Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন। বেশ কষ্টে ইশারা ইঙ্গিতেই কথা বলছিলেন। তাই স্থির হয়েছে, ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়াই শ্রেয়। গত ১০ সেপ্টম্বর সকালে সেভাবেই একজন হসপিটাল অ্যাটেন্ডেন্টকে ইশারা করেছিলেন তিনি। হসপিটাল বেডসাইড টেবিলে একটি পেন আর প্যাড রয়েছে প্রথম থেকে। মাঝেমধ্যে তিনি চিঠি লেখেন। কিংবা কিছু নোট করেন। রঘুবংশপ্রসাদ সিং-কে সেই প্যাড দেওয়া হল। তিনি একটি চিঠি লিখলেন। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে। চিঠির প্রতিপাদ্য হল, মহাত্মা গান্ধী সেতু রোড থেকে হাজিপুর যাওয়ার যে হাইওয়ে, তার ঠিক মাঝখানে বৈশালী নামাঙ্কিত একটি তোরণদ্বার তৈরি করুক বিহার সরকার। সেই তোরণদ্বারে লেখা হোক ‘বিশ্বের প্রথম গণতন্ত্র, বৈশালী’। আর এরপর বৈশালী যখন ক্রস করছে, তখন বিভিন্ন স্থানে ফলক বসিয়ে রাষ্ট্রকবি দিনকরের কবিতার ছোট ছোট লা‌ইন যেন লেখা হয় রাস্তার পাশে পাশে। আপনার কাছে আমার বিনীত অনুরোধ এটাই। চিঠি লেখার একদিন পরই রঘুবংশপ্রসাদ সিং-এর মৃত্যু হল। বিহারের বৈশালী থেকে নির্বাচিত পাঁচবারের এমপি ছিলেন। লালুপ্রসাদ যাদবের দলের নেতা। অঙ্ক ও স্ট্যাটিসটিক্সের অধ্যাপক। পিএইচডি করেছেন। আমার সাংবাদিক জীবনে দেখা সবথেকে উদার, ডিসেন্ট, জ্ঞানঅর্জনে সদা উৎসূক এবং একজন যোগ্যতম মন্ত্রী। তিনি ছিলেন ইউপিএ সরকারের গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী। রঘুবংশবাবু (তাঁকে এভাবেই ডাকা হতো বিহার ও দিল্লিতে) ভারতের গ্রামীণ এলাকার জন্য দুটি কাজ করে গিয়েছেন মন্ত্রী হিসেবে। ওই দুটি প্রকল্প ভারতের গ্রামসমাজে বিপ্লব এনে দিয়েছে। দুটিরই অন্যতম প্রধান কারিগর তিনি। ১০০ দিনের কাজের গ্যারান্টি আইন এবং নির্মল গ্রাম যোজনা। নির্মল গ্রাম যোজনার অর্থ প্রতিটি গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে শৌচালয় করে দেওয়া হবে। আজ আমরা জানি এই দুই প্রকল্প কীভাবে ভারতের গ্রামের আর্থসামাজিক অবস্থাকে আমূল বদলে দিয়েছে। ওই প্রকল্প দুটি শুরুর ১৪ বছর পরও আজ এই দু‌ই প্রকল্পই সবথেকে উজ্জ্বল ও প্রাসঙ্গিক। নির্মল গ্রাম যোজনার নাম হয়তো পরবর্তীতে একটি উচ্চকিত প্রচারের আলোয় ঢেকে গিয়েছে। নতুন কসমেটিক্স চেঞ্জ করে হয়েছে স্বচ্ছ ভারত প্রকল্প। কিন্তু আসল কাঠামোটি ওই রঘুবংশবাবুর তৈরি করে যাওয়া নির্মল গ্রাম যোজনাই।
৭৪ বছর বয়সি একজন মানুষের কালান্তক রোগ হয়েছে। তিনি জানেন ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মানে আর নাও ফিরতে পারি। অথচ সেই অন্তিম মুহূর্তে তিনি অন্য কিছু ভাবলেন না। শেষ চিঠি লিখে অনুরোধ করে গেলেন মুখ্যমন্ত্রীকে, বৈশালীকে যেন দুনিয়াবাসী মনে রাখে বিশ্বের প্রথম গণতন্ত্র হিসেবে। দেখেই বোঝা যাচ্ছে হাতে লেখা চিঠিটি লেখার সময় তিনি কতটা অসুস্থ ছিলেন। আঁকাবাঁকা অক্ষরে ভাঙা ভাঙা শব্দ দিয়ে তৈরি বাক্য। রঘুবংশবাবু ঠিক যেমন ছিলেন, মৃত্যুর প্রাক্কালে নিজেকে সেই আসনেই স্থায়ীভাবে বসিয়ে দিয়ে গেলেন। হাঁটুর উপর ধুতি, পান অথবা খইনি খেতে খেতে সম্পূর্ণ দেহাতি হিন্দিতে বলা বা঩঩ক্যের দৃশ্যমানতার আড়ালে তিনি ছিলেন অন্যতম আধুনিক একটি মানুষ। তিনি ছিলেন রাম মনোহর লোহিয়ার সোশ্যালিস্ট রাজনীতির অনুগামী। রঘুবংশবাবু চলে যাওয়ার পর ভারতের জাতীয় স্তরের রাজনীতিতে আর একজনও প্রভাবশালী রাজনীতিক রইলেন না, যাঁর সঙ্গে ১০০ শতাংশ মাটির যোগ আছে। গ্রামকে তিনি চিনতেন হাতের তালুর মতো। তাই আজও ভারতের গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকটি শ্রেষ্ঠ আকার ধারণ করেছিল এক ও একমাত্র রঘুবংশবাবুর আমলে। সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর অফিসাররা যখন কোন রাজ্য কত বরাদ্দ পেল সেই তালিকা ফাইল দেখে দেখে বলতেন, তিনি অনায়াসে চেয়ারে পা তুলে চোখ বুজে বলে যেতেন প্রতিটি পরিসংখ্যান। তাবৎ আই এ এস অফিসার থাকতেন তটস্থ। কারণ, কোটি কোটি টাকার অঙ্কে সামান্য একটি ডিজিট ভুল হলেই তিনি চোখ খুলে ভ্রু কুঁচকে তাকাতেন! সকলেই বুঝে যেতেন যে কিছু একটা খটকা হয়েছে। তারপর তিনি হেসে ফেলতেন। শুধুই ঩কি একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি? না। তিনি ছিলেন সত্যদ্রষ্টা। রঘুবংশপ্রসাদ সিং এর প্রসঙ্গ উত্থাপন করার কারণ হল তাঁর করে যাওয়া ভবিষ্যদ্বাণী আজ সম্পূর্ণ সত্য হয়েছে। সবথেকে বড় হাহাকার হল, রঘুবংশবাবুদের মতো রাজনীতিক ক্লাস ক্র঩মেই বিদায় নিচ্ছে ভারত থেকে। এই মাসে দুজন এই পুরনো আদর্শগত ঘরানার রাজনীতিক চলে গেলেন। প্রণব মুখোপাধ্যায় ও রঘুবংশপ্রসাদ সিং। এই ওল্ড স্কুল পলিটিক্স বিস্মৃতির আড়ালে চলে যাচ্ছে দ্রুত।
তিনি আক্ষেপ করতেন, তোমাদের বাংলার মতো যদি এতজন সমাজ সংস্কারক অন্য রাজ্যেও থাকতেন, তাহলে দেশের বিভিন্ন অংশে পিছিয়ে পড়া রাজ্যের মানুষ শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে অনেকটা এগিয়ে যেত। তোমাদের রামমোহন থেকে বিদ্যাসাগর। শ্রীরামকৃষ্ণ থেকে স্বামীজি। রবীন্দ্রনাথ থেকে সুভাষচন্দ্র। তালিকাটা দেখলে ভারতের যে কোনও রাজ্য ঈর্ষা করবে। এর মধ্যে একজনকে পেলেও অন্য কোনও রাজ্য মাথায় তুলে রাখতো। আর সেই রাজ্যের সামাজিক চেতনাও অনেকটা বদল হয়ে যেত। রঘুবংশবাবু ছিলেন বৈশালীর জন্য গর্বিত। তিনি সর্বদাই বলতেন বুদ্ধদেব ও বৌদ্ধ সংঘের সংসদীয় গণতন্ত্রের কথা। একটি সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন, যেদিন তোমাদের এই মনীষীদের শিক্ষা পিছনের সারিতে চলে যাবে, সেদিন থেকেই দেখতে পাবে তোমরা নিজেদের জাতিগত বৈশিষ্ট্য হারাচ্ছো। নিজেদের অর্জন করা সংস্কৃতি ও শিক্ষা ধরে রাখতে না পারলে তখন অন্যদের নকল করতে হয়। তোমাদের কালচারই তোমাদের একটা সামাজিক কোঅর্ডিনেশনের কাজ করেছে। সেটা শিথিল হয়ে গেলেই নানারকম বিভাজনের কালচার মাথা চাড়া দেবে। সেটাই হবে প্রথম বিপদ।
আজ রঘুবংশবাবুর সেইসব কথাই সত্য প্রমাণিত হয়েছে। দেখা যাচ্ছে বাংলার সমাজ ও রাজনীতিতে সত্যিই অনুপ্রবেশ ঘটেছে বিবিধ ভিন্নসংস্কৃতি। আচমকা উচ্চবর্ণ বনাম নিম্নবর্ণ, হিন্দু বনাম মুসলিম, ঘটি বনাম বাঙাল—এই ইস্যুগুলি রাজনীতি এবং আমাদের নিত্যদিনের আলোচনায় ঢুকে পড়েছে। পশ্চিমবঙ্গে এই ইস্যুগুলি কি ছিল না? অবশ্যই ছিল। কিন্তু কখনও প্রত্যক্ষ রাজনীতির পরিসরে কিংবা ভোটের কৌশল হিসেবে সামনে আসেনি। স্বাধীনতার পর থেকেই সিপিএম এবং কংগ্রেস, যে যত কম অথবা বেশি ভোটই পাক, বিশুদ্ধ রাজনীতির বিশ্বাস ও সমর্থন থেকেই হারজিতের ফয়সালা হয়েছে। উচ্চবর্ণ, নিম্নবর্ণ, ঘটি, বাঙাল, ধনী, দরিদ্র, গ্রাম, শহর বিভিন্ন বিভাজিত সমাজের ভোট সব দলই পেয়েছে। কোনও অংশের ভোট কোনও একটি দলই পেয়েছে, এরকম হয়নি কখনও। ১৯৭৭ সালের সিপিএমের ল্যান্ড রিফর্মসের পর এমন হয়নি যে বাংলার সব চাষিই ঢেলে সিপিএমকে ভোট দিচ্ছে। গ্রামে গ্রামে কংগ্রেসও জয়ী হয়েছে। পরবর্তীকালে তৃণমূল। এমনকী বিজেপিও যে শুধু‌ই ঩হিন্দুর ভোট পাচ্ছে বা উচ্চবর্ণের, তাও নয়। যদিও তাদের রাজনৈতিক নীতি হল হিন্দুত্ববাদী। কিন্তু বাংলাবাসী সেই ধর্মীয় ভিত্তিতেই ভোটে বিপুল সাড়া দিয়েছে এমন নয়। হয়তো আরও নানাবিধ কারণ আছে।
ক্রমেই ভোট চাওয়া ও ভোট পাওয়ার প্যাটার্নটা বদলে যাচ্ছে। অনেক বেশি বেশি করে আজকাল বিভাজিত করে দেওয়া হচ্ছে সমাজকে। এভাবে ক্রমেই হয়তো আগামীদিনে নানারকম ভোটব্যাঙ্ক তৈরি হবে বাংলায়। কাস্ট, ধর্ম, জাতির ভিত্তিতে। যা অন্য রাজ্যগুলিতে আছে। সেই প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই যে সমাজকে বিভাজিত করার একটা পরীক্ষা করে রাজনৈতিক দলগুলি দেখতে পাচ্ছে বেশ সাফল্য পাওয়া যাচ্ছে, এই সুযোগটা তাদের আমরাই করে দিচ্ছি। বাংলার মানুষ ক্রমেই বদলে যাচ্ছে। তারা এই ফাঁদগুলিতে পা দিয়েছে। ওই রাজনীতি ও সামাজিক বিভাজনের ইস্যুতে অংশ নিতে শুরু করেছে। এই সুযোগ রাজনীতি নেবেই। এবং নিচ্ছে।
এর ফলে জাতিগতভাবে বাঙালি শক্তিহীন হয়ে যাচ্ছে। ধর্ম, কাস্ট, সাবকাস্ট ইত্যাদি ভাবে যতই বাঙালি বিভাজিত হতে থাকছে, ততই যে কোনও কমন ফ্যাক্টর অর্থাৎ সামগ্রিক বাংলার স্বার্থের ইস্যুতে আর কেউ একজোট হতে পারছে না। এভাবে ক্রমেই সম্মিলিত ভাবনার পরিবর্তে পৃথক পৃথক অদৃশ্য দ্বীপ তৈরি হয়ে যাচ্ছে সমাজে। আগামী বছর ভোট আসছে। তাই এখন থেকেই আমাদের বুঝে নিতে হবে কারা সামান্য হলেও কাজের ক্ষেত্রে বিশ্বাস অর্জন করতে পেরেছে বা পারবে। জনস্বার্থে যাদের দিয়ে কিছু অন্তত উপকার পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ আমাদের মতো সাধারণ ভোটারদের ডাইরেক্ট আর্থ-সামাজিক-পারিবারিক লাভ কীসে হবে, সেটাই দেখা দরকার। এই মারাত্মক করোনা সংক্রমণ, লকডাউন, অসংখ্য জীবিকার সর্বনাশ, অন্ধকারাচ্ছন্ন রোজগারের সম্ভাবনা, পরীক্ষা, চাকরির সুযোগ পাওয়া..এসব জ্বলন্ত ইস্যু঩কেই কি আমরা সবথেকে বেশি অগ্রাধিকার দেব? নাকি আরও বেশি বেশি গুরুত্বহীন চর্চা ও অজানা স্বপ্ন ও প্ররোচনায় ঝাঁপ দেব? সিদ্ধান্ত আমাদেরই নিতে হবে। সাধারণ মানুষের কিন্তু সুখ ও স্বস্তি দুইই চাই!  
18th  September, 2020
কৈলাসে ফিরতে
মন চাইবে না মা
হারাধন চৌধুরী

আমাদের পাশে থেকো মা। তোমাকে কথা দিচ্ছি, আগামীবার এসে দেখবে—আমাদের এই পৃথিবীর সমস্ত অসুখ সেরে গেছে। আমাদের কারও মধ্যে ছোঁয়াছুঁয়ির ভয় নেই, কোনওরকম ছুঁৎমার্গ নেই। বিশদ

মূকরাই সরব হবেন যথাসময়ে
পি চিদম্বরম

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যে পৃথিবী বিপুলভাবে সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠেছে সেখানে দরিদ্র বা গরিব রয়ে যাওয়াটা এক দুর্ভাগ্য। একটা দরিদ্র দেশে দরিদ্র থাকাটা গণতন্ত্রের ব্যর্থতা। আর একটা গরিব দেশের গরিব রাজ্যে দরিদ্র থেকে গেলে তাকে রাজনীতির অভিশাপ মানতে হবে।  বিশদ

28th  October, 2020
বিহারের ভোটে অনেক পাখি মারার ছক মোদির
সন্দীপন বিশ্বাস

২০১৫ সালে বিহার বিধানসভার নির্বাচনের খবর করতে গিয়ে দেখেছিলাম, বিজেপি সেখানে কী পরিমাণ টাকা ঢেলেছিল। সমস্তিপুর, বেগুসরাই, জামুই, ভাগলপুর, মুঙ্গের, খাগাড়িয়া, লক্ষ্মীসরাই ঘুরে দেখেছিলাম, পতাকা, ফেস্টুন, ফ্লেক্স দিয়ে বিজেপি শহর মুড়ে দিয়েছে। বিশদ

28th  October, 2020
উৎসব এবার চেতনার
মৃণালকান্তি দাস 

মন খারাপ। খুব মন খারাপ। সব আছে। অথচ কী যেন নেই! জীবনটা যেন এখন লুডোর গুটি। রোজ শুধু ওঠা-নামার খেলা। সবসময় মনে আতঙ্ক। যত না সংক্রমণে তার থেকে অনেক বেশি প্রিয়জনের থেকে দূরে চলে যাওয়ার। সেই নীলকণ্ঠ পাখিটা উড়ে গিয়েছে অজানা কোন অচিনপুরে। কিন্তু এই দুঃসময়েও মানুষ আগামীদিনের সুদিনের জন্য বুক বাঁধে। তাই তো এবারও মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পুজোর তোড়জোড়।   বিশদ

23rd  October, 2020
বেদ, পুরাণে বন্দিতা মহামায়া দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

 একদা দেবাসুর-সংগ্রামে ব্রহ্মশক্তির প্রেরণায় জয় হল দেবতাদের। একে বিজয় মহিমা মনে করে অগ্নি, বায়ু, বরুণ ও চন্দ্র এই চার দেবতা অহংকৃত ও গৌরবান্বিত হন। তাঁদের মুখমণ্ডলে কর্তৃত্বের পরিতৃপ্তি। বলদর্পে আচ্ছন্ন হয়ে সেই অমরবৃন্দ ভুলে গেলেন ব্রহ্মশক্তির কথা, যাঁর শক্তি ও অনুকম্পায় তাঁরা এতকাল শক্তিমান। বিশদ

22nd  October, 2020
বাৎসরিক আয়ু ক্রয়ের হাট
হারাধন চৌধুরী

 এবার পুজো হওয়াটা জরুরি। নিয়মরক্ষার হলেও। অন্যথায়, বাঙালি আরও বিষাদে ডুবে যাবে। উৎসব হলে মানুষের কেনাকাটা কিছুটা বাড়বে। যার ভিতরে অর্থনীতির জন্য সুখবর লুকিয়ে থাকে। বিশদ

22nd  October, 2020
পুজো হোক, লকডাউনে থাকুক উৎসব
সন্দীপন বিশ্বাস

এবার আমাদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আমাদের জয়ী হতেই হবে। তাই এবারের পুজো হোক অন্য পরিবেশে, অন্য মানসিকতায়। বাড়িতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটু আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং টিভিতেই হোক ঠাকুরদেখা। বিশদ

21st  October, 2020
প্রতিবাদে মাথা নোয়ায় পর্বতও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 নোট বাতিল কিংবা জিএসটির ক্ষেত্রে যে ডোন্ট কেয়ার দাপট মোদি সরকার দেখিয়েছিল, তা আপাতত উধাও। সব ইস্যুতেই এখন বিরোধীদের চরম বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যা তাদের ‘একচ্ছত্র’ ইমেজে বড়সড় একটা দাগ! বিশদ

20th  October, 2020
বৃদ্ধি ছাড়াই সংস্কার
পি চিদম্বরম

একটা ব্যাপারে সবাই একমত হতে পারি যে, নিজের মত, নীতি ও কাজের প্রচারে কোনও শাসক দল এবং সরকার—বিজেপি অথবা মোদি সরকারের মতো সফল হয়নি। এবং, এই উদ্দেশ্যে তারা যে-কোনও পরিমাণ টাকা খরচ করবে, যত দরকার কাউকে উৎপীড়ন করবে, যতটা প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে হুমকির মুখে রাখবে এবং যে-কোনও প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখবে। অতিশয়োক্তিটা ওদের কাছে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।   বিশদ

19th  October, 2020
অনেক হারানোর পুজো
হিমাংশু সিংহ

পুজোর ছুটির একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকে। উৎসবের অনেক আগে থেকেই সেই গন্ধে ম ম করে বাংলার গাঁ গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্র। সেই গন্ধের সঙ্গে আগমনি মিশে তৈরি হয় অদ্ভুত ঘোর লাগানো একটা অপেক্ষার। মা আসছেন। বাঙালির অনেক না পাওয়া ক্ষতবিক্ষত জীবনে এর চেয়ে পরম প্রাপ্তির আর কিছুই হতে পারে না। সেই অপেক্ষার সঙ্গেই মিশে যায় বিদেশে কাজ করা দত্ত বাড়ির ছেলে, দূরে বিয়ে হওয়া পাশের বাড়ির হেমন্তদার মেয়ের ঘরে ফেরার খুশি। 
বিশদ

18th  October, 2020
করোনা রোখার মন্ত্র ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’ 
তন্ময় মল্লিক

করোনা মোকাবিলায় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলার ও মাস্ককে জীবনসঙ্গী করার পরামর্শ হচ্ছে উপেক্ষিত। সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ। সকলের নজর সেই দিকেই। তাতে সাহসী হচ্ছে মানুষ। বাড়ছে বেপরোয়া ভাব। এগিয়ে আসছে বাংলার ভোট। প্রকট হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষমতা দখলের বাসনা। করোনার মধ্যেও ইস্যু পেলেই আন্দোলন। না থাকলে তৈরির চেষ্টা। অভিমুখ রাজ্যপাট। তাই কথায় কথায় মিছিল আর লড়াই।  
বিশদ

17th  October, 2020
অতিরিক্ত দিল্লি নির্ভরতাই বঙ্গ-বিজেপির সঙ্কট
সমৃদ্ধ দত্ত

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মতো ঝোড়ো আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেননি আর কেউই। সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু-স্রোত। এই সঙ্কটের মধ্যেই তাঁকে কাজ করতে হয়েছে। তাঁকে অভীধা দেওয়া হয় বাংলার রূপকার। কিন্তু ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ছিল, তিনি কৃষিকে অবহেলা করেছেন। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে তিনি যতটা উন্নতিসাধন করেছিলেন শিল্পে, সেই তুলনায় কৃষির উন্নয়ন কম হয়েছে।  
বিশদ

16th  October, 2020
একনজরে
ট্যুইটারে লাদাখকে চীনের অংশ হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এনিয়ে ভারতের যৌথ সংসদীয় কমিটির প্রশ্নের মুখে ট্যুইটার ইন্ডিয়া। তাদের তরফে বিষয়টি নিয়ে এই মাইক্রোব্লগিং সাইট কর্তৃপক্ষের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়। যার উত্তরে সংশ্লিষ্ট কমিটিকে ট্যুইটার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, এ ব্যাপারে তারা ভারতের ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ভুয়ো ভাউচার ছাপিয়ে ময়নার শ্রীকণ্ঠা সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি থেকে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগ উঠল সমিতির ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। গত ১৭ অক্টোবর সমবায় সমিতির সম্পাদক সুবোধচন্দ্র মাইতি ম্যানেজার সোমনাথ দাসের বিরুদ্ধে ময়না থানায় এফআইআর করেছেন।   ...

কাশ্মীর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহল, বিশেষ করে দুই মুসলিম দেশের কাছে বড় ধাক্কা খেল পাকিস্তান। জম্মু ও কাশ্মীরের উপর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মঙ্গলবার ইরানে কালা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইমরান খানের সরকার। এমনকী, সৌদি আরবের রিয়াধেও সেই ...

করোনা আবহেও লক্ষ্মীর আরাধনার বাজেটে খামতি পড়েনি। এমনকী বাইরে থেকে চাঁদা আদায়ও নয়। গ্রামবাসীরাই বছরভর মাটির ভাঁড়ে যে টাকা জমিয়েছেন, তাতেই হচ্ছে পুজোর আয়োজন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব আছে। কর্মরতদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস
১৯৬৯: ইন্টারনেটের আগের স্তর আরপানেটের আবিষ্কার
১৯৭১: অস্ট্রেলিয় ক্রিকেটার ম্যাথু হেডের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রীমা সেনের জন্ম
১৯৮৫: বক্সার বিজেন্দর সিংয়ের জন্ম
১৯৮৮: সমাজ সংস্কারক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৯: ওড়িশায় ঘূর্ণিঝড়ে কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু
২০০৫: দিল্লিতে পরপর তিনটি বিস্ফোরণে অন্তত ৬২জনের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৪৭ টাকা ৯৭.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৫.২৮ টাকা ৮৮.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫১,৮১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৯,৮৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী ২৩/৫২ দিবা ৩/১৬। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র ১৫/৪১ দিবা ১২/০। সূর্যোদয় ৫/৪৩/১৬, সূর্যাস্ত ৪/৫৭/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৩ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১০ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।
১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী দিবা ৩/২১। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র দিবা ১/১২। সূর্যোদয় ৫/৪৪, সূর্যাস্ত ৪/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৮ মধ্যে ও ১/১১ গতে ২/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ৩/১৪ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৫/৪৫ মধ্যে। কালবেলা ২/১০ গতে ৪/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৭ মধ্যে।
১১ রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বাগনানে বনধ, রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের 
বনধ ঘিরে বাগনানে অশান্তি। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে,ব্যারিকেড ফেলে বিক্ষোভ দেখান ...বিশদ

12:49:00 PM

পুরুলিয়ায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যু, চাঞ্চল্য 
বুধবার রাতে পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যুতে ...বিশদ

12:47:00 PM

পুরুলিয়ায় যুবককে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ 
এক যুবককে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে পুরুলিয়ার কোটশিলা থানার পুলিস শিবরাম ...বিশদ

12:42:42 PM

প্রয়াত বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার সুকুমার হাঁসদা
কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হল ডেপুটি স্পিকার তথা ঝাড়গ্রামের ...বিশদ

12:39:00 PM

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে গুলির চেষ্টা 
পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে গুলির চেষ্টা। ঘটনাটি ঘটেছে তপসিয়া এলাকার কোহিনুর ...বিশদ

12:02:31 PM

নন্দীগ্রামে বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার গাড়ির নীচ থেকে উদ্ধার বোমা
নন্দীগ্রামের কেন্দেমারি-জালপাই গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মানসুরা বেগমের স্বামী তথা বহিষ্কৃত ...বিশদ

11:55:04 AM