই জয় হাসিল করেছিলেন। সেই তাপস পাল সিপিএমকে আক্রমণ করতে গিয়ে হারিয়ে ছিলেন ভাষার উপর নিয়ন্ত্রণ। তাঁর সেই কুৎসিত মন্তব্যের জন্যই তিনি নায়ক থেকে হয়ে গিয়েছিলেন ‘খলনায়ক’। রিলের হিরো আর রিয়েল নায়কের সংলাপ যে এক হয় না, সেটা তিনি ভুলে গিয়েছিলেন। তাই যাঁর মহাপ্রস্থানের দিনে বাংলার মা-বোনেদের চোখের জলে বান ডাকার কথা ছিল, সেই তাপস পাল ইহলোক ছেড়েছিলেন নীরবে।
প্রতিবাদ হিংসার পথ নিলে দিকভ্রষ্ট হয় আন্দোলন। তখন লক্ষ্যকে ছাপিয়ে বড় হয়ে যায় উপলক্ষ। একথা প্রমাণ হয়েছে বারে বারে। সাফল্যের কোনও শর্টকাট রুট নেই। সাফল্য আসে ধারাবাহিকতার হাত ধরে। ধারাবাহিক ও সংযত আন্দোলনেই পূরণ হয় উদ্দেশ্য। অবিরাম বৃষ্টিধারা মাটির একটার পর একটা স্তর ভেদ করে ধীরে ধীরে পৌঁছয় গভীরে। পুষ্ট করে ভূগর্ভস্থ জলাধার। সেই বিশুদ্ধ জলই মানুষের জীবন বাঁচায়। আন্দোলনও তেমনই। ধারাবাহিক আন্দোলন মানুষের মনের গভীরে জায়গা করে নেয়। সুরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার ভরসা জোগায়।
ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের জন্মলগ্ন থেকেই লড়াইয়ের পথ নিয়েছিল দ্বন্দ্ব। সহিংস, না অহিংস? মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরুর অহিংস পথকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ছিলেন লালা লাজপত রায়, বালগঙ্গাধর তিলক, বিপিনচন্দ্র পালরা। তাঁদের আস্থা ছিল চরমপন্থায়। ‘যেমন কুকুর তেমন মুগুর’ নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন বাঘা যতীন, প্রফুল্ল চাকি, বিনয়-বাদল-দীনেশ। ভারতবাসীর ‘নয়নের মণি’ সুভাষচন্দ্র বসুও কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন। এঁরা সকলেই আমাদের প্রণম্য। তবুও স্বাধীন ভারত গান্ধীজিকেই ‘জাতির জনক’-এর সম্মান দিয়েছে। কারণ তাঁর অহিংস নীতি। ভারত শান্তির পূজারি।
ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিলে ভবিষ্যতের পথ মসৃণ হয়। কিন্তু রাজনৈতিক নেতাদের সাম্প্রতিক কথাবার্তায় ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণের ছাপ বিন্দুমাত্র নেই। রাজনীতিতে কদর্য ভাষার প্রয়োগ দেউলিয়াপনার লক্ষণ। উস্কানিমূলক ভাষণ ও ব্যক্তি আক্রমণে স্তাবকদের হাততালি পাওয়া যায়, কিন্তু সাধারণ
মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়। কারণ রাজনীতির চাওয়া-পাওয়ার বাইরে অসংখ্য মানুষ আছেন, যাঁরা শান্তি ছাড়া আর কিছুই চান না।
বড় হওয়ার সর্বোত্তম রাস্তা নিজের উৎকর্ষ বৃদ্ধি। অন্যকে ছোট করে বড় হওয়ার চেষ্টা ভুল এবং বিপজ্জনক। কিন্তু রাজনীতিতে দিন দিন সেটাই জনপ্রিয় হচ্ছে। সমালোচনা করলেই হেনস্তার চেষ্টা। কম বেশি সব দলেই। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বাঙালি গর্ববোধ করে। বিজেপির সমালোচনা করায় অভিজিৎ বিনায়কের কৃতিত্বকে ছোট করার চেষ্টা চলে। বলা হল, ‘বিদেশিনীকে বিয়ে করেছেন বলেই তিনি নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন।’ যুক্তি ও তর্কের ভাঁড়ার শূন্য হলে কদর্ষ ভাষাই নির্গত হয়।
২০১১ সালে ভোটের আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘বদলা নয়, বদল চাই।’ কারণ তিনি বুঝেছিলেন, সিপিএমের ৩৪ বছরের রাজত্বের অন্যায় ও অত্যাচারের বদলা নিতে গেলে গঙ্গার জল লাল হয়ে যাবে। তাই বঙ্গ রাজনীতির পালা বদলের পর তাঁরই নির্দেশে রাজ্যজুড়ে বেজেছিল রবীন্দ্রসঙ্গীত।
দিলীপবাবু বদলা নেওয়ার নীতিতে বিশ্বাসী। বহুবার তিনি প্রকাশ্যে তা ঘোষণা করেছেন। অনেকে মনে করেন, দিলীপবাবুর লক্ষ্য ছিল, এরাজ্যে প্রধান বিরোধী দলের স্বীকৃতি আদায়। সিপিএমের হতাশাগ্রস্ত কর্মীদের কাছে টানতেই তিনি বদলার কথা বলেছিলেন। তাঁর সেই উদ্দেশ্য সফল।
এবার তাঁর লক্ষ্য রাজ্যের ক্ষমতা দখল। তাই বিরোধী নেতা থেকে শাসক হওয়ার ‘ইমেজ বিল্ডিং’ই তাঁর সামনে সব চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তার জন্য দরকার ভাষার সংযম। কিন্তু সেই রাস্তায় তিনি হাঁটতে নারাজ। হয়তো চাইলেও পারছেন না। কারণ দলে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীর সংখ্যা বাড়ছে। তাই তিনি আক্রমণের ধার দিন দিন বাড়াচ্ছেন। তৃণমূলের পাশাপাশি আক্রমণ করছেন পুলিসকেও। হয়তো ভাবছেন, পুলিসকে চাপে রাখতে না পারলে ‘গেম’ বের করা কঠিন। তাই পুলিস-পরিবারের মধ্যে ভয়টা চালান করে দিতে চাইছেন। সেই কারণেই পুলিসের সন্তানদের পড়া বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি।
গ্যাংস্টার বিকাশ দুবে কানপুরওয়ালের এনকাউন্টারকে আগেই সমর্থন করেছিলেন দিলীপবাবু। এবার তাঁকেও ছাপিয়ে গেলেন তাঁর দলের সহ সভাপতি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুব্রত মণ্ডল ও মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে ‘ক্রিমিনাল’ আখ্যা দিয়ে এনকাউন্টার করার হুমকি দিয়েছেন রাজুবাবু। তাঁর সেই কথায় প্রচুর হাততালি পড়েছে। সেটাই স্বাভাবিক। অনিল বসুও হাততালি পেয়েছিলেন। তাপস পালও পেয়েছিলেন। কিন্তু, সেই হাততালি কেড়ে নিয়েছিল তাঁদের সারা জীবনের সুনাম।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন দল গঠনের এক বছরের মধ্যেই সিপিএমের ভিত নড়িয়ে দিয়েছিলেন। সিপিএমের একের পর এক ভুল পদক্ষেপ, ছোট আঙারিয়ার নৃশংস গণহত্যার মতো ঘটনায় বামেদের নেগেটিভ ভোট দিন দিন বাড়ছিল। তা সত্ত্বেও মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জন্য মমতাকে প্রায় এক যুগ অপেক্ষা করতে হয়েছিল। তাঁর আপসহীন লড়াই-ই তাঁকে এক নম্বর বিরোধী নেত্রীর মর্যাদা দিলেও প্রশাসক হিসেবে তখনও তিনি পরীক্ষিত হননি। তাই মানুষ ভরসা করতে পারেনি। মনমোহন সিংয়ের মন্ত্রিসভায় রেলমন্ত্রী হিসেবে তাঁর বিপুল সাফল্য ও বাংলায় রেলের প্রভূত উন্নয়঩ন তাঁকে প্রশাসকের সেই স্বীকৃতি দিয়েছিল। মানুষ বুঝেছিল, দায়িত্ব দিলে তিনি কাজ করতে পাবরেন। মানুষের সেই ভরসা ও বিশ্বাস তাঁকে পৌঁছে দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে।
ইতিহাস শুধু কিছু অতীত ঘটনার সাক্ষীই নয়, শিক্ষাও দেয়। কী করা উচিত, আর কোনটা এড়িয়ে চলা দরকার, ইতিহাস সেই শিক্ষাও দেয়। তাই অনিল বসু, বিনয় কোঙার, তাপস পালরা হয়ে উঠেছেন রাজনীতির শিক্ষণীয় চরিত্র। তাঁরাই শিখিয়ে গিয়েছেন, কুকথার ফুলঝুরি ফুটিয়ে স্তাবকদের হাততালি পাওয়া যায়, কিন্তু সাধারণ মানুষ সরে দূরে। অনেক দূরে...।  
19th  September, 2020
কৈলাসে ফিরতে
মন চাইবে না মা
হারাধন চৌধুরী

আমাদের পাশে থেকো মা। তোমাকে কথা দিচ্ছি, আগামীবার এসে দেখবে—আমাদের এই পৃথিবীর সমস্ত অসুখ সেরে গেছে। আমাদের কারও মধ্যে ছোঁয়াছুঁয়ির ভয় নেই, কোনওরকম ছুঁৎমার্গ নেই। বিশদ

মূকরাই সরব হবেন যথাসময়ে
পি চিদম্বরম

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যে পৃথিবী বিপুলভাবে সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠেছে সেখানে দরিদ্র বা গরিব রয়ে যাওয়াটা এক দুর্ভাগ্য। একটা দরিদ্র দেশে দরিদ্র থাকাটা গণতন্ত্রের ব্যর্থতা। আর একটা গরিব দেশের গরিব রাজ্যে দরিদ্র থেকে গেলে তাকে রাজনীতির অভিশাপ মানতে হবে।  বিশদ

28th  October, 2020
বিহারের ভোটে অনেক পাখি মারার ছক মোদির
সন্দীপন বিশ্বাস

২০১৫ সালে বিহার বিধানসভার নির্বাচনের খবর করতে গিয়ে দেখেছিলাম, বিজেপি সেখানে কী পরিমাণ টাকা ঢেলেছিল। সমস্তিপুর, বেগুসরাই, জামুই, ভাগলপুর, মুঙ্গের, খাগাড়িয়া, লক্ষ্মীসরাই ঘুরে দেখেছিলাম, পতাকা, ফেস্টুন, ফ্লেক্স দিয়ে বিজেপি শহর মুড়ে দিয়েছে। বিশদ

28th  October, 2020
উৎসব এবার চেতনার
মৃণালকান্তি দাস 

মন খারাপ। খুব মন খারাপ। সব আছে। অথচ কী যেন নেই! জীবনটা যেন এখন লুডোর গুটি। রোজ শুধু ওঠা-নামার খেলা। সবসময় মনে আতঙ্ক। যত না সংক্রমণে তার থেকে অনেক বেশি প্রিয়জনের থেকে দূরে চলে যাওয়ার। সেই নীলকণ্ঠ পাখিটা উড়ে গিয়েছে অজানা কোন অচিনপুরে। কিন্তু এই দুঃসময়েও মানুষ আগামীদিনের সুদিনের জন্য বুক বাঁধে। তাই তো এবারও মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পুজোর তোড়জোড়।   বিশদ

23rd  October, 2020
বেদ, পুরাণে বন্দিতা মহামায়া দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

 একদা দেবাসুর-সংগ্রামে ব্রহ্মশক্তির প্রেরণায় জয় হল দেবতাদের। একে বিজয় মহিমা মনে করে অগ্নি, বায়ু, বরুণ ও চন্দ্র এই চার দেবতা অহংকৃত ও গৌরবান্বিত হন। তাঁদের মুখমণ্ডলে কর্তৃত্বের পরিতৃপ্তি। বলদর্পে আচ্ছন্ন হয়ে সেই অমরবৃন্দ ভুলে গেলেন ব্রহ্মশক্তির কথা, যাঁর শক্তি ও অনুকম্পায় তাঁরা এতকাল শক্তিমান। বিশদ

22nd  October, 2020
বাৎসরিক আয়ু ক্রয়ের হাট
হারাধন চৌধুরী

 এবার পুজো হওয়াটা জরুরি। নিয়মরক্ষার হলেও। অন্যথায়, বাঙালি আরও বিষাদে ডুবে যাবে। উৎসব হলে মানুষের কেনাকাটা কিছুটা বাড়বে। যার ভিতরে অর্থনীতির জন্য সুখবর লুকিয়ে থাকে। বিশদ

22nd  October, 2020
পুজো হোক, লকডাউনে থাকুক উৎসব
সন্দীপন বিশ্বাস

এবার আমাদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আমাদের জয়ী হতেই হবে। তাই এবারের পুজো হোক অন্য পরিবেশে, অন্য মানসিকতায়। বাড়িতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটু আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং টিভিতেই হোক ঠাকুরদেখা। বিশদ

21st  October, 2020
প্রতিবাদে মাথা নোয়ায় পর্বতও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 নোট বাতিল কিংবা জিএসটির ক্ষেত্রে যে ডোন্ট কেয়ার দাপট মোদি সরকার দেখিয়েছিল, তা আপাতত উধাও। সব ইস্যুতেই এখন বিরোধীদের চরম বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যা তাদের ‘একচ্ছত্র’ ইমেজে বড়সড় একটা দাগ! বিশদ

20th  October, 2020
বৃদ্ধি ছাড়াই সংস্কার
পি চিদম্বরম

একটা ব্যাপারে সবাই একমত হতে পারি যে, নিজের মত, নীতি ও কাজের প্রচারে কোনও শাসক দল এবং সরকার—বিজেপি অথবা মোদি সরকারের মতো সফল হয়নি। এবং, এই উদ্দেশ্যে তারা যে-কোনও পরিমাণ টাকা খরচ করবে, যত দরকার কাউকে উৎপীড়ন করবে, যতটা প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে হুমকির মুখে রাখবে এবং যে-কোনও প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখবে। অতিশয়োক্তিটা ওদের কাছে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।   বিশদ

19th  October, 2020
অনেক হারানোর পুজো
হিমাংশু সিংহ

পুজোর ছুটির একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকে। উৎসবের অনেক আগে থেকেই সেই গন্ধে ম ম করে বাংলার গাঁ গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্র। সেই গন্ধের সঙ্গে আগমনি মিশে তৈরি হয় অদ্ভুত ঘোর লাগানো একটা অপেক্ষার। মা আসছেন। বাঙালির অনেক না পাওয়া ক্ষতবিক্ষত জীবনে এর চেয়ে পরম প্রাপ্তির আর কিছুই হতে পারে না। সেই অপেক্ষার সঙ্গেই মিশে যায় বিদেশে কাজ করা দত্ত বাড়ির ছেলে, দূরে বিয়ে হওয়া পাশের বাড়ির হেমন্তদার মেয়ের ঘরে ফেরার খুশি। 
বিশদ

18th  October, 2020
করোনা রোখার মন্ত্র ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’ 
তন্ময় মল্লিক

করোনা মোকাবিলায় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলার ও মাস্ককে জীবনসঙ্গী করার পরামর্শ হচ্ছে উপেক্ষিত। সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ। সকলের নজর সেই দিকেই। তাতে সাহসী হচ্ছে মানুষ। বাড়ছে বেপরোয়া ভাব। এগিয়ে আসছে বাংলার ভোট। প্রকট হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষমতা দখলের বাসনা। করোনার মধ্যেও ইস্যু পেলেই আন্দোলন। না থাকলে তৈরির চেষ্টা। অভিমুখ রাজ্যপাট। তাই কথায় কথায় মিছিল আর লড়াই।  
বিশদ

17th  October, 2020
অতিরিক্ত দিল্লি নির্ভরতাই বঙ্গ-বিজেপির সঙ্কট
সমৃদ্ধ দত্ত

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মতো ঝোড়ো আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেননি আর কেউই। সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু-স্রোত। এই সঙ্কটের মধ্যেই তাঁকে কাজ করতে হয়েছে। তাঁকে অভীধা দেওয়া হয় বাংলার রূপকার। কিন্তু ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ছিল, তিনি কৃষিকে অবহেলা করেছেন। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে তিনি যতটা উন্নতিসাধন করেছিলেন শিল্পে, সেই তুলনায় কৃষির উন্নয়ন কম হয়েছে।  
বিশদ

16th  October, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ভুয়ো ভাউচার ছাপিয়ে ময়নার শ্রীকণ্ঠা সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি থেকে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগ উঠল সমিতির ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। গত ১৭ অক্টোবর সমবায় সমিতির সম্পাদক সুবোধচন্দ্র মাইতি ম্যানেজার সোমনাথ দাসের বিরুদ্ধে ময়না থানায় এফআইআর করেছেন।   ...

কাশ্মীর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহল, বিশেষ করে দুই মুসলিম দেশের কাছে বড় ধাক্কা খেল পাকিস্তান। জম্মু ও কাশ্মীরের উপর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মঙ্গলবার ইরানে কালা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইমরান খানের সরকার। এমনকী, সৌদি আরবের রিয়াধেও সেই ...

‘দরওয়াজা বন্ধ’ করেই অনুশীলন করাতে পছন্দ করেন এটিকে মোহন বাগানের হেডস্যার আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। গতবার সল্টলেক স্টেডিয়ামের সংলগ্ন প্র্যাকটিস মাঠে এরকমই চিত্র দেখা গিয়েছিল। এবার গোয়াতে আইএসএলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রণয়-প্রবীররা। ...

ট্যুইটারে লাদাখকে চীনের অংশ হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এনিয়ে ভারতের যৌথ সংসদীয় কমিটির প্রশ্নের মুখে ট্যুইটার ইন্ডিয়া। তাদের তরফে বিষয়টি নিয়ে এই মাইক্রোব্লগিং সাইট কর্তৃপক্ষের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়। যার উত্তরে সংশ্লিষ্ট কমিটিকে ট্যুইটার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, এ ব্যাপারে তারা ভারতের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব আছে। কর্মরতদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস
১৯৬৯: ইন্টারনেটের আগের স্তর আরপানেটের আবিষ্কার
১৯৭১: অস্ট্রেলিয় ক্রিকেটার ম্যাথু হেডের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রীমা সেনের জন্ম
১৯৮৫: বক্সার বিজেন্দর সিংয়ের জন্ম
১৯৮৮: সমাজ সংস্কারক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৯: ওড়িশায় ঘূর্ণিঝড়ে কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু
২০০৫: দিল্লিতে পরপর তিনটি বিস্ফোরণে অন্তত ৬২জনের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৪৭ টাকা ৯৭.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৫.২৮ টাকা ৮৮.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫১,৮১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৯,৮৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী ২৩/৫২ দিবা ৩/১৬। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র ১৫/৪১ দিবা ১২/০। সূর্যোদয় ৫/৪৩/১৬, সূর্যাস্ত ৪/৫৭/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৩ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১০ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।
১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী দিবা ৩/২১। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র দিবা ১/১২। সূর্যোদয় ৫/৪৪, সূর্যাস্ত ৪/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৮ মধ্যে ও ১/১১ গতে ২/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ৩/১৪ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৫/৪৫ মধ্যে। কালবেলা ২/১০ গতে ৪/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৭ মধ্যে।
১১ রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বাগনানে বনধ, রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের 
বনধ ঘিরে বাগনানে অশান্তি। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে,ব্যারিকেড ফেলে বিক্ষোভ দেখান ...বিশদ

12:49:00 PM

পুরুলিয়ায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যু, চাঞ্চল্য 
বুধবার রাতে পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যুতে ...বিশদ

12:47:00 PM

পুরুলিয়ায় যুবককে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ 
এক যুবককে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে পুরুলিয়ার কোটশিলা থানার পুলিস শিবরাম ...বিশদ

12:42:42 PM

প্রয়াত বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার সুকুমার হাঁসদা
কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হল ডেপুটি স্পিকার তথা ঝাড়গ্রামের ...বিশদ

12:39:00 PM

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে গুলির চেষ্টা 
পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে গুলির চেষ্টা। ঘটনাটি ঘটেছে তপসিয়া এলাকার কোহিনুর ...বিশদ

12:02:31 PM

নন্দীগ্রামে বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার গাড়ির নীচ থেকে উদ্ধার বোমা
নন্দীগ্রামের কেন্দেমারি-জালপাই গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মানসুরা বেগমের স্বামী তথা বহিষ্কৃত ...বিশদ

11:55:04 AM