Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ফেসবুক দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়ালে কার লাভ হয়?

২০১৯। সাধারণ নির্বাচনের আগে একটি কাগজের  হেডলাইন ছিল ‘গুগল কি ভারতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে?’ খবরটা বেরনোমাত্রই ‘গুগল’ অস্বীকার করেছিল। কিন্তু অন্যকিছু সংস্থা টের পায়, গুগলে যেভাবে প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই তথ্য একটু সংশ্লেষণ করলে দ্বিধান্বিত ভোটারদের সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব। ফেসবুক সর্ববৃহৎ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। আমেরিকার বেশ কিছু কাগজে প্রকাশিত হয়েছে যে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও শাসক দলের ঘৃণা ও বিদ্বেষপূর্ণ মেসেজ এবং ভিডিও ফেসবুক সরায়নি। কেন? উদ্দেশ্য কী? অভিযোগ যে, তারা ব্যবসার ক্ষতি করতে চায়নি। কিন্তু এর সঙ্গে ফেসবুকের ব্যবসার কী সম্পর্ক? তাহলে  যে অভিযোগ উঠছে, সোশ্যাল মিডিয়া দিয়ে ভোটকে প্রভাবিত করা যায়, সেটা কি সত্যি ?  
এইসময়ে শুধুমাত্র হোয়াটসআপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ভারতে প্রায় ৫০ কোটি। এটা আবার ফেসবুকেরই সহযোগী সংস্থা। গত লোকসভা ভোটে ভারতে  প্রায় ৯০ কোটি মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। তাহলে নির্বাচকমণ্ডলীর প্রায় অর্ধেকের বেশি মানুষ এই মাধ্যম ব্যবহার করেন। সুতরাং যদি কোনও দল চায় যে এই  মাধ্যমকে তারা তাদের মতো করে ব্যবহার করবে এবং সত্যি মিথ্যে মেশানো খবর  প্রচার করবে, তাহলে তারা কী করবে? ইদানীং শোনা যাচ্ছে, বাংলায় দুর্গাপুজোতে লকডাউন থাকবে! এমন একটি গুজব হোয়াটসআপে বিতরণ করা চলছে। এসব কি শুধু প্রশাসনিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব? যারা এই মাধ্যমগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করেন তাঁরা তো এই গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করবেন। এতে সমাজেও কি ক্ষতি হয় না? বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি ঘোষণা করলেন যে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিন্দু-বিরোধী, এবার কোনও মানুষ দুটো বার্তাই তাঁর হোয়াটসআপে পেলেন, তিনি তো বিশ্বাস করে ফেলতেও পারেন যে এই বার্তার মূল নির্যাসটি সত্যি।
উল্টোদিক থেকে দেখলে এই সামাজিক মাধ্যমগুলোর কী লাভ? মানে তাঁরা এই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলতে চাইবে কেন? একটাই কারণে, ভারত বা পিছিয়ে পড়া কিছু দেশে এখনও বেশিরভাগ মানুষের কাছে ইন্টারনেটের মানে এই সামাজিক মাধ্যম বা খুব বেশি হলে একটু আধটু মেইল দেখা বা করা। সেখানে এরকম একটি সামাজিক মাধ্যমকে যদি দেখানো যায় এই প্রক্রিয়াকেই ইন্টারনেট বলে তাহলে লাভই লাভ। অথচ সত্যিটা কী?   যদি গুগল করা যায় ‘ভারত’ শব্দটি লিখে, তাহলে যতটা ভারতের চেহারা দেখতে পাওয়া যায়, ততটাই ভারত গুগলের বাইরে পড়ে থাকে। কেউ মনে করতেই পারে যে ইন্টারনেট তাঁদের অধিকার, অথচ এই ভারতেই সবচেয়ে বেশিদিন ইন্টারনেট বন্ধ থেকেছে। তা নিয়ে কিন্তু ভারতবাসী খুব বেশি সোচ্চার হয়নি। ইন্টারনেটের স্পিড বেশিরভাগ স্থানেই ধীর এবং পরিবর্তনশীল। অথচ ভারতবাসীর স্মার্টফোন কেনার প্রবণতা ঊর্ধ্বমুখী, হয়তো-বা বিশ্বে প্রথম। ভারতে এখনও মহিলাদের মধ্যে মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ২১ শতাংশ মাত্র—পুরুষদের অর্ধেক। সামাজিক কারণেই মহিলারা পুরুষদের তুলনায় অনেক কম ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। দেখা গেছে, গ্রামীণ ভারত যেখানে দেশের তিনভাগের দু’ভাগ মানুষ বসবাস করেন। তার চারভাগের একভাগের কাছে ইন্টারনেট আছে।
অনেকে ভাবতে পারেন, ফেসবুক তো একটা বন্ধুত্বের মাধ্যম, এর মধ্যে ব্যবসা কোথায়? এ তো শুধু পরিচিতদের সঙ্গে আরও বেশি জুড়ে থাকার মাধ্যম। এতে কী করে ব্যবসা হবে? খেয়াল করলে দেখা যাবে, বেশকিছু পোস্টে একটা কথা লেখা থাকে—‘স্পনসর্ড’ অর্থাৎ পয়সা দিয়ে সামনে আনা হয়েছে। কিন্তু শুরুটা কি এরকম ছিল? ফেসবুক যখন প্রথম আসে তখন কিন্তু কর্ণধার জুকেরবার্গ দেখেছিলেন, ব্যবসা বাড়াতে হলে তাঁকে ভারতেই বাড়াতে হবে। ২০১৪। একটি হেলিকপ্টার চড়ে রাজস্থানের প্রত্যন্ত গ্রাম চান্দৌলিতে পৌঁছন। তখনও জানতে পারেননি, কত বড় বাজার ওঁর জন্য অপেক্ষা করছে। জুকেরবার্গ খুব ভালো করে জানতেন, কী করে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারীকে প্রথমে ক্রেতা, তারপর বিক্রেতা বানিয়ে ফেলা সম্ভব। ভারতের মতো দেশে যদি বিনামূল্যে ফোন এবং ইন্টারনেট দেওয়ার লোভ দেখানো যায়  তাহলেই অর্ধেক কাজ শেষ। একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী ইন্টারনেটে যদি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের খোঁজ করেন, তাহলে প্রতিটি পোস্টের আশেপাশে  কীভাবে ওই জিনিসগুলোর অনলাইন সরবরাহ পেতে পারেন তার বিজ্ঞাপন আসতে থাকে মুহুর্মুহু। কীভাবে একজন মানুষের পছন্দ-অপছন্দকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, কীভাবে পাড়ার দোকান থেকে না কেনাটাকেই নিয়মে পরিণত করে ফেলা যায় সেটাও এই নিয়ন্ত্রণের অঙ্গ। আর একটি কথা—এই যে অনেকে বলছেন, প্রধানমন্ত্রী ‘অপরিকল্পিত’ লকডাউন ঘোষণা করেছেন, আদপেই তা নয়, উনি খুব জেনে বুঝে এই লকডাউন ঘোষণা করেছেন যাতে মানুষ আরও ডিজিটাল হয়, মানুষ আরও সোশ্যাল মিডিয়ামুখী হয়ে ওঠে এবং বেশি অনলাইন কেনাকাটা করে। আর সেখানেই প্রতিটি বিজ্ঞাপনে ফেসবুকের লাভ হবে। ঘটনাচক্রে তাই হয়েছে।  
এই বড় টেকনোলজিক্যাল কোম্পানি এবং ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল একে অন্যের পরিপূরক। ফেসবুক এমন একটা শক্তিশালী মাধ্যম সেটাতে যদি কোনও ঘৃণা বিদ্বেষপূর্ণ ভিডিও বা মেসেজ কিছুক্ষণ ছড়ানো যায় তাহলে তারপর সেটা হোয়াটসআপ মারফত মুহূর্তে কোটি কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।  ঠিক এই বিতর্কটি সম্প্রতি সামনে এনেছে আমেরিকার একটি সংবাদপত্র। তাঁরা বলেছে, ভারতে যিনি এই সংক্রান্ত বিষয়ে দায়িত্বশীল,  তিনি ক্ষমতাসীন দলের মুখপাত্রদের ঘৃণা ও উস্কানিমূলক বক্তব্যকে ফেসবুকে প্রচারিত হতে দিয়েছেন। শোনা যাচ্ছে, দিল্লির দাঙ্গা এবং অন্যান্য কিছু ছোটখাটো দাঙ্গার ক্ষেত্রে আভ্যন্তরীণ কর্মীদের বিরোধিতা সত্ত্বেও এই ধরনের প্রচারকে আটকানো হয়নি। তা হলে প্রশ্ন ওঠে, ফেসবুকের কি আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত ছিল না?
প্রচলিত সংবাদমাধ্যমগুলোর নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে, সম্পাদকমণ্ডলী আছে, পাঠকসমাজের কাছে দায়বদ্ধতা থাকে, কিন্তু এই ফেক খবর উৎপাদনকারী সামাজিক মাধ্যমগুলোর কোনও দায়-দায়িত্ব নেই। সেজন্য বারে বারেই দেখা গেছে, বিভিন্ন দেশে ফেসবুক এই ধরনের কাজকে ঘুরিয়ে সমর্থন করে। কেন? তা হলে কি ফেসবুক নিজে এই  ঘৃণা-বিদ্বেষের রাজনীতিকে সমর্থন করে? এখানেই আসে মনস্তত্ত্ব। মানুষের মনকে খুব সহজে তাঁরা পড়তে পারে। মানুষ বিশ্বাস করতে চায় না অনেক কিছু। দেখা গেছে, তাও সে সাম্প্রদায়িক হিংসা ও ঘৃণা সঞ্চারক  ভিডিও দেখে। কেন? অত্যাচারী তো বটেই, অত্যাচারিত সম্প্রদায়ের মানুষও কেন দেখে? কারণ তাঁরা মনে করে, এটা সত্যি হতে পারে না, কোনও জনপ্রতিনিধি এই ধরনের কথা বলতে পারেন না। যত এই ভিডিওগুলো মানুষ দেখে, যত বেশি করে পছন্দ করা, মন্তব্য করা বা শেয়ার করা বা এড়িয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে, তত তথ্য ফেসবুকের হাতে আসে, তত আচরণগতভাবে মানুষকে তারা চিহ্নিত করতে পারে। সেই অনুযায়ী মানুষকে চালনা করতে পারে সেইদিকে। এই ব্যবসায়িক উৎসাহদান শুধু ফেসবুকের নয়, সমস্ত সামাজিক মাধ্যম দিয়ে করা হয়। আর সেটাই ভারতীয় গণতন্ত্রের এই মুহূর্তের ধ্বংসের মূলে। তা হলে যার হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা, যার কাছে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করার অর্থ এবং লোকবল আছে সেই কি তবে জয়ী হবে?  
১৯৩৩। ৩০ জানুয়ারি। জার্মানিতে ক্ষমতায় আসেন অ্যাডলফ হিটলার। তাঁর প্রচারসচিব ছিলেন জোসেফ গোয়েবেলস। তিনি বলতেন, একটা মিথ্যেকে বারংবার বলা গেলে মিথ্যেটাও সত্যি বলে প্রতিভাত হয়। আজকের সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো এই কাজটাই করছে না কি? যাঁদের কথা আমরা অক্ষরে অক্ষরে বিশ্বাস করছি? ওই ৩০ জানুয়ারি, ১৯৪৮। খুন হন মহাত্মা গান্ধী। সেদিনই কি সত্যের হত্যা হয়েছিল? ভারতের বিরোধী দলের  কিন্তু দায়িত্ব বর্তায় মানুষের সামনে সত্যটা উন্মোচন করার। বড় টেকনোলজিক্যাল কোম্পানিগুলো ব্যবসা সম্প্রসারণের নামে এই ঘৃণ্য কাজটি করতে পারে না। এই সত্যিটা দেশের নাগরিকের সামনে তুলে ধরার মুখ্য দায়িত্বটা বিরোধীদেরই নিতে হবে। যাঁরা  নিজেরা রাজনীতি করেন না বলে সত্যিটা জেনে-বুঝেও মিথ্যেটা  মুখ বুজে মেনে নিচ্ছেন বা পাশ কাটিয়ে যাচ্ছেন, সেই অগণন জনতাও দেশের সর্বনাশের জন্য দায়ী থাকবেন। বহু সংস্কৃতি, ভাষা এবং ধর্মের এই ভারতে এটা করা শুধু ভুল নয়, অন্যায়ও বটে। এক্ষেত্রে কেউই দায়বদ্ধতা এড়াতে পারেন না।
 লেখক কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তুকার। মতামত ব্যক্তিগত
15th  September, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: ঝাড়গ্রাম জেলায় করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় আরও একটি করোনা হাসপাতাল তৈরির সিদ্ধান্ত নিল স্বাস্থ্যদপ্তর ও প্রশাসন। শহরের পুরাতন ঝাড়গ্রাম এলাকায় একটি নবনির্মিত মহিলা হস্টেলকে ৭৫ বেডের করোনা হাসপাতাল করা হবে।  ...

সংবাদদাতা, পতিরাম: গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মোহিনীপাড়ায় রবিবার গভীর রাতে ভেঙে গেল পূনর্ভবা নদী বাঁধের একাংশ। ভোররাত থেকেই বাঁধ বাঁচাতে কাজ শুরু করেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সেচ দপ্তর। যদিও রবিবার রাত থেকেই ওই নদী বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় জল ঢুকে ...

 ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়াল আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। বিতর্কিত নাগোর্নো-কারাবাখ এলাকার দখল নিয়েই দুই দেশের লড়াই। রবিবার থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে দু’পক্ষের ২৩ জনের। আহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি। ...

 প্যাকেট ছাড়া বিড়ি-সিগারেট বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল মহারাষ্ট্র সরকার। দেশের মধ্যে প্রথম রাজ্য হিসেবে মহারাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ। সে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য বিভাগের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এখন থেকে আর খোলা বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করা যাবে না। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ১০৪/৩ (১৫ ওভার) 

10:58:27 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ৫৪/২ (১০ ওভার) 

10:33:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ১২৮/২ (১৬ ওভার) 

09:09:08 PM