Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

‘সোনার কেল্লা’ ছবির দৃশ্যটা নিশ্চয়ই সকলের মনে আছে। জয়সলমিরে যাওয়ার আগে ফেলুদা জটায়ুকে বলেছিলেন, কোনও প্রশ্ন করা চলবে না। আর গাড়িতে যেতে যেতে জটায়ু বার বার নিজের মনেই আউড়াচ্ছিলেন ‘কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস। কোনও প্রশ্ন নয়।’ বর্তমান পরিস্থিতিতে জটায়ুর সেই সংলাপটাই মনে পড়ে গেল। কেননা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজত্বে তাঁকে কোনও প্রশ্ন করা যায় না। তিনি কোনও সাংবাদিক সম্মেলন করেন না। তিনি শুধু জাতির উদ্দেশে বার্তা দেন। তাঁর কথাই শেষ কথা হয়ে ওঠে। ক্ষমতায় আসার পর থেকে এতগুলো বছরে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হননি। প্রধানমন্ত্রীর সাহস ও বীরত্বের ‘লোককথা’ যতই দলের তরফে এবং নিজমুখে প্রচারিত হোক না কেন, এটা বলতেই হয় যে, তিনি এবং তাঁর সরকার যে-কোনও ধরনের প্রশ্নকেই ভয় পায়। এই ভয়টা যে নতুন, তা নয়। তা গোড়াতেও ছিল। এখন যত দিন যাচ্ছে, ভুলভাল সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, জনপ্রিয়তা কমছে এবং এই প্রশ্নভীতি ততই বাড়ছে। তিনি শুধুমাত্র পছন্দের কাউকে প্রশ্নের উত্তর দেন। সেই প্রশ্ন অবশ্য তৈরি করে দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে। তার মানে, তিনি নিজের তৈরি প্রশ্নের উত্তর দিতে সব থেকে বেশি ভালোবাসেন।
এমনকী সংসদেও প্রশ্নোত্তর পর্ব বাতিল। সংসদে যাঁরা উপস্থিত থাকেন, তাঁরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত। তাঁরাই সংসদে জনগণের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠেন। সেখানে প্রশ্নোত্তর পর্বকে খর্ব করা মানে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা। আমরা কোনও রাজতন্ত্রে বাস করি না। কিন্তু কেন সরকার এমন পদক্ষেপ নিল? আসলে সরকার ভালো করেই জানে, সংসদ বসলেই প্রশ্নোত্তর পর্বে তাদের দিকে উম-পুন ঝড়ের মতো অসংখ্য অপ্রিয় প্রশ্ন উড়ে আসবে। করোনা নিয়ে সরকারের লেজে গোবরে হওয়া, সুশান্ত-রিয়া বিতর্ক, কঙ্গনার ওয়াই-প্লাস ক্যাটিগরির নিরাপত্তা, শিক্ষানীতি ইত্যাদি প্রশ্নের চাপে সরকারের নাভিশ্বাস উঠতে পারত। তার থেকে বাঁচতে কেন্দ্র সংসদীয় গণতন্ত্রের ঘরে তালা মেরে বলে দিল , কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
প্রশ্নকে ভয় পাওয়া বা মোদিজির প্রশ্ন-ফোবিয়া নিয়ে একটা গল্প শোনা যাক। এটা রয়েছে সাংবাদিক করণ থাপারের ‘ডেভিলস অ্যাডভোকেট’ বইতে। সেখানে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে তাঁর অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন। যেমন রাজীব গান্ধী, প্রণব মুখোপাধ্যায়, এল কে আদবানি প্রমুখ। এই বইয়ের শেষ অধ্যায়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে নরেন্দ্র মোদির সাক্ষাৎকার এবং পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে অনেক কথা বলেছেন করণ। ২০০৭ সালে আমেদাবাদে মোদির সাক্ষাৎকার নিতে যান করণ। তখন মোদি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। ২০০৭ সালে মোদির সাক্ষাৎকার নিলে গোধরা প্রসঙ্গ আসবেই। স্বাভাবিকভাবেই গোধরা কাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন এসে যায়। ২০০৪ সালে গোধরা কাণ্ড নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট মোদিকে বলেছিল,‘আধুনিক যুগের নিরো’। করণ সেটা নিয়েও প্রশ্ন করেন। মোদিজি এসব প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এড়িয়ে যান। একটু পরে মোদিজি মাইক্রোফোন খুলে দিয়ে বলেন, ‘আমাকে একটু বিরতি নিতে হবে। আমার তেষ্টা পেয়েছে।’ তারপর আর মোদি তাঁকে ইন্টারভিউ দেননি। করণ থাপার অনেক চেষ্টা করেছিলেন, ইন্টারভিউটা শেষ করতে। কিন্তু তাঁর সেই চেষ্টা সফল হয়নি। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর করণকে ফিরে আসতে হয়। তার আগে মোদি তাঁকে চা, মিঠাই এবং গুজরাতি ধোকলা খাইয়ে তবে ছাড়েন। সাক্ষাৎকার না দিলেও মোদি তাঁর সঙ্গে সেদিন খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহার করেছিলেন। আসার সময় হাসিমুখে মোদি তাঁকে বলেছিলেন, ‘আপনার যা মত, আপনি তা বলতে থাকুন, কিন্তু আমাদের বন্ধুত্ব বজায় থাকবে।’
মুখে মোদি সেকথা বললেও, সেই বন্ধুত্ব থাকেনি। আর কখনও তিনি সাক্ষাৎকার দেননি। এমনকী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তাঁর মন্ত্রিসভার কেউই করণকে কোনও সাক্ষাৎকার দেননি। অবশেষে করণ অমিত শাহের দ্বারস্থ হন। অমিত কথা দেন তিনি সাক্ষাৎকার দেবেন। কিন্তু তিনিও দেননি। বিষয়টি নিয়ে তিনি বিজেপির অন্দরে নানাভাবে খোঁজখবর নিতে থাকেন। করণ পরে বিশিষ্ট রাজনীতিক, এমপি, ডিপ্লোম্যাট পবন ভার্মার কাছ থেকে কিছু কিছু কথা শোনেন। পবন ছিলেন প্রশান্ত কিশোর এবং নীতীশ কুমারের খবই ঘনিষ্ঠ। ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে মোদির মেন্টর হিসেবে কাজ করেছিলেন প্রশান্ত কিশোর। সেইসময় প্রশান্ত বার বার মোদিকে শেখাতেন, কীভাবে অপ্রিয় প্রশ্নের মোকাবিলা করতে হয়। তখন মোদি প্রশান্ত কিশোরকে বলেছিলেন, ‘আমি সেদিন সুকৌশলে করণের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহার করেছিলাম। যাতে ও আমার মতিগতি বুঝতে না পারে।’ মোদি সেদিন প্রশান্ত কিশোরকে আরও বলেছিলেন, করণকে তিনি কোনওদিন ক্ষমা করবেন না। সুযোগ পেলে এর জবাব দেবেন। এই গল্পের সব তথ্যটুকুই করণের লেখা থেকে পাওয়া।
সুতরাং কারও প্রশ্নের উত্তর না দেওয়ার স্বভাবটা তিনি যে দীর্ঘদিন ধরেই গড়ে তুলেছেন, সেটা বোঝাই যায়। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর নরেন্দ্র মোদি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হননি। হয়তো করণের সেই সাক্ষাৎকারের স্মৃতি তাঁকে তাড়িয়ে মারে। ফেলে আসা দিনের কালো কালো প্রশ্নগুলো আবার যদি উড়ে আসে? অতীতের বা এখনকার নানা ব্যর্থতার কৈফিয়ত চেয়ে বসেন সাংবাদিকরা? সেই ভয় থেকেই কি তিনি সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান?
ইংরেজিতে একটা শব্দ আছে। অ্যালোডোক্সাফোবিয়া। এর অর্থ, যিনি অন্যের মতামত বা ভিন্নমত শুনতে ভয় পান। অর্থাৎ এঁরা শুধু স্তুতিই পছন্দ করেন। অতীতে রাজতন্ত্রের কালে এমন রাজা অনেক এসেছেন। রাজবিরোধী কথা বললেই তাঁরা প্রজাদের প্রাণ নিতেন, শূলে চড়াতেন। এখন সেই অতীত নেই। এখন গণতন্ত্রের কাল। সকলের সমানাধিকার। এখন দেশের মানুষ প্রশ্ন তুলতে পারেন। বলতে পারেন, ‘রাজা, তোর কাপড় কোথায়?’ দেশের গণতন্ত্র এবং সংবিধান তাঁকে সেই অধিকার দিয়েছে। নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর ‘উলঙ্গ রাজা’ কবিতায় উল্লেখিত পরান্নভোজী, কৃপাপ্রার্থী, উমেদার, প্রবঞ্চকরা অবশ্য যুক্তি দিয়ে বলবেন, ‘রাজবস্ত্র সত্যিই অতীব সূক্ষ্ম,/ চোখে পড়ছে না যদিও, তবুও আছে,/ অন্তত থাকাটা কিছু অসম্ভব নয়।’
এই মুহূর্তে সুশান্ত-রিয়া, কঙ্গনা নিয়েও অনেক প্রশ্ন মানুষের মনে। কেন হঠাৎ এদের খবরে তুলে আনা হল? কারণ মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল। সুশান্ত সিং রাজপুতের প্রতি সহমর্মিতা দেখিয়ে রিয়া চক্রবর্তীকে স্কেপগোট করা হল সিবিআইকে দিয়ে আর অন্যদিকে কঙ্গনা রানাওয়াতকে দেবী বানিয়ে ফেলা হল। তিনি যেন জোয়ান অব আর্ক। সুতরাং চুলোয় যাক করোনা। প্রতিদিন রোজ আক্রান্তের সংখ্যা এক লক্ষ ছুঁয়ে ফেললাম যে! এহ বাহ্য, আগে কহ আর। বিহারে সাম্প্রতিক বন্যায় আশি লক্ষেরও বেশি মানুষ গৃহহীন! এহ বাহ্য, আগে কহ আর। আরে বাবা, জিডিপি মৃত্যুশয্যায়, মানুষের চাকরি চলে যাচ্ছে! এহ বাহ্য, আগে কহ আর।
সুতরাং বলার মধ্যে রইল সুশান্ত-কঙ্গনা কথা। হায় রে, করোনা তুমি হেরে গিয়েছ সুশান্ত, কঙ্গনার কাছে। সুশান্ত সিং রাজপুতের পুরনো গল্পটা অনেকেই জানেন। ২০১৮ সালে সুশান্ত অভিনীত ‘কেদারনাথ’ ছবিটা রিলিজ করেছিল। সেইসময় গেরুয়া পার্টি হুল্লোড় করে নেমে পড়েছিল ছবিটাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার জন্য। সুশান্ত সেই ছবিতে মনসুর নামে এক মুসলিম ডুলিবাহকের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। সারা ছিলেন সেই ছবিতে একটি হিন্দু পুরোহিতের মেয়ে। এই দু’জনের প্রেম বা লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল গেরুয়া বাহিনী। সুশান্তের ছবি সংবলিত পোস্টারে তারা আগুন ধরিয়ে তখন কী না বলেছিল! এখন ভোটের তাগিদে তাঁর কাছেই নতজানু হতে হল। এখন তাঁর ছবি নিয়ে, তাঁকে মহান সাজিয়ে ভোটে ফায়দা লোটার দ্বিচারিতা করতেও তাদের বাধছে না। সুশান্ত ছেলেটা নাকি এতই ভোলাভালা যে, সে নেশা বস্তুটা কী জানত না, একের পর এক প্রেম করে যাওয়া কী জানত না। ওই রিয়া মেয়েটাই নাকি ওর মাথা খেয়েছে। সুতরাং আহারে, সুশান্ত তোমাকে আমরা ভুলছি না, ভুলব না। সুশান্তকে শহিদের মর্যাদা দিয়ে ‌জয়বাবা ভোটনাথ বলে বিজেপি বিহার মাতিয়ে তুলেছে। এরাজ্যে বসে তার আঁচ পাওয়া সহজ নয়।
‘পদ্মাবতী’ ছবির কথা মনে পড়ছে? ছবিটার নাম ‘পদ্মাবত’ করে ছাড়ল। সেই ছবির শ্যুটিংয়ের সময় বার বার করণি সেনার হামলার ঘটনা ঘটেছে। করণি সেনা দীপিকার মুণ্ড কেটে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছিল। কই, সেই সময় তাঁকে কোনও নিরাপত্তা দেওয়ার কথা তো ভাবা হয়নি? আজ হামলার আশঙ্কার কথা জানাতেই কঙ্গনা পেয়ে গেলেন ওয়াই প্লাস ক্যাটিগরির নিরাপত্তা? আর তাও পুরো মুফ‌ত মে। ২০১৩ সালে মুকেশ আম্বানির উপর হামলার আশঙ্কায় তাঁকে জেড ক্যাটিগরির ঩নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। সেজন্য তাঁকে প্রতি মাসে ১৫ থেকে ১৬ লক্ষ টাকার বিল পাঠানো হতো। এখন ওসব যুক্তিতর্কের দিন নয়। উপেক্ষিত এই গণতন্ত্রের ধস্তভূমিতে দাঁড়িয়ে আমাদের কি তবে শুধু ওই জটায়ুর মতো বিড় বিড় করে বলে যেতে হবে, ‘কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস?’ নাকি সবাই গলা মিলিয়ে বলব, আমরা প্রতিটি কাজের জবাব চাই।
16th  September, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
 ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়াল আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। বিতর্কিত নাগোর্নো-কারাবাখ এলাকার দখল নিয়েই দুই দেশের লড়াই। রবিবার থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে দু’পক্ষের ২৩ জনের। আহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি। ...

বরফ দেওয়া থার্মোকলের বাক্সের ভিতরে বোঝাই করে চলে আসছে ‘রুপোলি শস্য’। কোথাও নদীপথ, কোথাও কাঁটাতারের ফাঁক গলে এপারে তারা। চকচক করতে থাকা আটশো থেকে এক ...

সংবাদদাতা, পতিরাম: গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মোহিনীপাড়ায় রবিবার গভীর রাতে ভেঙে গেল পূনর্ভবা নদী বাঁধের একাংশ। ভোররাত থেকেই বাঁধ বাঁচাতে কাজ শুরু করেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সেচ দপ্তর। যদিও রবিবার রাত থেকেই ওই নদী বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় জল ঢুকে ...

ঘূর্ণিঝড় উম-পুনে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক অনুদান দিচ্ছে রাজ্য সরকার। শহরাঞ্চলে সেই প্রক্রিয়া চালাচ্ছে কলকাতা পুরসভা। প্রায় সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই জমা পড়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ১০৪/৩ (১৫ ওভার) 

10:58:27 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ৫৪/২ (১০ ওভার) 

10:33:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ১২৮/২ (১৬ ওভার) 

09:09:08 PM